ru
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Открыть в Telegram

Больше
Страна не указанаКатегория не указана
1 099
Подписчики
Нет данных24 часа
+227 дней
+2630 день
Архив постов
ঈদ মুবারক
ঈদ মুবারক

মসজিদে কুবা। জীবনে প্রথমবারের মতো আসা। রাত আর লাইট, দুটোর কারণে দেখা যাওয়ার মতো ছবি তোলা সম্ভব হলো না। আল্লাহর রাসূল সা. কী প
মসজিদে কুবা। জীবনে প্রথমবারের মতো আসা। রাত আর লাইট, দুটোর কারণে দেখা যাওয়ার মতো ছবি তোলা সম্ভব হলো না। আল্লাহর রাসূল সা. কী পরিমাণ কষ্ট করে ইসলাম প্রচার করেছেন, বর্তমান উন্নত আরবের শহুরে রাস্তা, টাইলস করা সবকিছু দেখলে বুঝা যাবে না। তবুও, এসব জায়গায় এলে অটোমেটিক নবীজী সা.-এর সেসব দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। মসজিদের সৌন্দর্য ছবি কিংবা কলমের বর্ণনায় তুলে ধরা সম্ভব নয়।

ইমাম ইবনে রজব রাহিমাহুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি রমাদানেও লাভবান হতে পারেনি, সে আর কবে লাভবান হবে? যে ব্যক্তি এই মাসেও তার রবের নিকটবর্তী হতে পারেনি, সে চিরকাল দূরেই থাকবে! [আল-মওসূআত: ২৮১]

photo content

হযরত মাওলানা সাঈদ খান (রহ.) বলতেন, নামাজের বাইরের জিন্দেগি যদি ঠিক না হয়, তবে নামাজের ভেতর একাগ্রতা আসা কঠিন। "*নামাজ কা খুশু-খুজু সির্ফ মুসাল্লে পার নেহি আতা, বালকি মুসাল্লে সে বাহার কি জিন্দেগি মে জবান অউর আখ কি হিফাজত সে আতা হ্যায়। যব ইনসান বাহার গুনাহো সে বাচতা হ্যায়, তো আল্লাহ নামাজ মে আপনি লিজজাত আতা ফরমাতে হ্যায়।*" *তরজমা:* "নামাজের খুশু শুধু জায়নামাজে বসে আসে না, বরং জায়নামাজের বাইরের জীবনে জবান (জিহ্বা) এবং চোখের হেফাজত করলে আসে। যখন মানুষ বাইরে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে, তখন আল্লাহ নামাজে নিজের পক্ষ থেকে তৃপ্তি ও স্বাদ দান করেন।" "*নামাজ কো আপনে লিয়ে বোঝ না সমঝনা, বালকি ইয়ে সোচনা কি ইয়ে মেরে রব সে মুলাকাত কা জারিয়া হ্যায়। যো নামাজ দিল সে পাড়ি যাতি হ্যায়, ওহি ইনসান কি জিন্দেগি বদল দিতি হ্যায়*।" *তরজমা*: "নামাজকে নিজের জন্য বোঝা মনে না করা, বরং এটা ভাবা যে এটা আমার রবের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যম। যে নামাজ অন্তর দিয়ে পড়া হয়, সেটাই মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দেয়।" [মোরসালিন ভাই থেকে সংগৃহীত]

কারো আখেরাতের সফরের কথা লিখতে গেলে কখনো কখনো নিজের মৃত্যুর কথা মনে পড়ে। মনে পড়ে হযরত ওমর রা. এর বাণীটি, যা ভালভাবে স্মরণ থা
কারো আখেরাতের সফরের কথা লিখতে গেলে কখনো কখনো নিজের মৃত্যুর কথা মনে পড়ে। মনে পড়ে হযরত ওমর রা. এর বাণীটি, যা ভালভাবে স্মরণ থাকার জন্যে শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহ. ‘রিসালাতুল মুসতারশিদীনে’র শুরুতে লিখে দিয়েছেন- " كل يوم يقال مات فلان و فلان ، و لابد من يوم يقال فيه مات عمر" অর্থাৎ : প্রতিদিন কারো না কারো মৃত্যুর খবর শোনা যায়। প্রতিদিন বলা হয়- অমুক মারা গেছে, অমুক মারা গেছে। একদিন অবশ্যই এমন আসবে যেদিন বলা হবে- ওমর মৃত্যুবরণ করেছে। কিন্তু এ কথার যে শিক্ষা ও মর্ম তা যে অন্তরে বসে না। আল্লাহ আমাকে হেফাযত করেন। আল্লাহ যেন আফিয়াত সালামতের সাথে, সিহহাত ও কুওয়াতের সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত এবং খাতেমা বিল খায়ের দান করেন- সে জন্যে আমি সকলের নিকট দুআ প্রার্থী। আমিও সকলের জন্যে এই দুআ করি। — মাওলানা আবদুল মালেক সাহেব

