1 956
Подписчики
-324 часа
-57 дней
-1630 дней
Архив постов
1 956
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
তোমরা নিজেদের অপেক্ষা নিম্ন অবস্থার লোকের প্রতি তাকাও। এমন ব্যক্তির দিকে তাকিয়ো না যে তোমাদের চাইতে উচ্চ পর্যায়ের। তাহলে এ পন্থা অবলম্বনই হবে আল্লাহর নি'আমাতকে অবজ্ঞা না। করার এক উপযোগী মাধ্যম।
সহীহ বুখারী ৬৪৯০, মুসলিম ৮-(২৯৬৩)
1 956
মেয়েটা মোটা বলে তাকে মুটকি, ভোটকি, হাতি, জলহস্তী এইসব কুৎসিত নামে ডাকা হয়। মেয়েটা মোটা, তাই সে সুন্দর না। বড়জোর তাকে সুইট, কিউট বলে সান্ত্বনা পুরস্কার দেয়া হয়।
স্কুলে-কলেজে, ফাস্টফুড দোকানে, অনুষ্ঠানে সবাই মোটা মেয়েটার খাওয়ার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকায়। ভাবখানা এমন, মেয়ে মোটা তার মানে সব খাবার সে একাই খাচ্ছে।
সুযোগ পেলেই সবাই চিকন হবার জন্য একগাদা উপদেশ দেয়। মোটা মেয়েটার মায়ের কানে কানে বলে, ইয়ে ভাবী মেয়েকে জিমে পাঠান, রোজ সকালে হাঁটতে বলুন।
কেউ মোটা মেয়ে বিয়ে করলে আত্মীয় প্রতিবেশীদের কানাঘুষার শেষ থাকে না, ওমুকের বৌ ভালো, কিন্তু মোটা। এই কিন্তুটা জুড়ে দিয়ে তারা বুঝিয়ে দেয়, বৌ মোটা তাই সুন্দর না ।
মেয়েটা যতোই উচ্চ শিক্ষিত, গুণী, মেধাবী হোক না কেন, মেয়ে মোটা এটাই তার অপরাধ। বাবা মায়ের ঘুম হারাম হয়ে যায় , আত্মীয়রা মেয়ের জন্য পাত্র খুঁজতে গেলে মোটা ছেলে খোঁজে।
তাদের সবারই বদ্ধমূল ধারণা, এই মেয়েকে কোন চিকন ছেলে বিয়ে করবে না, শুধু চিকন কেন, কোনো ভালো (?) ছেলেই বিয়ে করবে না। তাই যেমন-তেমন একটা ছেলে পেলেই সবাই খুশি হয়ে বলে,… ছেলেটা হাতছাড়া হবার আগেই বিয়ে দাও।
বাধ্য হয়েই মেয়েরা নিজেদের চিকন বানাবার রেসে সামিল হয়। জিমের ছাঁচে ফেলে নিজের তুলতুলে শরীরটাকে, দুই লিটারের কোকের বোতল বানাবার জন্য উঠে পড়ে লাগে।
প্রত্যেক শরীরের নিজস্ব সৌন্দর্য আছে, স্বাভাবিকভাবেই কেউ পাতলা, কেউ মোটা, কেউ মাঝারি গোছের হয়। কেউ একটু ভোজন রসিক বলে স্থুল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে যায়, সেটাও সুন্দর। অথচ জিরো ফিগার কিংবা স্লিম ফিগার না হলে মেয়েটা সুন্দর না, এমন একটা ফালতু ধারণা সবার মনেই ঢুকে গেছে।
আমাদের অগ্রজ, মা-খালা-দাদী-নানীরা তো মোটা ছিল, তার মানে কি তারা কুৎসিত ছিল? তাদের আবেদন কম ছিল?
মোটেও না, বরং তাদের স্থুল শরীর, ভরাট গাল, আঙ্গুলের ভাঁজ, লম্বা চুল দেখে মুগ্ধ হতেই হতো। খুব সাদামাটা সাজেও তাদের অনেক সজীব, অনেক আকর্ষণীয় মনে হতো।
মোটা হওয়াটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর, মানছি, কিন্তু কেউ যদি মোটা হয়ে খুশি থাকে, তবে তাকে সেভাবেই থাকতে দিন।
কোকের জন্য কোকের বোতলই ঠিক আছে, মানুষের সৌন্দর্য কোকের বোতল না। মেয়ে যেমন আছে তেমনই সুন্দর। শুধু দেখার মতো সুন্দর চোখ থাকলেই দেখতে পাবেন...
2 of my friends committed to suicide ...reason depression ... Fit থাকা important but এইটার জন্য একটা মানুষ কে মানসিক ভাবে sick করে ফেলার কি আছে? তার confidence level down করার কি আছে?
just চিন্তা করি আমার বাপ ভাই রা আর কিছু আশেপাশের মানুষরা কেমনে এত জীবন পার করতেছে।
মানুষ একটু মানুষ হোন
~
1 956
4️⃣ মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব:
এ পর্যায়ে যৌনাঙ্গের রক্ত প্রবাহ কমে যায় এবং পূর্বের স্থায় ফিরে আসে। যদি অবস্থায় চরম আনন্দ বা অর্গাজম হয় তা হলে সব কিছু তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যায়।
কিন্তু অর্গাজম না হলে দুই থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগে পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। এতে কিছুটা বিরক্তিবোধ আসে। মেজাজ খিট খিটে হয়ে যায়।
অর্গাজম হলে নারী পুরুষ উভয়েই খুব স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। মাংসপেশী রিলাক্স হয়ে যায়। সার্বিকভাবে একটা প্রশান্তির অনুভূতি হয়।
🟩 রিফ্রাক্টরী পিরিয়ড:
অর্গাজমের পরে কিছু সময়ের জন্য পূনঃরায় যৌন উত্তেজনা হয় না। এটা কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক ঘন্টা হতে পারে। এই সময়কে রিফ্রাক্টরী পিরিয়ড বলে। এটা শুধু পুরুষের ক্ষেত্রে হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে কোন রিফ্রাক্টরী পিরিয়ড নাই। তাই মহিলারা পর পর একাধিক অর্গাজম বা চরম আনন্দ অনুভব করতে পারে।
.
.
ডা: মো: ফাইজুল হক
Gov.Registered Ayurvedic, Unani and Homoeopathic Physician, Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy (CBT) for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
01972 859950
01712-859950
1 956
নারী পুরুষের যৌন আচরণ
(১৮+ যৌনশিক্ষা বিষয়ক লেখা, এ বিষয়ে পড়তে আপনার সংকোচ বোধ হলে লেখাটি এড়িয়ে যান প্লিজ)
.
.
