ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 301 подписчиков, занимая 8 113 место в категории Религия и духовность и 2 033 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 301 подписчиков.

Согласно последним данным от 26 июня, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 62, а за последние 24 часа — -2, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 19.37%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 8.09% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 2 188 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 914 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 46.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 27 июня, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 301
Подписчики
-224 часа
+47 дней
+6230 день
Архив постов
রেমিটেন্স শর্টডাউন সরকারের মাঝে যাষ্ট আগুন ধরিয়ে দিয়েছে! প্রবাসী ভাইরা কী এএই আগুনে পেট্রোল দিতে পারবে! তবে প্রবাসী ভাইদের এই কাজে সবচেয়ে বড় সহযোগী হতে হবে তাদে

নিজেদের দীর্ঘদিনের ভৃত্যদের ঝেড়ে ফেলার নয়া কৌশল! ছাত্রলীগ নেতা যাদের মাধ্যমে এবার কাজ হয়নি তাদেরকে ছুড়ে ফেলার নতুন কৌশল সম্ভবত এগুলো! https://www.youtube.com/watch?v=Z3y7UpNIX5w

এদেশের হাজারো লাশ আর রার থেকেও বহুগুন বেশি আহত আর তারো থেকে শতগুন বেশি মানুষ জেলে, তাদের পরিবার আজ অনিশ্চিত ভবিষ্যতে, এসবকিছু থেকে মেট্রোরেলের ভবনের দাম বেশি, তার জন্য চোখের পানি পেলতে হবে, সেটার জন্য আরো বেশি মানুষকে হত্যা করতে হবে!

ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দ্যা দেশভক্ত বাংলাদেশের চলমান ইস্যু নিয়ে চমৎকার ভিডিও করেছে। দেখতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=YK1pIuPsl9I

ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় হিন্দুত্ববাদী সরকার নিজ প্রভুর খেদমতে যা অর্পন করেছেন।
ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় হিন্দুত্ববাদী সরকার নিজ প্রভুর খেদমতে যা অর্পন করেছেন।

ছেলেগুলোর সাহস আর নিজ ভাইদের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখে শুধু অবাকই হচ্ছি না...! ইশ যদি শাপলার লোকেরাও এর কাছাকাছি দায়বদ্ধতা দেখাতে
ছেলেগুলোর সাহস আর নিজ ভাইদের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখে শুধু অবাকই হচ্ছি না...! ইশ যদি শাপলার লোকেরাও এর কাছাকাছি দায়বদ্ধতা দেখাতে পারতো!! এটাই এজাতীর সবচেয়ে বড় দূর্ভোগ বোধহয়!

তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন, এটা অত্যান্ত জরুরি। https://shohid.info/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAAR3XSX8g8M6_U5TCw-eh-U98FB-bJH3N5FPMEgoxccOZ0gm5gSUF1FSXfOE_aem_CbA7zwvXvzUjb2Ctqf3COw

"অবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে পারে বাংলাদেশ" নিউজটা পড়ে শুধু আতকে উঠলাম আর চোখের সামনে ভেসে উঠলো গুজরাট আর কাশ্মীরের কিছু ভয়াল চিত্র!

নেট এসেছে অল্প কিছুক্ষণ হয়েছে, কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের একেকটি বিবৃতি দেখে চোখে পানি চলে আসছে! কেন এমন হচ্ছে, নিজেও জানি না।

এতগুলো লাশের বোঝা মাথায় নিয়ে এদেশ কবে আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে, এই প্রশ্নের উত্তর কী হবে কারো কাছে?

এতগুলো লাশের ভোজা মাথায় নিয়ে এদেশ কবে আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে, এই প্রশ্নের উত্তর কী হবে কারো কাছে?

