4 223
Підписники
-124 години
-167 днів
-6530 день
Архів дописів
4 222
আজকে দশই মুহাররম। ইমাম হোসাইন রাদিআল্লাহু আনহুর কথা এই মাসের শুরু থেকে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আসল কথা কি জানেন, আহলে বাইতকে ভালোবাসতে না পারলে আপনার ঈমান পরিপূর্ণ হবে না।
4 222
এটা হচ্ছে মাওলানা মওদুদীর ব্যাপারে মাওলানা মনযুর নোমানির মন্তব্য, যখন তিনি জামাত ছেড়ে দেখেন মওদুদীর আচরণ কেমন ছিলো এটা আপনারা এখানে বুঝতেই পারবেন। ২০২৩ সস এটা নিয়ে রাখছিলাম। আলি মিয়া রহ কয়েকবার সাক্ষাতের পরই এই দলের অবস্থা বুঝে গেছিলেন, সুফি মানুষ ছিলেন। আল্লাহ তায়ালা এমন বান্দাদেরকে মানুষের অবস্থা সম্পর্কে আগেই অবগত করে দেন।
মাওলানা মনযুর নোমানি রহ অত্যন্ত যোগ্য ও অভিজ্ঞ আলেম হওয়া সত্ত্বেও আমি ব্যাক্তিগত কিছু কারণে তাঁকে পছন্দ করি না যদিও।
4 222
Repost from Abdullah bin bashir
পর্ণ ও সফট পর্ণের বিষাক্ত ছোবলে সংকটটা চতুর্মুখ হয়ে গেছে! কিন্তু জাশির ভাইয়েরা কওমী বিদ্বেষ থেকে সারাদিন বট আইডি দিয়ে কওমীর আলেমদের ইজ্জত হননে লিপ্ত!
4 222
Repost from Meer Salman
মবের বিচার হওয়া উচিৎ। যারা আইন নিজের হাতে নিয়েছে তাদের কঠোর বিচার হতে হবে।
4 222
চট্টগ্রামে চীনের জন্য বানিজ্যিক এলাকা দেওয়া এই সরকারের সবচেয়ে ভালো স্ট্রাটেজি এখনো পর্যন্ত। অতি শীঘ্রই তিস্তাচুক্তি যদি চীনের সাথে করতে সক্ষম হয়, তাহলে আরো ভালো হবে।
4 222
প্রথম পর্ব
বিপ্লব ও আধুনিকতা
https://drive.google.com/file/d/1wTHrTc6Yp3jOqusmLsMwo_bUyITrFAlO/view?usp=drivesdk
দ্বিতীয় পর্ব
ইসলামের নামে বস্তুবাদ
https://drive.google.com/file/d/1DdgvGH1XOWNljlYBgYOclSo_q1WGTkqk/view?usp=drivesdk
তৃতীয় পর্ব
প্রস্তাবনা: আধুনিকতার যুগে ঐতিহ্যের আহ্বান
https://drive.google.com/file/d/1jl2DIIqPsce1j5LcktOtmm8_nMwWY1Ga/view?usp=drivesdk
4 222
তিনি একজন প্রসিদ্ধ মালেকি মাযহাবের আলেম, অনলাইনে যারা থাকেন তারা চিনতে পারবেন। শায়খ সাঈদ আল-কামালি হাফি। উনি আল্লাহ তায়ালার ব্যাপারে বলতেছেন, সবাই শুনতে পারেন।
4 222
সমস্যা হচ্ছে শুধু জামাত না, এরাও রাজনৈতিক ডিকটমির বাইরে যাইতে পারে নাই, এদের সোকল্ড বিপ্লব মওদুদীর রাজনৈতিক ভিশনের আলট্রা ভার্সন। বিস্তারিত আলাপ আমার ইতিপূর্বেই শেষ করছি এই বিষয়ে
4 222
বিয়ের ক্ষেত্রে মানুষের বিভিন্ন ধরনের প্রায়োরিটি থাকতেই পারে, তবে একটা বিষয় ছেলে মধ্যবিত্ত হলে তার উচিত কিছুটা ধনী ফ্যামিলিতে বিয়ে করার চেষ্টা করা, দোয়া করা।একই কথা মেয়ের ক্ষেত্রেও, কারণ এটা বিয়ে পরবর্তী জীবনে কাজে লাগে। দ্বীনদারিতা থাকতেই হবে, কিন্তু মানুষের দুনিয়াবি জীবনে সম্পদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য সম্পদের উপার্জনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে, এটা পথ কিন্তু গন্তব্য না। কিন্তু যারা সম্পদের গুরুত্ব দেয় না, তাদের দ্বীনদারিতা খুব বেশিদিন টিকে না।
