uk
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Відкрити в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 11 325 підписників, посідаючи 7 950 місце в категорії Релігія і духовність та 2 062 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 11 325 підписників.

За останніми даними від 01 вересня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на 63, а за останні 24 години на 4, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 13.27%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 5.34% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 502 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 605 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 31.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 02 вересня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Релігія і духовність.

11 325
Підписники
+424 години
-37 днів
+6330 днів
Архів дописів
এদেশের আলেমদের রুজুনামাগুলো খুবই আশ্চর্য, সাহাবা উসমান রা. ইস্যুতে ফয়জুল করীম সাহেব 'যদি আমার ভুল হয়ে থাকি তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী' বলে রুজু করলেন। আজকে আরিফ বিন হাবিব ভাই (যাকে আল্লাহর জন্য অনেক বেশী মহব্বত করি, কত মানুষকে যে তার বয়ান শুনতে বলেছি ও বলি তা আল্লাহই ভালো জানেন) রুজু নামার মত করে একটা পোষ্ট দিলেন। সারমর্ম কী? আমার তো কোনো ভুল আমার নজরে পড়েনি। অনেক বার চিন্তা করেও ভুল পাইনি। কিন্তু অন্যরা যেহেতু আমার পোষ্টের ভুল ধরছেন আর একটা বিশৃঙ্খলা হচ্ছে তাই আমি রুজু করলাম। . আরিফ বিন হাবিব ভাই! আপনি আমাদের মহব্বতের এবং আমাদেরই সম্পদ। আপনি এদেশের অসংখ্য মানুষের কাছে রাহবার, তাই আপনার ভুল কিন্তু সাধারণ ভুল না। তাই আপনার কোনো বিষয় দলিলের আলোকে ভুল মনে হলে সেটা অন্যরা ধরিয়ে দিবে এটাই স্বাভাবিক। আপনি ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন তাই স্বাভাবিক ফেসবুকেই আপনার পোষ্টের সমালোচনা হবে। পক্ষেবিপক্ষে কথা হবে। কিন্তু আপনিসহ আরো অসংখ্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে একটি দুঃখজনক বিষয় দেখা যায়, আপনারা প্রকাশ্যে কোনো ভুল করলে বা আপনাদের প্রকাশ্যে বলা বিষয়গুলো কারো কাছে আপত্তিজনক মনে হলে সে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করলে আপ্নারা বিষয়টিকে স্বাভাবিক নসিহা হিসেবে না নিয়ে পিছনে লেগেছে, এগুলো ভুল ধরার পদ্ধতি হলো কি না, ইত্যাদি নিয়ে খুব আফসোস করেন। এবং আপনার বিরোধি হিসেবে চিহ্নিত করে ফেলেন। সাথে সবধরনের সমালোচককে এক কাতারে ফেলে দেন! বিষয়টি আসলেই দুঃখজনক। যাইহোক, শেষে একটি কথা বলি, আপনি লেখেছেন দেশ প্রেম নিয়ে আপনার লেখাটিতে জাতীয়তাবাদের গন্ধ আসে। কিন্তু আপনার কাছে সেগুলো ভুল মনে হয়নি! বিষয়টি খুবই ব্যতিত করলো। অথচ আপনার সেই পোষ্টের মৌলিক বিচ্যুতি ছিলো মক্কার বিশেষ ফাজায়েলকে দুনিয়ার সমস্ত ভুখণ্ডের জন্য জোর করে চালিয়ে দিয়েছেন! অথচ আয়াতগুলোর তাফসিরের কিতাব দেখলেই আপনার কাছে স্পষ্ট হয়ে যেত! কিন্তু দুঃখজন হলো আপনি তা করেননি। এখন আপনি আপনার বিতর্ক পোষ্টগুলোতে বারাবার পড়েও কোনো অসঙ্গতি পাননি, এটা আপনার রুজু নামা থেকেও বিপদজনক। আল্লাহ আপনাকে দ্বীনের জন্য ব্যাপকভাবে কবুল করে নিক। আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক। আমীন।

মৃত্যুর অল্প কয়েক দিন আগে মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের বাসায় আমরা কয়েকজন গিয়েছিলাম। নানা কথার ফাঁকে তাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করলাম : শাপলা চত্বরে এত বড় একটা হত্যাকাণ্ড হলো, কিন্তু কোনও বিচার হলো না, এটা কেমনে হলো? তিনিও খোলামেলা বললেন : টাকা খাইছে, আর কেমনে! জানতে চাইলাম : কত করে খাইছে, এক-দুই কোটি করে হবে? তিনি বললেন : আরে না, এদের এত টাকা দেয় নাকি? এক লাখ পাইছে, দুই লাখ পাইছে। কারা খাইছেন, সেটা জিজ্ঞেস করার সাহস হয় নাই। মাফ করে দিয়েন। কপি (সংযুক্তি) আল্লাহর কাছে সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত একটাই দোয়া, যাদের কারনে সেদিন আমাদের ভাইয়ের লাশ পড়েছে আল্লাহ যেনো সবগুলোকে এই দুনিয়ার বুকেই বিচার করেন এবং সেগুলোর মুখোশ খুলে দেন।

