es
Feedback
সুমন আহমাদ

সুমন আহমাদ

Ir al canal en Telegram

📈 Análisis del canal de Telegram সুমন আহমাদ

El canal সুমন আহমাদ (@withsumonahmed) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 18 423 suscriptores, ocupando la posición 4 469 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 189 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 18 423 suscriptores.

Según los últimos datos del 15 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -389, y en las últimas 24 horas de -17, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 21.16%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 4.24% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 3 900 visualizaciones. En el primer día suele acumular 781 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 54.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
Facebook: https://www.facebook.com/profile.php?id=100074019309430 WhatsApp: https://whatsapp.com/channel/0029VaPsiQDDp2QEuaKhec1n

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 16 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

18 423
Suscriptores
-1724 horas
-557 días
-38930 días
Archivo de publicaciones
অনেক কিছু কইতে চাই,অনেক কিছু লিখা আবার কাইটা দেই। এখন আর ভাল্লাগে না, চারিদিকে যা দেখছি! All the people we rely on are stuck. তবুও কিছু কথা বলি,যদি কেউ শুনতে চায়। বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে আমাদের প্রথম কৌশল হওয়া উচিত 'আত্মরক্ষা ও পারিবারিক নিরাপত্তা'। যেকোনো কাল্পনিক চিন্তা বাদ দিয়া অবিলম্বে যেকোনো হালাল একটি কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। এরপর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে, একদম তৃণমূল পর্যায়ে নিজের অবস্থান থিকা দাওয়াতি কাজ চালায়া যাওয়া। এবং মোহগ্রস্ততা ঝাইড়া ফেলেন। আপনাদের শাইখুল হাদিস, খতিবে বাঙ্গাল, বাতিলের আতঙ্ক, শায়েখে অমুক তমুক এদের থিকা দয়া কইরা আপনার আত্মাকে বাঁচান। ফাইনালি আমার রেকমেন্ডেশন হইলো, যেকোনো ধরণের পারসোনালিটি কাল্ট এবং ইমোশনাল ইকো-চেম্বার থিকা নিজেদের ডি-অ্যাটাচ করেন। এহন তথাকথিত ইনফ্লুয়েন্সার বা রিলিজিয়াস আইকনদের প্রতি ব্লাইন্ড লয়্যালটি বা মুগ্ধতার অবসান ঘটানো জরুরি। হিস্টোরিকাল ডিসরাপশন বা রিলিজিয়াস রেনেসাঁ যদি কখনো এই ভূখণ্ডে ঘটে, তবে তা এই এস্টাবলিশড লিডারশিপের টপ-ডাউন মডেলগোরে দিয়া আসবে না। বুইঝা নেন, মাইনা নেন ভাই। - সুমন আহমাদ

এটা আজ টিএসসি'তে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর বিশ্বকাপ ম্যাচের খেলা দেখার দৃশ্য। চিন্তা করে দেখেন তো, এইটা আপনার হাশর। সুপারিশ করার জ
এটা আজ টিএসসি'তে ব্রাজিল বনাম মরক্কোর বিশ্বকাপ ম্যাচের খেলা দেখার দৃশ্য। চিন্তা করে দেখেন তো, এইটা আপনার হাশর। সুপারিশ করার জন্য পরিচিত ভালো কাউকে খুঁজছেন। কিন্তু আশপাশে তাকিয়ে দেখেন যাদেরকে বন্ধু মনে করতেন তারা আপনার চেয়েও ভয়ংকর বিপদে আছে। এখন আপনি তাদেরকে খুঁজবেন যাদেরকে আপনি ধর্মব্যবসায়ী বলে গালি দিতেন। কিন্তু এইরকম হাজারটা মাঠ পারি দিয়েও আপনি তাদের দেখা পাবেন না। কারণ কি জানেন? কারণ হাদিসে এসেছে: (المرء مع من أحب) মানুষ তার সাথেই উঠবে যাকে সে ভালোবেসেছিলো। [Link: এখানে]

Repost from Ibn Azhar
এবার বিশ্বকাপ কে জিতবে— ব্রাজিল নাকি আর্জেন্টিনা?
এবার বিশ্বকাপ কে জিতবে— ব্রাজিল নাকি আর্জেন্টিনা?

