ru
Feedback
Bengali

Bengali

Открыть в Telegram

🚩 Channel was restricted by Telegram

Больше
1 727
Подписчики
+224 часа
-97 дней
-3130 дней

Загрузка данных...

Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
сентябрь '26
сентябрь '26
+3
в 0 каналах
август '26
+24
в 0 каналах
Get PRO
июль '26
+33
в 0 каналах
Get PRO
июнь '26
+12
в 0 каналах
Get PRO
май '26
+16
в 0 каналах
Get PRO
апрель '26
+21
в 0 каналах
Get PRO
март '26
+19
в 0 каналах
Get PRO
февраль '26
+41
в 0 каналах
Get PRO
январь '26
+46
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '25
+29
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '25
+36
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '25
+43
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '25
+36
в 0 каналах
Get PRO
август '25
+49
в 0 каналах
Get PRO
июль '25
+45
в 0 каналах
Get PRO
июнь '25
+44
в 0 каналах
Get PRO
май '25
+27
в 0 каналах
Get PRO
апрель '25
+37
в 1 каналах
Get PRO
март '25
+37
в 1 каналах
Get PRO
февраль '25
+94
в 0 каналах
Get PRO
январь '25
+101
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '24
+51
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '24
+55
в 2 каналах
Get PRO
октябрь '24
+58
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+64
в 1 каналах
Get PRO
август '24
+105
в 0 каналах
Get PRO
июль '24
+90
в 1 каналах
Get PRO
июнь '24
+78
в 2 каналах
Get PRO
май '24
+67
в 2 каналах
Get PRO
апрель '24
+52
в 0 каналах
Get PRO
март '24
+54
в 0 каналах
Get PRO
февраль '24
+58
в 0 каналах
Get PRO
январь '24
+86
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '23
+79
в 8 каналах
Get PRO
ноябрь '23
+65
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '23
+78
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '23
+84
в 0 каналах
Get PRO
август '23
+101
в 0 каналах
Get PRO
июль '23
+94
в 0 каналах
Get PRO
июнь '23
+101
в 0 каналах
Get PRO
май '23
+124
в 0 каналах
Get PRO
апрель '23
+124
в 0 каналах
Get PRO
март '23
+104
в 0 каналах
Get PRO
февраль '23
+87
в 0 каналах
Get PRO
январь '23
+154
в 0 каналах
Get PRO
декабрь '22
+135
в 0 каналах
Get PRO
ноябрь '22
+107
в 0 каналах
Get PRO
октябрь '22
+129
в 0 каналах
Get PRO
сентябрь '22
+166
в 0 каналах
Get PRO
август '22
+145
в 0 каналах
Get PRO
июль '22
+142
в 0 каналах
Get PRO
июнь '22
+152
в 0 каналах
Get PRO
май '22
+172
в 0 каналах
Get PRO
апрель '22
+131
в 0 каналах
Get PRO
март '22
+2 006
в 0 каналах
Дата
Привлечение подписчиков
Упоминания
Каналы
05 сентября0
04 сентября+2
03 сентября0
02 сентября0
01 сентября+1
Посты канала

2
লোকটার বয়স ৩৮ বছর। ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল
লোকটার বয়স ৩৮ বছর। ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল খেলতাম, সে এখন মাঠে নামলে পাঁচ মিনিটে হাঁটু ধরে বসে পড়বে। আর মেসি? ৩৮ বছর বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরে গেছে। তিনটা গোল। ১৭ মিনিটে, ৬০ মিনিটে, ৭৬ মিনিটে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০। কিন্তু শুধু এইটুকু বললে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মেসি এই হ্যাটট্রিক দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টা গোল করে ফেলেছে। মানে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। আর মাত্র একটা গোল করলেই একা দাঁড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের শীর্ষে। এই লোকটা ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসার খরচ দিতে পারছিল না পরিবার। বার্সেলোনা ট্রায়ালে গিয়ে একটা ন্যাপকিনে কন্ট্র্যাক্ট সই করিয়ে এনেছিল মাত্র এই কারণে যে কোনো কাগজ ছিল না হাতের কাছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে এসে একের পর এক ফাইনাল হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে। কোপা আমেরিকা ফাইনাল হেরেছে। একবার না, তিনবার। অবসরও নিয়েছিল হতাশায়। তারপর ফিরে এসেছে। ২০২১ এ কোপা জিতেছে। ২০২২ এ বিশ্বকাপ জিতেছে। আর এখন ৩৮ বছর বয়সে আবার মাঠে। আবার হ্যাটট্রিক। কোচ স্কালোনি ম্যাচের পর বলেছেন, এটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই। ভাষা না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ যা দেখছি সেটা শুধু ফুটবল না। এটা একটা জীবনের গল্প। কিন্তু এই গল্পটা তোমার জীবনের সাথে কীভাবে মেলে সেটাই আসল কথা। তুমি হয়তো এখন কোনো একটা কাজ করছো। ডেভেলপমেন্ট শিখছো, ডিজাইন শিখছো, ব্যবসা করার চেষ্টা করছো, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছো। আর বারবার মনে হচ্ছে হচ্ছে না। ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হচ্ছো, প্রজেক্ট ফেল করছে, রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না। মেসি কিন্তু এই জায়গাতেই ছিল। শুধু সে একটা কাজ করেছে যেটা বেশিরভাগ মানুষ করে না। সে থামেনি। হেরেছে, উঠেছে। আবার হেরেছে, আবার উঠেছে। অবসর নিয়েছে, আবার ফিরে এসেছে। আমরা ট্রল করেছি। আর প্রতিবার ফেরার সময় আগের চেয়ে ভালো হয়ে ফিরেছে। ৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এমনি এমনি হয় না। এইটার পেছনে আছে বিশ বছরের ঘাম, শত শত ট্রেনিং সেশন, হারের রাতে ঘুম না আসা, আবার সকালে উঠে মাঠে যাওয়া। ডেডিকেশন মানে এইটাই। ডেডিকেশন মানে একদিন মন ভালো থাকলে কাজ করা না। ডেডিকেশন মানে মন খারাপ থাকলেও, ক্লান্ত থাকলেও, মনে হচ্ছে কিছুই হচ্ছে না তারপরেও প্রতিদিন একটু একটু করে এগোনো। মেসি যদি ২০১৬ সালে অবসরের পর সত্যি সত্যি চলে যেত, আমরা কখনো ২০২২ এর বিশ্বকাপ জয় দেখতাম না। আর আজকে এই হ্যাটট্রিক তো কল্পনাই করা যেত না। তোমার জীবনেও এমন একটা মুহূর্ত আসবে যখন মনে হবে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে মেসির কথা মনে করো। লোকটার বয়স ৩৮। মাঠে নেমেছে। হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরেছে। তোমার অজুহাতটা আবার কী ছিল?
1 231
3
🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟 আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভার
🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟 আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভারার ৯৭তম জন্মবার্ষিকী। ছোটবেলা থেকেই আমি তাকে সাহস, ত্যাগ এবং ন্যায়বিচার ও সাম্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে দেখেছি। চে এর জীবন ছিল তার অসাধারণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নত বিশ্বের জন্য তার নিরলস সাধনা দ্বারা সংজ্ঞায়িত। নিপীড়িতদের প্রতি তার অঙ্গীকার, বিপ্লবী পরিবর্তনের প্রতি তার বিশ্বাস এবং তার আদর্শের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার ইচ্ছা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। কিউবান বিপ্লবে তার ভূমিকা হোক বা বলিভিয়ায় তার প্রচেষ্টা, চে-এর প্রভাব অনস্বীকার্য এবং চিরস্থায়ী। চে এর সম্পর্কে আমি যা সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করি তা কেবল তার রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তার চরিত্রের সত্যতা এবং শক্তি। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ এবং বিপদ সত্ত্বেও তার নীতি অনুসারে জীবনযাপন করার ক্ষমতা তাকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবে আলাদা করে। এমন একজন নেতা যিনি প্রতিকূলতার মুখেও এমন একটি বিশ্বের জন্য লড়াই করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যেখানে স্বাধীনতা এবং সাম্য বিকশিত হতে পারে। আজ আমরা যখন তাকে স্মরণ করছি, তখন আমরা কেবল একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকেই নয়, বরং প্রতিরোধ, সততা এবং ত্যাগের এক অবিচল চেতনাকে সম্মান জানাচ্ছি। আমি সর্বদা চে গুয়েভারাকে একজন মহান নেতা হিসেবে বিবেচনা করব এবং সেই শ্রদ্ধা ও প্রশংসা আমার কাছে আজীবন থাকবে।
1 097
4
ওটি এসিস্ট করার সময় স্যার হঠাৎ বললেন- স্যার-তোমার বয়স ২৭/২৮ হবে? আমি-জ্বী স্যার,কেনো স্যার? স্যার-হালকা হেসে বললেন,এমনি জিজ্ঞ
ওটি এসিস্ট করার সময় স্যার হঠাৎ বললেন- স্যার-তোমার বয়স ২৭/২৮ হবে? আমি-জ্বী স্যার,কেনো স্যার? স্যার-হালকা হেসে বললেন,এমনি জিজ্ঞাসা করলাম। একটু পর স্যার আবার জিজ্ঞেস করলেন- স্যার-তুমি বিয়ে করছো? আমি-জ্বী স্যার। স্যার-বউ নিয়ে ঘুরো না? আমি-আপাতত ঘুরতে পারছি না স্যার। স্যার-কেনো? টাকা কামাই করতেছো? আমি-জ্বী স্যার।ডিউটি,স্টাডি আর টাকা কামাই করছি। স্যার-কত টাকা জমাইলা? আমি-মোটামুটি স্যার। স্যার-মোটামুটি কেনো?কিছু টাকা দেই তোমাকে তাহলে। আমি-দেন স্যার।কত দিবেন? স্যার-তুমি কত চাও? আমি-স্যার ৪/৫ লাখ দিয়ে দেন স্যার। স্যার-গলা ফাটিয়ে হেসে বললেন-তোমাকে ৫০লাখ দেই। আমি-হেসে বললাম, তাহলে তো ভালো হয় স্যার। স্যার-কিন্তু আমাকেও কিছু দিতে হবে তাহলে।তোমার বয়সটা আমাকে দাও।তুমি টাকার অভাবে ঘুরতে যাচ্ছো না আর আমি বয়সের ভারে যাচ্ছি না। ডাক্তার যখন হইছো,না খেয়ে মরবা না,কিন্তু প্রাণের যত্ন না নিলে আনন্দের অভাবে মরে যাবা একটা সময়।
