ru
Feedback
𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙

𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙

Открыть в Telegram

ইসলামের চোখে দুনিয়া দেখি Follow: @muslimatrixATG

Больше

📈 Аналитический обзор Telegram-канала 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙

Канал 𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙 (@muslimatrix) языкового сегмента Бенгальский является активным участником. Сейчас сообщество объединяет 11 832 подписчиков, занимая 7 470 место в категории Религия и духовность и 1 985 место в регионе Бангладеш.

📊 Показатели аудитории и динамика

С момента создания невідомо проект демонстрирует стремительный рост, собрав аудиторию из 11 832 подписчиков.

Согласно последним данным от 01 октября, 2026, канал показывает стабильную активность. За последние 30 дней изменение числа участников составило -148, а за последние 24 часа — 1, при этом общий охват остаётся высоким.

  • Статус верификации: Не верифицирован
  • Уровень вовлечённости (ER): Средний показатель вовлечённости аудитории составляет 8.15%. В первые 24 часа после публикации контент обычно набирает 4.80% реакций от общего числа подписчиков.
  • Охват публикаций: В среднем каждый пост получает 964 просмотров. В течение первых суток публикация набирает 568 просмотров.
  • Реакции и взаимодействия: Аудитория активно поддерживает контент: среднее количество реакций на один пост — 26.

📝 Описание и контентная политика

Автор описывает ресурс как площадку для выражения субъективного мнения:
“ইসলামের চোখে দুনিয়া দেখি Follow: @muslimatrixATG”

Благодаря высокой частоте обновлений (последние данные получены 02 октября, 2026) канал поддерживает актуальность и высокий уровень охвата публикаций. Аналитика показывает, что аудитория активно взаимодействует с контентом, что делает его важной точкой влияния в категории Религия и духовность.

11 832
Подписчики
+124 часа
-337 дней
-14830 дней
Архив постов
ইমাম আবু বকর আল-আজুররী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: “যে ব্যক্তি ‘গুরাবা’ (দ্বীনের পথে অপরিচিত/অল্পসংখ্যক ও দৃঢ়পদ ব্যক্তিদের) মর্যাদায়
ইমাম আবু বকর আল-আজুররী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: “যে ব্যক্তি ‘গুরাবা’ (দ্বীনের পথে অপরিচিত/অল্পসংখ্যক ও দৃঢ়পদ ব্যক্তিদের) মর্যাদায় পৌঁছাতে চায়, সে যেন তার পিতা-মাতা, স্ত্রী, ভাই-বোন এবং আত্মীয়-স্বজনের পক্ষ থেকে আসা বিরূপতা ও কঠোর আচরণের ওপর ধৈর্য ধারণ করে।” (সিফাতুল গুরাবা মিনাল মু’মিনীন-৩৯)

