ru
Feedback
সুমন আহমাদ

সুমন আহমাদ

Открыть в Telegram

📈 Аналитический обзор Telegram-канала সুমন আহমাদ

Канал সুমন আহমাদ (@withsumonahmed) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 18 221 подписчиков, занимая 4 493 место в категории Религия и духовность и 1 208 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 18 221 подписчиков.

Согласно последним данным от 07 июля, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -262, а за последние 24 часа — -13, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 21.68%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 4.18% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 3 954 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 763 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 44.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
Facebook: https://www.facebook.com/profile.php?id=100074019309430 WhatsApp: https://whatsapp.com/channel/0029VaPsiQDDp2QEuaKhec1n

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 08 июля, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

18 221
Подписчики
-1324 часа
-737 дней
-26230 день
Архив постов

[১] নরওয়ে জেতার পর তাদের ভাইকিংস সেলিব্রেশন সবাই দেখেছেন। শুধু খেলার মাঠেই নয়, পুরো দেশজুড়ে এমনকি সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও এই সেলিব্রেশনে নেমেছে। তারা যেন বিশ্বকে জানিয়ে দিচ্ছে তারা শক্তিশালী, তাদের শিরায় এখনো ভাইকিংদের রক্ত বইছে। [২] ওয়েল, ভাইকিংসরা ছিল লিট্রিলি ব্রুটাল, দুর্ধর্ষ ও বন্য একটি জাতি। এরা সাগর পাড়ি দিয়ে যে ভূমিতে পা ফেলত, সেই ভূমিতেই কেয়ামত নামিয়ে আনত। এমনকি ইংল্যান্ডের তদানীন্তন রাজারা ভাইকিংদের সঙ্গে না পেরে নিজেদের কন্যাদের তাদের হাতে তুলে দিয়ে শান্তিচুক্তি করত। ধীরে ধীরে তারা খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হতে থাকে। ভাইকিংসরা তদানীন্তন মুসলিম ভূমি আন্দালুসিয়া বর্তমান স্পেনেও আক্রমণ করেছিল। [৩] যাইহোক, ভাইকিংদের কোনো মহান বীরত্বগাথার ইতিহাস নেই। আছে শুধু রক্তপাত, লুটপাট, আগুন আর হিংস্রতার ইতিহাস। অথচ দেখেন, আধুনিক সভ্য নরওয়েজিয়ানরাই সেই পূর্বপুরুষদের সেলিব্রেট করছে। আসলে পৃথিবীর কোনো জাতিই তাদের ইতিহাস ভুলে যায় না। বরং তারা ইতিহাসকে বুকের ভেতর ধারণ করে, পরিচয়ের অংশ বানায় এবং গর্বের সঙ্গে বহন করে। [৪] শুধু নিজেদের ইতিহাস জানে না মুসলমানের পোলারা। নিজেদের পূর্বপুরুষরা কতটা শৌর্য-বীর্যের অধিকারী ছিল, জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা, শিল্প-সাহিত্য, রাষ্ট্রনীতি আর অর্থবিত্তে কতটা সমৃদ্ধ ছিল, তার কিছুই জানে না। তদানীন্তন পৃথিবীর দুই পরাশক্তি রোম ও পারস্য, মুসলিমদের শক্তির সামনে ধূলিসাৎ হয়েছে সেই ইতিহাসও জানে না। আমাদের বাঙালি মুসলিমদেরও রয়েছে এক সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। আহা, সুবাহ বাংলা! বাংলা সালতানাত! কী ছিল না আমাদের! [৫] অথচ আজ আমরা সেই ইতিহাস ধারণ করব তো দূরের কথা, আমরা জানিই না আমরা কাদের সন্তান। আমাদের বাপ-দাদারা কারা ছিল, কী ছিল তাদের পরিচয়, কী ছিল তাদের কীর্তি কিছুই জানি না। আজ নিজেদের ইতিহাস জানি না বলেই বিজাতির পচা, দুর্গন্ধযুক্ত, নোংরা ইতিহাসকে আমরা বুকে টেনে নিই। আজ তাই জায়ো পূজারী হওয়া সত্যেও মেসি, নেইমাররা আমাদের আইডল আর নিজেদের ইতিহাসের বীরেরা পড়ে থাকে বিস্মৃতির অন্ধকারে। এই জাতির অধঃপতনের আর কোনো কারণ জিগাইতে আইসেন না। - সুমন আহমাদ

