1 961
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-37 أيام
-930 أيام
أرشيف المشاركات
1 961
কিছু ইসলাম নামধারী রাজনৈতিক দল যে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ বন্ধে আন্দোলনে নামছে, তারা আসলে কোন ইসলামকে ফলো করে, তারা আসলে কোন ব্যাখ্যাকে ফলো করে?
🎶 ইসলামে সংগীত নিয়ে আলেমদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি 🎶
অনেকেই মনে করেন ইসলামে সংগীত শুধু হারাম। কিন্তু ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে দেখা যায়, বহু প্রখ্যাত ইসলামি আলেম সংগীতকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেছেন।
✨ ইমাম আল-গাজ্জালি (১০৫৮–১১১১ খ্রি.)
তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইহইয়াউ উলূমিদ্দীন-এ তিনি লিখেছেন— সংগীত ও গানের মধ্যে আসলে কোনো হারাম নেই। বরং এটি হৃদয় নরম করে, আল্লাহর প্রতি প্রেম জাগায়, আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। শর্ত হলো, সংগীত যেন হারামের সাথে যুক্ত না হয়।
✨ ইবনে হাজম (৯৯৪–১০৬৪ খ্রি.)
আন্দালুসের এই আলেম বলেন— কোরআন বা হাদিসে সংগীতকে সরাসরি হারাম ঘোষণা করা হয়নি। বরং এটি মানুষের স্বাভাবিক আনন্দ ও সামাজিক সংস্কৃতির অংশ।
✨ ইমাম ফখরুদ্দীন আল-রাজি (১১৪৯–১২০৯ খ্রি.)
বিখ্যাত তাফসির আল-কবীর এর লেখক আল-রাজি সংগীত ও সুন্দর কণ্ঠকে আল্লাহর এক নিয়ামত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, এগুলো মানুষের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে এবং তাকে সৎপথে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।
✨ সুফি আলেমরা (যেমন রুমি, হাফিজ প্রমুখ)
তাঁরা মনে করেন, সংগীত হলো আত্মাকে জাগ্রত করার মাধ্যম। রুমি বলেছেন— “সংগীত আল্লাহর রহস্যময় ভাষা। এটি আত্মাকে সেই জগতে ফিরিয়ে নেয়, যেখান থেকে সে এসেছে।”
এখন আন্দোলনকারী ইসলামের রক্ষক ও হর্তাকর্তারা আগে ইমাম গাজ্জালি বা ইমাম রাজির মন্তব্য ও ব্যাখ্যাকে খন্ডন করে দেখাক। তারা স্পষ্ট করে বলুক, তারা আসলে কোন ইসলাম ও কার ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করছে?!
@Dr. Anisur Faroqui
1 961
“Money brings money” কথাটা আসলেই বাস্তব। আপনি যদি স্টুডেন্ট অবস্থায় থাকেন, তাহলে সময় + ছোটখাটো পুঁজি = ভবিষ্যতে বড় ইনকাম তৈরির সুযোগ।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে,যেভাবে টাকা দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়
১. ছোটখাটো বিনিয়োগের মাধ্যমে
-অনলাইন Freelancing / Skill Investment
-টাকা খরচ করে ভালো কোর্স (Graphics, Digital Marketing, Data Analysis, Coding, etc.) শিখে নিন।
-এটা একবার শিখলে লাইফটাইম ইনকাম জেনারেট করবে।
-Example: ১০-১৫ হাজার টাকা কোর্স → কয়েক মাস পর প্রজেক্ট থেকে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ইনকাম।
২. Digital Content Investment
-নিজের YouTube / Facebook page / Educational blog শুরু করতে পারেন।
-শুরুতে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, বা বিজ্ঞাপনে সামান্য টাকা খরচ করবেন।
-পরে Monetization থেকে নিয়মিত আয় হবে।
৩.Reselling / E-commerce (F-commerce)
-পাইকারি মার্কেট (যেমন চকবাজার, নিউমার্কেট, পোশাক/গ্যাজেট) থেকে পণ্য কিনে অনলাইনে বিক্রি করুন।
-শুরুর জন্য ৩-৫ হাজার টাকা দিয়েও সম্ভব।
-উদাহরণ: গিফট আইটেম, কসমেটিকস, টি-শার্ট, জিম এক্সেসরিজ, বই ইত্যাদি।
প্যাসিভ/ফাইন্যান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট
৪. সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক ডিপোজিট
-যদিও রিটার্ন কম, কিন্তু রিস্ক নেই।
-দীর্ঘমেয়াদে ভালো, তবে স্টুডেন্টদের জন্য ফ্লেক্সিবল নয়।
৫. Stock Market (শেয়ার মার্কেট)
-Risk বেশি, কিন্তু শেখার পর ছোট ইনভেস্টমেন্টে শুরু করলে অভিজ্ঞতা তৈরি হবে।
