es
Feedback

¡No caigas en manos de tramposos! Telemetrio encuentra y marca estos canales 👉 Si quieres ver la etiqueta, suscríbete

সুমন আহমাদ

সুমন আহমাদ

Ir al canal en Telegram

📈 Análisis del canal de Telegram সুমন আহমাদ

El canal সুমন আহমাদ (@withsumonahmed) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 17 228 suscriptores, ocupando la posición 4 781 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 351 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 17 228 suscriptores.

Según los últimos datos del 15 octubre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -281, y en las últimas 24 horas de 0, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 13.29%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 4.52% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 290 visualizaciones. En el primer día suele acumular 779 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 45.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
“Facebook: https://www.facebook.com/profile.php?id=100074019309430 WhatsApp: https://whatsapp.com/channel/0029VaPsiQDDp2QEuaKhec1n”

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 16 octubre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

17 228
Suscriptores
Sin datos24 horas
-707 días
-28130 días
Archivo de publicaciones
পড়েন, সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে। লিংক: https://www.facebook.com/share/1Fagq48Gso/
পড়েন, সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে। লিংক: https://www.facebook.com/share/1Fagq48Gso/

শুনেন রঠার মাইঙ্গা মার্কা সাহিত্য খোদ সেক্যুরাও লাইক করে না। কিন্তু এই সাবকন্টিনেন্টে রবীন্দ্রনাথ একটা প্যারামিটার। আপনি কত বড় লিবারেল আর হেদুবাদী তা রবীন্দ্র চাটার সমানুপাতিক।

ভেঙে যাক ধর্মের সব বেড়া, ম্লাউনের মুখে থাকুক গরুর গোসতের নলা ❤️🌸 সম্প্রীতির বাংলা..
ভেঙে যাক ধর্মের সব বেড়া, ম্লাউনের মুখে থাকুক গরুর গোসতের নলা ❤️🌸 সম্প্রীতির বাংলা..

তোম্রা যারা এগুলার শিকার হইছো তাদের প্রতি আমার সমবেদনা রইলো। আর বিচার চাই!
তোম্রা যারা এগুলার শিকার হইছো তাদের প্রতি আমার সমবেদনা রইলো। আর বিচার চাই!

পূজা উপলক্ষে আলেমদের'কেই কেনো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে? আর ঠিক সেই দায়িত্বটা কি? নাকি ন্যারেটিভ দাঁড়িয়ে গেছে যে, বিধর্
পূজা উপলক্ষে আলেমদের'কেই কেনো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে? আর ঠিক সেই দায়িত্বটা কি? নাকি ন্যারেটিভ দাঁড়িয়ে গেছে যে, বিধর্মীদের উৎসবে এদেশের মুসলিমদের কোনো একটা সমস্যা আছে? কুরবানির ঈদে হিন্দুদেরকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান কেউ কেনো জানায় না! তাহলে কি এবার আলেম-ওলামাদের রাত জেগে দূর্গাকে পাহারা দিতে হবে। নাকি কোনো আলেম-ওলামা যাতে পূজার মন্ডবে পারমাণবিক (ব|মা না মারে? আসলে দায়িত্বশীল ভূমিকাটা কি? কেউ জানেন?

Agree or Cry..
Agree or Cry..

আমার স্ত্রীকে আমি কামাই করে খাওয়াই। তার যাবতীয় সকল কিছুর দ্বায়-দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়েছি। তার প্রয়োজন ছাড়াও এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস হিসাবে সপ্তায় সপ্তাহে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, দামী খাবার,পোশাক আর সাধ্যানুযায়ী গহনা অলঙ্কার দিয়া সাজায়া রাখি। সন্তানের উন্নত ফিউচারের জন্য এখন থেকেই সঞ্চয় করতেছি। নিজের হাজারো শখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়া দিনরাত লিট্রিলি কামলার মতো খাটছি, যেন সন্তানের ভবিষ্যৎটা দুধে-ভাতে নিশ্চিত হয়। তাহলে বউ আমার, সন্তান ও আমার, আর মাঝখান থিকা কেউ একজন আইসা মাতব্বরি করবে- আমি সন্তান কয়টা নিবো নাকি নিবো না! হাউ রিডিকিউলাস! - সুমন আহমাদ