বাংলাদেশে ইসলাম কিভাবে কায়েম হবে, এ নিয়ে কিছুদিন আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু পোলাপান পড়াশোনা করে না। যাইহোক- বর্তমান পরি
বাংলাদেশে ইসলাম কিভাবে কায়েম হবে, এ নিয়ে কিছুদিন আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু পোলাপান পড়াশোনা করে না। যাইহোক- বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারো সংক্ষেপে বলি। ইসলাম কায়েমের দুটি পন্থা-, জি হা দ (সশস্ত্র বিপ্লব) এবং দাওয়াত (সামাজিক বিপ্লব)। বাংলাদেশের মতো যায়গায় আপনি সশস্ত্র বিপ্লব করতে পারবেন না। কারন বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও ভূ-প্রকৃতিতে সশস্ত্র-পন্থা অবলম্বন মানে সুইসাইড করা। এদেশে ইসলাম কায়েম করার একমাত্র পথ হলো, ইসলামি দাওয়াতের মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ সংস্কারে মনোযোগ দেওয়া। So Don't be a FOOL! এমন কোনো গ্রুপ, ব্যাক্তির সাথে সরাসরি যুক্ত হবে না, যারা আপনাকে বিভিন্ন ট্রেনিং বা পন্থার মাধ্যমে মুজ|হিদ বানিয়ে দিবে। প্লিজ এজেন্সির বটের পাল্লায় পইড়েন না। হ্যাঁ আপনি মার্শাল আর্ট শিখুন, কিন্তু বোকামি করবেন না।প্রতিটা উপজেলাতেই এখন মার্শালআর্ট স্কুল বা কোচিং আছে। আর সব কিছুতেই রক্ত গরম নাশিদ এড করে ছাড়ার দরকার নেই। দাড়ি-টুপি পড়ে নামাজে যান, কিন্তু দাড়ি-টুপি পড়ে দৌড় প্রতিযোগিতাও দিয়েন না। ইসলামপন্থীরা এইদেশে তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক। বাস্তবতা মাইনা নেন, স্বপ্ন দেখা বাদ্দেন। - সুমন আহমাদ

আজকে সংসদে মাদ্রাসা নিয়ে আলোচনা উঠেছে। সরকারের কাছে দাবী জানানো হয়েছে মাদ্রাসার ব্যাপারে হস্তক্ষেপের জন্য.. এতে আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছি। মাদ্রাসায় বলাৎকার, আবাসিক মাদ্রাসায় ছাত্রীর যৌন ও শারীরিক নির্যাতন যখন হয়, আর এটা নিয়ে যখন দেশব্যাপী আলোচনা উঠে, তখন অন্তত মাদ্রাসা যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, বিভিন্ন বোর্ড যারা পরিচালনা করেন তাদের কিছুনা কিছু বলা বা করা উচিৎ। কিন্তু তারা এতটাই হেকমোলজিয়া দেখান যে টু শব্দও করেন না এবং কোনো ব্যাবস্থাও নেন না। আসলে তারা এখনো মনে হয় এগুলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনাই মনে করে। আশা করি খুব দ্রুতই মাদ্রাসার উপর চরম লেভেলের আজাব আপতিত হোক, তখন দেখবো আমাদের তথাকথিত মহাসম্মানিত মুরুব্বিরা কোথায় থাকেন।

