ru
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Открыть в Telegram
1 997
Подписчики
+224 часа
+47 дней
+230 день
Архив постов
photo content

photo content

লোন ভয়াবহ জিনিস। লোন এর ইন্টারেস্ট রেট নিয়ে কিছু কথা। যদি জেনে বুঝে আর্লি সেটেলমেন্ট এর টার্গেট নিয়ে ব্যাংক বা যেকোনো ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট থেকে লোন না নেন তাহলে সেই লোন আপনার জীবন একেবারে তিক্ত করে ফেলতে পারে। ধরেন, আপনি যেকোনো কারণে ২৫ লাখ টাকার ৫ বছরের জন্য ১৪.৪৯% ইন্টারেস্টে লোন নিলেন। প্রত্যেক মাসে এই লোনের জন্য ৫৫ হাজার ৫ শত টাকা করে দিচ্ছেন। ভাবছেন এভাবে বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা শোধ হবে। কিন্তু না.. ইন্টারেস্ট না আছে! ভাবলেন, ওকে ফাইন। আমি লোন কাভার করে যাই। বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার দিচ্ছি, তার মানে এট লিস্ট তো ৫ লাখ টাকা কমে যাচ্ছে। বাকি লাখ টাকা সম্ভবত ইন্টারেস্ট কেটে নিবে.. কিন্তু না.. আপনি এভাবে বছর ঘুরার পর যদি খোজ নিয়ে দেখেন এক্সাটলি আপনার মূল লোন থেকে কত টাকা কমেছে.. বেশ অবাক হয়ে হতাশায় পরে যেতে পারেন! দেখবেন পুরো বছরে ৬ লাখ ৬৬ হাজার দেওয়ার পরও ২৫ লাখের লোন নেমে ২২ লাখে মতো বাকি আছে। মানে পুরো বছর জুড়ে আপনি লোনের কিস্তি পরিশোধ করেছেন মাত্র ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকার!! বাকি টাকা কি তাহলে ইন্টারেস্ট এ গিয়েছে!! কিন্তু আপনি তো জানতেন ইন্টারেস্ট ছিল ১৪.৪৯%, এখন তো দেখতেছেন ৫০% এর বেশী!!! কেন এরকম হলো, এই আলাপ ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট কখনোই আপনাকে লোন নেওয়ার আগে নিজ থেকে ক্লিয়ার করবে না। এই ১৪.৪৯% দেখে ৫০% এর কেরফা, এতে ভুক্তভোগী হয়ে অনেকেই ১৫ বছর এর লোন এর ৫/১০ বছর যাওয়ার পর যখন ইনকাম আর আগের মতো থাকে না, বা উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি মারা যায়, পরিবারের মানুষ ব্যাংক লোনের বোঝা দেখে আকাশ থেকে পরে। বিষয়টা হচ্ছে “Reducing Balance Loan” বা Amortized Loan, শুরুর দিকের কিস্তি থেকে ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট ইন্টারেস্ট এর পরিমান বেশী করে কাটে। আস্তে আস্তে কিস্তি থেকে প্রিন্সিপালস এর রেশীও বাড়াতে থাকে। তো যদি কখনো লোন নেন, মাস্ট EMI বা কিস্তির Amortization Schedule জেনে বুঝে, ব্যাক আপ প্ল্যান রেডি করে লোন নিবেন। আর সব থেকে বড় বিষয় হচ্ছে, লোন না নিয়েই আগানো। ইসলামে তো আর শুধু শুধু 'সুদ' ব্যাপারটা হারাম করে নাই। @Sabbir Ahmed

অন্তত একমাস এই রুটিন মেনে চলুন। • ১. ঘুম থেকে উঠবেন ভোর সাড়ে চারটায়৷ ২. দুই গ্লাস পানি হালকা গরম করুন৷ গরম না করতে পারলে নরমাল তাপমাত্রা হলেও হবে৷ ভুলেও ঠান্ডা পানি বা ফ্রীজের পানি নেবেন না৷ প্রথম গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন। পরের গ্লাস পানিতে কিছু লেবুর রস চিপে দিন। ওটাও খেয়ে ফেলুন৷ এই পানি খাওয়ার আগে ব্রাশ করা যাবে না৷ ৩. পানি খাওয়া শেষ হলে ওয়াশরুমে যান। ব্রাশ করুন। ফ্রেশ হোন৷ পবিত্র হোন, অজু করুন। ৪. এবার যে যার ধর্মমতে প্রার্থনায় বসুন৷ ৫. প্রার্থনা শেষে একটু কালোজিরা চিবিয়ে খান৷ তারপর একটু মধু খান। ৬. এবার বই নিয়ে বসুন৷ ধর্মীয় গ্রন্থ বা নন ফিকশন, প্রেরণামূলক কিছু। অন্তত দশ পৃষ্ঠা পড়তে