ru
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Открыть в Telegram
1 995
Подписчики
-124 часа
Нет данных7 дней
+430 день
Архив постов
শাড়ির সাথে নিকাব, নিকাবের সাথে টাইট ফিটিং ড্রেসআপ, নিকাবের সাথে টিপ/টিকলি এই টাইপ কম্বিনেশন কোনোকালেই আমাদের সহমতের জায়গা হওয়ার কথা না। অনলাইনের বদৌলতে কত কী দেখতে হয়! শুধুমাত্র কালারিং বোরকা হিজাব দেখার দিনকাল বাদই দিলাম। এই যে সেদিন দেখলাম এক মহিলা ভ্লগার শাড়ির সাথে হাজারো অলংকার পরে নিকাব পরে বিয়ে এটেন্ড করছে। আউজুবিল্লাহ, এই নাকি পর্দা! এমনও দেখেছি যে নিজে শুধুমাত্র নিকাবি কিন্তু অবলীলায় বেপর্দাদের সাথে ছবি শেয়ার করছে৷ পর্দা করে কাপল পিক, কিস হাগসহ সে বেহায়াপনা আজকাল দেখানো হচ্ছে এটা একটা কথাই জানান দেয় তা হলো, হিজাবি কিংবা নিকাবির সংখ্যা হুহু করে বাড়লেও বাড়েনি প্রকৃত নিকাবিদের সংখ্যা যারা বুঝে নিকাব কেবল নাক আর মুখ ঢেকে রাখাই নয়। আমি জানি, নিকাবের সঠিক সংজ্ঞায়ন করতে গিয়েও হিউ-মিলে-ইট হয় অনেকে। অবশেষে ব্লক বা ব্যান করে। ব্লক কিংবা ব্যান করে নির্দিষ্ট কিছু পাবলিকের চোখ থেকে সরানো যায় নিজেকে, কিন্তু আল্লাহ সুবহানা তা'আলার দৃষ্টি! এমনই কি ছিল নারী সাহাবীদের পর্দা? এরকমটাই কি কুরআনের আয়াতে আয়াতে বলেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা? কুরআনে বলা হয়েছে, وقرن فى بيوتكن ولا تبرجن تبرج الجاهلية الاولى ‘নিজ গৃহে অবস্থান করো, সাজ-সজ্জা প্রদর্শন করে বেড়িও না যেমন প্রাচীন জাহেলী যুগে প্রদর্শন করা হত।’ কেবল চুল ঢাকা কিংবা নাক আর মুখ ঢাকা মানেই হিজাব-নিকাব, এই ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। কেবল এই ধারণার কারনেই হিজাব নিকাব পরেও নিজেদের আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলার একটা প্রতিযোগিতা তৈরী হচ্ছে আমাদের মাঝে। কিছু বলতে গেলেই ওপার থেকে উত্তর আসে, "হিজাব, নিকাব করলেও আপনারা এতো কথা বলেন কেন?" সঠিক হিজাব নিকাব না করে কেবল মডারেট পর্দা করে হিজাবের অবমাননা কার দেখতে ভালো লাগে? সোশ্যাল মিডিয়ার সবচাইতে পপুলার সেকশন আজ কাপল ভ্লগ আর হিজাবি কাপল হলেতো মা শা আল্লাহ আর গদগদ কমেন্টে কমেন্টবক্স পরিপূর্ণ হয়ে যায়। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, দুই শ্রেণীর দো~য~খী এখনও আমি দেখিনি। (কারণ তারা এখন নেই, ভবিষ্যতে আত্মপ্রকাশ করবে) এক শ্রেণী হচ্ছে ঐ সকল মানুষ, যাদের হাতে ষাঁ~ড়ে~র লেজের মতো চা~বু~ক থাকবে, যা দিয়ে তারা মানুষকে প্র-হা-র করবে। (দ্বিতীয় শ্রেণী হচ্ছে) ঐ সকল নারী, যারা হবে পোশাক পরিহিতা, ন-গ্ন, আকৃষ্ট ও আকৃষ্টকারী; তাদের মাথা হবে উটের হেলানো কুঁজের ন্যায়। এরা জান্নাতে যাবে না এবং জান্নাতের খুশবুও পাবে না অথচ জান্নাতের খুশবু তো এত এত দূর থেকে পাওয়া যাবে। (মুসলিম ২/২০৫, হাদীস : ২১২৮) অলংকারাদি প্রদর্শনের যে এক প্রতিযোগিতায় বিভোর হয়ে নারীরা আজ যা করছে তার সতর্কতাস্বরুপ নিচের কথাই যথেষ্ট। ইমাম যাহাবী রাহ. বলেন, যে সব কর্ম নারীর উপর লানত করে তা হল অলংকার ও আকর্ষণীয় পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহার। (আলকাবায়ের : পৃ. ১০২) চলুন আমরা তেমন পর্দা করি যেমনটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কুরআনে উল্লেখ করেছেন, তাদের ফলো করি যারা আমাদের প্রকৃত আইডল। এসব ভ্লগার একজন মুসলিম মেয়ের আইডল হতে পারেনা, আমাদের আইডল নারী সাহাবাগন। রাদিআল্লাহু আনহুম। - কামরুন নাহার মীম

