এসো সংশোধনের পথে
Відкрити в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Показати більше801
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-130 днів
Архів дописів
মুহাম্মাদ আশরাফ আলী - ৩/৬ পাটুয়াটুলী লেন, ঢাকা
১৫৯৩. প্রশ্নঃ
আমি একজন উলূমুল হাদীস অধ্যয়নরত ছাত্র। আমি কিছু দ্বীনী কিতাবে নখ কাটার তারতীবের মধ্যে সুন্নত আছে বলে পেয়েছি। এরপর উক্ত বিষয়ে আমি নিজে তাহকীক করি। কিন্তু কোনো স্পষ্ট হাদীস বা আছার পাইনি। এ সম্পর্কে কোনো দলীল-প্রমাণ থাকলে কিংবা উক্ত বিষয় সুন্নত কী না জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।
উত্তরঃ
হুফফায ও নুক্কাদে হাদীস যেহেতু দৃঢ়তার সাথে বলেছেন যে, এ বিষয়ে কোনো কিছুই প্রমাণিত নেই; তাই নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, এ বিষয়ে যা কিছু লোকমুখে প্রসিদ্ধ আছে বা যা কিছু সনদ ও হাওয়ালাবিহীন আছে সবই ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত গবেষণার প্রয়োজন নেই। অতএব নখ কাটার কোনো মাসনুন তরীকা থাকলে তা শুধু এই যে, এ কাজটি ডানদিক থেকে শুরু করবে। হাদীস শরীফে এসেছে-
كان النبي صلى الله عليه وسلم يعجبه التيمن في تنعله وترجله وطهوره وفي شانه كله
সহীহ বুখারী ১/২৯; মুসনাদে আহমদ ১৭/৬২২; সুনানে বায়হাকী ১/৮৬; শরহুল মুহাযযাব ১/৩৩৯; ফাতহুল বারী ১০/৩৫৭; উমদাতুল কারী ২২/৪৫; ফাতহুল মুলহিম ১/৪১৯; আলমাসনূ’ ফী মারেফাতিল হাদীসিল মাওযূ’ পৃ. ১৩০; হাশিয়াতুত্তাহতাবী আলাদ্দুর ৪/১০৩; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৪০৫
মাসিক আল কাউসার
ফেব্রুয়ারি ২০০৯
http://t.me/pathofisla
একটি নামের বানান নিয়ে কিছু কথা
আমরা অনেকেই আরবী مُحَمَّد নামটিকে বাংলায় (আমাদের নামের শুরুতে বা অন্য কোথাও) "মোঃ বা মোহাম্মদ" লিখে থাকি। আসলে আরবীতে পেশের উচ্চারণ বাংলায় করলে "ু" এর মতো হয়। আর একটি কথা হলো, অনেকে এই নামটিকে "ম" অক্ষরের নিচে "ু" দিয়েই লিখে কিন্তু এরকম লিখে থাকে "মুহাম্মদ" এরকম লিখা অনুত্তম এবং না লিখা উচিত। কারণ আরবীতে যবরের উচ্চারণ বাংলায় "া" এর মতো। তাই "মুহাম্মদ" না লিখে "মুহাম্মাদ" লিখা উচিত এবং এটি উত্তম। আর সংক্ষেপে লিখলে "মুহাঃ বা মুঃ" লিখা উচিত এবং এটিই উত্তম।
বিঃ দ্রঃ এখানে উত্তম এবং অনুত্তমের কথা বলা হলো। এটি নিয়ে বাড়াবাড়ির কিছু নেই। তবে আমাদের আকাবিরদের নামের মধ্যে এবং তাঁদের কিতাবাদির মধ্যে এরকমই লক্ষ্য করা যায়। তাছাড়া আমাদের প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম সঠিক উচ্চারণ এবং গভীর ভালোবাসার সাথে উচ্চারণ করা এবং লিখা (যদিও তা বাংলায়) এটিও তাঁর প্রতি একজন সাধারণ উম্মত হিসেবে সামান্য হলেও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ!
