আকাবির-কথন
Ir al canal en Telegram
Mostrar más
El país no está especificadoLa categoría no está especificada
1 220
Suscriptores
+424 horas
+347 días
+4630 días
Archivo de publicaciones
1 220
সালাফে সালিহীন তথা পুণ্যাত্মা পূর্বসূরিগণ নিজেদের প্রতিটি মিনিট কাজে লাগাতে সচেষ্ট থাকতেন। আমির ইবনে কায়স রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে, জনৈক ব্যক্তি তাকে বলেছিল, আমার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলুন। উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'সূর্যকে থামিয়ে দিতে পারলে তোমার সাথে কথা বলতে পারি।' (অর্থাৎ সূর্য আর সময় অনবরত চলছে। তাহলে কথা বলে কীভাবে সময় নষ্ট করতে পারি?)
সাবিত বুনানী রহ.-এর ছেলে বলেন, আব্বাজানের ইন্তেকালের সময় আমি তালকীন করছিলাম। তখন তিনি বললেন, 'বেটা, আমাকে ছেড়ে দিয়ে এ সময়টা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকো।'
অনেক বুজুর্গকে লোকেরা মৃত্যুযন্ত্রণার সময়ও নামাজ পড়তে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করত। তখন তারা বলতেন, এখন তো আমার আমলনামা বন্ধ হয়ে যাবে। (তাহলে নেকী বৃদ্ধি করব না কেন?) প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে কারও যখন এটা বিশ্বাস হয়ে যাবে যে, মৃত্যুর মাধ্যমে তার আমল বন্ধ হয়ে যাবে, তখন সে অবশ্যই এমন কাজ করবে, যার সওয়াব মৃত্যুর পরও জারি থাকে। অনেক মুজাহাদা থাকার পরও সে এমনটা করবে।
দুনিয়াতে মানুষের কাজে লাগে কোনো সুবিধাজনক সম্পদ থাকলে সেটা আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দেয়া যায়। মানুষের উপকারার্থে রাস্তার পাশে গাছ লাগানো এবং খাল খনন করা যেতে পারে। বাবার মৃত্যুর পর আল্লাহর স্মরণ করবে এমন সন্তান কামনা করে দুআ করা। তাহলে বাবা কবরে শুয়ে শুয়েও সওয়াব পাবেন। আলেম হলে দ্বীনী কিতাবাদি রচনার চেষ্টা করা। কেননা দ্বীনী কিতাবে আলেমের অবদান সন্তানের প্রতি বাবার অবদানের মতো। আর সাধারণ মানুষ হলে সওয়াবের কাজ শিখে শিখে আমল করার চেষ্টায় লেগে থাকা উচিত। বস্তুত এমন লোকেরা মৃত্যুর পরও অমর হয়ে থাকে।
[প্রশান্ত অন্তর : ১৪৩]
1 220
বই নিয়ে এই জীবনে অনেক ধরনের পাগলামিই করেছি। যদিও বই পড়ার বয়স বেশি না। কত কত বই একাধিক অনুবাদ সংগ্রহ করলাম। যেটাকে তুলনামূলক ভালো মনে হয়েছে, সেটা সংগ্রহে রেখে অন্যটা রিসাইকেলে সেল করে দিছি। কিংবা নতুন বই সংগ্রহ করার জন্য ভালো বই—যা ওই সময় খুব দরকারি মনে হয়নি—তাও রিসাইকেলে সেল করে দিয়েছি...
বিদেশ আসার আগেও বেশকিছু বই হাতছাড়া হয়েছে। ওগুলো আবার নতুন করে সংগ্রহ করব ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি নতুন দরকারি বইগুলোও...
বই পড়ার ক্ষেত্রে একটা বড় ভুল করেছি সিরাত কম পড়ে। আবার পড়ার ফুরসত পেলে ধুমধাম অনেকগুলো সীরাত ও সাহাবাদের জীবনী পড়ে নেব ইনশাআল্লাহ।
নবী-জীবনী সংগ্রহ আবার বাড়াব ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি আর রাহিকুল মাখতুম আর নবীয়ে রহমত নিয়ে একটা পাগলামি করার ইচ্ছা আছে, আল্লাহ তাওফীক দিলে। এই দুটোর কমপক্ষে ৩/৪ টা করে অনুবাদ সংগ্রহ করব ইনশাআল্লাহ...