আচ্ছা, ছেলে মানুষ এতটা গাইরতহীন হয় কীভাবে! . মাঝেমধ্যেই দেখি কিছু ভাইয়েরা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের মা, বোন, স্ত্রীর ছবি শেয়ার করে বেড়ান। আচ্ছা ভাই, আপনাদের কি গাইরত নেই? নিজেদের আত্মমর্যাদা কি সব বন্ধক দিয়ে রেখেছেন? . ছেলে মানুষ হবে গাইরতওয়ালা। পসেসিভ। ‘ন্যারো’ মাইন্ডেড। সে তার মা-বোন-স্ত্রী'দের নন মাহরাম কাউকে দেখতে দেবে না। ছেলেরা হবে তাদের জন্য সুরক্ষা প্রাচীরের মতো, যে তাদেরকে বেগানার চাহনি থেকে নিরাপত্তা দেবে। . কিন্তু ভাইয়েরা, আপনারা কী করছেন? কদিন পরপর তথাকথিত মা দিবস, বউ দিবসের স্লোগান দিয়ে দিয়ে তাদেরকে অনলাইন দুনিয়ায় উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন। নিজেদের মায়েদেরকে, স্ত্রীদেরকে অন্যদের দেখার জন্য সুযোগ করে দিচ্ছেন। কেন ভাই? ঠিক কোন ভালোবাসায় আপনি আপনার মা-বোন-স্ত্রীর ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দিচ্ছেন? আপনাদের কি আত্মমর্যাদা নেই? . আপনাদের মতো লোকদের উদ্দেশ্য করেই আলি ইবনু আবী তালিব (রদিয়াল্লাহু আনহু) প্রশ্ন ছুঁড়েছিলেন— ‘তোমাদের কি লজ্জা নেই? গাইরত নেই? তোমরা নারীদেরকে পুরুষদের মাঝে ছেড়ে দিয়েছ। তারা পুরুষদেরকে দেখছে, পুরুষরাও তাদেরকে দেখছে!’ (কিতাবুল কাবাইর, ১৭১) . ভাই আমার, আত্মমর্যাদাবান হোন। আমাদের নবি মুহাম্মাদ ﷺ আত্মমর্যাদাবান ছিলেন। প্রচন্ড আত্মমর্যাদাবান। আর আমাদের রব সবচেয়ে বেশি আত্মমর্যাদাবান। . একবার সাহাবি সা’দ ইবনু উবাদা (রদিয়াল্লাহু আনহু) একজনকে বলছিলেন, ‘যদি আমি আমার স্ত্রীর সাথে (গাইর মাহরাম) কোনো পুরুষকে দেখি, তাহলে আমি ত/র/বা/রি দিয়ে তার গ/র্দা/ন ফেলে দেব।’ এই কথা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে পৌঁছলে তিনি সাহাবিদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘তোমরা কি সা’দের আত্মমর্যাদা দেখে অবাক হচ্ছ? আল্লাহর শপথ! আমি সা’দের থেকেও বেশি আত্মমর্যাদাবান এবং আল্লাহ আমার থেকেও বেশি আত্মমর্যাদাবান।’ (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং - ১৩৯৮) . তাই ভাইয়েরা, এমনটা করবেন না। আপনাদের মা, বোন বা স্ত্রীর ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে বেড়াবেন না। মানুষের সামনে তাদেরকে উন্মুক্ত করে দেওয়াতে ভালোবাসা নেই। আছে লজ্জাহীনতা, গাইরতহীনতা, দায়িত্বহীনতা। . আচ্ছা, এমনও তো হতে পারে যে, আপনি তাদের যেসব ছবি আপলোড করছেন, কেউ সেগুলো এডিট করে কোনো পর্ন সাইটে আপলোড করে দিল! হতে পারে না? . সচেতন হোন, ভাইয়েরা। আত্মমর্যাদাবান হোন। নিজের মা, বোন আর স্ত্রীর জন্য সুরক্ষা প্রাচীর হোন। তাদের বেইজ্জতির কারণ হইয়েন না। ©