মেয়ে বাচ্চাদের জন্য সাহাবীদের নামে ১০০ টি সুন্দর নাম

নারীদের খেলাধুলার বিধান মৌলিকভাবে শরীরচর্চা ও মানসিক বিকাশের জন্য শরিয়তের মূলনীতি মেনে নারীদের খেলাধুলা করা জায়েজ। তবে খেলাটি অবশ্যই নারীদের শালীনতা, পর্দা ও স্বাস্থ্যের উপযোগী হতে হবে এবং তা কোনোভাবেই তাদের ধর্মীয় ও পারিবারিক দায়িত্বে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী হতে পারবে না। আমরা ইতিপূর্বে খেলাধুলার যেসব শর্ত উল্লেখ করেছি, সেসব হারাম বর্জন করে নারীরাও সাময়িক বিনোদন হিসেবে তাদের ফিতরাত ও স্বাস্থ্য উপযোগী খেলা খেলতে পারবে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি শর্ত রয়েছে : ১।শালীন পোশাক পরিধান করা। ২। গাইরে মাহরাম পুরুষদের দৃষ্টির আড়ালে থাকা। নারীরা তাদের জন্য সংরক্ষিত জায়গায় বা দেয়ালবিশিষ্ট স্থানে খেলবে, যেখানে পুরুষদের দেখার সুযোগ নেই। অথবা নিজ বাড়ির সীমানায় স্বামীর সাথেও খেলতে পারবে। স্ত্রীর সাথে খেলাধুলা করা শরিয়তের দৃষ্টিতে পছন্দনীয় ও প্রশংসনীয়। অনেক পরিবারে দেখা যায়, স্বামী যখন বাইরে মানুষের সাথে মেলামেশা করে, তখন হাস্যোজ্জ্বল থাকে। কিন্তু ঘরে ফেরার পরেই তার চেহারা কালো মেঘে ছেয়ে যায়, স্ত্রীর সাথে রূঢ় আচরণ করে। এটা রাসুলের শিক্ষা নয়। হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ‘একবার আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে দৌড় প্রতিযোগিতা করি। এ প্রতিযোগিতায় আমি বিজয়ী হই। কিছুদিন পর আরেক সফরে আমি নবিজির সাথে আবারও দৌড় প্রতিযোগিতা করি। কিন্তু এবার আমি মুটিয়ে যাওয়ায় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার আগে চলে যান এবং মজা করে বলেন, এটা আগের বারের প্রতিশোধ। তবে বর্তমান সময়ে জাতীয় পরিসরে নারী টিম ও স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন স্কুল ও সংগঠন থেকে নারীদের যেসব খেলা বা টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়, এগুলো সম্পূর্ণ হারাম। নারীদের জন্য এ ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করা জায়েজ নেই। বিন্নুরি টাউনের এক ফতোয়ায় বলা হয়েছে, নারীদের ঘর থেকে বের হয়ে ক্লাবে বা মাঠে গিয়ে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলা শরিয়তের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ (নাজায়েজ)। কারণ এতে বহু ধরনের অপকারিতা ও শরিয়তবিরোধী কাজের সমাবেশ ঘটে। যেমন নারীদের শরয়ি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া, পর্দাহীনতা, অশালীনতা ইত্যাদি। আর যদি সেই খেলা মিডিয়া বা টেলিভিশনে প্রচারিত হয়, তাহলে এতে আরও অনেক বড় ধরনের অনাচার যুক্ত হয়। যেমন : প্রাণীর ছবি তোলা, আঁকা, প্রদর্শন করা ও দেখা, নারীদের খেলাধুলার অজুহাতে মাঠে এনে পুরুষালি ভঙ্গিতে কাজ করানো, তাদের এসব কাজ প্রচার ও প্রচারণার মাধ্যমে পুরো দুনিয়ার সামনে তুলে ধরা ইত্যাদি, যা নারীত্বের মর্যাদাহানির শামিল। সর্বোপরি এ ধরনের খেলাধুলা পুরুষদের জন্যও বৈধ নয়, তাহলে নারীদের জন্য তো তা অনুমোদিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। ( বিন্নুরি টাউনের ফতোয়া নং 144208201076) — মাওলানা ইফতেখার সিফাত হা.

আল্লাহ তাআলা বলেছেন, "তোমরা আমার কাছে হিদায়াত প্রার্থনা কর আমি তোমাদের হিদায়াত দান করব"। . [ ইমাম মুসলিম (রাহ.), আস সহীহ, হা: ২৫৭৭] কত সহজ কাজ!

Repost from N/a
Book Bytes by ABID ১৷ উম্মাহর কিংবদন্তিরা https://t.me/bookbytesbyAbid/84 ২৷ আকাবিরে দারুল উলুম দেওবন্দ https://t.me/bookbytesbyAbid/85 ৩৷ যে গল্প ঈমান জাগায় https://t.me/bookbytesbyAbid/86 ৪। বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর https://t.me/bookbytesbyAbid/89 ৫। ইরশাদাতে আকাবির https://t.me/bookbytesbyAbid/90 ৬৷ বাংলায় ইসলাম ও মুসলিম সভ্যতা https://t.me/bookbytesbyAbid/91 ৭৷ আল্লাহ'স মাউন্টেন https://t.me/bookbytesbyAbid/93 ৮। আখলাক ও শিষ্টাচার https://t.me/bookbytesbyAbid/98 ৯। ইস্তেগফার https://t.me/abidmohammad2/626

পুরুষের মন ও মতলব https://t.me/muslimatrixsisters/70

সূর্যাস্ত থেকে জুমুআহবার শুরু হয়েছে। আজকের বিশেষ আমল: - ইস্তেগফার - দরুদ - সুরা কাহাফ - দান-সাদাকাহ - দোআ #Friday@muslimatrix

নবীজি (সা.) জিজ্ঞেস করলেন, "উমর, কাঁদছ কেন?" উমর (রা.) বললেন, "হে আল্লাহর রাসূল! পারস্য ও রোমের সম্রাটরা (কিসরা ও কায়সার) কত বিলাসবহুল জীবন কাটায়, আর আপনি আল্লাহর রাসূল হয়েও এভাবে আছেন!" তখন নবীজি (সা.) বললেন: "হে উমর! তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তাদের জন্য থাকবে কেবল দুনিয়া, আর আমাদের জন্য থাকবে চিরস্থায়ী আখিরাত?" — (সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৪৯১৩)

শুধুমাত্র তার কাছেই ভিক্ষা চাও যার সবকিছু দেবার ক্ষমতা আছে।
শুধুমাত্র তার কাছেই ভিক্ষা চাও যার সবকিছু দেবার ক্ষমতা আছে।

