uk
Feedback

Не попадись на ботовода! Telemetrio знаходить і позначає такі канали мітками 👉 Хочеш бачити мітку, оформляй підписку

SHAHIN NETWORK

SHAHIN NETWORK

Відкрити в Telegram

📞WhatsApp Admin: https://wa.link/cv220f ⚠️Telegram Channel: https://t.me/ShahinNetwork 🌐YouTube channel: https://youtube.com/@ShahinNetwork

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу SHAHIN NETWORK

Канал SHAHIN NETWORK (@shahinnetwork) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 10 660 підписників, посідаючи 9 046 місце в категорії Криптовалюти та 2 222 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 10 660 підписників.

За останніми даними від 14 жовтня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -350, а за останні 24 години на -11, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 7.88%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.65% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 840 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 389 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 5.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
“📞WhatsApp Admin: https://wa.link/cv220f ⚠️Telegram Channel: https://t.me/ShahinNetwork 🌐YouTube channel: https://youtube.com/@ShahinNetwork”

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 15 жовтня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Криптовалюти.

10 660
Підписники
-1124 години
-977 днів
-35030 днів
Архів дописів
“সর্বশেষ: CoinGlass-এর তথ্য অনুযায়ী, Bitcoin ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসই সবুজ (Green) ক্য
“সর্বশেষ: CoinGlass-এর তথ্য অনুযায়ী, Bitcoin ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জুলাই, আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসই সবুজ (Green) ক্যান্ডেল দিয়ে শেষ করেছে।” 🟢 “তিন মাসই Green” বলতে কী বোঝায়? ক্রিপ্টোতে কোনো মাসের শুরুতে Bitcoin-এর দাম যত ছিল, মাস শেষে তার চেয়ে বেশি দামে বন্ধ হলে সেই মাসকে Green month বলা হয়। অর্থাৎ ২০২৬ সালে: জুলাই → 🟢 লাভে শেষ আগস্ট → 🟢 লাভে শেষ সেপ্টেম্বর → 🟢 লাভে শেষ এটি CoinGlass-এর ২০১৩ সাল থেকে থাকা মাসিক পারফরম্যান্স ডেটার ভিত্তিতে প্রথমবারের ঘটনা হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে।

☑️ পোস্ট টি কয়েকটি আর্টিকেল এ ভাগ হয়ে গেছে।যারা পড়বেন কষ্ট করে পুরোটা পড়বেন। সচেতনতামূলক পোস্ট

আমরা শহরে বইসা বলি, এরা ওঝার কাছে যায় কেন। আর আমরা ওই গ্রামে কী পাঠাইসি? আমরা তাদের এই রোগটার কথা বলি নাই। ওই চারটা লক্ষণ শিখাই নাই। আর সবচেয়ে বড় কথা, তাদের হাসপাতালে ওষুধটাও রাখি নাই। তারপর তারা ওঝার কাছে যায়। আর আমরা হাসি। আয়েশার শরীরটা একদিন মাটিতে মিশা যাবে। কিন্তু ওই রুপার আংটিটা মিশবে না। আয়েশা আংটিটা হারায় নাই, ওইটা মাটির নিচে পইড়া থাকবে, আর ওইটাই বইয়া বেড়াবে ওই এক রাতের কথা, যেই রাতে উনিশ বছরের একটা মেয়ে হাতটা চোখের সামনে তুইলা ধইরা সারা রাত তাকায়া ছিল। পাশের ঘরে তার মা শুইয়া ছিলেন, আর ভাবতেসিলেন সোনাটা দিতে পারলে ভালো হইত। আর ফিসফিস কইরা মেয়েটা বলসিল, সুন্দর। ☑️  কপি: পিনাকী দা