[১] অবিলম্বে এই ৪ ছেলেকে গ্রেফতার করে দ্রুত জেলে পাঠানো হোক। কতবড় দুঃসাহস আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। তাদের প্রত্যেকে হ ত্যার
[১] অবিলম্বে এই ৪ ছেলেকে গ্রেফতার করে দ্রুত জেলে পাঠানো হোক। কতবড় দুঃসাহস আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। তাদের প্রত্যেকে হ ত্যার দায়ে ফাঁসি দেওয়া হোক। [২] তাদের উচিৎ ছিলো বিট্রিশদের তৈরি করে দিয়ে যাওয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পুলিশের উপর পুর্নবিশ্বাস রাখা। পুলিশ কখনো সেই ধ র্ষ কে গ্রেফতার করলে মহামান্য কোর্ট/আদালতে মামলা করা। [৩] তারপর আগামী ৫-৭ বছর কোর্টের বারান্দায় ঘুরে ঘরে জুতার তলা ক্ষয় করে মামলার রায় ঘোষণা আনা। [৪] এর মাঝে ধ র্ষ কের উকিল ধ র্ষ কে কয়েকবার জামিনে বের করে আনবে, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে, আবার চুড়ান্ত রায়ের পরেও রাষ্ট্রপতির কাছে মার্সি পিটিশন করবে। এগুলার জন্য আরো ৫-৬ বছর অপেক্ষা করা। [৫] ফাইনালি রায় ঘোষণার ১০ বছর পর, রায় কার্যকরের জন্য ওয়েট করা উচিৎ ছিলো। কিন্তু তা না করে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মহান ব্রিটিশ আইনের প্রতি এই ৪ ভাই যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে তার চরম শিক্ষা হওয়া উচিৎ। আমরা ধ র্ষ ক হত্যার বিচার চাই। - সুমন আহমাদ

মূল পোস্ট: Facebook/Sumon-Ahmed-post

এই ভিডিও দেখি বাঙ্গালী পুরুষদের হজম হচ্ছে না। অথচ এই আইনে কোন ভুল নেই, ইসলাম মোতাবেক তো আরো নেই। . দেনমোহর স্ত্রীর হক, এটা আদায় করা ফরজ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সূরা আন-নিসার চতুর্থ আয়াতে বলেন: ‘‘এবং তোমরা তোমাদের স্ত্রীদিগকে সন্তুষ্টচিত্তে মোহরানা পরিশোধ কর।’’ . কিন্তু জাতে বাঙ্গালীতো তাই চুরির স্বভাব সব যায়গায়। বাঙ্গু পুরুষদের সাদা চামড়া বা সম্পত্তি দেখলে আর হুশ থাকে না। ১০ লাখ টাকা কাবিনেও বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। অথচ ওরে বিক্রি করলেও ১ লাখ হবে না। . এখন ১০ লাখ টাকা পরিশোধের তো মুরোদ নেই, তখন কাবিনের টাকা বাকি থাকে। আর বাসরঘরে গিয়ে ছেছড়ার মতো স্ত্রীর কাছে অনুমতি চায় তাকে স্পর্শ করার, শারীরিক সম্পর্ক করার। তখন স্ত্রী কাবিনের টাকা মাফ করে দেয়। এই হলো ৯৯% বাঙ্গালীর বিয়ের ইতিহাস। . কিন্তু আইন তো আর এটা মানবে না। আইন প্রমাণে বিশ্বাসী, মুখের কথায় নয়। যখন ডিভোর্স হয় তখন ওই যে কাবিন নামায় কাবিনের টাকা বাকি, তা সামনে আসে। আর সেটা পরিশোধ করতে স্বামী বাধ্য। . স্ত্রী একবার স্বামী'কে মোহরানা বাকি রেখে (মাফ করে) স্পর্শ করার অনুমতি দিলেই স্বামীর জন্য জায়েজ হয়ে যায়। পরে আর স্বামী পরিশোধ না করলেও স্ত্রী তার জন্য জায়েজ৷ কিন্তু আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ এর মতে স্ত্রী যদি বাকি মোহরানা স্বামীর কাছে পুনরায় দাবি জানায় তবে স্বামীকে তা পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীর অধিকার আছে স্বামীকে স্পর্শ না করতে দেওয়ার। সো বাঙ্গু আধা-মুসলিমদের কই, বিয়া করার আগে টাকা কামাই করো,সাধ্য অনুযায়ী মোহরানা আদায় করো, সাধ্য অনুযায়ী বিয়া করো। মোহর না দিয়া ফ্রি খাবা কেন! বাঙ্গু কোথাকার। - সুমন আহমাদ

