ru
Feedback
We The Protestor

We The Protestor

Открыть в Telegram

অধিকার কাড়ার লড়াই, তীব্র প্রতিবাদ, ন্যায়ের পথে চলবো, এটা আমাদের সাধ 💟

Больше
8 099
Подписчики
+424 часа
-137 дней
-6230 дней
Архив постов
লেতা🥀
লেতা🥀

জগন্নাথ হলের সব ভোট তো ছাত্রদল পাইছে। পুরো হলে ছাত্রদল ছাড়া কেউ নাই, এই হলটাই একমাত্র ছাত্রদলের ক্যান্টনমেন্ট হিসেবে প্রমাণিত- তাহলে এ বো-মা কে মারছে বলে মনে হয়?? এরা কি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নাকি জাতীয়তাবাদী ছাত্রলীগ—নাকি আওয়ামী ছাত্রদল!!??- এব্যাপারে গণেশ সব জানে
📍Join : @weTheProtestor

দেশের ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩২টি ক্ষেত্রে অনিয়ম শনাক্ত করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর। অডিটে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার
দেশের ২৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩২টি ক্ষেত্রে অনিয়ম শনাক্ত করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর। অডিটে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ২ হাজার ৩১ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার ৩০ টাকা।
📍Join : @weTheProtestor

Bot
Bot

টার্কিশ মিডিয়ার পার্ফেক্ট ক্যাপশন বাংলাদেশী হিজ*ড়া হাম্বাদিকরা গংগি কলাম বানাতেই ওস্তাদ 🤣 📍Join : @weTheProtestor
টার্কিশ মিডিয়ার পার্ফেক্ট ক্যাপশন বাংলাদেশী হিজ*ড়া হাম্বাদিকরা গংগি কলাম বানাতেই ওস্তাদ 🤣
📍Join : @weTheProtestor

Lol 📍Join : @weTheProtestor
Lol
📍Join : @weTheProtestor

ডিবেটের মাকিবাপ 📍Join : @weTheProtestor
ডিবেটের মাকিবাপ
📍Join : @weTheProtestor

সোনার বাংলা 📍Join : @weTheProtestor
সোনার বাংলা
📍Join : @weTheProtestor

বিএনপি'র বেয়াদবেরা কোনো কারণ ছাড়াই লীগ সন্ত্রাসী কর্তৃক অধ্যাপক গোলাম আযমকে হেনস্তা করার ছবি নিয়ে মজা করছে। কিন্তু তারা ভুলে
বিএনপি'র বেয়াদবেরা কোনো কারণ ছাড়াই লীগ সন্ত্রাসী কর্তৃক অধ্যাপক গোলাম আযমকে হেনস্তা করার ছবি নিয়ে মজা করছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে তাদের আব্বা জিয়াকে প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায়ই ১৯৭৮ সালে ঢাবি'র ছাত্ররা জুতা দিয়ে আদর করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় সন্ত্রাস ও সেনাবাহিনী প্রবেশ করিয়ে ছাত্র নির্যাতনের অপরাধে।
📍Join : @weTheProtestor

হাদিসের নম্বর ও রেফারেন্স * গ্রন্থ: জামে আত-তিরমিজি (Jami' at-Tirmidhi) * অধ্যায়: ফিতনাহ (কঠিন পরিস্থিতি ও বিপর্যয়) * হাদিস ন
হাদিসের নম্বর ও রেফারেন্স * গ্রন্থ: জামে আত-তিরমিজি (Jami' at-Tirmidhi) * অধ্যায়: ফিতনাহ (কঠিন পরিস্থিতি ও বিপর্যয়) * হাদিস নম্বর: ২২৬০ (আন্তর্জাতিক নম্বর) হাদিসের বর্ণনা (বাংলা অনুবাদ) আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন: > "মানুষের ওপর এমন একটি সময় আসবে, যখন দ্বীনের ওপর ধৈর্য ধারণকারী ব্যক্তি হাতে জ্বলন্ত অঙ্গার (আগুন) ধারণকারীর মতো হবে।" > হাদিসের মূল বার্তা * ধৈর্যের পরীক্ষা: শেষ জামানায় ঈমান বাঁচিয়ে চলা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। চারিদিকে অধর্ম ও ফিতনাহ ছড়িয়ে পড়ার কারণে দ্বীন মেনে চলাকে মানুষ সমাজের চোখে অস্বাভাবিক বা কঠিন মনে করবে। * ঈমানের মূল্য: জ্বলন্ত কয়লা যেমন হাতে রাখা প্রচণ্ড কষ্টকর এবং ছাই করে দেওয়ার মতো কষ্টদায়ক, তেমনি সেই সময়ে ঈমান আঁকড়ে ধরে রাখতে গিয়ে মানুষকে বহু ত্যাগ, সামাজিক চাপ ও মানসিক কষ্ট সহ্য করতে হবে। 📍Join : @weTheProtestor

