uk
Feedback
📚সত্যের পথে হাজারে একজন।

📚সত্যের পথে হাজারে একজন।

Відкрити в Telegram

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করতে myabbank@gmail.com উক্ত জিমেইলে নক করুন।

Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
6 355
Підписники
-424 години
-207 днів
-330 днів
Архів дописів
​শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) ও কিছু আলিম জাহরি সালাতে মুক্তাদীর ফাতিহা না পড়ার মতটিকে প্রধান্য দিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি ছিল: ​ইমামের তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং শেষে মুক্তাদীর 'আমীন' বলাই ফাতিহা পাঠের সমতুল্য। ঠিক যেমন মূসা (আলাইহিস সালাম) দু'আ করেছিলেন এবং হারুন (আলাইহিস সালাম) আমীন বলেছিলেন, অথচ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: "তোমাদের দুজনের দু'আই কবুল করা হলো।" ​সাহাবী আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত একটি ঘটনায় নবীজি (ﷺ) উচ্চৈঃস্বরে সালাত আদায়ের সময় মুক্তাদীদের কিরাআত পাঠে বিভ্রান্তিবোধ করায় উচ্চৈঃস্বরে পাঠের সময় কিরাআত বর্জনের নির্দেশ এসেছিল। ​যুক্তিভিত্তিক পর্যালোচনা: শায়খ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেন, তাত্ত্বিক ও যুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে এই মতটির ওজন থাকলেও সহীহ হাদীসের সুস্পষ্ট নির্দেশনার সামনে যুক্তি প্রাধান্য পেতে পারে না। প্রবাদ রয়েছে—"যখন আল্লাহর নদী আসে, তখন মা'কিলের নদী বিলীন হয়ে যায়।" ​যেহেতু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের মতো জাহরি সালাত শেষ করেই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে—"সূরাহ ফাতিহা ব্যতীত অন্য কিছু পড়বে না"—সেহেতু রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এই সুস্পষ্ট নির্দেশনার পর ব্যক্তিগত যুক্তি বা ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করার অবকাশ থাকে না। ​প্রাধান্যপ্রাপ্ত সিদ্ধান্ত ​উপযুক্ত দলীল ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে শায়খ সালিহ ইবনু উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বিশ্লেষণে প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত হলো:
​মুক্তাদীর ওপর সিররি (নীরব) ও জাহরি (উচ্চৈঃস্বরে) উভয় সালাতেই সূরাহ ফাতিহা তিলাওয়াত করা ওয়াজিব। এটিই ইমাম শাফিঈ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর প্রসিদ্ধ মাযহাব এবং সহীহ হাদীসের সাথে সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।
​ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি: মুক্তাদীর এই ওয়াজিব কেবল তখনই রহিত হবে, যখন: ১. মুক্তাদী এমন অবস্থায় সালাতে যোগ দেয় যে ইমাম ইতোমধ্যে রুকুতে চলে গেছেন, অথবা ২. ইমাম কিয়ামে থাকা অবস্থায় মুক্তাদী দাঁড়ালেও সূরাহ ফাতিহা সমাপ্ত করার আগেই ইমাম রুকুতে চলে যান। ​এমতাবস্থায় মুক্তাদী সরাসরি রুকুতে চলে যাবে এবং তার জন্য অপঠিত অংশ পাঠ করা থেকে অব্যাহতি মিলবে।

