ru
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Открыть в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Больше
801
Подписчики
Нет данных24 часа
Нет данных7 дней
-130 день
Архив постов
৩১/১০/২০ইফতা বিভাগের ক্লাসে। ------------------------------------------------ যারা চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করে, তারা কি আল্লাহর দরবারে সেজদা করে ? নাকি আল্লাহর সামনে নিজেকে *চেয়ারম্যান* হিসেবে বসিয়ে রাখে। এটা কি নামাজ নাকি আল্লাহর সাথে উপহাস। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করুন।

৫২১৫. প্রশ্ন মুহতারাম! আজকাল দেখা যায় অনেকে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে অর্থ-উপার্জন করে। আর তা এভাবে যে, কারো ভিডিও এর যদি ভিউআর (Viewer) বেশি হয় তখন ইউটিউব কর্তৃপক্ষ তার সাথে চুক্তি করে তার ভিডিওগুলোর সাথে বিভিন্ন কোম্পানির এ্যাড যুক্ত করে দেয় এবং এর বিনিময়ে তাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেয়। জানার বিষয় হচ্ছে, এভাবে অর্থ-উপার্জন করা বৈধ হবে কি না? উত্তর নিজের তৈরিকৃত ভিডিও-এর সাথে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন যুক্ত করার বিনিময়ে ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনের বিষয়টি নিরাপদ নয়। কারণ ইউটিউব কখন কোন্ ধরনের এবং কোন্ কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেবে তাতে ভিডিওদাতার এখতিয়ার থাকে না বরং এসব কিছু ইউটিউব নিয়ন্ত্রণ করে। সে তার ইচ্ছা মত যে কোনো বিজ্ঞাপন দিতে পারে। অথচ বাছ-বিচার ছাড়া যে কোনো বিজ্ঞাপন যুক্ত করেই অর্থ-উপার্জন বৈধ নয়। বরং অর্থ-উপার্জন বৈধ হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে কিছু শর্তাবলীর উপর যার কয়েকটি নিম্নরূপ : ১. যে বিষয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে সেটি বৈধ হওয়া। ২. বিজ্ঞাপনের চিত্র শরীয়ত পরিপন্থী না হওয়া। ৩. বিজ্ঞাপন ও এর ভাষা এবং উপস্থাপনের মধ্যে কোনো ধরনের ধোঁকা বা প্রতারণার আশ্রয় না নেয়া ইত্যাদি। আর সাধারণত যেহেতু এসব শর্তাবলী রক্ষা করা ভিডিওদাতার পক্ষে সম্ভব হয় না, তাই এ ধরনের উপার্জন থেকে বিরত থাকা উচিত। -কিতাবুল আছল ৪/২০; বাদায়েউস সানায়ে ৪৪৬; ফিকহুন নাওয়াযিল ৩/২৮৪ . [ মাসিক আলকাউসার ] Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/IlGu9lhFH4VAUcnXhJ9tgh

ভিডিও করা দণ্ডনিয় অপরাধ হযরতওয়ালা মুফতী সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, কোন ব্যক্তি যদি অন্য স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ভিডিও করে বাজারে ছাড়ে তাহলে সরকার তাকে জেলে দেয়। কারণ এটা একটি গোপন সম্পর্ক। ঠিক হাজীদের হজ্জের কার্যক্রম ভিডিও করে বাজারে ছাড়লে সেও গুনাহগার হবে এবং আল্লাহর জেলে অর্থাৎ জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। কারণ এটা বান্দা ও আল্লাহর, মুহাব্বাতের একটি অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