-৫-১০ হাজার দিয়েই শুরু করা যায়।
৬. Mutual Funds / Bond Investment
-সরাসরি শেয়ার কেনার ঝুঁকি না নিয়ে Mutual Fund-এ টাকা রাখতে পারেন।
-Expert ম্যানেজ করে, তাই ঝুঁকি তুলনামূলক কম।
স্কিল-ভিত্তিক টাকা দিয়ে ইনকাম
৭. Coaching / Tuition Startup
-ছাত্রদের জন্য নোট প্রিন্ট, বুকলেট বানানো, কোচিং ছোটভাবে শুরু করা।
-শুরুর ক্যাপিটাল লাগে কিন্তু দ্রুত রিটার্ন আসে।
৮. Skill Tools Buy করা
-Example: ল্যাপটপ, ক্যামেরা, গ্রাফিক ট্যাব → এগুলো শিখে ব্যবহার করলে ইনকাম জেনারেট করবে।
মূলকথা:
স্টুডেন্ট অবস্থায় risky বড় ইনভেস্টমেন্ট না করে –
Small Capital → Skill Build → Income Source Create → Reinvest → বড় ইনকাম
1 961
*Silence therapy* মানে হলো কিছু নির্দিষ্ট সময় সম্পূর্ণ নিরবতা বজায় রেখে নিজের সাথে সংযোগ তৈরি করা, মানসিক চাপ কমানো ও আত্মউন্নয়নের চর্চা করা।
কীভাবে Silence Therapy নেবেন:
১. *সময় নির্ধারণ করুন*: প্রতিদিন ১৫–৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করুন (সকাল বা রাতে)।
২. *নীরব পরিবেশ* বেছে নিন: যেখানে কোনো শব্দ বা লোকের ব্যাঘাত থাকবে না।
3. *ফোন/ডিভাইস বন্ধ রাখুন*: একেবারে ডিজিটাল ডিটক্স করুন।
৪. *চোখ বন্ধ করে বসুন*: শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে মন দিন। কোনো চিন্তা এলে তা ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে দিন।
৫. *ভাবনাকে আসতে-যেতে দিন*: কিন্তু কোনো চিন্তাকেই ধরার চেষ্টা করবেন না। একে mindfulness বলে।
৬. *জার্নালিং (ঐচ্ছিক)*: পরবর্তী সময়ে কী অনুভব করলেন তা লিখে রাখতে পারেন।
---
Silence Therapy-র উপকারিতা:
- *মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়*
- *ফোকাস এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়*
- *ইনার পিস বা অন্তর্দৃষ্টি তৈরি করে*
- *মনের আওয়াজ শুনতে শেখায়*
- *ডিপ্রেশন, ওভারথিংকিং কমাতে সাহায্য করে*
এটা একধরনের *মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন* বা *ডিটাচমেন্ট থেরাপি* বলেও ধরা যায়।
চাইলে আপনি *Retreat Silence Therapy (Vipassana)* প্রোগ্রামেও অংশ নিতে পারেন, যেখানে ৩-১০ দিনের সম্পূর্ণ নিরবতা পালন করা হয়।
1 961
অনলাইনে ব্যক্তিগত মুহুর্তের স্পর্শকাতর কন্টেন্ট ভাইরাল হলে কি করা উচিৎ???
এই ইস্যুতে হয়তো মোটামুটি অনেকেই পড়েছেন!! বিশেষ করে নারীরা!!
আর এসব ভাইরাল-এর পর কি পরিমান হেনস্তা হতে হয় সেটা সবার-ই জানা!!
প্রথমে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়া সহ নানাবিধ সম্মানহানি তো থাকেই!!
এখন, কথা হলো এই অবস্থায় করনীয় কি আসলে!!
১. যদি, এমন কিছু ভাইরাল হয় যেটা ফেইক বা ইডিট করা! তবে নিশ্চিন্তে ইগ্নোর করুন! প্রমান করতে যাওয়ার দরকার নেই যে সেটা ফেইক!
যদি, প্রেশার ফিল হয় তবে পরিবারের সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে জানান এবং একসাথে অনলাইনে একটা জিডি করুন! এর পর ইউটিউব দেখে বা গুগলে সার্চ করে ওই কন্টেন্ট রিমুভের উপায়গুলো ঘাটাঘাটি করে নিজেরা প্রথমে রিমুভের চেষ্টা করুন!!
তাও ব্যর্থ হলে, থানার মারফতে সাইবার পুলিশের সহায়তা নিন!!
এর বাইরে stopncii তেও সাবমিট করতে পারেন সেই কন্টেন্ট যদি বেশি-ই প্যারাদায়ক মনে হয়!
২. যদি ভাইরাল হওয়া কন্টেন্ট অরিজিনাল হয়, এবং আপনি যদি জানেন যে কে এইটা করেছে কোনো ধরনের কাহিনী ছাড়াই পরিবারের ক্লোজেস্ট মানুষকে জানান, একসাথে থানায় যান অথবা অনলাইনে জিডি করেন এরপর সেটা নিয়ে সরাসরি DB Police Cyber Help ডেস্কে চলে যান! তাদের পরামর্শ মতো আইনি ব্যবস্থা নিন!! আর রিমুভের ব্যবস্থা তারা করবে!!আর আপনারাও চাইলে নিজেরা রিমুভের চেষ্টা করে যেতে পারেন!!!
আর এই সময়ে, বহু শুভাকাঙ্ক্ষী হবে এমন, যারা ইচ্ছা করে করে ভাইরাল হওয়া লিংক দিয়ে বলবে "দেখো কি কি ছড়াচ্ছে" কিছু একটা এ্যাকশন নাও!!