🟩 যৌন উদ্দীপনা:
যৌন উদ্দীপনা শারীরিক ও মানসিক ব্যাপার। ছোটবেলা থেকে মন ও যৌনতার প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি, যৌনতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, নিজের স্ত্রী বা স্বামীর প্রতি দৃষ্টি ভঙ্গী এসবের উপর যৌনতার আনন্দ এবং যৌনতার শারীরিক দিকের গুণগত মান নির্ভর করে।
যৌনকার্যের শুরুতে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং মাংসপেশী শক্ত হয়। যৌনকার্যের শেষে এই রক্ত প্রবাহ হ্রাস পায় এবং মাংসপেশী আবার স্বাভাবিক নরম অবস্থায় ফিরে আসে। মূলত মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম এটা নিয়ন্ত্রণ করে।
কোন উত্তেজক ছবি দেখলে কিংবা বিপরীত লিঙ্গের পছন্দনীয় কাউকে দেখলে এমনকি মনে মনে এরকম কিছু চিন্তা করলে মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম উত্তেজিত হয়। ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এতে যৌনাঙ্গ শক্ত ও উত্থিত হয়। যৌন আচরণ বা যৌন কার্যের পুরো চক্রটিকে চারভাগে ভাগ করা যায়: ইচ্ছা পর্ব, উত্তেজনা, চরম আনন্দ এবং মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব।
1️⃣ ইচ্ছা পর্ব
এ পর্যায়টি মূলত মানসিক। এটা চেতনা, প্রেরণা ও ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে। পরিবেশ পরিস্থিতি ও ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে। হরমোনও যৌন ইচ্ছাকে জাগিয়ে তোলে। পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরণ যৌনতায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। পুরুষের ক্ষেত্রে মধ্যরাতে এবং সকালে শরীরে টেস্টোস্টেরণের মাত্রা বেশী থাকে। তাই এ সময় পুরুষের সর্বাধিক যৌন ইচ্ছা হয়। আবার যেহেতু প্রতিনিয়ত পুরুষের বীর্য উৎপন্ন হচ্ছে। তাই বেশ কয়েকদিন বীর্য স্খলনের ঘটনা না ঘটলেও বেশি বীর্যের চাপে যৌন ইচ্ছা দেখা দিতে পারে।
2️⃣ উত্তেজনা
উত্তেজনা শারীরিক উদ্দীপক দিয়েও শুরু হতে পারে, যৌন কল্পনা দিয়েও শুরু হতে পারে। দুটোর যৌথ প্রভাবেও হতে পারে। শরীরের ত্বকে একে অন্যের স্পর্শ অনুভব মাত্রই শরীরে উত্তেজনা চাঙ্গা হতে থাকে।
এই উত্তেজক অঙ্গগুলো হলো যৌনাঞ্চল, তলপেট, পশ্চাদদেশ এবং উরু। পুরুষের সবচেয়ে উত্তেজক স্থান হলো পুরুষাঙ্গের মাথা। নারীদের সবচেয়ে উত্তেজনাকর স্থান হলো- ভগাঙ্কুর বা ক্লাইটোরিস। নারীর অন্যান্য উত্তেজনাকর স্থানগুলো হলো- কান, চোখ, গাল, চিবুক, জিহবা, মুখ ঠোঁট, ঘাড়, বগল, স্তন, স্তনবৃন্ত, পেট, নাভী, উরু,পায়ের বিভিন্ন অংশ।
★ পুরুষের উত্তেজনা
উত্তেজনার পর্যায়ে পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ উত্থিত হয়। স্তনের বোটা উত্থিত হয়। দুটি অন্ডকোষ আয়তনে শতকরা ৫০ ভাগ বড় হয়। পুরুষাঙ্গের রঙ উজ্জল ও লাল হয়ে যায়। নাড়ীর গতি এবং শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুততর হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। পুরুষের মূল উত্তেজনা জমা হতে থাকে তার লিঙ্গে।
এখানে উত্তেজনার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন রক্তনালী থেকে রক্ত এসে লিঙ্গে জমা হতে থাকে এবং এটি শক্ত হতে থাকে। লিঙ্গের মাংস পেশীর ভেতর হাজার হাজার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালী আছে।
এগুলো রক্ত সংবহনের পর আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এবং এজন্যই লিঙ্গ পরিপূর্ণ শক্ত হয়ে যায়। তখন এটি শারীরিকভাবে উজ্জীবিত হয় যৌন মিলনের জন্য।
★ নারীর উত্তেজনা:
মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনি পিচ্ছিল হয়। স্তনের বোঁটা উত্থিত হয়। স্তনের আয়তন শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায়। যোনির একেবারে বাহিরের অংশ শক্ত হয়ে সরু হয়ে যায় এবং ভিতরের দিকটা ঢিলা হয়ে যায়। ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর উত্থিত হয়। যোনির রং উজ্জ্বল এবং লাল হয়।
শ্বাস প্রশ্বাস এবং নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। উত্তেজনা চরমে পৌঁছার মুহুর্তগুলোতে তার যোনি ঠোট একটু একটু ফাঁক হতে থাকে। উত্তেজক পদার্থ যোনির ভেতর তৈরী হতে থাকে। এটি হলো যোনীরস বা মিউকাস। এই যোনিরস যোনিকে পিচ্ছিল করে তোলে এবং তখনই যোনি যৌনকার্যের উপযুক্ত হয়।
3️⃣ চরম আনন্দ বা অর্গাজম:
এ পর্যায়ে যৌন আনন্দ চরম পর্যায়ে পৌঁছে এবং উত্তেজনা প্রশমিত হয়। প্রথমে অনিবার্য বীর্যপাতের একটা অনুভূতি হয়। তারপর চরম আনন্দ হয়। অতপর বীর্যস্খলন ঘটে। পুরুষের চরম আনন্দের সময় চার পাঁচ বার প্রোস্টেট, সেমিনাল ভেসিকল, ভাস এবং মূত্রনালীর সংকোচন হয়।
মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনির একেবারে বাহিরের অংশ এবং জরায়ুর সংকোচন হয়।
পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে পায়ু পথের স্ফিংটারের সংকোচন হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশী সংকুচিত হয়। রক্তচাপ ২০-৪০ মিমি বেড়ে যায়। নাড়ীর গতি প্রতি মিনিটে ১৬০ পর্যন্ত ওঠে। এটি চরম উত্তেজনার শীর্ষ পর্যায়। এ পর্যায়ে শরীরে এনডরফিন নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। তখন আর বীর্য ধরে রাখা যায় না। তবে পুরো ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করে স্নায়ুতন্ত্র। চরম আনন্দ কয়েক সেকেন্ডকাল স্থায়ী হয়। মেয়েদের ১ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।
1 956
আমাদের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলোয় ফলো, সাবস্ক্রাইব করুন -
ফেসবুক : https://www.facebook.com/aslafacademy
ইউটিউব : https://www.youtube.com/@AslafAcademy
লিংকডইন : https://www.linkedin.com/company/aslaf-academy/
ইন্সটাগ্রাম : https://www.instagram.com/aslafacademy/
টেলিগ্রাম : https://t.me/aslafacademyofficial
1 956
নারী পুরুষের যৌন আচরণ
(১৮+ যৌনশিক্ষা বিষয়ক লেখা, এ বিষয়ে পড়তে আপনার সংকোচ বোধ হলে লেখাটি এড়িয়ে যান প্লিজ)
.
