1 956
Подписчики
-324 часа
-57 дней
-1630 дней
Архив постов
1 956
নারী ও পুরুষ দুজনের শরীরই নশ্বর।
অর্থাৎ দিনে দিনে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে ভিতর থেকে ।
তবুও এই শরীর পরস্পরকে চায় আনন্দের জন্য। মিলনের এই স্পৃহা কখনো শেষ হয়ে যায় না।
তবে মিলন -
সৃষ্টির লক্ষ্যে হওয়া উচিত।
নারী পুরুষের দৈহিক মিলনের মধ্যে
তিনটা ক্রাইটেরিয়া রয়েছে।
প্রথমত:
বিনোদন যেটা শারীরিক।
দ্বিতীয়তঃ
উৎপাদন ।
যেটা পরবর্তী জেনারেশন সৃষ্টি করার জন্য।
তৃতীয়তঃ
সাধন !
অর্থাৎ এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে,
যে সাধনার প্রয়োজন মানুষের ,
তার জন্য একটা স্টেশন বলা চলে নারী।
সেটা পুরুষের স্টেশন।
আর পুরুষ
-নারীর স্টেশন।
তবুও নারী পুরুষ নফসের কারাগারে
বন্দি বলেই,
প্রতিনিয়ত পরস্পরের শরীরকে চায়
উদ্দাম হয়ে।
মনের চাঁদকে পূর্ন করার জন্য যে চাহাত এই নফসের মধ্যে রয়েছে,
পৃথিবীতে শরীর নিয়ে জীবিত থাকতে
যে অতৃপ্ত বাসনা রয়েছে ,
তা- কোন দিনও ফুরাবে না।
@Panna Chowdhury
1 956
২০২৪ চলে আসছে। সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে।স্কীল ছাড়া দুনিয়াতে কেউ এখন টিকতে পারবেন না। দুনিয়া এখন অনেক নিষ্ঠুর। যত স্কীল হবেন, ততই আপনার জন্য অনেক অনেক ইনকামের পথ খোলা থাকবে।
আপনি সারভাইভ করতে পারবেন। ২০২৪ এর শুরু থেকে স্কীল হওয়ার জন্য প্রস্তুতিত নিন আজই।
1 956
মেয়েদের বিয়ের বয়স! (সুস্থ ম/-স্তি-/ষ্কে মন দিয়ে পড়ুন প্লিজ!)
বাংলাদেশের মিডল ক্লাস আর হাই সোসাইটির মেয়েদের এখন লেইট ম্যারেজ হচ্ছে! সোজা বাংলায় বললে বিয়ে হচ্ছে না! একজন পুরুষ যখন সাতাশ আঠাশ বা ত্রিশে বিয়ে করতে মনস্থ হচ্ছে, সেই বয়সেও মেয়েদের বিয়ে হওয়া টাফ হচ্ছে!
এর কারণ একটাই! স্যোশাল প্রোপা-গান্ডা... এখন বিয়ে দেবনা/করবনা/লেখাপড়া শেষ হোক/কিছু করে নিজের পায়ে দাঁড়াক!
এসব করতে করতে এখন আঠারো/বিশের নারীদের জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসাটাই বন্ধ হয়ে গেছে বলা চলে! সবাই ধরেই নেয়, সবে ইন্টার দিল! হয়তো এখন কি আর বিয়ে করবে বা দিবে পরিবার?
অনার্স, মাস্টার্স, ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং, হেন-তেন না পড়ালে বা পড়ার শেষ পর্যায়ে না থাকলে বিয়েতো দেবেনা! আর ঐ বয়স হওয়া পর্যন্ত নারীটির দেহের চাহিদা, মনের চাহিদা সব খট-খটে হয়ে যায়।
আর বিয়ে যেসব নারীদের জন্য প/নে/রো, ষো-ল, স-তে-রো, বা বিশ বছরে শারিরীক চাহিদার ক্ষেত্রে অবশ্যই ফরজ (ফিকাহ বা শরীয়ত অনুযায়ী ও যদি বলি) হয়ে পড়েছে, তারা চরম বিপাকে পড়ে! স্বাভাবিক তাড়নায় যদি অন্য দিকে চলে যায়, সমাজ তার চ-রি-ত্র নিয়ে কথা বলবে! কিন্তু সহজে বিয়ে হবেনা!
কারণ, কালচারে মিশে গেছে পঁচিশ বছরেও মেয়েরা আজকাল "বাচ্চা মানুষ" থাকে।
ও তো ছোট! এত তাড়াতাড়ি কিসের বিয়ে?
সাথে সাথে মেয়েগুলো ও আহ্লাদী কন্ঠে বলে, "এত তাড়াতাড়ি বিয়ে করবনা..."
