We The Protestor
رفتن به کانال در Telegram
অধিকার কাড়ার লড়াই, তীব্র প্রতিবাদ, ন্যায়ের পথে চলবো, এটা আমাদের সাধ 💟
نمایش بیشتر8 133
مشترکین
+124 ساعت
-227 روز
-7930 روز
آرشیو پست ها
8 131
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ-এপ্রিলের দিকে বকুলের এক নারী সহযোগী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বকুলের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। এরপরও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাকে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের ভাষ্য, গত ১ আগস্ট একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে ১৮ আগস্ট একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো হলে ওই ছাত্রী প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। এরপর মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা করেন তার বাবা।
8 131
সারাদিন আজগুবি সব অপতথ্য শেয়ার করা এই আওয়ামী ফ্যাসিস্টলীগের দালাল সিনিয়র সাংবাদিকদেরকে কেন মিডিয়াগুলো টকশো-তে ইনভাইট করে?
8 131
+1
যুবলীগ নেতাকে জামায়াতকর্মী বলে গুজব ছড়াচ্ছে তারেকের পা চাটা দালাল মিডিয়া। দাঁড়ি আছে যেহেতু...
8 131
ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সে প্রশ্নের স্পষ্ট কোনো জবাব না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, কে এটা নিয়ে খবর প্রচার করছে এবং কার এত ‘জ্বালা’।
8 131
+1
ভারত ও ইসরায়েল নজর রাখছে বাংলাদেশের উপর!
বাংলাদেশ কি মক্কা প্যাক্টে যোগ দিবে কিনা এনিয়ে দুদেশের মিডিয়া ও কূটনৈতিক পাড়ায় আলাপ চলছে।
8 131
একটি ধারালো তলোয়ার দিয়ে একজন মানুষের গলা কেটে দেয়া বনাম বিমান থেকে একজন পাইলট নিচে একজন মানুষকে বোমা মেরে ছিন্নবিন্ন করে ফেলা
— দুটোই হত্যা, খুন, প্রাণনাশ।
বিশ্বমঞ্চে দুটোর মাঝে তলোয়ারের পদ্ধতিকে অসভ্য, বর্বর, অমানবিক অ্যাখ্যা দেয়া হলো এবং এরপর সাদা চামড়ার রুশ আর মার্কিনিরা টানা কয়েক দশক ধরে — আফগানিস্তানে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বোমা, বুলেট দিয়ে ছিন্নবিন্ন করে দিলো।
এগুলোকে অসভ্যতা, বর্বরতা, অমানবিকতা বলে চিহ্নিত করা হলোনা। কেন? কারণ সাদা চামড়ার মানুষের হাতে করা প্রাণধাশ একটি পবিত্র কাজ! তারা শান্তির জন্য অশান্তি করার অধিকার রাখেন। তারা নিজেদের পছন্দের শাসক গদিতে আনার জন্য গণহত্যার অধিকার রাখেন।
সোভিয়েত ও মার্কিন আগ্রাসনে আফগানিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এমন কোনো পরিবার সচরাচর পাওয়া যেতোনা যাদের স্বজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
বিশ্বমঞ্চ এসব ঘৃণ্য কারনামাকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নাম দিয়েছে। সবচে আশ্চর্যের বিষয় হলো, আফগান মুসলিমদের স্বজাতির অনেকে এই তামাশাজনক ব্যাখাকে গ্রহণ করেছে।
অবস্থা এমন যে, সাদা চামড়ার উন্নত মানুষের কাছে — বুদ্ধের একটি নির্জীব মূর্তির মূল্য লক্ষ লক্ষ আফগান মানুষের থেকে বেশি ছিল।
কষ্টের মুহূর্তে স্ট্যালিনের একটি উক্তি মনে আসছে,
একজন মানুষের মৃত্যু ট্রাজেডি কিন্তু লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু শুধুই পরিসংখ্যান।
ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত অবরুদ্ধ গাজ্জার দিকে তাকালোও একই কথা মনে আসছে। সময় পরিবর্তন হলেও সাদা চামড়ার মানুষের সাম্রাজ্যবাদী চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি।
অবলম্বন: শ্বেত সন্ত্রাসের এই সময় (বই) ও ইন্টারনেট
8 131
মাদ্রাসার পাশে কনসার্টের আয়োজন। সেই মাদ্রাসায় চলছে পরীক্ষা। স্বভাবতই মাদ্রাসার ছেলেপেলেরা কনসার্ট বাতিল করার দাবি জানাবে। কিন্তু 'তৌহিদি জনতা' শব্দটা এসে জনতার একটি অংশের এই স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে 'শিল্প বনাম উগ্রবাদী' সঙ্কট আকারে হাজির করবে।
সিলেটে নৌকাবাইচ আয়োজন নিয়ে ঘটনা। আয়োজন উপলক্ষে জুয়ার আসর বসা, ক্ষেতের ফসল নষ্ট হওয়া, রাস্তা বন্ধ হওয়া, নদীর পাড় ভাঙা ইস্যুতে স্থানীয় দুই গ্রুপের ঝামেলা। এমনকি কয়েক বছর আগে এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে এক নারীও নিহত হয়। গত বছরও এমন ঝামেলার জন্য আয়োজন হয় নি। কিন্তু 'তৌহিদি জনতা' শব্দবন্ধনীতে এখন প্রগতিশীল পাড়ায় চলছে মাতম। 'ঐতিহ্য বনাম উগ্রবাদী' সঙ্কট আকারে সুশীল সমাজ হাজির।
এর আগেও স্কুলের মাঠে প্রজেক্টর দিয়ে সিনেমা দেখানোকে ঘিরে স্থানীয় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও জনতার প্রতিবাদে সেটা স্কুল কর্তৃপক্ষ বাতিল করে। জানা যায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই এই আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু এটাকেও 'চলচিত্র বনাম উগ্রবাদী' সঙ্কট আকারে হাজির করা হলো। প্রচার করা হলো প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখানো বন্ধ করেছে মৌলবাদীরা। অথচ জনতার দাবি ছিলো প্রেক্ষাগৃহ থাকতে স্কুলের মাঠে সিনেমা দেখানোর আয়োজন কেন?
