ru
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Открыть в Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала Abdullah bin bashir

Канал Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 329 подписчиков, занимая 7 901 место в категории Религия и духовность и 2 063 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 329 подписчиков.

Согласно последним данным от 28 августа, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило 67, а за последние 24 часа — -8, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 15.07%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 5.70% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 1 708 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 646 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 35.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 29 августа, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 329
Подписчики
-824 часа
+157 дней
+6730 день
Архив постов
আফগানিস্তান বিশ বছর মেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পর এখন সেই আমেরিকারই দালাল হয়ে গেছে। হিজ্রাইল হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করতেছে আফগানিদের পিছনে। দাবী জামিয়াতুর রশিদের। দলিল কী? দলিল হলো, পাকিস্তানেও তো কৃষি কাজ হয়, বিদেশে মাল রফতানি হয়, তারপরও দিনের পর দিন তাদের ডলারের দাম কমতেছে, কিন্তু আফগানের মুদ্রার মান শুধু বাড়তেই আছে! সুতরাং, এটাই স্পষ্ট যে, মেরিকাই আফগানে ইনভেস্ট করতেছে। একমাত্র পরমাণু শক্তির অধিকারী মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান আর ইরানকে ধ্বংস করার জন্য। 🙂 . এদিকে পাকিস্তান তাদের পরমানিক বোমার তথ্য ভারতকে দিয়েছে ও ভারত থেকে নিয়েছে, উভয় যেনো কখনোই কারো পরমাণু আক্রমণ না করতে পারে।🙂 . নাপাক এই ভূমির ধোকা থেকে আমাদের ওলামায়ে কেরাম কবে বের হবে!

এখন কী আর কোনো সন্দেহ আছে, তালেবরা ভারতের দালাল? তালেবরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গিয়ে ভারতের খাসবন্ধু হয়ে গিয়েছে?
এখন কী আর কোনো সন্দেহ আছে, তালেবরা ভারতের দালাল? তালেবরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গিয়ে ভারতের খাসবন্ধু হয়ে গিয়েছে?

নির্বাচনের হলফ নামায় বিভিন্ন ইসলামি দলের নেতাদের নিজেদের ইনকাম সম্পর্কে স্পষ্ট মিথ্যা দেখে অনেকেই বিষয়টিকে খারাপ দৃষ্টিতে দেখছেন, অনেকে বলতে চাচ্ছেন, যারা এমন প্রকাশ্যে মিথ্যাচার করে তারা তো স্পষ্ট ফাসেক। কিন্তু আমার ভাইয়েরা আপনারা এই এই মিথ্যা নিয়ে যারা হায়হুতাশ করতেছেন তারা ভুলের উপর আছেন। কারণ, ইসলামি দলগুলোর কাছে এটা শুধুই নির্বাচন না। এটা তাদের নিকট যুদ্ধ ও জি]হ]দ। আর যুদ্ধের ময়দানে মিথ্যা কথা বলা যায় এটা হাদিসে আছে। সুতরাং ইসলামি দলগুলো হকের উপরেই আছে আলহামদুলিল্লাহ। . বি.দ্র. ইসলামি দলগুলো তাবিলের জন্য আলেম লাগলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। অল্প খরচে দলিল ভিত্তিক তাবিল করর দিতে পারবো।

