Hidayat-হিদায়েত
Открыть в Telegram
6 674
Подписчики
-624 часа
-337 дней
-4230 день
Архив постов
6 674
সত্যিকারের গায়রতবান পুরুষ,
ফেসবুকে মেয়েদেরকে খুঁজে খুঁজে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠায় না!
6 674
আপনি আল্লাহর বান্দা হয়ে শয়তানের কাছে পরাজিত হচ্ছেন এরচেয়ে বড় লজ্জা আর কি হতে পারে ‼️
6 674
কি নিয়ে চিন্তা করছেন?
— রিযিক?
— ক্যারিয়ার?
— বিয়ে?
— সন্তান?
— নাকি জীবনে আসা কোনো উত্থান-পতন?
একটু থেমে চিন্তা করুন তো…
এসব নিয়ে এত দুচিন্তা করার কি সত্যিই প্রয়োজন আছে?
এই জীবন যার দান, তিনি কি আপনার জীবনটাকে আপনার চেয়েও ভালো জানেন না? আপনার জন্মের আগেই আপনার রব আপনার রিযিক, আপনার সময়, আপনার পথ—সবকিছুরই উত্তম পরিকল্পনা করে রেখেছেন।
আপনার কাজ শুধু—রবের দেয়া হুকুম-আহকাম গুলো মেনে চলা, নিজের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাওয়া এবং বাকিটা তাঁর উপর ছেড়ে দেয়া।
দুনিয়ার জীবন নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হবেন না।
জীবন নিয়ে এত চিন্তা-ভাবনা, এত ভয়-আতঙ্ক, এত উদ্বিগ্ন হওয়ার সত্যিই কিছু নেই!
যিনি আপনাকে মায়ের পেটে থাকা অবস্থায়ও রিযিক পৌঁছে দিয়েছেন, যিনি আপনাকে এতদিন সামলে এনেছেন, তিনিই সামনেও সামলে নেবেন।
— রিযিক আল্লাহ দেবেন।
— ক্যারিয়ার আল্লাহ ঠিক করে দেবেন।
— বিয়ের ব্যবস্থা আল্লাহ করবেন।
— সন্তান আল্লাহই দেবেন।
— আর আপনার প্রতিটি সমস্যার সমাধানও আল্লাহই করবেন।
আপনি শুধু তাঁর উপর ভরসা রাখুন। চেষ্টা করুন কিন্তু দুশ্চিন্তা না, পরিপূর্ণ ভরসা রেখে তাঁর উপর সবটা ছেড়ে দিন, কারণ—
وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ ۚ
“আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ একাই তার জন্য যথেষ্ট।”
—[সূরা আত-তালাক, ৬৫:৩]
এই আয়াতের উপর আমল করুন। অস্থিরতার মুহূর্তে এই আয়াত নিজেকে মনে করিয়ে দিন। অশান্ত মনটাকে স্থির করুন, আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বলুন—
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
“আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।”
-Hazera Farhad Sayma
6 674
"কেউ যদি বিপদে পড়ে এবং কমপক্ষে ৩দিন সেটা নিজের মধ্যে গোপন রাখতে পারে, কাউকে না জানায়, আল্লাহ তাআলা তাঁর দয়াস্বরূপ এর উত্তম প্রতিদান দেবেন।"
.
— তাবেয়ী হাসান বাসরি (রহ.)
সূত্র: আল-মারাদ ওয়াল কাফফারাত, ২২৯
6 674
এ দৃশ্যটি একবার দেখুন...
একজন আফগান সেনা সদস্য চেকিংয়ের সময় একটি গণপরিবহনের বাসে উঠেছেন। তাঁর জুতার ওপর পলিথিনের শপিং ব্যাগ পরিহিত—শুধু এই কারণে, যাতে বাসের ভেতরে বিছানো কার্পেটটি নোংরা না হয়।
এটি শুধু কার্পেটের যত্ন নেওয়ার বিষয় নয়; বরং জনগণের ব্যবহারের জিনিসের প্রতি যত্নশীলতার একটি উদাহরণ।
একদিকে এই সেনাবাহিনী—যারা জনগণের কথা তো বাদই দিলাম, জনগণের ব্যবহৃত জিনিসেরও যত্ন নেয়; অন্যদিকে আমাদের এখানে অনেক সময় শুধু জনগণেরই নয়, জনগণের জানমালেরও কোনো যত্ন নেওয়া হয় না।
পার্থক্যটা শুধু পোশাক বা ইউনিফর্মের নয়; পার্থক্য চিন্তাভাবনা ও দায়িত্ববোধের।
উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের এধরণের পরিবহনে জুতা খুলে পলিথিনের ব্যাগে করে যাত্রীরা প্রবেশ করে, যাতে গাড়ির ভেতরে অপরিচ্ছন্ন হয়ে না যায়।
6 674
দুর্দিনে আল্লাহর প্রতি সুধারণা রেখে, সবর-শোকরের সাথে সুদিনের অপেক্ষা করা আল্লাহর অত্যন্ত পছন্দনীয় ইবাদত।
~শায়েখ আতিক উল্লাহ হাফি.
6 674
চারটি কাজ রিজিক বাড়িয়ে দেয়—
১। রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়া,
২। সূর্য উঠার আগেই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাওয়া,
৩। প্রতিদিন দান-সদকা করা,
৪। দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকির করা।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[যাদুল মাআদ, ৪/৩৭৮]
6 674
তুমি তোমার একাকীত্বের মুহূর্তগুলোতেও আল্লাহকে ভয় করো, নামাজের সময়ের প্রতি যত্নবান হও, এবং তোমার দৃষ্টি সংযত অবনত রাখো। তাহলে তুমি তোমার সকল অবস্থায়ই আল্লাহর কাছে নৈকট্যপ্রাপ্ত হবে।
— ইবনে দীনার আল-জু‘ফী (রহি.)