আল্লাহ মাফ করুক, শায়েখে চরমোনাই কী কোনো এজেন্টের পাল্লায় পড়ে গেলো কি না! এখন চতুর্দিকে ঐক্যের একটি পরিবেশ নিয়ে আলোচনা চলছে, ঠিক এই মুহুর্তে ফরিদ মাসুদের মত সব ঘরনার কাছেই বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়ে শায়খের আলোচনাটা অনেকের মনেই চিন্তার বাজ ফেলছে। কারন শায়খ একদিকে কওমী ও জামাতের সাথে বৃহত্তর ঐক্য করতে চাচ্ছেন, আবার এই দুদলের কাছেই ফরিদ মাসুদ বিতর্কিত। জানি না ঐক্যের এই চূড়ান্ত মুহুর্তে কী বিবেচনা করে শায়খে চরমোনাই এমন বিতর্কিত বিষয় উত্তাপন করলেন। পূর্বে অনেকবার দেখা গেছে যখনই এদেশের ইসলামপন্থীদের মাঝে ঐক্যের কোনো সম্ভাবনা আসে তখনই বিভিন্ন এজেন্টরা সেটাকে নস্যাৎ করে দিতে আমাদের নিজেদের মধ্যেই গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে দেয়। তো, এবার শায়খে চরমোনাইয়ের মত বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মাধ্যমে বড়ধরনের কোনো চক্রান্ত হচ্ছে কি না এটা উনার আশপাশের মানুষজনের গভিরভাবে দেখা দরকার ও শায়েখের নিজেরও উচিত নিজেকে নিয়ে ফিকির পড়া। ঐক্যের এই শেষলগ্নে শায়খ এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় কেনো আলোচনা করছেন এটা নিয়ে উনার ভাবা উচিত।

ফরিদ ইস্যুতে অনেকের মুখোশ খুলে যাচ্ছে, বিষয়টা দেখে ভালো লাগতেছে। মানহাজি নামক অপবাদ দিয়ে যারা জিহাদের কথা বলে তাদের বিরোধিতা যে একসময় জিহাদ বিরোধিতায় রূপ নেয় তা আবারো প্রমাণিত হচ্ছে। ফরিদ মাসুদ কী জামানার ফিল্টার হয়ে গেলো নাকি!