বিচ্ছিন্ন একটি ভূখণ্ড। চারপাশের মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলো থেকে হাজার মাইল দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ছোট্ট একটা দেশ। আর তার চারপাশটা ঘিরে রেখেছে D|রত নামের এক বিষাক্ত সাপ, যা যেকোনো মুহূর্তে ছোবল মারার জন্য ফণা তুলে আছে। . আক্ষরিক অর্থেই ওরা ওদের সব ব্লু-প্রিন্ট আর প্রস্তুতি অনেক আগেই সম্পূর্ণ করে রেখেছে। এখন ওরা স্রেফ ওত পেতে আছে একটি বিশেষ মুহূর্তের, একটা মোক্ষম সুযোগের। . 'বন্ধু' মুখোশধারী চিরশত্রু আর ঘরের ভেতরের মুনাফিকদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্রের শিকার আমি এক বাঙালি। আপাতদৃষ্টিতে হয়তো আমার চিন্তিত হওয়া উচিত ছিল। হওয়াটা স্বাভাবিকও ছিল, কারণ প্রায় ৩০০ বছর আগেই তো মীরজাফরদের হাত ধরে আমার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। . কিন্তু ওরা ভুলে গেছে আমি যে আগে মুসলিম, তারপর বাঙালি! তাই আমি আজ চিন্তিত নই, শঙ্কিত নই। বরং শত বছরের অন্যায়ের চরম প্রতিশোধের এক তীব্র নেশায় আমি আজ বুঁদ হয়ে আছি। এতটা কাল ধরে এই মাটির বুকে ওরা যে জুলুমের রাজত্ব চালিয়েছে, তার প্রতিটা হিসাব এবার কড়ায়-গণ্ডায় নেওয়া হবে। . ওরা কার সাথে টক্কর দিতে এসেছে, ওরা কি তা জানে? আমি সিন্ধু বিজয়ী মুহাম্মদ বিন কাসিমের ভাই। আমি এই পলল ভূমি কাঁপানো শাহজালালের পোলা। আমি মালিক আল-গাজী ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির সেই ১৭ অশ্বারোহী সৈন্যের উত্তরাধিকারী, যার ক্ষিপ্রতার সামনে লক্ষণ সেনের সিংহাসন ধুলোয় মিশে গিয়েছিল। . আমরা এই মাটির সন্তান, আমরা কোথা থিকা ভাইসা আসি নাই। মনে রাখিস, এবার যদি তিতুমীরের কেল্লা গড়তে হয় তবে তা বাঁশ দিয়ে নয়, তা তৈরি হবে লৌহ আর ইস্পাত দিয়ে। . তাই সাবধান! লক্ষণ সেনের চ্যালারা, তোরা সাবধান হয়ে যা! এই পলিমাটির প্রতিটা ইঞ্চি, প্রতিটা ধূলিকণা আমাদের। এই দেশ, এই আকাশ, এই নদী আমাদের। এইডা আমাদের বাপ-দাদার ভিটা। . আমরা ভুলে যাইনি ব্রিটিশদের বুট চেটে আমাদের পিঠে ছুরি মারার তোদের সেই ঘৃণ্য চামচামির ইতিহাস। আমরা ভুলিনি কাঁটাতারে ঝুলে থাকা আমাদের বোন ফেলানীর সেই নিথর দেহ। আমরা ভুলে যাইনি পিলখানার সেই নৃশংস ট্রাজেডি। আর আবরার ফাহাদ তো আমাদের বুকে জ্বলতে থাকা এক অবিনাশী অগ্নিশিখা, আমাদের অনন্ত প্রেরণা। . আমাদের সীমান্তে ঝরা প্রতিটা ফোঁটা রক্তের ঋণ তোদের শোধ করতেই হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা প্রস্তুত। তোদের সাম্রাজ্যের শেষের শুরুটা এবার এই আমাদের হাত ধরেই হবে। আয় তোরা!.. - সুমন আহমাদ

বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় দাঙ্গার দাড় প্রান্তে। ইন্ডিয়া কর্তৃক একটি স্যাবোটেজের কাছাকাছি অবস্থান করছে, যদি না এখনি এদেশের দেশ প্রে
বাংলাদেশ একটি ধর্মীয় দাঙ্গার দাড় প্রান্তে। ইন্ডিয়া কর্তৃক একটি স্যাবোটেজের কাছাকাছি অবস্থান করছে, যদি না এখনি এদেশের দেশ প্রেমিকরা যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়। মনে মনে মন কলা খেয়ে লাভ নেই। বাস্তবতা এটাই যে ইন্ডিয়া চাইলে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশকে চতুর্দিকে ঝামেলায় ফাঁসিয়ে চরম লেভেলের বিশৃঙ্খলায় ফেলতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশ চাইলেও এগুলার সেরা জবাব দিতে পারবে, যদি চায় আর কি! পুচকে ইউক্রেন কিভাবে রাশিয়ার মতো এত বড় একটা শক্তশালী রাষ্ট্রকে প্রতিনিয়ত নাকানিচুাবানী খাওয়াচ্ছে! জ্বী সাম্প্রতিক সময়ের যুদ্ধগুলো আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে দশ টাকার ড্রোন কিভাবে হাজার টাকার মাল লিট্রিলি মুড়ির টিন বানিয়ে দিচ্ছে। অতিসত্বর আমাদের দেশে স্বতন্ত্র ড্রোন ইউনিট এবং দেশেই ড্রোন তৈরির কারখানা বানানো হোক। একজন দেশ প্রেমিক নাগরিক হিসেবে (যার ভ্যাট/ট্যাক্সের টাকায়ও এদেশ চলে) এটাই আমার দাবী।

ইসলামিক অঙ্গনের একজন পরিচিত আলেম ও দ্বাঈ— তার মেয়ে বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে গানের প্র‍্যাক্টিস করে অথচ তিনি নাকি জানেন না। এদিকে দ্বীনি কমিউনিটির আরেকজন তরুন আলেম, লেখক ও এক্টিভিস্ট— তার শো-রুমে জার্সি বিক্রি হয় অথচ তিনি নাকি জানেন না। এই হইলো অবস্থা! তাহারা নিজেদের ঘরের খবর জানেন না অথচ এরা উম্মাহকে নিয়ে ফিকির করে। ইয়া আল্লাহ রক্ষা করো।