ইমামের পেছনে সূরাহ ফাতিহা পাঠের বিধান: দলীলভিত্তিক বিশ্লেষণ ​সালাতে ইমামের পেছনে মুক্তাদীর সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব কি না—এ বিষয়ে ফিকহশাস্ত্রবিদ ও মুহাদ্দিসীনগণের মধ্যে দীর্ঘ পর্যালোচনা রয়েছে। প্রখ্যাত ফকীহ শায়খ সালিহ ইবনু উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) এই বিষয়ে বিভিন্ন মত, তাদের পক্ষে উপস্থাপিত দলীল এবং অধিকতর গ্রহণযোগ্য (রাজেহ) মত বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ​প্রথম দৃষ্টিভঙ্গি: মুক্তাদীর ওপর কোনো কিরাআত নেই ​কিছু আলিমের মতে, সালাতে মুক্তাদীর জন্য কোনো কিরাআত পাঠ করা আবশ্যক নয়—তা ওয়াজিবও নয়, মুস্তাহাবও নয়। চাই সালাতটি সিররি (নীরব তিলাওয়াত বিশিষ্ট) হোক কিংবা জাহরি (সশব্দ বা উচ্চৈঃস্বরে তিলাওয়াত বিশিষ্ট) হোক। ​এই মত অনুযায়ী, কোনো মুক্তাদী যদি তাকবীরে তাহরীমার পর থেকে পুরো সালাতে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোনো কিরাআত না পড়েই ইমামের সাথে রুকু-সিজদা সম্পন্ন করে, তবে তার সালাত বিশুদ্ধ বলে গণ্য হবে। ​উপস্থাপিত দলীল ও এর পর্যালোচনা: এই মতের সমর্থনে একটি বহুল প্রচলিত হাদীস উল্লেখ করা হয়:
​"যার ইমাম রয়েছে, ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত।"
​হাদীসটি আপাতদৃষ্টিতে সিররি ও জাহরি উভয় সালাতকে অন্তর্ভুক্ত করে বলে মনে হলেও, হাদীস বিশারদগণের দৃষ্টিতে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। ​সনদগত দুর্বলতা: হাফিয ইবনু কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর তাফসীরে স্পষ্ট করেছেন যে, হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হলেও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে এর কোনো বিশুদ্ধ (সহীহ) সনদ প্রমাণিত নয়। ​মুহাদ্দিসীনদের ঐকমত্য: হাফিয ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রাহিমাহুল্লাহ) 'ফাতহুল বারী'-তে উল্লেখ করেছেন যে, সমস্ত হাদীস বিশারদের ঐকমত্যে এই বর্ণনাটি যঈফ (দুর্বল)। ​শরী'আতের মূলনীতি: শরী'আতের কোনো বিধান প্রমাণের জন্য হাদীস সহীহ হওয়া এবং তা থেকে বিধানটির সুস্পষ্ট নির্দেশনা (দালালাহ) থাকা আবশ্যক। যেহেতু হাদীসটি যঈফ, তাই এটি দ্বারা আমল সাব্যস্ত করা যায় না। ​সূরাহ ফাতিহা পাঠের সাধারণ ও অপরিহার্য নির্দেশ ​রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুস্পষ্ট ও সহীহ হাদীসের মাধ্যমে সালাতে সূরাহ ফাতিহা পাঠের অপরিহার্যতা প্রমাণিত:
​"যে ব্যক্তি সূরাহ ফাতিহা পাঠ করেনি, তার সালাত হয়নি।" (সহীহ বুখারী: ৭৫৬, সহীহ মুসলিম: ৩৯৪)
​শব্দগত বিশ্লেষণ: হাদীসে ব্যবহৃত «مَنْ» (যে ব্যক্তি) শব্দটি একটি 'ইসমে মাওসুল', যা আরবি ব্যাকরণে ব্যাপক ও সার্বজনীন অর্থ প্রকাশ করে। এর ফলে ইমাম, মুক্তাদী কিংবা একাকী সালাত আদায়কারী—প্রত্যেকের জন্যই এই হুকুম সমভাবে প্রযোজ্য। ​'সালাত না হওয়া'র অর্থ: কেউ কেউ দাবি করেন যে, এখানে "সালাত হয়নি" বলতে সালাত অপূর্ণাঙ্গ হওয়া বোঝানো হয়েছে। কিন্তু সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদীসে নবীজি (ﷺ) বলেন—উম্মুল কুরআন ব্যতীত সালাত «خِدَاجٌ» (বাতিল বা ফাসিদ)। ফলে ফাতিহা ছাড়া সালাতের মূল গ্রহণযোগ্যতাই নাকচ হয়ে যায়। ​কুরআনের সাধারণ আয়াত ও ফাতিহার বিশেষ বিধান ​কুরআনুল কারীমে বলা হয়েছে:
​"আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোনো এবং নিশ্চুপ থাকো।" (সূরা আল-আ'রাফ: ২০৪)
​হাদীসেও এসেছে:
​"ইমাম যখন কিরাআত করে, তখন তোমরা নীরব থাকো।" (সহীহ মুসলিম: ৪০৪)
​এই সাধারণ নির্দেশগুলো আপাতদৃষ্টিতে ইমামের তিলাওয়াতের সময় মুক্তাদীকে পুরোপুরি নিশ্চুপ থাকার আদেশ দেয়। তবে ইসলামী উসূলের নিয়ম হলো—'আম' (সাধারণ) বিধানকে 'খাস' (বিশেষ) দলীল দ্বারা নির্দিষ্ট বা সীমিত (তাখসীস) করা যায়। ​উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী, একবার ফজরের সশব্দ সালাতে নবীজি (ﷺ)-এর তিলাওয়াত কিছুটা ভারী বোধ হচ্ছিল। সালাত শেষে তিনি সাহাবীদের জিজ্ঞাসা করলেন: "তোমরা কি ইমামের পেছনে কিরাআত পড়ছিলে?" সাহাবীগণ ইতিবাচক উত্তর দিলে তিনি নির্দেশ দেন:
​"তোমরা এমন করবে না; কেবল সূরাহ ফাতিহা ছাড়া। কেননা যে ব্যক্তি এটি পড়ে না, তার সালাত হয় না।" (আবু দাউদ: ৮২৩, তিরমিযী: ৩১১)
​এই ঘটনাটি ছিল ফজরের জামাআত, যা একটি জাহরি (উচ্চৈঃস্বরে তিলাওয়াতের) সালাত। এতে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হয় যে, নিশ্চুপ থাকার সাধারণ নির্দেশ থেকে সূরাহ ফাতিহা পাঠ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। ​এই মাসআলায় আলেমদের তিনটি প্রধান মত ​১. প্রথম মত: মুক্তাদীর ওপর কোনো সালাতেই কিরাআত নেই; সে পুরো সালাতে নীরব থাকলেও সালাত আদায় হয়ে যাবে। (এটি হাদীসের সনদের দুর্বলতার কারণে অগ্রহণযোগ্য)। ২. দ্বিতীয় মত: মুক্তাদীর জন্য কেবল সিররি (নীরব) সালাতে ফাতিহা পড়া ওয়াজিব; জাহরি সালাতে নয়। ৩. তৃতীয় মত: ইমাম, মুক্তাদী নির্বিশেষে সিররি ও জাহরি সব ধরনের সালাতেই সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব। ​জাহরি সালাতে ফাতিহা না পড়ার মত ও তার পর্যালোচনা