[১] কি এক শেকড় ছেঁড়া মেরুদণ্ডহীন প্রজন্ম। নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস লিট্রিলি ডাস্টবিনে ফালাই দিয়া এরা মেতেছ এক কৃত্রিম উন্মা
[১] কি এক শেকড় ছেঁড়া মেরুদণ্ডহীন প্রজন্ম। নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস লিট্রিলি ডাস্টবিনে ফালাই দিয়া এরা মেতেছ এক কৃত্রিম উন্মাদনায়। যে রক্তে একদিন বিশ্ব কাঁপানো বীরত্বের ইতিহাস লেখা হইছিলো, সেই রক্ত আজ ফুটবল মাঠের ৯০ মিনিটের দাসত্বে সস্তা বিনোদন খুঁজছে। [২] মুসলমানের পোলায় রাত জেগে যে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু আর ক্যাম্প ন্যু-এর জন্য গলা ফাটায়, অথচ অয় জানেই না ওইটা আসলে ওর বাপ-দাদার জমি। ওইটা আমাদের আল-আন্দালুস, তোমাদের মুসলিম পূর্বপুরুষদের ঘাম আর রক্তে ভেজা পুণ্যভূমি। [৩] তোমাদের কাছে এই বিশ্বকাপটা জাস্ট একটা বিনোদন। অথচ তোমার রাত জাগা ভিউ, তোমার কেনা জার্সি, তোমার স্পনসরশিপের প্রতিটা পয়সা রূপান্তর হচ্ছে ডলারে। আর সেই ডলারের রেভিনিউ সোজা চইলা যাচ্ছে সেইসব সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তহবিলে, যারা প্যালেস্টাইন, গাজা, ইরাক, লেবানন আর সিরিয়ায় তোমার ভাই-বোনের বুক ঝাঁঝরা করার জন্য অস্ত্র বানাচ্ছে। [৪] তোমার বিনোদনের টিকিট, সাবস্ক্রিপশনের টাকায় কেনা বুলেটে যখন গাজার কোনো নিষ্পাপ শিশুর খুলি উড়ে যায়, তখন তুমি নিজেকে নির্দোষ ভাবো কী কইরা? এই পরোক্ষ অর্থায়ন কি রক্তের দাগে তোমার হাতকে লাল করছে না? বাকিটুকো: facebook/SumonAhmed

বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌ নকর্মীদের চাহিদা তুঙ্গে, দিনে ১০ হাজার ডলার চার্জ, শিডিউল ফাঁকা নেই কোন বে'শ্যার।
বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে যৌ নকর্মীদের চাহিদা তুঙ্গে, দিনে ১০ হাজার ডলার চার্জ, শিডিউল ফাঁকা নেই কোন বে'শ্যার।