থাকার ঘরে মশারী নাই কিন্তু ঢেঁকিঘরে সিলিং। বাংলাদেশের অবস্থা এক কথায় এমন'ই। যারা মন চাইলেই নিয়মনীতি বানায় তারা সেটা ভোগ করে না। আর যারা ভুক্তভোগী তারা এটা কখনোই চায় না। ঢাকা শহর থেকে রিক্সা তুলে দিবেন ভালো কথা। অনেক উপকার হবে সবার মানলাম। কিন্তু আমার প্রশ্ন- ঢাকাতে ফিটনেস বিহীন ঠিক কতগুলা বাস চলে? কয়টা গাড়ীর বৈধ কাগজপাতি আর কয়জন ড্রাইভারের জেনুইন লাইসেন্স আছে? তা বাদ্দিলাম, কিন্তু এত গুলা মানুষের কর্মসংস্থান কই? গ্রামে যাদের সর্বস্ব হারিয়েছে তাদের বেশিরভাগই ঢাকায় গিয়া রিক্সা চালায়৷ হেডার দেশে তেল,গ্যাস,বিদ্যুতের কথা বাদই দিলাম, একটা ডিমের দাম ১৫ টাকা। এই দেশে জন্ম গ্রহণ করাটা একটা অভিশাপ, এই দেশ হাবিয়ার একটা টুকরা। - সুমন আহমাদ

photo content

১] ভারতের জাতির পিতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। যাকে মহাত্মা গান্ধী বলা হয়। কিন্তু ব্যাক্তি জীবনে কি তিনি আসলেই মহাত্মা নাকি পাপাত্মা গান্ধী! কারন গান্ধী বাস্তব জীবনে ছিলেন বিকৃত যৌনপাগল এবং অজাচারী। আর তাই-ই লিখেছে তার জীবনী লেখক জ্যাড এডামস। আসুন কিছু ইতিহাসে পড়ি,যা পড়ে আপনার বদ হজম হতে পারে। [২] তার আগে বলে রাখি তার এই এমন অপকর্মের জন্য স্বয়ং ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু ‘অস্বাভাবিক ও অপ্রাকৃতিক’ কাজ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। এ মোস্ট ডেঞ্জারাস, সেমি-রেপ্রেসড সেক্স মেনিয়াক বলে তাকে ভারতের অনেক মানুষ জানে। [৩] গান্ধী মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৪ বছর বয়সী কস্তুরবা’র সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দ্রুতই কস্তুরবা গর্ভবতী হন। দু’বছর পর মৃত্যুশয্যাশায়ী পিতার পাশে বসা গান্ধী, এক সময়ে কস্তুরবার সঙ্গে সঙ্গম করতে গেলে, ফিরে এসে দেখেন পিতা মারা গেছে। এতে তরুণ গান্ধী তার ‘কামুকী যৌনাচার’ কে পিতার মৃত্যুর জন্য নিজেই দায়ী করে। [৪] গান্ধীর সেক্রেটারির আকর্ষনীয়া বোন, সুশীলা নায়ার, যিনি তার বালিকা বয়স থেকেই ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলো। সেও গান্ধীর সঙ্গে একত্রে গোসল ও শয়ন করতো। এটা নিয়ে যখন পুরো বিতর্ক শুরু হয়, তখন মহান গান্ধী কি বলেছে জানেন, তিনি জানালো ‘তার গোসলকালীন সময়ে চোখ বন্ধ করে থাকি, জানিও না তার পরিধেয় কিছু রয়েছে কি নেই, তবে সাবান মাখার শব্দ পেতাম’। (খিকজ!) [৫] শুধু তাই নয়, গান্ধী আশ্রমে বালক ও বালিকাদের একত্রে গোসল করতে হতো এবং রাতে এক বিছানায় ঘুমাতেও হতো। এতে আশ্রমবাসীরা ক্ষুব্ধ হলেও গান্ধী পাত্তাই দিতো না৷ বরং আশ্রমের নিয়মানুযায়ী যে সকল স্ত্রীর স্বামীর সঙ্গে থাকা নিষেধ ছিল, তারা গান্ধীর সাথে রাতে ঘুমাতো। [৬] এখানেই শেষ নয়, শেষ বয়সে এসে তিনি চরম একটা ঘৃণ্য কাজ করেছেন। তার দুই নাতনি মনু গান্ধী এবং আভা গান্ধীর সাথে রাতে একই কম্বলের নিচে নগ্ন হয়ে ঘুমাতেন। চারিদিকে যখন এটা নিয়ে চরম সমালোচনা শুরু হলো তখন সে এটাকে আত্মসংযম ও ব্রহ্মচর্য পরীক্ষা হিসেবে প্রচার কর‍তে লাগলো। তবুও যখন মানুষ এটাকে মেনে নিলো না তখন তিনি সবার মুখের উপর বলে দিলেন- ‘যদি আমি মনুকে আমার সঙ্গে শুতে না দেই, অথচ যে শোওয়ার অত্যাবশ্যকীয়তা রয়েছে, সেটা কী আমার দুর্বলতা নয়’? [৭] যাইহোক এটাই ছিলো গান্ধী। তিনি কারো ধার ধারেনি। তিনি বের হলেই দুই বেড পার্টনার নাতনির কাধে হাত রেখে চলছেন আর বাসায় থাকলে নারীদের মাঝে থাকতেন। কিন্তু শেষে এই সুখ বেশি দিন টিকেনি। ১৯৪৮ সালের জানুয়ারিতে গান্ধী গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে সত্তরের দশকে গান্ধীর ব্রাহ্মজীবন নিয়ে সুশীলা বোম ফাটায়। সে গান্ধীর ধুতি খুলে দেয়, ‘লোকে যখন মনু, আভা ও আমার শয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল, সেটা প্রকৃতই কোনো ব্রাহ্মচর্চা ছিল না’। অর্থাৎ পার্ভার্ট গান্ধী নিজ নাতনির সাথেও Faaaaaaaaaaahh - সুমন আহমাদ