আমি বলি, এত না-ট-ক করার কি আছে? মনে হয়, তোমাদের বিয়ে করার জন্য লা-ই-ন লেগে আছে? যাকে পছন্দ, তাকে তোমরা বরমাল্য দিবা? আসল বাস্তবতা হল, যতই জা-ত, বংশ, রূ-প, গু-ণ থাকনা কেন, এখন মেয়েদের জন্য বিয়ের প্রস্তাবই আসছেনা! আসলেও খুবই কম। অভিভাবকদের নাক সিঁটকানো স্বভাব দায়ী এজন্য, ঐ যে..."এখন বিয়ে দেবনা!"
তাদের মেয়েরা বিশাল বড় বড় পো-স্টে আসীন হবে, তারপর বিয়ে করবে! বাহ্! কেন সকল নারীকে বিশাল সব পোস্টে জব করতেই হবে?! ইস-লাম কি নারীদের অর্থনৈতিক দায় দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে?
তাহলে নিজের ঘাড়ে অত প্রে-সা-র নেয়া কেন? যারা স্পেশাল মেধাসম্পন্ন তাদের কথা আলাদা। তারা করুক....কিন্তু এলেবেলে যেনতেন সবাই এই ক্যারিয়ারের পিছে ঘুরার ফলাফল : বিয়ে হচ্ছে না আজকাল নারীদের সঠিক বয়সে!.
মেয়েদের যৌ-ব-নে-র আবেগ স্বাভাবিকভাবেই ত্রিশের পর শেষ হতে শুরু করে। তখন গিয়ে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করে। তারপর ফিলিংলেস হৃদয় ও বদনে (তনু মনে) স্বামী সংসার করতে থাকে। একসময় বি-র-ক্ত হয়ে ডি/ভো/র্সে গড়ায়! আবেগের বয়সে, সঙ্গীকে আবিস্কারের বয়সে বিয়ে না করলে এমনটাইতো হওয়ার কথা! শিথিল আবেগ দিয়ে মহা-প্রেম, অমর প্রেম সম্ভব?
যায়হোক, শেষবয়সে কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাদের আহা-জারি বাংলাদেশে এখন দেখার মত! ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ হচ্ছে বহু মেয়ে, যাদের এখনো বিয়ে হয়নি! দেখা যায়, তার ছোট অনেকের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, তার হচ্ছে না! শহরে এ বাস্তবতা প্রকট আকার ধারণ করেছে!
আরেকটা বিষয়, বিশ বাইশ বছরের শিশু ও বেশি হলে কিশোরী (!)দের মায়েরা, তাদের মেয়েদের কোন দিকেই সাং-সারিক ও সামা-জিকতায় পরিপক্ক করে তুলেননা! ফলাফল তারা পরবর্তী সংসার জীবনে এডজাস্ট করতে পারেনা!
পরিশেষে, "যে যুগ হয়েছে বাসী...
সে যুগে নারীরা ছিল রাণী হয়ে,
এখন হয়েছে দা/সী!" (স্বরচিত পংক্তি)
প্লিজ, ব্রে-ইন-টা হাতে নিয়ে একটু চিন্তা করুন সবাই! সময়ের কাজ সময়ে করান। দুপুরের ভাত বর্জন করে রাতে খেতে থাকলে গ্যা/স্ট্রি/ক তো অনিবার্য!
~ শাহেদা নাঈম!
1 956
Being a ব্যাডা মানুষ isn’t so easy, প্রিয় মহিলার জন্য ব্যাডা মানুষ তার জানালার পাশের সিট স্যাক্রিফাইস করে দেয়, রাস্তায় হাঁটার সময় যানবাহনের সাইডে ব্যাডা মানুষ থাকে, রিকশাতে উঠলে সেইফ জোনে ব্যাডারা তার প্রিয় মহিলাকেই রাখে।
বাবা, ভাই, স্বামী সবাই ব্যাডা মানুষ। একজন মহিলার জীবনে এই ব্যাডা মানুষেরা না থাকলে জীবন অর্থহীন হয়ে যেতো। ব্যাডাদের প্রতি বিদ্বেষ রেখে নারীর সুন্দর জীবনের বিলাসিতা করা পাপ।
I have huge respect for men no matter how much I suffer.
লেখা:সুমি আক্তার
1 956
ঝাল লাগলে পানি নয়, লিকুইড দুধ খাবেন । দুধের মধ্যে casein বলে একধরনের প্রোটিন আছে । এটি মরিচের ঝাল কমিয়ে দেয় । মরিচের ঝাল হয় capsaicin উপাদানটির কারণে । দুধের casein উপাদানটি জিব্বায় স্বাদের রিসেপ্টরের উপর একটি আবরণ তৈরি করে । এতে মরিচের ঝালের উপাদান capsaicin তখন জিব্বায় লেগে থাকা দুধের casein উপাদানটির দ্বারা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় । আর তাতে ঝাল কম মনে হয় তখন ।
- ডা. অপূর্ব চৌধুরী
1 956
যারা সহ-শিক্ষা কিংবা ফিতনার পরিবেশ থেকে বের হতে চান, নারীদের মূল ক্যারিয়ার—সন্তান পরিবারকে সাহাবীগণের মতো গড়ে তুলতে চান, শুধু তাদের জন্য!