আপনাগো কি মনে আছে ইয়াবা সম্রাট বদীর কথা? টেকনাফ-উখিয়ার একচ্ছত্র গডফাদার। কী পরিমাণ অবৈধ টাকার পাহাড় হইলে এই দেশে মাদকের ডন সরাসরি সংসদের চেয়ারে গিয়া বসে! আজ হয়তো সেই বদী দৃশ্যপটে নাই, কিন্তু রাজত্ব কিন্তু ফাঁকা নাই, ক্ষমতার হাতবদল হইছে মাত্র। প্রতিদিন উখিয়া দিয়া ঢুকছে মিয়ানমারের ইয়াবা আর আইস, আর পুরো দেশের সীমান্ত গলিয়ে আসছে ভা র তের ফেনসিডিল সহ গাঁজা-হেরোইন। এইটা ওপেন সিক্রেট। সীমান্ত পাহারা দেওয়া বাহিনী থেকে শুরু কইরা মাঠপর্যায়ের প্রশাসন, পুলিশ, এমনকি নীতি নির্ধারক এমপি-মন্ত্রী, এই চেইনের প্রতিটা কড়া টাকার ভাগ পায়। মাদকের এই মরণখেলায় প্রতিদিন শত শত পরিবার লাশে পরিণত হচ্ছে। নেশার টাকার জন্য জন্মদাতা পিতা-মাতাকে জ বাই করছে সন্তান, খু ন হচ্ছে স্ত্রী-শিশু। নিজের চোখে দেখা, আমার এলাকার ভাই-ব্রাদার মিলা উদ্যোগ নিয়া নেশাখোর আর মাদক বিক্রেতাগোরে কিছু দিন আগে ধোলাই দিছি। স্ট্যাম্পে মুচলেকা পর্যন্তও নিছি। কিন্তু লাভ হয় নাই, পুলিশ মহাজান পকেট গরম করে তাদের ছেড়ে দেয়। কেউ দুদিন জেল খাইটা বাইর হইয়া আবার ফুল স্কেলে আগের কামেই লাইগা যায়। নেশা এদেশের লাখ লাখ তরুণের মগজ খাইয়া দিচ্ছে, সমাজ'টা লিট্রিলি পচে গলে ধসে পড়ছে, কিন্তু কেউ'ই এই নেশার সিন্ডিকেট ভাঙছে না। কিন্তু দেওয়ালে পিঠ ঠেইকা যাওনের পর, সাধারণ মানুষ যখন অতিষ্ঠ হইয়া কোনো মাদকখোর বা ব্যবসায়ীকে দুটো গণপিটুনি দেয়, অমনি কোত্থেকে যেন তথাকথিত ‘সুশীল শুয়োরের দল’ মাথা বের করে মানবাধিকারের বুলি আউড়ে কান্নাকাটি শুরু কইরা দেয়। এই বালের দেশ নিয়া আমার কোনো আশা নাই। শুধু একটা কথাই বলবো, বাঙ্গুরা একটা গণ হত্য| ডিজার্ভ করে। জাতিগত একটা জনমের তরে কঠিন মা ইর খাওয়া ডিজার্ভ করে। - সুমন আহমাদ

কোডোকুশি বা একাকি মৃত্যু সম্পর্কে জানেন? বন্ধ ঘরে একা মরে পড়ে থাকো। লাশ গলে পচে দুর্গন্ধ ছাড়ানোর আগ পর্যন্ত কেউ জানবে না। তাহ
কোডোকুশি বা একাকি মৃত্যু সম্পর্কে জানেন? বন্ধ ঘরে একা মরে পড়ে থাকো। লাশ গলে পচে দুর্গন্ধ ছাড়ানোর আগ পর্যন্ত কেউ জানবে না। তাহলে পড়ুন: Facebook/SumonAhmed