ইমামের তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং শেষে মুক্তাদীর 'আমীন' বলাই ফাতিহা পাঠের সমতুল্য। ঠিক যেমন মূসা (আলাইহিস সালাম) দু'আ করেছিলেন এবং হারুন (আলাইহিস সালাম) আমীন বলেছিলেন, অথচ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন: "তোমাদের দুজনের দু'আই কবুল করা হলো।" সাহাবী আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত একটি ঘটনায় নবীজি (ﷺ) উচ্চৈঃস্বরে সালাত আদায়ের সময় মুক্তাদীদের কিরাআত পাঠে বিভ্রান্তিবোধ করায় উচ্চৈঃস্বরে পাঠের সময় কিরাআত বর্জনের নির্দেশ এসেছিল। যুক্তিভিত্তিক পর্যালোচনা: শায়খ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেন, তাত্ত্বিক ও যুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে এই মতটির ওজন থাকলেও সহীহ হাদীসের সুস্পষ্ট নির্দেশনার সামনে যুক্তি প্রাধান্য পেতে পারে না। প্রবাদ রয়েছে—"যখন আল্লাহর নদী আসে, তখন মা'কিলের নদী বিলীন হয়ে যায়।" যেহেতু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের মতো জাহরি সালাত শেষ করেই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে—"সূরাহ ফাতিহা ব্যতীত অন্য কিছু পড়বে না"—সেহেতু রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এই সুস্পষ্ট নির্দেশনার পর ব্যক্তিগত যুক্তি বা ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করার অবকাশ থাকে না। প্রাধান্যপ্রাপ্ত সিদ্ধান্ত উপযুক্ত দলীল ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে শায়খ সালিহ ইবনু উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বিশ্লেষণে প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত হলো: মুক্তাদীর ওপর সিররি (নীরব) ও জাহরি (উচ্চৈঃস্বরে) উভয় সালাতেই সূরাহ ফাতিহা তিলাওয়াত করা ওয়াজিব। এটিই ইমাম শাফিঈ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর প্রসিদ্ধ মাযহাব এবং সহীহ হাদীসের সাথে সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি: মুক্তাদীর এই ওয়াজিব কেবল তখনই রহিত হবে, যখন: ১. মুক্তাদী এমন অবস্থায় সালাতে যোগ দেয় যে ইমাম ইতোমধ্যে রুকুতে চলে গেছেন, অথবা ২. ইমাম কিয়ামে থাকা অবস্থায় মুক্তাদী দাঁড়ালেও সূরাহ ফাতিহা সমাপ্ত করার আগেই ইমাম রুকুতে চলে যান। এমতাবস্থায় মুক্তাদী সরাসরি রুকুতে চলে যাবে এবং তার জন্য অপঠিত অংশ পাঠ করা থেকে অব্যাহতি মিলবে।

