fa
Feedback
Crypto Tech BD

Crypto Tech BD

رفتن به کانال در Telegram

🔴Business Inquiry 👉 @hassanrobiul999

نمایش بیشتر
4 264
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-267 روز
-17230 روز
آرشیو پست ها
স্বৈরা*চার পলাতক শেখ হাসিনার পতনের পর পলকসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী দেশ ছাড়ার সময় আটক হবার খবর প্রকাশ হয়েছিলো। কিন্তু এরপ
স্বৈরা*চার পলাতক শেখ হাসিনার পতনের পর পলকসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী দেশ ছাড়ার সময় আটক হবার খবর প্রকাশ হয়েছিলো। কিন্তু এরপর আর কোন আপডেট নেই কেন? বিচার হওয়ার আগে যেন একটা হ*ত্যাকারীও পালাতে না পারে বা ছেড়ে না দেওয়া হয়।

"আফা আপনি ঘাবড়ায়েন না, আপনি ঘাবড়াইলে আমরা নরম হইয়া পড়ি!" বরগুনা জেলা সেক্রেটারি হাসিনাকে আশ্বস্ত করছিল এভাবে। খুনি হাসিনা দিল্লীতে বসে এভাবেই দেশবিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। এই চিহ্নিত গণহত্যাকারী খুনীদের অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

বাঁশেরকেল্লা গত একযুগ ধরে এটাই বলে আসছে। ভারত ও হাসিনার মধ্যে যা হয়েছে তার সাথে বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ ছিল না। সবটাই ছিল হাস
বাঁশেরকেল্লা গত একযুগ ধরে এটাই বলে আসছে। ভারত ও হাসিনার মধ্যে যা হয়েছে তার সাথে বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ ছিল না। সবটাই ছিল হাসিনার।

ঢাবির উপাচার্য হিসেবে এরই মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক। তারা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
ঢাবির উপাচার্য হিসেবে এরই মধ্যে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক। তারা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীম উদ্দিন খান। বামপন্থি শিক্ষক ড. মোহাম্মদ তানজীম উদ্দিন খান ঢাবি উপাচার্য পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন যৌক্তিক আন্দোলন ও মানবাধিকার প্রশ্নে বেশ জোড়ালো ভূমিকা রাখতে দেখা যায় তাকে। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ধর্মচর্চা করেন এমন মুসলিম শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে বিদ্বেষী মনোভাব পোষণের অভিযোগ উঠেছে। যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বড় একটি অংশ বিশেষ করে ডানপন্থি ছাত্র-শিক্ষকরা তার উপাচার্য হওয়াকে ইতিবাচকভাবে নেবে না বলে মনে করছেন অনেকে। জাগো নিউজ ১২ আগস্ট ২০২৪

শেখ হাসিনার বংশের চৌদ্দগোষ্ঠী সবাই দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। এমনকী যাওয়ার আগে ছাত্র-জনতার মুখোমুখি করে দিয়ে গেছে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের। এদিকে জনতার গণরোষের ভয়ে এতদিন পদে থাকা নেতারা সব আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেছে। সাধারণ নেতাকর্মীদের কেন ঠেকা পড়েছে জনরোষের সামনে দাঁড়িয়ে জীবন দেওয়ার? আর স্বৈরাচার মুজিবকে শ্রদ্ধা জানাতে ৩২ নম্বর আসতে হবে কেন? শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সারাদেশ থেকে আওয়ামী নেতা-নেত্রীরা সমর্থকরা গোপালগঞ্জে যেতে সমস্যা কি, যেখানে মুজিব শুয়ে আছে? অন্যান্য বছর তো আগস্ট মাসজুড়ে আওয়ামী নেতাকর্মীদের স্রোত সেই দিকে গিয়েছিল, যেখানে নেতানেত্রী সমর্থকদের জন্য শ্রদ্ধা জানানো এইবারও নিরাপদ। তাহলে ছাত্র-জনতার উপর নির্মম গণহত্যা চালিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া পলাতক হাসিনা ও তার কুপুত্র বিদেশ থেকে কেন তাদের নেতাকর্মীদের এভাবে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে চাচ্ছে? তাদের উদ্দেশ্য কী?

দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের মাটির পরতে পরতে আবর্জনা জমা করে রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। প্রতিটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসরদের ও দলীয় এজেন্টদেরকে দায়িত্বে বসিয়ে সাধারণ মানুষের উপরে জুলুম নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে গেছে এবং সকল প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। Election Commission, আইন কমিশন, দূর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, সংসদ সেক্রেটারিয়েট, DG NSI, DG DGFI, DG SSF, DG Ansar, দালাল গণমাধ্যম, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, কলেজ সহ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত দলীয় এজেন্টদের কাজে লাগিয়ে তারা ছাত্র-জনতার বিপ্লবকে রুখে দিতে চাচ্ছে। তারা প্রতি বিপ্লব করে সহস্রাধিক শহীদের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করে আবার ফ্যাসিজম কায়েম করতে চায়। এমতাবস্থায় আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হলে অনতিবিলম্বে উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বগত ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেজিমের এজেন্টদেরকে পদত্যাগ নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক লোকদেরকে বসাতে হবে। ছাত্র জনতাকে সাথে নিয়ে এইসব প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করে ফ্যাসিস্ট আমলাদের পদত্যাগ নিশ্চিত করে বিচারের মুখামুখি করতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের পদত্যাগ ও গণহত্যায় জড়িত সকলের বিচার না হওয়ায় আগ পর্যন্ত ছাত্র জনতা বিপ্লব রক্ষার ভ্যানগার্ড হিসেবে রাজপথে থাকবে। Shadik Kayem সমন্বয়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যাকারী খুনি হাসিনার বিচারের দাবিতে ও স্বাধীনতাবিরোধী দেশদ্রোহী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ মিছিল। ১২ আগস্ট ২০২৪ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে জড়িত শিক্ষার্থীদের হেনস্থা, শিক্ষার্থীদের সাথে সাম্প্রদায়িক আচরণ , পরিকল্পিতভাবে রেজাল্ট কমিয়ে দেয়াসহ ৯ দফা দাবিতে বিভাগীয় সভাপতি তাপস কুমার দাস এবং সুপ্রভাত পালের পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের শিক্ষার্থীরা।

ছাত্র হত্যাকারী খুনি হাসিনার ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো বিচার এ দেশের ছাত্র সমাজ মেনে নিবে না।
ছাত্র হত্যাকারী খুনি হাসিনার ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো বিচার এ দেশের ছাত্র সমাজ মেনে নিবে না।

বাদ গেছে ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যার বিষয়টা। এই সবকিছুই করা হয়েছে স্বৈরাচার মুজিবকে সামনে রেখে।
বাদ গেছে ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যার বিষয়টা। এই সবকিছুই করা হয়েছে স্বৈরাচার মুজিবকে সামনে রেখে।

তখন এরা ছিল ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে। আর এখন এরা সংখ্যালঘু!
তখন এরা ছিল ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে। আর এখন এরা সংখ্যালঘু!