গা*জ*জার খান ইউনুসের এক প্রসিদ্ধ আলেম বংশের সন্তান হলেন ড. মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আসত্বল। একজন আলেম, দায়ী ও মুজা*হি*দ। বর্তমানে তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধের একজন সদস্য। খান ইউনুসে কী হয়েছে ও যুদ্ধের পরিস্থিতি কেমন ছিলো তা সকলেই জানি। এমন ভয়ংকর পরিবেশেও এই বান্দা ৪ খণ্ডের প্রায় ২৪ শ পৃষ্ঠার একটি বই লেখেছেন বর্তমান পৃথিবীর রাজনীতি নিয়ে। বর্তমান পৃথিবীর প্রকৃত বাস্তবতা বুঝতে চান এমন প্রতিটি আলেমের বইটি পড়া উচিত। শুধু তাই না, এই ২৪শ পৃষ্ঠা অনেকটা ভূমিকার মত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরো দুটো কাজ উনার আসবে। যার একটা প্রায় শেষ। সেটাও দ্রুতই প্রকাশ হবে। . কথা এটা না। এমন ভয়ংকর সময়গুলোতেও মুজা*হি*দরা পড়াশোনা, মৌলিক কাজগুলো করে যান। কিন্তু আমাদের অবস্থা দেখেন, আগষ্টের পর থেকে আমাদের সামগ্রিক পড়াশোনার অবস্থা কী? কয়েকটা আন্দোলন করার সুযোগ পেয়ে জি*হা*দ ও মুজা*হি*দদের মহব্বত করেন এমন ভাইদের অবস্থা কী? যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে বলবো ব্যতিক্রম বাদ দিলে পড়াশোনার অবস্থা একদম ভয়াবহ। ভয়াবহ মানি বেশি পরিমান ভয়াবহ। . পড়াশোনা, গবেষণা আর জ্ঞান অর্জন থেকে এই বিচ্ছিন্নতা ও বিচ্ছিন্নতার মানসিকতা আমাদের পরাজিত থাকার একটি বড় কারণ। এটা থেকে আমাদের দ্রুত বের হয়ে আসতে হবে৷ পরিবেশ-পরিস্থিতি যাইহোক জ্ঞান অর্জনে নিজেদের নিয়োজিত রাখাটা জরুরি।

Repost from Al Firdaws
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির রাজধানী বামাকোর উপকন্ঠে থেকে জান্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা ও তার ২ দেহরক্ষীকে বন্দী করে নিয়েছেন সশস্ত
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির রাজধানী বামাকোর উপকন্ঠে থেকে জান্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা ও তার ২ দেহরক্ষীকে বন্দী করে নিয়েছেন সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ যো/দ্ধারা আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায়, আল-কা/য়েদা সংশ্লিষ্ট জামা'আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মু*জাহি/দিনরা মালির রাজধানী বামাকোর উপকণ্ঠে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানের মাধ্যমে মু*জাহি/দিনরা শত্রু বাহিনীর ৩ সদস্যকে বন্দী করেন। বন্দী এই শত্রু সদস্যদের একজন হচ্ছেন রাজধানী বামাকোর কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান অফিসার আহমেদ তোরে এবং অন্য দু'জন হচ্ছে তার দেহরক্ষী।