াংলাদেশে কী হবে জানি না। কিন্তু আরব বিশ্বের প্রতিটা ডিক্টেটরের জন্য শুক্রবার ছিল একটা বিভীষিকার নাম। কারণ শুক্রবারে আলাদা করে মানুষকে জড়ো করা লাগে না। সেদিন বাই ডিফল্ট জুমার নামাজে প্রতিটা এলাকায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়। আর আগেরদিন বৃহস্পতিবার যদি কোনো আন্দোলনকারী মারা যেত, তাহলে পরদিন জুমার নামাজের পর তার জানাজার এবং গায়েবানা জানাজার মিছিল হতো স্বৈরাচারদের জন্য সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয়। *কপি

ক্ষমতা! জানিনা আজকের এই এত ত্যাগের বিনিময় আল্লাহ এদেশ বাসীকে দিবেন, তবে এতটুকু তো পুরো দেশের সকল পর্যায়ের ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহ নিদর্শন রেখেছেন যে, প্রচুর প্রতাপ আর ক্ষমতার আওয়ামী ছাত্রলীগ কী একসপ্তাহ আগেও ভেবেছিলো আজ এভাবে তাদেরকে মারা হবে? এভাবে হুমকির মূখে পড়বে তাদের জীবন ও ক্ষমতা? ঢাবির হলে গত এক দশকে ছাত্রদের উপর অত্যাচার চালানো কুলাঙ্গরগুলো একটিবারও কী ভেবেছিলো ওদেরকে এভাবে 'নিরিহ' মনে করা ছেলেগুলো কুকুরের মত তুর তুর করে তাড়িয়ে দিবে? ওদের ক্ষমতার অবসান করে ছাড়বে! ভাবেনি! আল্লাহর একটি সুন্নাহ হলো জালেম যখন সর্বদিক থেকে নিশ্চিত হয়ে যায়—সে অজেয়, ঠিক তখনই আল্লাহর ফায়সালা আসতে শুরু করে। ফেরাউন তাড়া করার সময় ভাবেনি আজকেই তার শেষ, আবু জাহেল মক্কা থেকে বের হয়েও ভাবেনি তার চূড়ান্ত ইতি আজ হবে! আমার আল্লাহর ক্ষমতাই চূড়ান্ত। আমি ঈমান আনলাম আমার রবের সমস্ত সিফাতের উপর, আমি ঈমান আনলাম আল্লাহই একমাত্র ক্ষমতাশীল, তিনিই ধনী আর বাকি সব গরিব! ইয়া আল্লাহ! ইয়া কাদের! তুমিই আমাদের চূড়ান্ত আশ্রয়, আমাদের দেশের ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের জন্য খায়েরের ফায়সালা করো। আমীন।

"এলাকার এক মুরিব্বি বলতেছে, ছাত্রলীগ আর আওয়ামীলের পোলাপান যখন যার যার এলাকায় আর গ্রামে যাবে তখন ওদের ধরে ধরে কসে পিটা লাগানো দরকার। ওদের স্বাভাবিক জীবনকে অনিরাপদ করে দেয়া দরকার। যেনো জীবনেও আর ছাত্রলীগে না যেতে পারে। তাহলেই এডিরে ধমানো সম্ভব।" পরামর্শটির ব্যাপারে আপনাদের কী মত?

হাজি সেলিমকে এভাবে পেয়েও কিছুই করতে পারলো না ছাত্ররা! আফসোস!! https://www.youtube.com/watch?v=U7tW_zYNuQY

