Hidayat-হিদায়েত
الذهاب إلى القناة على Telegram
6 582
المشتركون
-624 ساعات
-167 أيام
-4930 أيام
أرشيف المشاركات
6 585
মন ভালো নেই, সংসারে মিল নেই, আমলে মতি নেই, কাজে-কর্মে আগ্রহ নেই। তাহলে নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, আমি ‘সালাতে’ যথাযথ সময় দিতে পেরেছি?
~ শায়খ আতিক উল্লাহ (হাফি.)
6 585
তিনটি নেয়ামত যে পেলো, সে দুনিয়ায় সকল নিয়ামত একসাথে পেয়ে গেলো। রাসুল ﷺ বলেন
«مَنْ أَصْبَحَ مِنْكُمْ آمِنًا فِي سِرْبِهِ مُعَافًى فِي جَسَدِهِ عِنْدَهُ قُوتُ يَوْمِهِ فَكَأَنَّمَا حِيزَتْ لَهُ الدُّنْيَا
তোমাদের মধ্যে যে সকাল অতিক্রম করবে এমতাবস্থায়:
শারীরিকভাবে সুস্থ, পরিবার নিয়ে নিরাপদ, একদিনের প্রয়োজনীয় খাবার আছে।তাহলে সে পুরো দুনিয়ায় সকল নেয়ামত একসাথে পেয়ে গেলো। (তিরমিযি:২৩৪৯)
আলহামদুলিল্লাহ!
6 585
আজ রাস্তা ধরে আসার সময় অনেকগুলো পূজামণ্ডপ চোখে পড়ল। যারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঢোলের বাদ্য ও পূজার মন্ত্রপাঠ শুনছে, বেশিরভাগই মনে হলো মুসলিম ঘরের। কিভাবে যেন তাদের কাছে শির্কটাও চরম উপভোগ্য হয়ে উঠেছে!!!
.
শির্কের মতো গর্হিত অপরাধকে উপভোগ্য মনে করার পরেও আমাদেরকে যে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে না, এটা নিতান্তই আল্লাহর করুণা। হে আল্লাহ, এই জনপদকে তুমি সুমতি দাও, ক্ষমা করো।
- জাকারিয়া মাসুদ (হাফি.)
6 585
রঠার গ্রাফিতি তে কালো দাগের প্রতিবাদে সমস্ত রাম-বাম জেগে উঠলেও।
আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইজ্জতের ব্যাপারে কেউ কথা বলে না৷
এত লেখক,এত বই,এত সীরাহ দরদ। সব গুলোই নিফাকীর চাদরে আবৃত হয়ে আছে৷
সাহাবারা জীবিত আছে আর কেউ আল্লাহর রাসূলের শানে বেয়াদবি করবে সেই ক্ষমতা কারো ছিলো না।
এই উম্মাহ আজ মৌখিক প্রতিবাদ টাও করছে না৷
আল ইন্তিফাদা
6 585
সত্যিকারের গায়রতবান পুরুষ,
ফেসবুকে মেয়েদেরকে খুঁজে খুঁজে ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠায় না!