ইমামের পেছনে সূরাহ ফাতিহা পাঠের বিধান: দলীলভিত্তিক বিশ্লেষণ সালাতে ইমামের পেছনে মুক্তাদীর সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব কি না—এ বিষয়ে ফিকহশাস্ত্রবিদ ও মুহাদ্দিসীনগণের মধ্যে দীর্ঘ পর্যালোচনা রয়েছে। প্রখ্যাত ফকীহ শায়খ সালিহ ইবনু উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) এই বিষয়ে বিভিন্ন মত, তাদের পক্ষে উপস্থাপিত দলীল এবং অধিকতর গ্রহণযোগ্য (রাজেহ) মত বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। প্রথম দৃষ্টিভঙ্গি: মুক্তাদীর ওপর কোনো কিরাআত নেই কিছু আলিমের মতে, সালাতে মুক্তাদীর জন্য কোনো কিরাআত পাঠ করা আবশ্যক নয়—তা ওয়াজিবও নয়, মুস্তাহাবও নয়। চাই সালাতটি সিররি (নীরব তিলাওয়াত বিশিষ্ট) হোক কিংবা জাহরি (সশব্দ বা উচ্চৈঃস্বরে তিলাওয়াত বিশিষ্ট) হোক। এই মত অনুযায়ী, কোনো মুক্তাদী যদি তাকবীরে তাহরীমার পর থেকে পুরো সালাতে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোনো কিরাআত না পড়েই ইমামের সাথে রুকু-সিজদা সম্পন্ন করে, তবে তার সালাত বিশুদ্ধ বলে গণ্য হবে। উপস্থাপিত দলীল ও এর পর্যালোচনা: এই মতের সমর্থনে একটি বহুল প্রচলিত হাদীস উল্লেখ করা হয়: "যার ইমাম রয়েছে, ইমামের কিরাআতই তার কিরাআত।" হাদীসটি আপাতদৃষ্টিতে সিররি ও জাহরি উভয় সালাতকে অন্তর্ভুক্ত করে বলে মনে হলেও, হাদীস বিশারদগণের দৃষ্টিতে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। সনদগত দুর্বলতা: হাফিয ইবনু কাসীর (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর তাফসীরে স্পষ্ট করেছেন যে, হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হলেও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে এর কোনো বিশুদ্ধ (সহীহ) সনদ প্রমাণিত নয়। মুহাদ্দিসীনদের ঐকমত্য: হাফিয ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রাহিমাহুল্লাহ) 'ফাতহুল বারী'-তে উল্লেখ করেছেন যে, সমস্ত হাদীস বিশারদের ঐকমত্যে এই বর্ণনাটি যঈফ (দুর্বল)। শরী'আতের মূলনীতি: শরী'আতের কোনো বিধান প্রমাণের জন্য হাদীস সহীহ হওয়া এবং তা থেকে বিধানটির সুস্পষ্ট নির্দেশনা (দালালাহ) থাকা আবশ্যক। যেহেতু হাদীসটি যঈফ, তাই এটি দ্বারা আমল সাব্যস্ত করা যায় না। সূরাহ ফাতিহা পাঠের সাধারণ ও অপরিহার্য নির্দেশ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুস্পষ্ট ও সহীহ হাদীসের মাধ্যমে সালাতে সূরাহ ফাতিহা পাঠের অপরিহার্যতা প্রমাণিত: "যে ব্যক্তি সূরাহ ফাতিহা পাঠ করেনি, তার সালাত হয়নি।" (সহীহ বুখারী: ৭৫৬, সহীহ মুসলিম: ৩৯৪) শব্দগত বিশ্লেষণ: হাদীসে ব্যবহৃত «مَنْ» (যে ব্যক্তি) শব্দটি একটি 'ইসমে মাওসুল', যা আরবি ব্যাকরণে ব্যাপক ও সার্বজনীন অর্থ প্রকাশ করে। এর ফলে ইমাম, মুক্তাদী কিংবা একাকী সালাত আদায়কারী—প্রত্যেকের জন্যই এই হুকুম সমভাবে প্রযোজ্য। 