আকাবির-কথন
Відкрити в Telegram
Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
1 221
Підписники
+324 години
+297 днів
+4230 днів
Архів дописів
1 221
আপনার এলাকা কোথায়?
বেসিক দিক মাদানী নেসাবে পড়াতে পারলে ভালো হয়। আরবী উর্দু ভাষাটা শেখা সহজ হবে।
ইলম তো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অর্জন করতে হবে। ইলম অর্জনের জন্য ভাষা শেখাটা আসল হাতিয়ার। পাশাপাশি জীবনের শুরু থেকেই একজন আলেমকে তালীমী মুরুব্বী বানিয়ে তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জীবন কাটালে তালীমী জীবন সহজ হবে। পাশাপাশি মোবাইলের ফিতনার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে প্রচুর।
1 221
সে অনেক দিন আগের কথা। একবার দুইজন ভাইকে দেখছিলাম ইসলামের কোনো একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছেন। অতি সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে তারা এত সিরিয়াস আলোচনা করছিলেন যে আমার প্রচণ্ড ঈর্ষা হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এরা কতকিছু জানে, কত আমল করে! আমি কিছুই জানি না, আমার আমল কত কম!
বেশ কয়েক বছর পর সেদিনের এক ভাইকে ফেসবুকে দেখলাম। বুদ্ধিজীবী মার্কা কথাবার্তা বলেন ইদানীং। প্রফাইলে বউয়ের ছবি দিয়েছেন, চোখ নামিয়ে রাখতে হয় এমন। পর্দা কিংবা প্র্যাক্টিসিং তো দূরের কথা, দেখে বোঝার উপায় নেই মুসলিম না অমুসলিম!
হিদায়াত মূলত কোনো মিরাকল নয়। হিদায়াত হলো ভালো আর মন্দের পার্থক্য করতে পারা। অন্য কোনোকিছু প্রভাবিত না করলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এটা পারে, আর এখানেই মানুষ আর পশুর পার্থক্য।
মূলত মিরাকল হলো ইস্তিকামাত। সেই হিদায়াতের উপর টিকে থাকতে পারা। সত্যটা সবাই জানে, কিন্তু অনুসরণের বেলা এলেই আসল পরীক্ষা। মিথ্যাটাও সবাই জানে, কিন্তু এরপরও সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই জামানার সবচেয়ে বড় ফিতনা এটাই।
এখানে হিদায়াতের উপর টিকে থাকতে পারাটাই আসল। আর জীবিত মানুষের হিদায়াতের কোনো গ্যারান্টি নেই। যেকোনো সময় মানুষের চিন্তাভাবনা, আদর্শ, পরিবর্তন হতে পারে। আল্লাহ যেকোনো সময় কারো হিদায়াত ছিনিয়ে নিতে পারেন। আল্লাহ আমাদেরকে এত বড় শাস্তি থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
এজন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দুআটা বেশি বেশি করতেন, "ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, ছাব্বিত ক্বালবি 'আলা দ্বীনিক"- হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।" ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আল্লাহর কাছে দুআ করতেন যার অর্থ, "হে আল্লাহ, সত্যকে আমার কাছে সত্যরূপে দেখাও এবং তার অনুসরণের তাওফিক দাও।"
হিদায়াতের উপর টিকে থাকার মূলনীতি হলো আল্লাহকে ভালোভাবে জানা, দুনিয়া আর আখিরাতের পার্থক্য করতে জানা, আখিরাতের পুরস্কার আর শাস্তির তুলনায় দুনিয়ার সুখ সমৃদ্ধি কিংবা দুঃখকষ্টের পরীক্ষা কত তুচ্ছ-- সেটা উপলব্দি করতে পারা।
আর হিদায়াতের উপর টিকে থাকার চালিকা শক্তি হলো অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা, ধৈর্য এবং ইবাদাতের মাধ্যমে ইস্তিকামাতের পথে পদযুগলকে শক্তিশালী করা।
"‘হে মুমিনরা, তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরাহ বাকারা, আয়াত : ১৫৩)