শাহ সাহেব রহ আল বুদুরুল বাজিগাহর শুরুতে আলোচনা করছেন ইলমুল কালাম কিছু অংশ, দ্বিতীয় অধ্যায়ে তিনি পুরো সিভিলাইজেশনের স্ট্রাকচার এর উত্থানের পতনের আলোচনা করছেন। এখানে মানুষের জীবনে সম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরছেন, যে এটা কিভাবে মানুষ দ্বীনের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করে এবং সভ্যতার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় এর সুষ্ঠু বন্টন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। দেখেন, একজন লোক যিনি পুরোদস্তুর সুফি, তার পুরো খানদান সুফি, তিনি সম্পদের উপার্জন আর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করছেন সভ্যতায় এর ভূমিকা নিয়ে, ব্যাপারগুলো আপনাদের বুঝতে হবে।
সম্পদ উপার্জনের দ্বীনের সাংঘর্ষিকতা নাই, সমস্যা তখন হবে যখন সম্পদের প্রতি আপনার মন চলে যাবে আর সম্পদ উপার্জনই আপনার লক্ষ্য হয়ে উঠবে। শাহ সাহেবের পরিভাষায় সম্পদ উপার্জন করতে হবে এই লক্ষ্যে যাতে আপনি এবং আপনার পরবর্তি প্রজন্ম ইবাদতের জন্য যথেষ্ট সময় পায়, দারিদ্রতার কারণে যাতে তারা ইবাদত থেকে বঞ্চিত না হয়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে আপনি আপনার পরবর্তী প্রজন্মকে কিভাবে দ্বীনের উপর রাখবেন? আগেরকার দিনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিবারের বড়রা কোনো না কোনো আলেম অধীনে নিজেদের পরিবার পরিচালনা করতেন। এটা কমন ছিলো, অর্থাৎ পরিবার কোনো একজন আলেমের মুরিদ থাকতো, এভাবেই এদের প্রজন্ম মুসলিম থাকতো, এই বাঙ্গালায় মুসলমান বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ এই সুফি ও পরিবার ভিত্তিক আলেমদের সান্নিধ্য গ্রহণ।
এর একটা দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় আমাদের নিকট অতীতের একজন আলেম মাওলানা মহিউদ্দীন খান রহ জীবনীতে। বাংলাদেশে এখন পরিবারের মধ্যে কোনো মুরুব্বি আলেম থাকে না, এজন্য পরিবারের মধ্যে কোনো দ্বীনদারিতা নেই, নানান শয়তান পরিবারের সদস্যদের আক্রান্ত করে, ছেলে সন্তান বখে যায়, দ্বীনের বেসিক তো দূরের কথা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বাপ ছেলে ঠিকমতো আদায় করতে পারে না। প্রজন্ম পুরোপুরি ম্যাটেরিয়ালিস্টিক। এর মধ্যে যারা তাও আবার দ্বীনের বুঝ পাইছে, তারা ইসলামের ইবাদাহ থেকে পায় নাই, বরং পাইছে আইডিলিস্টিক কনসেপ্ট থেকে। মাকাসিদে শরিয়তের প্রধান ইবাদাহ থেকে রাজনৈতিক ভিশনে পরিবর্তন হয়ে গেছে, ফলে তারাও বেশিদিন টিকতে পারছে না। মডার্নিটির ফ্রেমওয়ার্কে আটকে গেছে।