রাত বিরাতে একটা শরমের কথা বলে ফেলি: . আলহামদুলিল্লাহ প্রতি মাসেই আল্লাহর তাওফিকে কিছু টাকা ব্যয় হয় কিতাবের পিছনে। গত দুই-তিন বছর এমন খুব কম মাস গিয়েছে, যে মাসে আমার কিতাব সংগ্রহ শুণ্য ছিলো। পড়তে পারি আর না পারি কিতাব সংগ্রহের এই জযবাকে আমি আমার গুনাহে ভরা জীবনের একটি নাজাতের উসিলা মনে করি। . হাদিয়া গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের এক উস্তাদের উসুল হলো, যদি তুমি কখনোই কারো কাছে কিছু না চাও, তারপরও কোনো অজানা কেউ এসে তোমাকে হাদিয়া দেয় তাহলে তা গ্রহণ করা চাই। আল্লাহই তার অন্তরে তোমার প্রতি কোনো মহব্বত ঢেলে দিয়েছে যার ফলে সে তোমাকে সে মহব্বতের ফলে কিছু দিতে চাচ্ছে। উস্তাদকেও দেখতাম এমন হাদিয়াকে কোনোরূপ তাকাল্লুফি ছাড়া খুবই আন্তরিকতার সাথেই গ্রহণ করতে। কিছু একান্ত পরিচিত মানুষ বাদ দিলে আমিও এটা যথাসম্ভব মেনে চলার চেষ্টা করি। . যাইহোক, এবার আসি আসল কথায়, অনেক লেখক, প্রকাশক এমনকি শুভাকাঙ্ক্ষী ভাইরা মাঝে মাঝে মেসেজ দেন, ‘ভাই আপনাকে কিছু বই হাদিয়া পাঠাতে চাই, আপনার নাম্বার আর ঠিকানা দেন।’ আমিও আন্তরিকতার সাথেই তাদেরকে ঠিকানা ও নাম্বার দিয়ে দেই। কিন্তু এরপরই শুরু হয় আমার টেনশন। দেখা যায় ঐ ভাই/প্রকাশনী/শুভাকাঙ্ক্ষীর কোনো খবর আর নেই। হাজারো চিন্তা মাথায় এসে ঘুরতে থাকে, হযরতের সাথে কোনো বেয়াদবি হয়ে গেলো না তো, ঠিকানায় ভুল হলো না তো? ‘আরে ভাই লাগবে না কী দরকার ছিলো’ এমন তাকাল্লাফি না দেখিয়ে এভাবে এককথায় নাম্বার আর ঠিকানা দিয়ে দেয়াতে উনি আবার আমাকে কিছু মনে করলো না তো! এরকম অসংখ্য চিন্তা মাথায় আসতেই থাকে আর আমি শরম ভেঙ্গে তাদেরকে জিজ্ঞাসাও করতে পারি না। এভাবে বিশ্বাস করেন ভাই আমার কয়েকদিন পেরেশানীর ভিতর কেটে যায়। অনেক সময় তো দেখা যায়, উনি যে বইটা হাদিয়া পাঠাবেন সেটা আমি হয়তো দ্রুতই সংগ্রহ করতাম উনার পাঠানোর আশায় সংগ্রহও করা হচ্ছে না, আবার শরম ভেঙ্গে উনাকেও জিজ্ঞাসা করতে পারছি না। . তো আসলে এখন থেকে এটাই সিন্ধান্ত নিলাম, শরম ভেঙ্গে যাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারবো না তাদের থেকে এভাবে অনলাইনে আর হাদিয়াও নিবো না। এবার আপনারা আমাকে যদি খারাপভাবেন তাহলে আমি ক্ষমা চাই, আমার কিছু করার নাই। আমি ভাই খুবই মারাত্মক চাপে থাকি। একটা উদাহরণ দেই। একবার দেশের অন্যতম বড় এক মাকতাবার লোক মেসেজ দিলো আমাকে কিছু বই পাঠাবে। আমি ঠিকানা দিয়ে বেতাকাল্লুফি বললাম ভাই যদি সম্ভব হয় তাহলে হোম ডেলিভারি দিয়েন। আমার মাদরাসা থেকে সুন্দরবন কুরিয়ার আসা যাওয়ায় ৬০ টাকার উপরে খরচ হয় আবার সময়ও যায় অনেক। উনি কথাটা শুনে আচ্ছা বলে আর কোনো মেসেজ দিলো না। বিশ্বাস করেন আমি এক সপ্তাহের বেশি টেনশন করেছি এবং কেনো দিলো না এর হাজারো কারণ মাথায় শুধু গিজ গিজ করছিলো আর এখনো সেটা মনে পড়ে। কিন্তু শরম ভেঙ্গে তাকে যে জিজ্ঞাসা করবো পারিনি। . এই পোষ্ট পড়বেন এমন অনেকে যার সাথে আমার এম৷ ঘটনা ঘটেছে, বিশ্বাস করেন আমি কাউকেই নির্দিষ্ট করে বলিনি। গত একবছরে এই বিষয়ে আমি কয়েকবার পোষ্ট লেখে ডিলিট করে দিয়েছি, যদি কেউ আবার নিজেকে দোষী ভাবে এই ভেবে। কিন্তু বিষয়টা এখন আমার জন্য কষ্টের কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আফওয়ান।

প্রতিদিনের রুটিন মত শুয়ে পড়লেন হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল। কয়েকমাস আগেই মাত্র মদিনা থেকে এখানে আসলেন। ইচ্ছা ছিলো না মদিনা ছাড়ার। কিন্তু কিছুই করার নেই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ। হঠাৎ একটি আওয়াজ আসলো ‘মুয়াজ! রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়ে গেছে আর তুমি জীবনের মজা নিচ্ছো’। ধড়ফড় করে লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠলেন তিনি। যেনো কেয়ামতের শিঙ্গায় ফুতকার দেয়া হয়ে গেছে। ঘর থেকে বের হয়ে সানআর অলিতে গলিতে বেতালের মত দৌড়াতে থাকলেন আর চিৎকার করতে লাগলেন, ‘হে ইয়ামানবাসী! আমাকে যেতে দাও, এ কী দিন দেখতে হলো আমার আঁকার দরবার ছেড়ে এ কোথায় আমি পড়ে রইলাম’! ইয়ামানবাসী জিজ্ঞাসা করলেন কী হয়েছে মুয়াজ? মুয়াজ রা.-এর তখন কোনো হুশ নেই তিনি কোনো উত্তর না দিয়েই ঘোড়া নিয়ে ছুটলেন মদিনার পানে। মদিনায় এসে আম্মাজান আয়েশার ঘরে গেলেন। নিজের পরিচয় দিলেন এবং শোক প্রকাশ করলেন। আয়েশা রা. তখন বললেন, ‘মুয়াজ! তুমি যদি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেষ সময়গুলো স্বচক্ষে দেখতে তাহলে এই দুনিয়ার জীবন তোমার যতই দীর্ঘ হতো না কেনো, কখনোই তা আর ভালো মনে হতো না’। হযরত আয়েশার মুখে এই কথা শুনার সাথে সাথে হযরত মুয়াজ অজ্ঞান হয়ে যান! . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাফন করে যখন আনাস রা. ফিরে আসলেন ফাতেমা রা. তাকে সম্বোধন করে বললেন, ‘কীভাবে তোমরা পারলে তোমার নবীকে মাটিতে শুইয়ে দিয়ে এভাবে চলে আসতে’ . হযরত উসমান যখন ওফাতের খবর শুনলেন মনে হলো তিনি বধির হয়ে গেছেন! হযরত আলী রা. যেখানে ছিলেন সেখানেই বসে গেলেন। হযরতের ওমরের মত শক্ত দিলের সাহাবী যেনো দিমাগ খুইয়ে ফেললেন! চিৎকার করে ঘোষণা দিলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়নি। তিনি তার রবের রবের সাথে সাক্ষাতে গেছেন৷ দ্রুতই ফিরে এসে যারা মৃত্যুর সংবাদ ছড়াচ্ছেন তাদের হাত-পা কেটে দিবেন। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়াতে নেই, কল্পনা করে দেখুন এই সংবাদ সাহাবাদের কী হালত করে দিয়েছিলো! সিরাত পাঠ মধুর হলেও রাসুলের ইন্তেকাল হয়ে গেছে এই অংশটুকুতে আসলে অন্তর এমনভাবে মোচড় দিয়ে উঠে, মনে হয় কী জানি হারিয়ে ফেলেছি।