কোন কমিউনিটিতে বসবাসরত মানুষের সেন্টিমেন্ট মেনে আয়োজন করতে হয় এটা সবাই বোঝে। এইতো কিছুদিন আগে, 'জনতার সেন্টিমেন্ট' না বুঝে পলিটিকাল বক্তব্য দেয়ার জন্য এই সুশীলরাই কিন্তু মব-সন্ত্রাসকে জাস্টিফাই করে গেছে। মোদ্দা কথা, জনতার সামনে 'তৌহিদি' শব্দটাকে যুক্ত করা হচ্ছে জনতার কাতার থেকে একটি সুনির্দিষ্ট অংশকে খারিজ করার প্রকল্প।
8 131
জুলাই বিপ্লবে ঢাকার জেলা প্রশাসক বহাল তবিয়তে।
২৪ এর ডামি নির্বাচন পরিচালনা থেকে জুলাই বিপ্লবে গুলির নির্দেশদাতা এবং হ ত্যা মামলার আসামি সাবেক জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান এখন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পাট অধিদপ্তরের উপসচিব।
গাড়ি বাড়ি বেতনাদি সবই পাচ্ছেন ,ঢাকার আগে ছিলেন গাজীপুর এর জেলা প্রশাসক। আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ এবং আওয়ামী পরিবার এর এই ডিসির কিছুই হয়নি
অথচ তার থাকা উচিৎ ছিলো জেলে। হ ত্যা মামলা থাকার পরও তার বিরুদ্ধে তদন্তই হয়নি।
অভিযোগ আছে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে নিয়েছেন সবকিছু ইন্টেরিম এর সময়ে এবং বর্তমান সরকারের সময়েও। ওয়াকফ থেকে এখন অধিদপ্তরে। তার পাশেই দেখা যাচ্ছে মমতাজ বেগম ,২৯ এর ভূয়া ক্যাডার। তাকেও নাকি ভালো পোস্টিং দেয়া হয়েছে, খোজ খবর নিচ্ছি আমরা।আশ্চর্য লাগে ইন্টেরিম এর সময়েও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি
আমাদের এই খুনী আনিসুরকে অতিদ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। ১৪০০ শহীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংখ্যক ঢাকায়।সেখানকার ডিসি এখনও চাকুরীতে এর চেয়ে লজ্জার কিছু থাকতে পারে না।
8 131
প্রথম আলো জানেনা কে মারলো। আচ্ছা আমরাই বলে দিচ্ছি - কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে - সিদ্ধার্থ দাস।
প্রথম আলোঃ উপস সরি, সব 'দাস'। আমরাও ভারত চন্দ্রের দাস, সো… ইয়েস টাইটেল রিমেইন্স। এখনো আমরা জানিনা কে মারলো, অল আইজ ক্লোজড।
তুমি আসলে পাশবিক কিউট প্রথম আলো! ভীতিকর নির্লজ্জ এবং তোমার প্রভু ভারতের মন রক্ষার্থে তুমি কাপড় কেন প্রয়োজন হলে নিজের চামড়াও খুলে দিবে!
প্রথম আলোর এই জঘন্য নির্লজ্জতা শেয়ার করছেন তো? না করলে কেন করবেন না?
8 131
+5
যারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হয়েছে তারা দুইজনেই হিন্দু। যারা এই ঘটনার তদন্তের সাথে জড়িত তারাও হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তা।
আর এদিকে ভারত আর তাদের এদেশীয় দোসর ফ্যাসিস্টলীগ এই ঘটনার দায়ভার তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের ওপর। বাংলাদেশের মুসলমানরা অনেক সহনশীল বলে তাদের বিরুদ্ধে এমন ভয়াবহ গুজব ছড়িয়েও এই উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা পার পেয়ে যায়।
8 131
২২৭৬ টি পরিবারের সকল সদস্য চিরতরে হারিয়ে গিয়েছেন গাজার জনসংখ্যা থেকে — ইসরায়েলের হামলার ফলে এসব পরিবার সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে।
#GazaGenocide
8 131
শায়খ সুদাইস উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে রবিউল আউয়াল মাসে আয়োজিত উৎসবগুলো নাচ-গান, খাওয়া-দাওয়া এবং নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার সমাবেশে রূপ নিয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারীরা মহানবীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের দাবি করলেও মূলত তারা এমন কিছু প্রথা অনুসরণ করছে, যার নির্দেশ দ্বীনে দেওয়া হয়নি।
8 131
শেখ হাসিনার মতোই নেতা-কর্মীদের ফেলে পালিয়েছিলেন শেখ মুজিব : তাজউদ্দীনের মেয়ে শারমিন