http://t.me/pathofisla
1.1.2018 জয়পাড়া,ঢাকা
হযরতওয়ালা দা:বা: বয়ানে (-র মধ্যে ছবি তোলা ও ভিডিও করা) ফটো সম্পর্কে বলেন। (১.৪ এমবি)
ছোট বয়ান পেতে নিচে টাচ্ করুন।
t.me/chotoboyan
বড় বয়ান পেতে নিচে টাচ্ করুন।
t.me/khankahbd
বিঃ দ্রঃ ব্র্যাকেটের অংশগুলো পরিবর্তিত।
http://t.me/pathofisla
বুযুর্গানে দ্বীনের অসন্তুষ্টি থেকে বেঁচে থাকা জরুরী
হযরতওয়ালা মুহিউস সুন্নাহ রহঃ বলেনঃ যেমনিভাবে আল্লাহওয়ালা বুযুর্গানে দ্বীনের ভালোবাসা কাম্য ঠিক তেমনিভাবে তাঁদের অসন্তুষ্টি থেকে বাঁচাও কাম্য।
হযরত মির্যা মাযহার জানে জাঁনা রহঃ বলেনঃ "যদি কেউ আমাকে কষ্ট দেয় তবে আমি তাকে কিছু বকা দিয়ে দেই। কেননা আমার অভিজ্ঞতা এটাই যে, তাকে ক্ষমা করে দিলেও কোন মুসীবত তার উপর নাযিল হয়ে যায়"।
মাজালিসে আবরার
মালফূয নং ৩৩৫
পৃষ্ঠা ২১৮
http://t.me/pathofisla
প্রশ্ন করুন চ্যানেল থেকে মূল প্রশ্নটি সকলের সুবিধার জন্য এখানে সংযোজন করা হল।
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
কাওছার
মোমেনশাহী
৪১৯ নং প্রশ্নঃ
ইদানীং বিভিন্ন গজলের সাথে এমন কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যুক্ত করা হয় যা সেই গজলকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং শুনতে অনেকটাই গানের মতো মনে হয়। এই ব্যাকগ্রাউন্ড মিউকিজগুলো অনেক সময় বুঝা যায় না। তবে এসব গজল শুনলে মন উদ্বেলিত হয়ে উঠে। আর ইয়ারফোন ব্যবহার করলে তা স্পষ্ট বুঝা যায় যে এটা মিউজিক যদিও তা খুবই মৃদু। আমার প্রশ্ন হলো এই সকল গজল শোনা সম্পর্কে শরীয়তের নির্দেশনা কি? এটা কি জায়েয? জানালে উপকৃত হব।
৪১৯ নং উত্তরঃ
(ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকওয়ালা) বাজনাওয়ালা গজল শুনা সংক্রান্ত। (১.২ এমবি)
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
বিঃ দ্রঃ বেশ অনেক পরিবর্তিত। মূলটা দেখার জন্য উত্তর শুনুন চ্যানেল দ্রষ্টব্য। আসলে নামের স্থানে শুধু "কাওছার" হবে, "কাওছার আলম" হবে না (প্রশ্ন করুন চ্যানেলে শুধু "কাওছার" দেওয়া আছে)। হয়তো উনারা বিষয়টি ভালভাবে খেয়াল করেননি।
http://t.me/pathofisla
18.3.2018
মুন্সীগঞ্জ নওপাড়া মাহফিলে বয়ানের
৩০ মিনিট ৫০ সেকেন্ড থেকে হযরত ওয়ালা দামাত বারাকাতুহুম ভিডিও করা সম্পর্কে অত্যন্ত হুঙ্কার দিয়ে গর্জে উঠে কি বললেন তা শোনার জন্য কি আমার মাত্র ০৮ মিনিট সময় হবে ???