হয়তো আর ফেরা হবেনা চিরচেনা সেই মাঠে। কি অদ্ভুত পৃথিবী, পূজা এসেছে বলে মানুষের মুখে কত হাসি, কত আনন্দ! অথচ তাদের চোখ দিয়ে পড
হয়তো আর ফেরা হবেনা চিরচেনা সেই মাঠে। কি অদ্ভুত পৃথিবী, পূজা এসেছে বলে মানুষের মুখে কত হাসি, কত আনন্দ! অথচ তাদের চোখ দিয়ে পড়ছে অজস্র অশ্রু! এ কেমন ব র্বর তথাকথিত উৎসব। যেখানে তরতাজা, নিরীহ পাঠার প্রাণের বিনিময়ে পালিত হয় এই ‘দুর্গাপূজা’। দুর্গাপূজার নামে নিরিহ পাঠা হ ত্যা বন্ধ হোক। - সুমন আহমাদ

থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখবো এবার জগৎটাকে! অথচ এই পুচকে দেশটাই দেখা শেষ হইলো না। এদিকে মানুষ মহাকাশে যাচ্ছে। কি লজ্জা!
থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখবো এবার জগৎটাকে! অথচ এই পুচকে দেশটাই দেখা শেষ হইলো না। এদিকে মানুষ মহাকাশে যাচ্ছে। কি লজ্জা!

📌Update: টাকা আর না পাঠানোর জন্য অনুরোধ। আজ পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের মতো এসেছে। তাই আর কেউ টাকা পাঠাবেন না। আল্লাহ
📌Update: টাকা আর না পাঠানোর জন্য অনুরোধ। আজ পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজারের মতো এসেছে। তাই আর কেউ টাকা পাঠাবেন না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাদেরকে উত্তম জাযা খায়ের দান করুন।

এক বোন স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। কিছুদিন পর তাকে ডিভোর্স দেওয়া হয়। এরই মাঝে সেই বোনের কোলে আসে ছোট
এক বোন স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। কিছুদিন পর তাকে ডিভোর্স দেওয়া হয়। এরই মাঝে সেই বোনের কোলে আসে ছোট্ট সন্তান। ভেবেছিলেন, অন্তত বাবার বাড়িতে একটু শান্তিতে বাঁচবেন। কিন্তু কিছুদিন পর তার বাবা এক দুর্ঘটনায় পুরোপুরি শয্যাশায়ী হয়ে যান। নিজের ভাঙা সংসার, ছোট্ট সন্তান আর অসুস্থ বাবাকে নিয়ে কোনোমতে দিন পার করছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্য তাকে তখনো ক্ষমা করেনি। আজ সকালে তার মায়ের স্ট্রোক হয়েছে। শরীরের বাম পাশ সম্পূর্ণ অবশ। বাম হাত-পা অচল, কথাও বলতে পারছেন না। আজ সেই বোন নিজের ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে অসুস্থ মাকে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটিয়ে বেড়াচ্ছেন। মাথার ওপর অসুস্থ বাবা, পাশে বাকশক্তিহীন মা, কোলে অবুঝ সন্তান। দুনিয়া বড় নিষ্ঠুর। বলার কিছু নেই,আল্লাহর ওয়াস্তে এই বোনটিকে একটু সহযোগিতা করুন। বিকাশ:- 01341086576 নগদ:- 01716849963