চেষ্টা করুন৷ এটা সারাদিন আপনাকে ইতিবাচক ভাইব দেবে। ৭. এবার বাইরে যান৷ মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে আধাঘন্টা৷ গ্রাম বা মফস্বলের মানুষের জন্য তাজা বাতাস পাওয়া সুবিধা৷ শহরের অধিবাসীদের জন্য মুশকিল৷ পার্কে গেলে ভালো, নাহলে ছাদে যান৷ আধাঘন্টা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন৷ এ সময় বুক ভরে শ্বাস নিন৷ ধীরে ধীরে ছাড়ুন৷ কয়েকবার এমন করুন। ব্যায়াম করাই লাগবে। ৬. এবার এসে গোসল করে ফেলুন৷ তারপর সকালের নাস্তা৷ নাস্তায় রাখতে চেষ্টা করুন ডিম সেদ্ধ, খেজুর দুই তিনটা, ভেজানো কাঠবাদাম চারটা৷ এটুকু হলেই সারাদিনের শক্তির জন্য যথেষ্ট। শুধু পানি ছাড়া আর কিছু না খেলেও চলে৷ ৭. এবার আপনার পেশাগত কাজে বেরিয়ে পড়ুন। ঋতু অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দ্যের পোশাক পরুন। বাইরে মাস্ক পরা ভালো৷ বিষাক্ত ধুলোবালি ফুসফুসে যাতে না যায়। ৮. সারাদিনের খাবারে চিনি পুরোপুরি ত্যাগ করুন৷ কোমল পানীয় তো ধরবেনই না, চা কফিতেও চিনি দেবেন না। ৯. ভাজাপোড়া খাবেন না৷ শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পিয়াজু, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, পিৎজা, বার্গার এসব জিনিস পুরোপুরি হারাম ঘোষণা করুন৷ খেতে ইচ্ছে করলে কলা খাবেন, পেয়ারা খাবেন। দাম এগুলোর কম, তবে দারুণ স্বাস্থ্যকর। খাবারে পর্যাপ্ত সবুজ শাক সবজি রাখুন৷ ভাতের পরিমাণ কম রাখবেন। পেট ভরে খাবেন না। কিছুটা খালি যাতে থাকে। ১০. সারাদিনে বেশ কয়েকবার হাত মুখ ধোয়া ভালো৷ যারা মুসলিম তাদের তো অজু করাই লাগে, অন্যরাও চোখে মুখে পানির ঝাপটা দিন। ১১. কাজ শেষে বাসায় এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন৷ রাত সাড়ে আটটা নয়টার মধ্যে রাতের খাবার শেষ করুন। পরিবারের সবার সাথে একসাথে খেলে ভালো, আপনি দূরে থাকলে একাই খেতে হবে, বা আপনার রুমমেট, মেসমেট যিনি থাকবে, তার সাথে খান৷ ১২. খাওয়ার পর কিছুটা হাঁটা ভালো৷ ভালো হয় এশার নামাজ খাওয়ার পর আদায় করলে। তাহলে একসাথে ব্যায়ামটা হয়ে যায়৷ ডাইজেস্টের জন্য ভালো। ১৩. এবার ফোন টিপুন৷ সোশাল মিডিয়াতে কেউ জরুরি মেসেজ দিলে উত্তর দিন। আপনজনদের খোঁজখবর নিন৷ দিনের খবরাখবর দেখুন। পছন্দের অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। এই সময়ে লেখালেখি করতে পারেন৷ ডায়েরিতে দিনের ঘটনাগুলো লিখুন৷ বা বিশেষ কোনো অনুভূতি যা আপনাকে নাড়া দেয়৷ কোনো স্মৃতিকথা। লেখালেখির অভ্যাস থাকা দারুণ ব্যাপার৷ ১৪. ঘুমাতে চেষ্টা করুন রাত দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে৷ ঘুমের এক ঘন্টা আগে ফোন বা সকল ডিভাইসের স্ক্রিন বন্ধ করুন৷ তখন কাগজের বই খুলতে পারেন৷ অথবা অডিওবুক শুনতে পারেন৷ পছন্দের জনরার গল্প শুনলেন, বা প্রিয় বক্তার আলোচনা বা পডকাস্ট৷ এগুলো শুনতে হবে৷ স্ক্রিনে চোখ রেখে দেখা যাবে না৷ কানে ইয়ারফোন দিয়ে শুনবেন না৷ সহনীয় মাত্রার সাউন্ডে স্পীকারে শুনুন৷ শুনতে শুনতেই ঘুম এসে যাবে৷ ____ এই রুটিনটা একটি মাস অনুসরণ করুন৷ যদি জীবন ইতিবাচকভাবে বদলে না যায়, যদি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা না আসে, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো রুটিনে ফিরে যাইয়েন৷ একটা মাস কষ্ট করে এই রুটিনটা মেনে দেখুন প্রিয় বন্ধু। _____ Paint with Ashraf