পাকিস্তানের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ফয়েজ হামিদকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির সাম
পাকিস্তানের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সাবেক প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ফয়েজ হামিদকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সে যত বড় চান্দুই হোক না কেন। মাটিরে নিচের গর্তে লুকিয়ে থাকলেও তাকে টেনে বের করে জণগনের টাকার হিসাব নেয়
কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সে যত বড় চান্দুই হোক না কেন। মাটিরে নিচের গর্তে লুকিয়ে থাকলেও তাকে টেনে বের করে জণগনের টাকার হিসাব নেয়া হবে। হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করা সব সন্ত্রাসী লীগ গুলোর ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ করা এখন সময়ের দাবী। আপনার আশে পাশে কোনো সন্ত্রাসী লীগের নেতা লুকিয়ে থাকলে সরকারকে তার সন্ধান দিন। কেননা লীগের প্রত্যেক লুটকারীর কাছে জনগণের অনেক টাকা ও সম্পদ পাওয়া যাবে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মন্দিরে ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরে হামলা করতে এসে, হাতেনাতে আটক ১০ জনেরও বেশি বহিরাগত হিন্দুত্ববাদী। মূল পরিকল্পনায় ৬৮ হিন্দুত্ববাদী। কিভাবে "র" এর পরিকল্পনায় সারাদেশে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীরা সাধারণ নিরীহ হিন্দুদের উপর হামলার পরিকল্পনা করছে সেটা এই ভিডিও থেকে আবারো স্পষ্ট হলো।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জ
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ২ হাজার ৬৯৯ জন। এ সময়ে গুম হন ৬৭৭ জন, কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন ১ হাজার ৪৮ জন। মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের তালিকাসহ ২০২৪ সালের ঘটনা যুক্ত করলে নিহতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়াবে বলে দাবি সংগঠনটির। অকার্যকর বিচার ব্যবস্থার কারণে সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ব্যবহার করে এসব বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, খুনের ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, সরকারের সমালোচক ও ভিন্ন মতাবলম্বীদের দমনের কাজে সরকারের পক্ষে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ব্যবহার করা হয়। এসব বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম-খুনের ঘটনার মধ্যে নির্যাতনে হত্যা, ক্রসফায়ার, হত্যার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের গুলি, ব্যবসায়ীকে আটক করে মালামাল লুট, নাগরিকদের গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের মাধ্যমে এসব ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

সব প্রতিষ্ঠান দালাল মুক্ত করার প্রচেষ্ঠা চললেও বুয়েটের শহীদ আবরার ফাহাদের খুনীদের সংগঠন ছাত্রলীগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এই দালাল
সব প্রতিষ্ঠান দালাল মুক্ত করার প্রচেষ্ঠা চললেও বুয়েটের শহীদ আবরার ফাহাদের খুনীদের সংগঠন ছাত্রলীগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এই দালাল সত্য প্রসাদ মজুমদার এখনো বহাল তবিয়তে রয়ে যায় কিভাবে?

১৫ আগস্ট ঘিরে মন্দিরে আওয়ামী লীগের সহিংসতার প্রস্তুতি ফাঁস
১৫ আগস্ট ঘিরে মন্দিরে আওয়ামী লীগের সহিংসতার প্রস্তুতি ফাঁস

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে মো. আব্দুল্লাহ নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ওয়াহেদপুর সীমান্তের ওপারে ভারতীয় অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।

আগামীকাল নিজেদের বেদখল থাকা হলগুলো উদ্ধারে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি বেদখল হল হলো: ১.তিব্বত হল ২.ড.হাবিবুর রহমান হল ৩ বাণী ভবন হল ৪.আব্দুর রহমান হল ৫.শহীদ আনোয়ার শফিক হল ৬.সাইদুর রহমান হল ৭.রউফ মজুমদার হল ৮.শহীদ আজমল হোসেন হল ৯.বজলুর রহমান হল ১০.নজরুল ইসলাম খাঁন হল ১১.শহীদ শাহাবুদ্দিন হল। প্রায় তিন দশক ধরে প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের(জবি)১১টি হল। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালালেও হলগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর ড. হাবিবুর রহমান হল উদ্ধার হলেও তা আবাসন উপযোগী হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আট বছরেও আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয় নি শিক্ষার্থীদের জন্য। এই হলগুলোর বেশিরভাগই পুরান ঢাকার ভূমিদস্যু আওয়ামী সন্ত্রাসী হাজি সেলিম ও অন্যান্য আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দখলে রয়েছে।

রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল এই বাকশা*ল।
রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল এই বাকশা*ল।