.
🟩 যৌন উদ্দীপনা:
যৌন উদ্দীপনা শারীরিক ও মানসিক ব্যাপার। ছোটবেলা থেকে মন ও যৌনতার প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি, যৌনতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, নিজের স্ত্রী বা স্বামীর প্রতি দৃষ্টি ভঙ্গী এসবের উপর যৌনতার আনন্দ এবং যৌনতার শারীরিক দিকের গুণগত মান নির্ভর করে।
যৌনকার্যের শুরুতে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং মাংসপেশী শক্ত হয়। যৌনকার্যের শেষে এই রক্ত প্রবাহ হ্রাস পায় এবং মাংসপেশী আবার স্বাভাবিক নরম অবস্থায় ফিরে আসে। মূলত মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম এটা নিয়ন্ত্রণ করে।
কোন উত্তেজক ছবি দেখলে কিংবা বিপরীত লিঙ্গের পছন্দনীয় কাউকে দেখলে এমনকি মনে মনে এরকম কিছু চিন্তা করলে মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম উত্তেজিত হয়। ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এতে যৌনাঙ্গ শক্ত ও উত্থিত হয়। যৌন আচরণ বা যৌন কার্যের পুরো চক্রটিকে চারভাগে ভাগ করা যায়: ইচ্ছা পর্ব, উত্তেজনা, চরম আনন্দ এবং মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব।
1️⃣ ইচ্ছা পর্ব
এ পর্যায়টি মূলত মানসিক। এটা চেতনা, প্রেরণা ও ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে। পরিবেশ পরিস্থিতি ও ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে। হরমোনও যৌন ইচ্ছাকে জাগিয়ে তোলে। পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরণ যৌনতায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। পুরুষের ক্ষেত্রে মধ্যরাতে এবং সকালে শরীরে টেস্টোস্টেরণের মাত্রা বেশী থাকে। তাই এ সময় পুরুষের সর্বাধিক যৌন ইচ্ছা হয়। আবার যেহেতু প্রতিনিয়ত পুরুষের বীর্য উৎপন্ন হচ্ছে। তাই বেশ কয়েকদিন বীর্য স্খলনের ঘটনা না ঘটলেও বেশি বীর্যের চাপে যৌন ইচ্ছা দেখা দিতে পারে।
2️⃣ উত্তেজনা
উত্তেজনা শারীরিক উদ্দীপক দিয়েও শুরু হতে পারে, যৌন কল্পনা দিয়েও শুরু হতে পারে। দুটোর যৌথ প্রভাবেও হতে পারে। শরীরের ত্বকে একে অন্যের স্পর্শ অনুভব মাত্রই শরীরে উত্তেজনা চাঙ্গা হতে থাকে।
এই উত্তেজক অঙ্গগুলো হলো যৌনাঞ্চল, তলপেট, পশ্চাদদেশ এবং উরু। পুরুষের সবচেয়ে উত্তেজক স্থান হলো পুরুষাঙ্গের মাথা। নারীদের সবচেয়ে উত্তেজনাকর স্থান হলো- ভগাঙ্কুর বা ক্লাইটোরিস। নারীর অন্যান্য উত্তেজনাকর স্থানগুলো হলো- কান, চোখ, গাল, চিবুক, জিহবা, মুখ ঠোঁট, ঘাড়, বগল, স্তন, স্তনবৃন্ত, পেট, নাভী, উরু,পায়ের বিভিন্ন অংশ।
★ পুরুষের উত্তেজনা
উত্তেজনার পর্যায়ে পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ উত্থিত হয়। স্তনের বোটা উত্থিত হয়। দুটি অন্ডকোষ আয়তনে শতকরা ৫০ ভাগ বড় হয়। পুরুষাঙ্গের রঙ উজ্জল ও লাল হয়ে যায়। নাড়ীর গতি এবং শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুততর হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। পুরুষের মূল উত্তেজনা জমা হতে থাকে তার লিঙ্গে।
এখানে উত্তেজনার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন রক্তনালী থেকে রক্ত এসে লিঙ্গে জমা হতে থাকে এবং এটি শক্ত হতে থাকে। লিঙ্গের মাংস পেশীর ভেতর হাজার হাজার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালী আছে।
এগুলো রক্ত সংবহনের পর আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এবং এজন্যই লিঙ্গ পরিপূর্ণ শক্ত হয়ে যায়। তখন এটি শারীরিকভাবে উজ্জীবিত হয় যৌন মিলনের জন্য।
★ নারীর উত্তেজনা:
মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনি পিচ্ছিল হয়। স্তনের বোঁটা উত্থিত হয়। স্তনের আয়তন শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায়। যোনির একেবারে বাহিরের অংশ শক্ত হয়ে সরু হয়ে যায় এবং ভিতরের দিকটা ঢিলা হয়ে যায়। ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর উত্থিত হয়। যোনির রং উজ্জ্বল এবং লাল হয়।
শ্বাস প্রশ্বাস এবং নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। উত্তেজনা চরমে পৌঁছার মুহুর্তগুলোতে তার যোনি ঠোট একটু একটু ফাঁক হতে থাকে। উত্তেজক পদার্থ যোনির ভেতর তৈরী হতে থাকে। এটি হলো যোনীরস বা মিউকাস। এই যোনিরস যোনিকে পিচ্ছিল করে তোলে এবং তখনই যোনি যৌনকার্যের উপযুক্ত হয়।
3️⃣ চরম আনন্দ বা অর্গাজম:
এ পর্যায়ে যৌন আনন্দ চরম পর্যায়ে পৌঁছে এবং উত্তেজনা প্রশমিত হয়। প্রথমে অনিবার্য বীর্যপাতের একটা অনুভূতি হয়। তারপর চরম আনন্দ হয়। অতপর বীর্যস্খলন ঘটে। পুরুষের চরম আনন্দের সময় চার পাঁচ বার প্রোস্টেট, সেমিনাল ভেসিকল, ভাস এবং মূত্রনালীর সংকোচন হয়।
মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনির একেবারে বাহিরের অংশ এবং জরায়ুর সংকোচন হয়।
পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে পায়ু পথের স্ফিংটারের সংকোচন হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশী সংকুচিত হয়। রক্তচাপ ২০-৪০ মিমি বেড়ে যায়। নাড়ীর গতি প্রতি মিনিটে ১৬০ পর্যন্ত ওঠে। এটি চরম উত্তেজনার শীর্ষ পর্যায়। এ পর্যায়ে শরীরে এনডরফিন নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। তখন আর বীর্য ধরে রাখা যায় না। তবে পুরো ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করে স্নায়ুতন্ত্র। চরম আনন্দ কয়েক সেকেন্ডকাল স্থায়ী হয়। মেয়েদের ১ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।
4️⃣ মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব:
এ পর্যায়ে যৌনাঙ্গের রক্ত প্রবাহ কমে যায় এবং পূর্বের স্থায় ফিরে আসে। যদি অবস্থায় চরম আনন্দ বা অর্গাজম হয় তা হলে সব কিছু তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যায়।
কিন্তু অর্গাজম না হলে দুই থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগে পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। এতে
1 956
থিঙ্ক ফাস্ট এন্ড স্লো বইতে বলা হয়েছে মানুষের ব্রেইন দুইটা মুডে কাজ করে। একটা হল সিস্টেম ওয়ান এটা হল ফাস্ট মুড আর একটা সিস্টেম টু এটা স্লো মুড।
সিস্টেম ওয়ান খুব তাড়াতাড়ি কোন কিছু প্রসেস করতে পারে। যেমন ধরেন কোন ইনফরমেশন বা কোন ডিসিশন বা জাসমেন্ট খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিতে পারে।আমরা যখন কোন কাজ বারবার করি সেই কাজগুলো বা বায়োলজিক্যালি আমরা কিছু বৈশিষ্ট্য পাই সেগুলো সিস্টেম ওয়ান এর পার্ট। এই কাজগুলো আমরা কোন প্রকার মেন্টাল ইফোর্ট ছাড়াই করতে পারি। যেমন ধরুন সাইকেল চালানো আপনাকে সব সময় সব কিছু সচেতন ভাবে চিন্তা করতে হয় না সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে শুরুর দিকে সচেতন ভাবে চিন্তা করতে হলেও চালাতে চালাতে বিষয়গুলো আপনার অটো পাইলট মুডে অর্থাৎ সিস্টেম ওয়ানের অংশ হয়ে যায়।দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজই দেখবেন করার ক্ষেত্রে আপনার সেরকম মনোযোগ দিতে হচ্ছে না কিন্তু কাজগুলো ঠিকই ভালোভাবেই করতে পারছেন। সিস্টেম ওয়ানের আরেকটা ভালো উদাহরণ আমরা বলতে পারি নামতা ছোটবেলায় বিভিন্ন সংখ্যার নামতা পড়ে আমরা মুখস্থ করি ফলে সেই ক্যালকুলেশন গুলা আমাদের সিস্টেম ওয়ানের অংশ হয়ে যায় তখন সেই ক্যালকুলেশন গুলো করার জন্য আমাদের সময় বা ইফোর্ট সেরকম লাগে না। কিন্তু এমন একটা সংখ্যার ক্যালকুলেশন করতে যান যেটার নামতা আপনার জানা নেই সেটার ক্যালকুলেশন কিন্তু আপনি দ্রুত করতে পারবেন?
সিস্টেম ওয়ান খুব তাড়াতাড়ি কাজ করে এটা জানার পর মনে হতেই পারে জিনিসটা তো দারুন, সিস্টেম ওয়ান অবশ্যই দারুণ কিন্তু এটার কিছু সমস্যা আছে।এটা ফাস্ট কাজ করে ফলে এটা অনেক ভুল আউটপুট দেয়, এটার প্রভাবে মানুষ ভুল ডিসিশন নেয়।
ধরেন একটা মানুষ সম্পর্কে আপনি চিন্তা করবেন যে সে কেমন, এখন একটা মানুষ কেমন সেটা অনেক প্যারামিটারের ভিত্তিতে হতে পারে সেই প্যারামিটারগুলা এনালাইস করতে হলে সময় লাগবে কিন্তু সিস্টেম ওয়ান এত এনালাইসিস এর মধ্যে দিয়ে যাবে না ,সে শর্টকাটে একটা আউটপুট দেবে যেটা অনেকক্ষেত্রে কার্যকরী হলেও আবার অনেক ক্ষেত্রে কার্যকরী না।
যেমন ধরেন আপনার কোন এক বন্ধু বা কাছের মানুষের সঙ্গে অন্য একটা মানুষের ঝামেলা চলছে। এখন এই ঝামেলার জন্য যে কেউ দায়ী হতে পারে। কিন্তু আপনার ব্রেনে থাকা সিস্টেম ওয়ান এতকিছু ভাবার পেছনে সময় দেবে না , এনালাইস করবে না যেহেতু সে আপনার বন্ধু সে তো সে সঠিক, তাহলে অন্য ব্যক্তিটি ঝামেলাটা করেছে।
অর্থাৎ আপনার ব্রেনের সিস্টেম ওয়ান বায়াস বা পক্ষপাতিত্ব মূলক সিদ্ধান্ত দেবে।
1 956
টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে লাগবেঃ
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
❍ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ)
❍ 1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
❍ 1 কি.মি. = 0..62
❍ 1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
❍ 1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
➲ ৬ফুট = ১ ফ্যাদম
➲ ১ বর্গহাত = ১গন্ডা
➲ ২০গন্ডা = ১ছটাক
➲ ১৬ছটাক = ১কাঠা
➲ ২০কাঠা = ১বিঘা
➲ ১৪৪বর্গইঞ্চি = ১বর্গফুট
➲ ৯ বর্গফুট = ১ বর্গগজ
➲ ৪৮৪০বর্গগজ = ১একর
➲ ১০০শতক = ১একর
➲ ৬৪০একর = ১বর্গমাইল
➲ ২৪৭ একর = ১বর্গকিমি
➲ ১০০০০বর্গমি = ১০০এয়র
➲ ১মিটার = ৩৯.৩৭ইঞ্চি
➲ ১২ইঞ্চি = ১ফুট
➲ ৩ফুট = ১গজ
➲ ৭.৯২ ইঞ্চি = ১ লিংক
➲ ২৫ লিংক = ১ রড
➲ ৪ রড = ১মাইল
➲ ১০ চেইন = ১ফার্লং
➲ ৮ ফার্লং = ১মাইল
➲ ৯ বর্গফুট = ১বর্গগজ
➲ ১৬০০বর্গগজ = ১বিঘা
➲ ৮০বর্গগজ = ৭২০বর্গফুট = ১কাঠা
➲ ১মিলিয়ন=১০লক্ষ
➲ ১কোটি=১০মিলিয়ন
➲ ১বিলিয়ন=১০০কোটি
➲ ১ট্রিলিয়ন=১লক্ষ কোটি
➲ ১৭৬০গজ=১মাইল
➲ ১ইঞ্চি=২.৫৪সে.মি.
➲ ১ মাইল=১.৬১ কি.মি.
➲ ০.৬২মাইল = ১ কি.মি.