[সূত্র : হিলয়াতুল আউলিয়া, ১২/১৬২]
6 674
ঘটনাটি পড়ছিলাম আর কাঁদছিলাম। মানুষের হিসাবে অসম্ভব মনে হলেও এমন দুয়া কবুলের ঘটনাগুলি সত্যই কাঁদিয়ে দেয়। আমাদের অনেকের জীবনে এমন ছোট বড় নানা ঘটনা আছে দুয়া কবুলের।
...
মক্কার একজন আলেম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হলেন।
রাস্তায় খুঁজে পেলেন একটি ব্যাগ। ব্যাগটা নিয়ে ঘরে আসলেন। খুলে দেখলেন সেটাতে একটি হীরার নেকলেস!
তিনি বলেন, এমন নেকলেস আমি আমার জীবনে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি কয়েকশো কোটি টাকার মালিক!
কিছুক্ষণ পর দরজায় একজন নক করলো। তিনি দরজা খুললেন। একজন বৃদ্ধ বললো, "আমি আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে ফেলছি। সম্ভবত আশেপাশের কোথাও পড়েছে। কেউ যদি ব্যাগটি পেয়ে থাকেন, তাকে আমি ৫০০ দিনার দেবো।"
৫০০ দিনার মানে কয়েক কোটি টাকা!
যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাস্তায় বের হলেন, তিনি হীরা পেলেন, হীরা ফেরত দেবার বিনিময়ে কোটি টাকার অফার পেলেন, সেই ব্যক্তি আমাদের কাছে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে না?
কিন্তু, তিনি ভাবলেন অন্য কিছু। তিনি ভাবলেন, এই হীরার মালিক আমি নই, এগুলোর বিনিময়ে ৫০০ দিনার গ্রহণ করা আমার জন্য ঠিক হবে না।
ফলে, বৃদ্ধকে হীরার থলেটি ফিরিয়ে দিলেন।
মক্কায় জ্ঞানার্জন করতে লাগলেন। এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো।
একবার তিনি কয়েকজনের সাথে ভ্রমণে বের হলেন। নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। মাঝপথে ঝড় ওঠে। নৌকা ডুবে যায়, প্রায় সবাই মৃত্যুবরণ করে।
সেই আলেম কোনোরকম একটা তীরে ফিরেন। অপরিচিত দ্বীপে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বললেন। তখন নামাজের সময় হলো।
একজন তার পোশাক দেখে জিজ্ঞেস করলো, "আপনি নামাজ পড়াতে পারবেন?"
তিনি বললেন, "হ্যাঁ, পারবো।"
তার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ। তাকে তারা ইমাম হিশেবে রেখে দিলো। তিনি কুরআন পড়তে পারতেন। সেখানকার বাচ্চাদের কুরআন শেখাতে লাগলেন।
প্রতিদিন নানান উপহার-উপঢৌকন আসতে থাকে। দ্বীপের লোকেরা ইমাম সাহেবকে ছাড়তে রাজি না। এমন ইমাম পেয়ে তারা খুব খুশি।
তিনিও ভাবতে লাগলেন, কই থেকে কই আসলেন? একেবারে অপরিচিত এলাকার মানুষ তাকে আপন করে নিলো। আল্লাহ তার রিযিকের কী সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন!
ইমাম সাহেব যেন তাদেরকে ছেড়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তারা একজন ইয়াতিম মেয়ের সাথে ইমামের বিয়ে দিতে চাইলো। অনেকটা জোর করেই বিয়ে দিলো!
ইমাম সাহেব বাসর রাতে স্ত্রীকে দেখে অবাক। তিনি দেখতে পেলেন স্ত্রীর গলায় সেই হীরার নেকলেস, যেটা তিনি মক্কায় ফেরত দিয়েছিলেন বৃদ্ধকে!
পরদিন লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে সম্ভব?
লোকজন চিৎকার করে বললো, "আল্লাহু আকবর!"
এমন চিৎকারে ইমাম সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন।
লোকজন বললো, "কয়েকবছর আগে আমাদের এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মক্কা থেকে ফিরে একটি ঘটনা শুনান। সেখানে এক যুবক তার হারিয়ে যাওয়া হীরের নেকলেস ফেরত দিয়েছে, যা তিনি নিজের মেয়ের জন্য কিনেছিলেন।
এলাকায় ফিরে তিনি আফসোস করতে থাকেন সেই যুবকের জন্য। তিনি ইচ্ছাপোষণ করেন সেই যুবকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবেন।
কিন্তু, তার আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন!
দেখুন, আপনার তাকদীর, সেই সম্ভ্রান্ত লোকের দু'আ আপনাকে এখানে নিয়ে আসলো। আপনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করেন, যার জন্য সেই মেয়ের বাবা দু'আ করে যান। যেই হীরার নেকলেস আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এখন সেই নেকলেস আপনার ঘরে!"
সেই মহান আলেমের নাম ছিলো কাদিল মারিস্তান।
তার মনে পড়লো কুরআনের একটি আয়াত:
"ধৈর্যধারণ করো। আল্লাহ পুণ্যবানদের প্রতিদান নষ্ট করেন না!" [সূরা হুদ: ১১৫]
- আরিফুল ইসলাম