বাঙালি নামের এই মেরুদণ্ডহীন জাতিটা সামষ্টিক ভাবে স্টকহোম সিন্ড্রোমে আক্রান্ত। হাসিনা কিন্তু নিজ হাতে কাউকে মারে নাই (এক বজলুল হুদাকে নিজ হাতে জবাই করা ছাড়া)। কিন্তু দেশে যত খুন-খারাবি, রাহাজানি সব করছে হাসিনার মন্ত্রী-এম্পি এবং সাঙ্গোপাঙ্গরা। হাসিনা এদের দ্বারাই বাংলাদেশকে একদম খাল করে দিছে। আর সেই চোর-ডাকাত সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান হোতা, শেখ মুজিবের ডানহাত, বাকশালের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার, হাসিনার আমলের হাজার কোটির লুটেরা, শিবির কর্মী থেকে শুরু করে শাপলা চত্বর আর জুলাই ম্যাসাকারের রক্তের দাগ যার হাতে লেগে আছে, সেই তোফায়েল যখন মার গায়া বাঙালি তখনও কান্নার সাগরে ভাসে। আনিসুল হক আর মতিআলুদের শোকে তো অর্গাজম হয়ে যাচ্ছে। আর বাঙ্গু মিডিয়া নেমেছে কার জিব কত লম্বা, কে মরা তোফায়েলের পা সবচেয়ে ভালো চাটতে পারে। আসলে ২০০ বছরের গোলামির DNA বাঙ্গুদের শরীরে। ব্রিটিশরা ২০০ বছর ধরে এই জাতের পিঠের চামড়া তুলে গেছে, লাথি মেরে শাসন করেছে, তবুও এখনো এই দেশে ব্রিটিশরা আব্বোই। সেক্ষেত্রে তোফায়েল আর কত খারাপ! - সুমন আহমাদ

নারীকে পুরুষের কোম্পানি দেওনের জন্যই সৃষ্টি করা হইছে। আর এজন্যই একজন পুরুষ রাত-দিন কুত্তা খাটনি দিয়া টাকা কামাই করে শখের বেডি
নারীকে পুরুষের কোম্পানি দেওনের জন্যই সৃষ্টি করা হইছে। আর এজন্যই একজন পুরুষ রাত-দিন কুত্তা খাটনি দিয়া টাকা কামাই করে শখের বেডির লাইগা। নিজে কি খায় না খায় কিন্তু অন্য লোকের মেয়েকে ঘরে এনে সারাজীবন লালনপালন করে, তার স্বাদ-আহ্লাদ পুরুন করে, তার একটু সুখ ও বিলাসিতার জন্য দু-হাত ভরে টাকা খরচ করে। যারা এই সিস্টেম কে ভাঙতে চায় আর যারা এদের পাল্লায় পড়ে তারাই দিন শেষে মুড়ি খায়। পুরো লেখা এখানে: Facebook/Sumon/AhmadPost

Hea etai kurbani!
Hea etai kurbani!

বেসিক্যালি আম্মা তরকারির স্বাদ বুঝার জন্য যতটুকু গোশত খাইতে দেয়— . হোটেলে ওইটুকুর মুল্য ২০০ টাকা।

এত স্বাদ ক্যা!
এত স্বাদ ক্যা!

photo content

রামিসাকে যে হত্যা করেছে অয় নিজেই স্বীকারোক্তি দিছে। অপরাধীর সহযোগী তার বউ, সেও স্বীকারোক্তি দিছে। রামিসার মৃত দেহ অপরাধীর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হইছে, হাতে-নাতে সহযোগীকে ধরা হইছে, সিসিটিভি ফুটেজের প্রমাণ ও আছে। এই যে এত কিছুর পরেও আমরা বিচার পাবো না, কেন জানেন? কারন এটাই প্রগতিশীলদের আধুনিক গনতান্ত্রিক আইন। তাই বাদ্দেন, আগামী ১০ বছরেও রামিসার খু নির একটা বাল'ও ছিড়তে পারবেন না আপনারা। আইন তাকে জেলের ভিত্রে আপনার ট্যাক্সের টাকায় বসায় বসায় খাওইবো তিন বেলা।