এইসব শুভাকাঙ্ক্ষী নামক মাথাব্যাথা তৈরীর কারনদের মেসেজ দেইখেন্না, এরাই দ্বায়ী মানসিকভাবে প্যারা দেওয়ার জন্য!!
আর, কোনোভাবে এসব কন্টেন্ট মুছে ফেলা সম্ভব না হলে Erazee এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন!!
যেকোনো ওয়েবসাইটে থাকা এসব হেনস্তাকারী কন্টেন্ট রিমুভ নিয়ে কাজ করছে তারা!!
প্রফেশনাল সাপোর্ট এর জন্য তাদের-ও দ্বারস্থ হতে পারেন!!
তবে মনে রাখবেন, অপরাধী সে, যে এসব ভাইরাল করেছে আপনি না!
সুতরাং মানসিকভাবে টেনশন সে করবে, আপনি কেন করছেন?আর হ্যা, এয়াওব লুতুপুতু করাটাও অপরাধ! হয়তো আইনীভাবে না, তবে নৈতিকভাবে!
1 961
বাংলাদেশে কোন সাবজেক্ট = কোন চাকরি?
আপনি যদি আজকেই ভার্সিটির স্টুডেন্টদের মধ্যে একটা জরিপ করেন তাহলে দেখবেন প্রায় ৪০% স্টুডেন্ট ই জানে না যে সে যেই সাব্জেক্টে পড়ছে সেই সাব্জেক্ট পড়ে আসলে কি করবে। ৪০% মানে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী... এবং এটা মোটেও হেলাফেলা করার মত বিষয় না।
প্রাইভেট ভার্সিটি বাদে পাবলিক, ন্যাশনালের সিলেকশন সিস্টেমে আপনি সাব্জেক্ট চয়েজ দেয়ার পর ভাগ্যে কোন সাব্জেক্ট আসবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। অনেকসময় পরিস্থিতির চাপে পরে এমন একটা বিষয় নিয়ে ৪ টা বছর পড়াশোনা করতে হয় যেই বিষয়ে আপনার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই আর আপনার সেই সেক্টরে কাজ করার ইচ্ছাও নেই। তখনই হিতে বিপরীত হয়ে যায়।
অ্যাকাডেমিকালী ভালো স্টুডেন্ট ও একটার পর একটা বিষয়ে পিছিয়ে পড়তে থাকে। একটা সময় গিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। চাকরিতেও চান্স কমে যায়।
👉 এইজন্যই আগে থেকেই সাব্জেক্ট + জব ফিল্ড সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
কারণ Subject শুধু বই পড়ার জন্য না, আপনার Career Path তৈরির জন্য।
বাংলাদেশে কোন সাব্জেক্টে পড়লে আপনি কোন সেক্টরে চাকরি করতে পারবেন সেটার একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছি। আমার দিক থেকে যতটুকু জানি শেয়ার করলাম এর বাহিরে আর কি সম্ভাব্য সেক্টর আছে জানান আমাকে কমেন্ট সেকশনে।
⚡ Science Faculty
🔹 Physics/Math/Botany/Zoology → Teacher/Lecturer/Professor, Higher research.
🔹 Chemistry → Teaching + Chemical/Food/Garments industry jobs.
🔹 Biochemistry / Molecular Biology → Pharma industry, Medical Research, Biotech labs.
🔹 Environmental Science → NGO, Climate projects, Research orgs, Consultancy.
🔹 CSE (Computer Science) → Software engineer, IT jobs, Cyber security, Freelancing.
⚡ Business Faculty (BBA)
🔹 Accounting / Finance & Banking → Bank, Financial institution, Company accounts.
🔹 Management → HR/Admin/Manager roles in companies.
🔹 Marketing → Corporate Sales, Brand promotion, Digital marketing.
⚡ Arts & Social Science Faculty
🔹 Psychology → Psychologist, Psychotherapist, Counselor, Addiction/Autism center, HR/Industry jobs, Trainer.
🔹 English → Teacher, Content writer, Translator, Trainer.
🔹 Bangla → Teacher, Media/Journalism, Content writer.
🔹 Economics → Bank, Development orgs, Research jobs, BCS.
🔹 Philosophy → Teaching, Journalism, Civil Service.
🔹 Anthropology → Development orgs, UN/NGO projects, Research.
🔹 Islamic History & Culture → Teaching, Research, Religious institutions.
🔹 Social Work → NGO, Hospital, Community development.
🔹 Sociology → Social research, NGO, HR, Development sector.
🔹 Political Science → BCS, Journalism, Policy-making, Research.
