ru
Feedback
Body & Health(knowledge)

Body & Health(knowledge)

Открыть в Telegram

we want to make everyone aware of health-related issues. we need such knowledge that will always keep us healthy. হোয়াটসঅ্যাপ : https://whatsapp.com/channel/0029VbBU55QLo4hiBOY8rZ3E ফেইসবুক : https://www.facebook.com/profile.php?id=61555569292165

Больше
489
Подписчики
Нет данных24 часа
+17 дней
-330 дней

Загрузка данных...

Похожие каналы
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
сентябрь '26
сентябрь '26
+1
в 0 каналах
август '26
+2
в 0 каналах
Get PRO
июль '26
+5
в 0 каналах
Get PRO
июнь '26
+8
в 0 каналах
Get PRO
май '26
+2
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+9
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+13
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+22
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+27
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '25
+17
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+25
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+423
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '250
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+6
в 1 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
07 сентября0
06 сентября0
05 сентября0
04 сентября0
03 сентября+1
02 сентября0
01 сентября0
Посты канала
হস্তমৈথুন ভালো না নাকি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ভালো না??? উত্তর হল, হস্তমৈথুন ই ভালো না সেখানে অতিরিক্ত শব্দটি আসার প্রশ্নই আসেনা। হস্তমৈথুনের ফলে ভয়ংকর রকমের সমস্যা ও শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। যারা হস্তমৈথুনের সাথে জড়িত তারা প্রথমে এটা আনন্দের সহিত উপভোগ করলেও পরবর্তীতে জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ায়।কেবল একজন ভুক্তভোগীই জানে এর ক্ষতিটা কতটা মারাত্মক!!!! ছোট একটা উদাহরণ দিলে আরো ভালো বোঝা যাবে, ধরুন আপনার কাছে একটি কলম আছে আপনি যদি এই কলমটি দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লিখেন অবশ্যই কলমের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে কিন্তু যখন এই কলম দিয়ে খাতায় লেখার প্রয়োজন হবে তখন আর আপনি স্বাভাবিকভাবে লিখতে পারবেন না কেননা আপনি ইতিমধ্যে কলমটির অপব্যবহার করেছিলেন ব্ল্যাকবোর্ডে। হস্তমৈথুনের দ্বারা কি কি ক্ষতি হয় :- . জীবনসঙ্গিনীর কাছে আজীবন লজ্জা এবং ফলাফল ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায় অনেকের। ১. বাবা হওয়ার সক্ষমতা কমে যায় কিংবা নাই হয়ে যায়। ২. শরীরের ক্যালসিয়াম বের হয়ে যায়। ৩. কোমরের নিচে ব্যথা চলমান থাকে,,,, দীর্ঘসময় এই খারাপ কাজ করলে। ৪. মেধা শক্তি কমে যাওয়া এবং চিন্তার অবনতি ঘটে। ৫. নেশার মতো কাজ করে। ৬. শারীরিক শক্তি কমে যায় ও দুর্বলতা বাড়িয়ে দেয়। ৭. প্রোস্টেট ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ায়। ৮. স্বাভাবিক যৌন চাহিদা নষ্ট হয়ে যায়। এগুলোর সাথে ডিপ্রেশন ফ্রি। বাচার উপায়:- . নিজে খুজুন। . খারাপ কাজ ও কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন। . মোবাইল আনলক রাখুন কিংবা পরিবারকে মোবাইলের অ্যাকসেস দিয়ে রাখবেন। . এলাকায় কোন দ্বীনদার ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলুন।

2
গরম ভাত খেয়ে গোসল দিতে হয় না,এতে রোগ হয়। সমাজের একটি প্রচলিত বাক্য। তবে এটা প্রচলিত বাক্য হলেও সত্যিটা হচ্ছে খানা(খাবার) খেয়ে গোসল দিতে হয় না।এতে জটিল জটিল রোগ বাসা বাধে শরীরে। যদি হঠাৎ ২-১ দিন হয়ে যাবে তবে সমস্যা হলেও স্থায়ী হয় না কিন্তু কারো যদি এটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস থাকে তাহলে একটা সময় অবশ্যই বড় কোন রোগের সাথে দেখা আবশ্যক হয়ে যাবে তার জন্য। যাই হোক, মুল কথায় আসি।কেন খাবার খেয়ে গোসল দিতে হয় না?? কারন, আমরা যখন ভাত খাই হোক সেটা গরম কিংবা ঠান্ডা তখন শরীরের সব রক্ত পেটে চলে আসে খাবারকে শরীরের তাপমাত্রায় ব্যালেন্স করার জন্য। ব্যালেন্স করার পর খাবারের হজম প্রক্রিয়া শুরু হয়।