দুষ্টো হোলাহাইন!
দুষ্টো হোলাহাইন!

ড. হামেদ আল ইদ্রিসি লিখেছেন: অনুবাদ : ইমতিয়াজ বোরহান আল্লাহর কসম, গায়রতশীল ব্যক্তি চায় তার স্ত্রী ঘরে নিজ সন্তানদের মাঝে থাকুক। কারণ কথিত 'বিজ্ঞান' নামক মূর্তির আড়ালে তথাকথিত নারীবাদ লুকিয়ে আছে। এই মূর্তিপ্রীতির জন্যই মেয়েরা তাদের নিরাপদ আবাস ত্যাগ করে পুরুষদের সঙ্গে মিশতে শুরু করেছে। ফলে সত্যিকারের নারীসত্ত্বা ও গৃহিণীরা হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি জ্ঞান -যা একজন নারীকে তার সৃষ্ট উদ্দেশ্য থেকে বিরত রাখে- সেটা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। ওহী নাযিল হয়েছিল পুরুষদের ওপর; যাতে তারা পৃথিবীতে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে। এই জ্ঞান উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে পুরুষেরা, যাদের নারীরা নিজেদের ঘরে মায়া-মমতা দিয়ে গড়ে তুলেছিল। যদি জ্ঞান নারীদের জন্য সম্মানের বিষয় হতো তবে মদিনা, আল-আজহার, বাগদাদ, কায়রো, এবং কায়রুয়াইনের মাদ্রাসাগুলো নারীদের দ্বারা পূর্ণ থাকতো। কিন্তু তা কখনো হয়নি। এই ভয়াবহ ফিতনা আমাদের মাঝে ঠিক তখনই ছড়িয়েছে যখন পশ্চিমা সমাজ তাদের সাম্যের মডেল নিয়ে এসে আমাদের সমাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। একজন নারীর জন্য যথেষ্ট, সে এতটুকু শিক্ষা অর্জন করুক যা তার ধর্ম পালন এবং সন্তান লালন-পালনের জন্য প্রয়োজন। কারণ সে তার ঘরে থাকলেই আল্লাহ তাআলার কাছাকাছি থাকতে পারবে, পুরুষদের মাঝে বসে থাকার চেয়ে তার জন্য নিজ ঘরে অবস্থান করাই উত্তম। কিছু ইলম যেমন উপকারী, তেমনি কিছু ইলম ক্ষতিকারকও। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 'আমি আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষতিকর ইলম থেকে আশ্রয় চাই। তাই নারীদের এই ইলম অন্বেষণের ফিতনা থেকে বিরত রাখো, কারণ এর ফলে তারা বিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে! অজানা পথে বেরিয়ে যাচ্ছে এবং বাবা ও স্বামীদের অবাধ্য হয়ে উঠছে।"

photo content

মুরব্বি মুরব্বি... . একদিকে বঙ্গীয় কিছু তালেব ভক্ত এটা প্রমাণে ব্যস্ত নুরানী কায়েদার সাথে ছাত্রদের কোনো সম্পর্ক নাই, আবার সেদ
মুরব্বি মুরব্বি... . একদিকে বঙ্গীয় কিছু তালেব ভক্ত এটা প্রমাণে ব্যস্ত নুরানী কায়েদার সাথে ছাত্রদের কোনো সম্পর্ক নাই, আবার সেদিকে বিদেশী মিডিয়া প্রশিক্ষন কেন্দ্র খুজে পায় তাও আবার শুধু কাবুলে! . আমরা কোতায় যাবো! বলো, সুপ করে থেকো না। . বি.দ্র. এবারের নির্বাচনে আমি পিও নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প ওরফে দেলোয়ার হোসেন টেলুর সমর্থনেই আছি।

সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার মোকাবেলা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের অংশ হিসেবে ইসলামী বইমেলার আমূল সংস্কারের দাবি
সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার মোকাবেলা ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের অংশ হিসেবে ইসলামী বইমেলার আমূল সংস্কারের দাবিতে লেখক-পাঠক-ছাত্রজনতার প্রতিবাদী বইপাঠ। বইমেলা বাস্তবায়ন কমিটির স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এবং লেখক-পাঠক-প্রকাশকবান্ধব বইমেলার দাবিতে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় ইফার সামনে (বাইতুল মোকাররম উত্তর গেইট) এ কর্মসূচি পালিত হবে। বই হাতে এ কর্মসূচি পালনে অংশ নেবেন দেশের খ্যাতিমান লেখক, সংগঠক, সম্পাদক, সাংবাদিক, এক্টিভিস্ট, পাঠক ও বিপ্লবী ছাত্রজনতা।

আমার গ্রামে ইদ্রিস পীর নামে এক পীর আছে। ওরস, দৈনিক ঢোল-বাজনা নিয়ে ভজনগীতের পাশাপাশি তার ব্যাপারে চাউর আছে সে গোসল করে না। প্রতিমাসে ঢাকা থেকে এক মুরিদা ভার্সিটি শিক্ষিকা নাকি আসে। এসে তাকে দুধ দিয়ে গোসল করায়। সেই ময়লা দুধ ভক্তরা কাড়াকাড়ি করে খায়। এ ছাড়া সে 'প্রেমভাজা' একপ্রকার খাবার নাকি খায় (সিমেন), যা তার রূপযৌবন বাড়িয়ে তোলে। একবার গ্রামবাসী তার আখড়া-মাজার ভেঙে চুর চুর করে দিয়ে এসেছে। এর মধ্যে বেনামাজি, সুদখোর থেকে নিয়ে নামাজি লোকও ছিল। সবাই মিলে ভেঙে দিয়েছে। আমি মনে করি না, এর কারণটা ধর্মীয়। বা ওহাবী ইসলাম, সালাফিজম তাদের ভাঙতে বলেছে বলে তারা ভেঙেছে। নবিজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস 'কবর সমান কর' এর বিন্দুমাত্র প্রভাব এই ভাঙাভাঙিতে ছিল বলে আমার মনে হয় না। তাহলে নিজেদের গোরস্থানের কবরও ভেঙে সমান করে দিত। তারা কেন ভেঙেছে? বেনামাজি, সুদখোর লোক যারা ধর্মের ধার তেমন একটা ধারে না, তারা কেন উদ্যোগী হয়ে ভাঙল? এর কারণ হল সোশ্যাল নুইসেন্স। এই মাজারগুলো একটা সামাজিক অস্বস্তি তৈরি করে রাখে। ঢোল-করতাল দিয়ে গান-বাজনা থেকে শুরু করে গাঁজা, ব্যভিচার, ঘৃণ্য কিছু প্র্যাক্টিস গ্রামীণ সমাজে চাপা ক্ষোভ তৈরি করে রাখে। গ্রামের প্রতিটা মানুষ আশঙ্কায় থাকে কখন না জানি নিজের ক্লোজ কেউ এখানে গিয়ে না জানি কীসে লিপ্ত হয়। কিছুটা হাসিনা রেজিমের সাথে তুলনা করলে বুঝবেন। যা একটা সময় বার্স্ট হয়। মাজারগুলোও বেশিরভাগ থাকে ফেইক। বা আসলেই বুজুর্গ লোকের মাজার হলেও সেটা-কেন্দ্রিক সোশ্যাল নুইসেন্স থাকেই। সাম্প্রতিক মাজার ভাঙাকেও আমার কাছে ভিন্ন মনে হয়নি। এর সাথে স্থানীয় রাজনীতির নানান বিষয় থাকতে পারে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। মাজার সংশ্লিষ্টদের লীগ-ঘেঁষামির কারণে জনরোষে সব তছনছ করা হতে পারে। আমার চোখে পড়েইনি কোন হুজুর মাজার ভাঙার ডাক দিয়েছে বা মাদরাসার ছাত্ররা ভাঙছে। ছবিগুলো দেখে মনে হল স্থানীয় জনতা-মুসল্লি মিলে ভাঙছে। এক জায়গায় দেখলাম ছাত্রলীগের নেতা মাজার ভাঙার ডাক দিয়েছে। অথচ ফেবুবোদ্ধারা ব্যাশিং করছেন হুজুরদের। কারণ এদের ব্যাশিং করা সহজ। দুর্বলকে ব্যাশিং করার মজাই আলাদা। পান থেকে চুন খসলেই তৌহিদি জনতার তৌহিদকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো ইসলামোফোবিয়ারই এক সূক্ষ্ম প্রকার। যেন তৌহিদানুভূতি ছাড়া অন্য কোন কারণ নেই এখানে। সালাফি ব্যাশিংয়ের নামে ইসলামকেই ব্যাশিং করা হয়ে গেল কিনা, দেখুন। যেন সকল অপকর্মের মূলে তৌহিদি জনতার তৌহিদানুভূতি। কেন আর সবাই পায়, শুধু মুসলিমরাই আপনার বেনিফিট অব ডাউট-টা পায় না, নিজেকে একটু জিগ্যেস করুন।