গার্ডিয়ানের বইয়ের প্রোডাকশন দারুণ। তারা একাডেমিক ধাঁচে কাজ করার চেষ্টা করে। তবুও, তাদের কোনো বই আমার সংগ্রহে নেই। দুয়েকটা যাও সংগ্রহ করেছিলাম, সাধারণ বাক্যগঠনেই মিল পাইনি। আশাহত হয়েছিলাম। তবে তাদের মাখতুমটা নেব ইনশাআল্লাহ শো-পিসের জন্য হলেও। কেন জানি এই প্রচ্ছদটা জাস্ট ওয়াও লাগছে।
1 220
বইটা পড়ার সুযোগ হয়নি। মাত্র দুদিন হলো বইটা সম্পর্কে জানলাম। শর্ট পিডিএফ থেকে টুকটাক পড়লাম। তানতাভীর লেখা, সেরা তো হবেই। আশার কথা হলো, অনুবাদক নবীন হলেও যুগসচেতন, ভাষায় পারদর্শী বলে শুনেছিলাম। শর্ট পিডিএফ দেখতে পারেন।
1 220
হযরত মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ সাহেব হাফিযাহুল্লাহ এর মূল্যবান এই নসিহতটি আমাদের সকলের মনে রাখা উচিত।
হযরত বলেন, "বর্তমানকে যারা যাপন করে ভবিষ্যতকে স্মরণ রেখে, জীবনের সফলতা শুধু তাদের জন্য। বর্তমান চিরকালের জন্য নয়, কিছু সময়ের জন্য। ভবিষ্যত অনেক দীর্ঘ। আবার ভবিষ্যতের রয়েছে ভবিষ্যত এবং তা অনন্ত। তোমার যৌবনের প্রতিটি দিনের হিসাব চাইবে তোমার আগামী বার্ধক্য। বার্ধক্যকেও হিসাব দিতে হবে মৃত্যুর কাছে। তোমার বাবার তুমি কেমন সন্তান, তা একদিন বুঝিয়ে বলতে হবে তোমাকে তোমার সন্তানের কাছে। বর্তমানের তরঙ্গদোলায় দোল খেয়ে খেয়ে যাদের সকাল-সন্ধ্যা হারিয়ে যায়, তাদের জীবনে নেমে আসে অনেক দুর্গতি।"
1 220
আমাকে আপনাকে যদি বলা হয় যে, একটি দুআই শুধু কবুল করা হবে, আমরা তখন আল্লাহর কাছে কী চাইবো? অবশ্যই একেকজনের চাওয়া সেইসময় ভিন্ন ভিন্ন হবে। সবাই যার যেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটার কথাই বলবে।
তবে ঠিক এরকমই একটি প্রশ্ন একবার আল্লাহর রাসুলকে(ﷺ)তার চাচা আব্বাস (রা)ও করেছিলেন। অনুরোধ করেছিলেন, তাকে যেন এমন একটি দুআ শেখানো হয়, যেই একটি দুআই এত ব্যাপক অর্থপূর্ন হবে যে, সেটা যদি কবুল হয় তাহলে আর কিছু চাওয়ার প্রয়োজন হবে না। রাসুল ﷺ তখন তাকে যে দুআটি শিখালেন, তা হলো,
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ الْعَافِيَةَ فِيْ الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে 'আফিয়াহ' চাই।দুনিয়া এবং আখিরাতে।
কী অর্থ 'আফিয়ার'?
— আফিয়াহ অর্থ দু:খ কষ্ট থেকে মুক্ত থাকা।
— আফিয়াহ অর্থ সুস্থ থাকা।
— আপনি আফিয়াহতে আছেন, যদি প্রয়োজন মাফিক রিযিক থাকে আপনার। যদি জীবনকে আপনি উপভোগ করতে পারেন, যদি আপনার সন্তানেরা সুরক্ষিত থাকে সবধরনের অনিষ্টতা থেকে, আপনি আফিয়াহতে আছেন।
— যদি আপনাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, যদি দেয়া না হয় কোন শাস্তি বা আযাব, আপনি আফিয়াহতে আছেন।
সুবহানাল্লাহ! কত সংক্ষিপ্ত দুআ, অথচ কী ব্যপক অর্থবোধক। আপনি আফিয়াহ চাচ্ছেন, তার মানে আপনি আল্লাহকে বলছেন, তিনি যেন আপনাকে বাঁচিয়ে রাখেন যে কোন যন্ত্রনা, কষ্ট, অসচ্ছলতা, ক্ষতি ও পরিক্ষা থেকে। দুনিয়া আখিরাতের যাবতীয় মুসিবত থেকে।
আব্বাস (রা.)-কে যখন রাসুল ﷺ দুআটির কথা বললেন, তিনি প্রথমে উত্তর দিলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এত ছোট দুআ, আমি তো আরও বড় কিছু চেয়েছিলাম।
রাসুল ﷺ জবাব দিয়েছিলেন, প্রিয় চাচা! আল্লাহর কাছে আফিয়াহ চান। দেয়ার মত আফিয়ার চেয়ে উত্তম আর কিছু হতে পারে না।
_____
তথ্যসূত্রঃ সুনান তিরমিযি, ২৬৭৫ ও রিয়াদুস সালেহীন।
© মাওলানা রিযওয়ানুল কবির হাফি.
1 220
যিন্দেগি আযান আওর নামায কে বিচ কা এক সফর হ্যায়—
যব আয়ে থে, তব আযান সুনি
আওর যব জায়েঙ্গে, তব নামায হোগি
1 220
ছবিটা ২০/২১ সালের দিকে হবে। আব্দুজ জহুর সেতুর পাশেই তোলা। সেদিনের তিনজন আজ তিন জায়গায়। একজন দেশে। একজন লন্ডন। একজন সৌদিতে।
যাকগে, বইটাও দারুণ।