⚠️ এইবার Reality Check :
✅ সব সাবজেক্টে Equal opportunity নাই।
✅ কিছু সাবজেক্টে Skill + Networking না থাকলে চাকরি পাওয়া মুশকিল।
তাই শুধু Subject না, এর সাথে Side skill build করা, Internship করা আর Network তৈরি করা আপনাকে বানাবে অন্যদের মাঝে গেম চেঞ্জার 🔥
এবার আপনার কাছে আমার প্রশ্ন –
গ্র্যাজুয়েশন শেষে হতাশ হয়ে “এই সাবজেক্ট পড়ে কি পেলাম?” স্ট্যাটাস দিবেন নাকি আগে থেকেই জানবেন কোন সাবজেক্ট কোন দিকে যায়, আর নিজেকে সেইভাবে গড়ে তুলবেন? পথ দুইটা খোলা।
একটা আপনাকে হতাশ করবে, অন্যটা ক্যারিয়ার বানাবে।
Choose wisely 🚀
প্রতিদিন রাতে আমি এরকম দরকারি বিষয়ে লেখালেখি করি যা আপনার গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি ভেঙে পজিটিভ মাইন্ডসেট গড়তে সাহায্য করবে।
মিস করতে না চাইলে Follow Iqra talks ✨
I'll be with you till you know about everything that you need to know 😉
#CareerInBangladesh #SubjectChoice #JobMarket #BangladeshYouth #StudentLife #CareerGuidance #UniversityLife #FuturePlanning #CareerTips #LifeChangingBooks #StudentLife #UniversityJourney #PersonalGrowth #SelfDevelopment #YouthPower #MindsetMatters #ReadToLead #FutureReady #SuccessMindset #MotivationForYouth #BangladeshYouth #CareerJourney #LifeLessons #GoalSetting #LevelUp #Iqra_Talks
1 961
১৯৯০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলাদেশে এসএসসি এবং এইচ এসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৩০ -৪ ০%
মানে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষা দিলে ৩০ জন পাশ করতো ।
জাস্ট পাশ। মানে ১০০ তে ৩৩ নম্বর ।
এর মধ্যে ৭৫% পাইলে বলা হতো ষ্টার মার্ক্স্ পাওয়া।
১০০ তে পচাত্তর পাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার ছিল। সব সাবজেক্টে ৭৫ পাওয়া ছেলে মেয়েদের দেখতে বাসায় মানুষ আসতো।
ফাস্ট ফরওয়ার্ড করেন ২০২৫ সালে ।
এখন পাশের হার একশ ছুঁই ছুঁই করে পারলে।
সবাই সব সাবজেক্টে ৮০ এর বেশি পায়।
প্রতি বছর লাখে লাখে ছেলে মেয়ে " ভালো " রেজাল্ট করে বের হচ্ছে।
এদের প্রায় কেউ ইংরেজি পড়তে বা লিখতে পারে না , বলা তো দূরের কথা।
এতো মানুষ পাশ যেহুতু করছে , তারা গ্রাজুয়েট ডিগ্রিও নিয়ে ফেলছে একই ভাবে।
এখন শহর ভর্তি শিক্ষিত বেকার , যারা অফিস জব ছাড়া অন্য কাজ করতে লজ্জা পায়।
এই সিচুয়েশনের কারণে আগে শুনতাম ৩৫ হাজার টাকায় গ্রাজুয়েট ছেলে কাজ করে, এখন সেটা ২ ০ হাজার , ১ ৫ হাজার হয়ে ৮ হাজারে এসে নেমেছে।
মানুষ খালি একটা অফিস জব চায় , দরকার হলে বিনা বেতনে, জাস্ট সিভিতে লিখার জন্যে।
এই অবস্থার রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক , সামাজিক , প্রতিটি সাইড এফেক্ট ভয়াবহ।
গত পনেরো বছরের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের ফলাফল আগামী মিনিমাম ২৫ বছর ধরে দিতে হবে দেশকে, যদি এর মধ্যে ব্যাপক হারে ম্যানুফ্যাকচারিং কাজ তৈরী না হয় কিংবা প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে কয়েক মিলিয়ন বাংলাদেশী বিদেশে যেতে না পারে।
বাংলাদেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা এই মুহূর্তে কঠিন করে দিতে হবে , এবং পাশের হার সেই আগের ৩০ - ৪০ পার্সেন্ট নিয়ে যেতে হবে, যাতে যার পড়াশুনা করার কথা না , সে যেন খামাখা এইচ এস সির পরে আর গ্রাজুয়েশন করতে না যায়।
কথা টা শুনতে খারাপ লাগলেও এইটাই দুনিয়ার নিয়ম ।
আমেরিকায় মাত্র ৫০ % মানুষ ১২ ক্লাসের পরে আরও পড়াশুনা করে। বাকি ৫০% কাজে ঢুকে যায়।
বাংলাদেশেও আগে তাই হতো। সেখানে ফিরে যেতে হবে।
@collected
1 961
কসম ভঙ্গ করলে কাফফারা দিতে হবে।