17.10.2020 গুনাহর আসবাব সামনে আসলেও আল্লাহর ভয়ের কথা চিন্তা করে সবর করতে হবে। এতে যত কষ্টই হোক তা বরদাশত করতে হবে। কোনো ভীন নারী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। আশপাশে কোনো মানুষ নাই। দেখার পূর্ণ সুযোগ আছে কিন্তু সে আল্লাহর ভয়ে এই ভিন নারীকে দেখলো না। সে সবর করল। আল্লাহর ভয়ের কথা চিন্তা করে সে সবর করল। মৃত্যু পর্যন্ত এই চক্র চলতেই থাকবে এভাবে যে, এই আরাম আসতেছে আবার বিপদ আসতেসে। মৃত্যু পর্যন্ত আমাদের কাজ হচ্ছে নিয়মিত দোয়া করতে থাকা যে, ইয়া আল্লাহ আমি দুর্বল আমি কমজোর। মেহেরবানী করে আমাকে তামাম ফিতনা ফাসাদ থেকে বিপদ আপদ থেকে মুসিবত থেকে হেফাজত করেন। আর এর পরেও যখন কোনো বিপদ-আপদ আসে তখন ধৈর্য ধারণ করা। জবানে বা অন্তরে আল্লাহর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না করা। (অসম্পূর্ণ) সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ♥♥♥ https://t.me/islamijibon/831 - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) সার্চ এর মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত পোস্ট খুঁজে পেতে পিন পোস্ট পড়ুন। ফেসবুক পেজ আলোকিত জীবন http://t.me/alokitojibon key word for search : সবর পোষ্ট ১৪২৭

26.10.2020 পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হবার কারণ এবং তা থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে- - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) সার্চ এর মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত পোস্ট খুঁজে পেতে পিন পোস্ট পড়ুন। ফেসবুক পেজ আলোকিত জীবন http://t.me/alokitojibon key word for search : গুনাহ পোষ্ট ১৪৩০ মহিলা চাকরি

খুছুছি মজলিসের আজীবন মনে রাখার মতো আজীমুশ্বান ইসলাহী নসীহত -আরেফবিল্লাহ্ শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দা: বা: বিষয়ঃ ০১. দাঁড়ি-মোচবিহীন সুশ্রী বালক ও কম বয়স্কা মেয়েদের সাথে অন্যায় সম্পর্ক কায়েম করার ভয়বহ ক্ষতি ও বাস্তব কারগুজারী ০২. সমকামীতা ও নিজ স্ত্রীর সাথে উল্টা পথে অন্যায় কাজ করার ভয়াবহ ক্ষতি ও বাস্তব শিক্ষণীয় কারগুজারী ০৩. হস্তমৈথুনের ভয়াবহ ক্ষতি ও কারগুজারী ০৪. সঠিক সময়ে ছেলেদেরকে বিয়ে না করানোর ফলে পিতা-মাতার কি পরিণাম হবে বিঃ দ্রঃ হযরতের এই বয়ান শুনে মনে হয় যেন আল্লাহ্ তা'আলার পক্ষ থেকে ইলহামী কোন বয়ান। স্থানঃ মাদরাসা ইদারাতুল মা'আরিফ, মুক্তাগাছা, মোমেনশাহী সময়ঃ ২২ সফর ১৪৪২ হিজরী ০৯/১০/২০ ঈসায়ী জুমাবার http://t.me/khanqaSN

তালেবে ইলম ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ইসলাহী নসীহত -আরেফবিল্লাহ্ শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দা: বা: বিষয়ঃ ০১. জবান ও লজ্জাস্থানকে হেফাজত করা ০২. তালেবে ইলমগণ যেসকল গুণাহের কারণে সকলের অলক্ষ্যে ঝড়ে পড়ে ০৩. আল্লাহ্ তা'আলার সাথে সম্পর্ক সুন্দর করা স্থানঃ হরিণহাটি,কালিয়াকৈর, গাজীপুর সময়ঃ ২৫ মুহাররম ১৪৪২ হিজরী ১৪/০৯/২০ ঈসায়ী বাদ ফজর http://t.me/khanqaSN

19/10/20 ইংরেজী ফতুয়া বিভাগের ক্লাসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। ========================= গুনাহ হয়ে গেলে তওবা করে সে গুনাহ স্মরণ করে আনন্দ নিতে নেই তাহলে পাপ করার মতোই সাজা পেতে হবে। নোংরা দৃশ্য থেকে নোংরা প্রকৃতির মানুষের এই আনন্দ নেয়। পাপের কথা স্মরণ করে পাপিরাই আনন্দ নেয়। ┈┈┈┈┈┈┈••✦✿✦••┈┈┈┈┈┈┈ হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম। @MuftiMasudKasemi