Ok
Ok

লামাও, পুড়িয়ে দেও😇
লামাও, পুড়িয়ে দেও😇

কে ভার্জিন আর কে ভার্জিন না- এইটা দিয়া আমার কী লাভ? দেশের কী লাভ? ভার্জিনিটি যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। এইটা ঢোল দিয়া পুরো জাতিক
কে ভার্জিন আর কে ভার্জিন না- এইটা দিয়া আমার কী লাভ? দেশের কী লাভ? ভার্জিনিটি যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। এইটা ঢোল দিয়া পুরো জাতিকে জানানোর বিষয়? আপনে ভার্জিন হইলেই কী আর না হইলেই কী! যে জাতি এইসব আজাইরা জিনিস নিয়া বইসা থাকে, তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল!

চরম মাত্রার নারীবিদ্বেষী এবং রে"ইপ এপোলজিস্ট এই ব্যক্তি কোটি মানুষের অতি আরাধ্য ISCON মহাপুরুষ! রে"ইপ সম্পর্কে তার মতামত পড়ে
চরম মাত্রার নারীবিদ্বেষী এবং রে"ইপ এপোলজিস্ট এই ব্যক্তি কোটি মানুষের অতি আরাধ্য ISCON মহাপুরুষ! রে"ইপ সম্পর্কে তার মতামত পড়ে আমি রীতিমতো স্তব্ধ হয়ে গেছি। এতোটা জঘন্য। প্রভুপাদ তার বই শ্রীমদ ভাগবতম ৪.২৫.৪১ এ বলেছে, “Although r"ape is not legally allowed, it is a fact that a woman likes a man who is very expert at ra"pe.” অর্থাৎ, "যদিও ধ"র্ষণ আইনত অনুমোদিত নয়, এটি একটি সত্য যে- একজন মহিলা এমন কোনো পুরুষকে পছন্দ করেন, যিনি ধ"র্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত বিশেষজ্ঞ। ”
📍Join : @weTheProtestor

হবিগঞ্জের এক মহিলা ২ বাতি আর এক ফ্যান ব্যবহার করায় বিদ্যুৎ বিল আসছে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৩৫ হাজার ১০৪ টাকা। মহিলা বলেন, আমার এত টাক
হবিগঞ্জের এক মহিলা ২ বাতি আর এক ফ্যান ব্যবহার করায় বিদ্যুৎ বিল আসছে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৩৫ হাজার ১০৪ টাকা। মহিলা বলেন, আমার এত টাকা সম্পত্তি নেই এমনকি আমার গত দুই জেনারেশন এবং আগামী ২ জেনারেশন মিলেও আমার এত টাকা ইনকাম করে এই বিল পরিশোধ করা সম্ভব না। তেমনিভাবে ঠাকুর গাও এক ব্যাক্তির গতমাসে বিদ্যুৎ বিল আসে ২০০ টাকা আর এই মাসে আসছে ৩৩৫০ টাকা। উনি এই বিল পরিশোধ না করে অপেক্ষা করতেছিলেন কখন পল্লি বিদ্যুৎ রিডার কালেকশন অফিসার বিল লিখতে আসবে। কয়েকদিন অপেক্ষার পর সেই অফিসার আসে বিল লিখতে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওই ভুক্তভোগী অফিসারকে খাম্বার সাথে ৬ ঘন্টা বেধে রাখেন। তাকে জিজ্ঞেস করেন গতমাসে আমার বিল ২০০ টাকা আসলে এই মাসে ৩৩৫০ টাকা কেন? কোন উত্তর নাই। পরবর্তীতে পল্লি বিদ্যুৎ এর জেলা পর্যায়ের সিনিয়র অফিসার থানা থেকে পুলিশ নিয়ে এসে ৬ ঘন্টা পর থাকে উদ্ধার করে, এবং সাথে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যায় এই রকম ভুল তাদের আর হবে না এবং এই বেশি আসা বিলটা সংশোধন করা হবে। এখন অনেক সুশীল এসে বলবেন মানুষ কেন আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে? তাহলে করবে টা কি?