বাচ্চাদের চঞ্চলতায় দুষ্টুমিতে যাদের বিরক্ত লাগে তারা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে একদিন ঘুরে আসবেন। কত বাবা,মা বাচ্চার অসুস্থ ছোট শরীর বুকে ধরে রেখেছে একবার বাবা, মা ডাক শোনার জন্য। কত দৌড়াদৌড়ি করছে বাচ্চার সুস্থতার জন্য, বাচ্চার একটু কথা শোনার জন্য বসে আছে। – কথা সংগৃহীত

Repost from Mohammad Abid Azam
আখলাক, আদব আছে এমন একটা মানুষের দ্বীনদারিতা হবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। বিপরীতে দ্বীনদার কিন্তু আখলাক, আদবের অভাব আছে এমন মানুষ দ্বীনদার হলেও সে মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হবে। তার দ্বীনদারিতার উপর ময়লা লাগবে। পারিবারিক শিক্ষা সবসময় যথেষ্ট হয়না। ব্যক্তির নিজের ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী তাকে সভ্য করে তুলে। ফেসবুকে সাম্প্রতিক দিনে উচ্চশিক্ষা নিয়ে যে ক্যাচাল হচ্ছে সেখানে অনেক দ্বীনদার মানুষের আপত্তিকর মন্তব্যের স্ক্রিনশট দেখে একথা মনে হলো। পুরুষ মানুষের জন্য তিন বিষয়ে মন্তব্য করার আগে মুখে লাগাম আটকানো উচিত। ১. নারী ও অন্যের চরিত্র। ২. অন্যের অর্থ-সম্পদ, ক্ষমতা, যোগ্যতা। ৩. রাজনৈতিক ইস্যু ও ঝুঁকিপূর্ণ অন্যান্য ইস্যু।
এখানে কোনো ছোট ভাই থাকলে পরামর্শ থাকবে, ফেসবুকের ক্যাচাল থেকে কোনো কিছু শিখোনা। ফেসবুক শেখার জায়গা না। ফেসবুকে ভালো মানুষ ভালো কথা বমি করে, খারাপ মানুষ খারাপ কথা বমি করে। আর ভালো-খারাপ মিশ্র মানুষ ভালো-খারাপ মেশানো কথা বমি করে। বমি থেকে শেখার কিছু নেই। নিজের টাইমলাইন পরিচ্ছন্ন রাখো।
দ্বীনদার হলেও আখলাক, আদবে আমাদের ঘাটতি আছে। দুঃখজনক

If you have anger issues,solve it. If you hurt people by your words, work on your behaviour. If you're fat, lose weight. It's easy to satisfy your ego and ask people to accept as you are. But it is always, ALWAYS your loss to be not being able to change yourself to be better. — Turjo

Repost from N/a
পৃথিবীর সব সুখ আল্লাহ্‌র নেয়ামতে তুষ্ট হতে পারার মাঝে। আমার যা আছে, তাতে আমি সুখী এই মানসিকতা মানুষকে সত্যিই সুখী করতে পারে। 🔻

ইমাম শাফি‘ঈ (রহি.) বলেন– পাঁচটি জিনিসের মধ্যে কল্যাণ রয়েছে : ১. অন্তরের প্রাচুর্য, ২. অন্যকে কষ্ট না দেয়া, ৩. হালাল উপার্জন, ৪. তাকওয়া, ৫. আল্লাহর প্রতি আস্থা। [সূত্র : সিয়ারু আলামীন নুবালা, ১০/৯৭]

টেলিগ্রামের ভয়ঙ্কর এড দেখে চ্যানেল বন্ধ করে দিতে মন চাচ্ছে।

"যে ব্যক্তি কারো জমি এক বিঘত পরিমাণ অন্যায়ভাবে দখল করে নেবে, (কিয়ামতের দিন) সাত তবক (স্তর) যমীন তার গলায় লটকে দেওয়া হবে।" (রিয়াদুস সলিহীন, ২১১)

হাসি-ঠাট্টা করে বিবাহ করলেও ইসলামি আইনে তা তৎক্ষণাৎ কার্যকর হয়ে যায়। রাসূলূল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা মনেপ্রাণে করা হোক অথবা ঠাট্টাচ্ছলে করা হোক, তা কার্যকর হবে। তাহলোঃ বিবাহ, তালাক ও রজআত। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং ২১৯৪)

সকাল এবং সন্ধ্যায় ‘আউযু বিল্লাহিস সামীঈল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম’ পড়ার পর সুরা বাকারার শেষ ৩ আয়াত পড়ে, তার মাগফেরাত কামনায় আল্লাহ ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করেন। — সুনান তিরমিযী

Repost from N/a
উস্তাদ ইমরান রাইহান হাফিযাহুল্লাহ