অটো-পাইলট মোডে জীবন কাটানো বন্ধ করুন যখন আমরা প্রতিদিন একই রুটিনে জীবন কাটাই এবং কোনো কিছু নিয়ে সচেতনভাবে চিন্তা করি না, তখন জীবন অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। অটো-পাইলট মোড থেকে বেরিয়ে এসে ছোট ছোট বিষয়ে মনোযোগ দিন যেমন, আপনার সকালের কফির স্বাদ বা প্রকৃতির সৌন্দর্য। একাকীত্ব শুধু একটি মানসিক অনুভূতি নয়, এটি একটি মারাত্মক শারীরিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি। গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘস্থায়ী একাকীত্ব দিনে ১৫টি সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর। অর্থপূর্ণ মানবিক সংযোগ আমাদের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

আমরা ভাবি স্ট্রেস মানে বড় কোনো সংকট, চাকরি হারানো বা সম্পর্কে ভাঙন। কিন্তু হার্ভার্ডের একজন চিকিৎসক এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডঃ নেরুরকার বলছেন, আপনার আসল শত্রু আপনার হাতেই ধরা আপনার ফোন, আর যে চেয়ারে আপনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন। আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে স্ট্রেস এবং বার্নআউট শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু এই চাপের পেছনের আসল কারণগুলো কী এবং কীভাবে আমরা এর মোকাবেলা করতে পারি? The Diary of a CEO পডকাস্টে ডঃ অদিতি নেরুরকার আমাদের আধুনিক জীবনের সেই সব অভ্যাস তুলে ধরেছেন, যা নীরবে আমাদের মস্তিষ্ককে ভেতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমাদের মস্তিষ্ক, শরীর এমনভাবে তৈরি হয়নি যা অবিরাম তথ্য, নোটিফিকেশন এবং কাজের চাপের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে। আমরা একটি ফাইট অথবা ফ্লাইট মোডে বাস করছি, যা আমাদের শারীরিক এবং মানসিকভাবে অসুস্থ করে তুলছে। বার্নআউট একটি ক্লিনিক্যাল অবস্থা, যার তিনটি প্রধান লক্ষণ হলো: ১. কোনো কিছুতেই আর শক্তি বা আগ্রহ খুঁজে না পাওয়া। ২. কাজ বা জীবনের প্রতি একটি নেতিবাচক এবং উদাসীন মনোভাব তৈরি হওয়া। ৩. মনে হওয়া যে, আপনি যা-ই করছেন, তাতে কোনো লাভ হচ্ছে না বা আপনি যথেষ্ট ভালো নন। আমাদের সমাজ শেখায় শক্ত থাকো, এগিয়ে যাও। কিন্তু ডঃ নেরুরকার এটিকে টক্সিক সহনশীলতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ক্রমাগত নিজের আবেগ এবং শারীরিক সংকেতকে উপেক্ষা করে শুধু কাজ করে যাওয়া কোনো শক্তি নয়, বরং এটি আত্ম-ধ্বংসের সামিল। সত্যিকারের সহনশীলতা মানে হলো, কখন থামতে হবে এবং নিজেকে রিচার্জ করতে হবে, তা জানা। মানসিক চাপ কমানোর জন্য আপনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মেডিটেশন করতে হবে না। দিনের মধ্যে ছোট ছোট কিছু রিসেট বা বিরতিই যথেষ্ট। যেমন: ১. ৫ মিনিট শুধু নিজের শ্বাসের উপর মনোযোগ দিন। ২. প্রিয়জনকে ২০ সেকেন্ড জড়িয়ে ধরুন। ৩. তিনটি জিনিসের কথা ভাবুন যার জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। ৪. ২ মিনিটের জন্য ডেস্ক থেকে উঠে একটু হাঁটুন বা স্ট্রেচিং করুন। ৫. আপনার পছন্দের একটি গান শুনুন। ব্যায়াম শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মস্তিষ্কের জন্য একটি শক্তিশালী ঔষধ। যখন আপনি ব্যায়াম করেন, তখন আপনার শরীর স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে এমন কেমিক্যাল তৈরি করে। এটি আপনার শরীরকে শেখায় কীভাবে চাপের সাথে আরও ভালোভাবে মোকাবেলা করতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের মস্তিষ্কের জন্য একটি পারফেক্ট স্ট্রেসের রেসিপি। তুলনা: সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের লাইফস্টাইল দেখে নিজেদের সাধারণ জীবনের সাথে তুলনা করি। FOMO (Fear of Missing Out): সবসময় মনে হয়, অন্যরা আমাদের চেয়ে বেশি আনন্দ করছে বা এগিয়ে যাচ্ছে। নেতিবাচকতা: নেতিবাচক খবর এবং কনটেন্ট আমাদের মস্তিষ্কে সরাসরি স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। খাবার এবং স্ট্রেসের মধ্যে গোপন যোগসূত্র আপনার পেট এবং মস্তিষ্ক সরাসরি সংযুক্ত (Gut-Brain Axis)। আপনি যা খান, তা আপনার মানসিক অবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। খারাপ খাবার: প্রক্রিয়াজাত, চিনিযুক্ত খাবার আপনার শরীরে প্রদাহ (inflammation) তৈরি করে, যা মস্তিষ্কে স্ট্রেসের সংকেত পাঠায়। ভালো খাবার: প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার এই প্রদাহ কমায় এবং আপনার মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। ব্রেক নেওয়া অলসতা নয়, এটি উচ্চ পারফরম্যান্সের জন্য অপরিহার্য। আমাদের মস্তিষ্ক একটানা মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। ছোট ছোট বিরতি আপনার ফোকাস এবং সৃজনশীলতাকে রিচার্জ করে। যে জিনিসগুলো আপনাকে অজান্তেই স্ট্রেস দিচ্ছে! সারাদিন বসে থাকা: এটি শরীরকে একটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রাখে, যা স্ট্রেস বাড়ায়। স্ক্রিন টাইম: ফোনের নীল আলো আমাদের ঘুম এবং মানসিক অবস্থাকে নষ্ট করে দেয়। শব্দ দূষণ: শব্দ আমাদের নার্ভাস সিস্টেমকে উত্তেজিত রাখে। মাল্টিটাস্কিং একটি মিথ: এটি আপনার ব্রেনকে ধ্বংস করছে জনসংখ্যার মাত্র ২% মানুষ সত্যিকারের মাল্টিটাস্কিং করতে পারে। বাকি ৯৮% যা করে, তা হলো টাস্ক-সুইচিং। অর্থাৎ, দ্রুত এক কাজ থেকে অন্য কাজে মনোযোগ সরানো, যা আমাদের মস্তিষ্কের শক্তি ক্ষয় করে, ভুল বাড়ায় এবং স্ট্রেসের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর কৌশল হলো ফিজিওলজিক্যাল সাই (Physiological Sigh) বা দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ার মতো কৌশল। যখন আপনি শ্বাস ছাড়ার সময়টাকে শ্বাস নেওয়ার চেয়ে দীর্ঘ করেন, তখন এটি আপনার প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে আপনাকে শান্ত করে। যখন মাথায় হাজারো চিন্তা ঘুরপাক খায়, তখন তা একটি কাগজে লিখে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি আপনার মস্তিষ্ক থেকে চিন্তার বোঝা নামিয়ে দেয় এবং আপনাকে পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্টভাবে দেখতে সাহায্য করে। এটি ওভারথিংকিং কমানোর অন্যতম সেরা বৈজ্ঞানিক উপায়।

এখন অবধি, ৫৫+ ফ্রি কোর্স শেয়ার করেছি, এই ১২টা স্কিলেঃ • ইকমার্স কোর্স - t.ly/dQ0AA • ভিডিও এডিটিং কোর্স - t.ly/2eYLG • ফেসবুক অ্যাডস কোর্স - t.ly/0Fbzt • গ্র্যাফিক্স ডিজাইন কোর্স - t.ly/Um42i • গুগল অ্যাডস কোর্স - t.ly/Z2IH3 • লিংকডইন মার্কেটিং কোর্স - t.ly/Cbube • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স - t.ly/X7ATL • টাইম ম্যানেজমেন্ট কোর্স - t.ly/vrrOa • ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং কোর্স - t.ly/fJPTB • কপিরাইটিং কোর্স - t.ly/jL4Ar • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স -t.ly/4uxv3 • সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কোর্স - t.ly/WiKPA প্রত্যেক শনিবার, আমার লিংকডইনে ও 'Learn with Muntasir' ফেসবুক পেইজে, ফ্রি কোর্স রিসোর্স শেয়ার করছি! সেইভ করে রাখুন 🖤