প্রকৃতপক্ষেই শিক্ষিত হতে চাইলে দ্বীনি ইলম অন্বেষণ করুন, না হলে সন্তানকে উত্তমভাবে নার্সিং করবেন কিভাবে!
• অন্তত এগুলো জানার চেষ্টা করুন/শিখুন—
১. ফরজ ইলম (মৌলিক আকিদাহ, ফরজ ইবাদাত ও দায়-দায়িত্ব এবং হালাল-হারামের ইলম),
২. সুন্নাতি লাইফস্টাইল সম্পর্কিত ইলম,
৩. সাহাবীগণের জীবনী,
৪. বড় বড় মুসলিম মনীষীগণের জীবনী, বিশেষ করে কিভাবে তারা বেড়ে উঠছে, কিভাবে তাদেরকে নার্সিং করা হয়েছে,
৫. শিশুদের সাইকোলজি ও মুসলিম পুরুষের সাইকোলজি,
৬. পরিবারের নিউট্রিশন, ফিটনেস, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জরুরি ইনফো সমূহ,
৭. রব্বায়াতুল বাইত (বাড়ির রানী) হিসেবে দায়িত্ব ও করণীয় সমূহ,
৮. এবং সাংসারিক দক্ষতা-কাজকর্ম (রান্না, সেলাই ইত্যাদি)
iOT-এর যুগে এগুলো শেখার উপায় নেই বললে, সে আসলেই অতিমাত্রায় ব্যাক-ডেটে-ড!
এর বিপরীতে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় ডক্টরেট থাকলেও আমরা তাকে জা_হি_ল/মূ-★র্খ-ই গণ্য করবো, সার্টিফাইড মূ_★র্খ।
1 956
স্ত্রী আপনার সংসারের সবুজ বৃক্ষ, তার যত্ন নিন।তাকে আপনার মেজাজের উত্তাপে বিবর্ণ করবেননা।তাকে ভালবাসুন।কাপুরুষের মত তার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত না হয়ে,ভালবাসা আর সহমর্মিতা দিয়ে সংসার সামলানোর গুণ অর্জন করুন।আপনার স্ত্রীকে আপনার সেবা করতে বাধ্য করবেননা,আপনাকে ভালবাসতে বাধ্য করবেন।দেখবেন খেদমত অনায়াসে পেয়ে যাবেন।
ইনশাআল্লাহ।
1 956
মারজুক রাসেলের একটা কথা আছে, "তুমি কারো কাছে ডাইল-ভাত, কারো কাছে কাচ্চি।"
কথাডা ডাহা সত্য। আমরা কারো-কারো কাছে দু-পয়সারও দাম পাই না; আবার কারো-কারো কাছে বিশেষ প্রায়োরিটি পাই।
সমস্যা হইলো, আমরা ঘুইরা-ফিরা তাদের কাছেই যাই, যাদের কাছে আমরা ভ্যালুলেস। আর যারা আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টের উপরে রাখে, তাদের সঙ্গ আমাদের ভালো লাগে না।
মানুষ হিসেবে আমরা যথেষ্টই বেকুব। ডাইল-ভাতের হোটেলে গিয়া কাচ্চির আশায় বইসা থাকি।
1 956
আমরা মুসলিম!
ছাত্র রাজনীতি, র্যাগ ডে, ওরিয়েন্টেশন এর নোংরামি আমাদের নয়।
আমরা মুসলিম!
ভার্সিটির ফ্রিমিক্সিং ট্যুর, পিকনিক এগুলো আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
ভার্সিটিতে ছেলে মেয়ের একসাথে যে ছবি (ফটোগ্রাফি) তোলা হয় বিভিন্ন উপলক্ষ্যে, এটাতে অংশগ্রহণ আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
হলে রাত জেগে খেলে দেখা, খেলা উপভোগ, পছন্দের টিম হারলে মন খারাপ, এটা নিয়ে তর্ক বিতর্ক এগুলো আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
অকারণ চায়ের কাপের আড্ডা, সময় নষ্ট আমাদের জন্য নয়।
আমরা মুসলিম!
ল্যাবমেট, গ্রুপমেইট এর নামে আমাদের ছেলেদের কোন বান্ধবী, বা মেয়েদের কোন বন্ধু থাকতে পারে না। কোন তুই তুখারির সম্পর্কও না।
যদি আমাদের বোনেরা ফেইলও করে, তবুও কোন ছেলের থেকে তার নোট, সাহায্য ইত্যাদি নেবার উসিলায় কমিউনিকেশন করা তার জন্য না। বান্ধবী, সিনিয়ির আপু আছে৷ ইউটিউব আছে৷ আর যদি কিছুও না থাকে তবুও না৷ লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হলে, তবুও না৷
আমাদের ভাইদের উচিৎ, ক্লাসমেট মেয়েদের আগুন মনে করা। ততটাই দূরে থাকা যতটা মানুষ আগুন থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করে।
যে মুসলিম, সে আত্মসমর্পণ করেছে!