শরীয়াহ আইন মধ্যযুগীয়, কারন এই আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে দ্রুত সময়ের মধেই রক্তের বদলে রক্ত, চোখের বলদে চোখ, জানের বদলে জান আদায় করা হয়। তাও আবার সবার সামনে প্রকাশ্যে- যাতে বাকিরা শিক্ষা পায়। কিন্তু যেহেতু আমরা চরম আধুনিকতার এই যুগে বসবাস করছি, তাই আমাদের সো মাচ আধুনিক গনতান্ত্রিক সিস্টেম মানতে হবে। চলুন জানি আধুনিক আইন কেমন- বাংলাদেশে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হলে সুনির্দিষ্ট কিছু আইনি ধাপ পার হতে হয়: ১. মামলা দায়ের। ২. বছরের পর বছর তদন্ত ও সাক্ষ্যগ্রহণ। ৩. হাইকোর্ট বিভাগে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি। ৪.আপিল বিভাগের রায়। ৫. আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে 'রিভিউ' (পুনর্বিবেচনা) আবেদন। ৬. সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন। এই পুরো ধাঁপ অতিক্রম করতে লাগে মাত্র ১০-১৫ বছর। ততোদিনে ভিক্টিমের ফ্যামিলি জয়বাংলা। আর গত ১০ বছরে আমাদের আধুনিক আইনে ১০১৭৮ টি ধর্ষণ ও খুনের মামলার মাত্র ৫ জনকে ফাঁসি দিয়েছে। - সুমন আহমাদ

[১] মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া বলাৎকারের মতো জঘন্য অপরাধকে আল্লাহর ওয়াস্তে নাস্তিকদের ষড়যন্ত্র বা ইসলামবিদ্বেষীদের প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দেওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। বাস্তবতা হলো- অপরাধ ঘটছে, এবং সেটা এখন ওপেন সিক্রেট। [২] তবে হ্যাঁ, দেশের সামগ্রিক অপরাধের রেশিওতে এই ঘটনাগুলো হয়তো বিচ্ছিন্ন, কিন্তু এর সামাজিক ইমপ্যাক্ট মারাত্মক। মাদ্রাসা মানেই এখন এক শ্রেণির মানুষের কাছে ‘পায়ুকামিতার আখড়া’ টাইপ বিষাক্ত ট্যাগিং অলরেডি সেঁটে গেছে। এই ব্র্যান্ডিং মাদ্রাসা শিক্ষার পিলারে পচন ধরাচ্ছে। [৩] মাদ্রাসা বোর্ড, বড় বড় আলেম এবং দায়িত্বশীল মুরুব্বিদের এই রহস্যজনক নীরবতা আর কাম্য নয়। উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে থাকলে সংকট কাটবে না। অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠান শুদ্ধ না করলে, সাধারণ মানুষ মাদ্রাসা শিক্ষার ওপর থেকে চিরতরে আস্থা হারাবে। [৪] এখনো সময় আছে অ্যাকশন নেওয়ার। যদি এখনই, আজকেই ব্যাবস্থা না নেওয়া হয়, তবে এই মাটিতে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা চরম এবং অপরিবর্তনীয় অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। আল্লাহর ওয়াস্তে মুরুব্বিদের কঠোর হতে হবে। ইসলামের ঢাল ব্যবহার করে মাদ্রাসার ভেতরে যারা এই নোংরামি চালাচ্ছে, তাদের পিঠের চামড়া তুলে নিতে হবে। পরে সাময়িকভাবে ওই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে। হার্ড লাইনে না গেলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা কাটবে না।

বাংলাদেশে এ যাবতকালের হ ত্যাকাণ্ড গুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম বিচার ও রায় ছিলো শহীদ আবরার ফাহাদ রাহিমাহুল্লাহর। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ হাসিনার ইমেজ বাঁচানোর জন্য দ্রুত এই রায় দেয়। তাও কত দিন লেগেছিলো জানেন? ২ বছর অর্থাৎ ১৯ সালের ঘটনার পর ২১ সালে রায় ঘোষণা হয়। সেই রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন এই রায় আজ'ও কার্যকর হয়নি! জ্বী ভাই আজ প্রায় ৭ বছর হতে চললো, কিন্তু একটি রায় ও কার্যকর হয়নি এবং আগামী ৪/৫ বছরেও হবে না। কেন জানেন? কারন এটাই ব্রিটিশদের তৈরি করে দেওয়া সেকুলার আইন। সবার পিও গনতান্ত্রিক সিস্টেম এটাই। - সুমন আহমাদ