photo content

বছরের পর বছর মাদ্রাসায় শিশুদের বলাৎকারের অভিযোগ আসছে, বিচার ঠিকমতো হচ্ছে না, ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। মুরুব্বিরা ‘হেকমত’ দেখিয়ে চুপ। তাহলে এবার জনগণও একটু হেকমত দেখাক। - মাদ্রাসা কওমের (জনগণ) টাকা-পয়সায় চলে। এজন্যই এটার নাম কওমী। মানুষ নিজের পকেটের টাকা দিয়ে মাদ্রাসা চালায়। বিশেষ করে ওয়াজ-মাহফিলের মৌসুমে দুই-তিন দিনের একটা মাহফিল করেই লাখ লাখ টাকা কালেকশন হয়। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে টাকা দেয়। - কিন্তু এবার একটু থামুন। - আর এক মাস পরেই ওয়াজের মৌসুমে শুরু হতে যাচ্ছে৷ মাদ্রাসার এই বাৎসরিক মাহফিল গুলাতে দান-খয়রাত বন্ধ রাখুন। টাকা দেওয়া শূন্যে নামিয়ে আনুন। একবার দেখুন, তখন এই মুরুব্বিদের হেকমত কতক্ষণ থাকে! - যে মাদ্রাসায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, যে প্রতিষ্ঠানে অপরাধের বিচার না হয়ে ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়। মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার হর্তাকর্তা তথা মুরুব্বি সমাজ ঘুমিয়ে থাকে, সেই প্রতিষ্ঠানে টাকা ঢালার আগে একবার চিন্তা করুন। - আর আপনার সন্তানকে কোথায় পাঠাচ্ছেন, সেটাও ভাবুন। নিরাপত্তা, জবাবদিহি ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আবাসিক মাদ্রাসায় সন্তান পাঠানো আপাতত বন্ধ রাখুন। - ব্যাঙের ছাতার মতো যত্রতত্র, পাখির বাসার মতো আবাসিক মাদ্রাসা গড়ে উঠবে, আর জনগণ চোখ বন্ধ করে টাকা দিয়ে যাবে-এই সংস্কৃতি এবার বন্ধ হওয়া দরকার। মাদ্রাসা জনগণের টাকায় চলে। তাই জনগণেরও প্রশ্ন করার অধিকার আছে। এবার জনগণ একটু জাগুক। দেখি, তখন মুরুব্বিদের ঘুম কতদিন থাকে। - সুমন আহমাদ

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর, পুরোদমে শিক্ষার মানোন্নয়নে এলাকার সাধারণ বিএনপি নেতাও নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তারা রাত-দিন পরিশ্রম করে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটিতে নাম লিখিয়েছেন। এদিকে লাখো শিক্ষিত বেকারের শিক্ষক হওয়ার শেষ আশা ছিলো NTRCA মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ। এজন্য লাখো তরুন রাত দিন একাকার করে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শুনা যাচ্ছে এবার শিক্ষক নিয়োগ NRTCA দিবে না, নিয়োগ দিনে সেই স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটি (এডহক কমিটি)। তাই এবার উক্ত স্কুলের শিক্ষক কে হবেন তা নিয়োগ দিবেন উক্ত স্কুলের এডহক কমিটির সম্মানিত সভাপতি, মেহনতী মানুষের খেটে খাওয়া বন্ধু, ৪নং অমুক ইউনিয়নের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক, আলহাজ্ব মোহাম্মদ মিন্টু মিয়া। - সুমন আহমাদ