এমন না যে পেটে খাবার পরল আর হজম শুরু হয়ে গেলো। অন্যদিকে গোসল দিলে শরীর পানি পেয়ে ঠান্ডা হয়ে যাবে এবং নাভি থেকে পুরো শরীরে রক্ত সঞ্চালিত হয়।অর্থাৎ রক্তা চলাচল সক্রিয় হয়ে যায়। মস্তিষ্ক এখানে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না সে খাবারকে হজম করবে নাকি পুরো শরীরে রক্ত সঞ্চালিত করবে!!! ব্যাস! সমস্যা এখানেই হয়ে যায়। গোসলের কতক্ষণ পর খাবার খাওয়া যাবে?? মিনিমাম ২ ঘন্টা পর।অনেকে সচেতনতা হিসেবে ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করে গোসল করে যেটা ঠিক না। শরীরের নির্দিষ্ট কার্যক্রম আছে যখন এটা ব্রেক করে তখন শরীর অবশ্যই প্রতিক্রিয়া দেখায় হয়তো আপনি বুঝেন না বড় আকারে দেখা না দেওয়া পর্যন্ত। সচেতন থাকুন,সুস্থ থাকুন❤️
416
3
ভয়ানক!!! যারা নিয়মিত বা মোটামুটি ঔষধ সেবনে অভ্যস্ত তারা ফকির হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন।
ভয়ানক!!! যারা নিয়মিত বা মোটামুটি ঔষধ সেবনে অভ্যস্ত তারা ফকির হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন।
430
4
সুস্থতার ৩ উপায়। ১. ডায়াবেটিস, হার্টঅ্যাটাক, কোষ্ঠকাঠিন্য,লিভার ড্যামেজ,বদহজম,গ্যাস্ট্রিক,পেটের মেদ,রক্তে কোলেস্টেরল, মাথা ব্যাথা(মাইগ্রেন সমস্যা),স্কাবিসের মতো রোগ থেকে বাচতে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে রাতের খাবার কম্পিলিট করতে হবে।এই রোগগুলো বেশির ভাগ ব্যাবসায়ীদের মাঝে পাবেন কেননা তারা সব হিসাবনিকাশ শেষে রাত ১১-১২ টায় খাবার খায়।যেই রোগ বেশি রাত করে খাবার খেলে হয় সেই রোগ নিরাময় হবে বেশি রাতে করে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিলে তাই না!!! হিসাব সহজ। কিন্তু আপনি যদি অবস্থা জটিল করে দিনের পর দিনের অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ নিতে থাকেন সুস্থ কেমন হবেন শুনি??? ২. খাবার খাওয়ার ৪০ মিনিট আগে পেট ভরে পানি পান করতে হবে এবং খাবার খাওয়ার ৩০-৪০ মিনিট পর।অনেকে ১ ঘন্টা পর পানি খেতে গিয়ে পানি পান করতে ভুলেই যায়।এতে সুস্থতার বদলে পেটে আলসার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।তাই খাবার খাওয়ার ৩০-৪০ পর পানি পান করলেই যথেষ্ট। ৩. সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা উষ্ণ গরম পানি পান করতে হবে মুখ কুলি করে ধোয়ার আগে লালাসহ কেননা লালা আমাদের শরীরের জন্য এন্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।টয়লেটে যাওয়ার আগে পানি পান করতে বলা হয় কেননা টয়লেট থেকে আসলে আমাদের শরীর যথেষ্ট টাইট থাকে তখন পানি পান করলে শরীরে বড় ধরনের ৩ টা রোগ হয় এর মাঝে অন্যতম ছেলেদের অন্ডকোষের রোগ।
420
5
Fistula (ভগন্দ)!! খুব বিরক্তিকর একটা রোগ।অনেকের চলতে, ফিরতে, বসতে, ঘুমাতে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।কারো অপারেশন করার পর পুনরায় আবার ফিস্টুলা দেখা দেয়।অবশ্য অপারেশন করে অব্যাহতি পাওয়া যায় না তেমন। যে কারনে ফিস্টুলা/ ভগন্দ রোগ হয়ে থাকে:- ১ দীর্ঘক্ষন বসে থাকলে। ২.দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে। ৩. অনিয়মিত খাবার-দাবারের কারনে। ৪. অতিরিক্ত মসলা জাতীয় ও ফাস্টফুড খাওয়ার কারনে। ৫. পরিমানের থেকে কম পানি পান করার কারনে। ৬. টয়লেট হচ্ছে না তবুও জোর করে বের করার চেষ্টা করলে( অনেক নারীদের ক্ষেএে বেশি প্রেসারে জরায়ু বের হয়ে আসে টয়লেটের বিপরীতে) ৭.যথাযথভাবে মল ত্যাগ না হওয়ার কারনে দিনের পর দিন এই সমস্যা হয়ে থাকে। লক্ষন:- . মল ত্যাগের সময় মলদ্বার থেকে রক্ত জরলে। . মল ত্যাগের সময় মলদ্বার অতিরিক্ত ব্যাথা করলে। . মল ত্যাগের সময় মলদ্বার ব্যথা ও ফুলে গেলে। . ভারী খাবার খেলেই পেটে বদহজম হয়ে যাওয়া। পরিএানে করনীয়:- . হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সালফার ২০০ সপ্তাহে ১ দিন ৩ বেলা খাবার ১ ঘন্টা আগে নিবেন জীহ্বে ১ ফোটা করে। . হোমিওপ্যাথির ঔষধ Nux Vomica সন্ধ্যায় খাওয়া-দাওয়ার আধা ঘন্টা পর জীহ্বে এক ফোঁটা নিবেন এতে যথেষ্ট আরাম পাওয়া যাবে। অভিজ্ঞত হোমিওপ্যাথির ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিবেন . ১০০ গ্রাম দইয়ের মধ্যে ১ চামচ আমলা পাউডার মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে। . ১ চামচ এিফলা পাউডার ও ১ বা ২ চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে। . রাতে ঘুমানোর আগে খাটি সরিষার তেল মলদ্বারে লাগিয়ে নিতে হবে। নিয়মগুলো যথাযথ পালন করলে ফিস্টুলা নির্মুল হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ।