photo content

গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীর চুলকানি ও জন্ডিসের সমস্যাঃ করণীয় ও চিকিৎসা অনেক সময় দেখা যায় পুরো গর্ভকালীন সময় জুড়ে মায়েদের মৃদু চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে এটা গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে লক্ষ্য করা যায়। সাথে মৃদু জন্ডিস (S.Bilirubin 5-6 mg/dl) থাকতে পারে এবং সেটা চুলকানি শুরু হওয়ার ২ সপ্তাহ পর থেকে দেখা দেয়। প্রস্রাবের রং গাঢ় হলুদ এবং মলের রং সাদাটে বর্ণ ধারণ করে। স্বাস্থ্য সাধারণত অটুট থাকে এবং কোন ব্যথা থাকে না। তবে দেহের ওজন বেশ কমে যেতে পারে। শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর জন্ডিস চলে যায় এবং ১-২ সপ্তাহের মধ্যে চুলকানিও বন্ধ হয়ে যায়। এরূপ চুলকানির সমস্যার পুনরাবৃত্তি পরবর্তী গর্ভধারণের সময়ও দেখা দিতে পারে। ল্যাব টেস্টঃ S. Bilirubin ও S. Alkaline Phosphatase বেড়ে যায় কিন্তু SGPT, SGOT ও GGT সাধারণত নরমাল থাকে। সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর S. Bilirubin ও S. Alkaline Phosphatase এর মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। ভিটামিন কে এর ঘাটতির জন্য Prothrombin time বেড়ে যায়। Steatorrhea বা মলের সাথে প্রচুর পরিমানে চর্বি নিঃসৃত হয়। গর্ভাবস্থায় কোলেস্ট্যাটিক চুলকানি সাধারণত পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী হয়ে থাকে এবং দেখা যায় মা, বোন ও তাদের কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। এদের মধ্যে যারা জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করেন তাদেরও এমনটা হতে পারে। রোগ নির্ণয়ঃ প্রথম গর্ভধারনের সময় ভাইরাস জনিত জন্ডিস থেকে এ অবস্থাটি পৃথক করা কঠিন হয়ে পড়ে। শুধু মাত্র চুলকানি এবং S. Bilirubin ও S. Alkaline Phosphatase এর মাত্রা বৃদ্ধি দেখে এই রোগ নির্ণয় করতে হয়। এখানে ভাইরাস জনিত জন্ডিসের মতো খাওয়ায় অরুচি, বমি কিংবা বমি বমি ভাব, জ্বরের অনুভূতি ইত্যাদি লক্ষ্মণ উপসর্গগুলো সাধারণত থাকে না। চিকিৎসাঃ যথাযথ খাবার ও পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। গর্ভপরবর্তী রক্তপাত এড়াতে সন্তান ডেলিভারির অন্তত ৬ ঘন্টা পূর্বে ভিটামিন কে গ্রহণ করতে হবে। ডেক্সামিথাসন ১২ মিগ্রা/দিন করে ৭ দিনের জন্য (যা চুলকানি কমায় এবং শিশুর ফুসফুসের উন্নয়নে সহায়তা করে); আরসোডিঅক্সিকোলিক এসিড ১-২ গ্রাম/দিন (যা চুলকানি কমায়, লিভার ফাংশনের উন্নয়ন ঘটায় এবং শিশু মৃত্যুর হার কমায়); বর্তমানে এটাই গর্ভাবস্থায় চুলকানির ফার্স্ট-লাইন চিকিৎসা হিসেবে গৃহীত হয়েছে। রোগের গভীরতা ও খারাপ পরিণতি অনুধাবন করে গর্ভাধারণের ৩৬ কিংবা ৩৮ সপ্তাহের মধ্যে ডেলিভারি করিয়ে নিতে হবে। অনাগত শিশুর বেশ কিছু ঝুঁকি রয়েছে - গর্ভপাত হয়ে যাওয়া, শিশু পুর্নাঙ্গ হওয়ার পূর্বেই ভূমিষ্ট হয়ে যাওয়া, অপূর্নাঙ্গ শিশুর জন্ম, গর্ভকালীন শিশুর শ্বাসকষ্ট এমনকি শিশুর মৃত্যু। তাই অনাগত শিশুকে অত্যন্ত যত্ন সহকারে মনিটর করতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ডেলিভারি করিয়ে নিতে হবে। শিশুর পরিণতি ভালো হতে পারে যদি মা আরসোডিঅক্সিকোলিক এসিড গ্রহণ করে থাকেন। মায়ের রোগ পরিণতি অত্যন্ত চমৎকার। মাকে এই বলে সতর্ক করে দিতে হবে যে, পরবর্তী গর্ভধারণের সময়ও এই অবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে এবং চুলকানি আরও বাড়তে পারে যদি তিনি জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন করে থাকেন। ডাঃ এম সাঈদুল হক সহকারী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। চীফ কনসালট্যান্ট, ঢাকা গ্যাস্ট্রো-লিভার সেন্টার। ০১৭০৩-৭২৮৬০১, ০১৭১০-০৩২১৫৮ ০১৯২৭-০৬৮১৩৬, ০১৮৬৫-৫০৪০২৬

ভুমিকম্প, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, সুনামী.. ইত্যাদি বিপদগুলোকে নিছক 'প্রাকৃতিক' দুর্যোগ বলে চালিয়ে দেয়া যাবে না। বরং এগুলো সতর্কবার্তা এবং মানুষের ঈমান-আমল ও চরিত্রে যে দুর্বলতা ও সমস্যা তার সামান্য শাস্তি স্বরূপ। মানুষের অপরাধের ভিত্তিতে দুনিয়াতে তাদেরকে শাস্তি দিলে কেউ রেহাই পেত না। আল্লাহ সবাইকে ধ্বংস করে দিতেন। আল্লাহ বলেন, "আর তোমাদের উপর যে বিপদ-মুসীবত আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। তোমাদের অনেক অপরাধই তিনি ক্ষমা করে দেন। (সূরা শূরা: ৩০) আল্লাহ আরো বলেন, "আল্লাহ মানুষকে তাদের সব কৃতকর্মের কারণে শাস্তি দিলে ভূপৃষ্ঠের কোন প্রণীকেই তিনি রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দিয়ে থাকেন...। (সূরা ফাতির: ৪৫) © আব্দুল্লাহ আল কাফী (হাফি.)

মেডিটেশন আপনার জীবন পাল্টে দিতে পারে। 1.অতীত ও ভবিষ্যতের দুঃখকে দূরে সরিয়ে বর্তমানের উপর ফোকাস করতেও সাহায্য করতে পারে। 2.আপনার নেগেটিভ ইমোশনাল থেকে বের হতে পারবেন। 3.আপনার ইমাজিনেশন এবং ক্রিয়েটেভিটি বৃদ্ধি করতে পারবেন। 4.আপনি স্ট্রেসফুল সিচুয়েশনে নতুন পারস্পেকটিভ গেইন করতে পারবেন। 5.আপনার ধৈর্য্য শক্তি বাড়াতে পারবেন। 6.আত্ম-সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারবেন। 7.আপনার বর্তমানের উপর ফোকাস করতে পারবেন। 8.প্রতিদিন ২০ মিনিটের ধ্যান আপনার শরীরকে 1 ঘন্টা গভীর ঘুমের মতো বিশ্রাম দিতে পারে এবং আপনার রক্তচাপকেও নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে। মেডিটেশন করার নিয়ম। https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1010458899543481/?mibextid=Nif5oz https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1011097539479617/?mibextid=Nif5oz https://m.facebook.com/groups/parapsychologybangladesh/permalink/1013693149220056/?mibextid=Nif5oz