[১] তালেবানরা যখন পুরো দেশ শরিয়াহ আইনে চালাত, তখন ক্রাইম করার আগে অপরাধীর বাপের নাম ভুলে যাওয়া লাগত। কিন্তু আমেরিকা এসে যখন সেখানে তাদের পবিত্র 'গণতন্ত্রের' বোমাবাজি করলো, দেশটা এক নিমেষে অরক্ষিত নর্দমা হয়ে গেল। খুন, রেইপ, ডাকাতি আর চুরির মতো জঘন্য অপরাধগুলো ডালভাত হয়ে গেল। [২] ভুক্তভোগীরা বিচারের আশায় কোর্ট আর উকিলের পেছনে চক্কর কাটতে কাটতে জুতার তলা ক্ষয় করে রীতিমতো ডিপ্রেসড হয়ে গিয়েছিল। কোনো একটা বীভৎস ক্রাইম লাইমলাইটে আসলে পুলিশ গিয়ে অপরাধীকে ধরত ঠিকই, কিন্তু কয়েক বছর পরেই দেখা যেত অপরাধী জামিনে বের হয়ে এসেছে। অথচ যে বৃদ্ধ বাবা তার সন্তানের খুনের বিচারের মামলা চালাতে গিয়ে নিজের শেষ ভিটেমাটি পর্যন্ত বিক্রি করে দিল, দিনশেষে সে তার সন্তান এবং মাথা গোঁজার ঠাঁই দুটাই হারাল। [৩] কিন্তু গেম চেঞ্জ হলো যখন যুদ্ধের মাত্র কয়েক বছর পরেই তালেবানরা আবার কয়েকটা প্রদেশের কন্ট্রোল নিজেদের হাতে নিল, তারা কোনো আমলাতান্ত্রিক প্যাঁচাল ছাড়াই অন-স্পট কাজি নিয়োগ করে শরিয়াহ আইন ইমপ্লিমেন্ট করে দিল। মানুষ তখন কাজির দরবারে বিচার নিয়ে যাওয়া শুরু করল। কিছু মাস পরেই দেখা গেল আমেরিকানদের চাপিয়ে দেওয়া ওই যুদ্ধ ছাড়া সেই প্রদেশগুলোতে চুরি-ডাকাতি আর রেইপের মতো কোনো অপরাধের অস্তিত্বই আর রইল না। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছিল যে, দেশের অন্য প্রান্তের মানুষও জেনুইন ইনসাফ পাওয়ার জন্য মাইলের পর মাইল হেঁটে ত| লেবানদের আস্তানায় ছুটে আসত। [৪] তালেবানরা আসলে কী এমন জাদুটোনা করত? কিচ্ছু না, তারা জাস্ট পিওর শরিয়াহ মোতাবেক অন-স্পট বিচার করত। ক্রাইম প্রুভড? ব্যস, তালেবানরা ওই অপরাধীকে কলার ধরে টেনে হিঁচড়ে কাজির দরবারে হাজির করত। কাজি সমস্ত এভিডেন্স দেখে অন দ্য স্পট রায় ডিক্লেয়ার করত। আর রায়ের পরপরই নো লেট- চোখের বদলে চোখ, রক্তের বদলে রক্ত, আর জানের বদলে জান উসুল করা হতো। [৫] কিন্তু আপনাদের ‘আধুনিক প্রগতিশীল’ গণতান্ত্রিক সিস্টেমে দোষ একশ পার্সেন্ট প্রমাণিত হওয়ার পরেও কাগজের রায় আসতেই মিনিমাম ৫ থেকে ৬ বছর লাগে। কচ্ছপের গতিতে ফাইল নড়ে। এরপর সেই রায় এক্সিকিউট হতে হতে আরও ৭-৮ বছর হাওয়া! এখানেই শেষ না, যদি কারো ফাঁসির রায় হয়েও যায় তবে মামা-খালুর জোর, পলিটিক্যাল বাপের পাওয়ার আর লাস্ট মোমেন্টে রাষ্ট্রপতির ‘মার্সি পিটিশন’ নামের সস্তা দয়ার ভিক্ষা নিয়ে ওই খুনি-ধর্ষক বহু আগেই মুক্ত বাতাসে এসে আবার নতুন শিকারের ধান্দা করে। [৬] যাইহোক এই সোনার বাংলায় তো যেনা-ব্যাভিচার জায়েজ কিন্তু মোল্লারা এই অশ্লিলতা করার জন্যও চাবুক মারে। আর খু নি ধ রষক'কে প্রকাশ্যে স্টেডিয়ামে নিয়ে ক ল্ল| আলাদা করে। কিন্তু এগুলা আপনাগো কাছে বর্বরতা আর আপনাদের গনতান্ত্রিক সিস্টেম'ই সহী। - সুমন আহমাদ