408
6
প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হওয়া! অনেকেরই প্রোস্টেট গ্রন্থি(অন্ডকোষ) বড় হয়ে যায় বিশেস করে এই সমস্যাটা বৃদ্ধদের মাঝে বেশি দেখা যায়।তব
প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হওয়া! অনেকেরই প্রোস্টেট গ্রন্থি(অন্ডকোষ) বড় হয়ে যায় বিশেস করে এই সমস্যাটা বৃদ্ধদের মাঝে বেশি দেখা যায়।তবে যুকবদের মাঝেও কম নয়। কোন রকমের সার্জারি বা অপারেশন ছাড়াই ২০-২৫ দিনে ঠিক হয়ে যাবে ইন শা আল্লাহ। এই ২৫-৩০দিন কোনরকমের টক ফল ও খাবার, ঝাল ও মশলা জাতীয় খাবার একদম এড়িয়ে চলতে হবে মানে কোনভাবেই খাওয়া যাবে না। বেশি বেশি নারিকেল,আমলকি,দুধ,দই,আঙ্গুর ফল ও কালো তুলসি পাতা খেতে হবে এই সময়টাতে। করনীয়:- এিফলা ঘৃত( Trifala Ghrit) সংগ্রহ করে রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস হালকা গরম পানিতে ১ চামচ ঘৃত এবং এক চিমটি সিন্ধুক লবন মিশিয়ে পান করে নিবেন।একটানা ২৫-৩০ দিন ফলো করলেই সুস্থতা মিলবে ইন শা আল্লাহ। 📌নিয়ম হেরফের করা যাবে না সুস্থতা পেতে চাইলে।
346
7
কি ভেবেছেন এটা কেবল একটা কারখানার দৃশ্য?? নো নো নো, এটা প্রতিটা কারখানার অবস্থা যেটা প্রকাশ্যে আসেনা। আপনি নারী হলে কষ্ট করে
কি ভেবেছেন এটা কেবল একটা কারখানার দৃশ্য?? নো নো নো, এটা প্রতিটা কারখানার অবস্থা যেটা প্রকাশ্যে আসেনা। আপনি নারী হলে কষ্ট করে বেকারীর কাজটা শিখে নিন আর পুরুষ হলে আপনার ঘরনীকে বেকারীর কাজটা শিখার ব্যবস্থা করে দিন। একজন কেক বানানেওয়ালা আপুর কাছে শুনেছিলাম ২ পাউন্ড ভ্যানিলা কেক বানাতে খরচ হয় মাএ ৩০০ আর সেখানে বিক্রি করা হয় ১১০০ টাকায়। ঠিক কি পরিমানে লাভ!!! একই পরিমানে লাভ এই কারখানাওয়ালারাও করে অথচ তারা বিপরীতে কি নোংরা খাবারটাই না দিয়ে থাকে! তো যারা বাহির থেকে খাবার কিনেন তারা টাকা ও শরীর দুটোই খুয়াইলেন।
351
8
চোখে এলার্জি!! চোখে এলার্জি মোটামুটি একটি সাধারণ সমস্যা। তবে এটি একই সঙ্গে খুবই সংবেদনশীল একটি রোগ। চোখ আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ, তাই চোখ ঘষা, ডলাডলি বা বারবার হাত দেওয়া মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। অনেকের চোখে এলার্জির কারণে অতিরিক্ত চুলকানি হয়। চুলকাতে চুলকাতে চোখ ফুলে যেতে পারে, আবার অনেকের চোখ লাল হয়ে যায়। মনে রাখবেন, শরীরের সাধারণ এলার্জি আর চোখের এলার্জি এক বিষয় নয়। তাই চোখে এলার্জির লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে যথাযথ যত্ন নেওয়া জরুরি। চোখের এলার্জি রোধে করণীয় :- ১. নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এলার্জির খাবার বন্ধ রাখতে হবে। ২.প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই মুখের লালা চোখে কাজলের ন্যায় লাগিয়ে দিতে হবে। আমাদের মুখের লালায় প্রচুর গুড পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া থাকে। লালা শুধু চোখের জন্য নয় বরং শরীরের অনেক রোগের ক্ষেত্রে মহা ঔষধ হিসেবে কাজ করে। লালার গুরুত্ব নিয়ে অনেক লেখা আছে আমাদের চ্যানেলে।সুযোগ হলে পড়ার আহ্বান। ৩. সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চামচ দারচিনি পাউডার ও এক চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে চকলেটের মতো করে চুষে খেয়ে নিয়ে ১ গ্লাস হালকা গরম পানি পান করতে হবে। যেকোন এলার্জির জন্য এই নিয়মে অনেক উপকার রয়েছে। ৪. রাতে ঘুমানোর আগে হাফ গ্লাস পানি ও হাফ গ্লাস গরুর দুধ মিশিয়ে তাতে ১ টুকরো হলুদ থেতলে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে পান করতে ছেকে নিয়ে তাতে হাফ চামচ ঘি মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে।
409
9
