fa
Feedback
Bengali

Bengali

رفتن به کانال در Telegram

🚩 Channel was restricted by Telegram

نمایش بیشتر
1 793
مشترکین
-224 ساعت
-87 روز
-4930 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+6
در 0 کانال‌ها
ژوئن '26
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+16
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+21
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+19
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+41
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+46
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+43
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+49
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+45
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+44
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+27
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+37
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+37
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+94
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+101
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+51
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+55
در 2 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+58
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+64
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+105
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+90
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+78
در 2 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+67
در 2 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+52
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+54
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+58
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+86
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+79
در 8 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+65
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+78
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+84
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+101
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+94
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+101
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+124
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+124
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+104
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+87
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+154
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+135
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+107
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+129
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+166
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+145
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+142
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+152
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+172
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+131
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '22
+2 006
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
07 ژوئیه0
06 ژوئیه0
05 ژوئیه0
04 ژوئیه0
03 ژوئیه+1
02 ژوئیه+4
01 ژوئیه+1
پست‌های کانال
লোকটার বয়স ৩৮ বছর। ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল
লোকটার বয়স ৩৮ বছর। ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল খেলতাম, সে এখন মাঠে নামলে পাঁচ মিনিটে হাঁটু ধরে বসে পড়বে। আর মেসি? ৩৮ বছর বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরে গেছে। তিনটা গোল। ১৭ মিনিটে, ৬০ মিনিটে, ৭৬ মিনিটে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০। কিন্তু শুধু এইটুকু বললে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মেসি এই হ্যাটট্রিক দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টা গোল করে ফেলেছে। মানে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। আর মাত্র একটা গোল করলেই একা দাঁড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের শীর্ষে। এই লোকটা ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসার খরচ দিতে পারছিল না পরিবার। বার্সেলোনা ট্রায়ালে গিয়ে একটা ন্যাপকিনে কন্ট্র্যাক্ট সই করিয়ে এনেছিল মাত্র এই কারণে যে কোনো কাগজ ছিল না হাতের কাছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে এসে একের পর এক ফাইনাল হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে। কোপা আমেরিকা ফাইনাল হেরেছে। একবার না, তিনবার। অবসরও নিয়েছিল হতাশায়। তারপর ফিরে এসেছে। ২০২১ এ কোপা জিতেছে। ২০২২ এ বিশ্বকাপ জিতেছে। আর এখন ৩৮ বছর বয়সে আবার মাঠে। আবার হ্যাটট্রিক। কোচ স্কালোনি ম্যাচের পর বলেছেন, এটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই। ভাষা না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ যা দেখছি সেটা শুধু ফুটবল না। এটা একটা জীবনের গল্প। কিন্তু এই গল্পটা তোমার জীবনের সাথে কীভাবে মেলে সেটাই আসল কথা। তুমি হয়তো এখন কোনো একটা কাজ করছো। ডেভেলপমেন্ট শিখছো, ডিজাইন শিখছো, ব্যবসা করার চেষ্টা করছো, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছো। আর বারবার মনে হচ্ছে হচ্ছে না। ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হচ্ছো, প্রজেক্ট ফেল করছে, রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না। মেসি কিন্তু এই জায়গাতেই ছিল। শুধু সে একটা কাজ করেছে যেটা বেশিরভাগ মানুষ করে না। সে থামেনি। হেরেছে, উঠেছে। আবার হেরেছে, আবার উঠেছে। অবসর নিয়েছে, আবার ফিরে এসেছে। আমরা ট্রল করেছি। আর প্রতিবার ফেরার সময় আগের চেয়ে ভালো হয়ে ফিরেছে। ৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এমনি এমনি হয় না। এইটার পেছনে আছে বিশ বছরের ঘাম, শত শত ট্রেনিং সেশন, হারের রাতে ঘুম না আসা, আবার সকালে উঠে মাঠে যাওয়া। ডেডিকেশন মানে এইটাই। ডেডিকেশন মানে একদিন মন ভালো থাকলে কাজ করা না। ডেডিকেশন মানে মন খারাপ থাকলেও, ক্লান্ত থাকলেও, মনে হচ্ছে কিছুই হচ্ছে না তারপরেও প্রতিদিন একটু একটু করে এগোনো। মেসি যদি ২০১৬ সালে অবসরের পর সত্যি সত্যি চলে যেত, আমরা কখনো ২০২২ এর বিশ্বকাপ জয় দেখতাম না। আর আজকে এই হ্যাটট্রিক তো কল্পনাই করা যেত না। তোমার জীবনেও এমন একটা মুহূর্ত আসবে যখন মনে হবে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে মেসির কথা মনে করো। লোকটার বয়স ৩৮। মাঠে নেমেছে। হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরেছে। তোমার অজুহাতটা আবার কী ছিল?