photo content

💕 ভালো ঘুমের জন্য যা করবেন 💕 ঘুমানোর আগে অবশ্যই হাত-পা পরিষ্কার করে লোশন লাগিয়ে নিন। ত্বক শুষ্ক হলে লোশনের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ঘুমানোর আগে ত্বকের যত্নের পাশাপাশি ভালো ঘুম হওয়ার আরও এমনই কিছু উপায় বলে দিলেন রূপ বিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমি। শোয়ার আগে হাত-মুখ ও পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। গলা ও কাঁধ ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিতে পারেন, বিশেষত যাঁরা বাড়ির বাইরে কাজ করেন, তাঁদের জন্য কাঁধ ও ঘাড় ভিজিয়ে নেওয়া খুবই ভালো অভ্যাস। চাইলে গোসল করে নিতে পারেন। গোসলের আগে হালকাভাবে তেল মালিশ করা ভালো। তিল, নারকেল বা সরিষার তেল বেছে নিতে পারেন। মিনিট পাঁচেক সময় নিয়ে তেল মালিশ করে আরও পাঁচ-দশ মিনিট অপেক্ষার পর গোসল করুন। এতে ত্বক কোমল ও মসৃণ থাকে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে, ক্লান্তি দূর হয়। শুধু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়েই ঘুমানো যাবে না। মুখ পরিস্কার করে অবশ্যই খুব ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। ময়েশ্চারাইজার যত হালকা হবে, তত ভালো। চাইলে বাড়িতেও তৈরি করতে পারেন ময়েশ্চারাইজার। ৪ টেবিল চামচ ভাত (রান্নার পর স্টিলের চালনিতে চেলে নরম করে নিতে হবে), ১ টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল, ১টি সেদ্ধ আলু এবং ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল (ক্যাপসুলের ভেতরের রস) মিশিয়ে ময়েশ্চারাইজার তৈরি করতে পারেন। এটি সব ধরনের ত্বকের জন্য ভালো, ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। সুগন্ধে ভালো ঘুম হয়। তাই ঘরে সুগন্ধির ব্যবস্থা করতে পারেন। রজনীগন্ধা ও বেলি ফুলের মতো ফুল প্রাকৃতিক অ্যারোমার কাজ করে। এছাড়াও শোবার হালকা মিউজিকের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। আর পাটভাঙা নতুন কাপড় নয়, ঘুমানোর সময় পাতলা নরম কাপড় পরলে আরাম অনুভব করবেন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #fitness #healthylifestyle #motivation #health #healthy #workout #sleep

হিসনুল মুসলিম দোআ: [১৮৬] নয়ন প্রীতিকর স্ত্রী ও সন্তানাদি লাভের দোয়া [২৫:৭৪] رَبَّنَا هَبۡ لَـنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَذُرِّيّٰتِنَا قُرَّةَ اَعۡيُنٍ وَّاجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِيۡنَ اِمَامًا‏ হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন রব্বানা-হাব্লানা-মিন্ আয্ওয়া-জ্বিনা-অ র্যুরিয়্যা-তিনা-কুররাতা আ’ইয়ুনিঁও অজ্ব্‘আল্না-লিল্মুত্তাকীনা ইমা-মা-। দোয়ার প্রেক্ষাপট: প্রকৃত ঈমানদার ও জান্নাত আকাঙ্খীরা তাদের দুনিয়ার পারিবারিক জীবন সুন্দর করতে এবং আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে দুনিয়ার জীবনে যথাযথভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে আল্লাহর দরবারে এরূপ দু'আ প্রার্থনা করে। সূরা আল-ফুরকান - ২৫:৭৪ দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম) অ্যাপটি পেতেঃ https://gtaf.org/apps/hisnulbn #GreentechApps

দিনের কখন কোন কাজটা করা উচিত, দেহঘড়ি অনুযায়ী মানছেন কি? ১. ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা ৫৯ এই সময় আপনার হার্ট সবচেয়ে দুর্বল থাকে। রক্তনালিগুলো তুলনামূলকভাবে অনমনীয় থাকে। আর রক্তচাপ থাকে সর্বোচ্চ। এই সময় ঘুমের জন্য দায়ী হরমোন মেলাটনিনের নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় শরীরচর্চা না করাই ভালো। ২. সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা ৫৯ এই সময় আপনি সম্ভবত অফিসে। এ সময় আমাদের শরীর কাজ করার মুডে থাকে। তবে সর্বোচ্চ পরিমাণে নিঃসৃত হয় স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল। এটা আমাদের সতর্ক থাকতেও সাহায্য করে। দুপুরে খাবারের আগপর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ হয়ে যায়। তবে এই সময়ের স্মৃতি আমাদের সবচেয়ে কম মনে থাকে। এর অন্যতম কারণ, এটা ‘শর্ট টার্ম মেমোরি’রও সময়। এই সময় আপনার উচিত ব্যস্ত থাকা। ৩. দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা ৫৯ দুপুরের খাবারের পর আমাদের পেট ভরা থাকে। এই সময় গ্যাস্ট্রিকজনিত কার্যক্রম বাড়ে। এটা গাড়ি চালানোর জন্য সবচেয়ে খারাপ সময়। বিশ্বে যত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার বেশির ভাগই বেলা ২টা থেকে ৩টা—এই সময়ের মধ্যে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষেরা এই সময় রাস্তায় মারা যান। এই সময় মদজাতীয় কোনো কিছু খাওয়া উচিত নয়। কেননা অন্য সময়ের তুলনায় এই সময় অ্যালকোহল বেশি ‘চড়ে বসে’। ৪. বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা ৫৯ এটি শারীরিক পরিশ্রমের জন্য সেরা সময়। এই সময় শরীরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বৃদ্ধি পায়। হাঁটা বা ‘ওয়ার্ম আপ’ জাতীয় ব্যায়াম আপনি করতেই পারেন। এই সময় হার্ট ও ফুসফুস সবচেয়ে ভালো থাকে। শরীরের মাংসপেশিও শতকরা ৬ ভাগ শক্তিশালী থাকে। অনেকেই এই সময় দৌড়ে বা ‘অ্যাথলেটিক’ কিছু করে রেকর্ড গড়েছেন। ৫. সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা ৫৯ এই সময়ের যত শুরুর দিকে আপনি রাতের খাওয়া সেরে নেবেন, তত ভালো। যত দেরি করবেন, তত খারাপ। অর্থাৎ সন্ধ্যা ৬টায় যদি রাতের খাবার খেয়ে নেন, সবচেয়ে ভালো। ৮টা ৫৯–এ খেলে বেশ দেরি হয়ে যায়। তবে এই সময়ের মধ্যে ভারি কিছু খাওয়া যাবে না। এটি নিজেকে নিয়ে ভাবার জন্য ভালো সময়। ৬. রাত ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫৯ এই সময় ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা কমতে থাকে। ঘুমিয়ে পড়ার সেরা সময়। রাত ৯টা থেকে ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে থাকে (সংগৃহীত) (logical science)