'সালাত না হওয়া'র অর্থ: কেউ কেউ দাবি করেন যে, এখানে "সালাত হয়নি" বলতে সালাত অপূর্ণাঙ্গ হওয়া বোঝানো হয়েছে। কিন্তু সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত হাদীসে নবীজি (ﷺ) বলেন—উম্মুল কুরআন ব্যতীত সালাত «خِدَاجٌ» (বাতিল বা ফাসিদ)। ফলে ফাতিহা ছাড়া সালাতের মূল গ্রহণযোগ্যতাই নাকচ হয়ে যায়। কুরআনের সাধারণ আয়াত ও ফাতিহার বিশেষ বিধান কুরআনুল কারীমে বলা হয়েছে: "আর যখন কুরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোনো এবং নিশ্চুপ থাকো।" (সূরা আল-আ'রাফ: ২০৪) হাদীসেও এসেছে: "ইমাম যখন কিরাআত করে, তখন তোমরা নীরব থাকো।" (সহীহ মুসলিম: ৪০৪) এই সাধারণ নির্দেশগুলো আপাতদৃষ্টিতে ইমামের তিলাওয়াতের সময় মুক্তাদীকে পুরোপুরি নিশ্চুপ থাকার আদেশ দেয়। তবে ইসলামী উসূলের নিয়ম হলো—'আম' (সাধারণ) বিধানকে 'খাস' (বিশেষ) দলীল দ্বারা নির্দিষ্ট বা সীমিত (তাখসীস) করা যায়। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণিত হাদীস অনুযায়ী, একবার ফজরের সশব্দ সালাতে নবীজি (ﷺ)-এর তিলাওয়াত কিছুটা ভারী বোধ হচ্ছিল। সালাত শেষে তিনি সাহাবীদের জিজ্ঞাসা করলেন: "তোমরা কি ইমামের পেছনে কিরাআত পড়ছিলে?" সাহাবীগণ ইতিবাচক উত্তর দিলে তিনি নির্দেশ দেন: "তোমরা এমন করবে না; কেবল সূরাহ ফাতিহা ছাড়া। কেননা যে ব্যক্তি এটি পড়ে না, তার সালাত হয় না।" (আবু দাউদ: ৮২৩, তিরমিযী: ৩১১) এই ঘটনাটি ছিল ফজরের জামাআত, যা একটি জাহরি (উচ্চৈঃস্বরে তিলাওয়াতের) সালাত। এতে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হয় যে, নিশ্চুপ থাকার সাধারণ নির্দেশ থেকে সূরাহ ফাতিহা পাঠ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। এই মাসআলায় আলেমদের তিনটি প্রধান মত ১. প্রথম মত: মুক্তাদীর ওপর কোনো সালাতেই কিরাআত নেই; সে পুরো সালাতে নীরব থাকলেও সালাত আদায় হয়ে যাবে। (এটি হাদীসের সনদের দুর্বলতার কারণে অগ্রহণযোগ্য)। ২. দ্বিতীয় মত: মুক্তাদীর জন্য কেবল সিররি (নীরব) সালাতে ফাতিহা পড়া ওয়াজিব; জাহরি সালাতে নয়। ৩. তৃতীয় মত: ইমাম, মুক্তাদী নির্বিশেষে সিররি ও জাহরি সব ধরনের সালাতেই সূরাহ ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব। জাহরি সালাতে ফাতিহা না পড়ার মত ও তার পর্যালোচনা শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) ও কিছু আলিম জাহরি সালাতে মুক্তাদীর ফাতিহা না পড়ার মতটিকে প্রধান্য দিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি ছিল:

