Pro Technical Genius
Відкрити в Telegram
OUR MOTIVE IS JUST TO HELP YOU ❤️❤️ ANIRBAN GOSWAMI Creator of this channel Official Website - pro-technical-genius.verc Subscribe Our Channel ➡️ Youtube : https://youtube.com/c/ProTechnicalGenius Here you will get any kind of Educational Information
Показати більше3 817
Підписники
Немає даних24 години
-157 днів
-4730 днів
Архів дописів
3 817
ওরা ইঞ্জিনিয়ার 🙂
ওরা খারাপ নয়, সবাই মদ খায় না, সবাই গাঁজাও খায় না। সবাই মেয়ে দেখলেই লোভ করে না। আর যারা এইসব ভাবে ইঞ্জিনিয়ার মানেই ওরা খারাপ, একবার ওদের কাছে যান, ওদের জীবনের খবর নিয়ে দেখুন, শুনলে আপনিও এদের ভালোবেসে ফেলবেন...
কলেজে ওঠার সাথে সাথেই র্্যাগিং নামক এক মারাত্মক ব্যাধি কাজ করে ওদের মধ্যে। বাড়ি থেকে দূরে চলে আসার কষ্ট টা ওরা অনুভব করতে পারে.. নতুন বন্ধু ওরা ঠিক করে নেয়, কিন্তু মায়ের অভাব বড়ই কাঁদায়। কলেজে স্যারের চাপ, হোস্টেলে সিনিয়র দের.. তাও এইসব কিছু চেপে রেখে কত সুন্দর ভাবে মাকে ফোনে বলে, হ্যাঁ মা দারুণ আছি, তুমি কেমন আছো? এরা খুব বেশি পড়াশুনা না করেও বেশ ভালোই নাম্বার পায়, তার মানে এটা নয় ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক সহজ, তার মানে এটা এরা জানে কি প্রশ্ন আসলে কি উত্তর দিতে হয় 🙂
এদের মদ, গাঁজা খাওয়ার পিছনেও কোনো এক অত্যাচারীর গল্প পাবে 😊
এরা একটা থালায় দুই জন খেতে পারে, একটা সিগারেট চার বন্ধু মিলে খেতে পারে, বাড়ি থেকে পাঠানো টাকায় সব সময়ে মাস চলে না, শুকনো মুড়ি আর পেঁয়াজ দিয়েও অনেক সময় এরা চালিয়ে নিতে পারে.. তবুও এদের মুখ থেকে শুনতে পাবেন না, এরা ভালো নেই 😊 কারণ এরা বন্ধুদের সাথে কথা বলেই পেট ভরিয়ে নিতে পারে.. এরা অনেক ভালোবাসার কাঙাল হয়, এদের ধোকা দেওয়া অনেক সহজ, এরা সবাইকে খুব অল্পতেই বিশ্বাস করে নেয় 🙂
বাড়ি থেকে খাবার এনে এরা কোনোদিন একা খায় না.. অনেক সময়ে বন্ধুদের সব দিতে গিয়ে নিজেই কিছু পায় না.. এরা তাতেই খুশি... এদের জীবনে তখন বন্ধুত্ব টা সবথেকে আগে কাজ করে... এরা ঝগড়া করে, ঝামেলা করে, কিন্তু তার পরের দিনেই আবার তার সাথেই সিগারেটের টান মারে..
কলেজের চাপে, পরীক্ষার আগের দিন এরা খাবারের থেকে বিড়ি সিগারেট বেশি খায়.. এরা প্রত্যেক দিন নতুন করে বাঁচতে শেখে.. প্রত্যেক দিন পৃথিবী থেকে নতুন কিছু শিক্ষা নেয়.. এদের সবার মধ্যে আলাদা একটা ট্যালেন্ট থাকে, কেউ গান করে, কেউ নাচ, কেউ কবিতা লেখে, কেউ ভালো খেলতে পারে, কেউ আঁকতে পারে.. আর এই নির্মম পৃথিবীর সমস্ত কষ্ট হাসি মুখে মেনে নিতে পারে 🙂🙂
কলেজ ক্যাম্পাসে সবাই চাকরি পায় না.. যারা পায় না তারা ভেঙে পড়ে না, তবুও হাসে, এরা মুখ খুলে বলে না মনের কষ্ট গুলো... এদের চোখে জল দেখতে পাবেন না... শুধু হাসি টা এদের সম্বল 😶
কিন্তু কলেজের শেষ দিনে এরা খুব কাঁদে, এদের বুকটা ওইদিন কষ্ট তে ফেটে যায়.. চোখের জল আটকে রাখতে পারে না.. জীবনের অন্যতম কষ্টের দিন হিসেবে ওরা ডায়েরির পাতায় লিখে রাখে 😊
চাকরি না পেয়ে বাড়ি গেলে বেকারের একটা ট্যাগ লেগে যায়.. যেটা আপনি নিতে পারবেন না.. এত টাকা খরচ করে পড়ে কি হল? সেই তো বাড়িতে বসে আছে.. শুনতে শুনতে আপনার চোখে জল চলে আসবে.. প্রতি রাতে আপনাকে কাঁদাবে এটা.. আত্মহত্যার মুখ পর্যন্ত নিয়ে যাবে এইসব কথাগুলো.. আর চাকরি পেয়েও বা কি? তাও লোক বলবে এত টাকা খরচ করে পড়ে মাত্র 10000 পায়? কি দরকার ছিল পড়ার? চাকরি পাওয়ার পর রাজ্য থেকে বেরিয়ে অনেক দূরে সবাই কে ছেড়ে থাকা টা অনেক কষ্টের 😊 সবাই ভাবে চাকরি পেয়ে গেছে আর কিসের কষ্ট? না কষ্ট টা তারপর থেকেই শুরু.. লোকের gf নেই বলে দুর্গাপুজো তে কষ্ট হয়, আর ওদের হয় পর পর অনেক বছর দুর্গাপুজো তে বাড়ি আসতে পারেনি বলে.. তোমাদের কষ্ট হয় মা বকেছে বলে, এদের হয় মায়ের কাছে অনেকদিন বকা শুনতে পায় নি বলে 😊
এরা আগে থেকে ছুটি চায়, দাদার বিয়েতে যাবে বলে, কিন্তু সেই আগের দিনে হঠাত করে স্যার বলে দিলো ছুটি পাওয়া যাবে না... সহ্য করতে পারবেন কষ্ট টা? পারবেন না 😊
তবুও এরা আজও হাসে, আজও বন্ধুদের জন্যে সব করতে পারে..
এরাও ভালোবাসার যোগ্য, ভালোবাসার কাঙাল.. এদের জীবনের গল্প জানতে আসবেন কোনোদিন, আপনিও কেঁদে ফেলবেন 🙂🙂
কলমে ~ collected