তাই দ্বীনে এক বিন্দু ছাড় নয়, এক্সট্রিম স্ট্রিক্ট হতে হবে৷
— Shah Mohammad Tonmoy
1 956
মাহমুদুল হাসান সোহাগ ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান হিসেবে উদ্ভাসকে আমরা সবসময় প্রায়োরিটি দিই। উদ্ভাসের স্ট্র্যাটেজি এবং পার্ফমেন্সের দিক চিন্তা করলে এখনো সারাদেশে এডমিশন কোচিংয়ের জন্য অদ্বিতীয়।
এডমিশনের সময় তথা উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে যেমন আবেগ বেশি কাজ করে তেমনি সাকসেসের ডেফিনিশনটাও এই সময়ে ভিন্ন হয়। এই দেশের অন্তত নব্বই শতাংশ ছেলে-মেয়ের স্বপ্ন পাবলিক ইউনিভার্সিটি, লাইফের একটা মাইলস্টোন হিসেবে পাবলিকে চান্স পাওয়ার মতো বিষয়টাকে দেখা হয়। এই গোল সেট করাটা বাস্তবসম্মত কি না এই ব্যাপার আপাতত থাক।
এই ভূমিকা তুলে আনার পেছনে কারণ হচ্ছে এই সময়টাতে মেয়েরাও ব্রেইনওয়াশড হয়ে পাবলিকে চান্স পাওয়াটাকেই জীবনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বানিয়ে ফেলে। পাবলিকে ভালো রেজাল্ট করে সদ্য চান্স পাওয়া বড় ভাইয়েরা যেহেতু উদ্ভাস, উন্মেষের মতো বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের টিচার হিসেবে থাকে তাই মেয়েদের কাছে এই ভাইয়ারাই তখন সফলতম পুরুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
তখন জিনিসটা হয় কী, এই ভাইয়াদের প্রতি মেয়েদের মেজরিটির উইকনেস তৈরি হয়। এই কথিত ভাইয়াদের সাথে বয়সের গ্যাপও কম। কোচিং করতে আসলে ভাইয়েরা জীবনের মানে, সফলতার ডেফিনিশনসহ নিজেদেরকে তুলে ধরার একটা মোক্ষম সুযোগ পায়। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েই মেয়েদের উইকপয়েন্টে হিট করে তাদের লাইফে এন্ট্রি নেয়া খুব সহজ ব্যাপার। মেয়েদের দোষ নেই এমনটাও বলছি না। এসব মেয়ে এমনিতেই জেনারেল এডুকেশনে থেকে না ধর্মীয় বিধিনিষেধ শেখে, না নৈতিকতা শেখে।
তখন এই মেয়েদের সামনে রঙিন এক জীবন উপস্থাপন করা হয়, যেখানে কোনো বাধা নেই, লিমিটেশন নেই। এই জীবনে এন্ট্রি নিতে শুধু “পবিত্রতা বিসর্জন” দেয়া প্রয়োজন। পবিত্রতাকে তুচ্ছ হিসেবে উপস্থাপন করে লাইফের আল্টিমেট গোল হিসেবে তথা ভার্সিটিতে একটা সিট এনশর করাই মূখ্য হয়ে ওঠে। বিয়ের মতো বিষয়গুলোকে তখন নোংরা উদ্দেশ্য সার্ভ করার জন্য ক্ষতিকর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
যাই হোক, সার্বিক পরিস্থিতি বর্ণনা করার কারণ হলো সম্প্রতি একটা ভিডিও ভাইরাল হয় উদ্ভাসের শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ তানভীরের একটা অডিও কল থেকে যেখানে সে এক শিক্ষার্থীকে বুয়েটে চান্স পাওয়ার জন্য, একাডেমিক হেল্প পাওয়ার জন্য শারীরিক সম্পর্কের প্রতি উৎসাহিত করে। এই লম্পটের বক্তব্য অনুযায়ী সে এরকম অনেক মেয়েকে দেখেছে যারা এভাবে শরীর বিলিয়ে এখন বুয়েটে চান্স পেয়েছে, সুন্দরভাবে জীবন কাটাচ্ছে। একাডেমিক হেল্পের জন্য শরীর বিলিয়ে দেয়াটাই নাকি এখন মেইনস্ট্রিম।
সোহাগ ভাই অনলাইনে থাকেন না বিধায় এমন বিষয়গুলো উনার জানা নেই হয়তো। উদ্ভাসের অনেক ব্রাঞ্চে ছেলে মেয়ে আলাদা শিফটে পড়ে এটা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু বিপরীত লিঙ্গের শিক্ষককে দিয়ে পর্দার ব্যবস্থা ছাড়া পড়ানোটা সমাজে কেমন বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে এই বিষয়টা উনার সামনে তুলে ধরা দরকার। আমি প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তির কাজের দায় দিচ্ছি না। উনার নাম তুলে আনারও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নেই ওয়াল্লাহি! কিন্তু উনার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অবাধ যৌনতা চর্চার সুযোগ যেন, অশ্লীলতার দিকে ডাকার সুযোগ যেন কেউ না পায় এই অনুরোধটা উনার কাছে করতে চাই।