ওঝা আসলো রাত নয়টার দিকে। তিনি বললেন, ঘর অন্ধকার করো। কেউ শব্দ কইরো না। বাইরের লোক ঢুকতে দিও না। অবাক ব্যাপার ওই তিনটা নির্দেশের সাথে চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটা মিল আছে। এই রোগীকে শান্ত আর অন্ধকার জায়গায় রাখতে বলা হয়, কারণ আলো আর শব্দে খিঁচুনি বাড়ে। তাই মাঝে মাঝে ওঝার ঘরেও রোগী ভালো হইয়া যাইত। আর সবাই ভাবত, ওঝার কাজ হইসে। ওই কারণেই বিশ্বাসটা টিকসে, বংশের পর বংশ। কিন্তু একটা জিনিস ওঝা দিতে পারতেন না। খিঁচুনি থামানোর একটা ওষুধ আছে। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট। সস্তা ওষুধ, ইনজেকশন। আর এই রোগের একমাত্র নিশ্চিত চিকিৎসা হইল বাচ্চা আর গর্ভফুলটা বাইর কইরা আনা। কারণ রোগের উৎস ওই গর্ভফুলেই। মানে যতক্ষণ ওইটা ভিতরে আছে, ততক্ষণ কোনো ফুঁ, কোনো পানিপড়া, কোনো তাবিজে সাময়িক উপকার হবে, নিরাময় হবেনা। সেই রাতে আয়েশার তিনবার খিঁচুনি উঠল। ওঝা ফুঁ দিলেন। পানিপড়া খাওয়ানোর চেষ্টা হইল, কিন্তু আয়েশা গিলতে পারতেসিল না। তার শাশুড়ি সারা রাত তার মাথাটা কোলে নিয়া বইসা ছিলেন। আর তার স্বামী দাঁড়ায়া ছিল দরজার কাছে। ছেলেটার বয়স বাইশ। সে একবারও ভিতরে ঢুকে নাই। কেউ তাকে ঢুকতে বলেও নাই। খিঁচুনির সময় আয়েশার হাত দুইটা মুঠ হইয়া যাইতেসিল। আর ওই মুঠ করা বাঁ হাতের অনামিকায় ওই রুপার আংটিটা। রাত দুইটার দিকে ওঝা বললেন, খারাপ বাতাসটা ছাড়তেসে না। আরও শক্ত কিছু লাগবে। তখন কেউ একজন বলল, চাচা, হাসপাতালে নিলে হয় না? হাসপাতাল-ওই কথাটা বলতে সাত ঘণ্টা লাগল। তারা রওনা দিল রাত তিনটায়। ভ্যান, তারপর রাস্তায় উইঠা একটা অটো। উপজেলা হাসপাতাল আঠারো কিলোমিটার। পথে আরেকবার খিঁচুনি উঠল। অটোর ভিতরে, অন্ধকারে, রাস্তার ঝাঁকুনির মধ্যে। শাশুড়ি মেয়েটাকে জড়ায়া ধইরা বইসা ছিলেন। এই দেশে প্রসব বা গর্ভাবস্থাজনিত কারণে যত মা মারা যান, তাঁদের উনিশ শতাংশের মৃত্যু হয় রাস্তায়। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই। আর তাঁদের তেত্রিশ শতাংশ মারা যাওয়ার আগে তিন বা তার বেশি জায়গায় চিকিৎসা খুঁজতে গেসিলেন। মানে একটা পরিবার রোগীকে নিয়া এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছুটতেসে, আর প্রতিটা জায়গা থেকে বলা হইতেসে, এইখানে হবে না, অন্যখানে যান। আয়েশা উপজেলা হাসপাতালে পৌঁছাইল ভোর পাঁচটায়। ডাক্তার দেখলেন। তারপর বললেন, এইখানে হবে না। জেলা সদরে নিয়া