ইতিহাসের কিছু ট্রান্সজেকশন বা পালাবদলের সময় আসে, এটা বিভিন্ন কারনেই হতে পারে, বাকি অধিকাংশ সময় যেটা হয়—ক্ষমতাশীল শ্রেণীর অত্যাচার আর নিপীড়নে মানুষ অতিষ্ট হয়ে যায়। ফলে একজন মুক্তি দূতের অপেক্ষায় থাকে। ঠিক সে সময়টা মুক্তির পথ যে বা যারাই দেখাতে পারে মানুষ তাদের দিকেই ধাবিত হয় আর সেটার মাধ্যমেই সেই নেতা বিপ্লব করতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা (বা বলা যায় পুরো পৃথিবীর) আজ ঠিক ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য হাতের নাগালের বাহিরে, সুশিক্ষা নেই কোথাও, ভবিষ্যত সন্তানের চাকরি অনিশ্চিত, পদে পদে গোলামি আর ট্যাক্স, পেইড বিদ্যুতের মাধ্যমে লুটে নেয়া হচ্ছে টাকা, অর্থাৎ অধিকাংশ মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন আজ না-মানুষের জীবনের পরিণত হয়েছে। ঠিক, এই মুহুর্তে তারা মুক্তির পথ চেয়ে আছে, আর আল্লাহর নেজাম মতে এই দুনিয়ায় মুক্তির শুধুই দুটো পথ, মানুষকে সর্ব অর্থে আল্লাহর গোলামিতে ফিরিয়ে এনে মুক্তি দেয়াতে হবে। যেটাকে আরেকভাবে বললে—শরীয়ার ছায়াতলে মানুষকে এনে আল্লাহর ন্যায় ইনসাফের মাধ্যমে মুক্তি দেখাতে হবে। যা প্রতি যুগে নবীদের মাধ্যমে আল্লাহ করেছেন। আর নাহয় কোনো তাগুত এসে মানুষকে এই জুলুম থেকে মুক্ত করে তার নিজের গোমালে পরিণত করবে। সেটা হয়, কোনো রাজাবাদশাহ বা শাসকের নামে হতে পারে, কোনো মিথ্যা ধর্মের নামে হতে পারে, কোনো মতদর্শের নামে হতে পারে। তাই আলেম সমাজ ও দ্বীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখা ভাইরা যদি চিন্তা করি তীব্র সংকটের এই মুহুর্তে আমার আপনার দায়িত্বের পাল্লা বেড়েছে! আমি এখন মানুষকে কোন পথে মুক্তি করাবো ও নিজেকে মুক্ত করবে! বড় দুঃখ লাগে যখন কোনো আলেম আর দায়ী ভাইদের দেখি, তারা এই সংকটের সময় মুক্তির এমন পথগুলোর কথাই বলেন যে পথ অবলম্বন করার ফলেই আজকের এই তীব্র সংকটে মানুষ পড়েছে! কোটা আন্দোলন বা আন্দোলনকারীদের সমর্থন দিয়ে আর আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আপনি কখনৈ তাদেরকে আজকের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারবেন না। এবং নিজেও মুক্ত হতে পারবেন না। তীব্র এই সংকটের সময় আপনার মুক্তির পথ হবে একমাত্র দ্বীনের সঠিক দাওয়া ও শরীয়ার বিজয়ের মাধ্যমে। তাই মানুশকে বুঝান তার এই জীবন থেকে একমাত্র মুক্তির পথ হলো ইসলাম ও ইসলামি শরীয়াহ।

কিছু দুনিয়ালোবি মডারেট মৌলভি আর তাদের সাথে নিযুক্ত কিছু মুখলিস জাহেল মৌলবিও রয়েছে যারা শাতেম ইস্যুতে দ্বীনের বিকৃতি করা ছাড়া আর কিছুই করে না। ইসলাম উদার ধর্ম প্রমান করতে গিয়ে ইসলামের এমন রূপ সামনে আনে যে রূপের সাথে ইসলামের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। শাতেম ইস্যু নিয়ে আমার একটি লেখার পিডিএফ দিচ্ছি, আশা করি দ্বীন মেনে চলা প্রতিটি ভাইয়ের জন্য শাতেম ইস্যুতে লেখাটি আলোর মশাল হবে ইনশাআল্লাহ।

তালেবানদের বিজয়ের পর থেকেই পাকিস্তান জুড়ে টিটিপির আক্রমণ, ভারতের কাশ্মীরে স্বাধীনতাকামীদের আক্রমণ বেড়েছে বহুগুন। যা গত দশবছরের তুলনায় অনেক অনেক বেশি। এমনকি আফগানের পার্শ্ববর্তী দেশ ইরানে নতুন সশস্ত্র দল নতুনভাবে এক্টিভ হয়েছে বলেই নিউজ হয়েছে। তালেবান বিজয়ের পরেই এতকিছু কীভাবে হচ্ছে? এটা যে কারো পক্ষেই বোঝা সম্ভব। শুধু দাওলার মাথামোটা খারেজিগুলো ছাড়া। আল্লাহ পৃথিবীর বুকে জিহাদের সাথে যুক্ত সকল মুজাহিদদের হেফাজত করুক। আমীন।