বি:দ্র: পোষ্টটি ২৪ ঘন্টার জন্য এরপর ডিলিট করা হবে ইন শা আল্লাহ। কালোযা'দুর আমাদের মানসিক ও শারীরিক প্রভাবিত করে। ▬▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬ যাদু আমাদের আর্থিক শারীরিক মানসিক বাধাগ্রস্ত করে। যাদু শরীরের যতদিন যাবে ; তত শক্তিশালী হবে। যাদু স্হায়ী ভাবে আমাদের শরীরের কিছু অংশে লুকিয়ে। 🔰 যাদু কয়েকপ্রকার ভাগ করা হয়। যেমন ১. শারীরিক মানসিক বাধাগ্রস্ত। ২. আর্থিক বাধাগ্রস্ত। ৩. পারিবারিক বৈষম্য। ৪. স্বামী স্ত্রী উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য। ৫. বন্ধ্যাত্ব ও অনিয়মিত পিরিয়ড। ৬. স্নায়ু, মেরুদণ্ড, কাশরুকা, সাইনোসাইটিস অংশে। ৭. হঠাৎ দূর্ঘটনার শিকার যেমন- রোড এক্সিডেন্ট,ও কোন কারন ছাড়া পরিবারের সদস্যদের মৃত্যু। ৮. উদ্বেগ বিষন্নতা অতিরিক্ত চিন্তাকরা। ৯. একাকিত্ব ও আতংকিত থাকা অজানা বিপদের আশংকা করা। ১০. কবরের মাটির গন্ধ নাকে আসে সব সময়। ➡️ যাদু আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গা রোগ তৈরি করে, স্নায়ুর কেন্দ্রীয় হয়। স্নায়ুর অংশে যাদুর খাদেম জ্বিন ব্লক মারার কারনে রোগ সৃষ্টি হয়।হৃৎপিণ্ড হৃৎপিণ্ড শরীরের সমস্ত অংশে রক্ত ​​পাম্প করে প্রতিটি কোষে পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে। বাম হৃৎপিণ্ড পাম্প করে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ​​ফুসফুস থেকে সিস্টেমিক সংবহনে শরীরের বাকি অংশে ফিরে আসে। ডান হৃৎপিণ্ড ফুসফুসীয় সংবহনে ডিঅক্সিজেনযুক্ত রক্ত ​​ফুসফুসে পাম্প করে। স্নায়ু গুলো তে গিটমারে শক্ত অবস্হান তৈরি। 🔰 যাদু আমাদের শরীরের কোন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। যেমন- জ্বিন ও যাদুকর উপর নির্ভর করে এই সকল যাদু হয়ে থাকে। কিছু পেশেন্টের উপর বোবা জিন চালান করে থাকে রুকইয়াহ করলে পেশেন্টের শরীরে জানান দেয় কিন্তু কথা বলার শক্তি নাই, আবার ভিনদেশের কিছু জ্বিন চালান দেয় বিভিন্ন ভাষা কথা বলে রুকইয়াহ সময় একজন রাক্বি বুঝতে কষ্ট হয়। যাদুকর যতশক্তিশালী যাদু তত শক্তিশালী হবে। আমাদের শরীরের যাদু শক্তিশালী হয়, যখন, বোবা, অন্ধ, জ্বিন গুলো চালান করে একটা যাদুকর। বেশিরভাগ শক্তিশালী যাদু এসকল বোবা ও অন্ধ জ্বিন দিয়ে করে থাকে। ভবিষ্যতে কোন দিন পেশেন্ট সুস্থ না হয়ে মৃত্যু দিকে অগ্রসর হতে পারে। যাদুধরন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া সকল পেশেন্ট। রুকইয়াহ তেমন প্রভাব পড়েনা বরং কিছুক্ষন কাপাকাপি লাফালাফি এতটুকু সীমাবদ্ধ থাকে। এ ভাবে রুকইয়াহ বছর পর বছর করে থাকে। 🔰 যাদু জ্বিন বহন করে, যাদু কখনো নিজ থেকে এক্টিভ হতে পারেনা, একজন যাদুকর কবিরাজ এলজন জ্বিন যাদুকর সমন্বয় করে থাকে আর জ্বিন যাদুকর তার দূর্বল জ্বিন গুলো এসকল যাদুতে প্রেরণ করে যেমন- বোবা, পাগল,অন্ধত্ব ইত্যাদি। 🔰 যাদু বিষয় কোরআন কি বলে - وَ اتَّبَعُوۡا مَا تَتۡلُوا الشَّیٰطِیۡنُ عَلٰی مُلۡکِ سُلَیۡمٰنَ ۚ وَ مَا کَفَرَ سُلَیۡمٰنُ وَ لٰکِنَّ الشَّیٰطِیۡنَ کَفَرُوۡا یُعَلِّمُوۡنَ النَّاسَ السِّحۡرَ ٭ وَ مَاۤ اُنۡزِلَ عَلَی الۡمَلَکَیۡنِ بِبَابِلَ هَارُوۡتَ وَ مَارُوۡتَ ؕ وَ مَا یُعَلِّمٰنِ مِنۡ اَحَدٍ حَتّٰی یَقُوۡلَاۤ اِنَّمَا نَحۡنُ فِتۡنَۃٌ فَلَا تَکۡفُرۡ ؕ فَیَتَعَلَّمُوۡنَ مِنۡهُمَا مَا یُفَرِّقُوۡنَ بِهٖ بَیۡنَ الۡمَرۡءِ وَ زَوۡجِهٖ ؕ وَ مَا هُمۡ بِضَآرِّیۡنَ بِهٖ مِنۡ اَحَدٍ اِلَّا بِاِذۡنِ اللّٰهِ ؕ وَ یَتَعَلَّمُوۡنَ مَا یَضُرُّهُمۡ وَ لَا یَنۡفَعُهُمۡ ؕ وَ لَقَدۡ عَلِمُوۡا لَمَنِ اشۡتَرٰىهُ مَا لَهٗ فِی الۡاٰخِرَۃِ مِنۡ خَلَاقٍ ۟ؕ وَ لَبِئۡسَ مَا شَرَوۡا بِهٖۤ اَنۡفُسَهُمۡ ؕ لَوۡ کَانُوۡا یَعۡلَمُوۡنَ ﴿۱۰۲﴾ আর তারা অনুসরণ করেছে, যা শয়তানরা সুলাইমানের রাজত্বে পাঠ করত। আর সুলাইমান কুফরী করেনি; বরং শয়তানরা কুফরী করেছে। তারা মানুষকে যাদু শেখাত এবং (তারা অনুসরণ করেছে) যা নাযিল করা হয়েছিল বাবেলের দুই ফেরেশতা হারূত ও মারূতের উপর। আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত না বলত যে, ‘আমরা তো পরীক্ষা, সুতরাং তোমরা কুফরী করো না। এরপরও তারা এদের কাছ থেকে শিখত, যার মাধ্যমে তারা পুরুষ ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাত। অথচ তারা তার মাধ্যমে কারো কোন ক্ষতি করতে পারত না আল্লাহর অনুমতি ছাড়া। আর তারা শিখত যা তাদের ক্ষতি করত, তাদের উপকার করত না এবং তারা অবশ্যই জানত যে, যে ব্যক্তি তা ক্রয় করবে, আখিরাতে তার কোন অংশ থাকবে না। আর তা নিশ্চিতরূপে কতই-না মন্দ, যার বিনিময়ে তারা নিজদেরকে বিক্রয় করেছে। যদি তারা জানত। [সুরা বাকারা আয়াত -১০২] ➡️ পরামর্শ নসিহা : একজন অভিজ্ঞ রাক্বি পরামর্শ গ্রহন পাশাপাশি নিজে নিজে অর্থ সহ কোরআন পড়া ও মাসনুন আমল নিয়মিত করা। ফরজ ইবাদত বিষয় উদাসীন না হওয়া। ফরজ ইবাদত বিমুখ হলে যাদু তীব্র আকারে শক্তিশালী হবে তখন নিয়ন্ত্রণ বা কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে যাবে। #collected অনেক রোগী দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েও ফল পাচ্ছেন তারা বিষয়টা ভেবে দেখবেন।