★ একটি কসমের কাফফারা হল, দশজন গরীব মিসকীনকে দু বেলা তৃপ্তিসহ খানা খাওয়ানো। অথবা তাদের প্রত্যেককে এক জোড়া করে কাপড় দেওয়া। এ দুটির সমার্থ্য না থাকলে এক নাগাড়ে তিনটি রোযা রাখা।
-সূরা মায়েদা : ৮৯; কিতাবুল আসল ৩/২৩৮, ৩/১৯৬; আলমাবসূত, সারখসী ৮/১৫৭; ইলাউস সুনান ১১/৪২৬; রুহুল মাআনী ৭/১৪
1 961
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন মধ্যবয়সী নারী খুজছি যিনি বাসার সকল কাজে হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে সারাদিন থাকতে পারবেন। থাকা খাওয়া এবং উপযুক্ত সন্মানী দেয়া হবে৷
ঠিকানা: পোস্তগোলা, জুরাইন ঋষিপাড়া শেষ মাথা, ফজলুল উলুম কওমি মাদ্রাসার পাশে।
কারো যদি পরিচিত কেউ থাকে যিনি হেল্পিং হ্যান্ড হতে ইচ্ছুক৷ তাহলে অনুগ্রহপূর্বক 01963007901 এই নাম্বারে যোগাযোগ করলে হবে
1 961
শুনো ভাই,
এসএসসি পাশ করছো? যথেষ্ট পড়াশোনা হইছে, এইবার কিছু টেকনিক্যাল স্কিল শিখো বিদেশ চলে যাও। আর যারা ইন্টারমিডিয়েট দিয়ে ফেলেছো, পড়াশোনা করার একমাত্র উদ্দেশ্য যদি টাকা ইনকাম হয় , তাহলে তুমিও দেশের বাইরে চলে যাও। ৫-৬ বছর বিদেশ করে তুমি যখন ৪০-৫০ লাখ টাকার মালিক হইবা, তখন দেশে আইসা দেখবা তোমার বন্ধু গ্রাজুয়েশন শেষ করে কুড়ি হাজার টাকা সেলারির চাকরির পেছনে ছুঁটছে।
সুতরাং পড়াশোনার অজুহাতে যত সময় নষ্ট করবা, জীবন থেকে তত পিছায়ে যাইবা।
এই দেশে যে পরিমাণ জনসংখ্যা, যত সংস্কারই হোক, বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই যাবে। তবে তুমি যদি নিজের উপর ১০০% কনফিডেন্ট থাকো এবং দীর্ঘ পড়াশোনায় ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারো এবং ট্যালেন্টেড হও, এক হাজারে যে একজনের চাকরি হয় তুমি হয়তো সেইটা হতে পারবা। আর নাহলে অযথাই এই দেশে থাইকো না।
এই কথাগুলা শুধুমাত্র মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেদের জন্য, যাদের জীবনে টাকাপয়সার দরকার আছে।
1 961
রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে যেসকল স্মার্ট টিপস আপনাকে একদিন সাহায্য করতে পারে :)
১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাকুন । অপরিচিত কোন ব্যাক্তি যদি আপনাকে জোর করে তার গাড়ি তে উঠতে সে আপনাকে লিফট দিবে । তাহলে তার চেহারা যতোই মায়াবী হৌক যেই বয়সীই হৌক , যে জেন্ডারেরই হৌক না কেন আপনার ঠিকই জানা আছে পরের রুল , তাইনা ?
২) প্রটেকটিভ আইটেম সাথে রাখুন প্রতিদিন । নিজেকে বাচানোর অ্যাবিলিটি জোগার করুন । একটা পেপার স্প্রে বানানো কঠিন কিছু না । আপনার ব্যাগে পেপার স্পে এবং ফ্ল্যাশ লাইট রাখতে পারেন আপনার সিচ্যুয়েশন এর উপর ডিপেন্ড করে আপনি অ্যান্টি কাটার ও রাখতে পারেন অথবা লাইসেন্স প্রাপ্ত পিস্তল ।
৩) সেলফ ডিফেন্স শিখুন । আজকাল ইউটিউব থাকতে কোন প্রয়োজন নেই বাইরে সেলফ ডিফেন্স শিখার । আপনি রাস্তায় নিজেকে প্রটেক্ট করতে Bare Knuckle boxing, Wung Chun , Krav maga ,BJJ, Foul Tactis & No rules টাইপ্স টেক্টিস আয়ত্ব করতে পারেন । ট্রাস্ট মি ৩ মাসেই বস হয়ে উঠবেন ।
৪) কেও রাস্তায় আপনাকে ডিস্টার্ব করলে দয়া করে তার প্রতি দয়াশীল হবেন না । রাস্তা দয়াশীল মানুষ কে বেশী ভালনারেবল মানে । আপনি এদের ধমক দিয়ে ইগ্নোর করে চলে আসুন । কেও যদি কোন কিছু বিক্রি করার জোর চেষ্ঠা করে তাহলে এমন ভাব ধরুন যে জিনিস টা নোংরা দেখবেন আপনা আপনিই উক্ত লোক টি চলে যাবে।
৫) বন্ধু বলেই যে তাকে ট্রাস্ট করে যেখানে খুশী সেখানে চলে যাবেন তা হতে পারেনা । আজকাল বন্ধুরাই বেশী আরেক বন্ধুর ক্ষতি করে থাকে । তাই বিকেয়ারফুল উইথ ইউর ফ্রেন্ডস টু......।
৬) পরিচিত দের নাম্বার দরকারি নাম্বার সমূহ মুখস্ত রাখুন । কোনভাবেই সেলফোনের উপর ডিপেন্ড হবেন না । ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশন এ সেলফোনের সময় কই ?