আফগানদের মোহাইমিন সাহেব কোন খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কোন কিছু বলেছেন, আমি তা মনে করি না। কিন্তু সমস্যা হলো তিনি একটা ফ্যান্টাসিতে ভুগছিলেন৷ সেটা ভেঙে যাওয়ায় তিনি হতাশা ছড়িয়েছেন। আফগানদের নিয়ে একটা কথা মাথায় রাখুন। যদি এখনো একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশান দেন তবে তালেবান হেরে যাবে। কাবুলেতো তারা জামানত হারালেও অবাক হবো না। কাবুলের জনগোষ্ঠী অত্যন্ত সেক্যুলার। আজ থেকে না। আমানুল্লাহর সময় থেকেই। এমনকি কান্দাহার, হেরাতেও সেক্যুলারদের দাপট কম না। কান্দাহারেতো সেক্যুলার পশতুন জেনারেলরা যে নির্যাতন চালিয়েছে সেটা কেবল চীন, রাশিয়ার কমিউনিস্ট বিপ্লবী সন্ত্রাসীদের সাথে তুল্য। গাযায় গনহত্যা চালানো জায়োনিস্টরাও অবশ্য একই কাতারের। সেখানে জেনারেল রাজিক নামে এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী ছিল যে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধরে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করতো, গুম করতো। আফগানিস্তান অন্তত এক কোটি মানুষ পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে গত বিশ বছরে। সোভিয়েত কমিউনিস্টরাও তার পূর্বে অন্তত পঞ্চাশ বছর আফগানদের মগজ ধোলাই করেছে। মার্কিন সমর্থিত আফগান প্রশাসনে অন্তত কয়েক লক্ষ মানুষ চাকরি করতো যাদের একজনের চাকরিও ইমারত খেয়ে দেয় নাই। এটাই বাস্তবতা। আফগানিস্তান প্রমান করেছে সংখ্যালঘু হয়েও ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করা যায়। আফগানিস্তান প্রমান করেছে ইকামতে দ্বীন ব্যালট না বুলেটের মাধ্যমেই সম্ভব। এখন কেউ যদি আফগানিস্তানে বিপ্লবের মধু খাওয়ার জন্য যেতে চায় তবে সে একটা ফ্যান্টাসির ভেতর আছে। সেখানে নিউইয়র্ক, লন্ডন বা দুবাই হয় নাই বা অচিরেই হবেও না। আফগান সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুত্তাকি না। আহযাবের আগে মদিনাতেও বাটপাররাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। এখন কেউ যদি হিজরত করতে চায় তবে দুইটি কারনে করা যেতে পারে। ১) নিজে ইসলাম প্র‍্যাক্টিস করার সুযোগ পাওয়ার জন্য। ২) নিজের যোগ্যতা আফগানদের ভেতর দাওয়াতি কাজ ও উন্নয়নে ব্যবহার করার জন্য। অন্য কোন মতলব থাকলে আফগানিস্তান ইজ নট ইওর কাপ অফ টি।

বেফাকের বাংলা বইগুলোতে আমাদের তালেবে ইলম ভাইদের কী শিখানো হচ্ছে? এগুলো কীভাবে হচ্ছে? আলেমদের তত্ত্ববধানে তৈরি কোনো বোর্ডে যদি এমন তাহরিফ আর শাহরিয়ার কবিরদের ছায়া দেখা যায় তাহলে এদেশে আলেম নামে কী প্রজন্ম তৈরি হবে? আলেমদের তত্ত্ববধানে তৈরি বোর্ডে যদি এমন হয় তাহলে এদেশের মানুষ কোথায় যাবে? . বেফাকের বিভিন্ন বাংলা বইয়ের অসঙ্গতি নিয়ে একটি লেখা দৃষ্টিগোচর হলো, পুরো হতবাক হয়ে গেলাম দেখে! ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!