➲ ১৬ আউন্স = ১পাউন্ড
➲ ২৮ পাউন্ড = ১কোয়ার্টার
➲ ৪কোয়ার্টার = ১ হন্দর
➲ ২০হন্দর = ১বৃটিশ টন
➲ ১০০কিলোগ্রাম = ১কুইন্টাল
➲ ১০০০কিলোগ্রাম = ১মেট্রিক টন
➲ ১পাউন্ড = ০.৪৫৩৬কেজি
➲ ১কেজি = ২.২পাউন্ট=১.০৭সের
➲ ১সের = ০.৯৩কিলোগ্রাম
➲ ৫বর্গগজ = ১ছটাক
➲ ৪০ কেজি =১ মন
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
❍ ১ পক্ষ = ১৫ দিন;
❍ ১ মাস = ২ পক্ষ
❍ ১ মাস = ৪ সপ্তাহ;
❍ ১ মাস = ৩০ দিন
❍ ১ ঋতু = ২ মাস = ৪ পক্ষ = ৮ সপ্তাহ = ৬০ দিন
❍ ১ বছর = ১২ মাস = ২৪ পক্ষ = ৩৬৫ দিন = ৫২ সপ্তাহ
❍ ১ অধিবর্ষ = ৩৬৬ দিন
❍ ১ যুগ = ১২ বছর ;
❍ ১ অর্ধযুগ = ৬ বছর;
❍ ১ অর্ধ-শতাব্দী = ৫০ বছর ;
❍ ১ শতাব্দী = ১০০ বছর
❍ ১ কুড়ি = ২০টি
❍ ১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
❍ ১ ভরি = ১৬ আনা ;
❍ ১ আনা = ৬ রতি
❍ ১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
❍ ১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
❍ ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
❍ ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি
❍ ১ লিটার = ১০০০ সিসি
❍ ১ মণ = ৪০ সের
❍ 1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
❍ 1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
❍ 1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
❍ 1 পাউন্ড = 16 আউন্স
❍ 1 গজ= 3 ফুট ;
❍ 1 একর = 100 শতক
❍ 1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার= ১০ লক্ষ = ১,০০০,০০০ = ১+৬ শূন্য
১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০ = ১+৯ শূন্য
১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি
1 956
★মানসিক সমস্যা সমাচার!!
★বাংলাদেশে অন্তত ৩ কোটি মানুষ কোন না কোন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন!
আর মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্তদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যাই বেশি।
♠ কতিপয় কারণকে এজন্য বিবেচনা করা যায়-
(১) অস্থিরতা,
(২) ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম,
(৩) বেকারত্ব,,
(৪) বিশৃঙ্খলা,
(৫) নানামুখী চাপ,,
(৬) অপ্রাপ্তি,
(৭) অধিক পাওয়ার লোভ লালসা
(৮) আশা হারিয়ে ফেলা
(৯) পারস্পরিক সম্পর্কে বহুমুখী জটিলতা
(১০) বিচারহীনতা
[ ♠♠ এসব কারণের অনেকগুলোর উৎপত্তি - নিম্নোক্ত বিষয় থেকে… যেগুলোকে ধ্বংসাত্মক কাজ হিসেবে- রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিহ্নিত করে সতর্ক করেছিলেন---
♦ মনের খেয়ালখুশি অনুসরণ→ (ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম, সকল বিশৃঙ্খলা, বিচারহীনতা!)
♦ লোভ করা→ (অনেককিছু চেয়ে জীবনের বহু অপ্রাপ্তি, আশাহত হওয়া, বেশী পাওয়ার জন্য অস্থিরতা)
♦ অহংকারী হওয়া→ (ইগো দেখাতে যেয়ে সম্পর্কে জটিলতা বৃদ্ধি„
পারস্পরিক সম্পর্কে নানান চাপ,
অল্প যে কোনকিছু তুচ্ছ মনে হয়!)
♦ জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলালুদ্দীন আহমাদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ১৮.৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২.৬ শতাংশ শিশু-কিশোর কোন না কোন মানসিক রোগে ভুগছে।
♦ দেশে প্রতি বছরে গড়ে ১০ হাযারেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে থাকে।
Dr. Mohidul Hasan Maruf,
MBBS(RpMC)
FCPS training (Internal Medicine)
Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital
1 956
এইযে আপনারা হেলদি রিলেশন আর টক্সিক রিলেশন ডিফাইন করেন,আচ্ছা আপনারা কি মনে করেন যেই সম্পর্ক গুলারে হেলদি জানেন সেই সম্পর্কটা বারো মাস সুস্থ থাকে?বছরের পর বছর দুইটা মানুষ একসাথে থাকে কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো তিক্ততার পিরিয়ড আসেনা?টক্সিক রিলেশন ছাইড়া পালাইতে বলেন,টক্সিক কোনটারে বলে?কোনো সম্পর্ক কি শুরু থেকেই টক্সিক থাকে? মানে শুরুতে হেলদি থাকে,যেই একটু আকটু মিষ্টতা কমে গেলো ওমনি পালায় যাইতে হবে? ইজ ইট লভ?টক্সিক হওয়া রিলেশন টাও শুরুর দিকে সমুদ্রের উথালপাথাল ঢেউ এর মতন হিলার ছিলো,হেলদি ছিলো!
শীতকালে যখন সেই সমুদ্রের ঢেউ থাকেনা তখন আর আপনি সমুদ্রপ্রেমী না?
আপনার আমার মা বাপ যে একটা গোল্ডেন জুবিলী সিলভার জুবিলী কাটায় দিচ্ছে একসাথে,তাদের কাটানো সেই পুরাটা সময় হেলদি না,তাদের মধ্যেও দিন মাস গেছে টক্সিক,হয়তো আর্থিক বা পারিবারিক টানাপোড়েনে সেই পিরিয়ডটা বছর পর্যন্ত গড়াইছিলো।
আপনি আমি জানি না,আর তারাও জানেনা হেলদি কি টক্সিক কি;
শরীরে যতক্ষণ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া না ঢুকে ততক্ষন আপনি হেলদি,কিন্তু ঢুকে গেলেই আপনি অসুস্থ!ছোঁয়াচে রোগ হইলে তো কথাই নাই,আপনি নিজেই তখন টক্সিক!তো অসুস্থ হইলেই কি শরীর ছেড়ে পালাই যান?নাকি অন্য কাউকে দিয়ে দেন শরীরের মালিকানা?
সুস্থ হইতে চেষ্টা করেন,ওষুধ খান,থেরাপি নেন,ভালো ভালো খাবার খান।
সম্পর্কের বেলায় ভিন্ন কেন?সম্পর্ক অসুস্থ হইলে সুস্থ করেন,টক্সিক টক্সিক কইরা অন্যের মাথার মধ্যে টক্সিসিটি পুশ করবেন না আল্লাহর ওয়াস্তে!