এই বিষয়ে তারিক মেহান্নার কিছু চমৎকার কথা আছে, কথাগুলো আমাদের মনে শক্ত করে গেঁথে রাখা উচিত। তারিক মেহান্না বলেন,
"আমরা অনেক সময় কোনো ব্যাক্তির বিপ্লবী কথাবার্তা শুনে তাকে “ভালো দ্বীনি ভাই” ভাবা শুরু করি, তখন এমনটা হতে পারে যে আমরা তার বিদ্রোহী চেতনাকে দ্বীনের প্রতি আন্তরিক উৎসাহ ও নিষ্ঠা বলে ভুল করছি। প্রকৃতপক্ষে এমনটা হতে পারে যে ঐ ব্যক্তির জন্য ইসলাম হলো শুধুমাত্র “এই মাসের স্পেশাল অফার”।
এরকম হওয়ার সবচেয়ে বড় লক্ষণ হলো–তার কথাবার্তা ও দ্বীনি পড়াশোনার মাঝে অন্তর কোমলকারী বিষয়সমূহের নগণ্য উপস্থিত। কখনোই নফল ইবাদাত না করা এবং ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ আদর্শ, একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা হিসেবে অনুধাবন করার চেষ্টা না করাও এর অন্তর্ভূক্ত।
এই ধরনের মানুষগুলোকে শুধুমাত্র বিতর্কিত এবং আমোদজনক বিষয়গুলো নিয়ে তর্কে মেতে থাকতে দেখা যায়। কারণ শুধুমাত্র স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে নিজেকে বাকি সবার চাইতে আলাদা প্রমাণ করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই এই মানুষগুলো ইসলামে প্রবেশ করে, আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে নিজেকে সমর্পণ করে দিতে নয়।
তারা পুরোন কথা শুনতে আগ্রহ পায় না, সবসময় নতুন কিছুর জন্য অস্থির হয়ে থাকে। শতকরা ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে এটাই তাদের ইসলামের ব্যাপারে অনাগ্রহী হয়ে উঠার কারণ। এই ধরনের লক্ষণগুলো অন্য যাদের মধ্যে দেখা যায় তাদেরকে নিয়েও আমার ভয় হয়। খুব বেশী দেরী হয়ে যাবার আগেই নিজে রক্ষা করুন। দ্বীনের মাঝে বিতর্ক আর বিনোদন খোঁজা বন্ধ করুন। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সম্পর্কে জানতে, তাঁর সম্পর্কে সচেতন হতে চেষ্টা করুন । চেষ্টা করুন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সাথে নিজের সম্পর্ক গড়ে তুলতে।
কারো কারো কাছে হয়তো এটা একঘেয়ে, বিরক্তিকর মনে হতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটাই আপনাকে রক্ষা করবে। সবসময় বিতর্কিত বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না, এবং তার বদলে প্রতিদিন চোখ বোলানোর জন্য নিচের বইগুলোকে আপনার টেবিলে স্থান দিন:
- আল কুরআন
- রিয়াদুস সালেহীন, ইমাম নববী
- আল আদাবুল মুফরাদ, আল বুখারী
- আয যুহদ, ইমাম আহমাদ
.
এই বইগুলো শুধুশুধু লেখা হয়নি। এই সিলেবাসটি নিয়মিত ধরে রাখার চেষ্টা করুন। এগুলো নিয়মিত পড়লে আপনার হৃদয়ের চারপাশে একটি দুর্গ গড়ে উঠবে। যখন ফিতনার আঘাত আসবে তখন এই দুর্গই আপনাকে রক্ষা করবে। এবং নিশ্চিত থাকুন আজ হোক, কাল হোক, ফিতনার এই আঘাত এক সময় আসবেই"
© সাজিদ ইসলাম
1 221
মসজিদে কুবা। জীবনে প্রথমবারের মতো আসা। রাত আর লাইট, দুটোর কারণে দেখা যাওয়ার মতো ছবি তোলা সম্ভব হলো না। আল্লাহর রাসূল সা. কী পরিমাণ কষ্ট করে ইসলাম প্রচার করেছেন, বর্তমান উন্নত আরবের শহুরে রাস্তা, টাইলস করা সবকিছু দেখলে বুঝা যাবে না। তবুও, এসব জায়গায় এলে অটোমেটিক নবীজী সা.-এর সেসব দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। মসজিদের সৌন্দর্য ছবি কিংবা কলমের বর্ণনায় তুলে ধরা সম্ভব নয়।
1 221
ইমাম ইবনে রজব রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
যে ব্যক্তি রমাদানেও লাভবান হতে পারেনি, সে আর কবে লাভবান হবে? যে ব্যক্তি এই মাসেও তার রবের নিকটবর্তী হতে পারেনি, সে চিরকাল দূরেই থাকবে!