চাইনিজ দাওয়া, ইস্লামোফোবিক কোষ্ঠকাঠিন্য এক নিমিষেই হাওয়া।

একটা ভয়ংকর ছাপড়ি ভ্যালুলেস প্রজন্ম চোখের সামনে তৈরি হচ্ছে। ছাপড়িদেরও একটা মিনিমাম মোরাল গ্রাউন্ড থাকে, তারা অন্তত জানে যে তারা ক্ষ্যাতমার্কা কাজ করে ট্রেন্ডের জন্য। কিন্তু আমাদের এই নতুন বাঙ্গু জেনারেশনের একাংশ টোটালি ডেড-ইনসাইড, লাইফলেস ট্রেন্ড-স্লেভ। শায়খ Ahmadullah এদেশে দলমত নির্বিশেষে সর্বজনবিদিত একজন আলেম ও সমাজসেবী। উনি রিসেন্ট বিশ্বকাপ উন্মাদনা নিয়ে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে একটা নসিহা করেছেন। আর সেটা নিয়েই এই সোকল্ড আল্ট্রা-মর্ডান ছাপড়ির দল, বিশ্বকাপকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে উনাকে বাজে ভাষায় আক্রমণ করছে! যে দেশে মানুষ ১০ টাকা পেলেও সেখান থেকে চুরি করতে ছাড়ে না, সেখানে একজন মানুষ তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এবারের বন্যায় ১৩৫ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করে ত্রাণ ও পুনর্বাসন করেছেন। এই ছাপড়ির দলেরা কি জানে, As sunnah Foundation এই ঈদে ১৬৬৫'টা পশু কুরবানি করে হাজারো গরিব মানুষের ঘরে মাংস পৌঁছে দিয়েছেন। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, প্রশিক্ষণ, রিকশা বিতরণ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নীরবে করে যাচ্ছে। উনি একজন আলেম হয়ে এই দেশ ও জাতির জন্য যেই লেভেলের সেবা ও এফোর্ট দিচ্ছেন তা আজ পর্যন্ত কেউ দিয়েছে কিনা সন্দেহ। অথচ সামান্য একটি উন্মাদনার জন্য মানুষজন তাকেও আক্রমণ করছে। কি এক বে-জন্মা প্রজন্ম আমরা পেয়েছি ছিঃ!

অনেক কিছু কইতে চাই,অনেক কিছু লিখা আবার কাইটা দেই। এখন আর ভাল্লাগে না, চারিদিকে যা দেখছি! All the people we rely on are stuck. তবুও কিছু কথা বলি,যদি কেউ শুনতে চায়। বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে আমাদের প্রথম কৌশল হওয়া উচিত 'আত্মরক্ষা ও পারিবারিক নিরাপত্তা'। যেকোনো কাল্পনিক চিন্তা বাদ দিয়া অবিলম্বে যেকোনো হালাল একটি কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এরপর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে, একদম তৃণমূল পর্যায়ে নিজের অবস্থান থিকা দাওয়াতি কাজ চালায়া যাওয়া। এবং মোহগ্রস্ততা ঝাইড়া ফেলেন। আপনাদের শাইখুল হাদিস, খতিবে বাঙ্গাল, বাতিলের আতঙ্ক, শায়েখে অমুক তমুক এদের থিকা দয়া কইরা আপনার আত্মাকে বাঁচান। ফাইনালি আমার রেকমেন্ডেশন হইলো, যেকোনো ধরণের পারসোনালিটি কাল্ট এবং ইমোশনাল ইকো-চেম্বার থিকা নিজেদের ডি-অ্যাটাচ করেন। এহন তথাকথিত ইনফ্লুয়েন্সার বা রিলিজিয়াস আইকনদের প্রতি ব্লাইন্ড লয়্যালটি বা মুগ্ধতার অবসান ঘটানো জরুরি। হিস্টোরিকাল ডিসরাপশন বা রিলিজিয়াস রেনেসাঁ যদি কখনো এই ভূখণ্ডে ঘটে, তবে তা এই এস্টাবলিশড লিডারশিপের টপ-ডাউন মডেলগোরে দিয়া আসবে না। বুইঝা নেন, মাইনা নেন ভাই। - সুমন আহমাদ