photo content

photo content

photo content

রমযানের শেষ প্রহরে আরেকজন বিপদগ্রস্ত মানুষের আবেদন আপনাদের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। আমাদের এই ভাইয়ের বাজারে দোকান ছিল। কিন্তু দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে উনার ব্যবসা নষ্ট হয়ে যায়। মালামাল নষ্ট হয়, দোকান ভাড়া জমে যায় শেষে দোকান ছেড়ে দিতে হয়। বেশ কিছু টাকা ঋণে পড়ে যান। কঠোর পরিশ্রমী এই দ্বীনদার ভাই বসে না থেকে মাত্র ৮ হাজার টাকা বেতনে একটা দোকানে চাকরিতে ঢুকে যান। কিন্তু সংসার খরচ ও ঘর ভাড়া দিয়ে চলাই কঠিন। এর মধ্যে ঋণ আদায়ের চাপে খুবই পেরেশানীতে আছেন। আমাদের মাওলানা ইউসুফ শরীফ ভাই যথেষ্ট যাচাই-বাছাই করে এই প্রজেক্টে হাত দিতে বললেন। টার্গেট : ২ লাখ টাকা। ***যাকাত দেয়া যাবে। বিকাশ নগদ রকেট : 01786704170 ব্যাংক : Md. Mithun Islam Dutch bangla bank Islampur branch 1181050172173 মুসলমানের ভাইয়ের সাধ্যাতীত ঋণ আদায় করা অনেক বড় নেকির কাজ। আমরা সাধ্যমতো এগিয়ে আসলেই সহজে টার্গেট পূর্ণ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আপনি শরীক হোন, পাশাপাশি সম্ভব হলে শেয়ার দিয়ে সহায়তা করুন। জাযাকুমুল্লাহ খাইরান।

photo content

প্রতিবারের মতো আমাদের জীবন থেকে এবারও একটি রমাদান বিদায় নিল। আফসোস, আমরা অনেকেই হয়তো এবারও বলতে বাধ্য হব— . — নামাজটা ঠিকভাবে ধরা হলো না। — কুরআনটা শুদ্ধভাবে পড়া শেখা হলো না। — চোখের হেফাজত আর জবানের লাগামটা টেনে ধরা গেল না। — তওবা করে নতুন করে জীবনটা শুরুর যে সংকল্প ছিল, তা আর বাস্তবায়ন হলো না। . রমাদান শেষ মানেই কিন্তু সুযোগ শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আমলের যে অভ্যাসটা এই এক মাসে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন, তা যেন ঈদের খুশি আর উৎসবের ভিড়ে হারিয়ে না যায়। . আল্লাহ আমাদের বাকিটা বছরও ইবাদতের ওপর অবিচল থাকার তাওফিক দিন। © মহিউদ্দিন রূপম

photo content

আল্লাহর কোন একজন প্রিয় বান্দা সম্পর্কে শুনেছিলাম, মৃত্যুর কিছুক্ষন আগে তিনি খুব কষ্ট করে কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন। একজন জিজ্ঞেস করলো, আপনার এত কষ্ট হচ্ছে, এ সময়টা একটু চুপ করে থাকলেও তো পারেন। তিনি জবাব দিলেন, সম্ভবত আর কিছুক্ষন পরই আমার আমলনামা বন্ধ হয়ে যাবে। এই সময়টুকুতে যদি একটা হরফও পড়তে পারি, অন্তত দশটা সাওয়াব আমার আমলনামাতে যোগ হবে... রাসুলের প্রিয় সাহাবি সালমান আল-ফারসি (রা) এর কাহিনী শুনেছিলাম, মৃত্যুর আগে যিনি তার অঢেল (?) দুনিয়াবি সম্পদের জন্য কাঁদছিলেন। রাসুলের সাথে ওয়াদা করেছিলেন, দুনিয়া কামাবেন না। কিন্তু এত সম্পদ আজ তার কাছে! অথচ মৃত্যুর পর দেখা গেল তার মালিকানায় একটি পাত্র, একটি থালা ও পানি রাখার কলস ছাড়া আর কিছুই ছিল না। এটাই তার কাছে বেশি মনে হচ্ছিল। -------- যে ব্যক্তির মনে এ কথা একবার ঢুকে যাবে, এ দুনিয়া তার বাড়ি নয়, জীবনটা তার এমনিতেই সাদাসিদে হয়ে যাবে। কোন কিছুর প্রতি খুব বেশি আকর্ষন থাকবে না, কিছু না পেলে তেমন কোন আফসোসও হবে না। যে জানবে, কবরে তাকে একাই থাকতে হবে। জবাবদিহিতার মুখে সে একাই পড়বে। কেউ এসে তাকে সাহস দিয়ে যাবে না। অভয় দেয়ার মত থাকবে না কেউ - দুনিয়ার জীবনে কে দূরে সরে গেল, কেই বা কাছে এলো, এসব নিয়ে তার খুব একটা মাথা ব্যাথা হবে না। আপন পর হবে, পর আপন হবে, পৃথিবীর এ স্বাভাবিক নীতিতে সে অভ্যস্ত হয়ে যাবে সহজেই। যে বিশ্বাস করবে, কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে তাকে তার আমল নিয়ে প্রশ্ন করা হবে, কতটুকু নিখুঁত ছিল সেগুলো, দেখা হবে তা - অপরের দোষত্রুটি নিয়ে পড়ে থাকার সময় হবে না তার। নিজের উন্নতির ফিকির তার সবচেয়ে বেশি হবে, অপরের ভুলের তুলনায় নিজের দূর্বলতাগুলোই তার চোখে পড়বে বেশি। "বুদ্ধিমান হল ঐ ব্যক্তি যে নিজের হিসাব নিজে করে আর মৃত্যু পরবর্তী জীবনের জন্য কাজ করে। আর অক্ষম হল ঐ ব্যক্তি যে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে ও আল্লাহর ব্যাপারে অনেক ধরনের আশা আকাংখা পোষণ করতে থাকে।" - সুনান তিরমিজী © Rizwanul Kabir