বর্তমানে যুব সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা সে* ক্স সংক্রান্ত সমস্যা !! আমার বন্ধুদের বেশিরভাগের গত ১০-১২-১৫ বছরে প্রধান সমস্যা কি ছিল জীবনে?? আমার যদি ভুল না হয়, এইটা ছিল টাকা পয়সার সমস্যা ও সে* ক্স সংক্রান্ত সমস্যা। ট্র‍্যাডিশনাল সোসাইটিতে আমাদের দাদারা বিয়ের মাধ্যমে সে ক্স করার অধিকার পাইসে ১৫-১৮ বছর বয়সে, বাবারা পাইসে ২২-২৭ বছর বয়সে। দাদার কাছ থেকে জানা, ছেলের বয়স ২২ এর মধ্যে বিয়া করাইতে না পারলে তাদের সমাজের মানুষজন ব্যর্থ বাপ মা মনে করতো। এইটা ছিল রীতিমত ভয়াবহ ব্যাপার, যে আপনার সামাজিক অবস্থান ভাল কিন্তু ২২-২৪ বছর পার হওয়ার পরেও ছেলেকে আপনি বিয়া করাইতে পারেন নাই। কিন্তু বাপদের থেকে বড় ভাইদের যে জেনারেশান এইখানে ভোল পাল্টায়ে গেল। আমাদের বড় ভাইদের জেনারেশনে বিয়ের গড় বয়স গিয়া দাড়াইলো ৩৩-৩৫ এ, কোন কোন ক্ষেত্রে ৩৮। সমাজ কেবলমাত্র পুজিবাদী হইতেসিলো, প্রায় সমস্ত বাপ মা নিজেদের যাবতীয় শক্তি ব্যবহার কইরা তার সন্তানদের বৈধ যৌনতা থেকে বঞ্চিত করতে উইঠা পইড়া লাগলো। আমরা বড় হইতে হইতে দেখলাম, সেক্সুয়ালিটি আউট অফ ম্যারেজ এভেইলেবল হইতে শুরু করসে। বড় ভাইদের সময়ে যে ব্যাপারটা ছিল না, তা না। কিন্তু সেইটা ছিল স্কার্স এবং রিস্ক ছিল অনেক। কোন মেয়ের সাথে কনসেনসুয়ালি ইনডিসেন্ট কিছু করতে গিয়া ধরা পড়লে ঐ মেয়ের বাপ ভাইয়ের হাতে মাইর খাওয়া নিশ্চিত, বাপ মার মান ইজ্জত যাওয়া নিশ্চিত, মহল্লা ছাড়তে বাধ্য হওয়া প্রায় নিশ্চিত এবং শেষমেশ ঐ মেয়েকে বিয়া করতে একপ্রকার বাধ্য হওয়া ছিল আমাদের বড় ভাইদের সময়কার ক্রাইসিস। আমাদের সময়ে আইসা ক্রমেই কনসেনসুয়াল সেক্স এবং নন কনসিকোয়েন্সিয়াল সেক্স বাড়তে থাকলো সবখানে। এই জায়গায় আইসা আমরা অনেকেই দেখলাম, সেক্স এভেইলেবল, কিন্তু এক্সেসিবল, এক্সেপ্টেবল না। সোশ্যাল ট্যাবু, কোন কোন ক্ষেত্রে ফিন্যান্সিয়াল ট্যাবু। যার ভাল ফিজিক, মেয়ে পটানোর ক্ষমতা বা ভাল রোজগার নাই, সে সেক্স পায় না। কারন বাপ মা সন্তানের সেক্সুয়াল রাইটকে আর নিজের রেস্পন্সিবিলিটি মনে করা বাদ দিয়া দিসে। এরপর, আমাদের সাথের একটা অংশ হইয়া গেল আউট অফ কন্ট্রোল। তারা আবার দাদারা যে বয়সে সেক্স শুরু করতেন, সেই বয়সেই সেক্স করা শুরু করলো। তফাত থাকলো, দাদাদের সময়ে সেইটা ছিল ধর্ম ও সমাজ দিয়া বান্ধা, রেস্পন্সিবিলিটি ছিল কঠিন, তা এড়ানোর সুযোগ ছিল না একপ্রকার। কিন্তু আমাদের আউট ল বন্ধুবান্ধবদের ধর্ম, সমাজ বা রাষ্ট্র কেউ আটকাইতে পারলো না, বরঞ্চ সংস্কৃতি ও অর্থনীতি তাদের একশনকে ভ্যালিডেইট করতে শুরু করলো। আইমিন, সেক্স ঠেকানো গেল না, পোলাপান তাদের দাদাদের বয়সেই সেক্সুয়ালি এক্টিভ হইয়া উঠলো, উইথ জিরো রেস্পন্সিবিলিটি। জাস্ট এজ ইয়াং এনিম্যালস অফ জাঙ্গল। আর বৃহত্তর গ্রুপটা বড় হইতে থাকলো, সেক্সলেস হিসাবে। তাদের প্রাইম রিপ্রোডাক্টিভ ইয়ার্স তারা পার করলো আনন্দহীন ও দায়িত্বহীন ভাবে। আনন্দ নাই, দায়িত্বও নাই। জীবন্ত ক্লীবের মত কাটতে থাকলো তাদের সময়। আমাদের জেনারেশানে আমরা এভারেজ এইজ অফ ম্যারেজ বড় ভাইদের চেয়ে অনেকটাই কমায় নিয়া আসছি, ২৭-২৮ বছরে আমাদের জেনারেশানের বেশিরভাগ ছেলে বিয়া করতেসে। কারন আমাদের বাপদের কথার উপরে টেক্কা মারার কালচারে আমরা বাস করি প্লাস আমরা বাংলাদেশের নিকট অতীত ও নিকট ভবিষ্যতের প্রথম ও শেষ জেনারেশান যারা দেশে ইজি মানি দেখসি। যোগ্যতা আছে এবং পরিশ্রমী এমন অধিকাংশ ছেলেপেলে ভাল আয় করতেসে। সমাজ আরো লিবারেল হইসে। আবার হাতে টাকা আসলেও, প্রাইম রেস্পন্সিবিলিটি-ফ্যামিলি মেইকিং কিভাবে করতে হয় লাইফের প্রাইম রিপ্রোডাক্টিভ এইজে, সেইটা আমরা জানি না। কিন্তু, এখন দেখা যাইতেসে, বিয়ার পর আমরা খুব একটা ম্যাচিউর বিহ্যাভিওর করতে পারতেসি না। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদেরকে নাকি পালতে হয়, মেয়েরা বলে। সেক্স ইজ ওয়ান অফ দ্যা ইন্সট্রুমেন্টাল ফ্যাক্টরস দোজ মেইক্স ম্যান আউট অফ আ বয়। এইটা যে পরপর দুইটা জেনারেশানকে তাদের সেক্সুয়াল রাইট থেকে বঞ্চিত কইরা ম্যান চাইল্ড হইতে বাধ্য করা, পশু বা ক্লীবের জীবনযাপনে বাধ্য করার পর ম্যান আশা করা তো উচিত না। সমাজ তো আমাদেরকে ম্যান বানাইতে চায় নাই। তাইলে কেন এই আশা, সমাজের নারীরা কি তা বলতে পারে??পুঁজিবাদী ও সেকুলার প্রভাবিত জেনারেশনের ব্যর্থতার দায় ভোগ করছে পরবর্তী জেনারেশন... সমাজে অশ্লীলতা বেহায়াপনা ছড়িয়ে দিয়ে, হারামকে সহজলভ্য এবং হালালকে কঠিন করে দিয়ে, মুসলমানদের চরিত্র ধ্বংস করার জন্য পশ্চিমাদের সুদূরপ্রসারী এজেন্ডা বাস্তবায়নে উনারা আগুনে ঘি ঢালছেন...এই ফেতনার শেষ কোথায়? ✍️Muhammad Sajal