এরকম ঘটনা পূর্বেও ঘটেছে, ভেতরে ভেতরে ঘটে চলেছে। পশ্চিমা বিশ্বের সুগার বেবি কালচারে ইজ্জতের বিনিময়ে টাকাপয়সার লেনদেন হলেও এখানে একাডেমিক হেল্পের আশ্বাসে ইজ্জত বিলিয়ে দেয়ার বিষয়টা আরো কত ভয়াবহ একবার কল্পনা করা দরকার।
এই ধারাবাহিকতা ম্যান্টেইন করে বিভিন্ন কলেজ ভার্সিটির মেয়েরা সরাসরি পতিতাবৃত্তি করে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন শহরে এটাও এখন ওপেন সিক্রেট। এই জিনিসগুলো বন্ধের কথা বললে অবশ্য কিছু লোক বলে নারীরা পড়ালেখা ছেড়ে দেবে নাকি? আমার প্রশ্ন হলো কীভাবে এগুলো বন্ধ করা সম্ভব? সমাধানটা শরীয়াহ দিলে সেটা তো মানতে চাই না আমরা। আপনারাই বরং সমাধানটা বলুন!
1 956
বঙ্গ নারীদের লুক্ষম্যাক্সিং এর 5 টি রুলস :
১) খুব কম মেকাপ ইউজ করার ট্রাই করবেন । নিজের ফেইস শেইপ ইমপ্রুভ করুন ফেইস ফরোয়ার্ড গ্রোথ করুন তবেই সুন্দর ফেসিয়াল সিমেট্রি আসবে ।
২) এক্সারসাইজ মাস্ট লাগবেই আপনার শরীর সুস্থ্য থাকার জন্য এবং এস্থেটিক ফিগারের জন্য । আওয়ার গ্লাস ফিগার কে গোল সেট করে এক্সারসাইজ করুন ।
৩) আপনার পার্টনার ছাড়া অন্য কোনো ছেলের সাথে বাড়তি কথা বলা এভয়েড করুন । এদের ডিলিট করে দিন মন থেকে ।কিছু ছেলে জাস্ট আপনাকে ওয়ান টাইম ইউজ এর জন্য দেখবে । আসলে এতে ছেলেদের দোষ নাই ।তাদের ব্রেন এভাবেই ডিজাইন করা ।
৪) ডায়েট সবচেয়ে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট । ইস্ট্রোজেন হরমোন বাড়ায় যেসব খাবার সেসব খান । হাই ইস্ট্রোজেন নারী কে পরিপূর্ন নারী বানায়। প্রশস্ত স্তন , ওয়াইড পেলভিক সাইজ এসব কিছুই ইন্ডিকেট করে হাই ইস্ট্রোজেন ওম্যান ।
৫) আপনার বাজে ভাবে শোয়ার অভ্যাস স্কিন রিংকেলস বাড়ায় । বঙ্গ নারী কে রিঙ্কেলস এর জন্য ভালো লাগে না ।তাই ফেসিয়াল ইয়োগা করুন ।
1 956
সামগ্রিক ভাবে সু বলতে জুতা বোঝানো হয়। বাংলা ভাষায় সবগুলোকে জুতা বললেও ইংরেজিতে এদের গঠন অনুসারে আলাদা করে নামকরণ করা আছে।
যেমন: বুটস, স্নিকার্স, স্যান্ডেলস, ফ্লিপফ্লপ, স্লিপার্স, স্লাইডারস ইত্যাদি।
স্নিকার্স একধরনের কেডস জাতীয় জুতা। এগুলো হালকা হয়। ট্রেইনিং,জিম, ও রানিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই বৃটিশ ইংরেজিতে এগুলো ট্রেইনার নামে পরিচিত।
বিঃদ্রঃ বাংলায় জুতা বলে থাকলেও ইংরেজিতে বলার সময় এদের প্লুরাল ফর্ম ব্যবহার করা হয়।
1 956
আমারা মেযেরা কখনোই ব্যাডা মানুষের কষ্ট টা বুঝি? তারা হাজার চিন্তা মাথায় নিয়ে ঘুরে কিন্তু তারা সেটা আমাদেরকে বলে না।
তাদের দেখলেও সেটা বোঝা যায় না। আমাদের সাথে একটু ঠিকভাবে কথা না বললে আমরা শুরু করে দেই তার সাথে নতুন কাওকে পেয়েছে হয়ত তাই এখন আর আমাকে ভালো লাগে না। আমরা কি আদো তাদের বোঝার চেষ্টা করি কই জনই বা করে উল্টে আরো তাদের সাথে রাগ দেখাই। কেনো আমরা কি চাইলে তাদের বুঝতে পারি না তাকে আর কিছু দিয়ে হেল্প করতে পারেন বা না পারেন মানসিক ভাবে শান্তনা তো দিতে পারেন। এই যে এত বিচ্ছেদ কেন হয় বলতে পারেন আসলে একটা মেয়ে অপর পাশের মানুষ টাকে জানার বা বোঝার চেষ্টা করে না। কিছু হতে না হতেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিবে ছেলে রা বেইমান। আসলেই কি তারা বেইমান? এই যে আমারা যে হুট করেই বলে ফেলি একটা ছেলের সাথে সারাজীবন কাটাবো কথাটা বলে ফেলা যতটা সহজ করাটা কিন্তু ততটাই কঠিন।