সুলতানুল মাশাইখ হযরত খাজা নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহঃ এর মা হযরত খাজা সাহেব রহঃ বলেন, আমার আম্মাজানের নিয়ম ছিল, যেদিন আমাদের ঘরে রান্নার কিছুই থাকত না, সেদিন আম্মাজান বলতেন- আজ আমরা সবাই আল্লাহ্‌র মেহমান। একথা শুনে আমার বেশ আনন্দ হত। সহসা একদিন আল্লাহ্‌র কোনও বান্দা ঘরে এসে এক ঝুড়ি আটা দিয়ে গেলেন। ফলে তা দিয়ে পর পর বেশ কয়েকদিন রুটি তৈরী হতে থাকে। আমি সঙ্কোচে এতটুকু হয়ে গেলাম। তীব্রভাবে আকাঙ্খা করতে লাগলাম- আমার মা জননী কবে বলবেন, আজ আমরা সবাই আল্লাহ্‌র মেহমান। অবশেষে একদিন ফুরিয়ে গেল সে আটা। আর আম্মাজান বললেন, আজ আমরা সবাই আল্লাহ্‌র মেহমান। একথা শুনে আমার মধ্যে এত আবেগ-উচ্ছাস ও আনন্দ ঠিকরে পড়ল যে, তা ভাষায় ব্যক্ত করার নয়। একদিন খাজা সাহেব রহঃ তাঁর মায়ের মৃত্যুর কথা বর্ণনা করলেন। কথায় কথায় তাঁর এত কান্না পেয়েছিল যে, তাঁর কথাগুলো পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল না। তখন তিনি আবৃতি করেন, আক্ষেপ! শত কষ্ট-দুঃখ বুকে যায় নি করা কোনও তদবীর, গেল না তারে বাঁধা ওরে টানিয়া শিকল-জিঞ্জীর। ওলীআল্লাহ্‌দের মা পৃষ্ঠা ৫ মূলঃ সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহঃ অনুবাদঃ রাবেয়া বিনতে সালমান প্রকাশনায়ঃ আল-ইরফান পাবলিকেশন্স ইসলামী টাওয়ার, ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০ বিঃ দ্রঃ মূল শেরটি দেখার জন্য ৫ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য। Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ০৪/০৪/১৯ ঈ. Repost http://t.me/pathofisla

আল্লাহ্‌র নিকট মর্যাদা লাভের ইচ্ছাও অপছন্দনীয় এবং তার একটি দৃষ্টান্ত হযরত থানভী রহ. বলেন, হযরত হাজী ছাহেব রহ. বলতেন যে, মানুষের কাছে মর্যাদা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করা তো সবার নিকটই নিন্দনীয়, তবে আরেফগণের নিকট আল্লাহ্‌র কাছে মর্যাদা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করাও অপছন্দনীয়। কারণ, এর অর্থ এই দাঁড়ায় যে, সে আল্লাহ্‌ তা'আলার নিকট বড়ো হতে চায়। সে যেন এতো বেশী মর্যাদার অধিকারী যে, আল্লাহ্‌ তা'আলার চোখে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আমার মাথায় এর একটা দৃষ্টান্ত এসেছে। যার দ্বারা বিষয়টি পুরোপুরি বুঝে আসে। ধরুন, একজন প্রেমাস্পদ রয়েছে, সে সারা দুনিয়ার সকল রূপসী চেয়ে অধিক রূপসী। আর তার একজন প্রেমিক রয়েছে, যার মতো কুশ্রী আর কেউ নেই। কিম্ভূতকিমাকার তার চেহারা। ঠোঁট মোটা, অন্ধ, ল্যাংড়া, মাথায় টাক, নাক চ্যাপ্টা, দাঁত বের হয়ে আছে, ভীষণ কালো, চেহারায় বসন্তের বড়ো বড়ো দাগ। মোটকথা এমন কোনো দোষ নেই যা তার মধ্যে বিদ্যমান নেই। এমন ব্যক্তি যদি ভালোবাসার তাবিজ নিয়ে ঘুরতে থাকে যে, এ সুন্দর সুশ্রী প্রেমাস্পদ নিজেই তার প্রেমে পড়ুক তাহলে কি মানুষ তাকে পাগল বলবে না? এই দুই ব্যক্তির মধ্যে যে পার্থক্য, আল্লাহ্‌ তা'আলা ও বান্দার মধ্যে পার্থক্য তার চেয়ে অনেক বেশী। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৭৯৪ পৃষ্ঠা ৩৬৯ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ১৫/১০/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম , নারাইন গঞ্জ। 1779 নং উত্তর: ভিডিও কল করা সংক্রান্ত । লিংক: t.me/mufteesofee বয়ান পেতে: t.me/khankahbd