photo content

photo content

MNCs in Bangladesh with Job portal: 1. Unilever Bangladesh Limited | Career: https://careers.unilever.com/location/bangladeshjobs/34155/1210997/2 2. Reckitt Benckiser Bangladesh Ltd. (RB Bangladesh) | Career: https://careers.reckitt.com/ 3. Bata Shoe Company (Bangladesh) Ltd. | Career: https://www.batabd.com/pages/careers 4. MediaVest Bangladesh | Career: https://www.publicisgroupe.com/en/services/talent 5. Grey Advertising Bangladesh Ltd | Career: https://www.grey.com/locations/bangladesh 6. GlaxoSmithKline (GSK) Bangladesh | Career: https://www.gsk.com/en-gb/careers/ 7. Nestlé Bangladesh Ltd. | Career: https://www.nestle.com.bd/jobs 8. The Procter & Gamble Company (P&G) | Career: https://www.pgcareers.com/mea/en/locations/bangladesh 9. Marico Bangladesh Limited | Career: https://www.maricobd.com/career/ 10. British American Tobacco (BAT) | Career: https://careers.bat.com/ 11. Chevron | Career: https://careers.chevron.com/ 12. Standard Chartered Bank | Career: https://www.sc.com/en/careers/ 13. HSBC | Career: https://www.hsbc.com/careers 14. Citi Bank N.A | Career: https://jobs.citi.com/ 15. Siemens | Career: https://jobs.siemens.com/ 16. Ericsson | Career: https://jobs.ericsson.com/ 17. Huawei | Career: https://www.huawei.com/en/careers 18. Samsung | Career: https://www.samsungcareers.com/global 19. Sony | Career: https://www.sony.com/en/SonyInfo/Careers/ 20. LG Electronics | Career: https://careers.lg.com/ 21. Panasonic | Career: https://holdings.panasonic/global/careers.html 22. Philips | Career: https://www.careers.philips.com/ 23. Coca-Cola | Career: https://careers.coca-colacompany.com/ 24. PepsiCo | Career: https://www.pepsicojobs.com/main 25. Nestle (Duplicate Global Entry) | Career: https://www.nestle.com/jobs 26. L’Oréal | Career: https://careers.loreal.com/ 27. AstraZeneca | Career: https://careers.astrazeneca.com/ 28. Novartis | Career: https://www.novartis.com/careers 29. Sanofi | Career: https://www.sanofi.com/en/careers 30. Roche | Career: https://careers.roche.com/global/en 31. Bayer | Career: https://career.bayer.com/ 32. BASF | Career: https://www.basf.com/global/en/careers.html 33. Shell | Career: https://www.shell.com/careers.html 34. BP | Career: https://www.bp.com/en/global/corporate/careers.html 35. ExxonMobil | Career: https://jobs.exxonmobil.com/ 36. Total (TotalEnergies) | Career: https://careers.totalenergies.com/ 37. LafargeHolcim (Holcim) | Career: https://www.holcim.com/careers 38. HeidelbergCement | Career: https://www.heidelbergmaterials.com/en/career 39. Cemex | Career: https://www.cemex.com/careers 40. Microsoft | Career: https://jobs.careers.microsoft.com/global/en 41. Oracle | Career: https://careers.oracle.com/ 42. SAP | Career: https://www.sap.com/about/careers.html 43. IBM | Career: https://www.ibm.com/employment/ 44. Intel | Career: https://jobs.intel.com/ 45. Dell | Career: https://jobs.dell.com/ 46. HP Inc. | Career: https://jobs.hp.com/ 47. Accenture | Career: https://www.accenture.com/us-en/careers 48. KPMG | Career: https://kpmg.com/careers 49. Ernst & Young (EY) | Career: https://www.ey.com/en_gl/careers 50. Deloitte | Career: https://www2.deloitte.com/global/en/careers.html 51. Perfetti Van Melle Bangladesh | Career: https://www.perfettivanmelle.com/careers/ 52. Emami Bangladesh Ltd. | Career: https://www.emamiltd.in/careers/ 53. Dabur Bangladesh Ltd. | Career: https://www.dabur.com/careers 54. Pidilite Industries | Career: https://www.pidilite.com/careers/ 55. Himalaya Bangladesh | Career: https://himalayawellness.in/en-in/careers 56. Sun Pharmaceutical Industries Ltd. | Career: https://www.sunpharma.com/careers MNC তে চাকরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন একটি ATS Friendly প্রফেশনাল রিজুমি। যা আপনাকে ইন্টারভিউ বোর্ড অবদি নিয়ে যাবে। ATS Friendly সিভি তৈরি করতে আমাদের ইনবক্স করুন। NextLead

অধিকাংশ মধ্যবিত্তরা ঋণে জর্জরিত। কারণ, তারা তাদের আয়ের চাইতে খরচের হাতটা বড় করে ফেলেছেন। এই ঋণ তাদেরকে পার্মানেন্টভাবে একটা মানসিক চাপে রাখে, ওদিক দিয়ে নেক্সট আর কি কেনা লাগবে,তাই নিয়েও একটা চাপ থাকে। সমাজে গত ৮-১০ বছরে ভালো একটা চেঞ্জ এসছে। আমার ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত, বড়জোর ২-১ বার জন্মদিনে কেক কাটা হয়েছে। অথচ এরপর থেকে আমি শিখলাম জন্মদিন পালন। আর এখন জন্মদিনে প্রায় ১০-১২টা কেক আসে। কারণ, একটা সেলিব্রেশন, একটু শো অফ, একটু তৈলবাজি, একটু ঋণ করে ঘি খাওয়া। যে টাকা আমি উপার্জন করিই নাই, সেটা আমাকে খরচ করতে হবে। ধার করলে ব্যাংকে আপনার প্রোফাইল ভারী হবে। যাই হোক, হতে পারে, কোন কোন মানুষ আমার মতো এই ব্যাপারটা বিলিভ করেন না এবং ঋণমুক্ত সচ্ছল জীবন যাপন করতে সাচ্ছন্স বোধ করেন (আমার খুব সামান্য ঋণ আছে, যা ঈদের আগেই শোধ হয়ে যাবে)। ইউজুয়ালি, আমার তেমন কোন লোন থাকে না। আরেকটা বিষয় দেখবেন, আপনার বাবা ছিলেন হয়তো একজন স্কুল মাস্টার। স্কুলের বেতন আর সাইকেল ঠেলে গোটা পাঁচেক টিশন করিয়ে আপনাদের ৪ ভাই বোনকে খাওয়ায়ে পরায়ে, গ্রামে ইটের দালানও দিয়ে দিয়েছে। এদিকে আপনি একটি মাত্র বাচ্চা নিয়ে ৫০-৬০ হাজার টাকা বেতনের জব নিয়েও মোট প্রায় দুই লাখ টাকার ঋণ করে বসে আছেন। আমাদের এখন জন্মদিনের চাহিদা, কক্সবাজার যাওয়ার চাহিদা, দেশের বাইরে যাওয়ার চাহিদা ইত্যাদি নানান চাহিদা জন্ম নিয়েছে। আপনার প্যারেন্টস দেখবেন, কক্সবাজার যান নাই ৭০ বছরের লাইফে, এদিকে আপনি গত ৭ বছরে ১৭ বার গিয়েছেন। আপনি যেতেই পারেন, যদি আপনার সেই উপার্জন থাকে, কিন্তু ইস্যু ইজ, উপার্জন না করেই, লোন করে হলেও আপনি চলে যাচ্ছেন। কিংবা এটাকে প্রায়োরিটি দিতে গিয়ে অনেক জরুরী বিষয়ে আর সময় দিতে পারছেন না। যাই হোক, একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখবেন, যে কোন কর্পোরেটে, বিজনেসে বা প্রজেক্ট করতে গেলে শুরুতেই একটা বাজেট করতে হয়। কোন কোন খাতে কত টাকা খরচ করতে হবে, আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকে। নতুন কোন আইডিয়া মাথায় আসলেও সেটা বাজেট অতিক্রম হলে, না করে দেয়া হয়। আমাদের নিজস্ব খরচে আমরা বাজেট করি না। অথচ আমাদের মাসে কত টাকার কি কি খাবো, কি কি কেনা লাগবে, বাচ্চার স্কুলের বেতন কি হবে, টিফিন, যাতায়াত, টিউশন, কি হবে, এগুলা যদি আগে থেকে ক্লিয়ারলি ডিফাইন করা থাকতো, তাহলে আমরা অনেকেই বাড়তি খরচ করার হাত থেকে রেহাই পেতাম হয়তো। নিজের মনকে এমনভাবে ট্রেইন আপ করতে হবে, যাতে আমি বাজেটের বাইরে গিয়ে খরচ না করি, যাই হোক, আমাকে বাজেটের ভিতর চলতে হবে। অফিসের বাজেট, বাসার জন্যে বাজেট। যখন আপনি আপনার উপার্জনের ৬০% এর ভিতর একটি বাজেট নিজের পরিবারের জন্যে করতে পারবেন, তখন আপনি নিয়মিত সেভিং করতে পারবেন। দান করতে পারবেন, ইনভেস্ট করতে পারবেন। বছরখানেকের ভিতর ব্যাংক ব্যাল্যান্স করতে পারবেন বা জমি কিনতে পারবেন। বিপদে ভরসা পাবেন। এটাই আসলে আল্টিমেট সচ্ছলতার উপায়। এর আর কোন শর্টকাট নাই।