যান। ২০১৭ সালের স্বাস্থ্য সুবিধা জরিপে দেখা গেছে, ইনজেকশনযোগ্য ম্যাগনেসিয়াম সালফেট পাওয়া যায় বাংলাদেশের মাত্র চোদ্দ শতাংশ জেলা পর্যায়ের সরকারি প্রতিষ্ঠানে। আর যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়, তার দুই তৃতীয়াংশে খিঁচুনি থামানোর কোনো ওষুধই ছিল না। আর ওই একই জরিপ বলতেসে, ২০১৪ সালের পর এই ওষুধের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমসে। কমসে। জ্বি লিখতে ভুল হয় নাই। তারা আবার রওনা দিল। আয়েশা জেলা হাসপাতালে পৌঁছাইল সকাল আটটায়। ইনজেকশন দেওয়া হইল। কিন্তু ততক্ষণে তার শরীরটা নিস্তেজ হইয়া গেছে। আয়েশা মারা যায় দুপুরের দিকে। বাচ্চাটাও বাঁচে নাই। সন্তান জন্ম দিতে গিয়া মারা যাওয়া প্রতি একশজন হতভাগ্য মায়ের তেইশজনের গল্প প্রায় এইটাই। রক্তক্ষরণের পরেই এই রোগটা দ্বিতীয়। মানে প্রতি চারজন মৃত মায়ের প্রায় একজন। আয়েশার মায়ের কাছে খবর গেসিল সকালবেলা। তিনি তখন মানুষের বাড়িতে কাজে। খবরটা শুইনা তিনি শুধু বলসিলেন, কী হইসে আমার মেয়ের। যিনি খবর দিসিলেন, তিনি পুরাটা বলেন নাই। বলসিলেন, অসুখ করসে, জেলা হাসপাতালে আছে, তাড়াতাড়ি আসেন। তাঁর গ্রাম থেকে জেলা শহর তিন ঘণ্টার পথ। তিনি পৌঁছাইলেন বিকাল চারটায়। হাসপাতালের বারান্দা দিয়া হাঁটতে হাঁটতে তিনি ভাবতেসিলেন, কী এমন অসুখ যে জেলায় আনতে হইল। তারপর যে ঘরটায় ঢুকলেন, ওইটা থেকে কেউ বাইর হইয়া যাইতেসিল চোখ মুছতে মুছতে। মেয়েটা মারা গেছে দুপুরে। মানে তিনি তাঁর মেয়েকে জীবিত দেখেন নাই। তিনি যা দেখলেন, ওইটা একটা ঢাকা দেওয়া শরীর। আর ঘরের এক কোণায় আয়েশার শাশুড়ি বইসা আছেন, হাতে একটা ভেজা কাপড়। তিনি কাপড়টা সরাইলেন। মেয়েটার চোখ দুইটা বন্ধ, মুখটা ফোলা। তিনি অনেকক্ষণ তাকায়া রইলেন। তারপর বললেন, আমার মেয়েটা তো এমন ছিল না। দুই মহিলা অনেকক্ষণ কেউ কোনো কথা বললেন না। তারপর শাশুড়ি উঠে আসলেন। আর বললেন, আপা, আমি ওর আংটিটা খুলতে পারি নাই। আঙুল ফুইলা গেছে। আয়েশার মা বললেন, থাক। তারপর বললেন, ওইটা ওর কাছেই থাকুক। তারপর তিনি মেয়ের হাতটা ধরলেন। ওই হাতটা, যেই হাত ধইরা তিনি বিয়ের দিন বলসিলেন আংটিটা হারাইস না। আয়েশাকে ওই আংটিসহই দাফন করা হইসিল। আয়েশার প্রতিটা চেকআপে রক্তচাপটা মাপা হইলে জিনিসটা ধরা পড়ত। একটা যন্ত্র, দুই মিনিট। আর ওই উপজেলা হাসপাতালে ওষুধটা থাকলে সে ওইখানেই বাঁইচা যাইত। আঠারো কিলোমিটারেই চিকিৎসা পাইত।