Life Changing Habits Part 1 1. প্রতিদিন 7+ ঘন্টা ঘুমান। ঘুম আপনার শরীরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কমপক্ষে 7 ঘন্টা পর্যাপ্ত ঘুম। 2. প্রতিদিন 10 মিনিট Meditation করুন। তাহলে আপনি আপনার ব্রেইনের যত্ন নিচ্ছেন। শান্ত ও নিরব জায়গায় কমপক্ষে প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করুন। 3. প্রতিদিন সানলাইটে ১০ মিনিট থাকুন। সেরা সময় 7am টা থেকে 9am টা পর্যন্ত। 4. ভোরে ঘুম থেকে ওঠা বিশ্বের সবচেয়ে সফল ব্যক্তিদের সাফল্যের অন্যতম রহস্য ছিল। 5. প্রতিদিন 30 মিনিট পড়ুন। প্রতিদিন 30 মিনিটের জন্য বই পড়ুন। এটি আপনার নলেজ ইম্প্রুভ করবে এবং আপনার আইডিয়া গুলো প্রসারিত করবে। 6. সুগার এবং জাঙ্ক ফুডকে না বলুন। 30 দিন চিনিযুক্ত জিনিস খাবেন না বা পান করবেন না। ৩০ দিন পর বুঝতে পারবেন। 7. সপ্তাহে অন্তত 3/4 বার ওয়ার্কআউট করুন। 8. দিনে অন্তত 3 লিটার পানি পান করুন। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার শরীরকে সব সময় হাইড্রেটেড রাখবে।

আপনার নাভিতে লুকিয়ে রয়েছে রোগের বাসা শরীরে হাজারো রোগের বাসা। তাড়াতে কাঁড়ি কাঁড়ি ট্যাবলেট গিলতে হচ্ছে। অথচ নাভির যত্ন নিলে শরীরের অধিকাংশ রোগকেই দূরে রাখা যায়। শুধু নাড়ির যোগসূত্র নয়, নাভি মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নেহাত সৌন্দর্যের প্রয়োজন নয়, উপেক্ষাও নয়, নাভির যত্নই আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে। ১. নিয়মিত নাভিতে নিম তেল দিলে ব্রণ ও ফুসকুড়ির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ সমস্যায় বহু বিউটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করা হয়। ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কোন কোন ক্রিম বা লোশনে আপাতভাবে ব্রণ দূর হলেও, ফের তা হাজির হয়। অথচ নাভিতে নিম তেল দিলে অনায়াসেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। ২. শুকনো ঠোঁট নিয়ে মহিলারা প্রায়শই সমস্যায় পড়েন। মেকআপের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের দফারফা হয় এই ধরনের শুকনো ঠোঁটের জন্য। নাভিতে সরষের তেল দিলেই কিন্তু এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ৩. ঋতুকালীন যন্ত্রণায় প্রায় প্রত্যেক মহিলাই কষ্ট পান। তুলোয় ব্র্যান্ডি ভিজিয়ে এই সময়ে নাভিতে রাখুন। যন্ত্রণা ও ক্র্যাম্প থেকে স্বস্তি মিলবে। ৪. আচমকা ঠাণ্ডা লেগে জ্বর বেধে যায় অনেক সময়। সর্দি-কাশির সমস্যাও দেখা দেয়। এসব ক্ষেত্রে অ্যালকোহলে ভেজানো তুলো নাভিতে রাখুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ম্যাজিকের মতো ফল মেলে। ৫. মুখের সৌন্দর্য নিয়ে যাঁরা সচেতন তাঁরা মুখেই এটা ওটা লাগান। তাতে ফল মেলে অবশ্য। তবে খানিকটা অলিভ অয়েল নাভিতে দিন। এতে মুখের সৌন্দর্য ফিরবে। এছাড়া পরিষ্কার মাখন নাভিতে দিলে ত্বক কোমল হয়। ৬. সৌন্দর্য চর্চায়, বিশেষত চুলের জন্য নারকেল তেলের প্রয়োগের কথা তো আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তবে এর একটা আলাদা উপকারিতাও আছে। নাভিতে নারকেল তেল দিলে ফার্টিলিটি বা প্রজনন শক্তি উন্নত হয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নাভি নিয়ে হেলাফেলা না করাই ভাল। নাভি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে হাজারও আধি-ব্যধি থেকে এমনিই মুক্তি মেলে। Source: Zoom bangla