৭) পাবলিকলি রাখুন অনলাইন ডেটিং। আপনি যদি কাওকে অনলাইন অ্যাপ্সে পান তাহলে তার সাথে ডেটিং করতে কখনোই সিসি ক্যামেরা নাই এমন জায়গাইয় যাবেন না । সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ এলাকা দিয়ে যাবেন ।
৮ ) আপনার প্রাইভেসি প্রটেক্ট করুন । এমন স্কিল অর্জন করুন যেভাবে নিজের পারসোনাল ইনফো শেয়ার না করা লাগে । নিজের এমন কিছু শেয়ার করবেন না যাকে আপনি চেনেন না ।
৯) কেও আপনাকে ধরলে বা বিপদে পরলে বাচান বা আমাকে হেল্প না করুন বলে বলতে পারেন আগুন আগুন।
এক রিসার্চে দেখা গেছে মানুষ "হ্যাল্প , হ্যাল্প "এসব শুনে খুব কমই আসে তার চেয়ে বেশী "আগুন আগুন" এসব শুনলে মিনিটে পুরো এলাকা ভরে যাবে । এতে আপনি রক্ষা পাবেন আপনার সাথে খারাপ কিছু হওয়া থেকে ।
১০) নিজেকে লো প্রফাইল রাখুন । গলায় গোল্ডের চেইন হাজারো জুয়েলরি পরে রাস্তায় বের হইয়েন না । এতে রাস্তার ত্রাস গুলো আপনাকে ভাববে হেটে যাওয়া মানি ব্যাগ । শো অফ করে দুনিয়াতে কোন লাভ নাই । এসব সাময়িক আপনাকে বড় করবে কিন্তু কোন একটা এক্সিডেন্ট একদম আজীবন আপনার ক্ষতি করবে । আজকাল গলা টান দিয়ে ছিন্তাই , ক ব্জি কেটে পার্স ছিন্তাই এসব ঘটনা অহরহ ঘটে ।
১১) ত্রাস হয় এরকম এলাকা দিয়ে গেলে আপনার মানি ব্যাগে অল্প কিছু টাকা রাখেন । আর বাকী টাকা আর ক্রেডিট কার্ড গুলো মোজার ফাকে গুজে রাখুন অথবা গোপন ব্যাগে রাখুন যা বের করতে আপনারই অনেক সময় লাগে । ছিন্তাই কারী খুব তাড়াতাড়ী ভাগতে চায় এতে আপনার শুধু মাত্র কিছু টাকা যাবে ।
১২) যেকোন বিপদের মুহুর্তে স্বাভাবিক নিশ্বাস নিন । মনে রাখবেন ঠান্ডা মাথায় ভাল বুদ্ধি নিতে পারবেন <3
আমরা চাই আপনি সবসময় সেইফ থাকেন এবং আপনার প্রিয়জন রাও যাতে সেইফ থাকে । প্রিয়জন দের সাথে শেয়ার করতে পারেন। <3 ধন্যবাদ
@loocksmaxbd
1 961
বাচ্চাদের সাধারণত আমরা কি কি টিকা দিয়ে থাকি✅✅
EPI Schedule মনে রাখার সহজ টেকনিক :-
Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT
D = Diphtheria
P = Pertussis
T = Tetanus
হাঁটি (H) = Hepatitis B
হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B
পা (P) = Pneumococcal Pneumonia
পা (P) = Poliomyelitis
M = Measles
R = Rubella
T = Tuberculosis
🖊️ কখন কোন টিকা দেওয়া হয়?
Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT
D = Diphtheria
P = Pertussis
T = Tetanus
হাঁটি (H) = Hepatitis B
হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B
N.B: এই পাঁচটি Vaccine কে একত্রে Pentavalent Vaccine বলা হয়।
রোগের নাম : ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টাংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি
টিকার নাম : পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব)
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 3
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ,১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh - Left side)
টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular-IM)
🖊️ পা (P) = Pneumococcal Pneumonia
রোগের নাম : নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া
টিকার নাম : পিসিভি টিকা (PCV)
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 3
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh -Left side)
টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular - IM)
🖊️ পা (P) = Poliomyelitis
রোগের নাম : পোলিওমাইলাইটিস
টিকার নাম : ওপিভি (OPV)
ডোজ : 2-3 ফোঁটা অথবা নির্দেশনা অনুসারে
ডোজের সংখ্যা : ৪
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ
টিকাদানের স্থান : মুখে
টিকার প্রয়োগ পথ : মুখে
🖊️ M = Measles
R = Rubella
রোগের নাম : হাম ও রুবেলা
টিকার নাম : এমআর টিকা
ডোজ : 0.5 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 1
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি :
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : হামের টিকা 9 মাস বয়স পূর্ণ হলে এবং রুবেলার টিকা ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে দেয়া হয়।
টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে-ডান উরুতে ( Upper & outer part of right mid thigh - Right side)
টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার নীচে (Subcutaneous)
🖊️ T = Tuberculosis
জন্মের সময়: জন্মের সময় সাধারণত বিসিজি টিকা দেওয়া হয়, যা যক্ষ্মা রোগ থেকে রক্ষা করে।
রোগের নাম : যক্ষা (Tuberculosis)
টিকার নাম : বিসিজি (BCG)
ডোজ : 0.05 এমএল
ডোজের সংখ্যা : 1
ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : -
টিকা শুরু করার সঠিক সময় : জন্মের পর থেকে
টিকাদানের স্থান : বাম বাহুর উপরের অংশে
টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার মধ্যে (Intra-dermal)