বাংলাদেশে কর্মকর্তাদের নিয়ে এরকম গবেষণা হয়নি। কিন্তু আমার এক পরিচিতের মতে, বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বড় একটা অংশ এরকম সাইকোলোজিকাল কন্ডিশন ডেভেলপ করেছে। নিজের সেক্সুয়াল লাইফের বারোটা বেজে গেছে, ফলে সে যে বয়সে সেক্স করতে পারেনি, সেই বয়সে আরেকজন কেন করবে - এটা মানতে পারে না। হ্যাঁ, বাল্যবিয়ে বন্ধের অনেক কারণ আছে, মিডিয়ায় কাভারেজ পাওয়া যায়, প্রথম আলো ফিচার করে, ইয়ারলি পারফরম্যান্সে যোগ হলো, বিদেশী এনজিওরা বাহবা দেয়। এর সাথে ব্যাক্তিগত বড় ইস্যুটাও জুড়ে গেল - ফলে আমাদের এসিল্যান্ড সাহেব রাত বারোটায়ও হাজির হন দরিদ্র দিনমজুরের মেয়ের বিয়ে বন্ধ করতে। যে হয়ত লাস্ট ছয়মাস রোদে পুড়েছে এই বিয়ের খরচ এক জায়গায় করতে। বলে রাখা ভালো, এর আগে মধ্যবিত্তরাও যৌথ বা বড় পরিবারের কারণে একটা ক্রাইসিসে ভুগত। কিন্তু এখন সবদিকে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি আর এক ফ্লাটের বাসার কারণে সে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়েছে। মধ্যবিত্ত ছেলেরা বিয়ে করে বৌ নিয়ে শহরে চলে যাচ্ছে, অনেক ভালো সেক্সুয়াল লাইফ এখন। সবশেষ ব্যাপারটা নারী কর্মকর্তাদের নিয়ে। আমি গত ৬/৭ বছর ধরে অনেকগুলো ফেমিনিস্ট কমিউনিটি নিয়মিত ভিজিট করি। একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি, ফেমিনিস্টদের এমন একটা ব্যাপার এত রাগিয়ে দেয়, যা আর কোনো ব্যপার পারে না। সেটা হলো, কোন পুরুষ একটা অল্পবয়েসি মেয়ের সাথে রিলেশন বা বিয়ে করছে, এটা তারা কোনোভাবেই মানতে চায় না। ইভেন নারীদের খুন-হবার ব্যাপারেও এত কড়া রিঅ্যাকশন দেখায় না যতটা এই ব্যপারে দেখায়। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও একটা উদাহরণ। যে যত যাই বলুক, মেয়েদের প্রাইম বয়স ১৬-১৭-১৮, এই বয়সের মত এত সমৃদ্ধ তারা কখনোই আর হয় না। 'সুইট সিক্সটিন' টার্মটা এমনি এমনি আসেনি, পশ্চিমারাই দিয়েছে। তো এই ফেমিনিস্টগুলো সব তাদের প্রাইম বয়স পার করে ফেলেছে, তাদেরকে আগলি দেখায়। সুতরাং তার চেয়ে কম বয়েসি কেউ তার চেয়ে বেশি অ্যাটেনশন পাচ্ছে এটা মানতেই পারে না, হাত কেটে যাওয়াও তার জন্য সহজ। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিয়ে বন্ধ করেছে মাদারীপুরের মাহমুদা আক্তার কণা নামের এক মহিলা, হাজারেরও বেশি। তার ওজন ৩ মণের কাছাকাছি হবে। আমার পছন্দের কমেডিয়ান জর্জ কার্লিনের ভাষায়, "টেকনিকালি তো মনে হয় না এই মহিলা সেক্স করতে পারে"। আমার মেসেজটা পেয়েছেন আশাকরি। _____ আহমাদ খান