Topic: ড্রাগ অ্যাডিকশন ম্যানেজমেন্ট আসক্তি এমন একটি অবস্থা যা ব্যক্তি ক্ষতি জানার সত্ত্বেও একই ধরনের দীর্ঘমেয়াদি আচরণ বারবার করে থাকে। আসক্তির কারণঃ- বায়োলজিক্যাল কারণ:- উদাহরণস্বরূপ মস্তিষ্কের সঠিক মাত্রায় মেলাটোনিন হরমোন সিক্রেশন না হওয়ার কারণে ঘুমের সমস্যা হয়ে থাকে, ঘুমের সমস্যা দূর করতে অনেকেই স্লিপিং পিল সেবন করেন। দীর্ঘদিন এই অবস্থা চলতে থাকলে স্লিপিং পিল অ্যাডিকশনে রূপ নিতে পারে। পরিবেশগত কারণ:- বন্ধুরা মাদক সেবন করে অথবা বাসার পেছনে ফাঁকা জায়গায় সন্ধ্যার পরে মাদক সেবীদের আড্ডা বসে। এমন অবস্থায় পিয়ার পেশার বা পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে ড্রাগ অ্যাডিকশন হতে পারে। একজন মানুষ কিভাবে মাদকাসক্ত হয় ? সাধারণত একজন মানুষ চারটি ধাপে মাদকাসক্ত হয়ে থাকে যেমন- ১. কৌতুহল বা পরীক্ষামূলক: ইয়াবা মানুষ কেন খায় ? এটা খেতে কেমন ? এটা খেলে কি চেহারা সুন্দর হয় ? একদিন একটু পরীক্ষা করে দেখি তাহলে ! এইভাবে মূলত মাদক সেবনের শুরুটা হয়ে থাকে। ২. মাঝে মাঝে গ্রহণ করা: এ পর্যায়ে এসে ওকেশনাল মাদক সেবী হয়ে ওঠে। যেমন- জন্মদিন, বিয়ে, কোন উৎসব বা অনুষ্ঠান সেলিব্রেট করার জন্য মাদক সেবন করে থাকে। ৩. নিয়মিত : সকালে বাসা থেকে বের হলে প্রথমে একটা সিগারেট খেতে হয়। রাত্রে বাসায় প্রবেশের আগে একটা সিগারেট খেয়ে বাসায় ঢুকতে হয় নিয়মিত। অর্থাৎ প্রতিদিন একটা নিয়মিত সময়ে মাদক সেবনের অভ্যাস গড়ে ওঠে। ৪. নির্ভরশীলতা: গাজা না খেলে আমি পড়তে বসতে পারিনা, সিগারেট না খেলে আমার টয়লেট হয় না, আমি যেখানেই থাকি না কেন খাওয়ার পরে আমার একটা সিগারেট লাগবেই। অর্থাৎ কোন একটা কাজের শুরুতে বা শেষে কোন একটি নির্দিষ্ট মাদক গ্রহণ করতেই হবে। মাদক গ্রহণ করলেই সে স্বাভাবিক না করলেই অস্বাভাবিক এমন একটি অবস্থা তৈরি হয়। ড্রাগ অ্যাডিকশন অ্যাসেসমেন্ট:- *ডোপ টেস্ট *সাইকোলজিক্যাল স্কেল অ্যাডিকশন ম্যানেজমেন্ট:- *কাউন্সিলিং এন্ড সাইকোথেরাপি। *নারকোটিক প্রোনোনিমাস অর্থাৎ মাদক সেবীদের মধ্যে গ্রুপ তৈরি করে ২১ টি নীতি ফলো করার মাধ্যমে মাদকাসবন থেকে দূরে থাকা। "কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি এবং সাইকোট ড্রামা ব্যবহার করা। পরিবর্তনের উপায়:- মাদক গ্রহণের ফলে তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি উপলব্ধি করানো। ভবিষ্যতে ভালো কিছু করার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করা। তার মধ্যে অনেক ক্ষমতা রয়েছে তা খুঁজে বের করা। স্ট্রং সেল্ফ কমিটমেন্ট করা। পরিবর্তনের ছয়টা ধাপ- ব্যক্তি এই সময় সমস্যা সম্পর্কে সচেতন থাকে না। সমস্যা সম্বন্ধে বুঝতে পারে বা উপলব্ধি হয়। কার কাছে গেলে সমাধান হতে পারে এই সম্বন্ধে প্রস্তুতি গ্রহণ করে। চিকিৎসা গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে। পুনরায় মাদক গ্রহণ শুরু করে। এভাবে আবারও প্রথম ধাপে ফিরে যাই এবং চক্রাকারে চলতে থাকে যতদিন পর্যন্ত সে একেবারেই মাদক গ্রহণ বন্ধ না করছে। মোঃ আব্দুল লতিব সম্রাট প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট

লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ) আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, ’’আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না, উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই, আমি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড, যা মনে আসে তাই বলি!’’ সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত! সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন! ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয় । 🟥 যদি কোনো ব্যাক্তি:- 🔸সরাসরি কাউকে লাঞ্চিত ও তাচ্ছিল্য করে। 🔸কাউকে অসম্মানজনক ভাবে কোনকিছু নির্দেশ করে (আঙুল,চোখ, মাথা বা ভ্রু দ্বারা)। 🔸কারও অবস্থান বা পদবি নিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করে। 🔸কারো বংশের নিন্দা করে বা বংশ নিয়ে কথা বলে। 🔸কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলে, অপমান করে। 🔸কারও মুখের উপর তার সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে। 🔸সরাসরি বাজে কথা দিয়ে কাউকে আঘাত করে। তবে সেই ব্যাক্তিই মূলত "লুমাযাহ" এর অন্তর্ভুক্ত। আল্লহ্‌ ওয়া তা'আলা এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন। আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন। নবী (সাঃ) বলেছেন, ”যার ভিতরে নম্রতা নেই, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত”। আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি। মনে রাখবেন ’নম্রতা’ দুনিয়ার সেরা নিয়ামত। হয়তো আমিও লুমাজার অন্তর্ভুক্ত, তবে চেষ্টা করছি নিজেকে বাঁচাতে। আল্লাহ তৌফিক দান করুন। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমীন l (Copied) ✍️ ইসলামিক আর্টিকেলস