বেগম জিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই জনপদে উলামা ও ইসলামপন্থীদের নেতৃত্বশূন্যতা জনিত অসহায়ত্ব প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। ইসলামপন্থীরা গণহারে তার জন্য শোক প্রকাশ করছেন, আবেগমথিত স্মৃতিচারণ করছেন, আলিমদের অনেকে তার ও পরিবারের ছবিসহ পোস্ট করে গুণগান গাইছেন, তিনি কেন অনন্য ছিলেন তা জানাচ্ছেন, শীর্ষস্থানীয় উলামারা দলে দলে তার জানাযা ও দাফনে অংশগ্রহণ করছেন, তার মাগফিরাতের জন্য দুআ-দরূদ পড়ছেন। অথচ ইসলামে যে, নারী নেতৃত্ব হারাম, সেক্যুলারিজম যে ইকামতে দীনের প্রধান অন্তরায়, সেক্যুলার নেতৃবৃন্দের জানাযায় যে নেতৃস্থানীয় আলিমদের অংশগ্রহণ অনুচিত- এই সবকিছুই তারা জানেন। সবকিছু জেনেও তারা কর্তব্যের বিপরীতটা করছেন কেন? কারণ বেগম জিয়া এই জনপদে দেশপ্রেম, ভারত-বিরোধিতা, গণমানুষের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশেষত শেষ জীবনের মজলুমিয়্যাতের সুবাদে অবিসংবাদিত ও অদ্বিতীয় প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। এমন আইকনিক নেতা ইসলামপন্থীদের ভাণ্ডারে নেই। ফলে কেবল রাজনৈতিক কৌশল বা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার নয়; নেতৃত্বশূন্যতাজনিত অসহায়ত্ব থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ইসলামপন্থীদের সেসব কাজ করা লাগছে, যা তাদের করার কথা ছিল না। বেগম জিয়া ও তার দলের সঙ্গে সর্বদা এই জনপদের শীর্ষ মুরব্বী উলামাদের সম্পর্ক ছিল তায়াম্মুমের, এটাকে উজু বানানো উচিত নয়। এই শোকাকুল সময়েও ভুলে যাওয়া উচিত নয়, সেক্যুলারিজম একটি স্বতন্ত্র ধর্মসম, আল্লাহর দীনের বিকল্পস্বরূপ প্রতিষ্ঠিত জীবনব্যবস্থা। আল্লাহর যমীনে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার পথে যতো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলোর মাঝে সবচেয়ে বড়ো প্রতিবন্ধকতা হলো সেক্যুলারিজম। ফলে ইসলামপন্থীদের এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে সাধারণের চোখে সেক্যুলারিজমের ভয়াবহতা লঘু হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে এমন ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় যে, আপাদমস্তক সেক্যুলার হয়েও খাঁটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান হওয়া সম্ভব। কিংবা আজীবন গণতন্ত্র, সেক্যুলারিজমের প্রতিষ্ঠা ও পাহারাদারি করেও সর্বস্তরের আলিমদের সীমাহীন দুআ ও সাধুবাদ পাওয়া সম্ভব। এমন হলে তা ইকামতে দীনের জন্য মারাত্মক সর্বনাশের কারণ হবে। মানুষ সেক্যুলারিজম বর্জন করে পূর্ণরূপে ইসলামে প্রবেশের জরুরত ও যথার্থতা খুঁজে পাবে না। ©মাওলানা মীজান হারুন হাফিজাহুল্লাহ

আসিফ সৈকত ইস্যুটা ভালো হয়েছে। সামনে লুটপাটের মওসুম। দলে পদ পেয়েছেন। ফলে এধরণের 'ফ্রিঞ্জ' বা 'এক্সট্রিমিস্ট' আলেমদের সাথে সম্পর্ক না রাখাই ভালো। কারণ এরা যে ঘাওরা বিএনপির স্বার্থের সাথে কমপ্লাই করে এক্টিভিজম এরা কখনোই করবে না। ফলে বিচ্ছেদ অনিবার্য। বিচ্ছেদ যখন অনিবার্য তখন দ্রুত হওয়াই ভালো। দুদিক থেকেই। বিশুদ্ধতাবাদীদের জন্যও এটা ভালো এজন্য যে তাদের সংশয় নিরসন হবে। নিফাকের অভিযোগ না এনেও বলা যায় আসিফ সৈকতের মতো মানুষ একটা বিশুদ্ধতাবাদী গোষ্ঠীতে দীর্ঘদিন থাকলে মতাদর্শিক দূষণ তৈরি করবেন মাত্র। এতে যে ফাটল তৈরি হতো তার ফলাফল হতো দীর্ঘ মেয়াদী। . ©মীর সালমান