লেখাঃ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।
1 956
আজ ভোরে জাবালিয়ার বিদ্ধস্ত এক হাসপাতালের ভগ্নপ্রায় অপারেশন থিয়েটারে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ফাতিমা। রুমের নিভু নিভু আলোতে ডাক্তাররা যখন সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানকে দেখলেন, চোখেমুখে তাদের আনন্দের জোয়ার বয়ে গেল। দৌঁড়ে গিয়ে এক নার্স ফাতিমার স্বামীকে সংবাদ দিলেন, মিষ্টি আনো যুবাইর, আল-কুদসের আরও একজন প্রহরী এসেছে দুনিয়ায়, তোমার ছেলে হয়েছে। রাতভর অপেক্ষমান স্বামী খুশিতে দিশেহারা হয়ে গেলেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের সন্তানের অভাব অবশেষে আল্লাহ দূর করলেন। একে আল-কুদসের জন্যই উৎসর্গ করার ঘোষণা দিলেন তিনি।
এদিকে ফাতিমা নার্সকে বললেন, একটা কলম এনে দিন আমাকে। এখনই লাগবে। কলম আনা হলো। ফাতিমা কলম দিয়ে সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলের বাহু আর উরুতে তার নাম লিখে দিলেন— সাইফুল্লাহ।
পরদিন ভোর—চারদিকে হইচই, কান্নার আওয়াজ, সবাই দিগ্বিদিক দৌড়াচ্ছে। জাবালিয়ার সেই বিদ্ধস্ত হাসপাতালে ভোররাতে আবারও হামলা হয়েছে। ইস-রাইলী মিসাইল একের পর এক এসে পড়েছে হাসপাতালের ওপর। সবাই যার যার স্বজনদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তাদের মধ্যে যুবাইরও আছে। স্ত্রী আর সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানকে খুঁজে বেড়াচ্ছে সেই সকাল থেকে। সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকালে দুজনেরই খোঁজ পাওয়া গেল। দুজনেরই চেহারা বিদ্ধস্ত হয়ে আছে, চেনার উপায় নেই। তবে ছেলের হাতে লেখা সাইফুল্লাহ নামটি এখনো জ্বলজ্বল করছে। আর তার একটা আঙুল মায়ের আঙুলে জড়িয়ে আছে।
হে ধরণি! এবার তো দ্বিধা হও!
হয় নিজে ধ্বংস হও,
নাহয় জালিমদের ধ্বংস করাে।
1 956
কোর্ট ম্যারিজ করলে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত কাবিননামা কখনোই পাবেন না। কারন কোন ম্যারিজ আইনত বৈধ কোন বিয়ে না। এটা এক প্রকার দলীল করা টাইপ বিয়ে ঘোষণা দেয়া মাত্র। সেটাও অফিশিয়াল নয়। কাবিননামা এবং আইনত বৈধ বিয়ে করতে চাইলে কাজী অফিসে কাজী দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করে বিয়ে করতে হবে। ovida
1 956
বই পড়াকে আকর্ষণীয় ও ইফেক্টিভ করার কিছু কৌশল :
🔹 বই পড়ার জন্য বাসায় পছন্দমত কোনো স্থান নির্বাচন করে নেওয়া।
🔹 সামর্থ্য থাকলে বাসার কোনো স্থান বা রুমকে স্টাডি রুম হিসেবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া।
🔹 দৃষ্টিনন্দন সেলফ বানিয়ে নিলে তা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এবং পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাহায্য করে থাকে।
🔹 মাঝেমধ্যে নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক মনোভিরাম স্থানে যেয়ে বই পড়া যেতে পারে।
🔹 বইয়ে হাত রেখে বা স্পর্শ করে পড়া হলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় ৷