ইনি হলেন শাকিল আহমদ ভাট। তাঁর কিছু ছবি ইসলামবিদ্বেষী ব্যক্তিরা উপহাসের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে। তাঁকে ইসলামী ক্রোধ ও উগ্রতার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এমনকি তাঁর ছবি পোশাক, মগ ও বিভিন্ন পণ্যে ছাপিয়ে তার সঙ্গে অবমাননাকর স্লোগানও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই মুখটির আড়ালে একজন মানুষ আছেন—আছে একটি পরিবার, আছে এমন এক গল্প, যা আমাদের জানা উচিত। শাকিল একজন কাশ্মীরি অধিকারকর্মী। তিনি কাশ্মীরের মুসলিমদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন। ১৯৪৭ সাল থেকে কাশ্মীরের মুসলিমরা মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া, হত্যা, গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের কঠোর নিপীড়নের মুখোমুখি হয়ে আসছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিল বর্ণনা করেছেন, আটক অবস্থায় তাঁকে কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল, কীভাবে তাঁকে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, তাঁর হাতের একটি গুরুতর আঘাতের কারণে তিনি কোনো কিছু বহন করতে সক্ষম নন। ফলে আর্থিকভাবে তাঁকে তাঁর ভাইদের ওপর নির্ভর করতে হয়। নিরাপত্তা বাহিনী তাঁদের বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় তাঁর বোনকেও নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। লেখক প্যাট্রিক ফ্রেঞ্চের বর্ণনা অনুযায়ী, তাঁর বোনকে একটি জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলা হয়, যার ফলে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। কয়েক বছর পর, তখনও তিনি ছিলেন অল্পবয়সী, সেই অবস্থাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বাবাকেও এত নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছিল যে তাঁর একটি পা ভেঙে যায়। এরপর জীবনের বাকি সময় তাঁকে শয্যাশায়ী হয়ে থাকতে হয়। এরপর, ২০২০ সালের জুনে, শাকিল যখন কারাগারে বন্দী এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, তখন তাঁর ভাই হিলাল মারা যান। তাহলে ২০০৭ সালে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া সেই দুটি ছবিতে তিনি আসলে কী নিয়ে চিৎকার করছিলেন? উপরের ছবিটি, যা ১৯ জুন ২০০৭ তারিখে তোলা হয়েছিল, সেখানে তিনি একটি জানাজায় অংশ নিচ্ছিলেন এবং কাশ্মীরের স্বাধীনতার সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছিলেন। নিচের ছবিটি, যা ২২ জুন ২০০৭ তারিখে তোলা হয়েছিল, সেখানে শাকিল এমন একটি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথ সালমান রুশদিকে সাহিত্যিক “অর্জনের” স্বীকৃতিস্বরূপ নাইটহুড দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করা হচ্ছিল। রুশদির লেখা একটি বইকে বিক্ষোভকারীরা আমাদের নবী ﷺ-এর অবমাননাকর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করতেন। সুতরাং, প্রতিটি ছবির পেছনে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট ঘটনা এবং একটি নির্দিষ্ট অবস্থান। এগুলো নিছক কোনো প্রসঙ্গহীন ক্রুদ্ধ মুখের ছবি নয়। শাকিল ও তাঁর পরিবারের ওপর যে নিপীড়ন নেমে এসেছে, তা এমন একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নীরব সম্মতি ও সহযোগিতার মধ্যেই সংঘটিত হয়েছে—যে ব্যবস্থার গণমাধ্যম-পরিকাঠামো পরবর্তীতে শাকিলের ছবিকেই ব্যবহার করেছে তাঁকে উপহাস, বিদ্রূপ এবং মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার হাতিয়ার হিসেবে। একবার কল্পনা করুন—কিছু দুর্বৃত্ত আপনার বাড়িতে হামলা চালাল, আপনাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করল, আর সেই নির্যাতনের যন্ত্রণায় আপনি যখন চিৎকার করছেন, তখন তারা আপনার ছবি তুলে রাখল। পরে সেই ছবিই ছড়িয়ে দিল আপনাকে নিয়ে মানুষকে বিদ্বেষী করে তুলতে, আপনাকে হাসি-তামাশার পাত্র বানাতে। এটা কতটা নিকৃষ্ট ও জঘন্য কাজ হতো, একবার ভাবুন। এখানে আমাদের জন্য একটি শিক্ষা রয়েছে: আমাদের ঈমানি ভাইদের প্রতি ভালোবাসা রাখা, তাদের ব্যথা অনুভব করা এবং তাদের কষ্টকে বোঝা। আর মনে রাখা—তাদের পায়ের নিচের ধূলিকণাও তাদের চেয়ে উত্তম, যারা তাদের নিয়ে উপহাস করে; যাদের বাহ্যিক অবয়ব হয়তো পরিপাটি, আকর্ষণীয় ও মার্জিত, কিন্তু সেই সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে বিদ্বেষ, হিংসা, কপটতা এবং নৈতিকতার সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি। - ড. ইয়াদ কুনাইবী (হাফি:)