লেখা:মুনতাহার হোসেন জুবলী
1 956
# ইন্টারনেট থেকে আপনাকে একটা হীরা খুঁজে দিবো। আপনি anxiety, stress থাকবে না, এমন জিনিস আপনাকে দিবো আপনি খুশি হয়ে যাবেন। এমন একটা মিউজিক ৩ মিনিট শুনলে anxiety symptoms চলে যাবে।
# Dr. Andrew Hubermen অনেকেই চিনে থাকবেন।
Dr. Andrew Hubermen মতে এটির ইফেক্টিভনেস ৬৫%। এইটুকু ইফেক্টিভনেস anxiety, stress এর জন্য যে মেডিকেশন দেয় সেটার হয়।
যখন আপনার anxiety, stress ফিল হবে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করবেন "**Marconi Union -Weightless**" এই মিউজিকটি শুনবেন। এটা কোন বাইনোরাল বিট না বা সাবলিমিনাল না। আমি এটা প্রথম শুনার পর অনেক রিলেক্স ফিল লেগছিল। অনেকে এটাকে ইন্টারনেটে সোনার হরিণ মনে করে। এমন মাস্টারপিস পোস্ট পেতে সাথেই থাকুন
# লিঙ্ক কমেন্ট সেকশন।
1 956
'নেককার স্ত্রী হলো রাজার মাথায় থাকা সোনার তাজের মতো, যা রাজার শানশৌকত বাড়িয়ে দেয়। আর বদকার স্ত্রী হলো বৃদ্ধের পিঠে ভারী বোঝার মতো, যার ভারে বৃদ্ধ কুঁজো হয়ে যায়।'
.
— আব্দুর রহমান ইবনু আবযা (রহ.)
.
সূত্র: মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ১৭৪২৮
1 956
"যদি আমরা এখনো দ্বীনি ইলম অর্জনে এগিয়ে না আসি, হয়তো কাল মালাকুল মউত চলে আসবেন, আমাদের দ্বীনের পথে না চলার আফসোস রয়ে যাবেই।", বলছিলেন ১০ম ব্যাচের একজন ত্বলিবা। বাস্তবিক, শেষ বয়সে রবকে খুশি করব ভেবে দিব্যি যৌবন কাটানোর আগে একবার ভাবা উচিৎ, ততদিন কি আদৌ বেচে থাকা নিশ্চিত?
নাহ, সেই নিশ্চয়তা জমিনের কেউ দিতে পারেন না। অথচ জমিনবাসীকে খুশি করার জন্য আমাদের সকল আয়োজন। আসুন না, আর দেরি না করি। যে মহান সত্ত্বার কাছে রোজ হাশরে নিজেকে সমর্পণ করতেই হবে, তার জন্য আজই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি। যার শুরুটা হবে ইলম আহরণ দিয়ে। আর ইলম আহরণে জেনারেল ভাই-বোনদের সহযোগী হতেই আমাদের ৫ বছরের চলমান প্রচেষ্টা।
আলহামদুলিল্লাহ, সেই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ সকল কোর্স ও প্রজেক্ট মিলিয়ে ৭৬ হাজারের বেশি ভাই-বোনের সমাগম হয়েছে আইওএমে। সেই বিশাল কাফেলার একজন জেনারেল ত্বলিবার মূল্যবান রিভিউ উপস্থাপন করা হলো। বোনটির মতো অন্যান্য জেনারেল ভাই-বোন যারা অনলাইন মাদ্রাসা বা কোর্স খুজছেন কিন্তু ক্লাস কেমন হবে, উস্তাদ-উস্তাজারাই বা কেমন হবেন আবার অনলাইনে শেখা সম্ভব কিনা ইত্যাদি নিয়ে নানান দ্বিধায় আছেন, তাদের খানিকটা আশ্বস্ত করতেই রিভিউটি শেয়ার করা হলো।
উল্লেখ্য, আলিমসহ সকল নিয়মিত কোর্সে ভর্তি এখনো চলমান আছে।
🔴আপনিও আইওএমের ক্লাস, উস্তাদ সম্পর্কে আপনার মতামত জানাতে পারেন ইনশা আল্লাহ।
1 956
কে ৯০% মার্কস পেলো, কে ৩০% ; ওসব দেখে তো শৈশবে বন্ধু বানাতাম না, কিন্তু এখন আমার ৯০% মার্কস পাওয়া বন্ধু আমার থেকে দূরে থাকে। এরই নাম হয়তো, বড় হয়ে যাওয়া।
শৈশবে কতজনের সাথে ঝগড়া করতাম, মারামারি করতাম, কিন্তু হিংসা ছিলো না তখন। এখন একজন আরেকজন কে হিংসা করে, উপরে উঠতে চায়।
১০ টাকা পেলেই খুশি হয়ে যেতাম, উপহার পেতে চাইতাম অনেক, কিন্তু টাকার সন্ধানে হাঁটতাম না। এখন তো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও এটা শেখায়, টাকা না থাকলে সুখ পাওয়া যায় না।
মা এর কোলে গিয়ে শুয়ে পড়তাম, এদিক সেদিক যেতে হতো না। এখন টাকার জন্য ঘর থেকে বহুদূর, মা-বাবা থেকে বহুদূর। আমার বাবা তো প্রবাসী ছিলেন, মা-বাবা কাউকে মাটি দিতে পারে নি। কী লাভ টাকা দিয়ে?
পরীক্ষা দিয়েছিলাম শৈশবে ও, এক বন্ধু আরেক বন্ধু কে দেখাতাম তখন। কই তখন তো পড়াশোনায় প্রতিযোগিতা ছিলো না।
শৈশবে চাইতাম বড় হয়ে যেতে, বড় হয়ে এখন চাই শৈশবে ফিরে যেতে। সত্যি ই জীবনের চেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই।
বড় হওয়ার পর বুঝেছি, মানুষ অতটা ভালো নয়, যতটা ভেবেছিলাম। জেনেছি, মানুষ অবস্থান কে ভালোবাসে, অবস্থায় থাকা মানুষটিকে নয়। চিনেছি, আপন মানুষ ও আপনা মানুষকে।
সত্যি ই তো! কতই না সুন্দর ছিলো আমার শৈশব! প্রতিযোগিতা, দ্বন্দ্ব, হিংসা, উঁচুনিচু, ঘৃণা, কিছু ই ছিলো না।
শৈশবে যা ছিলো তা হলো ভালোবাসা, যেটা বড় হওয়ার পর আমি আর খুঁজে পাই নি। 🌸
© সাজনুল সায়েফ
1 956
◽পড়তে যেহেতু হচ্ছেই:
আমার কথা হচ্ছে, যদি আমাকে পড়াশোনা করতেই হয়,তাহলে সে ক্ষেত্রে আমরা ভালো করে পড়াশোনা করব। যেহেতু আমাকে পড়াশোনা করতেই হচ্ছে, আমি মেয়ে হই বা পুরুষ হই, যদি জেনারেল লাইনে আপনাকে পড়াশোনা করতেই হয়, সিরিয়াস হোন,খুব ভালোভাবে করুন।
১.