আয়েশার আংটিটা রুপার। ওইটা তার মায়ের কেনা, বিয়ের দুই দিন আগে। আয়েশার বাপ নাই। মা মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। বিয়ের আগের ছয় মাসে যা জমাইসিলেন, তার প্রায় সবটাই গেছে কাপড় আর খাওয়ায়। শেষ দুই দিনে তার হাতে ছিল ছয়শ টাকা। তিনি মেয়েকে বলসিলেন, তোরে কিছু দিতে পারলাম না। আয়েশা বলসিল, আম্মা লাগব না। তবু তিনি ওইদিন বিকালে বাজারে গেসিলেন। একা। স্বর্ণের দোকানে ঢুইকা জিজ্ঞাসা করসিলেন সবচেয়ে ছোট সোনার আংটিটার দাম কত। দোকানদার দাম বলল। তাঁর হাতে কত আছে, ওইটা তিনি দোকানদারকে বলেন নাই। শুধু জিজ্ঞাসা করসিলেন, রুপার কিছু আছে? রুপার আংটিটার দাম ছিল সাড়ে তিনশ টাকা। তিনি ওইটা কিনলেন, আর বাকি টাকায় আধা কেজি মিষ্টি। বাড়ি ফিরা মেয়ের হাতে আংটিটা পরায়া দিয়া বললেন, রুপাই দিতে পারলাম মা। শ্বশুরবাড়িতে কেউ জিগাইলে কইস সোনা না, রুপা। আয়েশা কিছু বলে নাই। সারা রাত শুধু হাতটা চোখের সামনে ধইরা রাখসিল। আয়েশা ভাবতেছিলো, অনেক সুন্দর আংটিটা। আংটিটা যদিও একটু বড় হইসিল। দোকানদারকে মাপ বলা হইসিল মায়ের হাতের, আর আয়েশার আঙুল মায়ের চাইতে চিকন। তাই আয়েশার হাতে ওইটা ঘুরত, আর হাত ধুইলে খুইলা পইড়া যাইত। শ্বশুরবাড়িতে আইসা আয়েশা ওইটার সাথে একটা লাল সুতা পেঁচায়া নিল, কাঁথা সেলাইয়ের সুতা। তারপর আর পড়ত না। বিয়ের দিন গাড়িতে তুইলা দেওয়ার সময় মা মেয়ের হাতটা ধইরা বলসিলেন, আংটিটা হারাইস না। আয়েশার বয়স উনিশ। শ্বশুরবাড়িতে এক বছর হইল। প্রথম বাচ্চা, সাত মাস চলতেসে। সাত মাসের মাথায় একদিন সে খেয়াল করল আংটিটা আর হাতের আঙ্গুলে ঘুরতেসে না। সে সুতাটা খুইলা ফেলল। ভাবল, বাহ, এইবার ঠিক হইসে। আরও দশ পনেরো দিন পর আংটিটা আঙুলে চাপ দিতে লাগল। সাবান দিয়া খোলার চেষ্টা করল, খুলল না। শাশুড়িকে বলল, আম্মা আঙুল ফুলতেসে। শাশুড়ি বললেন, পোয়াতি মানুষের হাত পা ফোলে। এইটা তো সবাই জানে। এর কয়েকদিন আগে থেকে তার মাথাব্যথা শুরু হইসিল। সকালে উঠলে মাথার পিছনটা ভার লাগত। আয়েশা বলসিল, আম্মা মাথাটা ধরসে। শাশুড়ি বলসিলেন, রোদে যাস না। শুইয়া থাক। তারপর একদিন সে বলল, চোখে কেমন ঝাপসা দেখি। মনে হয় সামনে মশা উড়তেসে। শাশুড়ি বললেন, রক্ত কম। বেশি কইরা খা। আর একদিন বিকালে আয়েশা বলল, পেটের উপরের দিকটায় ব্যথা করে। ওইটা শুইনা ঘরের সবাই হাসছিলো। কারণ পেটের ভিতরে তো একটা মানুষ নড়াচড়া করতেসে। বোকা