যাদু দ্বারা ক্যান্সারেও আক্রান্ত করা যায়। 📌আল্লাহকে ভুলে গেলে বিপদ আর বিপদ সে আপনি বুঝুন আর না বুঝুন।
383
10
আমরা এখন খাবো কী? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের ল্যাব-টেস্ট মোতাবেক ব্রয়লার মুরগির মাংসে ২০০০ মাক্রোগ্রাম, কলিজায়-৬১২ মাইক্রোগ্রাম, এবং মগজে- ৪০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যান্সার সৃষ্টকারী বিষাক্ত ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে । WHO-এর গাইডলাইন অনুসারে মানুষের শরীরে ক্রোমিয়ামের সহনশীয় মাত্রা ২৬-৩৫ মাইক্রোগ্রাম। ফার্মের মুরগির ডিমেও আছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি ক্রোমিয়াম। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে মুরগী ও মাছের ফিড তৈরিতে ক্রোমিয়াম মিশ্রিত টেনারির বর্জ্য ব্যবহার হয় যা পুরান ঢাকার টেনারিগুলো থেকে আসে। হাইকোর্টের একটি নিষেধাজ্ঞা আছে এই ক্রোমিয়াম মেশানো নিয়ে। চাষের মাছ গুলোতে আছে উচ্চমাত্রার নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক। ক্রোমিয়াম, নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক ১ম সারির ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত কেমিক্যাল। আর্সেনিক দিয়ে তো ইঁদুর মারার বিষ বানানো হয়। এখন বলুন, সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগান দেবে কোন খাবারটি? আমি সিলেটের লালবাজার থেকে গত সপ্তাহে মলা-ঢেলা মাছ কিনলাম ৪৫০ টাকা কেজি দরে। নদী ও সামুদ্রিক মাছের দাম আকাশচুম্বী! সহজলভ্য তেলাপিয়া, পাংগাস ও অন্যান্য মাছের শরীর নাইট্রোফোরন, ক্রোমিয়াম ও আর্সেনিকে ঠাসা, কারণ এই মাছগুলো ক্ষতিকর মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত সেচের পানিতে চাষ হয় ও চাষে টেনারির বর্জ্য দিয়ে প্রস্তুত ফিড ব্যবহার করা হয়। কোরবানির পশুর চামড়ার পশম পুড়তে ব্যবহৃত হয় ক্রোমিয়াম ও নাইট্রোফোরনযুক্ত কেমিক্যাল। চামড়া প্রসেসের পর উপজাত হিসেবে প্রাপ্ত হাজার-হাজার টন বর্জ্য পোল্ট্রি ও মাছের ফিড বানাতে ব্যবহার করা হয়। কার্বোহাইড্রেটের পরেই শরীরের জন্য বেশি দরকার আমিষ। সাধারণ মানুষ কোথা থেকে পাবে নির্মল আমিষ? এসব খাবার বর্জন কতটা টেকসই সমাধান হতে পারে? কেবল বোবা কান্নায় বুকটা ভার হয়ে থাকে! এদেশের ঘরে ঘরে এখন ক্যান্সার ও কিডনি রোগী। হঠাৎ করেই মারা যাচ্ছে অল্প বয়সী তরুণ-তরুণী! কেউ কি বলতে পারেন, বিশ্বের আর কোথায় এদেশের মতো এমন মারাত্নক ধরনের নৈরাজ্য হয়? #মোঃ_বাহার_উদ্দিন ২১ জুলাই ২০২৬ ইং সুবিদবাজার, সিলেট। চাষ করুন নিজে ছোট করে একটা পুকুর বানিয়ে হলেও এবং ছোট একটা সবজির বাগান।
338
11
দাত ও শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে টুথপেষ্ট এড়িয়ে চলতেই হবে। আমরা আগেও বলেছি হারপিকে যে উপাদান(ক্যামিকেল)থাকে টুথপেষ্টেও একই উপাদান
দাত ও শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে টুথপেষ্ট এড়িয়ে চলতেই হবে। আমরা আগেও বলেছি হারপিকে যে উপাদান(ক্যামিকেল)থাকে টুথপেষ্টেও একই উপাদান থাকে।টুথপেষ্ট ভালোর থেকে খারাপ বেশি দাতের জন্য। করনীয়? করনীয় হলো:- . মেসওয়াও ব্যবহার করতে হবে। .সপ্তাহে ১-২ দিন এক চিমটি হলুদের ও কালো লবনের গুড়া এবং কয়েকফোটা সরিষার তেল ওলেবুর রস মিশিয়ে দাত ব্রাশ করলে দাত সুস্থ ও সাদা থাকবে। . খালি ব্রাশ দিয়ে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ব্রাশ করতে হবে তবে মেসওয়াক বেস্ট।
407
12