2
🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟 আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভার
🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟 আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভারার ৯৭তম জন্মবার্ষিকী। ছোটবেলা থেকেই আমি তাকে সাহস, ত্যাগ এবং ন্যায়বিচার ও সাম্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে দেখেছি। চে এর জীবন ছিল তার অসাধারণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নত বিশ্বের জন্য তার নিরলস সাধনা দ্বারা সংজ্ঞায়িত। নিপীড়িতদের প্রতি তার অঙ্গীকার, বিপ্লবী পরিবর্তনের প্রতি তার বিশ্বাস এবং তার আদর্শের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার ইচ্ছা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। কিউবান বিপ্লবে তার ভূমিকা হোক বা বলিভিয়ায় তার প্রচেষ্টা, চে-এর প্রভাব অনস্বীকার্য এবং চিরস্থায়ী। চে এর সম্পর্কে আমি যা সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করি তা কেবল তার রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তার চরিত্রের সত্যতা এবং শক্তি। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ এবং বিপদ সত্ত্বেও তার নীতি অনুসারে জীবনযাপন করার ক্ষমতা তাকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবে আলাদা করে। এমন একজন নেতা যিনি প্রতিকূলতার মুখেও এমন একটি বিশ্বের জন্য লড়াই করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যেখানে স্বাধীনতা এবং সাম্য বিকশিত হতে পারে। আজ আমরা যখন তাকে স্মরণ করছি, তখন আমরা কেবল একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকেই নয়, বরং প্রতিরোধ, সততা এবং ত্যাগের এক অবিচল চেতনাকে সম্মান জানাচ্ছি। আমি সর্বদা চে গুয়েভারাকে একজন মহান নেতা হিসেবে বিবেচনা করব এবং সেই শ্রদ্ধা ও প্রশংসা আমার কাছে আজীবন থাকবে।
834
3
ওটি এসিস্ট করার সময় স্যার হঠাৎ বললেন- স্যার-তোমার বয়স ২৭/২৮ হবে? আমি-জ্বী স্যার,কেনো স্যার? স্যার-হালকা হেসে বললেন,এমনি জিজ্ঞ
ওটি এসিস্ট করার সময় স্যার হঠাৎ বললেন- স্যার-তোমার বয়স ২৭/২৮ হবে? আমি-জ্বী স্যার,কেনো স্যার? স্যার-হালকা হেসে বললেন,এমনি জিজ্ঞাসা করলাম। একটু পর স্যার আবার জিজ্ঞেস করলেন- স্যার-তুমি বিয়ে করছো? আমি-জ্বী স্যার। স্যার-বউ নিয়ে ঘুরো না? আমি-আপাতত ঘুরতে পারছি না স্যার। স্যার-কেনো? টাকা কামাই করতেছো? আমি-জ্বী স্যার।ডিউটি,স্টাডি আর টাকা কামাই করছি। স্যার-কত টাকা জমাইলা? আমি-মোটামুটি স্যার। স্যার-মোটামুটি কেনো?কিছু টাকা দেই তোমাকে তাহলে। আমি-দেন স্যার।কত দিবেন? স্যার-তুমি কত চাও? আমি-স্যার ৪/৫ লাখ দিয়ে দেন স্যার। স্যার-গলা ফাটিয়ে হেসে বললেন-তোমাকে ৫০লাখ দেই। আমি-হেসে বললাম, তাহলে তো ভালো হয় স্যার। স্যার-কিন্তু আমাকেও কিছু দিতে হবে তাহলে।তোমার বয়সটা আমাকে দাও।তুমি টাকার অভাবে ঘুরতে যাচ্ছো না আর আমি বয়সের ভারে যাচ্ছি না। ডাক্তার যখন হইছো,না খেয়ে মরবা না,কিন্তু প্রাণের যত্ন না নিলে আনন্দের অভাবে মরে যাবা একটা সময়।
1 362
4
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ। আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা ব
ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ। আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে। ১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি। ১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে। বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব। ১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক। আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে। ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া। পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। ২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি। ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই। এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা।
1 309
5
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথ
আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে চালু, এটি এক নতুন যুগের সূচনা। আজ সারা বাংলাদেশ আনন্দিত, গর্বিত এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের উন্নয়নের প্রতীক। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন। গ্রাম থেকে শহর, আলো পৌঁছে যাবে প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্বপ্নে। আরও একটি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা আমাদের অগ্রযাত্রাকে করবে আরও গতিশীল। এই সাফল্য প্রমাণ করে, ঐক্য থাকলে বাংলাদেশ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে। #RooppurNPP #NuclearPower #EnergySecurity #PoweringBangladesh #Rosatom #BangladeshRussiaFriendship
1 031
6
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অ
১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অট্টালিকার চূড়ায় বসে, হাতে ক্যামেরা নিয়ে, মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো উচ্চতা থেকে একটি ছবি তুলছিলেন তিনি। তাঁর নির্ভীক মনোভাব এবং যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত, তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যুদ্ধ সংবাদদাতাদের একজন এবং লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম মহিলা ফটোগ্রাফার। এই ছবিটি ফটোগ্রাফির প্রতি তাঁর সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যেখানে তিনি প্রায়শই নিখুঁত শটটি পাওয়ার জন্য নিজেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতেন। তাঁর কাজ কেবল ইতিহাসকেই নথিভুক্ত করেনি, বরং সাংবাদিকতা ও ফটোগ্রাফিতে নারীদের জন্য বাধাও ভেঙেছে।
961