Late Night Post- পুরুষ মানুষের লাইফটা কাইন্ড অফ এফোর্টের উপর দাঁড়ায়া আছে। আপনার এফোর্টের রেশিওই ধীরে ধীরে আপনার সাকসেস রেট, আপনার স্ট্যান্ডার্ড, এমনকি আপনার ফ্যামিলির লাইফস্টাইল পর্যন্ত ক্যারি করে। এই যে প্রচণ্ড গরম যাচ্ছে, বিদ্যুৎ ঠিকমতো থাকতেছে না, এই সিচুয়েশনে আপনার ফ্যামিলির জন্য অন্তত একটা চার্জিং ফ্যান, সামর্থ্য থাকলে ইনভার্টার আরো ভালো হয় এসি। এগুলার ব্যাবস্থা করে দেওয়া আপনার এফোর্টে থাকা উচিত। আপনার ফ্যামিলির কোনো দ্বায় নেই আপনাকে কিছু রিটার্ন দেওয়ার। তবুও মা-বাবার কেয়ার, তাদের ট্রিটমেন্ট, প্রয়োজনে এক্সট্রা কাজের লোকের অ্যারেঞ্জমেন্ট এসব আপনারই কাধেঁ আইসা পড়ে। স্ত্রীকে দেশ বিদেশ ঘুরতে নিয়া যাওয়া, ভালো খাবার খাওয়ানো, তার লাইফটা একটু সফট করা, সন্তানকে শুধু দুধে-ভাতে না রেখে একটা অপারচুনিটি-রিচ এনভায়রনমেন্টে বড় করাটাও আপনার এফোর্টে থাকা উচিৎ। সবকিছু একদিনে হবে না, এইটা সবাই জানে। কিন্তু একজন পুরুষ হিসাবে, ছেলে, স্বামী, বাবা কিংবা ভাই- আপনার সবচেয়ে বড় কারেন্সি হইলো কনসিসটেন্ট এফোর্ট। দিনের শেষে পুরুষ মানুষের ভ্যালু তার এফোর্টে। দুনিয়ার কেউ কিছু দিবে না, মনেও রাখবে না। তবুও পুরুষ হয়ে জন্মানোর পর সব দায়িত্ব ধিরে ধিরে কাধেঁ আইসা চেপে যাইবে। - সুমন আহমাদ

জীবনে কোনো পাব্লিক পরিক্ষায় এ+ পাইনি। অন্য সবার মতো নামীদামী কোনো ভার্সিটিতেও চান্স পাইনি। খুব ভালো সাবজেক্ট নিয়াও পড়ি নাই, সো হোয়াট? আমার স্কুল ফ্রেন্ড রাজশাহীতে ত্রিপল ই নিয়া পড়ে, কেউ ডিফেন্সে। কলেজ ফ্রেন্ড দুইটা মেডিকেলে, কয়েকটা গুচ্ছে, অনেকেই জাবিতে, চবিতেও আছে। সো হোয়াট? আজকে যারা সসচ পরিক্ষার ভালো রেজাল্ট দিয়া খুব বেশি খুশি হচ্ছেন, আবার অনেকে জাস্ট এক্টুর জন্য এ+ পাননি বা ভালো রেজাল্ট হয়নি বলে নিজের লাইফটাই লস ভাবছেন। ওয়েল আল্লাহর দেওয়া এই লাইফ, এই আমানত'কে এতই তুচ্ছ মনে হচ্ছে! হোয়াই? আচ্ছা আপনি যদি বস্তুবাদী হয়ে থাকেন তাহলে জীবনের সফলতা আমি আপনাকে শুনাই। স্কুল লাইফের অনেক ক্লাসমেট পড়ালেখা বাদ দিয়া মাছ চাষ করতো, অনেকে গার্মেন্টস এ চলে যায়, অনেকে দোকানে চলে, কলেজের অনেক বন্ধুবান্ধব ব্যাবসায় নামে। কেউ বা প্রবাসী হয়ে দেশের বাহিরে। তখন আমিও ভাবতাম তারা সব কয়টায় গুল্লায় গেলো। আমিই ওদের থেকে সফল। কিন্তু বাস্তবতা কি জানেন, তাদের অনেকেই এখন বড় মাছের ব্যাবসায়ী, FZs 4V চালায় আবার হাতে আইফোন। কেউ গার্মেন্টস এর সুপারভাইজার, অনেকে বড় দোকান দিয়েছে, অনেকে ছোট ব্যাবসায়ী, অনেকে বিদেশে থেকে লাখ টাকা কামাচ্ছে। কেউবা জমি জমা আবাদ করে পুরুদোস্তর সংসারী। সবাই প্রায় বিয়ে করেছে, বাচ্চা আছে দু-একটা করে। অথচ আমি এখনো এই সে[ক্যু]লার পড়ালেখারা সিস্টেমের চিপায় আটকাইয়া যখন হাহুতাশ করছি। নিজের চোখের হেফাজত, ঈমানের হেফাজত নিয়ে টানাটানি, এখনো দু-পয়সার জন্য মা-বাবার কাছে হাত পাততে হয়। আর ওইদিকে আমার সেই গোল্লায় যাওয়া ফেন্ডস'রা উলটো মা-বাবার দেখাশুনা করছে, বউ বাচ্চা নিয়া ফুর্তি করছে,খাচ্ছে-দাচ্ছে আর আরামে ঘুমাচ্ছে। ভাই আসলে সফলতা কিসে? শুনেন আপনে লাইফে ডাক্তার হোন নাই, ইঞ্জিনিয়ার হোন নাই তো হেইডা আপনার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জীগাইবো না। কিন্তু আপনার যৌবন কোন রাস্তায় ব্যয় করেছেন, কোন পথে কামাই করছেন আর কোন পথে ব্যয় করছেন এই ব্যাপারে কিন্তু এক অণু পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মাইন্ড ইট।। [বিঃদ্রঃ এটা ৩ বছর আগের লেখা, এখন আমার লেখাপড়া শেষ। আলহামদুলিল্লাহ বেসরকারি একটা জব করি, স্যালারি অনেক হ্যান্ডসাম। আর এইদিকে আমার ফ্রেন্ডগুলা ইঞ্জিনিয়ারিং,ভার্সিটি করে যারা বের হয়েছে ওদের অনেকেই এখন বেকার। আর আমার বিয়ের দু-বছর হতে চললো, সামনে আপনাদের ভাতিজা আসবে। অর্থাৎ পরিক্ষার রেজাল্ট কখনো রিজিক নির্ধারণ করে না। রিজিকের মালিক, সফলতার মালিক এক আল্লাহর হাতে] - সুমন আহমাদ