যারা দ্বীন পাইছে তারা গোলক ধাঁধায় আটকে আছে, আর যারা পায় নাই তারা আরো পতনের দিকে আগাচ্ছে। দ্বীন প্রতিষ্ঠাকে আধুনিক আইডিয়ালিস্টিক কনসেপ্টের সীমবদ্ধ করে ফেলছে, ফলে যেই আধুনিকতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কথা ছিলো, সেই আধুনিকতার ফাঁদেই আটকে গেছে। আর এভাবেই চলছে, পতন যে শুধু একদিকে শুরু হয়েছে ব্যাপারটা তা নয়, বরং আলেমদের মধ্যেও এর সয়লাব শুরু হয়ে গেছে, যদিও তাদের মধ্যকার উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো পবিত্র আছে আল্লাহর রহমতে।
4 222
আজকে শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ Being এর আলোচনায় আসলাম, কিছু রিয়েলাইজেশন বলি আপনাদের। যেসব রেভ্যুলেশনারি ইসলামপন্থীরা আপনাদেরকে আজকে শাহ ওয়ালিউল্লাহ আর শাহ ইসমাইলের কথা বলে নজদীদের সাথে মিলিয়ে, তারা যদি শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভীর ইলমুল কালাম পড়ে, তাহলে এরা শাহ সাহেবকে তাকফির করতে দুই মিনিট ভাববে না।
শাহ ইসমাইল শহীদের তাকবিয়াতুল ঈমান আর নজদীর কিতাবুত তাওহীদ এক না যেটা নিয়ে আগে বলছি। শাহ ইসমাইল শহীদের আবাকাত পড়লে এরা শাহ ইসমাইলকেও তাকফির করবে। ব্যাপারটা এমন না যে শাহ পরিবার জাহের আর বাতেনের ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলেন, আসল কথা হলো তারা মানুষের অবস্থা বুঝে কথা বলতেন। শাহ ইসমাইল শহীদ খালি খালি বলেন নাই যে, শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী কোনো কোনো ক্ষেত্রে শায়খে আকবার ইবনে আরাবীর চেয়ে একধাপ এগিয়ে ছিলেন।
শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী সম্পূর্ণভাবে ওয়াহদাতুল উজুদকে ব্যাখ্যা করছেন, কিন্তু তিনি ব্যাখ্যা করছেন ভিন্ন আরেক ভঙ্গিতে, তিনি পুরোপুরি আকবারিয়ানদের ফর্মূলা এপ্লাই করেন নাই, বরং Being আর আকবারিয়ান Wujūd কে ব্যাখ্যা করছেন peripatetic আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইবনে সীনা আর মুতাআখখিরুনদের ভঙ্গিতে, অর্থাৎ ওয়াজিবুল উজুদ আর মুমকিনুল উজুদ থেকে, এবং Cause and effect। এবং এই ক্ষেত্রে নিজস্ব কিছু phraseology ব্যাবহার করছেন (Sakhsul-Akber,/The Great Body, prime origin, etc) যেটা আকবারিয়ান আর ইবনে সীনা অন্যভাবে ব্যাখ্যা করে থাকেন। বলতে গেলে তিনি বিশ্বাসে উজুদি ছিলেন, আর সেই উজুদকে ব্যাখ্যা করছেন আশআ'রিদের ধারায়, যেখানে একই সাথে reason আর revelation এর সমন্বয় ঘটেছে Transcendental knowledge এর সাথে।
অর্থাৎ পুরোপুরি Transcendental knowledge এবং reason এর সমন্বয়, যেটার কারণে আকবারিয়ানরা সুপিরিয়র। যেটা অনেক ক্ষেত্রেই ইমাম আল গাজালি আর ইমাম আইন আল-ক্বুদাত হামাদনীর লেখার মধ্যে দেখা যায়।
দেখেন, শাহ সাহেবের ব্যাপারে আমার অবস্থান হলো মুসলিম বিশ্বে ইমাম রাজি ইমাম আল গাজালি আর শায়খে আকবার আর অন্যান্যদের পরে শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী হচ্ছে পলিম্যাথদের সর্বশেষ ব্যাক্তি, যার মধ্যে ইলমুল হাকায়েকের পরিপূর্ণতা ঘটছে যেটা আপনি ইমাম গাজালির ফালসাফায় পাবেন, এখন আপনি ফিলোসফারদের নাম নেন কিংবা থিওলোজিয়ানদের, তিনি এমন ব্যাক্তি যার ফালসাফা