টিকা নেওয়ার গুরুত্ব
1. টিকা বাচ্চাদের মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করে।
2. টিকা বাচ্চাদেরকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করে।
3. টিকা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে সাহায্য করে।
সাধারণত স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অনেক বেসরকারি হাসপাতালে বাচ্চাদের টিকা দেওয়া হয়।
সময়মত টিকা নিন,আপনার সন্তানের সুন্দর জীবন উপহার দিন!সংগৃহীত
1 961
৪। রেইন সসার: রেইন সসার একটি উল্টানো ছাতা সদৃশ জিনিস যা দিয়ে বৃষ্টির সময় পানি আহরণ করা যায়। এই পদ্ধতিটি পানি দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা কমায় কারণ ছাদ কিংবা অন্যান্য খোলা পৃষ্ঠে ধুলা-ময়লা থাকে। রেইন সসার দিয়ে সংগ্রহকৃত পানি সরাসরি পান করা যেতে পারে।
রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরিতে খরচের পরিসর:
১) ছোট সিস্টেম: ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। এর মধ্যে একটি ছোট ট্যাঙ্ক (৫০০-১০০০ লিটার), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
২) মাঝারি সিস্টেম: ৫০,০০০ থেকে ১০০,০০০ টাকা। ২০০০-৫০০০ লিটারের ট্যাঙ্ক, পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
৩) বৃহৎ সিস্টেম (বাণিজ্যিক বা কৃষিকাজের জন্য): ১০০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ টাকা বা আরও বেশি। বড় ট্যাঙ্ক (১০,০০০ লিটার বা তার বেশি), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত।
রেইন হারভেস্টিং থেকে পানি সংগ্রহের পরিমাণ নির্ভর করে যে কয়টি বিষয়ের উপর:
১) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ: বাংলাদেশে বছরে গড়ে ২০০০-৩০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অধিক পরিমাণ পানি সংগ্রহ সম্ভব। একটি ছোট বাড়ির ছাদে (৫০ বর্গমিটার) সঠিক ব্যবস্থাপনায় প্রতি বর্ষাকালে ৭৫,০০০-৮০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা সম্ভব।
২) ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সাইজ: আপনার বাড়ির ছাদ বা সংগ্রহের পৃষ্ঠতলের আকার অনুসারে পানির পরিমাণ নির্ধারিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি ১০০ বর্গমিটার ছাদ থাকে এবং বছরে ২০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়, তবে আপনি প্রতি বছর প্রায় ২০০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে বাস্তবে আপনি এই পানির মোটামুটি ৭০-৮০% সংগ্রহ করতে পারবেন। বাকিটা বৃষ্টির শুরুতে ছাদ পরিষ্কারের জন্য এবং পরে নানাভাবে লস যাবে।
এক বছরে পানির পরিমাণ হিসাবের ফর্মুলা:
পানির পরিমাণ (লিটার) = ক্যাচমেন্ট এরিয়ার আকার (বর্গমিটার) × বৃষ্টিপাতের পরিমাণ (মিমি) × সংগ্রহের দক্ষতা (৭০-৮০%)
উদাহরণ: ১০০ বর্গমিটার ছাদ × ২০০০ মিমি বৃষ্টি × ৭৫% (সংগ্রহের দক্ষতা) = ১৫০,০০০ লিটার পানি (প্রতি বছর)
পানি কতদিন ধরে সংরক্ষণ করা যায়?
রেইন হারভেস্টিং সিস্টেমে সাধারণত পরিষ্কার ও ফিল্টার করা পানি ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে। যদি স্টোরেজ ট্যাঙ্ক ভালোভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা হয় তাহলে পানি ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।
সংগৃহীত পানি কতদিন চলবে?
সংগ্রহ করা পানি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে দৈনিক পানির চাহিদার উপর। সাধারণত একটি পরিবারের দৈনিক পানি খরচের জায়গাগুলো হচ্ছে- খাওয়া ও রান্নার পানি, গোসল ও শৌচকার্য, কাপড় ও বাসনপত্র ধোয়া, বাগান পরিচর্যা ইত্যাদি। বাংলাদেশে একটি সাধারণ পরিবারে (৪-৫ জনের) দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৩০০-৫০০ লিটার হতে পারে।
যদি বর্ষা মৌসুমে ১৬০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা যায় এবং দৈনিক চাহিদা ৪০০ লিটার ধরা হয়, তাহলে এই পানি দিয়ে পরিবারটি ১৬০,০০০ ÷ ৪০০ = ৪০০ দিন (প্রায় ১৩ মাস) চলতে পারবে।
আপনি যদি বৃষ্টির পানি শুধু আংশিক কাজে (যেমন বাগান, শৌচকার্য, কাপড় ধোয়া) ব্যবহার করেন, তাহলে এই পানিতে আরো দীর্ঘসময় ধরে চলবে।
Muhammad Rahat Khan
1 961
ইতালির ভেনিস নগরী বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল ছিল। ভেনিসকে ঘিরে যে উপহ্রদটি আছে তার পানি লবণাক্ত। তাই ভেনিসের প্রাচীন অধিবাসীরা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি সিস্টেম বানায়। বৃষ্টি হলে এটাতে বিশেষভাবে তৈরী পাথরের পৃষ্ঠ দিয়ে চুইয়ে পানি পড়ত। তারপর তা বালির একটি স্তরের মাধ্যমে ছাঁকা হয়ে কূপে জমা হত।
বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। এটা নতুন কিছু নয়।
বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখাকে বর্তমানে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং বলা হয়।