Repost from Ai Onubad 📙
📙 শারহু রিয়াদুস সালিহিন ১-৬ খন্ড ✍️ শায়খ ইবনু উসাইমীন
আরবি অনুবাদকৃত আরো বই পেতে জইন: https://t.me/AiOnubad/309

Repost from BoiNeed
📙 জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম ৩য় খণ্ড ✍️ ইমাম রজব ইবনে হাম্বল রহ বইটির বৈশিষ্ট্য ‘জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম’ ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহ রচিত অষ্টম হিজরি শতকের এক অনন্য গ্রন্থ, যা ইসলামি জ্ঞান, হাদিসের ব্যাখ্যা, এবং আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে এক অতুলনীয় সংযোজন। প্রায় সাতশো বছর ধরে উলামাদের নিকট সর্বময় সমাদৃত এ বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ: ১. হাদিসভিত্তিক শিক্ষার সারসংকলন বইটি ইমাম নববির নির্বাচিত ৪২টি হাদিসের ওপর ভিত্তি করে লেখা, যেগুলো ইসলামের মৌলিক নীতিমালা বিষয়ে সংকলিত। ইমাম ইবনু রজব এতে আরও ৮টি হাদিস যোগ করে প্রতিটি হাদিসের গভীর ব্যাখ্যা, ব্যাকরণ ও বিধানগত বিশ্লেষণ এবং বাস্তব জীবনে এর প্রায়োগিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন। ২. ইলম (জ্ঞান) ও হিকমাহ (প্রজ্ঞা)-এর সমন্বয় বইটির নামের অর্থই ‘জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সমন্বয়কারী’। এতে ইসলামি চিন্তাধারার বিভিন্ন শাখা যেমন আকিদা, ফিকহ, আখলাক, তাসাওউফ, এবং আত্মশুদ্ধির বিষয়গুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে একত্র করা হয়েছে; যা একজন মুমিনের বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক, উভয় দিককার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জইন: https://t.me/NextBoi

Repost from BoiNeed
📙 জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম ২য় খণ্ড ✍️ ইমাম রজব ইবনে হাম্বল রহ বইটির বৈশিষ্ট্য ‘জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম’ ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহ রচিত অষ্টম হিজরি শতকের এক অনন্য গ্রন্থ, যা ইসলামি জ্ঞান, হাদিসের ব্যাখ্যা, এবং আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে এক অতুলনীয় সংযোজন। প্রায় সাতশো বছর ধরে উলামাদের নিকট সর্বময় সমাদৃত এ বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ: ১. হাদিসভিত্তিক শিক্ষার সারসংকলন বইটি ইমাম নববির নির্বাচিত ৪২টি হাদিসের ওপর ভিত্তি করে লেখা, যেগুলো ইসলামের মৌলিক নীতিমালা বিষয়ে সংকলিত। ইমাম ইবনু রজব এতে আরও ৮টি হাদিস যোগ করে প্রতিটি হাদিসের গভীর ব্যাখ্যা, ব্যাকরণ ও বিধানগত বিশ্লেষণ এবং বাস্তব জীবনে এর প্রায়োগিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন। ২. ইলম (জ্ঞান) ও হিকমাহ (প্রজ্ঞা)-এর সমন্বয় বইটির নামের অর্থই ‘জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সমন্বয়কারী’। এতে ইসলামি চিন্তাধারার বিভিন্ন শাখা যেমন আকিদা, ফিকহ, আখলাক, তাসাওউফ, এবং আত্মশুদ্ধির বিষয়গুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে একত্র করা হয়েছে; যা একজন মুমিনের বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক, উভয় দিককার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জইন: https://t.me/BoiNeed/17