ও কালামে মুসলমান বিশ্বে এমন মাক্বাম খুবই কম মানুষের মধ্যে ঘটছে, তিনি আসলে গাজালির টাইমলাইনের মানুষ, আল্লাহ তাকে ভিন্ন সময়ে পাঠানোর পেছনে অবশ্যই কোনো হেকয়ত আছে। এজন্যই তাঁর ছাত্রদের মধ্যে থেকেই আহলে হাদিস, খয়ারবাদি আর দেওবন্দিদের ধারা আসে। ব্যাপারটা এমন না যে হাকায়েকের ইলম যেটা শাহ সাহেব ধারন সেটা বর্তমানে কারো নাই, বরং মাকবুলিয়াতের যেই দরজায় উনি গেছেন, সেই ক্ষেত্রে উনিই সর্বশেষ।
এজন্য দেওবন্দীদের খেলাফতের প্রতিষ্ঠার ধারনা এবং নজদী-সালাফিদের ধারনা এক না। এমনকি যারা তূরনামূলক ফিকহ বুঝে, এটাও তারা বুঝে যে বর্তমান সালাফিজম আর ট্রডিশানাল হাম্বলি মাযহাবের ন্যাচার এক না। সালাফিজম হাম্বলিদের তুরাসকে ক্লেইম করে ঠিকই কিন্তু সেটাকে এপ্লাই করে মডার্ন আইডিওলজিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক থেকে, এজন্য তাদের খেলাফতের ধারনা এবং স্লোগান পলিটিক্যাল মুভমেন্ট স্লোগান আর "আইডিওলজি"র বেসিক থেকে, যেটা ইসলামের ফান্ডামেন্টাল মেটাফিজিক্সের বিরোধী। (এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আমি সিরিজ আকারে তুলে ধরছি পিন পোস্টে।)
এসব কারণে এদের মধ্যে Uniformity-র ধারনা কাজ করে, যেটা ইসলামের ফান্ডামেন্টাল মেটাফিজিক্সের এবং কালামের বিরোধী অবস্থানে। শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসের দেহলভী খেলাফতকে Unity ( তাওহীদ) প্রকৃত হাকায়েকের মাক্বাম থেকে ব্যাখ্যা করছেন, অর্থাৎ শাহ ওয়ালিউল্লাহর ফ্রেমওয়ার্ক হলো মেটাফিজিক্যাল আর এদের ফর্মূলা হলো মডার্নিস্টিক পলিটিক্যাল মুভমেন্টের ফ্রেমওয়ার্ক। যেটা ইউনিটির পরিবর্তে ইউনিফর্মিটিকে এপ্রিশিয়েট করে বুনিয়াদিভাবে। আমি বর্তমান নন-ডেমোক্রেটিক আইডিয়ালিস্ট ইসলামপন্থীদের সমালোচনার কারণও এটাই। তারা ফান্ডামেন্টাল এসেন্সের বাইরে গিয়ে মডার্নিটির ফাংশনে আটকে গেছে।
যদি সম্ভব হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ Shah Waliullah And other Philosophers শিরোনাম নামে বিস্তারিত আলোচনা আসবে ইনশাআল্লাহ।
4 222
Repost from তানজীল আরেফীন আদনান
ফেসবুক মূলত মত প্রকাশের জায়গা না। এখানে কেবল ফানি পোস্ট আর সবার মন জুগিয়ে পোস্ট করলেই খুশি সবাই।
ফানি পোস্ট করলেও বলবে শায়খ এগুলো আপনার সাথে যায় না। যেন দুনিয়ার সবচেয়ে গম্ভীর হয়ে থাকার ঠিকাদারি আমিই নিয়েছি।
গতকালের রাতে একটা পোস্ট করেছিলাম। কওমী হুজুরদের চারিত্রিক অধঃপতন নিয়ে পোস্ট করেছিলাম। সেখানে শেষে কলেজ-ভার্সিটি পড়ুয়াদের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে উদাহরণ দেয়াতেই অনেকে ক্ষেপে গেল কেন বুঝলাম না। ইনবক্সেও গালাগাল আসা শুরু করল। মানে ভুলটা আমারই, কলেজ-ভার্সিটিতে সব নকশেবন্দী তরিকার লোকজন পড়ে ব্যাপারটা ভুলে গিয়েছিলাম দুঃখিত।
আমি সংশোধনের কথা বলে ভুল করেছি, কাজ একটাই, সমস্ত কওমী মাদরাসা বন্ধ করে দেশে কলেজ-ভার্সিটি বানাও সব।