এটা আজ টিএসসি'তে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর বিশ্বকাপ ম্যাচের খেলা দেখার দৃশ্য। চিন্তা করে দেখেন তো, এইটা আপনার হাশর। সুপারিশ করার জ
এটা আজ টিএসসি'তে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর বিশ্বকাপ ম্যাচের খেলা দেখার দৃশ্য। চিন্তা করে দেখেন তো, এইটা আপনার হাশর। সুপারিশ করার জন্য পরিচিত ভালো কাউকে খুঁজছেন। কিন্তু আশপাশে তাকিয়ে দেখেন যাদেরকে বন্ধু মনে করতেন তারা আপনার চেয়েও ভয়ংকর বিপদে আছে। এখন আপনি তাদেরকে খুঁজবেন যাদেরকে আপনি ধর্মব্যবসায়ী বলে গালি দিতেন। কিন্তু এইরকম হাজারটা মাঠ পারি দিয়েও আপনি তাদের দেখা পাবেন না। কারণ কি জানেন? কারণ হাদিসে এসেছে: (المرء مع من أحب) মানুষ তার সাথেই উঠবে যাকে সে ভালোবেসেছিলো। [Link: এখানে]

Repost from Ibn Azhar
এবার বিশ্বকাপ কে জিতবে— ব্রাজিল নাকি আর্জেন্টিনা?
এবার বিশ্বকাপ কে জিতবে— ব্রাজিল নাকি আর্জেন্টিনা?

[১] কি এক শেকড় ছেঁড়া মেরুদণ্ডহীন প্রজন্ম। নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস লিট্রিলি ডাস্টবিনে ফালাই দিয়া এরা মেতেছ এক কৃত্রিম উন্মা
[১] কি এক শেকড় ছেঁড়া মেরুদণ্ডহীন প্রজন্ম। নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস লিট্রিলি ডাস্টবিনে ফালাই দিয়া এরা মেতেছ এক কৃত্রিম উন্মাদনায়। যে রক্তে একদিন বিশ্ব কাঁপানো বীরত্বের ইতিহাস লেখা হইছিলো, সেই রক্ত আজ ফুটবল মাঠের ৯০ মিনিটের দাসত্বে সস্তা বিনোদন খুঁজছে। [২] মুসলমানের পোলায় রাত জেগে যে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু আর ক্যাম্প ন্যু-এর জন্য গলা ফাটায়, অথচ অয় জানেই না ওইটা আসলে ওর বাপ-দাদার জমি। ওইটা আমাদের আল-আন্দালুস, তোমাদের মুসলিম পূর্বপুরুষদের ঘাম আর রক্তে ভেজা পুণ্যভূমি। [৩] তোমাদের কাছে এই বিশ্বকাপটা জাস্ট একটা বিনোদন। অথচ তোমার রাত জাগা ভিউ, তোমার কেনা জার্সি, তোমার স্পনসরশিপের প্রতিটা পয়সা রূপান্তর হচ্ছে ডলারে। আর সেই ডলারের রেভিনিউ সোজা চইলা যাচ্ছে সেইসব সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তহবিলে, যারা প্যালেস্টাইন, গাজা, ইরাক, লেবানন আর সিরিয়ায় তোমার ভাই-বোনের বুক ঝাঁঝরা করার জন্য অস্ত্র বানাচ্ছে। [৪] তোমার বিনোদনের টিকিট, সাবস্ক্রিপশনের টাকায় কেনা বুলেটে যখন গাজার কোনো নিষ্পাপ শিশুর খুলি উড়ে যায়, তখন তুমি নিজেকে নির্দোষ ভাবো কী কইরা? এই পরোক্ষ অর্থায়ন কি রক্তের দাগে তোমার হাতকে লাল করছে না? বাকিটুকো: facebook/SumonAhmed

বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌ নকর্মীদের চাহিদা তুঙ্গে, দিনে ১০ হাজার ডলার চার্জ, শিডিউল ফাঁকা নেই কোন বে'শ্যার।
বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌ নকর্মীদের চাহিদা তুঙ্গে, দিনে ১০ হাজার ডলার চার্জ, শিডিউল ফাঁকা নেই কোন বে'শ্যার।