আসলে হক্বের আওয়াজ এরকম উঁচু এবং বলিষ্ঠই হয়ে থাকে। আল্লাহ্ তা'আলা হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ কে সিহহাত, ঈফফাত, 'আফিয়াত, ফালাহে দারাইন খুব নসীব করেন। আমিন। (৭.৪ এমবি)
ছোট বয়ান:
t.me/chotoboyan
বড় বয়ান:
t.me/khankahbd
বিঃ দ্রঃ লেখালেখির ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা পরিবর্তিত। মূলটা দেখতে ছোট বয়ানের লিংকে ঢুকে দেখা যেতে পারে।
http://t.me/pathofisla
শাইখুল হাদীছ হযরত মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী ছাহেব দাঃ বাঃ সিলেট এক মাদরাসায় আসেন। যখন জানতে পারলেন যে, স্টেজে ক্যামেরা লাগানো হয়েছে তখন হযরত কি করেছিলেন চলুন তা শুনিঃ
- বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা এর জবান থেকে। (১.২ এমবি)
http://t.me/qaumimalfuzat
বিঃ দ্রঃ লেখালেখির ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তিত। মূলটা দেখতে উপরের লিংকে ঢুকা যেতে পারে।
http://t.me/pathofisla
বৃষ্টির প্রতিটি ঝুম ঝুম শব্দ যেন আমাদের অন্তরে আল্লাহ্ তা'আলার স্মরণের (জিকিরের) খোরাক হয়। (৪.৮ এমবি)
কণ্ঠঃ আবু রাইহান
http://t.me/pathofisla
মেঘের গর্জন শুনলে পড়বে
اللَّهُمَّ لاَ تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلاَ تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ.
অর্থঃ হে আল্লাহ! দয়া করে আপনি আমাদেরকে আপনার গযবের দ্বারা মৃত্যু দিবেন না এবং আপনার আযাব দ্বারা ধ্বংস করবেন না। বরং এর পূর্বেই আমাদেরকে শান্তি ও নিরাপত্তা দান করুন। (মুসনাদে আহমাদ হাদীস নং-৫৭৬৩/ তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৫০)
-মাসনূন দু'আ ও দুরূদ
হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
ছাত্র জীবনে ইসলাহের গুরুত্বঃ
এসকল বুজুর্গানে দ্বীন স্বীয় অভিজ্ঞতায় হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছেন যে, অধিকাংশ ছাত্রই কোন না কোন গুণাহে মারাত্নকভাবে লিপ্ত থেকে আপন ইমান-আমল নষ্ট করছে।
বর্তমান যামানায় অধিকাংশ ছাত্রের মধ্যে ইশকে মাজাযী তথা নারী ও আমরোদ (সুশ্রী বালক) এর প্রতি কু-দৃষ্টি, অবৈধ প্রেম, সমকামিতা, হস্তমৈথুন, বে-পর্দা, টিভি-ভিসিআর, ফেইসবুক-ইন্টারনেট, সিডি-সিনেমা, হাসাদ (হিংসা), গীবাত, কুধারণা, ক্রোধ (রাগ), অহংকার প্রভৃতি ইমান বিধ্বংশী গুণাহ মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। স্বীয় বাড়ি বা লজিং-টিউশনীতে অবৈধ প্রেমের কারণে লেখাপড়ায় ও নামাজসহ অন্যান্য ইবাদতে মন বসে না। কোন কোন ছাত্র নামাজও ঠিকমত পড়ে না।
কোন কোন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র বা শিক্ষার্থীদের বাহ্যিক আমলী অবস্থা খুবই করুণ, তাদেরকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হিসেবে চিনতে পারাও কষ্টকর। অথচ জাগতিক ডিগ্রী ইত্যাদি পরকালে কোনই উপকারে আসবে না। সেখানে দ্বীনদারীত্বই নাজাতের উছিলা হবে।
বড় আফসোসের বিষয়! জাহেরী ইলমে সুনাম অর্জনকারী ছাত্রকে সকলেই বাহবা ও পুরস্কার প্রদান করে থাকেন। কিন্তু যদি কোন ছাত্র নেককার হয়ে ওঠে, সুন্নাতের প্রতি আশেক হয়, একটু তাকওয়া নিয়ে চলতে চায়, (তাহলে)সে পুরস্কারের পরিবর্তে তিরস্কার, ভৎসনা এবং অধিকাংশের নিকট ঠাট্টা-বিদ্রুপের পাত্র হয়ে যায়। (ইন্না লিল্লাহ্)........