[আল-মওসূআত: ২৮১]
1 221
হযরত মাওলানা সাঈদ খান (রহ.) বলতেন, নামাজের বাইরের জিন্দেগি যদি ঠিক না হয়, তবে নামাজের ভেতর একাগ্রতা আসা কঠিন।
"*নামাজ কা খুশু-খুজু সির্ফ মুসাল্লে পার নেহি আতা, বালকি মুসাল্লে সে বাহার কি জিন্দেগি মে জবান অউর আখ কি হিফাজত সে আতা হ্যায়। যব ইনসান বাহার গুনাহো সে বাচতা হ্যায়, তো আল্লাহ নামাজ মে আপনি লিজজাত আতা ফরমাতে হ্যায়।*"
*তরজমা:*
"নামাজের খুশু শুধু জায়নামাজে বসে আসে না, বরং জায়নামাজের বাইরের জীবনে জবান (জিহ্বা) এবং চোখের হেফাজত করলে আসে। যখন মানুষ বাইরে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে, তখন আল্লাহ নামাজে নিজের পক্ষ থেকে তৃপ্তি ও স্বাদ দান করেন।"
"*নামাজ কো আপনে লিয়ে বোঝ না সমঝনা, বালকি ইয়ে সোচনা কি ইয়ে মেরে রব সে মুলাকাত কা জারিয়া হ্যায়। যো নামাজ দিল সে পাড়ি যাতি হ্যায়, ওহি ইনসান কি জিন্দেগি বদল দিতি হ্যায়*।"
*তরজমা*:
"নামাজকে নিজের জন্য বোঝা মনে না করা, বরং এটা ভাবা যে এটা আমার রবের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যম। যে নামাজ অন্তর দিয়ে পড়া হয়, সেটাই মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দেয়।"
[মোরসালিন ভাই থেকে সংগৃহীত]
1 221
কারো আখেরাতের সফরের কথা লিখতে গেলে কখনো কখনো নিজের মৃত্যুর কথা মনে পড়ে। মনে পড়ে হযরত ওমর রা. এর বাণীটি, যা ভালভাবে স্মরণ থাকার জন্যে শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহ. ‘রিসালাতুল মুসতারশিদীনে’র শুরুতে লিখে দিয়েছেন-
" كل يوم يقال مات فلان و فلان ، و لابد من يوم يقال فيه مات عمر"
অর্থাৎ : প্রতিদিন কারো না কারো মৃত্যুর খবর শোনা যায়। প্রতিদিন বলা হয়- অমুক মারা গেছে, অমুক মারা গেছে। একদিন অবশ্যই এমন আসবে যেদিন বলা হবে- ওমর মৃত্যুবরণ করেছে।
কিন্তু এ কথার যে শিক্ষা ও মর্ম তা যে অন্তরে বসে না। আল্লাহ আমাকে হেফাযত করেন। আল্লাহ যেন আফিয়াত সালামতের সাথে, সিহহাত ও কুওয়াতের সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত এবং খাতেমা বিল খায়ের দান করেন- সে জন্যে আমি সকলের নিকট দুআ প্রার্থী। আমিও সকলের জন্যে এই দুআ করি।
— মাওলানা আবদুল মালেক সাহেব
1 221
রমযানের শেষ প্রহরে আরেকজন বিপদগ্রস্ত মানুষের আবেদন আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।
আমাদের এই ভাইয়ের বাজারে দোকান ছিল। কিন্তু দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে উনার ব্যবসা নষ্ট হয়ে যায়। মালামাল নষ্ট হয়, দোকান ভাড়া জমে যায়
শেষে দোকান ছেড়ে দিতে হয়। বেশ কিছু টাকা ঋণে পড়ে যান।
কঠোর পরিশ্রমী এই দ্বীনদার ভাই বসে না থেকে মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে একটা দোকানে চাকরিতে ঢুকে যান। কিন্তু সংসার খরচ ও ঘর ভাড়া দিয়ে চলাই কঠিন। এর মধ্যে ঋণ আদায়ের চাপে খুবই পেরেশানীতে আছেন। আমাদের মাওলানা ইউসুফ শরীফ ভাই যথেষ্ট যাচাই-বাছাই করে এই প্রজেক্টে হাত দিতে বললেন।
টার্গেট : ২ লাখ টাকা।
***যাকাত দেয়া যাবে।
বিকাশ নগদ রকেট : 01786704170
ব্যাংক : Md. Mithun Islam
Dutch bangla bank
Islampur branch
1181050172173
মুসলমানের ভাইয়ের সাধ্যাতীত ঋণ আদায় করা অনেক বড় নেকির কাজ। আমরা সাধ্যমতো এগিয়ে আসলেই সহজে টার্গেট পূর্ণ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আপনি শরীক হোন, পাশাপাশি সম্ভব হলে শেয়ার দিয়ে সহায়তা করুন। জাযাকুমুল্লাহ খাইরান।