কৌশল কখনো কখনো সাবজেক্টিভ। কারও কৌশলের টার্গেট অডিয়েন্স হলো জনতা, কারও টার্গেট নিজের টিম। আবেগের স্রোতে ভেসে যাওয়া টিমকে হেদায়েতের উপর ধরে রাখার কৌশলগত গুরুত্ব কম না। হক এবং বাতিলের প্রতি ডুয়েল আনুগত্য যাদের আছে তারা ভালো মানুষ হতে পারে, আবু তালেব হতে পারে কিন্তু আবু বকর, উমার হামজা, মুসয়াব বিন উমায়ের হতে পারে না। কে কি চিনে রাখা জরুরী। শর্তটা পুরাতন। আমরা তোমার আল্লাহর ইবাদতের অধিকার দিতে রাজি আছি তবে তুমি আমাদের লাত, মানাত, উজ্জা হোবল নিয়ে কথা বলতে পারবে না৷ যতই মানুষ ফ্রিডম অফ স্পিচ বলুক না কেন বাস্তবে ব্লাসফেমি কেউ নিতে পারে না। পার্থক্য হলো কার ইলাহ কে? এই উদাহরণ দেওয়ার সমস্যা হলো গাধারা ফতোয়া এবং তারগীব তারহীবের ভাষার পার্থক্য বুঝবে না। বলবে তাকফিরে মুয়াইয়্যিন করেছি। তবে আকিদা এবং ফতোয়ার পরিভাষা বাদ দিয়েও যদি কথা বলি তবে পার্থক্য থাকবে কার আশিক কে তার উপর। যদি আপনার ইশক জিন্নাহর সাথে হয় তবে আপনি জিন্নাহর সাথে বেয়াদবি সহ্য করতে পারবেন না৷ যদি আপনার ইশক হুসাইন আহমাদ মাদানি (রহ) এর সাথে হয় তবে তার শানে বেয়াদবি আপনি মানতে পারবেন না যদিও বা আপনি পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে হয়ে থাকেন। আমার সোজাসাপটা কথা ভাই আমি হুসাইন আহমাদ মাদানি রহ এর সন্তান। জিন্নাহকে আমি কেবল ততটা সম্মান দিতে চাই যতটা রাসুলুল্লাহ সা এর নসিহত অনুযায়ী পার্থিব কাজকর্মে সম্মানিত লোকদের সম্মান দেওয়ার বিধান। খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমি আজ একটা শব্দও বলি নাই কারণ তার প্রতি কেবল সহানুভূতিতে তার ভক্তদের পেট বা মন ভরবে না। ব্যান্ড ওয়াগনে লাফ দিয়ে মিছিলে ভেসে যেতে কখনো রাজি ছিলাম না। সেজন্য জীবনে অন্তহীন মূল্য দিয়েছি। কিন্তু সত্যকে মন থেকে কখনো ছাড়তে পারি না। অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশে খালেদা জিয়ার ভালোগুনের স্বীকৃতি দিতে গেলেও যৌক্তিকভাবে যেকথাগুলো না বললে প্রশংসা তোষামোদে পরিনত হয় সেটা যখন বলতে পারবো না তখন কোন কথাই বলতে চাই না। . হাতেম তাঈ কাফের ছিলেন কিন্তু তাঁর বড় গুন ছিলো। তিনি দাতা ছিলেন। কোন সন্দেহ নাই খালেদা জিয়ার বহু গুন ছিলো। তার মাঝে শ্রেষ্ঠতম গুন যেটা আমার চোখে পড়েছে সেটা হলো তিনি বাচাল ছিলেন না এবং অত্যন্ত ব্যাক্তিত্ববান ছিলেন। তাঁর জ্ঞানগত কোন গভীরতা তার ছিলো না। রাজনৈতিক প্রজ্ঞাও মহাকাব্যিক ছিলো না। কিন্তু