photo content

photo content

photo content

সালাফে সালিহীন তথা পুণ্যাত্মা পূর্বসূরিগণ নিজেদের প্রতিটি মিনিট কাজে লাগাতে সচেষ্ট থাকতেন। আমির ইবনে কায়স রহ. সম্পর্কে বর্ণিত আছে, জনৈক ব্যক্তি তাকে বলেছিল, আমার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলুন। উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'সূর্যকে থামিয়ে দিতে পারলে তোমার সাথে কথা বলতে পারি।' (অর্থাৎ সূর্য আর সময় অনবরত চলছে। তাহলে কথা বলে কীভাবে সময় নষ্ট করতে পারি?) সাবিত বুনানী রহ.-এর ছেলে বলেন, আব্বাজানের ইন্তেকালের সময় আমি তালকীন করছিলাম। তখন তিনি বললেন, 'বেটা, আমাকে ছেড়ে দিয়ে এ সময়টা নিজের কাজে ব্যস্ত থাকো।' অনেক বুজুর্গকে লোকেরা মৃত্যুযন্ত্রণার সময়ও নামাজ পড়তে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করত। তখন তারা বলতেন, এখন তো আমার আমলনামা বন্ধ হয়ে যাবে। (তাহলে নেকী বৃদ্ধি করব না কেন?) প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে কারও যখন এটা বিশ্বাস হয়ে যাবে যে, মৃত্যুর মাধ্যমে তার আমল বন্ধ হয়ে যাবে, তখন সে অবশ্যই এমন কাজ করবে, যার সওয়াব মৃত্যুর পরও জারি থাকে। অনেক মুজাহাদা থাকার পরও সে এমনটা করবে। দুনিয়াতে মানুষের কাজে লাগে কোনো সুবিধাজনক সম্পদ থাকলে সেটা আল্লাহর রাস্তায় ওয়াকফ করে দেয়া যায়। মানুষের উপকারার্থে রাস্তার পাশে গাছ লাগানো এবং খাল খনন করা যেতে পারে। বাবার মৃত্যুর পর আল্লাহর স্মরণ করবে এমন সন্তান কামনা করে দুআ করা। তাহলে বাবা কবরে শুয়ে শুয়েও সওয়াব পাবেন। আলেম হলে দ্বীনী কিতাবাদি রচনার চেষ্টা করা। কেননা দ্বীনী কিতাবে আলেমের অবদান সন্তানের প্রতি বাবার অবদানের মতো। আর সাধারণ মানুষ হলে সওয়াবের কাজ শিখে শিখে আমল করার চেষ্টায় লেগে থাকা উচিত। বস্তুত এমন লোকেরা মৃত্যুর পরও অমর হয়ে থাকে। [প্রশান্ত অন্তর : ১৪৩]

একবার উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. তাঁর একজন গভর্নরের কাছে চিঠি লিখলেন। চিঠির শেষে তিনি উল্লেখ করলেন : বিপদে পতিত হওয়ার আগেই তুমি সুখে থাকতে থাকতে নিজের নফসের হিসাব নাও। কেননা যে ব্যক্তি বিপদে পতিত হওয়ার আগেই স্বাভাবিক অবস্থায় নিজের নফসের হিসাব নেয়, সে ঈর্ষণীয় স্থানে উপনীত হয়। আর যে ব্যক্তি নিজের জীবনকে খেল-তামাশায় কাটিয়ে দেয়, অসতর্ক ও গাফেল থাকে, কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করে নিজের জীবনকে পরিচালিত করে, পরিণামে সে ভীষণ লজ্জিত হয়। তাই তুমি উপদেশদাতার উপদেশ গ্রহণ করো। নিষেধ করলে নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকো। আর উপদেশের সময় তুমি হও সবচেয়ে সমঝদার ও অনুধাবনকারী ব্যক্তি। কেননা উপদেশের বাণীর প্রতি শ্রোতার চেয়ে বক্তার নিজে অধিক মুখাপেক্ষী হওয়া উচিত। [আত্মবিচার : ৩৮]