ChatGPT বর্তমান সময়ে টেক দুনিয়ায় আলোচিত একটি বিষয়। ChatGPT কি? ChatGPT ki? সংক্ষেপে বলতে গেলে ChatGPT হচ্ছে মূলত AI(artificial intelligence) language model যা কিনা ট্রেইন করা হয়েছে টেক্সট জেনারেট করে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যে। ভবিষ্যতে এই ChatGPT ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টে করলে এবং আরো আপডেট করলে সেটা Google কেও টেক্কা দিতে পারেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে আমরা কোনো কিছু না জানলে সেটা Google এ সার্চ করি, আর Google আমাদের সার্চকৃত বিষয়ের উপর নানারকম তথ্য দেখায়। সেখান থেকে আমাদের সঠিকটা বেছে নিতে হয়। কিন্তু, ChatGPT ভিন্ন। এটা একরকম বলতে গেলে মানুষের মতোই প্রশ্নের উত্তর দেয়। মানে আপনি যদি ChatGPT তে কোনো প্রশ্ন করেন সেটার উত্তরটা ওরকমই পাবেন যেরকমটা ওই বিষয়ে দক্ষ মানুষের কাছে পেতেন। ধরুন, আপনি e-Mail লিখায় অদক্ষ। এখন আপনি শুধু আপনার ক্লায়েন্টের নাম এবং বেসিক কিছু ইনফো দিয়ে ChatGPT কে একটি ফরমাল মেইল লিখতে বললেন। এটা আপনাকে সেকেন্ডের মধ্যে সুন্দর করে e-Mail লিখে দিবে। বাকিটা নির্ভর করবে আপনার ক্রিয়েটিভিটির উপর এটা দিয়ে Article লিখা, Video স্ক্রিপ্ট তৈরি করা এছাড়াও ইত্যাদি কাজে ব্যাবহার করতে পারবেন। ( সংগৃহীত)

কালো ঠোঁট গোলাপি করবে ধনেপাতা নরম, কোমল, গোলাপি ঠোঁট যেকোনো নারীর সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দেয়। তবে অনেক কারণেই ঠোঁটে কালচে দাগ পড়ে যেতে দেখা যায়। আর কালো ঠোঁট মানেই সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাওয়া। তবে এই নিয়ে চিন্তিত হওয়া কিছু নেই। কারণ আপনার জন্য এমন একটি উপায় রয়েছে যা খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে। আর সেই উপায়টি হচ্ছে ধনেপাতা। কি অবাক হয়েছেন? অবাক হলেও সত্যি! ধনেপাতার ব্যবহারেই আপনার কালো ঠোঁট গোলাপি হয়ে উঠবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে- তৈরি ও ব্যবহার পদ্ধতিপ্রথমে কিছু ধনেপাতা নিয়ে ভালভাবে ধুয়ে নিন। তারপর কুচিকুচি করে কেটে একটি বাটিতে রাখুন। এবার একটি চামচ দিয়ে কুচি করা পাতাগুলো থেঁতলে নিন। এবার এই থেঁতলানো পাতাগুলো ঠোঁটে ব্যবহার করুন। কিছুদিন এই পদ্ধতি মেনে চললেই দেখবেন আপনার ঠোঁটের কালচেভাব দূর হয়ে গেছে। আর সেই সঙ্গে আপনার ঠোঁটে দেখা দেবে গোলাপি রঙও। Source: Zoom bangla

👓 চশমার যত্নে যা যা করণীয় 👓 আমাদের মধ্য জীবনের এই অপরিহার্য সঙ্গীটির যত্ন না নিলে অল্পতেই ব্যবহারের অনুপযোগী হতে পারে। চলুন দেখে নেই কীভাবে চশমার যত্ন নিতে হবে। ✅ ব্যবহারের নিয়ম চশমা মাথার ওপর তুলে রাখবেন না। এতে চশমার অ্যালাইনেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। চশমার লেন্স ঠিক থাকলেও অ্যালাইনেন্ট ঠিক না হলে দেখতে অসুবিধা হয়। মাথা ঢুকিয়ে জামাকাপড় পরার সময় চশমা খুলে রাখুন। নাহলে চশমায় ক্রমাগত চাপ পড়ে ফ্রেম বেঁকে যেতে পারে। আবার চশমা পড়ে গিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। ✅ ব্যবহার না করলে ঘুমানোর সময় চশমা খুলে রাখুন। বালিশের পাশে বা নিচে না রেখে কেস ব্যবহার করুন। চশমা খুলে রাখার সময় লেন্সের দিকটা সবসময় ওপরের দিকে রাখুন। লেন্স নিচের দিকে রাখলে ঘষা লেগে দাগ হতে পারে। চশমা সরাসরি রোদে রাখবেন না। এমনকি নিজের চশমা অন্য কাউকে পরতে দেবেন না। এতে চশমার ফিটিংস নষ্ট হয়ে যায়। কয়েক মাস অন্তর দোকানে গিয়ে চশমার স্ক্রু অ্যাডজাস্ট করিয়ে নিতে হবে। ✅ চশমা পরিষ্কার করা নরম সুতি কাপড় দিয়ে আলতোভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চশমার লেন্স পরিষ্কার করুন। শক্ত বা খসখসে কাপড় ব্যবহার করবেন না। সপ্তাহে এক দিন চশমা ধুয়ে পরিষ্কার করুন। বাটিতে কুসুম গরম পানি নিয়ে কয়েক ফোঁটা তরল সাবান মেশান। ওই পানিতে চশমা কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। চশমা ধোওয়ার পর নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন। চশমা পরিষ্কার করার জন্য বাজারে লেন্স ক্লিনার স্প্রে পাওয়া যায়। এই স্প্রে লাগিয়ে সুতি কাপড় দিয়েও চশমা মুছে নিতে পারেন। চশমা পরিষ্কার করার জন্য অ্যামোনিয়া, ব্লিচ, ভিনিগার বা উইনডো ক্লিনার জাতীয় জিনিস ব্যবহার করবেন না। এগুলো চশমার লেন্স ও কোটিংয়ের ক্ষতি করে। ✅ সতর্কতা চশমায় ঘাম লাগলে মুছে নিন। ঘাম বসে গেলে ফ্রেমে দাগ হয়ে যায়। তা ছাড়া ঘাম লেন্সেরও ক্ষতি করে। হাত দিয়ে চশমার লেন্স ধরা যাবে না। এতে লেন্সে আঙুলের ছাপ পড়ে যায় এবং দেখতে অসুবিধা হয়। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #sunglass #sunglasses #fashion #sunglassesfashion #eyewear #sunglasseslover #style #kacamata #glasses #sunglassesstyle #shades #eyewearfashion #kacamatamurah #summer #rayban #kacamataminus #luxury #eyewearstyle