হযরত মুফতী শাহ্ নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ (পীর ছাহেব খুলনা)
খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর "ছাত্র জীবনে ইসলাহের গুরুত্ব" নামক পর্চার মাঝখান থেকে নেয়া।
ইনশাআল্লাহ সম্পূর্ণ পর্চাটি স্ক্যান করে পিডিএফ আকারে আপলোড দেওয়া হবে।
http://t.me/pathofisla
17.1.2019
পাঁচ্চর,শিবচর মাহফীলে,
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ
হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম বয়ানের পূর্বে ছবি তোলা ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আদব সম্পর্কে এমন কিছু কথা বলেন যা খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
খলিফাঃ রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ
বড় বয়ান।
t.me/khankahbd
ছোট বয়ান।
t.me/chotoboyan
বিঃ দ্রঃ মূল চ্যানেল থেকে বেশ কিছুটা পরিবর্তিত (লেখালেখির ক্ষেত্রে)। ছোট বয়ানের লিংকে গেলেই আসলটা দেখা যাবে। মাত্র ০৭ মিনিট ৪৩ সেকেন্ড সময় কি আমার হবে এই কথাগুলো শোনার জন্য ??? (৭.১এমবি)
http://t.me/pathofisla
উপরের আপলোড দেওয়া স্টিকারটি দেখে একজন হিন্দু কি মন্তব্য করেছিল তার কারগুজারী শুনুনঃ
--হযরত মুফতী শাহ্ নূরুল আমিন ছাহেব দাঃ বাঃ (খুলনা)
খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর জবান থেকে। (১.৭ এমবি)
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ কাউসার,
মোমেনশাহী।
412 নং উত্তর:
(দ্বীনী মাহফিলে) ভিডিও করা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
বিঃ দ্রঃ মুল চ্যানেলের উত্তরের নামকরণ থেকে ইষৎ পরিবর্তিত (ব্র্যাকেটের অংশটুকু)।
http://t.me/pathofisla
আমরা নিজেরা নিজেদেরকে বদলাবো, তবে প্রথম আলোর স্লোগান দিয়ে নয় ; ক্বুরআন এবং হাদীছ (সুন্নাহ) দিয়ে। (১০.৮ এমবি)
কণ্ঠঃ সাঈদ আহমাদ
http://t.me/pathofisla
রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফ বিল্লাহ্ হযরত আক্বদাস মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর খাদেমে খাস হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর রেঙ্গুন সহ বিভিন্ন সফরের সাথী হযরত হাকীমুল উম্মতের খাস খলিফা ততকালীন বৃহত্তর মোমেনশাহীর কুতুব হযরত মাওলানা আতহার আলী রহঃ এর স্নেহধন্য খাস শাগরিদ আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ এর ইছলাহী বয়ান। হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ এই বয়ানটি করেন হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর খাস খলিফা আরেফবিল্লাহ্ হাফেয হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ সাঈদ নূর ছাহেব গুমনামী দাঃ বাঃ এর ২০১৭ ঈসায়ীর বার্ষিক ইছলাহী মাজলিসে তিন দিন ব্যাপী বার্ষিক ইছলাহী মাহফিলের দ্বিতীয় দিনের আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে (৫৮ এমবি)।
স্থানঃ খানক্বাহ নূরুল আখতার ওয়াল হিকমাহ, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ।
সময়ঃ বাদ জোহর
বিঃ দ্রঃ রেকর্ডিং কোয়ালিটি মধ্যম।
http://t.me/pathofisla
হযরত মাওঃ শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ কর্তৃক ঢালকানগরে হযরত মাওঃ শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ এর সামনে খানার পরে প্লেটে হাত ধোয়ার (খেলাফে আদব কাজ) কারণে তাঁকে হযরতওয়ালা রহঃ বললেন, 'বের হয়ে যাও! তুমি আমার খেদমতে থাকার উপযুক্ত না'। তারপর কি হলো চলুন হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ এর জবান থেকেই শুনি। (১.৩ এমবি)
বিঃ দ্রঃ হযরতওয়ালা দাঃ বাঃ যদিও একটু নিচু আওয়াজে ঘটনাটি বলেছেন তারপরেও আশা করি শুনতে খুব বেশি অসুবিধা হবে না।
http://t.me/pathofisla
হযরতওয়ালা কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ এর বয়ান থেকে নেওয়া (১.১ এমবি)।
http://t.me/pathofisla
দ্বীনী মজলিসে ছবি তোলা সম্পর্কে হযরত মাদানী রহঃ এর হুঙ্কারবাণীঃ
শাইখুল ইসলাম হযরত হুসাইন আহমাদ মাদানী রহঃ ততকালীন কোন এক জলসায় একজন লোক কর্তৃক হযরতের ছবি তোলার প্রেক্ষিতে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, "শোন! যে আমার ছবি তুলেছো, এই ছবির নেগেটিভ যদি নষ্ট না করো, যদি আমার ফটো কেউ সংরক্ষণ করো, লুকিয়ে ফটো করো, কাল কিয়ামতের ময়দানে আমি আল্লাহর কাছে (তার বিরুদ্ধে) সুপারিশ (অভিযোগ) করবো"।
(এখনতো)আলেমদের মোবাইলের মধ্যে আকাবিরে দেওবন্দের ফটো! (তারা)কোথায় থেকে পেল যে, এটা জায়েয?