1 362
5
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ। আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা ব
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ। আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে। ১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি। ১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে। বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব। ১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক। আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে। ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া। পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। ২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি। ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই। এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।
1 309
6
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথ
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে চালু, এটি এক নতুন যুগের সূচনা। আজ সারা বাংলাদেশ আনন্দিত, গর্বিত এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের উন্নয়নের প্রতীক। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন। গ্রাম থেকে শহর, আলো পৌঁছে যাবে প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্বপ্নে। আরও একটি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা আমাদের অগ্রযাত্রাকে করবে আরও গতিশীল। এই সাফল্য প্রমাণ করে, ঐক্য থাকলে বাংলাদেশ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে। #RooppurNPP #NuclearPower #EnergySecurity #PoweringBangladesh #Rosatom #BangladeshRussiaFriendship
1 031
7
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অ
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অট্টালিকার চূড়ায় বসে, হাতে ক্যামেরা নিয়ে, মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো উচ্চতা থেকে একটি ছবি তুলছিলেন তিনি। তাঁর নির্ভীক মনোভাব এবং যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত, তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যুদ্ধ সংবাদদাতাদের একজন এবং লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম মহিলা ফটোগ্রাফার। এই ছবিটি ফটোগ্রাফির প্রতি তাঁর সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যেখানে তিনি প্রায়শই নিখুঁত শটটি পাওয়ার জন্য নিজেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতেন। তাঁর কাজ কেবল ইতিহাসকেই নথিভুক্ত করেনি, বরং সাংবাদিকতা ও ফটোগ্রাফিতে নারীদের জন্য বাধাও ভেঙেছে।
961
8
Нет текста...
1 568
9
This is not about choosing sides anymore. Not about who supports Iran or who stands with the US and Israel. What we are witne
This is not about choosing sides anymore. Not about who supports Iran or who stands with the US and Israel. What we are witnessing is something far more dangerous. A conflict that is no longer limited to two or three countries. It’s already pulling in multiple nations, and even those who are not directly involved are starting to feel the impact. If this continues, the damage will not just be military. It will be economic, humanitarian, and psychological. And recovering from it will take years, maybe decades. The real question is not who has more weapons. Not who will win or who will lose. The real question is, who will have the courage to stop this? Because in war, those who fight often become nothing more than names on a list of the dead. And those who cheer for war from a distance are, in truth, the biggest fools of all. Someone, somewhere, needs to say it clearly: Enough. Stop this war. #StopTheWar #NoWar #PeaceNow #PrayForPeace #WorldPeace #CeasefireNow #StopWarNow #HumanityFirst #WarIsNotTheAnswer #GivePeaceAChance #NoMoreWar #PeaceOverWar #DiplomacyNotWar #SaveLives #StopViolence #GlobalPeace #EndTheWar #WarKills #ChoosePeace #StandForPeace #PeaceForAll #StopTheConflict #PrayForHumanity #VoicesForPeace #EndWarNow
1 534
10
https://youtu.be/hu0Y7oA2DmA?si=DT346NtqjQnCWTa6
125
11
গত ১৭ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত কেমন কেমন দিন যাপন করেছেন আপনারা? দেশের কত উন্নয়ন করলো প্রফেসর ইউনুস? নেক্সটে কি হতে পারে আপনাদের কোন আইডি আছে?