বিশ্বব্যাপী রেইনওয়াটার হারভেস্টিংয়ের জনপ্রিয়তা এখন বাড়ছে। থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এবং আফ্রিকার কিছু দেশ রেইনওয়াটার হারভেস্টিং প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে।
রেইন হারভেস্টিং দ্বারা বিশাল পরিমাণে পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা সম্ভব। সিস্টেমটি সঠিকভাবে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করলে দীর্ঘসময় ধরে সংরক্ষিত পানি ব্যবহারোপযোগী রাখা যায়।
থাইল্যান্ডে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেইন হারভেস্টিং করা হয়। সেদেশের সরকার ৮০’র দশক থেকেই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করতে উদ্যোগ নিয়েছিল। তামিলনাড়ুতে ২০০১ সালে প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেখানকার সব পল্লি অঞ্চলে রেইন হারভেস্টিং কাজে লাগানো হয়। সমগ্র তামিলনাড়ুতে পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংগ্রহে মানুষকে সচেতন করা হয়।
বৃষ্টির পানি হলো আল্লাহর নিয়ামত যা কারেন্ট, জ্বালানি, বিল ইত্যাদি খরচ ছাড়াই পাওয়া যায়। সঠিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা গেলে এটিই সবচেয়ে নিরাপদ বিশুদ্ধ পানির উৎস। খাওয়া, ধোয়ামোছা, রান্নাবান্না, গোসল, গাছপালা ও পশুপাখিকে সরবরাহ ইত্যাদি কাজে বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশেও রেইন হারভেস্টিং অত্যন্ত উপযোগী ও কার্যকর। বাংলাদেশের অনেক শহুরে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। রেইন হারভেস্টিং এর মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হলে ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো যাবে।
বর্তমানে সিঙ্গাপুর, টোকিও, সিডনি এইসব শহরে নতুন ভবন নির্মাণ করলে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
বাড়িওয়ালারা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের জন্য যে টাকা ইনভেস্ট করবে তা দুই-তিন বছরের মধ্যে উঠে আসবে। এককালীন খরচের মাধ্যমে একটি রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্ট স্থাপন করলে বছরের পর বছর এর সুফল ভোগ করা যায়।
একটি সাধারণ বাড়ির জন্য রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরি করলে কী পরিমাণ পানি রিজার্ভ করা যাবে এবং সেটি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে বাড়ির ছাদের আকার, এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এবং পরিবারের দৈনন্দিন পানির চাহিদার উপর।
সাধারণত,
রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্টের ৩ টি অংশ থাকে:
১। ক্যাচমেন্ট এরিয়া: যে পৃষ্ঠে সরাসরি বৃষ্টিপাত হয় তাকে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বলে। এটা আপনার বাড়ির ছাদ, উঠান কিংবা ভূপৃষ্ঠও হতে পারে। ক্যাচমেন্ট এরিয়া আপনার হার্ভেস্টিং সিস্টেমের জন্য রেইন ওয়াটার কালেক্ট করে। রুফটপ হার্ভেস্টিংয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়া হলো ছাদ।
২। স্টোরেজ: সংগ্রহ করা বৃষ্টির পানি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ডাইভার্ট করা হয়।
৩। ফিল্টারিং সিস্টেম: বৃষ্টির পানি সাধারণত বিশুদ্ধ। কিন্তু উন্মুক্ত ক্যাচমেন্ট এরিয়া থেকে এই পানিতে ধুলাবালি, ময়লা, লতাপাতা ইত্যাদি মিশে। তাই এই পানি খাওয়ার আগে ফিল্টার করা জরুরী।
কিছু DIY (Do it yourself) রেইন হারভেস্টিং মডেল:
১। রেইন ব্যারেল: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ‘রেইন ব্যারেল’। এই সিস্টেমের জন্য অতিরিক্ত জায়গা ও রক্ষণাবেক্ষণ কোনোটিই প্রয়োজন নেই। কেবল বাজার থেকে একটি ব্যারেল কিনে ছাদ থেকে পানি নামার পাইপের নীচে স্থাপন করলেই হলো। রেইনওয়াটার হারভেস্টিং শুরু হয় বাড়ির ছাদ থেকে। তাই ছাদ পরিষ্কার রাখা প্রথম কাজ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর ক্যাপাসিটি খুব কম, মাত্র ২০০-৩০০ লিটার। আর এটাতে ফিল্টারিং সিস্টেম থাকেনা।
২। রুফটপ রেইন হারভেস্টিং: রুফটপ রেইন হারভেস্টিং হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বাড়ির ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ছাদে পড়া বৃষ্টির পানি পাইপের মাধ্যমে একটি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে জমা করা হয়। DIY হলে এটায় জটিল প্রযুক্তির প্রয়োজন হবে না। কিছু সাধারণ উপকরণ এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নিজেই কম খরচে বানাতে পারবেন। পরে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজও করতে পারবেন।
৩। সোলার+রেইন হার্ভেস্টিং: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌর প্যানেল স্থাপন করা হলে একটা বিশাল এরিয়া ঢাকা পড়ে যায়। এক্ষেত্রে সোলার প্যানেলকে ওয়াটার ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় রুপান্তর করা যেতে পারে। তখন বৃষ্টির সময় সৌর প্যানেলের পৃষ্ঠ থেকে পানি আহরণ করা যাবে।