4 222
এই জাতির জন্য সবচেয়ে ভালো কি জানেন, মাদরাসা সব বন্ধ করে দিয়ে যদি বি ন্দু**** বাদের সকল দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া যায়, তাহলে। একশ্রেণীর ইসলামপন্থীরাও গত কয়েকদিন দেখলাম, যেভাবে তারা মাদরাসা আর আলেমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেছি সুশিলতার ভান ধরে, তাতে মনে হচ্ছে এই অঞ্চলে ইসলামের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা মাদরাসা আর আলেম উলামা।
4 222
Repost from Abdullah bin bashir
সারাদিন রাত দেওবন্দীদের সমালোচনা করা যায়, সবার অধিকার আছে করার কিন্তু দিনশেষে এটা ইনসাফপরায়ণ সবাই এটার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য যে দেওবন্দ বর্তমান মুসলিম দুনিয়ার সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী আন্দোলন। আপনি তাদের জ্ঞানচর্চা, রাজনীতি, তাযকিয়া সব জায়গায় অসাধারণ সফলতার চূড়ায় দেখতে পাবেন।
সামান্য ডালিম গাছের গোড়া থেকে একজন তালিবে ইলম নিয়ে শুরু হওয়া এক ছোট্ট মাদ্রাসা আজ পৃথিবীর সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী মুসলিম আন্দোলন। কী নেই তাদের? সব আছে।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, উপমহাদেশের সকল আলেমদের একটা নেটওয়ার্কে সেন্ট্রালাইজ করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কে তৈরি করেছে? দেওবন্দ।
তাবলিগ জামাত, সাধারণ মুসলমানদের দ্বীন শেখানোর জন্য তৈরি এই আন্দোলন আজ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষকে সাথে নিয়ে চলছে। এটা কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ।
অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড যেখানে আইনিভাবে মুসলমানদের অধিকারের কথা বলা হয়। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ।
পৃথিবীর বুকে লক্ষ লক্ষ কওমি মাদ্রাসা যেখান থেকে কোটি কোটি কুরআনের হাফেজ বের হয় ও হচ্ছে। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ।
আফগানে আল্লাহর পথে পরাশক্তির সাথে জিহাদ করে ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র পরিচালনা কারা করছে? দেওবন্দীরা।
বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণামূলক কাজের জন্য তৈরি করা বিশাল নাদওয়াতুল মুসান্নিফীন কাদের? দেওবন্দীদের।
খেলাফত পুনরুদ্ধারের তাহরিক ই রেশমি রুমাল আন্দোলন কারা করেছিল? দেওবন্দীরা।
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভারতের বুকে ৫০ হাজার রক্তাক্ত গলাকাটা লাশ কাদের রাস্তার পাশের গাছগুলোতে ঝুলে ছিল? দেওবন্দীদের।
ইউরোপের মুসলমানদের শরয়ী অধিকার আদায়ের জন্য তৈরি ইসলামিক শরিয়া কাউন্সিল কাদের? দেওবন্দীদের।
আর কত কত শাখা সংগঠন ও সফল আন্দোলন আছে তাদের বলে শেষ করা যাবে না। এই সফলতা গত ৫০০ বছরে আর কোনো আন্দোলনের ক্ষেত্রে কি দেখানো সম্ভব? সম্ভব না।
.