6 585
নির্জনতা কতই না সুন্দর! এর মাধ্যমে মানুষ গীবত, লোক দেখানো, রিয়া বা প্রদর্শনেচ্ছার ক্ষতি, অন্তরের গোপন বিদ্বেষ এবং সময়ের অপচয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।
মানুষের সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশার যে মানসিক চাপ, তা থেকে হৃদয় মুক্ত থাকে। ফলে মানুষ তার দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য যা প্রয়োজন, সেদিকে মনোযোগ দিতে পারে।
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সূত্র : সাইদুল খাতির, ৫৮১/৮২]
6 585
হারাম রিজিক ঘরে ঢুকলে– ঘরের বাতাস বদলে যায়, নামাজ ভারী লাগে, কুরআন দূরে সরে যায়, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বাড়ে, সন্তান বেয়াড়া হয়।
হারাম কখনো একা আসে না।
— শায়খ উসামা আল-শুরাফা
6 585
অমুসলিমদের পূজা-পার্বণ উপলক্ষে একজন মুমিন যা করতে পারে না—
১) অমুসলিমদের পূজা-পার্বণে আনন্দিত হতে পারে না।
২) শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানাতে পারে না। চিঠি, বার্তা বা উইশ পাঠিয়ে তাদের আনন্দিত করতে পারে না।
৩) কোনোরূপ সমর্থন, সহযোগিতা করতে পারে না।
৪) টাকা-পয়সা বা কোনো কিছু দান করতে পারে না। এমনকি পূজার কাজে এক টাকাও দান করাও গুনাহ। তবে আর্তমানবিক সাহায্য দিতে কোনো অসুবিধা নেই।
৫) শুধু পূজার কাজে ব্যবহৃত হয়, এমন জিনিস যোগান বা বিক্রি করতে পারে না। যেমন : পূজা উপলক্ষে আতশবাজির দোকান খোলা বা বিক্রি করা ইত্যাদি।
৬) প্রতিমা তৈরি বা বিক্রি করতে পারে না।
৭) পূজামণ্ডপ তৈরি, ডেকারেশন ইত্যাদি করতে পারে না। এগুলোতে শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে পারে না।
৮) পূজা-অনুষ্ঠান উপভোগ করার জন্য দেখতে যেতে পারবে না।
৯) পূজানুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারে না।
১০) তাদের অনুকরণে নিজেরাও কোনো কাজ করতে পারবে না। যেমন : ফটকা ফুটানো, আতশবাজি করা, রংছিটানো, তাদের সৌজন্যে নতুন জামা-কাপড় পরা ইত্যাদি।
১১) তাদের নিমন্ত্রণ গ্রহণ করা যাবে না।
১২) তাদের য*বাই করা কোনো জিনিস বিলকুল খাওয়া যাবে না।
১৩) হাতে তৈরি পিঠা-পায়েশ ও অন্যান্য জিনিসও পরিহার করা উচিত। যদিও এগুলো হারাম নয়, তথাপি যেহেতু দেবদেবীর পাদপ্রান্তে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এগুলো তৈরি করা হয়, সেহেতু তা পরিহার করা জরুরী।
১৪) মুসলিম ব্যবসায়ী পূজা উপলক্ষে তাদের সৌজন্যে বিশেষ ছাড় বা অফার ঘোষণা করতে পারে না। বরং, ইসলামের প্রতি আগ্রহসৃষ্টির জন্য এসব ছাড় ও অফারের ঘোষণা ঈদ, রমাযান ও অন্য কোনো উপলক্ষে করতে পারে।
১৫) মুসলিম কর্মচারী বা লেবার তার অমুসলিম মালিক পক্ষের পূজার কাজে সহযোগিতা করতে পারে না। যেমন : পূজার ফুল পানি এগিয়ে দেওয়া, সান্ধ্যবাতি বা ধোনি দেওয়া ইত্যাদি।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর কোনো কোনোটি দ্বারা ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে এবং মু'শরিক হয়ে যাবে। আর কোনো কোনোটি হারাম ও কবীরা গোনাহ। কোনোটি মাকরূহ ও নিন্দনীয়। আত্মমর্যাদাবান কোনো মুমিন এগুলোতে জড়াতে পারে না। বরং এসব কু*ফরী-শি'রকী কর্মকাণ্ডের প্রতি থাকবে তার প্রচণ্ড ঘৃণাবোধ। পাশাপাশি ওসব মু'শরিকদের প্রতি থাকবে দাঈসুলভ করুণা ও দরদ, যা তাদেরকে শিরকমুক্ত করার চেষ্টা সাধনা করতে মুসলিমকে উদ্বুদ্ধ করবে।
কা*ফির-মু'শরিকদের ধর্মীয় আচার ও পূজা-পার্বনের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান হবে ঠিক হযরত ইবরাহীম (আ)- এর অনুরূপ। তিনি একদিকে তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন, তাদের সাথে ধর্মীয় সস্পর্ক প্রকাশ্য ছিন্ন করেছেন, অপরদিকে তাদেরকে তাওহীদের দাওয়াত দেওয়ার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করেছেন এবং তাদেরকে শিরকমুক্ত করার জন্য ব্যাকুল ছিলেন।