প্রথমত ভার্সিটি কালচার বাদ দিয়ে,ঘাড় গুঁজে ৫-৬ ঘণ্টা লেখাপড়া করুন। ছাত্রজীবনে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। ভার্সিটির কালচার বলতে। যে ওপেন কালচার,নারী-পুরুষ ফ্রি-মিক্সিং, এই পার্টি ওই পার্টি, মুক্তমঞ্চ, আড্ডাবাজি, গ্রুপস্টাডি হেনতেন। এই কালচার বাদ দিতে হবে। এমনভাবে পড়বেন, যেন নাজায়েজ জিনিসগুলোর দিকে খেয়ালের সময়টুকু না হয়ে ওঠে।
২.
সিজিপিএ-র সাথে কোনো আপস নেই। সিজিপিএ কখনো কমা যাবে না। এটা হচ্ছে, যদি আপনি পড়তে বাধ্য হন, তখন যদি বাধ্য না হন, তাহলে ছেড়ে দিন । আর বাধ্য হলে, ভালো করে পড়ুন । সিজিপিএ-র সাথে কোনো আপস করবেন না, সর্বোচ্চ সিজিপিএ যেন থাকে। কারণ, আপনি যদি না পড়েন, তাহলে আপনি অন্যান্য ফালতু জিনিসের দিকে মোড় নেবেন।
৩.
সাজেশানের বাইরেও পড়ুন। এমনভাবে পড়বেন, যেন স্যার আপনার থেকে শিখতে পারে। কথার কথা, আপনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্স নিয়ে পড়তে হচ্ছে, আপনি গ্রিক নগর-রাষ্ট্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন। তো, আপনাকে যে বইটা দেখিয়ে দেবে, শুধু ওইটাই পড়বেন, তা না। বরং আপনি ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে, আরও দশটি ইউটিউবে ভিডিও দেখুন । আরও দশটা আর্টিকেল আপনি খুঁজে বের করে পড়ুন। এবং একটি নোট তৈরি করুন। পরে স্যার যখন জিজ্ঞেস করবেন, বা পরীক্ষায় আসবে, তখন আপনি সেখান থেকে উত্তরটা দেবেন, বা খাতায় লিখবেন।
৪.
ভোগ কমিয়ে প্রোডাক্টিভ হোন। পেশাগত ক্ষেত্রে নিজের ব্যক্তিগত ভোগ কমাবেন। নিজের পেশায় দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করুন। ডিগ্রির আশায় না থেকে 'ক্যারিয়ার ক্যাপিটাল’ তৈরি করুন। ভার্সিটির দীর্ঘসূত্রী পড়াশোনার ফাঁকে সাবজেক্ট রিলেটেড ব্যবহারিক স্কিলগুলো শিখে ফেলুন। যেমন যে বিবিএ পড়ছেন, নিচের জিনিসগুলো নিয়ে অফলাইন-অনলাইন কোর্স করে সার্টিফিকেট নিয়ে ফেলুন:
▪️ইংলিশ রাইটিং-স্পোকেন
▪️বেসিক কম্পিউটার
▪️ প্রোগ্রামিং টিম ম্যানেজমেন্ট
▪️কাস্টমার সার্ভিসের মৌলিক নিয়মকানুন
▪️ সেলিংস্কিল
৫.
বিনাবেতনে কোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে কিছুদিন কাজ করে সার্টিফিকেট নিয়ে নিন। প্রশিক্ষণের সামান্য সুযোগও লুফে নিন। প্রতি ৬ মাসে আপনার সিভিতে যেন একটা স্কিল যোগ হয়, সেই ব্যবস্থা করুন। চাকরির সেক্টর এখন শুধু ডিগ্রি দিয়ে হয় না,অভিজ্ঞতা চায়। আপনার বন্ধুদের সিভিতে যখন শুধু ডিগ্রিটা থাকবে, তখন আপনার সিভিতে থাকবে ডিগ্রির সাথে বহু অভিজ্ঞতার সনদ। আপনার ক্যারিয়ার ক্যাপিটালে থাকবে বহু প্রশিক্ষণ, কোম্পানির সিস্টেমের সাথে ওঠাবসার স্বীকৃতি।
📝মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা
✍️ ডা. শামসুল আরেফিন
1 956
# এই জেনারেশনে মানুষের কি হয়েছে? যাকে দেখি ডিপ্রেশনে আছে, দুঃখ কষ্টে আছে, রাতের ঘুম গায়েব, ওভারথিংকিয়ে আসক্তি। এর দুইটা মেজর কারন হচ্ছে লাভ এন্ড মানি।
# এবার মনে করুন একটা ছেলের কাছে না আছে টাকা না আছে ভালোবাসা কিন্তু তার কাছে আছে একটা এডিকশন যেটাকে বলা হয় সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশিরভাগ শো অফ চলে। কেউ গার্লফ্রেন্ড, বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ভিডিও দিচ্ছে, কেউ গাড়ি বাড়ি টাকা দেখাচ্ছে। যার কাছে টাকা ভালোবাসা নেই সে প্রতিদিনই এইসব মোবাইলে দেখছে আর নিজেকে ঐ ভিডিওর সাথে রিলেট করে এবং তার কাছে নেই কেন এরজন্য রিগ্রেট করে। এইসব তাড়াতাড়ি পেতে চায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে যা দেখছেন সব সত্যি না। এইসব সোশ্যাল লাইফ দেখে নিজের মাথা নষ্ট করবেন না। যা করার লাইফে তা করুন সময় অনেক দামী, *সময়ের সাথে সাথে নিজের বেস্ট ভার্সন তৈরি করুন।*
# নিজের বেস্ট ভার্সন তৈরি করতে ফলো করুন আমার পোস্ট গুলো।
1 956
শায়খুল ইসলাম মুফতি তকি উসমানি হাফি. লিখেন,
‘আশ্চর্য তামাশার বিষয় এই যে, নারী যখন ঘরে বসে স্বামী-সন্তানের সেবা করে, খাবার রান্না করে, ঘরদোর সাজায় তখন সেটা হয় পশ্চাদপদতা ও মৌলবাদিতা, পক্ষান্তরে এই নারী যখন বিমানবালা হয়ে চারশ পুরুষের জন্য ট্রে সাজিয়ে খাবার সরবরাহ করে, আর তাদের লালসা-দৃষ্টির শিকার হয় তখন সেটা হয় সম্মান ও মর্যাদা!’