দুপুরে ঘুম: উপকার নাকি ক্ষতি? দুপুরে খাবার খাওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট বিশ্রাম বা ঘুম অনেকের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এটি সবার জন্য, সব সময় বা প্রতিদিন একইভাবে উপকারী—এমনটি নয়। কখন, কতক্ষণ এবং আপনার শরীর সেই ঘুমে কীভাবে সাড়া দেয়, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম সব সময় শরীরের জন্য সমান উপকারী হয় না। অনেকেই দুপুরের ঘুম থেকে উঠে মাথা ঝিমঝিম করা, ভারী লাগা বা হালকা মাথাব্যথা অনুভব করেন। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা ঘটে—ঘুম থেকে উঠে ক্লান্তি, অবসাদ ও মাথার ভারভাব দূর হয়ে শরীর-মন অনেক বেশি সতেজ লাগে। তাই সুস্থ থাকতে নিজের শরীরের ঘুমের প্যাটার্ন বোঝা জরুরি। একই ঘুম ভিন্ন মানুষের শরীরে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, এমনকি একই মানুষের ক্ষেত্রেও সময় ও শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া বদলে যেতে পারে। দুপুরে ঘুমের প্রতিক্রিয়া ২ রকমের হয়ে থাকে। . ঠান্ডা ও বৃষ্টি আবহাওয়ায় দুপুরে ঘুম এসিডিটি বাড়িয়ে দেয়।আপনি সব নিয়ম পালন করে ভরা পেট নিয়ে ঠান্ডা আবহাওয়া পেয়ে একটা কঠিন ঘুম দিয়ে উঠে দেখবেন পেটা ফাপা ভাব বা গ্যাস বা বদহজম অনুভূতি।এককথায় পেটে এসিডিটি হয়ে যাবে। . গ্রীষ্মকালে দুপুরে ঘুম শরীরকে সতেজ ও ফ্রেশ করে দেয়।গরমকালে দুপুরে ঘুমানো খুব আবশ্যক শরীর সুস্থ রাখতে।উল্টো খাবারকে হজম করতে সাহায্য করে দুপুরের ১ ঘন্টার ঘুম। 📌 আবহাওয়া বুঝে আপনি ঘুমাবেন।বিশ্বাস না হলে আপনি ট্রাই করে দেখতে পারেন ২ রকমের আবহাওয়ায় আপনার শরীর কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়।
429
13
দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকে ঔষধ খেলে কিডনি ড্যামেজ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন থাইরয়েডের ঔষধ সেবন করলে টিউমার বা ক্যান্সার হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস এর ঔষধ খেলে লিভার শেষ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন হাই-প্রেসারের ঔষধ খেলে লিভার, কিডনি উভয়টি শেষ করে দেয়। এলোপ্যাথিক ঔষধে দ্রুত সুস্থতা মিললেও এটা বহুরোগকে ঢেকে আনে, আপনি ধারনাও করতে পারবেন না কত রোগের গুদামঘর এই এলোপ্যাথিক ঔষধ।টেম্পোরারি ব্যবহারে সমস্যা নেই কিন্তু দীর্ঘদিন কোনভাবেই না। তাহলে সমাধান কী??? সমাধান হলো জানা, বোঝা এরপর মানা।আগে বুঝুন রোগ কি এমনেই হয়?? সিরিয়াসলি!!! না, রোগ হওয়ার অবশ্যই কারন আছে আগে সেই উওর জানুন।সমাধান আপনি নিজেই পাবেন। বেশি কিছু লাগবে না শুধু বেশি রাত করে খাবার বন্ধ করুন। শরীরের ৭০% রোগ এমনেই ঠিক হয়ে যাবে এবং হবেও না। আমাদের খাবার হজম হয় সূর্যের আলোতে তাই দেখবেন অধিকাংশ ডাক্তাররা বলে রাতে খাবার না খেতে অবশ্য তারা কেন খাওয়া উচিত না তা কখনোই ব্যাখ্যা করবে না কেবল দায়সারা ভাব দেখাতে নরমালি বলে দিবে এটা করবেন না,ওটা খাবেন না ব্যাস এতটুকুই। একটি রোগ সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না। আমাদের মুখের ত্বক যেমন কারও ড্রাই, কারও অয়েলি, আবার কারও নরমাল—তেমনি প্রত্যেক মানুষের শরীরও একেক ধরনের খাবারের প্রতি একেক রকম প্রতিক্রিয়া দেখায়। উদাহরণ হিসেবে, কারও লেবুর রস খেলে অ্যাসিডিটি বেড়ে যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে সেটিই রুচি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই সবার জন্য একই খাবার সমান উপকারী হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। মূল কথা হলো, আপনার শরীর যে খাবার খেয়ে ভালো অনুভব করে এবং যা সহজে সহ্য করতে পারে, সেই খাবারই বেছে নিন। শুধু "স্বাস্থ্যকর" শুনে বা অন্যকে দেখে জোর করে কোনো খাবার খাওয়া উচিত নয়। কারণ শরীর যখন কোনো খাবারের চাপ বা প্রতিক্রিয়া সামলাতে পারে না, তখন ধীরে ধীরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং একসময় তা রোগের রূপ নিতে পারে। সারাদিন৷ শুয়ে বসে থেকে টপাটপ ২-৩ টা ডিম খেলে কয়েক বছর পর এমনেই দেখবেন প্রোটিন জমা হয়ে টিউমার হয়ে গেছে।সুতরাং আগে জানুন, বুঝুন,পরিমিত আহার করুন ও সুস্থ থাকুন ইন শা আল্লাহ। 📌 আমাদের হয়তো কোর্স আনা হবে না তবে আমরা নিয়মিত পোস্ট করবো বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে,রোগ কেন হয় এবং সুস্থতার উপায় কি ব্যাখ্যা সহকারে ইন শা আল্লাহ।নিয়মিত পাঠক হওয়ার আহ্বান।