মেয়েটা। পয়লা পোয়াতি তাই খালি ডরায় সবকিছুতেই। পরে আয়েশা আর কিছু বলে নাই। আসলেই তো পোয়াতিদের তো অনেক কষ্ট হয়ই। সে তো আর জানে না, মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, হঠাৎ হাত পা ফোলা, আর পেটের উপরের দিকে ব্যথা। এই চারটা একসাথে আসা মানে পোয়াতি মানুষের স্বাভাবিক কষ্ট না। তারে কেউ বলে নাই এই চারটা একসাথে আসা মানে একটা মেয়ের শরীরে এমন কিছু শুরু হইসে, যেইটা তাকে মাইরা ফেলতে পারে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়েশা উঠান থেকে ঘরে ঢুকতেসিল। হঠাৎ দাঁড়ায়া গেল। তারপর পইড়া গেল। তারপর তার শরীরটা শক্ত হইয়া গেল। হাত পা খিঁচতে লাগল। চোখ উল্টায়া গেল। মুখ দিয়া ফেনা বাইর হইতে লাগল। ঘরের মানুষগুলা এই খিচুনি জীবনে দেখে নাই। কেউ কইলো খারাপ বাতাস লাগসে। জিনে ধরসে। তাই কেউ হাসপাতালের কথা বলল না। কেউ বলল, তাড়াতাড়ি ওঝারে ডাকো। আর একজন ছেলে দৌড় দিল পাশের গ্রামের দিকে। কিন্তু ওই মুহূর্তে আয়েশার শরীরের ভিতরে আসলে কী হইতেসিল। পোয়াতি হইলে গর্ভফুলটা মায়ের জরায়ুর দেয়ালে বসে, আর সে মায়ের রক্তনালিগুলার ভিতরে ঢুইকা ওইগুলাকে চওড়া কইরা দেয়। যেন নাড়ি দিয়া মায়ের শরীর থিকা বেশি রক্ত আসে, যেন বাচ্চাটা খাবার পায়। কিছু ক্ষেত্রে ওই কাজটা ঠিকমতো হয় না। নালিগুলা যতটা চওড়া হওয়ার কথা, ততটা হয় না। তখন গর্ভফুলটা কম রক্ত পায়। আর কম পাইলে সে চুপ কইরা বইসা থাকে না। সে রক্তে কিছু জিনিস ছাড়ে, আর ওইগুলা গিয়া লাগে মায়ের সারা শরীরের রক্তনালিতে। আর গর্ভফুল ছাড়া মায়ের শরীরের অন্য রক্ত নালিগুলা তখন সংকুচিত হইতে থাকে। তখন মায়ের রক্তচাপ বাড়ে। কিডনি থেকে প্রোটিন বাইর হইয়া প্রস্রাবে যায়। রক্ত নালি থিকা চাপে পানি চুইয়া শরীরে জমে, তাই হাত পা ফোলে। লিভারে চাপ পড়ে, তাই পেটের উপরের দিকে ব্যথা করে। চোখের নালিতে সমস্যা হয়, তাই ঝাপসা দেখায়। আর সবার শেষে ওইটা মস্তিষ্কে পৌঁছায়। তখন খিঁচুনি। এই রোগটার নাম প্রি-একলাম্পসিয়া। আর খিঁচুনি উঠলে ওইটার নাম একলাম্পসিয়া। আয়েশা দুই সপ্তাহ ধইরা চারটা কথা বলসিল। মাথাব্যথা মানে মস্তিষ্ক। ঝাপসা দেখা মানে চোখ। আঙুল ফোলা মানে কিডনি। পেটের উপরের ব্যথা মানে লিভার। তার শরীর চারটা জায়গা থেকে আলাদা আলাদা কইরা সংকেত পাঠাইতেসিল। সমস্যা হইতেছে, সমস্যা হইতেছে। আর শরীরের পাঠানো প্রতিটা সংকেতের উত্তরে সে শুনসিল, পোয়াতি মানুষের এমন হয়।