(ইছলাহী মাওয়াইয, ১৫৪)
1 956
মানসিক যেকোনো সমস্যায় সাইকিয়াট্রিস্ট বা সাইকোলজিস্ট যদি ক্লায়েন্টের খুব বেশি শারীরিক সমস্যা না থাকে তাহলে এক্সারসাইজ করার পরামর্শ দেন।অনেকেই ভাবে মন ভালো থাকার সাথে শরীরচর্চার আবার কী সম্পর্ক?
তাহলে জেনে নেই কীভাবে শরীরচর্চা আমাদের মনকে ভালো রাখেঃ
১.এক্সারসাইজ করলে 'এন্ডোরফিন' ও 'সেরোটোনিন' হরমোন নিঃসৃত হয় যা মন ভালো করে।হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ এর একটি গবেষণা মতে, প্রতিদিন ১৫ মিনিট দৌড়ানো বা ১ ঘন্টা হাঁটা ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা ২৬% কমিয়ে দেয়।
২.শরীরচর্চা করলে মানুষের মনোযোগ তার নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে চলে আসে এবং কিছু সময় নিজের মতো করে কাটানো যায়।
৩.স্ট্রেসের জন্য শরীরে যে বিভিন্ন মাংসপেশিতে টান লাগে, এক্সারসাইজ করলে তা কমে যায় এবং রিল্যাক্সেশনে তা সহায়তা করে।
৪.বিকালের দিকে শরীরচর্চা করলে রাতের ঘুম ভালো হয় যা ইনসোমনিয়ার রোগীদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়।
৫.শরীরচর্চার জন্য মানুষ যখন বাইরে যায় তখন আশেপাশের মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয় যা তার সামাজিক জীবনকে সমুন্নত করে, ফলস্বরূপ মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়।
৬.শারীরিক ফিটনেস মানুষের মাঝে কনফিডেন্স আনে এবং সর্বোপরি মেজাজ হালকা ও ফুরফুরে করে।
📢 ঘরে বসে কাউন্সিলিং সেবা নিতে আমাদের পেইজে মেসেজ করুন।
#psycure #onlinecounselling #psychology #mentalhealth #workout #physicalhealth #counselling #physicalactivity
1 956
এখন শীত ও ঠান্ডার সিজন , এই সময়ে আমাদের সর্দি, কাশি হওয়ার , ঠান্ডা লাগার প্রবণতা বেড়ে যায় । এই সময় ঠান্ডা কাশি সর্দি থেকে নিরাপদ থাকতে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিম্নের পদ্ধতি ফলো করতে পারি
.
★ চ্যবনপ্রাশ (আয়ুর্বেদিক ওষুধ ) যতটুকু নিবেন তার সমপরিমাণ খাঁটি মধু নিয়ে এই ওষুধের সাথে মিশিয়ে ফেলবেন। প্রতিদিন সকালে 2 চা চামচ ও রাতে দুই চা চামচ খাবেন - একদম টানা তিন মাস।
★ সকালে এক গ্লাস লেবুর শরবত (চিনি বা গুড় ছাড়া) ও রাতে এক গ্লাস লেবুর শরবত পান করবেন। যাদের গ্যাসের সমস্যা আছে তারা খালি পেটে পান করবেন না। অনেকের খাবার পর পান করলেও হাইপার এসিডিটি হয় , তাদের ক্ষেত্রে এটা এভোয়েড করাই ভালো।
★ সকালে ও রাতে 1 কাপ গ্রিন টি + 1 চা-চামচ মধু মিশিয়ে পান করবেন
★ সব সময় কুসুম গরম পানি পান করবেন ও কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন।
★ সিজনাল দেশি ফল খাবেন।
.
চ্যবনপ্রাশ বাংলাদেশের অনেকগুলো কোম্পানি তৈরি করে এরমধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য হল
★ শ্রী কুন্ডেশ্বরী ঔষধালয়
★ হামদর্দ
★ সাধনা ঔষধালয়
এছাড়া আরো অনেকগুলো ভালো কোম্পানির চ্যবনপ্রাশ বাংলাদেশে পাওয়া যায়।
.
এছাড়াও ভারতের বেশ অনেকগুলো ভালো কোম্পানি চ্যবনপ্রাশ তৈরি করে যা বাংলাদেশে পাওয়া যায় , যেমন ডাবর চ্যবনপ্রাশ , সোনা চান্দি চবনপ্রাস । ক্রয় করার সময় দেখতে হবে এই পণ্য খাঁটি কিনা ।
.
.
.
ডা: মোঃ ফাইজুল হক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
🟩 চেম্বারঃ
বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা ।
.
🟩 মোবাইল নাম্বার:
01712 859950
বা, 01972 859950
1 956
আজকের শীতল হাওয়া আর ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দিবস এবং রাত—কয়েকভাগে বিভক্ত করা যায়।
১. বিবাহিত—আপনারা মহান। অতি মহান। আপনাদের কোনো তুলনা নাই। কবি আর লেখকদের ভাষায় এমন শীতশুত আর পথ-ভেজানো বৃষ্টির দেখা আপনাদের জন্যই সৃষ্টি। পূর্ণ বছরের সময় এক-দিবসেই প্রেয়সীকে দেওয়ার মুহূর্ত। হাজার বছর বেঁচে থাকার উষ্ণতা পাবে।
২. অবিবাহিত—ওরা মিসকিন! সবকিছু থাকার পরও যেন কিছুই নেই। খিচুড়ি রান্না করতে পারেন এবং আপন কর্মে নিয়োজিত থাকেন। অতিরিক্ত ভাবনার কাজ নেই। ফিকির করুন, নয়তো জিকির। অন্তরে সুকূন মিলবে।
৩. শিক্ষার্থী—আপনার কি কাজ? পড়ুন এবং পড়ুন। তবে আজকের দিনে ভিন্ন কিছু পড়তে পারেন। একাডেমি পড়া বাদে অন্য কিছু। সাথে ঝাল করে মুড়ি মেখে বসতে পারেন। কখনো আবার ফোঁটা ফোঁটা জল হাতে ছুঁয়ে দৌড়ে এসে শীতল হাওয়া অনুভব করতে পারেন। ভিন্নতার স্বাদ পাবেন।
৪. গবেষক—আজকের দিনটি আপনার জন্যই। যেমন শীতল, তেমনি বৃষ্টি। লোকালয়ের ঝোপঝাড় নেই। একেবারেই শান্ত নিরব নিস্তব্ধ সময়। বেশ উপভোগ্য এবং অল্প সময়ে অধিক গবেষণা।
৫. পারিবারিক মানুষ—দিবসের অন্য দিনটি আজকের মতো নয়। এমন আবহাওয়া বছরে কয়েকবার আসে। কখনো আসেই না। পরিবারে সাথে প্রাণভরে সময় দিন। ইচ্ছেরা মরে গেলেও হাসুন। সব্বাইকে নিয়ে একত্রে হাসুন। শান্তি এবং শান্তির দেখা মিলবে।