🔹 আন্ডারলাইন করার জন্য কলম বা পেন্সিলের পাশাপাশি মার্কার ব্যবহার করলে তা দৃষ্টিকে একপ্রকার আনন্দ দেয় এবং অধ্যয়নে মনোযোগ আনয়নে সহায়তা করে।
🔹 সবসময় নিঃশব্দে না পড়ে সশব্দেও পড়ার অভ্যাস করে নেওয়া যেতে পারে। শব্দ করে পড়লে একসাথে চোখ এবং কান দুইটি ইন্দ্রিয় ব্যবহৃত হয়। ফলে তা অন্তরে অধিকতর স্থায়ী হয়।
🔹 পড়তে বসার পূর্বে সকলপ্রকার connectivity-এর সামগ্রীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা।
🔹 পড়াকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে নিলে পড়ায় গতি বৃদ্ধি হয় এবং মনোযোগ বাড়ে।
🔹 সম্ভব হলে সুন্দর ও আকর্ষণীয় কাভারের বই নির্বাচন করা, কেননা তা বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। এবং বই প্রিন্ট করিয়ে নিলে সম্ভব হলে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর কাভারের সাথে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া।
🔹 প্রতিদিন রাতে পরবর্তী দিনের পড়ার রুটিন করে স্টিকি নোটে লিখে দৃশ্যমান কোনো স্থানে সেঁটে দেয়া গেলে খুব ভালো হয়।
🔹 পড়ার ক্ষেত্রে এমন পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যা নিজের তুলনামূলক সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়ে বেশি হবে না।
🔹 পড়তে কষ্ট হলে বা কঠিন হলে দিনের একাধিক অংশে পড়া শেষ করার চেষ্টা করা।
🔹 সর্বোপরি নির্দিষ্টকৃত অংশ শেষ করার প্রাণপণ চেষ্টা করা।
🔹 কঠিন বই হলে পড়তে সময় নেয়া, কেননা তা আত্মস্থ হতে সময় লাগে। প্রয়োজনে একাধিকবার পড়া।
🔹 পঠিত বিষয় মনে রাখার জন্য তা আমলে পরিণত করা।
🔹 পঠিত বিষয়বস্তু কারো সাথে আলোচনা করা। এতে তা সহজে মনে থাকে।
[Aslaf Academy এর The Art of Reading কোর্স থেকে]
টিপসগুলো ভালো লেগে থাকলে পরিচিতজনের সাথে শেয়ার করুন। আরো এমন টিপস-ট্রিকস পেতে আসলাফ একাডেমির পেইজে চোখ রাখুন...
1 956
#positivemindset
•আমাদের সমালোচকরা আমাদের শক্তিশালী করে তোলে!
•আমাদের ভয় আমাদের সাহসী করে তোলে!
•আমাদের বিদ্বেষীরা আমাদের জ্ঞানী করে তোলে!
•আমাদের শত্রুরা আমাদের সক্রিয় করে তোলে!
•আমাদের বাধা আমাদের উৎসাহী করে তোলে!
•আমাদের ক্ষতি আমাদের ধনী করে!
•আমাদের হতাশা আমাদের নিয়োগ করে!
•আমাদের অদেখা সম্পদ আমাদের দেয়
পরিচিত শান্তি!
• আমাদের বিরুদ্ধে যা কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে তা আমাদের জন্যই কাজ করবে 💙💜
1 956
সংগৃহীত :
মুমিন মুসলমানদের জন্য সূরা হুজুরাত থেকে নয়টি সুন্দর উপদেশ।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে যখন একটি কাঁচের পাত্র ভেঙে যায়, ভাঙার সচকিত শব্দটি অবিলম্বে অদৃশ্য হয়ে যায়, কিন্তু যেখানে কাচের টুকরোগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, তার উপর দিয়ে কেউ হেটে গেলে তিনি আঘাত প্রাপ্ত হন, বা পা কেটে যায়!
একইভাবে, যখন আমি এমন কিছু কথা বলি যা কারো আবেগ এবং অনুভূতিতে আঘাত করে, তখন আমার কথাগুলির শব্দ অদৃশ্য হয়ে যায়, কিন্তু তা অন্যের হৃদয়ে দীর্ঘকাল ধরে বাজতে থাকে আর বেদনা হতে থাকে।
অতএব, যা ভাল তা ছাড়া আর কিছু না বলি এবং কোন মুসলিম ভাই-বোনকে বা অন্যদেরকে কিছু বলার আগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সূরা হুজুরাতে (আচরণের সূরা) যে নয়টি উপদেশ ও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন তা সর্বদা মনে রাখি।
আল্লাহর দেয়া সেই ৯টি উপদেশ কি কি?