এখানেও তাঁর বড় গুণ ছিলো তিনি তাঁর সীমাবদ্ধতা বুঝতেন। ফলে তিনি জ্ঞানীগুণী লোক বুঝতে পারলে এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তার জন্য ক্ষতিকর না হলে তিনি গুনীদের সম্মান করতেন। এখন সমস্যা হলো এই যে তাঁর জ্ঞানগত গভীরতা ছিলো না বলার যে বিবৃতি সেটা অনুসারীদের কাছে ব্লাসফেমির মতো। কিন্তু তার সত্যিকারের যে কৃতিত্ব অর্থাৎ সাধারণ থেকেও অসাধারণ হয়ে উঠার যে কৌশল সেটা তার সীমাবদ্ধতা আলোচনা না করলে কখনো বলতে পারবেন না। এই সীমাবদ্ধতা আলোচনা না করেই তার প্রশংসা করতে হলে সেটা প্রশংসা থাকবে না, তোষামোদ হয়ে উঠবে। কিন্তু সেটুকু বললেই তার ভক্তরা অনলাইন অফলাইন মব করবে। হাসিনার আমলে যেভাবে মুজিবকে কাল্ট ফিগারে পরিনত করা হয় এখন প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং তার মিসেসকে কাল্ট ফিগার বানানো হচ্ছে। প্রশ্ন হলো আজকের দিনে কি এই সীমাবদ্ধতা আলোচনা করতেই হবে? উত্তর হলো খালেদা জিয়ার জন্য আমাদের কোন ঈর্ষা নাই। তাকে আমরা কখনো তাকফিরে মুয়াইয়্যিন করি না। কিন্তু এটাও সত্য যে তার আজীবন চর্চিত রাজনৈতিক আদর্শ আমরা ধর্মীয়ভাবে কোনভাবেই নিতে পারবো না। আজ যদি কেবল ব্যাক্তি খালেদা জিয়ার গুণকীর্তন করা হতো তাতে নিশ্চুপ থাকার হাজার কারণ আছে। কিন্তু ঠিকই তাকে লায়োনাইজ করে তার আদর্শ গণতন্ত্রকেও মহিমান্বিত করা হচ্ছে। সেটা একজন আত্মমর্যাদাবান আলেম কিভাবে মেনে নিবেন? গোঁজামিল দিয়ে ডুয়েল লয়েলটি তৈরি করা ইসলামের মেজাজ না। এজন্যই সুরা কাফেরুন। এজন্যই লাকুম দিনুকুম ওয়ালিয়া দিন এবং লা ইকরাহা ফিদ্দিন। কিছুদিন হলো অনেক মানুষ হারুন ইযহারকে বিএনপি ট্যাগ দিচ্ছিলো। কিন্তু আজ তিনি প্রমান করেছেন আদর্শই বড়। লোকে তাকে বিচ্ছিন্নতার ভয় দেখায়। তিনি হুসাইন আহমাদ মাদানি রহ এর সন্তান। পপুলিজমে ভেসে যাওয়া তার কাজ না৷ আল্লাহর বহু নবির কোন উম্মাত ছিলো না বা দুই একজন উম্মাত ছিলো। ইসলামি হুকুমতের দরকার নাই। বিশুদ্ধ তাওহীদ নিয়ে একজন দাঁড়িয়ে থাকলে তিনিই জামায়াত। আমাদের আদর্শ হলো আসহাবে কাহফ। আমাদের বিশাল গ্রুপের দরকার নাই। দরকার হলো বিশুদ্ধ ইমান নিয়ে আল্লাহর সামনে একাকী দাঁড়ানো। আমিতো দেখছি হারুন ইযহার আজ যা করেছেন সেটা উলামায়ে রাব্বানির কাজ৷ আলেম তিন প্রকার। উলামায়ে সালাতিন, উলামায়ে আওয়াম এবং উলামায়ে রাব্বানি। উলামায়ে রাব্বানির কাজ হলো সত্য স্পষ্টভাবে বলা যেনো হক এবং বাতিল আলাদা হয়ে যায়।