বাংলাদেশে দুই শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বাজে সেক্সুয়াল লাইফ কাটায়!!! প্রথম শ্রেণি হল গার্মেন্টস শ্রমিকরা। অনুমান করে বলা না, এ ব্যাপারে সত্যি সত্যি রিসার্চ হয়েছে। মুলতঃ গার্মেন্টস শ্রমিকদের থাকার জায়গা আর কাজের রুটিনই এর জন্য দায়ী। অল্প আয়ের এই গার্মেন্টস শ্রমিকরা সাধারণতঃ এক ঘরে ৬-৭ জন করে থাকে। আবার অনেকের গ্রাম থেকে আসা অসুস্থ বা বৃদ্ধ কোনো আত্মীয় তাদের সাথে স্থায়ীভাবে থাকে, যারা কখনোই ঘর ছেড়ে যায় না। ফলে স্বামী-স্ত্রী দিনের পর দিন এক ঘরে থাকলেও দিন কাটাতে হয় পুরোপুরি ব্যাচেলরের মত। এরপর হলো কাজের রুটিন। ভোরসকালে উঠে যাওয়া, সারাদিন টানা পরিশ্রম, দুপুরে কেবল ভাজি-ভর্তা দিয়ে ভাত - একজন সাধারণ পেশাজীবির চেয়ে তারা অনেক ক্লান্ত। ফলে ব্যপারটা এতই গুরুতর যে, সাধারণ মানুষের চাইতে কম জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও কেবল বাজে সেক্সুয়াল লাইফের কারণে তাদের মধ্যে জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে কম। বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে ৬২% কাপল বার্থ-কন্ট্রোল নিয়ে থাকে, সেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকরা ৪২ থেকে ৫২%। কিন্তু এত কম নেওয়ার পরেও তাদের জন্মহার জাতীয় হারের চেয়ে ০.০১% কম। দ্বিতীয় শ্রেনী হলো, বাংলাদেশের পদস্থ কর্মকর্তারা যাদের চাকরি রেপুটেশনের উপর নির্ভর করে। আরো সংক্ষিপ্ত করে বললে উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা। বাংলাদেশে পয়সাওয়ালা শ্রেনী, যাদের মধ্যে ধর্মের তেমন প্রভাব নেই, তারা লিমিটলেস সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস পায়। যেমন বেসরকারি কর্মকর্তা, কন্ট্রাক্টর, ব্যাবসায়ি এবং পলিটিশিয়ান। পুরো দেশ থেকে এমনকি বিদেশ থেকেও সাপ্লাই যায় তাদের কাছে। এখানে পলিটিশিয়ানরা রেপুটেশনে প্রভাবিত হলেও তারা স্কান্ডাল সামাল দিতে জানে। আপনি কয়জন রাজনৈতিক নেতাকে দেখেছেন যারা কেবল নারীঘটিত ব্যপারে পুরো পলিটিকাল ক্যারিয়ার শেষ করে ফেলেছে? এখানেই ব্যতিক্রম সরকারী কর্মকর্তারা। তাদের লাইফ কেবল তাদের ওই পদ দ্বারাই ডিফাইন করা হয়। অনেকদিন আগে প্রিয় ডটকমে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম, বাংলাদেশি নারীদের সেক্সকে ব্যাবহার করা নিয়ে। ধর্মীয় প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে বহুগামীতা স্বীকৃত না। সেটা বৈধ দুই বিয়ে হোক বা বেশ্যালয়ে যাওয়া হোক। ফলে একজন স্ত্রী যখন জেনে যাচ্ছে, সেই পুরুষের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস কেবল এক জায়গাতেই পাবে, তখনই সে ব্লাকমেইল করা শুরু করে। অবশ্য সব নারীদের কথা বলা হচ্ছে না। এক জায়গায় লিখেছিল কিছু কমন ঘটনার কথা। যেমন, স্বামীর কাছে অনেক দিন ধরে একটা জুয়েলারি চাচ্ছে, কিন্তু স্বামী দিচ্ছে না। এখন স্ত্রী তো অল্পদিনেই স্বামীকে চিনে যায়, কখন দুর্বল, কখন ব্লাকমেইলে কাজ হবে। এবার স্বামী যখন বুকের উপরে, সে বলে বসল, সেই জুয়েলারির ব্যবস্থা না করে দিলে আর এগোতে দেবে না। স্বামী তো তখন অর্ধবেহুশ - তার আর উপায় নেই। এভাবেই নানান স্বার্থ হাসিল আর ব্লাকমেইল চলতে থাকে। কারণ স্ত্রী নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে, এর আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, এদিক-ওদিক করলে চাকরি হারাবে, ক্যারিয়ার যাবে। ব্যাপারটা আরো ভয়ানক মধ্যবয়েসীদের বেলায়। যারা পুরুষের মিড-লাইফ ক্রাইসিসের ব্যাপারে জানেন তারা বুঝতে পারবেন ব্যাপারটা কত সিরিয়াস। সে ছটফট করছে, আর ঘরে মাঝবয়সী মেক্সি পরা বৌ। তার উপর মেনোপজের পরে তাদের সেক্সুয়াল ড্রাইভ একেবারে কমে যায়, মানসিকভাবে তো বটেও, ফিজিকালিও। আর বাঙ্গালী নারীদের তো ঘরে বুয়ার চেয়েও খারাপ গেটআপে থাকার রেপুটেশন আছে। একটা বড় অংশ হয়ে যায় অনেক মোটা। বাংলাদেশে ফিজিকাল এক্সারসাইজ করে মাত্র ২০-২৫ শতাংশ নারী, যাদের অধিকাংশই হলো মডেল, কর্পোরেট আর স্পোর্টস গার্ল । ফলে সেই বৌয়ের সাথে সেক্স পুরো বিনিময় টাইপের হয়ে যায়। বৌ এটা-সেটা আদায় করে নেয়। আর মেনোপজের ফলে আগের মত আর উপভোগ্যও থাকে না। এক বিসিএস ক্যাডারের লেখা দেখছিলাম, অনেক কষ্ট করে ক্যাডার হবার পর বিয়ে করলো। এদিকে তিন চার-মাস পর বৌ প্রেগন্যান্ট। তারপর থেকে টানা ৯ মাস কাছে যেতে দেয়নি। তারপর বাচ্চা হবার পর থেকে সেই বাচ্চাই সব-স্বামীর দিকে খেয়ালই নেই। আর সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ, কিছুদিন পর ধরা পড়লো ফিস্টুলা, সিজারের সময় হয়েছে। ব্যাস, সারাজীবনের মত সেক্সুয়াল লাইফ গেলো। উনি লিখেছিলেন, আমারও বয়েস হয়ে যাচ্ছে, ঘরে বেঢপ সাইজের অনাগ্রহি বউ, আর বাড়ির পাশে স্কুল আর কোচিং সেন্টার - শত শত মেয়েরা যাওয়া আসা করে। দ্বিতীয় বিয়ে করতে দেবে না , ভদ্রলোক বলে বেশ্যার কাছেও যেতে পারবো না। আর অ্যাফেয়ারের চেষ্টা করলে বৌ চাকরি খেয়ে দেবে বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে। দিনরাত সুইসাইডের কথা ভাবেন। এবার আসি আসল কথায়। সাইকোলজিতে Misophonia আর Misokenisia নামে দুটো টার্ম আছে। এই কন্ডিশনগুলোর একটার ব্যাপার এরকম, এক ব্যাক্তি যার নিজের সেক্সুয়াল অ্যাক্সেস নেই, সে অন্য কারো সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি সহ্য করতে পারে না। মানে আরেকজন সেক্স করছে, ইভেন কিস করছে এটাও সে মানতে পারে না।