Repost from BoiNeed
📙 জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম ১ম খণ্ড ✍️ ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি (রহঃ) বইটি কেন পড়বেন? ‘জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম’ ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহর এক অনন্য রচনা, যা মুসলিম সমাজের জন্য এক মূল্যবান সম্পদ। বইটি মূলত ইমাম নববির ৪২ হাদিসের ওপর ভিত্তি করে লেখা, যা ইসলামের মৌলিক নীতিগুলোকে সহজ ও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করে। হাদিসগুলোর বিশদ ব্যাখ্যার মাধ্যমে পাঠক ইসলামের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা যেমন আকিদা, ফিকহ, আখলাক ইত্যাদি সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করতে পারবেন। বইটির নামই তার পরিচয় বহন করে—‘ইলম ও হিকমাহর সমন্বয়কারী’। ইমাম ইবনু রজব রাহিমাহুল্লাহ কুরআন, হাদিস, সাহাবাদের উক্তি, এবং পূর্ববর্তী আলিমদের মতামত একত্র করে এমন একটি জ্ঞানভান্ডার প্রস্তুত করেছেন, যা একজন পাঠককে দ্বীনি ইলমের গভীরে ডুব দিতে সাহায্য করবে। বইটিতে ব্যক্তিগত চরিত্র গঠন, আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য, বিনয়, আন্তরিকতা, তাকওয়া ইত্যাদি গুণাবলি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা এসেছে। ফলে, এটি কেবল একটি তথ্যবহুল বই থাকেনি, বরং মানবাত্মার জন্য এক ধরনের প্রশিক্ষণ হয়ে উঠেছে। বইটি পড়ার মাধ্যমে পাঠক নিজের মানসিক ও আধ্যাত্মিক সংশোধনের বিপুল সুযোগ লাভ করবেন।
জইন:: https://t.me/BoiNeed/16

ফাতহুল_মাজীদ_শারহু_কিতাবিত_তাওহীদ.pdf7.22 MB

শাইখ_ইবনু_উসাইমীন_শারহু_রিয়াদুস_সালিহীন.pdf30.12 MB

মাযহাব_ও_তাকলীদ_–_সালাফী_পাবলিকেশন্স.pdf6.59 MB

সাহাবিদের মতভেদকে “রহমত” বানিয়ে ফেলা এটা দুর্বল হাদীসের আরেক অংশ: “اختلاف أصحابي لكم رحمة” অর্থঃ “আমার সাহাবিদের মতভেদ তোমাদের জন্য রহমত” এটাও প্রমাণিত কোন হাদীস নয়। ইমাম শাতিবী (রহ.) বলেন: “মতভেদ নিজে কখনো রহমত নয়; বরং হক একটাই, আর ভুল ক্ষমাযোগ্য হতে পারে।” আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমরা মতভেদ করো না—তাহলে দুর্বল হয়ে পড়বে।” (সূরা আনফাল ৮:৪৬) আর তাকলীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কেউ বলে: মতবিরোধ রহমত স্বরূপ। কে সত্যবাদী? আবার কেউ বলেন ইমাম আবু হানীফা এক সাহাবির কথা নিয়েছেন, ইমাম শাফেয়ী আরেকজনের—সবই ঠিক।”ভুল কোথায়? সাহাবির কথা হুজ্জত নয় যদি সহিহ হাদীসের বিরোধী হয়, কেননা ইমামগণ নিজেরাই বলেছেন: “আমার কথা কুরআন-সুন্নাহর বিরুদ্ধে হলে তা দেয়ালে ছুড়ে ফেলো।” ইমাম শাফেয়ী (রহ.): বলেন “যদি সহিহ হাদীস পাওয়া যায়, সেটাই আমার মত। সহিহ হাদীস ছেড়ে দুর্বল মত আঁকড়ে ধরা এই হাদীস দেখিয়ে বলা হয়: “সাহাবিদের মধ্যে যিনি যা বলেছেন—সবই গ্রহণযোগ্য” কিন্তু বাস্তবে: সাহাবিরা নিজেরাই হাদীস পেলে মত ছেড়ে দিতেন তারা বলতেন: “যদি রাসূল ﷺ-এর কথা জানা থাকত, আমরা ভিন্ন মত দিতাম না।” ইবন আব্বাস (রাঃ): বলেন “রাসূল ﷺ-এর হাদীস থাকার পর কারো কথার প্রয়োজন নেই।”