ইসলামি ভুখণ্ডে বসবাসকারী অমুসলিমদের জানমাল পাহাড়া দেয়া আর তাদের মন্দির পাহাড়া দেয়া এক বিষয় নয়। প্রথমটা শরীয়তে জায়েয এবং মুসলিমদের দায়িত্ব আর দ্বিতীয়টি মুসলিমদের দায়িত্ব নয়। এমনকি এটা মুসলিম শাসকেরও নয়। পুরো ইসলামের ইতিহাসে এমন কোনো নজির কী দেখানো যাবে, মুসলিম সেনাবাহিনী অমুসলিমদের মন্দির পাহাড়া দিচ্ছে? পুরো ফিকহে ইসলামীতে কী এর পক্ষে একটি নজিরও উপস্থাপন করা যাবে? (কার কাছে থাকলে দিয়েন, আমি অনেক তালাশ করেও পাইনি) . বস্তুত, মুসলিম ভুখণ্ডে বসবাসকারী অমুসলিমরা নিজেরাই নিজেদের উপসনালয়গুলো রক্ষা করবে। আর মুসলিমদের দায়িত্ব হলো সেগুলোর আশপাশেও ঘেষবে না। আর মুসলিম শাসকের দায়িত্ব হলো মুসলমানদের মন্দির-গীর্জা থেকে পূর্ণে দূরে রাখবে। এর একটি ফিকহি নজির হলো, যদি মুসলিম ভুখণ্ডে অমুসলিমদের উপসনালয় ভেঙ্গে যায়— যেগুলোর বাকি রাখার অনুমতি শরীয়তে আছে—তাহলে সেগুলো অমুসলিমরা নিজ দায়িত্বে ঠিক করতে পারবে পূর্বের অবকাঠামো মত। তবে তাদের এই পুননির্মাণে মুসলিম শাসক কোনোরকম সহযোগিতা করতে পারবে না। কারণ অমুসলিমদের উপসনালয় কেন্দ্রীক তাদের কোনো সাহায্য করা মুসলিমদের জন্য জায়েয নেই। . আমাদের ইসলামের মাসআলা হল থাকা লাগবে। এমন যেনো না হয়, আমরা রাজনৈতিক স্বার্থে ইসলামকেই জলাঞ্জলি দিচ্ছি! তাহলে আমাদের ভিতর আর মডার্নিষ্টদের মাঝে কী পার্থক্য রইলো? তার থেকে বড় কথা, রাজনৈতিক স্বার্থে দ্বীনের বিধানকে জলাঞ্জলি দিলে আমাদের আর মওদুদি বা জামাতে ইসলামের সমালোচনা করার নৈতিক অধিকার থাকবে না। কারন, আমাদের আকাবীরদের মাওলানা মওদুদি ও জামাতের উপর যতগুলো আপত্তি ছিলো তার মাঝে মৌলিক একটি আপত্তি ছিলো রাজনৈতিক স্বার্থে দ্বীনের বিধানকে ছোট করে দেখা!