জামিয়াতুর রশিদের মুহতামিম মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবের সাথে এই বিষয়ে পূর্ণ একমত পোষণ করলাম।
জামিয়াতুর রশিদের মুহতামিম মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবের সাথে এই বিষয়ে পূর্ণ একমত পোষণ করলাম।

খালেদা জিয়া মারা গেছে। চরমোনাইয়ের জন্য এখন আশা করি বিএনপির সাথে জোটে সমস্যা নাই। কারণ এখন তো আর নারী নেতৃত্ব নাই। . না, মানি, বাতিল আকিদার সাথে সমঝোতা করা থেকে হক্কানী আলেমদের সমর্থিত বিএনপির সাথে জোট করা কী বেশি ভালো না? সমালোচনা মুক্ত থাকা গেলো তাতে?

তুমুল জনপ্রিয়তা মহান আল্লাহতা'আলার নিকট কিছু যায় আসেনা। আল্লাহতা'আলার কাছে প্রিয় হলো তাওবা। বেগম জিয়া তাওবা করে থাকলে আল্লাহতা'আলা তা কবুল! করুন! আমীন। অস্বীকার করিনা বেগম জিয়া বাংলাদেশবান্ধব রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইকন ছিলেন তার স্বামীর পর। আধিপত্যবাদ এবং ফ্যাসিবাদের প্রশ্নে আপোষহীন থেকে জেল জীবন বেছে নিয়েছেন, যেখানে ধরাশায়ী হয়েছেন অনেক আলেম পর্যন্ত। কিন্তু মহান রব্বের কাছে জবাবদিহিতার যে মূল ঈমানী কমিটমেন্ট তাতে তিনি আরো দশ জন রাজনীতিকির মতই উত্তীর্ণ হতে পারেন নি। রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মে তিনি মহান রব্বের নিকট পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করতে পারেন নি। এর দায়ভার রয়েছে ইসলামপন্থী রাজনীতিরও। আফসোস আমরা আমাদের পলিটিক্যাল মিত্রদের সাথে শুধু বস্তুবাদী সম্পর্ক কায়েম করি, যার কেন্দ্রবিন্দু থাকে ক্ষমতার রাজনীতি। আমরা দাওয়াতের সম্পর্ককে কখনোই অগ্রাধিকার দিই না। আমরা আমাদের সেক্যুলার মিত্রদের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক কায়েম করে থাকি, ইসলাম সেখানে প্রাসঙ্গিক থাকেনা মৌলিকভাবে। বেগম জিয়া ইসলামপন্থীদের বিশাল স্পেস দিয়েছিলেন। ইসলামপন্থীরা তাঁকে, তাঁর দলকে দাওয়াতি মোটিভেশান করেন নি। হে জাতীয়তাবাদী সেক্যুলার রাজনীতির ধারক বাহক ভাই-বোনেরা! খালেদা জিয়া যেখানে চলে গেছেন, আমাদের-আপনাদেরও শেষ মনজিল ওখানেই। আসুন! আগে তওবা করি, তারপর রাজনীতি করি, আল্লাহর সার্বভৌমত্বের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ছাড়া কোন মুসলমানের রাজনীতিই হতে পারেনা। ©শায়খ হারুন ইজহার

আগামি শনিবার বছরের শেষ দীনি মজলিস। রমযানের ঈদ পর্যন্ত সাময়িকভাবে মাসিক দীনি মজলিস স্থগিত থাকবে। . মিস দিয়েন না৷
আগামি শনিবার বছরের শেষ দীনি মজলিস। রমযানের ঈদ পর্যন্ত সাময়িকভাবে মাসিক দীনি মজলিস স্থগিত থাকবে। . মিস দিয়েন না৷