সব শিশুকে বাবা মায়ের ফোন নাম্বার মুখস্থ করানো দরকার৷ সে যখন কাউকে ফোন নাম্বার বলবে, তখন কীভাবে বলবে? সিস্টেমটা কী? আমরা অধিকাংশ মানুষ সঠিক নিয়মে ফোন নাম্বার বলতে পারি না৷ অন্তত শিশুকে সঠিক নিয়মটা শেখান৷ • ধরা যাক কোনো একটা ফোন নাম্বার- 01221334466 এখন এই নাম্বারটা কীভাবে বলতে হবে? আমরা অধিকাংশ মানুষ কোড নাম্বারটা ইংরেজীতে বলি৷ বাকি ছয় ডিজিট বাংলাতে বলি৷ যেমন- জিরো ওয়ান ডাবল টু ওয়ান তেত্রিশ চুয়াল্লিশ ছেষট্টি৷ এভাবে বাংলা ইংরেজী মিশিয়ে খিচুড়ি করা যাবে না৷ • প্রতিটা ডিজিট আলাদা করে উচ্চারণ করতে হবে৷ 'ডাবল' 'ট্রিপল' এই জাতীয় শব্দ বাদ দিতে হবে৷ জিরো ওয়ান ডাবল টু ওয়ান বলা যাবে না৷ বলতে হবে জিরো ওয়ান টু টু ওয়ান থ্রি থ্রি ফোর ফোর সিক্স সিক্স৷ • আপনি যেভাবে ফোন নাম্বার বলা শিখেছেন, ওটাকেই সঠিক মনে করবেন না৷ শিশু যখন বড় হয়ে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাবে, বা গবেষণার কাজে যাবে, সে যদি ফোন নাম্বারটা সঠিকভাবে না বলতে পারে, তাহলে সে হাসির পাত্র হতে পারে৷ বুলিংএর শিকার হতে পারে৷ তখন সে আপনাকে দোষারোপ করবে৷ নিজেরা ভুল শিখেছি, ততটা জানাশোনার উপায় ছিল না৷ সন্তান যেন ভুল না শেখে৷ সে যেন সঠিক নিয়ম জেনে, সঠিকভাবে বলার চর্চা করে বেড়ে ওঠে৷ • আপনি আজ থেকে সঠিকভাবে ফোন নাম্বার বলা শিখুন৷ প্রতিটা ডিজিট আলাদা উচ্চারণ করবেন৷ বাংলা ইংরেজী মেশাবেন না৷ ডাবল ট্রিপল বলা ত্যাগ করুন৷ @Paint With Ashraf

যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এরপর সাপ্লিমেন্ট হালুয়া তৈরি করে খাবেন। দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে। বিস্তারিত তৈরীর পদ্ধতি এবং উপকরণ নিচে দেওয়া হল। ✅ সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি 🥄 উপকরণ ও পরিমাণ: অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম জাফরান:২ গ্রাম বীর্য মনি:৫০ গ্রাম তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম তালমাখানা:৩০ গ্রাম তালমুল: ৩০ গ্রাম ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম তোকমা দানা: ২০ গ্রাম গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম আখরোট: ৫০ গ্রাম তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম গাজর বীজ:১৫ গ্রাম দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম যত্রিক: ৩০ গ্রাম মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো 🔧 প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়। 💊 খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন ১ চা চামচ, রাতে শোবার আগে খাবেন। ⚠️ সতর্কতা: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে খুব গরম অথবা বিভিন্ন কারণে তৈরিকৃত সাপ্লিমেন্ট নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই তৈরি করার পর ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে ভাল হয়। . 🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে। নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় । ১ থেকে দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই। নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না । . ★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950 ★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3 ★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950 ★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950 . টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন । . 🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না। ☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন। . হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন । ★ ফোনে কথা বলার সময়: সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত। ★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়: সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত । . 🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন। 01972859950 ও 01712859950 এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।

📢 নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 🧹 পদবী: অফিস সহকারি 📍 অবস্থান: রোড-১, ব্লক -এ,বনশ্রী,রামপুরা, ঢাকা ১২১৯ 🕘 ডিউটির সময়: সকাল ৯:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত 💼 যোগ্যতা: ✔ জেএসসি বা এসএসসি পাশ ✔ পরিশ্রম করার মানসিকতা ✔ সৎ এবং অধুমপায়ী হতে হবে 🔧 দায়িত্বসমূহ: অফিস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা চা ও নাস্তা পরিবেশন অফিসের দৈনন্দিন কাজকর্মে সহায়তা করা ফাইল, ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য সামগ্রী নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেওয়া। 💰 বেতন: ১২ হাজার বছরে দুইটি ঈদ বোনাস লাঞ্চ+স্ন্যাক্স বিল 📞 যোগাযোগ: 01577015460(WhatsApp/Call) ✅ আগ্রহী প্রার্থীরা সরাসরি কল করুন

সুযোগ সীমিত | আবেদন চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত 🔶 কী পাচ্ছেন? ✅ ৭২০ ঘণ্টার (৬ মাস) ফ্রি কারিগরি প্রশিক্ষণ ✅ থাকা-খাওয়াসহ সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স ✅ মাসে ৫০০ টাকা হাতখরচ ✅ চাকরি উপযোগী ট্রেনিং ও সিলেবাস ✅ কোর্স শেষে চাকরি পেতে সহায়তা 📚 যেসব কোর্সে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে: 🔌 ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস 📺 ইলেকট্রনিকস ❄️ রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং 🔩 ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন ⚙️ মেশিনিস্ট 👥 কারা আবেদন করতে পারবেন? 👉 ১৮-২৬ বছর বয়সী সুবিধাবঞ্চিত মুসলিম যুবক 👉 সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণি, সর্বোচ্চ এসএসসি পাস 👉 বর্তমানে পড়াশোনার সাথে যুক্ত নন 📄 যেসব কাগজপত্র লাগবে: 📌 JSC, SSC ও HSC ফল (রোল, সাল) 📌 ফোন নম্বর (দুইবার দিতে হবে) 📌 পাসপোর্ট সাইজ ছবি 📌 আবেদন সাবমিটের পর প্রবেশপত্র প্রিন্ট নিতে হবে 📅 আবেদন শেষ তারিখ: ৩১ জুলাই, ২০২৫ 🌐 আবেদন লিংক: 👉 https://isdb-bisew.org/apply 📣 কারিগরি জ্ঞান অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ, ফ্রেশার ও কর্মসংস্থানের অভাবে থাকা ভাইদের শেয়ার করুন 🙏 #FreeTraining #IDB #VocationalTraining #SkilledYouth #JobOpportunity

photo content

photo content