... এমন স্পষ্ট শরীয়তের বিধান থাকার পরেও আজ দুনিয়ার সামান্যকিছু অর্জনের জন্য মুসলিম সন্তানদের দেখা যায় খুব আয়োজন করে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা জানাতে! ফুকাহায়ে কেরাম মুখে একটু বলাকেই কতটা কঠিনভাবে দেখেছেন, আর আজ তো পকেটের টাকা খরচ করে পোষ্টার বানিয়ে কুফরি শব্দ দিয়ে তৈরি শুভেচ্ছা বার্তা দেয়া হয়! আরো দুঃখজন হলো, এই কাজগুলোতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ইসলামের নামে রাজনীতি করা ব্যক্তিবর্গ! গণতান্ত্রিক ভোটের রাজনীতির সামান্য লোভে আজ এই হারাম কাজে এই শ্রেণীকেই সবচেয়ে বেশি লিপ্ত দেখা যায়। আমাদের ছোট মনে এই কথাটুকু বুঝে আসে না, আল্লাহর বেধে দেওয়া হারামের গণ্ডি মারিয়ে আল্লাহর জন্য মানুষ কীভাবে রাজনীতি করে! সাথে মনে আরেকটি প্রশ্নের উকি দেয়, যে ব্যক্তি ক্ষমতার জন্য আল্লাহর হারামের গণ্ডিকে পদদলিত করতে পারে, সে কাল ক্ষমতায় গিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে যে আরো অসংখ্য বিধানের গলায় ছুরি চালাবে না তার নিশ্চিয়তা কী আমরা পাবো? সে যে ক্ষমতার জন্য ইসলাম ছেড়ে দিবে না, তার কী কোনো গ্যারান্টি আছে? আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়ার সবচেয়ে দামী বস্তু নিজের ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুক। আমীন। প্রকাশিতব্য বইয়ের একটি অংশ। খুব দুঃখ নিয়ে কথাগুলো লেখেছিলাম।

প্রত্যেকটি জীবনব্যবস্থায় তার অধিনস্ত ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব গঠনের কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের পলিসি থাকে। এটা কস্মিনকালেও সম্ভব নয় যে, একটি শাসনব্যবস্থা থাকবে কিন্তু সে শাসনব্যবস্থায় ব্যক্তি গঠনের কোনো লক্ষ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের পলিসি থাকবে না। কারণ একটা শাসনব্যবস্থা টিকেই থাকে সে শাসনব্যবস্থার উপযোগি নাগরিক/প্রজা দিয়ে। . গণ তন্ত্র দিয়ে শুধু ইসলামি রাষ্ট্র গঠনই অসম্ভব নয়, বরং গ ণ তন্ত্রীক শাসন কাঠামোর মধ্যে দিয়ে ইসলামি ব্যক্তিত্ব গঠনও সম্ভব নয়। ইসলাম শাসনব্যবস্থায় যেমন শাসনকার্য পরিচালনার নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পলিসি রয়েছে তেমনি এই শাসনব্যবস্থার উপযোগি নাগরিক তৈরিরও রয়েছে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পলিসি। আর হাদিসের কিতাবের বাবুল আখলাকের পুরো অধ্যায়, ইলমে তাসাওউফের পুরো অধ্যায় মূলত ঐ উপযোগি নাগরিক তৈরির একটি বস্তুগত ব্যবস্থাপনা। যেমন ধরেন গ ণ তন্ত্রের জন্য নারী-পুরুষের একসাথে চলাফেরা করা, সমান অধিকার রাখা একটা মৌলিক বিষয়। অর্থাৎ, সে এমন নাগরিক চায় যারা নারী পুরুষের এই বিষয়গুলোকে মেনে নিবে এবং এটাকে স্বাভাবিকই শুধু নয় বরং এটাই উত্তম এমন বিশ্বাস করবে। এটার জন্য সে শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করবে, রাষ্ট্রের বিভিন্ন পলিসগুলো সেভাবে সাজাবে ইত্যাদি। গণতন্ত্র খারাপ, এটার মাধ্যমে শুধু খারাপ মানূষ তৈরি হয়, এটা হলো আবশ্যকীয় ফল। এই ফলাফলটা হবেই। কিন্তু এটা কেমনে হয় বা হতে যে বাধ্য, সেই বিষয়টাই আমাদের গোড়া থেকে বুঝতে হবে। . এক শাসনব্যবস্থার ব্যক্তিত্ব গঠনের পলিসি দিয়ে আরেক শাসনব্যবস্থার উপযোগী নাগরিক তৈরি কখনোই সম্ভব নয়। এটা যদি আমরা ভালো করে বুঝতে পারি তাহলে এটা বুঝা একদম সহজ হবে যে, কেনো মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রগুলোতে গ ণ তন্ত্র চরম ব্যর্থ হচ্ছে, এই অঞ্চলে গণ ত ন্ত্র দিয়ে কেনো বস্তুগতও কোনো সফলতা আসছে না।

মডারেট মুসলিম: এটা আব্র কী ইসলাম!!!
মডারেট মুসলিম: এটা আব্র কী ইসলাম!!!