سبائك الشيطان الجزء الرابع.pdf17.04 MB

سبائك الشيطان الجزء الثالث.pdf15.80 MB

سبائك الشيطان الجزء الثاني.pdf17.50 MB

سبائك الشيطان الجزء الأول.pdf19.86 MB

photo content

চতুর্থ কথা, ইসলামি রাষ্ট্র কখনো ‘কুরআন-সুন্নাহের বিপরীত আইন করা হবে না’ এই কথার উপর প্রতিষ্ঠিত হয় না। বরং একটি ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য আবশ্যক হলো তাদের প্রত্যেক আইন, বিধান যাবতীয় কার্যক্রম কুরআন-সুন্নাহ এবং ইসলামি জ্ঞানতত্ত্বের আলোকে প্রণয়ন করা ও তা কার্যকর করা। 'কোনো আইন শরীয়তের বাহিরে করা হবে না’ এই কথার আবশ্যকীয় একটি অর্থ দাঁড়ায় মানুষের জীবনের এমন অনেক বিষয় আছে যেখানে শরীয়তের কোনো দিক-নির্দেশনা নেই। সেখানে মানুষকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তারা যা ইচ্ছে তাই করতে পারবে। তাছাড়া এই অর্থও মেনে নিতে হয় যে, আইনের পরিধি শরীয়তের পরিধের চেয়েও বড়। অথচ বিষয়টি সম্পূর্ণ উল্টো এবং তা মেজাজে শরীয়তের সাথে সাংঘর্ষিক। কেননা শরীয়ত মানুষের জীবনের প্রতিটি অংশে কুরআন সুন্নাহের আলোকে সমাধান দিতে পারে। আর ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য আবশ্যক হলো কুরআন-সুন্নাহের জ্ঞানের অধিকারী আহলুর রায় আলেমদের পরামর্শে জীবনের প্রতিটি অংশে ইসলামি বিধান কার্যকর করবে। শরীয়ত শুধু ফরজ, ওয়াজিব আর হারামের নাম নয়, বরং তার পরিধি সুন্নাত, মানদুব মুস্তাহাব, মাকরুহ, খারাপ, উত্তম-অনুত্তম পর্যন্ত এমনভাবে বিস্তৃত যে, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র অংশ তার অধিনে সমাধান হয়, বাহিরে নয়। এই জন্য ঠিক করার বিষয় এটা নয় যে, কোনো আইন শরীয়তের বিপরীত বানানো যাবেনা। বরং ঠিক করতে হবে, প্রতিটি কাজের সিন্ধান্ত শরীয়ত অনুযায়ীই করতে হবে। . প্রকাশিতব্য ইসলামি শাসনব্যবস্থা বই থেকে

ইসলাম জিহাদের মাধ্যমে ছড়িয়েছে না দাওয়াতের মাধ্যমে? https://youtu.be/yLUK6A1GT1g?si=2KtdqQr508h2YO1V

এমন পিতা হতে পারা কতই না সৌভাগ্যের বিষয়। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মাওলানা আব্দুর রহিম সাহেব আল্লাহর মেহমান হয়
এমন পিতা হতে পারা কতই না সৌভাগ্যের বিষয়। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মাওলানা আব্দুর রহিম সাহেব আল্লাহর মেহমান হয়ে গেলেন। হুজুর ছিলেন আমার দাদার সহপাঠী। ছিলেন সুদীর্ঘ কাল ধরে লালবাগ জামিয়ার দায়িত্ববান একজন শিক্ষক। মুসলিম সানি হুজুরের কাছে পড়ার সুযোগ হয়েছে। দরসের হক যথাযথভাবে আদায় করার চেষ্টা করতেন। বাংলাদেশের পাঁচ পাঁচটি রত্নের বাবা তিনি। তার পাঁচ পুত্র যথাক্রমে : ১. মুফতি সাঈদ আহমদ সাহেব। (মনসুর সাহেবের মাদ্রাসার প্রধান মুফতি) ২. মাওলানা ফরিদ আহমদ সাহেব। (লালবাগ জামিয়ার মুহাদ্দিস) ৩. মাওলানা শিব্বির আহমদ সাহেব। (ঢালকানগরের প্রধান মুফতি) ৪. মাওলানা মুখতার আহমদ (বাইতুন নূর সায়দাবাদের বুখারীর উস্তাদ) ৫. মাওলানা শরিফ আহমদ (মারকাজুল ফিকরিল ইসলামী উত্তরার উস্তাদ) হুজুর বলতেন, আমি ছাত্রদের হক আদায় করি, এজন্য আল্লাহ আমার সন্তানদের মানুষ করেছে । তিনি শামসুল হক ফরিদপুরী রহ. এর শিষ্য ও স্নেহধন্য ছিলেন। প্রায় ৫০ বছর লালবাগ জামিয়ার শিক্ষকতা করেন। আল্লাহ তাকে মাগফুর ও মারহুম করুন। আমীন!