[১] কয়েকদিন আগে ঘরের সিধ কেটে ঢুকে একটা মেয়েকে গ্যাংরেপ করা হইলো, আর গতকাল মিরপুর ১১ তে ক্লাস টু-র একটা বাচ্চাকে জানোয়ারের মতো রেপ করে মাথা কেটে আলাদা করে রেখে দিল। জাস্ট থিংক অ্যাবাউট ইট- প্রতিটা দিন, এই নরকের মতো দেশে এমন পৈশাচিক রেপ আর মার্ডারের যেনো মহোৎসব চলতেছে। যেনো কে সবচেয়ে বেশি ব্রুটাল হইতে পারে। [২] জাতি হিসেবে আমরা নীতিনৈতিকতার সর্বনিম্ন স্তরে আছি। জাতিগত এই অধঃপতনের মেইন ভিলেন কে জানেন! এদেশের থার্ড-ক্লাস পঙ্গু আইন ব্যবস্থা। সেই বৃটিশ আব্বোদের তৈরি করে দিয়ে যাওয়া ‘ল’ আজ এই দেশের মানুষের জন্য জ্যান্ত আজাব হইয়া দাঁড়াইছে। অপরাধী কে, সেটা প্রমানিত হওয়ার পরও এই বালছাল আইনে মামলার রায় আসতেই বছরের পর বছর কাইটা যায়। এরপর আবার সেই কাগজের রায় এক্সিকিউট করতে করতে জানোয়ারগুলার চুলও বাঁকা করা যায় না। [৩] ততদিনে ভিক্টিমের ফ্যামিলি কোর্টের চত্বরে চক্কর খাইতে খাইতে, জুতার তলা আর পকেট দুইটাই খুইয়ে পথের ফকির হইয়া যায়। আর মাঝখান দিয়া ওই সাইকোপ্যাথ ধ র্ষ ক আর খু নিরা টাকার জোরে আর পলিটিক্যাল বাপের পাওয়ারে জামিনে বের হইয়া আসে। এসে আবার বুক ফুলায়া ঘুরে বেড়ায়, আর নতুন কোনো শিকার খোঁজে। [৪] কী কুৎসিত এক জিল্লতির জিন্দেগিতে আমরা ফাঁইসা গেছি। কী একটা অভিশাপ আমাদের ঘাড় মটকে ধরে বসে আছে। এই নরক থেকে আমাদের মুক্তি কবে মিলবে হায়! আইন এখানে ক্রাইমকে সিকিউরিটি দেয় আর ভিক্টিমকে জুতাপেটা করে। এই বিচারহীনতার দেশে আমরা সাধারণ মানুষ কোনো মানুষ না, ডেডবডিতে কিলবিল করতে থাকা কিছু পোকা-মাকড়। ধিক্কার এই নপুংসক সমাজকে। - সুমন আহমাদ