421
14
আমরা যদি কোর্স নিয়ে আসি আপনারা করবেন??? সুস্থ জীবনযাপনের উপর
480
15
আপনার কি আসলেই ইচ্ছাশক্তির (Willpower) অভাব, নাকি ফুড ইন্ডাস্ট্রি আপনার ব্রেন হাইজ্যাক করছে? আজকাল সুপারশপে গেলে বা বাচ্চার টিফিনের জন্য খাবার কিনতে গেলে আমরা কি আসলেই পুষ্টিকর কিছু কিনছি, নাকি ব্রেনকে আসক্ত করার কোনো ফাঁদে পা দিচ্ছি? ইউএসসি (USC)-এর গবেষকদের একটি সাম্প্রতিক গবেষণা এবং ব্রেন স্ক্যান (Brain Scan) রিপোর্ট আমাদের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা প্রতিনিয়ত যে হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ (High Fructose Corn Syrup - HFCS) বা রিফাইনড ফ্রুক্টোজ খাচ্ছি, তা আমাদের মস্তিষ্কের সাথে ভয়ঙ্কর এক খেলা খেলছে। গবেষণার মূল ৫টি তথ্য যা একজন সচেতন মানুষ বা প্রফেশনাল হিসেবে আপনার জানা জরুরি: ১. তীব্র আকাঙ্ক্ষার এক অন্তহীন চক্র (Craving Loop) গ্লুকোজের তুলনায় কৃত্রিম ফ্রুক্টোজ আমাদের মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সেন্টারে (Reward Centre) ৪০% পর্যন্ত বেশি উদ্দীপনা তৈরি করে। স্ক্যান রিপোর্টে ফ্রুক্টোজ খাওয়ার পর মস্তিষ্কে যে লাল রঙের বড় বিস্ফোরণ দেখা যায়, তা কিন্তু তৃপ্তির নয়। এটি মূলত মস্তিষ্ককে এমন এক তীব্র আকাঙ্ক্ষার চক্রে ঠেলে দেয়, যার ফলে আপনার খাওয়া শেষ হওয়ার আগেই ব্রেন আরও বেশি খাবার দাবি করতে থাকে। ২. "পেট ভরেছে" - এই সংকেতটাই ব্রেন পায় না স্বাভাবিক গ্লুকোজ শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ করে ব্রেনকে সংকেত দেয় যে পেট ভরে গেছে, এবার খাওয়া বন্ধ করো। কিন্তু ফ্রুক্টোজ এই পুরো সিস্টেমটাকে বাইপাস বা এড়িয়ে যায়। এই কারণেই এক বোতল কোল্ড ড্রিংকস বা এনার্জি ড্রিংকস খাওয়ার ২০ মিনিট পরেও আমাদের ক্ষুধা কমে না, বরং আরও ফাস্টফুড খেতে ইচ্ছে করে। ৩. আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নষ্ট করে গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্রুক্টোজ সেবনের পর মানুষ ভবিষ্যতের বড় কোনো রিওয়ার্ড (যেমন: টাকা) ছেড়ে দিয়ে তাৎক্ষণিক উচ্চ-ক্যালোরির অস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নেয়। অর্থাৎ, দোষ আপনার ইচ্ছাশক্তির নয়; ফ্রুক্টোজ সরাসরি আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে হাইজ্যাক করে। ৪. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি কোথায় লুকিয়ে আছে? আমরা ভাবি ফ্রুক্টোজ মানে শুধু কোক, পেপসি বা মিষ্টি খাবার। ভুল! আমাদের দেশের বাজার ও সুপারশপগুলোর দিকে তাকান: * বাচ্চাদের স্কুলের টিফিনের পাউরুটি বা বান * টমেটো ক্যাচআপ বা পাস্তা সস * তথাকথিত হেলদি প্যাকেটজাত দই (Yogurt) * সালাদ ড্রেসিং, চিপস এবং বিভিন্ন চাটনি বা আচার এমনকি যে খাবারগুলো খেতে মিষ্টি নয়, সেগুলোতেও স্বাদ বাড়ানো এবং সংরক্ষণের জন্য এই ফ্রুক্টোজ লুকিয়ে রাখা হয়। আমরা অজান্তেই দিনে বহুবার এটি খাচ্ছি। ৫. তাহলে কি ফল খাওয়াও ক্ষতিকর? একেবারেই না! আস্ত ফলের (Whole Fruit) ফ্রুক্টোজ এবং প্রসেসড ফ্রুক্টোজের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে। ফলের মধ্যে থাকা ন্যাচারাল ফাইবার (Fibre) ফ্রুক্টোজ শোষণের গতিকে ধীর করে দেয়, যা শরীরের জন্য নিরাপদ। সমস্যা আপেল বা আমে নয়; সমস্যা হলো ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা প্রসেসড ফ্রুক্টোজে। সচেতনতার সময় এখনই সুপারমার্কেটের তাকে থাকা সিংহভাগ প্যাকেটজাত খাবারই এমনভাবে 'ডিজাইন' বা ইঞ্জিনিয়ারড করা হয়েছে, যাতে আপনার ব্রেন এগুলোর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। পরের বার বাজারের ব্যাগ হাতে নেওয়ার আগে বা বাচ্চার জন্য কোনো প্যাকেটজাত খাবার কেনার আগে, লেবেলটি ভালো করে পড়ে নিন। কর্পোরেট লাইফের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে নিজের এবং পরিবারের অজান্তে কোনো ক্ষতি করছেন না তো? ©সংগৃহিত
602
16