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালিহ আল উসাইমিন রহিমহুল্লাহ কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: “যদি কোনো ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি এমন অবস্থায় মারা যায় যে অ
শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালিহ আল উসাইমিন রহিমহুল্লাহ কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: “যদি কোনো ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি এমন অবস্থায় মারা যায় যে অভাবগ্রস্ত হওয়ার কারণে সে তার ওপর থাকা ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম হয়নি—তাহলে কি সে গুনাহগার হবে?”
এর উত্তরে শাইখ বলেছেন,
“এ বিষয়টি নির্ভর করবে সে কী উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করেছিল তার ওপর। যদি সে মানুষের সম্পদ পরিশোধ করার নিয়তে নিয়ে থাকে, তবে সে গুনাহগার হবে না; বরং আল্লাহ তাআলা তার পক্ষ থেকে তা পরিশোধ করে দেবেন। আর যদি সে তা অকাজে নষ্ট করার উদ্দেশ্যে নিয়ে থাকে, তবে নবী ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি মানুষের সম্পদ গ্রহণ করে তা পরিশোধ করার ইচ্ছা নিয়ে, আল্লাহ তার পক্ষ থেকে তা আদায় করে দেন। আর যে ব্যক্তি তা নষ্ট করার ইচ্ছা নিয়ে গ্রহণ করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।” সুতরাং মানুষের জন্য আবশ্যক হলো—যখনই সে কোনো কিছু ঋণ হিসেবে গ্রহণ করবে, তখন যেন সে পরিশোধের দৃঢ় নিয়ত করে। তাহলে আল্লাহ তার জন্য বিষয়টি কে সহজ করে দেবেন। এমনকি যদি কেউ কোনো পণ্য বাকিতে ক্রয় করে এবং বিক্রেতাকে সঙ্গে সঙ্গে মূল্য পরিশোধ না করে, তবুও তার অন্তরে পরিশোধের নিয়ত থাকা উচিত, যাতে আল্লাহ তার জন্য তা সহজ করে দেন।” (Source Link)

ইমাম ইবনু আবিল ইয আল-হানাফী (রহ.) তার "التنبيه على مشكلات الهداية" “আল-হিদায়াহ গ্রন্থের জটিল বিষয়সমূহে সতর্কীকরণ” কিতাবের ম
+1
ইমাম ইবনু আবিল ইয আল-হানাফী (রহ.) তার "التنبيه على مشكلات الهداية" “আল-হিদায়াহ গ্রন্থের জটিল বিষয়সমূহে সতর্কীকরণ” কিতাবের মধ্যে বলেন, فإنه متى اعتقد أنه يجب على الناس اتباع واحد بعينه من هذه الأئمة رضي الله عنهم أجمعين دون الآخرين فقد جعله بمنزلة النبي ، وذلك كفر . “যে-ই এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, মানুষের জন্য অবশ্যই এ ইমামদের মধ্যে কোনো একজন নির্দিষ্ট ইমামের অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক অন্যদের নয় তাহলে সে ঐ ইমামকে নবীর মর্যাদায় উন্নীত করল; আর এটি কুফর।” উপরোক্ত ইমাম ইবনে আবিল ইয আল-হানাফী (রহ.) এর বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যারা তাকলীদে শাকসী করে তারা কুফরি করে।

📚সত্যের পথে হাজারে একজন। - Статистика та аналітика Telegram каналу @banglakitab1