photo content

☑️ Very chat coin বিক্রি করতে পারবেন

Repost from SHAHIN NETWORK
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এ
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এডমিন নেই। ☑️ Metamask ও অন্যান্য wallet এ যাদের কয়েন আছে তারাই সেল করতে পারবেন। Sidra App থেকে এখন ট্রান্সফার করা যাচ্ছে না। ☑️ প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকুন

LEGACY $XDAO TOKEN SNAPSHOT 📅 On September 25 at 14:00 UTC, we will take a snapshot across the four networks where the Legac
LEGACY $XDAO TOKEN SNAPSHOT 📅 On September 25 at 14:00 UTC, we will take a snapshot across the four networks where the Legacy token existed and was traded: Ethereum, BNB Chain, Arbitrum, and Polygon. ওয়ালেট কানেক্ট করতে হবে।

Repost from SHAHIN NETWORK
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এ
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এডমিন নেই। ☑️ Metamask ও অন্যান্য wallet এ যাদের কয়েন আছে তারাই সেল করতে পারবেন। Sidra App থেকে এখন ট্রান্সফার করা যাচ্ছে না। ☑️ প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকুন

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “লোকেরা যেন জুমার নামাজ ত্যাগ করা থেকে বিরত থাকে, অন্যথায় আল্লাহ তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেবেন, তারপর তারা গাফেলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।” 📚 সহিহ মুসলিম: ৮৬৫

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে, নিজের উত্তম পোশাক পরিধান করে এবং সুগন্ধি ব্যবহার করে—তারপর জুমায় আসে... আল্লাহ তার পূর্ববর্তী জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত গুনাহ ক্ষমা করেন।” 📚 সুনান আবু দাউদ: ৩৪৩;

Repost from SHAHIN NETWORK
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এ
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এডমিন নেই। ☑️ Metamask ও অন্যান্য wallet এ যাদের কয়েন আছে তারাই সেল করতে পারবেন। Sidra App থেকে এখন ট্রান্সফার করা যাচ্ছে না। ☑️ প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকুন

নিয়মিত Bybit Exchange থেকে এক্সক্লুসিভ রিওয়ার্ড পেতে এখনই জয়েন করুন। অফার চলমান থাকা অবস্থায় একাউন্ট করলে ভবিষ্যতে ডেরিভে
নিয়মিত Bybit Exchange থেকে এক্সক্লুসিভ রিওয়ার্ড পেতে এখনই জয়েন করুন। অফার চলমান থাকা অবস্থায় একাউন্ট করলে ভবিষ্যতে ডেরিভেটিভস বোনাস পেতেই থাকবেন। Joining Link: https://partner.bybit.com/b/80614 Must be Complete KYC Verification Done ✅

MEXC REWARDS Claim Up to $140 Joining Link: https://s.mexc.com/share/OU9lI3gDhY Referral code: 1NRJK Create account with Gmai
MEXC REWARDS Claim Up to $140 Joining Link: https://s.mexc.com/share/OU9lI3gDhY Referral code: 1NRJK Create account with Gmail Verified Account & Done wait for Bonus ✅

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “বনী ইসরাঈলকে নবীগণ পরিচালনা করতেন। যখন একজন নবী মৃত্যুবরণ করতেন, তখন আরেকজন নবী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতেন। কিন্তু আমার পরে কোনো নবী নেই; তবে খলিফাগণ হবে এবং তারা অনেক হবে।” সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৮৪২a। কুরআন: “...তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী।” — সূরা আল-আহযাব ৩৩:৪০ হাদিস: “আমার পরে কোনো নবী নেই।” — সহিহ মুসলিম ১৮৪২a।

Repost from SHAHIN NETWORK
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এ
💥SIDRA কয়েন সেল করে এখনই ইনস্ট্যান্ট টাকা নিতে পারেন। ⛓️🔗For Sell: CLICK HERE Admin এই লিঙ্ক ব্যতীত আমাদের আর কোন বাইসেল এডমিন নেই। ☑️ Metamask ও অন্যান্য wallet এ যাদের কয়েন আছে তারাই সেল করতে পারবেন। Sidra App থেকে এখন ট্রান্সফার করা যাচ্ছে না। ☑️ প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকুন

☑️BTC dominance কমাটা জরুরী।⬇️⬇️⬇️
☑️BTC dominance কমাটা জরুরী।⬇️⬇️⬇️