প্রসাবে জ্বালাপোড়া ও ফ্যানা!!! অনেকেরই প্রসাবে সমস্যা হয়।প্রসাব করার পর প্রাইভেট পার্টে ব্যথা করে কিংবা জ্বালাপোড়া হয়। বয়স্ক মানুষ কিংবা মেয়েদের এই সমস্যা বেশি হতে পারে। এ সমস্যা হওয়ার প্রধান কারণ পর্যাপ্ত পানি পান না করা। দৈনিক দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করলে প্রস্রাবের সমস্যা হয় না কিংবা হলেও ঠিক হয়ে যায়। এরপরও যদি ঠিক না হয় তাহলে ছোট দুটি পদ্ধতি পালন করলেই ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। ১.হাফ গ্লাস পানি এবং হাফ গ্লাস দুধ মিশিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে তার মাঝে হাফ চামচ পরিমাণ ঘি মিশিয়ে রাতে খেলে একদম ঠিক হয়ে যাবে। ২. বাটার মিল্ক এর সাথে কালো লবণ কিংবা সিন্দুক লবণ মিশিয়ে ভাতের সাথে মাখিয়ে খেয়ে নিতে হবে।
490
17
ভ্যারিকোজ ভেইন (Varicose Veins) হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে পায়ের শিরাগুলো ফুলে যায়, মোচড়ানো বা আঁকাবাঁকা হয়ে যায় এবং ত্বকের ওপর স্পষ্ট দেখা যায়। এটি সাধারণত পায়ের নিচের অংশে বেশি হয়। কেন হয়? পায়ের শিরায় ছোট ছোট ভালভ থাকে, যা রক্তকে হৃদপিণ্ডের দিকে উঠতে সাহায্য করে। যখন এই ভালভ দুর্বল বা নষ্ট হয়ে যায়, তখন রক্ত নিচে জমে যায় এবং শিরা ফুলে ওঠে। কেন হয় এই সমস্যা? দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা দীর্ঘ সময় বসে থেকে কাজ করলে এই সমস্যা হয়ে থাকে। মানুষের দৈনিক গড়ে কিছুটা সময় হাঁটাচলা কিংবা ব্যায়াম করতে হয় কিন্তু যখন একজন ব্যক্তি দীর্ঘ সময় বসে কিংবা দাঁড়িয়ে কাজ করে কিংবা কাজ নাও করে তাহলেও হতে পারে। সাধারণত অনেক ডাক্তার এটার জন্য অপারেশন করতে বলে । এটা করবেন না তাহলে সমস্যা কমবে না বরং বাড়বে। একবার একজন রোগী এ সমস্যার জন্য মেসেজ করেছিল তার অপারেশনে সম্ভবত ডাক্তার দেড় লাখ টাকা চেয়েছিল আমার যতদূর মনে পড়ে। যাইহোক অপারেশন ছাড়াও এই রোগ থেকে সুস্থতা পাওয়া যায়। অবশ্যই সুস্থ জীবনযাপন করতে স্বাভাবিক জীবনে অব্যাহত হতে হবে। পরিত্রাণের উপায় : ১. হালকা গরম করে তিলের তেল দিয়ে মালিশ করতে হবে উপর থেকে নিচের দিকে।দিনে তিন থেকে চার বার করতে হবে। ২. ৫-৭ টা শিউলি ফুলের চাটনি বানিয়ে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে ততক্ষণ ফুটাতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত হাফ গ্লাস হয় এরপর দিনে দুই বার খেতে হবে। ৩. পরিমান মতো লাউয়ের ছোলা সহ নিয়ে ছোট ছোট টুকরা করে ব্যালেন্ডার করে নিয়ে একটা কাপড়ের মধ্যে পেচিয়ে রসটা বের করে নিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। এটা নার্ভের জন্য অনেক ভালো কাজ করে। ৪. দৈনিক ২ গ্রাম চুন খেতে হবে অবশ্য চুন খাওয়ার নিয়ম টা অনেকবার বলা হয়েছে। সুবিধামতো খেয়ে নিলে হবে ভাত,ডাল,ফলের রস কিংবা দুধ বা দইয়ের সাথে। ২ গ্রাম চুন=২ টা গমের দানা বরাবর তবে মনে রাখতে হবে এগুলো চালানোর পাশাপাশি মোটামুটি হাঁটাচলা কিংবা শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। ছবি সংগৃহীত
594
18
Нет текста...
470
19
IBS সমস্যা!!! বর্তমানে টয়লেটের সমস্যা কমন যেন গড়ে ৫ জনের মধ্যে ৪ জনেরই একই সমস্যা। কারো কোষ্ঠকাঠিন্য, কারো রক্ত আমাশয় কিংবা কারো শুধু আমাশয়!! পরিত্রাণিক করণীয়:- . সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম পানি পান করতে হবে টয়লেটে যাওয়ার ও ব্রাশ করার আগে। এটা যেকোন ধরনের যেকোন বয়সের মানুষের জন্য আবশ্যক। চাই তার টয়লেটে সমস্যা থাকুক বা না থাকুক। . ৩০ মিনিট পর ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ জিরা মিশিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে চায়ের মতো পান করতে হবে ১৫ দিন। . দুপুরে খাবার খাওয়ার 2 মিনিট আগে ১-২ টা শশা চিবিয়ে খেয়ে নিতে হবে। . দুপুরের খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট পর কালো লবন ৩ টিমটি ও জোয়ান মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে। . রাতে পুনরায় আজওয়ান(জোয়ান) ও কালো লবন মিশিয়ে চিবিয়ে খেতে হবে। এটা না হলে এিফলা পাউডার হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে খেয়ে নিতে হবে। এভাবে কয়েকদিন পালন করলেই IBS সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। আরেকটা কথা মনে রাখতে হবে, ক্ষুধা লাগার পরও না খেলে আইবিএসসি সমস্যা বাড়ে এবং ক্ষুধা না লাগা সত্ত্বেও অধিক খাবার খেলে IBS সমস্যা বাড়ে।
521
20
IBS এর সমস্যা ও প্রতিকার!! বিস্তারিত আসছে,,,,,
428