সময় থাকতে সচেতন হোন, অচেনা সিম বন্ধ করুন। সবাই নিজের. ও পরিবারের সকলের NID দিয়ে কয়টা সিম রেজিষ্টেশন আছে অবশ্যই চেক করবেন।। MY
সময় থাকতে সচেতন হোন, অচেনা সিম বন্ধ করুন। সবাই নিজের. ও পরিবারের সকলের NID দিয়ে কয়টা সিম রেজিষ্টেশন আছে অবশ্যই চেক করবেন।। MY GP App থাকলে SIMs you won / Won YOU Sim লেখা অপশনে ক্লিক করে NID নাস্বারের শেষ ডিজিট দিয়ে চেক করুন কয়টা সিম উক্ত NID তে নিবন্ধন আছে। আজ আমি বাবার নাস্বার থেকে ২ টি অচিনা সিম বন্ধ করলাম যা আমরা কেউ জানতাম না।।

সাইকোলজি বলে: যখন আপনি নিজের যত্ন নিবেন তখন আপনি অনেক বেটার ফিল করবেন, আপনার নিজেকে আয়নায় দেখতেও ভালো লাগবে, নিজেকে এট্রাক্টিভ মনে হবে, নিজের যত্ন নিলে হ্যাপিনেস খুঁজে পাবেন। সাইকোলজি বলে: যে ব্যক্তি আপনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতো সে যদি আপনাকে ইগনোর করে তখন আপনার ব্রেইন শারীরিক ব্যাথার মতো রিয়েকশন করবে। সাইকোলজি বলে: কাউকে যখন আপনি মিস করেন তখন আপনার ইমোশন হ্যাপিনেস থেকে স্যাডনেসের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সাইকোলজি বলে: আপনি যদি আপনার ইমোশনকে কন্ট্রোল না করেন পারেন তাহলে এটি আপনাকে বিরুদ্ধে ম্যানুপুলেট করবে। আপনি আপনার মাইন্ডকে এমন ভাবে প্রশিক্ষণ করেন যা আপনার অনূভুতির চেয়ে শক্তিশালী হয় অন্যথায় প্রতিটা মূহুর্তে আপনি হারবেন। সাইকোলজি বলে: যখন আপনি একটি সমস্যায় পড়েন তখন আরো সমস্যা আসে। যখন আপনি একটি সম্ভাবনার দিক ফোকাস দেন তখন আপনি আরো অপরচুনিটি আসবে।

. যৌন বিরাগ পুরো যৌন কাজের প্রতিও হতে পারে। আবার হতে পারে নির্দিষ্ট একটা কাজের প্রতি। যেমন কোনো পুরুষ হয়তোবা শুধু যৌন সঙ্গম করতে পছন্দ করে, কিন্তু যৌন আদর যেমন- চুমু দেয়া, স্তন ঘর্ষণ করা, যোনিতে চুমু দেয়া ইত্যাদি পছন্দ করে না। অনেক নারী অভিযোগ করে থাকেন তাদের সঙ্গী কোনোরকম শারীরিক অন্য আদর ছাড়া লিঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করিয়ে দেন। . কোনো পুরুষের মধ্যে এ সমস্যা থাকলে সেটা তাদের সঙ্গীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কটা খারাপ করে দিতে পারে। তাদের ভালো যৌন সম্পর্ক হয়ে উঠে না। সম্পর্কটা তখন একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। এ অবস্থা যদি কারও মধ্যে ৬ মাস চলতে থাকে এবং এজন্য যদি তাদের বৈবাহিক সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পেলে তাহলে এটা যৌন বিপর্যয় ডিসঅর্ডার। . . 🟩 চিকিৎসা: আমাদের দেশে যেহেতু যৌন সমস্যা বা যৌনরোগ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয় না, তাই অনেকেই অপচিকিৎসার ফাঁদে পড়ে। লোভনীয় ও আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, ১০০% গ্যারান্টি , এক ফাইল যথেষ্ট , ২৪ ঘণ্টায় সমাধানের নিশ্চয়তা ইত্যাদির লোভে অনেকেই প্রতারিত হন। . তাই কারো মধ্যে উপরোক্ত যৌন সমস্যাগুলো দেখা দিলে সরাসরি ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া দরকার। . যদি সমস্যা দীর্ঘদিনের হয় তাহলে চিকিৎসকের কাছে কাছে প্রথমে স্বামী গেলেও চিকিৎসার ধাপে ধাপে স্ত্রীকেও স্বামীর সাথে যেতে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রোগীর ধৈর্য ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয় । . 🔴 বলা হয়ে থাকে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যতই সমস্যা থাকুক, মতের অমিল থাকুক, চাওয়া পাওয়া না মিলুক, কিন্তু দিন শেষে তাদের মধ্যে চমৎকার একটা রোমান্টিক যৌন-সম্পর্ক বাকি সব সমস্যাকে গৌণ করে দিতে পারে। যৌন সম্পর্ক শুধুই শারীরিক নয়, মানসিকও। . ✅ এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমার লেখা নিম্নের বই দুইটি পড়তে পারেন: ১) বয়সন্ধিকালের যৌনশিক্ষা ২) বড়দের যৌনশিক্ষা . নিচের মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বই দুটি সংগ্রহ করতে পারবেন । . . . ডা: মোঃ ফাইজুল হক ২০ বছরের অভিজ্ঞ, সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত হোমিওপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক এবং ইউনানী চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক । আয়ুর্বেদ তীর্থ Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) . ☑️চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা । . ☑️মোবাইল নাম্বার: 01712 859950 বা, 01972 859950