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিরাত থেকে কোনো ফিকহি বিধান বুঝতে হলে আমাদের তা ফিকহ ও ফকিহদের বক্তব্যের আলোকেই বুঝতে হবে, এটাই চূড়ান্ত কথা। কিন্তু চরম দুঃখজনক বাস্তবতা হলো আমাদের অনেকে সিরাত থেকে এমনভাবে ফিকহি বিধান বলে যেনো উনিই নিজেই মুজতাহিদ! যখন জিজ্ঞাসা করি, সিরাতে আছে মানলাম, কিন্তু কোনো ফকিহ কী সিরাত থেকে এই বিধানকে এভাবে বুঝেছেন? তখন দেখা যায় চেহারা কালো হয়ে যায়! . এখানে একটা কথা বলে রাখি, সিরাত থেকে শিক্ষা ও সিরাত থেকে আইন বা ফিকহ নেয়া, দুটো এক বিষয় নয়। . বর্তমানে ইসলামি আইন ও শাসননীতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, এখানে বহু মানুষকেই দেখা যায়, সিরাত থেকে দলিল পেশ করে! জিজ্ঞাসা যখন করা হয়, এই বিধান কোন ফকিহ বলেছেন! তখন আর মুখে জো থাকে না! এর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো ইসলামি ভুখণ্ডে অমুসলিমদের অধিকার, মদিনায় যাওয়ার পর জি হা দ ফরজ হয়েছে, সুতরাং সবরকম জি হা দের জন্য রাষ্ট্র লাগবে! আগে খিলা ফ ত প্রতিষ্ঠা হবে, পরে জি হা দ, যেমন সিরাতে পাওয়া যায়, ইত্যাদি বিষয়গুলো! . নিজেকে মুকাল্লিদ দাবী করি, এবং তাকলিদ ছাড়া এই সময়ে চলাকে ফিতনা বলি অথচ ফকিহদের কাছে যতটা নিজেকে অর্পন করা দরকার ছিলো তা করি না, এটা দুঃখজনক।

শহীদ মুফতী আবু সাঈদ রহিমাহুল্লাহ। মুফতী মনসূরুল হক সাহেবের বড় সাহেবজাদা। জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া থেকে শিক্ষা সমাপন করে পাকিস্তানে দ্বীনি খিদমতে নিয়োজিত ছিলেন। ১৪৩৫ হিজরীর ২৮ রমযান তিনি কট্টরপন্থী শিয়াদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন। মুফতী মনসূরুল হক সাহেবের ভাই তখন পাকিস্তানে থাকতেন। তিনি টেলিফোনে মুফতী সাহেবকে পুত্রের শাহাদাতের খবর জানালেন এবং লাশ দেশে নিয়ে আসার ব্যাপারে মতামত জানতে চাইলেন। মুফতী সাহেব বললেন, 'শহীদকে তাঁর শাহাদাতস্থলে দাফন করাই উত্তম। তাই সুন্নত তরীকায় যত দ্রুত সম্ভব সেখানেই দাফন করো; দেশে আনার দরকার নেই।' লোকজন এলো হুযূরকে শান্তনা দেয়ার জন্য। শোকে পাথর বাবার হৃদয়ে হয়তো তখন কান্নার ঝড় বইছিলো। কিন্তু চেহারায় ছিলো না কোনো বিষন্নতার ছাপ। কিছুটা অপার্থিব আনন্দের ঝিলিক মুখাবয়বে লক্ষ্য করা যাচ্ছিলো! একই দিনে মাদরাসার গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিলো। শোকাহত মুফতী সাহেবকে শুভাকাঙ্খীবৃন্দ পরামর্শ দিলো-'হযরত এই পরিস্থিতিতে আপনার যাওয়ার দরকার নেই'। মুফতী সাহেব বললেন, 'মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা মাদরাসার পক্ষ থেকে আমার উপর আবশ্যকীয় দায়িত্ব এবং কর্তব্য; -সুতরাং আমাকে যেতেই হবে'। যেই বলা সেই কাজ! তিনি গেলেন। যথারীতি মিটিং শেষ করে উপস্থিত সবাইকে নিয়ে কলিজার টুকরা আদরের পুত্রের মাগফিরাত কামনায় দু'হাত উত্তোলন করলেন। বাধভাঙ্গা অশ্রুর নজরানা পেশ করলেন মহান রবের দরবারে! ✍️Saif Muhammad

Noor-Book.com ريح الجنة (1).pdf2.73 MB

ডা. আইমানের ‘রিহুল জান্নাহ’ বইটি পড়ছি আর অবাক হচ্ছি! একজন ডাক্তার মানুষ, অথচ নুসুসে শরয়ীয়্যাহ, নুসুসে ফিকহিয়্যাহ, পূর্ববর্তীদের ইতিহাস ও সমকালীন ইতিহাস বলে যাওয়ার কি যে অপূর্ব উসলুব! এরপর নুসুস থেকে ফাহম, সেটা নিয়ে আর কী বলবো! . ইতিহাস তো এমন ব্যক্তিরাই তৈরি করে! এমন ব্যক্তি দিয়েই তো ইতিহাস হয় তাই না! . আজকের দিনে বইটি অনাকাঙ্খিত শুরু করেছি! এখন শেষ না করে আর ভালো লাগছে না! . বইটির পিডিএফ।