692
12
Welcome 2026
Welcome 2026
1 757
13
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-নারী প্লাটুনের সদস্যদেরকে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ তাদেরকে শুভেচ্ছা
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-নারী প্লাটুনের সদস্যদেরকে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ তাদেরকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছে। এই প্লাটুনের বেশির ভাগ নারী সদস্যই একাত্তরের রণাঙ্গনে গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন।
1 618
14
রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ধরা হয় ৫। আর আশ্চর্যজনকভাবে, যদি কোনো ছাত্র একটিও উত্তর না লিখে খাতা জমা দ
রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ধরা হয় ৫। আর আশ্চর্যজনকভাবে, যদি কোনো ছাত্র একটিও উত্তর না লিখে খাতা জমা দেয়, তবুও সে পায় ২। প্রথমদিন মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আমি যখন এই নিয়ম জানলাম, তখন সত্যিই বিস্মিত হলাম। আমার কাছে মনে হলো, কেউ যদি কিছুই না লিখে, তার তো প্রাপ্য শূন্য হওয়া উচিত। আমি কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলাম ড. থিওদর মেদ্রায়েভকে, “স্যার, একজন ছাত্র কিছু না লিখে ২ পাবে, এটা কিভাবে যুক্তিযুক্ত?” মেদ্রায়েভ হাসলেন। তারপর শান্ত গলায় বললেন, “শূন্য মানে যার কোনও অস্তিত্ব নেই। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, ততক্ষণ সে শূন্য কীভাবে হয়? ভেবে দেখো, একজন ছাত্র কত ত্যাগ স্বীকার করে প্রতিদিন সকালে ক্লাসে আসে। হয়তো কনকনে শীতের মধ্যে সে ভোরে ঘুম থেকে উঠেছে, লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে বাসে, ট্রামে কিংবা ট্রেনে দাঁড়িয়ে এসেছে। খালি খাতা জমা দিলেও সে ক্লাসে এসেছে, মানে চেষ্টা করেছে। এখন বলো, আমি কীভাবে তাকে শূন্য দিই?” তিনি আরও বললেন, “ছাত্রটি হয়তো উত্তর লিখতে পারেনি। কিন্তু তাই বলে তার সব প্রচেষ্টা বৃথা যাবে? সে যে রাত জেগে পড়াশোনা করেছে, নোটবুক কিনেছে, বই খুলে চেষ্টা করেছে, সেই শ্রম কি আমরা অবহেলা করবো? না বাবা, মানুষ শূন্য নয়। শূন্য দিলে আমরা তার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেবো, তার ভেতরের আগুন নিভিয়ে দেবো। আর আমরা শিক্ষক হিসেবে চাই, ছাত্র যেন বারবার উঠে দাঁড়াতে পারে, হেরে না যায়।” আমি নির্বাক হয়ে শুনছিলাম। সেই মুহূর্তে আমার ভেতরটা কেঁপে উঠল। বুঝলাম, শিক্ষা মানে শুধু নম্বর বা খাতার উত্তর নয়, শিক্ষা মানে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা, তার প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়া। মেদ্রায়েভ সেদিন আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য শিখিয়েছিলেন— শিক্ষা শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, শিক্ষা হচ্ছে মানবিকতার চর্চা। শূন্য নম্বর অনেক সময় ছাত্রদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা হয়ে দাঁড়ায়। খাতায় শূন্য দেখে তারা ভয় পায়, আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ধীরে ধীরে পড়াশোনার প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি হয়। অথচ একজন শিক্ষকের দায়িত্ব হলো ছাত্রকে উত্সাহিত করা, তাকে বোঝানো— "তুমি পারবে, আবার চেষ্টা করো।" যখন আমরা একটি