🔈🔈অডিও মালফূয ৮৬🔈🔈🔈 শুধু ইলমে দ্বীন শিখলেই হয় না শিখার পরে কারো সুহবাতে গিয়ে নিজেকে গড়তে হয়..... 🌿🌿দুইটি শিক্ষণীয় ঘটনা🌿🌿🌿 -আরেফবিল্লাহ শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা: http://t.me/khanqaSN

মোবাইল সেট ক্রয় করার আগে করনীয়- - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম) t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis t.me/islamejebon পোষ্ট নং ৩৮৮

চোখের গুনাহ করার ক্ষতি কি? ┈┈┈┈┈┈┈••✦✿✦••┈┈┈┈┈┈┈ হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম। @MuftiMasudKasemi

8.10.2020 প্রাণীর ডিজিটাল ছবি সম্পর্কে আহলে হাদিস ভাইদের নিকট একটি প্রশ্ন- আফসোসের বিষয় আমরা নতুন নতুন এমন সব কর্ম পদ্ধতি অবলম্বন করি, যার দ্বারা আল্লাহ ভীতি আরো কমতে থাকে। যেমন ডিজিটাল ছবি। এমন এক জামানা ছিল যখন এটা কেউ কল্পনাও করত না যে, ডিজিটাল ছবিকে কেউ কোনো দিন জায়েজ মনে করবে। আর এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে মুসলমান সমাজের বড় একটা অংশ ডিজিটাল ছবিতে আসক্ত। যেখানে পয়গম্বর ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভুরিভুরি হাদিসের মধ্যে প্রাণীর ছবিকে হারাম ঘোষণা করেছেন। হাশরের ময়দানে কয়েক শ্রেনীর মানুষের সবচেয়ে কঠিন আজাব হবে। তাদের মধ্যে এক শ্রেণীর লোক তারা যারা প্রাণীর ছবি অঙ্কন করে বা প্রাণীর ছবি তুলে। তো প্রাণীর ছবি তোলা প্রাণীর ছবি অঙ্কন করা এত বড় গুনাহ। আর এখন অনেকে মনে করতেছে এটার দ্বারা আমি দ্বীনের খেদমত করতেছি, আমি সওয়াবের কাজ করতেছি। নাউজুবিল্লাহ। পুরা উল্টা বুঝ। (অসম্পূর্ণ) সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ♥♥https://t.me/islamijibon/814 - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) t.me/alokitojibon ফেসবুক পেজ আলোকিত জীবন পোষ্ট নং ১৪১৮

1.10.2020 জিন্দেগীর প্রত্যেকটি নিঃশ্বাস সাত রাজার ধনভান্ডারের চাইতেও অধিক মূল্যবান। অতএব জিন্দেগীর প্রত্যেকটি নিঃশ্বাসের কদর করা চাই। - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) সার্চ এর মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত পোস্ট খুঁজে পেতে পিন পোষ্ট পড়ুনt.me/alokitojibon key word for search : অবসর পোষ্ট নং ১৪১০ পত্রিকা

যারা বিভিন্ন ধরনের গুনাহে আক্রান্ত হয়ে গেছে তাদের উপায় কি? তুমি দুয়ারে দাড়াও ডাক দাও নিশ্চয়ই আল্লাহপাক দুয়ার খুলে দেবে ইনশাআল্লাহ আহ আল্লাহ তায়ালার কি আজীব শান ⊙════✾❖✾════⊙ তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম হযরতের বয়ান পেতে http://t.me/khanqahbd সংক্ষিপ্ত বয়ান http://t.me/sunnahbd

যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সুতরাং কেউ যদি দ্বিমত পোষণ করে কোনো কমেন্ট করতে চান তাহলে মেহেরবানী করে অশ্রাব্য ভাষা বা তিরস্কার মূলক ভাষা ব্যবহার করবেন না। যদি করেন তাহলে সেই কমেন্ট মুছে ফেলা হবে। 25.9.2020 - মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম (মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য) ছবি সম্পর্কে আরেকটি পোষ্ট https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1384700845062462&id=100005676781271 Whatsapp এ ''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে জয়েন হোন নিচের লিংকে ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z আলোকিত জীবন পোষ্ট নং ১৭৩/১৭৩

ডিজিটাল ছবি থেকে নিজে বাঁচুন এবং আপনার সন্তানকে বাঁচান। সন্দেহযুক্ত বিষয়ের উপর আমল করা কোনো বুদ্ধিমানের কাজ না। আখেরাতের ফিকিরে ব্যস্ত বান্দার কর্তব্য হচ্ছে সন্দেহ মুক্ত থাকা। সন্দেহযুক্ত জিনিস পরিহার করা। বিভিন্ন হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তালিম দিয়েছেন, যে জিনিস খটকা লাগে সন্দেহ লাগে তা পরিহার করার জন্য। আর যেটাতে দিল এতমিনান হয় শান্ত হয় সন্দেহ নাই, তা গ্রহণ করার জন্য। যতই দিন যাচ্ছে ততই মানুষ ডিজিটাল ছবির দিকে আরো বেশি ঝুকছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক বড় একটা মূলনীতি আমাদের জন্য রেখে গেছেন, তা হচ্ছে সন্দেহযুক্ত জিনিস পরিহার করতে হবে এবং সন্দেহমুক্ত জিনিস গ্রহণ করতে হবে। এই বিষয়টাকে যদি আমরা সামনে রাখি তাহলে বহু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া আমাদের জন্য সহজ হবে কল্যাণকর হবে। গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝা যায় সাধারণ ছবির চেয়ে ডিজিটাল ছবির ভয়াবহতা আরো বেশি, ক্ষতি আরো বেশি। ধরা যাক কারো টেবিলের উপর একটা ছবি আছে। এই ছবিটা কয় জন লোকে দেখে? হয়ত ১০০ জন বা হাজার মানুষ তা দেখলো। কিন্তু একটা ডিজিটাল ছবি যখন কেউ আপলোড করে সেই ছবিটা লক্ষ লক্ষ বরং কোটি কোটি মানুষের নিকট পৌঁছে যায়। বরং কোনো কোনো ছবি তো সারা দুনিয়া জুড়ে মানুষ দেখতে থাকে, শত শত কোটি মানুষের নিকট পৌঁছে যায়। এজন্য ডিজিটাল ছবির ভয়াবহতা এবং ক্ষতি আরো অনেক বেশি। আর কাগজের ছবি অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়, ঝাপসা হয়ে যায়; পানি পড়ে বা অযত্নের কারণে নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু ডিজিটাল ছবির বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১০ বছর ২০ বছর তিরিশ বছর পরেও চকচকে ঝকঝকে থাকে ডিজিটাল ছবি। ছবি তো ছবি-ই। এটাকে পার্থক্য করে দেখার কি আছে? ডিজিটাল ছবিকে পার্থক্য করতে হবে এরকম কোনো ইঙ্গিত কোনো ইশারা কোনো হাদিসে পাকের মধ্যে নাই। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে পাকে বিভিন্ন বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন চৌদ্দশত বছর পূর্বে, যে সকল বিষয় সাহাবায়ে কেরামের জামানায় কল্পনাও করা যেত না। যেমন হাদিসে এসেছে, ভবিষ্যতে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র তৈরি হবে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হবে। এটা হাদিসে ইঙ্গিত আছে। মানুষের কথা রেকর্ড করার যন্ত্র ভবিষ্যতে আবিষ্কার হবে; এ বিষয়ে হাদিসে পাকে ইঙ্গিত আছে, যা সাহাবায়ে কেরামের জমানায় কল্পনাও করা যেত না। অথচ এই বিষয়টা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসের মাধ্যমে বলে গিয়েছেন। কিন্তু এরকম কোনো ইঙ্গিত কি ছবির ব্যাপারে হাদিসের মধ্যে আছে যে, ডিজিটাল ছবি এবং সাধারণ ছবির হুকুম ভিন্ন ভিন্ন হবে? ডিজিটাল ছবি থেকে যারা বাঁচতে চায় তাদের কর্তব্য হচ্ছে ডিজিটাল ছবিকে যারা জায়েজ মনে করে, ডিজিটাল ছবি যারা ব্যবহার করে, তাদের থেকে দূরে থাকা। কেউ চাচ্ছে তার সন্তানকে ডিজিটাল ছবি থেকে বাঁচাবে। আর সে ভর্তি করালো তার বাচ্চাকে এমন এক মাদ্রাসায়, যে মাদ্রাসার মুহতামিম সাব ডিজিটাল ছবিকে জায়েজ মনে করে। মুহতামিম সাহেব যখন বয়ান করেন সেখানে ক্যামেরা সেট করা হয়, বয়ান ভিডিও করা হয়। এই পরিবেশে যখন কোনো তালিবে ইলম বড় হতে থাকবে, তার তো সেই ছাত্র জামানা থেকে মাথার মধ্যে বসে যাবে যে, "ডিজিটাল ছবি জায়েজ। সুতরাং ডিজিটাল ছবি ব্যবহার করতে কোনো অসুবিধা নাই।" আপনি নিজে ডিজিটাল ছবি থেকে বাঁচতে চান আর আপনি এসলাহি সম্পর্ক করলেন এমন একজনের সঙ্গে যিনি ডিজিটাল ছবিকে জায়েজ মনে করেন। এর ফলাফল কী দাঁড়াবে? তার বয়ান ইত্যাদি ভিডিও করা হইতেছে আজ সেগুলি আপনি দিনের পর দিন দেখতেছেন। ফলশ্রুতিতে এখন আপনার অন্তরে ছবির প্রতি যতটা ঘৃনা আছে তা ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে। এটাই স্বাভাবিক। পরিবেশের দ্বারা সোহবতের দ্বারা মানুষের মধ্যে পরিবর্তন আসে। এজন্য কেউ যদি ডিজিটাল ছবি থেকে বাঁচতে চায় তার কর্তব্য হচ্ছে যারা ডিজিটাল ছবিকে জায়েজ মনে করে, তাদের থেকে দূরে থাকা। বাকি তাদের সঙ্গে আদব রক্ষা করে চলতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অশালীন কথা বলা যাবে না। বাহার হাল দুনিয়ার হায়াত একেবারেই সংক্ষিপ্ত। কখন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে, কিচ্ছু বলা যায় না। এজন্য আমাদের বড় কর্তব্য হচ্ছে হারাম থেকে বাঁচা, সন্দেহযুক্ত জিনিস থেকে বাঁচা। যারা ডিজিটাল ছবিকে জায়েজ বলেন, তাদের এতোটুকু অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, এটা একটা সন্দেহযুক্ত বিষয়। আর মুমিনের শান হচ্ছে সে নিজেকে তামাম সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে দূরে রাখবে। সন্দেহযুক্ত জিনিস থেকে দূরে থাকা ইসলামের বড় এক তালিম বড় এক মূলনীতি। খুব স্মরণ রাখা চাই যারা আমরা ডিজিটাল ছবিকে নাজায়েজ মনে করি, তাদের জন্য জরুরী হচ্ছে নিজেকে বড় মনে না করা। নিজেকে বড় মনে করা তো বোকামী এবং গুনাহর কাজ। বরং মৃত্যু পর্যন্ত এই ভয়ে কাঁপতে থাকা যে, আমি এর উপর ইস্তেকামাত থাকতে পারব কিনা? তা আমার জানা নেই। সুতরাং নিজেকে বড় মনে করার কোনো সুযোগ নেই। নোট : যারা ডিজিটাল ছবিকে জায়েজ মনে করেন তাদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান রেখেই উপরোক্ত কথাগুলো বলার চেষ্টা করেছি। এর পরও