মুসলিম তার ঈমান ইসলামের ওপর অটল অবিচল থাকতে হলে এ ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। একদিকে থাকবে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমান ও আস্থা, অপরদিতে তা*গুত ও দেবদেবীর প্রতি থাকবে প্রচণ্ড ঘৃণা ও ধর্মবিশ্বাসের প্রতি অস্বীকৃতি। কা*ফেরদের সাথে ধর্মগত সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে পরিপূর্ণভাবে। এটি মুমিনকে ঈমানী অবিচলতা দান করবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তা'আলা বলেন :
لَاۤ اِکۡرَاہَ فِی الدِّیۡنِ ۟ۙ قَدۡ تَّبَیَّنَ الرُّشۡدُ مِنَ الۡغَیِّ ۚ فَمَنۡ یَّکۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ وَ یُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰہِ فَقَدِ اسۡتَمۡسَکَ بِالۡعُرۡوَۃِ الۡوُثۡقٰی ٭ لَا انۡفِصَامَ لَہَا ؕ وَ اللّٰہُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ ﴿۲۵۶﴾
“দ্বীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জোর-জবরদস্তি নেই; সত্য পথ সুস্পষ্ট হয়েছে ভ্রান্ত পথ থেকে। অতএব, যে তা*গূতকে অস্বীকার করবে ও আল্লাহ্র উপর ঈমান আনবে, সে এমন এক দৃঢ়তর রজ্জু ধারন করল যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।” (সূরা বাকারা, আয়াত : ২৫৬)
উল্লেখ্য, কোনো মুমিনের পক্ষে যেমন বিধর্মীদের উপরোক্ত কাজগুলোতে জড়ানো সম্ভব নয়, তেমনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অনুমতিপ্রাপ্ত এসব কা*ফিরদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অহেতুক হা'মলা বা আ'ক্রমণ করাও উচিত নয়। ঈমানী নিরাপত্তার স্বার্থে যেমন প্রথমোক্ত বিষয়গুলো থেকে আমরা সর্বাত্মক আত্মরক্ষার চেষ্টা করবো, তেমনি জানমাল ও সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে দ্বিতীয়টি থেকেও বিরত থাকবো। আল্লাহই একমাত্র তাওফীকদাতা।
লেখা : সাইফুদ্দিন গাজী (হাফি.)
6 585
আর আপনি তাদের কাছে ইবরাহীমের বৃত্তান্ত বর্ণনা করুন।
যখন তিনি তার পিতা ও তার সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, ‘তোমরা কিসের ইবাদাত করো?’
তারা বললঃ আমরা মূর্তি পূজা করি এবং আমরা নিষ্ঠার সাথে তাদের পূজায় রত থাকব।
তিনি (ইবরাহীম) বললেন, ‘তোমরা যখন আহ্বান কর তখন তারা তোমাদের ডাক শোনে কি?’
‘অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে’?
তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে এরকম করতে দেখেছি।
তিনি (ইবরাহীম) বললেন,-'তোমরা কি ভেবে দেখেছ তোমরা কিসের পূজা করে যাচ্ছ?
তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব-পুরুষরা?
তারা সবাই আমার শত্রু, সৃষ্টিকুলের রব ব্যতীত।
তিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তিনিই আমাকে হিদায়াত দিয়েছেন।
তিনিই আমাকে দান করেন আহার্য ও পানীয়।
এবং রোগাক্রান্ত হলে তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন;
আর তিনিই আমার মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর আমাকে পুনর্জীবিত করবেন।
এবং আশা করি, তিনি কিয়ামাত দিবসে আমার অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।
হে আমার রব, আমাকে প্রজ্ঞা দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সাথে শামিল করে দিন’।...
.
.
তরজমা, সূরা আশ-শূ'আরা, ৬৯-৮৩
- আসিফ আদনান হাফি.
6 585
হাশরের মাঠে সবচেয়ে বেশি সওয়াব নিয়ে উঠার আমল-
"সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি" সকাল সন্ধ্যায় ১০০ বার করে পড়া।
সূত্র: সহিহ মুসলিম - ৬৫৯৯ ইসলামি ফাউন্ডেশন