খালি খাতার জন্যও ন্যূনতম নম্বর দিই, তখন আমরা আসলে বলি— "তুমি শূন্য নও, তুমি এখনও যোগ্য। তুমি ব্যর্থ হওনি, শুধু সফল হতে পারোনি। আবার চেষ্টা করো।" এটাই হলো আসল শিক্ষা। শিক্ষকের হাতেই ছাত্রের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই শিক্ষকেরা যদি একটু মানবিক হন, যদি নম্বরের বাইরেও ছাত্রদের প্রচেষ্টা দেখতে শেখেন, তবে অনেক হতাশ ছাত্র হয়তো নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারবে। আমার কাছে মনে হয়েছে, এই গল্পটা শুধু রাশিয়ার নয়, সারা বিশ্বের শিক্ষকদের শোনানো উচিত। কারণ শূন্য নম্বর কখনো শিক্ষা নয়, শূন্য নম্বর মানে কাউকে শেষ করে দেওয়া। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, তার প্রাপ্য অন্তত একটি আশ্বাস, একটি স্বীকৃতি। রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র এটি লিখেছে, নাম জানা নেই। আপনিও এই লেখাটিকে শেয়ার করুন আপনার প্রিয় শিক্ষকের কাছে, যাতে শিক্ষাব্যবস্থায় একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তন আসে। #মানুষকোনদিনশূন্যনয় #শিক্ষারদর্শন #StudentMotivation #শিক্ষকওশিক্ষার্থী #EducationPhilosophy #মানবিকশিক্ষা #InspirationForStudents #PositiveEducation #চেষ্টারস্বীকৃতি #MotivationalStory #LifeSavingSkills #lifestylephotography #lifestylefacts #Ananimesh #facts #motivationdaily #storytelling #stories #motivation #story #motivational #storytime #weeklyinspiration
1 658
15
বাংলাদেশের ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন (অক্টোবর ৭১) সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা প্রবেশের মুহূর্তের একটি ফটো
বাংলাদেশের ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ  চলাকালীন (অক্টোবর ৭১) সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা  প্রবেশের মুহূর্তের  একটি ফটো। photographer সন্তোষ বসাক এই দুর্লভ ছবিটি তুলেন। ছবিতে আছেন ৯৯ বছরের একজন বৃদ্ধা এবং তার ৭৯ বছর বয়সী সন্তান। বসাক সেই লোকটিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, 'কে এই বৃদ্ধা মহিলা? ' উত্তরে লোকটি জানান, 'তিনি আমার মাতা। আমার মা ! এখন একটি শিশুর মতো। তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। এই অবস্থায় আমি তাকে ছেড়ে কিভাবে যাই!! ' ★উল্লেখ্য, এই ছবিটি পরবর্তীতে World Press Photo 1972 পুরস্কার লাভ করে।
1 731
16
মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়াকে ঠাট্টা করে বলতেন, “ষাট বছর বয়স হলে বিপ্লবী আর বিপ্লবী থাকে না। প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়।” উৎপল দত্ত'র মত না
মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়াকে ঠাট্টা করে বলতেন, “ষাট বছর বয়স হলে বিপ্লবী আর বিপ্লবী থাকে না। প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়।” উৎপল দত্ত'র মত নাট্যব্যক্ত্বিত্ব তাঁর আগেও কেউ আসেননি,পরেও কেউ নয়। চলচ্চিত্র অভিনেতা উৎপল দত্তও, ছিলেন অতুলনীয়। সত্যজিত রায়ও মুগ্ধ ছিলেন তাঁর প্রতিভায়। বলেছিলেন, ‘উৎপল যদি রাজি না হত, তবে হয়তো আমি আগন্তুক বানাতামই না।’ ‘আগন্তুক’ ছবিতে উৎপল দত্তকে নিজের প্রতিভূ হিসেবেই ব্যবহার করেছিলেন সত্যজিত রায়। ১৯৯৩ সালের ১৯ অগস্ট ৬৪ বছর বয়সে “সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ স্টেজ স্টলওয়ার্ট" উৎপল দত্ত'র জীবনাবসান হয়।