photo content

জিন্নাহ আন্দোলন না করলে পাকিস্তান সৃষ্টি হতো না। পাকিস্তান সৃষ্টি না হলে সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে পাকিস্তান মুজাহেদিনদেরকে সাহায্য করতে পারত না। মুজাহেদিনদেরকে সাহায্য না করলে বিন লাদেন আফগানিস্তানে গিয়ে উঠত না। বিন লাদেন আফগানিস্তানে না গেলে ৯/‌‌১১ হতো না। ৯/১১ না হলে ওয়ার অন টেরর শুরু হতো না। ওয়ার অন টেরর শুরু না হলে শেখ হাসিনা এত বছর ক্ষমতায় থাকত না। শেখ হাসিনা এত বছর ক্ষমতায় না থাকলে গণআন্দোলনে তার পতনও হতো না। তার পতন না হলে ইনকিলাব মঞ্চের জন্ম হতো না। ইনকিলাব মঞ্চের জন্ম না হলে তারা জিন্নার প্রশংসা করে পোস্ট দিত না। সুতরাং সব দোষ জিন্নাহর। [প্রমাণিত] 📍Join : @weTheProtestor

আমাদের মেডিকেল সেক্টর কে ভারত কিভাবে খেয়ে দিচ্ছে সেটা যমুনা টেলিভিশনের ভুয়া ডাক্তারদের নিয়ে তৈরি করা রিপোর্টটি দেখুন তাহলে বু
আমাদের মেডিকেল সেক্টর কে ভারত কিভাবে খেয়ে দিচ্ছে সেটা যমুনা টেলিভিশনের ভুয়া ডাক্তারদের নিয়ে তৈরি করা রিপোর্টটি দেখুন তাহলে বুঝবেন... জাল সার্টিফিকেট ওরা সরবরাহ করে।

The Zakir Naik is an International Asset. He's not a Criminal like Modi/Trump/Netaniyahu! Cut the crap bro! You forcefully sn
The Zakir Naik is an International Asset. He's not a Criminal like Modi/Trump/Netaniyahu! Cut the crap bro! You forcefully snatched away all his rights from his very own motherland, you forced him to get exiled. Now You're the one who's talking about his EXTRADITION! WTF!! Get some Sanity you shite. ~রাসায়নিক ফেলুদা