কপি
4 222
আজকে শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভীর ইলমুল কালাম পড়তেছি। সবচেয়ে মজার ব্যাপার কি জানেন, উনি প্রথমত নির্ভর করছেন শায়খে আকবারের উপর। এরপর existence কে ডিফাইন করছে ইবনে সিনার লজিক্যাল প্রিন্সিপাল দিয়ে। এরপর তিনি ইবনে সিনার existential প্রিন্সিপালকে reduce করছেন শায়খ আকবার আর Neoplatonic এক্সপ্লেনেশনের ধনের মধ্যে। কোথাও কোথাও Pythagoreanদের ম্যাথমেটিক্যাল ইক্সাম্পল ব্যবহার করছেন।
ইবনে সিনা, শায়খে আকবার বা পিথাগোরাসের নাম নিয়ে বলছেন ব্যাপারটা এমন না, বরং ক্লাসিক্যাল মেটাফিজিক্স যদি কেউ বুঝেন বা আকবারিয়ান আর আশআরি কালামে যাদের দক্ষতা আছে, তারা ধরতে পারবেন বিষয়গুলো, খুবই স্পষ্টভাবে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আজকালত মানুষ শাহ ইসমাইল শহীদকে নজদীর মতো করে উল্লেখ করে, অথচ শাহ ইসমাইল শহীদ রহ শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসের দেহলভীরর ইলমুল কালামের উপর আলাদাভাবে ব্যাখ্যা গ্রন্থ লিখছেন।
4 222
By confining themselves exclusively to the political domain, they once again validate our assertion: they have reduced Islam from its elevated spiritual and metaphysical level to a mere instrument of political power. This is nothing but a restriction and distortion of Islam’s comprehensive nature. As we have explained earlier, bringing anything down from the level of Ruhaniyyat (spirituality) to the political level means destroying its fundamental essence. In doing so, they have sidelined Islam’s metaphysical essence and inverted its core principles by subordinating it to worldly political considerations. This is precisely the essence of modernity.Full article 🔗 https://open.substack.com/pub/hasan89/p/the-materialization-of-islam?utm_source=share&utm_medium=android&r=39tejb
4 222
Repost from Meer Salman
মাদানি (রহ) দের অখণ্ড ভারত সমর্থন করায় যে ফায়দা অর্জিত হয়ঃ
একশত বছর অতিরিক্ত নিজেদের টিকিয়ে রাখাটা ছোট বিষয় না। মুসলমান লক্ষ লক্ষ একর মসজিদ, মাদ্রাসা, মাযার, কবরস্থান, এতিমখানা, সহায়-সম্পত্তি টিকিয়ে রাখতে তাদের অবস্থান অবশ্যই সহায়ক হয়েছে। জীবনে কঠিন সময় আসে, আবার চলেও যায়। আল্লাহ ভারতীয় মুসলমানদের রক্ষা করুন। কিন্তু সোভিয়েত বিরোধী আফগান জেহাদের সময়েও বহু ভারতীয় মুসলমান সেই জেহাদে অংশ নেন এবং দারুল উলুম দেওবন্দের অনেক উস্তাদ ছাত্র সেসময় এই জেহাদে সমর্থন জানান। তাছাড়া পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মুসলমান ভারতীয় মাদ্রাসাগুলোতে ৪৭ এর বহু পরেও পড়াশোনা করেছে। ফলে ফায়দা কম হয়েছে তা মোটেও বলা যায় না।
সবচেয়ে বড় ফায়দা যেটা হয় সেটা হলো সেসময় পাকিস্তানের রাজকোষ ছিলো মোটামুটি শূন্য। বিভাজনের সময় বিপুল পরিমাণ সম্পদ ভাগাভাগিতে পাকিস্তান খুবই কম পেয়েছিলো। সেসময় যদি ভারতীয় মুসলমানদের সবাই মাইগ্রেট করতেন তবে তাদের চাপে সম্ভবত পাকিস্তান তখনই ভেঙে পরতো। দেখুন সামান্য দশ বিশ লক্ষ রোহিঙ্গা আসায় আমাদের সরকার এবং কক্সবাজারে কতটা চাপ পরেছে। অথচ আমরা এজন্য জাতীসংঘ এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থা থেকে বিপুল পরিমাণ ফান্ড পাই। কিন্তু তখন সেটাও পাওয়া যেতো না। অথচ কয়েক কোটি মুসলমানের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হতো। তখন আমাদের খাদ্য উৎপাদনও ছিলো কম। চিন্তা করুন আজ যদি এক কোটি ভারতীয় মুসলমান বাংলাদেশে নিতে হয় তবে কি হবে?
Вже доступно! Дослідження Telegram за 2025 — головні інсайти року 