2 345
17
https://youtu.be/iQp24_KuYY8?si=vreij2LU7qauerOC
3 039
18
https://youtu.be/-JAPYTtlA60?si=8IEJghJikiboVAGf
2 807
19
আমি চয়নিকা চৌধুরী তখন ক্লাশ টেন এ পড়ি। পুরান ঢাকায় থাকি।ঘটনা এবং চেহারা পুরোটাই মনে আছে।তখন পেপার আর বিটিভির যুগ।আর আমার প্রি
আমি চয়নিকা চৌধুরী তখন ক্লাশ টেন এ পড়ি। পুরান ঢাকায় থাকি।ঘটনা এবং চেহারা পুরোটাই মনে আছে।তখন পেপার আর বিটিভির যুগ।আর আমার প্রি টেষ্ট পরীক্ষা চলছিল। তিনিই বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পাইলট ছিলেন। রোকসানা।পুরো নাম কানিজ ফাতেমা রোকসানা। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের আকাশে ঘটেছিল এমন এক ট্র্যাজেডি, যা আজও ইতিহাসের পাতায় রক্তাক্ত দাগ হয়ে আছে..." ৫ আগস্ট, ১৯৮৪। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফকার F27—বিমান নম্বর S2-ABJ। আবহাওয়া ছিল ভয়াবহ। ঝড়, বজ্রপাত, আর একদমই দেখা যাচ্ছিল না রানওয়ে।” তিনবার অবতরণের চেষ্টা—তিনবারই ব্যর্থ। আর শেষবার, ৫৫০ মিটার আগেই বিমানটি আছড়ে পড়ে এক জলাভূমিতে। ৪৯ জনের প্রাণহানি ঘটে। তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী পাইলট—কানিজ ফাতেমা রোকসানা।” “মাত্র ৫,০০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেই নারী পাইলটের স্বপ্ন ছিল আকাশে জায়গা করে নেওয়ার। কিন্তু সেই আকাশই তার শেষ গন্তব্য হয়ে দাঁড়ায়।” “তাকে ভুলে গেছি আমরা অনেকেই... কিন্তু তার আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন আজও প্রেরণা হয়ে বেঁচে আছে। পরপারে ভালো থাকবেন। ❤️🇧🇩✈️ (Collected)
2 107
20
পৃথিবীতে কিছু কিছু জিনিসের কোনো বিকল্প হয় না। এই যেমন ধরুন, আপনি বেকার থাকাকালীন আপনার যে বন্ধুটি নিজের পকেটের সীমিত টাকার ম
পৃথিবীতে কিছু কিছু জিনিসের কোনো বিকল্প হয় না। এই যেমন ধরুন, আপনি বেকার থাকাকালীন আপনার যে বন্ধুটি নিজের পকেটের সীমিত টাকার মধ্যে থেকেও আপনার শূন্য পকেটের অবস্থা বুঝে চায়ের বিলটি দিয়ে দিত। আপনার যে প্রেমিক কিংবা প্রেমিকাটি আপনার দারিদ্র বা অসহায়ত্ব সম্পর্কে জানার পরও আপনার সাথে থেকে গিয়েছিল, তার কোনো বিকল্প হয় না। আপনার বিষণ্ণতার খোঁজ জানতে পেরে আপনার দুর্দিনে যে মানুষটি মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে “ভয় পেয়ো না, আমি আছি” বলেছিল, তার কোনো রিপ্লেসমেন্ট কিছুতেই হয় না। একদিন আপনার অনেক কিছু হবে। অনেক বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন আপনার সামনে পিছে ঘুরঘুর করবে। আপনার কিছু লাগবে কিনা তার জন্য একপায়ে খাড়া হয়ে থাকবে অনেকেই। এরা আসলে আপনার আপন কেউ না, এরা আপনার সুসময়ের ঘ্রাণে কেনা কিছু মাছি কেবল। তারাই আপনার কাছের মানুষ, যারা কোনো স্বার্থ ছাড়াই কখনো ছাদ হয়ে আপনার মাথার উপরে, কখনোবা মাটি হয়ে আপনার পায়ের নিচে থেকে আপনাকে সাপোর্ট দিয়েছিল। তারা সেইসব দিনগুলোতে আপনাকে বেঁচে থাকার সাহস জুগিয়েছিল যখন আপনার পাশে কেউ ছিল না। যদি আপনার জীবনে এমন কোনো দিন আসে যেদিন আপনি ডুবতে বসেছেন, সেদিন কিন্তু সবগুলো বসন্তের কোকিল আপনাকে ফেলে পালাবে। তাই আপনার শূন্য পকেটের সময়ের বন্ধুদের হারিয়ে ফেলা মানে আপনার অস্তিত্ব হারিয়ে যাওয়া। কেননা ওই বন্ধুগুলোর কোনো রিপ্লেসমেন্ট হয় না।
2 341