[১] ধিক্কার! শতবার ধিক্কার এই মেরুদণ্ডহীন, গোলাম মানসিকতার পরজীবী জাতিকে। যাদের নিজেদের বলতে কিচ্ছু নাই, তারা অন্যের অর্জনের উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে নিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করে। [২] যে জাতির রক্তে লেখা ছিল হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস, যাদের ছিল শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি আর বীরত্বের নিজস্ব রাজত্ব, তারা আজ পরিণত হইছে মানসিকভাবে পঙ্গু, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী এক খাঁচার পশুতে। বিজাতীয় শাসনের শৃঙ্খল হয়তো একসময় ভাঙছে কিন্তু মস্তিষ্কের ভেতরের দাসত্বকে এরা আপন কইরা নিছে। [৩] বিদেশি কিছু খেলোয়াড়ের জয়ে রাস্তায় কাদামাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে কান্না, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমনকি প্রাণহানি কিছুই বাদ যাইনি এই সোনার দেশে। নিজের জন্মদাতা বাবার চেয়ে বিদেশি ফুটবলারকে ‘আব্বা’ ডাইকা আত্মপ্রসাদ পাওয়ার চেয়ে বড় জিল্লতি, এর চেয়ে বড় কুৎসিত দেউলিয়াপনা আর কি হইতে পারে ভাই। এটা স্রেফ কোনো আবেগ নয়, এটা একটা জাতির আত্মপরিচয়ের চূড়ান্ত মৃত্যুঘণ্টা। এটা বিকৃত, দেউলিয়াপনা এক পারভার্টেড মানসিকতার পরিচয়। [৪] আমরা নিজেদের গৌরবান্বিত ইতিহাসকে ডাস্টবিনে ছুইড়া ফেলছি। তাই আজ অন্যের সাফল্যে বিনা বেতনের মাগনা কামলা খাটছি। নিজেদের কোনো অস্তিত্ব নেই, নিজস্ব কোনো অর্জন নেই, স্বকীয়তার মাফকাঠি শূন্য। অথচ মেকি উন্মাদনায় আমরা নাকি বিশ্বজয়ী। [৫] এই দাসত্ব, এই মেকি আবেগ আর এই আত্মপরিচয়হীন মানসিকতার মুখে থুথু দেওয়া উচিত। নিজেদের ইতিহাস ভুলে যারা অন্যের সস্তা বিনোদনের বলির পাঠা হয়, তারা কোনো জাতি নয়, তারা কেবল একদল দিকবিদিকশূন্য, পরিচয়হীন ভবঘুরে শোয়ারের পাল। - সুমন আহমাদ