১) "ফা তাবাইয়ানু"-মানে তদন্ত করুন। যখনই আপনি অন্যের সম্মন্ধে একটি তথ্য পাবেন তা সত্যি কিনা তা নিরীক্ষা ও যাচাই করুন, যাতে আপনি তা অন্যকে বলে দিয়ে অজ্ঞতাবশত অন্য মানুষের ক্ষতি না করে ফেলেন।
২) "ফা আসলিহু"-মানে মীমাংসা করুন। কোন উল্টা পাল্টা কথা কারো বিষয়ে উঠে এলে বিশ্বাসীরা ভাই ভাই হিসাবে অন্য ভাইদের সাথে তা মিটিয়ে দিন যাতে আপত্তিকর কথা কেউ না ছড়ায়।
৩) "ওয়া আকসিতু"- মানে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করুন। যখনই মানুষের মধ্যে বিবাদ হয় তখনই তা মীমাংসার চেষ্টা করুন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ন্যায়বিচার করে দিন, কারণ আল্লাহ জাল্লাহ শানুহু ন্যায়পরায়ণতাকারীদের ভালবাসেন।
৪) "লা ইয়াসখার"- মানে মানুষকে উপহাস করবেন না, যাকে নিয়ে হাসছেন তিনি বা তাঁরা আল্লাহর কাছে আপনার চেয়ে উত্তম হতে পারে।
৫) "ওয়া লা তালমিজু"- মানে একে অপরকে অপমান করবেন না।
৬) "ওয়া লা তানাবাজু"- মানে একে অপরকে আপত্তিকর নামে ডাকবেন না। (অমুক জন্তুর বা অমুক চরিত্রের মানুষের বাচ্চা ইত্যাদি।)
৭) "ইজতানিবূ কাছীরাম মিনাজ্জান্নি" মানে নেতিবাচক অনুমান এড়িয়ে চলুন, কারো সম্মন্ধেই কোন নষ্ট অনুমান করা গুনাহ।
৮) "ওয়ালা-তাজাছছাছূ" - মানে একে অপরের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না। এই আয়াতের হুকুমে না জানিয়ে কারো কথোপকথন রেকর্ড করা ইসলাম বিরোধী গুনাহের কাজ। তেমনি গুনাহ হচ্ছে কান লাগিয়ে গোপন কথা শোনার চেষ্টা করা।
৯) "ওয়া লা ইয়াগতাব" মানে একে অপরের সম্পর্কে গীবত করবে না।
1 956
মুসলমানী করতে আসা বেশিরভাগ বাচ্চাই ভাবে, এই সার্জারীতে তার সম্পদের মুন্ডপাত করা হবে। আর এই ভয় থেকেই তারা আসলে কো অপারেট করতে চায় না।
কারণ আসার আগে তার বাবা মা তাকে বলে
"আরে কিছু না, আংকেল একটু দেখবে!"
বাচ্চা এটা ভালোই বুঝে যে আংকেলের কোনো ঠ্যাকা পড়ে নাই তার সম্পদ এক ঝলক দেখার জন্য এই এলাহী আয়োজন করার।
আপনি যতই বললেন, "আংকেল কিছু করবেনা, শুধু দেখবে!" বাচ্চার মনে ততোই ভয় জন্মায়, তাকে অন্ধকারে রেখে তার সম্পদ এই সার্জন আংকেলের কাছে বেঁচে দিচ্ছে তার বাবা মা। আজ এই পাষন্ড তার আজন্ম লালিত সম্পদ উপড়ে নিবে!!!!
এমনকি জ্ঞান ফেরার পরই বাচ্চা ব্যান্ডেজ দেখে অনেকসময় বলেই বসে "কাইট্টা লাইলোরে!!!"।
বলেই শুরু করে তিড়িং বিড়িং!
আমি তো এতে বাচ্চার কোনো দোষই দেখিনা। ভেবে দেখেন তো, আপনার যদি কখনও মনে হয়, কেউ আপনার সাথে এমন করছে, আপনি নিতে পারবেন? জিগসও তো এতোটা স্কেরি কাজ করতো না।
কিন্তু কেন ভাই? বাচ্চাকে একটু কাউন্সিলিং করে আনা যায় না??
বাচ্চাকে এটা বোঝানো যায় যে তার অতিরিক্ত চামড়া শুধু "সরিয়ে" দেয়া হবে?
এবং এরপর তার সম্পদ তারই থাকবে, বরং হবে আগের চেয়েও ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম!
দুনিয়াতে মানুষ তখনই আপনাকে কোঅপারেট করবে, যখন আপনি তাকে মোটিভেশান দিতে পারবেন। ভালো মোটিভেশান আর ইন্সপাইরেশান দিলে মানুষ এক পায়ে এভারেস্ট জয় করে ফেলে সেখানে এক সারকামসিশান কি এমন কষ্ট!
মোটিভেশান না দিয়ে আপনারা দিচ্ছেন ভুজুংভাজুং , "আংকেল একটু দেখবে" "একটা পিপড়া কামড় দিবে" "একটা পাখি গান গাবে!" এইসব কি গোজামিল কথাবার্তা! এইসব গোজামিল বাচ্চারা বুঝে।
আজ এক বাচ্চা বললো, আংকেল যদি দেখতেই চায়, তাহলে ছবি তুলে নিয়ে যাক, যত খুশি দেখুক, কিন্তু আপনারা আমাকে অপারেশান থিয়েটারে নিয়ে যাচ্ছেন কেন???
তাকে চিৎপটাং করে নেয়ার সময় সে কাঁদতে কাঁদতে একটা কথাই বললো,
"এ কেমন বেইমানী!!!"
-----------
© Dr. Zaman Sunny