আপনাগো কি মনে আছে ইয়াবা সম্রাট বদীর কথা? টেকনাফ-উখিয়ার একচ্ছত্র গডফাদার। কী পরিমাণ অবৈধ টাকার পাহাড় হইলে এই দেশে মাদকের ডন সরাসরি সংসদের চেয়ারে গিয়া বসে! আজ হয়তো সেই বদী দৃশ্যপটে নাই, কিন্তু রাজত্ব কিন্তু ফাঁকা নাই, ক্ষমতার হাতবদল হইছে মাত্র। প্রতিদিন উখিয়া দিয়া ঢুকছে মিয়ানমারের ইয়াবা আর আইস, আর পুরো দেশের সীমান্ত গলিয়ে আসছে ভা র তের ফেনসিডিল সহ গাঁজা-হেরোইন। এইটা ওপেন সিক্রেট। সীমান্ত পাহারা দেওয়া বাহিনী থেকে শুরু কইরা মাঠপর্যায়ের প্রশাসন, পুলিশ, এমনকি নীতি নির্ধারক এমপি-মন্ত্রী, এই চেইনের প্রতিটা কড়া টাকার ভাগ পায়। মাদকের এই মরণখেলায় প্রতিদিন শত শত পরিবার লাশে পরিণত হচ্ছে। নেশার টাকার জন্য জন্মদাতা পিতা-মাতাকে জ বাই করছে সন্তান, খু ন হচ্ছে স্ত্রী-শিশু। নিজের চোখে দেখা, আমার এলাকার ভাই-ব্রাদার মিলা উদ্যোগ নিয়া নেশাখোর আর মাদক বিক্রেতাগোরে কিছু দিন আগে ধোলাই দিছি। স্ট্যাম্পে মুচলেকা পর্যন্তও নিছি। কিন্তু লাভ হয় নাই, পুলিশ মহাজান পকেট গরম করে তাদের ছেড়ে দেয়। কেউ দুদিন জেল খাইটা বাইর হইয়া আবার ফুল স্কেলে আগের কামেই লাইগা যায়। নেশা এদেশের লাখ লাখ তরুণের মগজ খাইয়া দিচ্ছে, সমাজ'টা লিট্রিলি পচে গলে ধসে পড়ছে, কিন্তু কেউ'ই এই নেশার সিন্ডিকেট ভাঙছে না। কিন্তু দেওয়ালে পিঠ ঠেইকা যাওনের পর, সাধারণ মানুষ যখন অতিষ্ঠ হইয়া কোনো মাদকখোর বা ব্যবসায়ীকে দুটো গণপিটুনি দেয়, অমনি কোত্থেকে যেন তথাকথিত ‘সুশীল শুয়োরের দল’ মাথা বের করে মানবাধিকারের বুলি আউড়ে কান্নাকাটি শুরু কইরা দেয়। এই বালের দেশ নিয়া আমার কোনো আশা নাই। শুধু একটা কথাই বলবো, বাঙ্গুরা একটা গণ হত্য| ডিজার্ভ করে। জাতিগত একটা জনমের তরে কঠিন মা ইর খাওয়া ডিজার্ভ করে। - সুমন আহমাদ

কোডোকুশি বা একাকি মৃত্যু সম্পর্কে জানেন? বন্ধ ঘরে একা মরে পড়ে থাকো। লাশ গলে পচে দুর্গন্ধ ছাড়ানোর আগ পর্যন্ত কেউ জানবে না। তাহ
কোডোকুশি বা একাকি মৃত্যু সম্পর্কে জানেন? বন্ধ ঘরে একা মরে পড়ে থাকো। লাশ গলে পচে দুর্গন্ধ ছাড়ানোর আগ পর্যন্ত কেউ জানবে না। তাহলে পড়ুন: Facebook/SumonAhmed