আর এখন তো ভিডিও করা জায়েয হয়ে গেছে!
আমি আপনাদেরকে বলি, হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী রহঃ কে (আপনারা)মুরুব্বী মানেন? আপনার শায়েখকে (আরেফবিল্লাহ মাওঃ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী ছাহেব দাঃ বাঃ) মুরুব্বী মানেন? আপনার শায়েখের শায়েখ কে? শাইখুল আরব ওয়াল আজম হযরত মাওঃ শাহ্ হাকীম আখতার ছাহেব রহঃ। উনি আমার (রুহানী) চিকিৎসক, উনি আমার ডাক্তার।
খবরদার! যে সমস্ত অনুষ্ঠানে, ওয়াজ মাহফিলে ভিডিও হবে, ফটো হবে সে সমস্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন না। রাজি আছেন ?
হযরতওয়ালা করাচী রহঃ এর অত্যন্ত খাস খলিফা, খাদেমে খাস হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ এর এই কথাগুলো নিজের কানে নিচের আপলোড দেওয়া অডিও থেকে শুনুন। (মাত্র ১.১ এমবি)
http://t.me/pathofisla
বিনা প্রয়োজনে নামের শেষে নিসবত লেখা নিন্দনীয়
হযরত হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থনভী রহঃ কে তাঁর এক মুরীদ নিজের একটি হালত জানিয়ে পত্র লিখে। সেই পত্রের শেষে সে লিখেছিল যে, "নাচীজ খাদেম...... মাতুরিদী"।
তো হযরত তার সেই হালতের বিশ্লেষণের পরে সেই চিঠির শেষে একথাগুলো লিখেছিলেনঃ
এবার তারবিয়াতের উদ্দেশ্যে আপনাকে একটি কথা বলছি। কথাটি হল, বর্তমানে নিজের নামের শেষে নিসবত যুক্ত করা সাধারণভাবে অহঙ্কারীদের বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়েছে। সুতরাং যতক্ষণ পর্যন্ত এটা ব্যবহার করা বিশেষ জরুরী অথবা বিশেষভাবে যুক্তিপূর্ণ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত অবশ্যই অহঙ্কারীদের সাদৃশ্যতা বর্জন করে চলতে হবে (অর্থাৎ নামের সঙ্গে অকারণে নিসবত লেখা যাবে না)। অতএব আপনার জন্য উচিৎ নিজের নামের শেষে 'মাতুরিদী' না লেখা। কেননা সাধারণ মানুষ জানে না 'মাতুরিদী' অর্থ কি। সুতরাং এটা বিশেষ যুক্তিপূর্ণ নয়। তবে হানাফী, দেওবন্দী-এসব নিসবত লেখার ব্যাপারটি ভিন্ন। কেননা এগুলো লেখার যৌক্তিকতা হল, বিদআতীদের থেকে ভিন্নতা প্রকাশ করা। আর এটা সকলেই বোঝে।
তারবিয়াতুস সালিক
১ম খন্ড
৩৩৩ পৃষ্ঠা
http://t.me/pathofisla
