fa
Feedback
Crypto Tech BD

Crypto Tech BD

رفتن به کانال در Telegram

🔴Business Inquiry 👉 @hassanrobiul999

نمایش بیشتر
4 264
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-267 روز
-17230 روز
آرشیو پست ها
বিপ্লবোত্তর সামনের দিনগুলো বেশ ক্রিটিকাল। প্রতি-বিপ্লব ঠেকাতে সদা-জাগ্রত, সদা-সজাগ থাকা চাই। বিপ্লবী ছাত্র-জনতাকে রাজপথ দখলে রাখতে হবে আরো কিছুদিন। তারুণ্যের এই গণজোয়ার অব্যাহত থাকুক। করুণাময় এ বিজয়কে টেকসই করুন। Miles to go.. - মিজানুর রহমান আজহারি

আ.লীগের মি'থ্যা'চারের বর্ণণা দিতে গেলে মুখবই এর পাতাও ফুরিয়ে যেতে পারে।
আ.লীগের মি'থ্যা'চারের বর্ণণা দিতে গেলে মুখবই এর পাতাও ফুরিয়ে যেতে পারে।

সময় টিভি এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে এদেশের ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে! সিলেটের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিক্ষোভে ‘বাড়িঘর পোড়ানো’ হয়েছে দা
সময় টিভি এখনো ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে এদেশের ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে! সিলেটের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিক্ষোভে ‘বাড়িঘর পোড়ানো’ হয়েছে দাবি করে সময় টিভিতে মিথ্যা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ধ্রুব সরকার নামের এক কিশোর। তবে প্রকৃত তথ্য হচ্ছে তার বাড়িঘর সুরক্ষিত রয়েছে। বিষয়টি জানিয়েছেন তার বাবা প্রধান শিক্ষক বিজন কুমার সরকার। একইসঙ্গে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধান শিক্ষক বাবা। সোমবার (১২ আগস্ট) নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন প্রধান শিক্ষক বিজন কুমার সরকার। তিনি পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন বলে তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম পোর্ট চেয়ারম্যান-রিয়ার এডমিরাল সোহায়েল এর অনৈতিক কর্মকান্ড ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প
চট্টগ্রাম পোর্ট চেয়ারম্যান-রিয়ার এডমিরাল সোহায়েল এর অনৈতিক কর্মকান্ড ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পড়ুন এই লিঙ্কে ক্লিক করে। দ্রুত এই দুর্বৃত্তকে বহিস্কার করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। এমন কোন অপরাধ নেই যা তার মাধ্যমে হয়নি!

আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।
আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।

শপথ নেন। তিনি ছিলেন শেখ মুজিবের মন্ত্রিসভার বাণিজ্যমন্ত্রী। নিজে রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণের পরেই উপরাষ্ট্রপতি করেন শেখ মুজিব সরকারের ভূমিমন্ত্রী মোহাম্মদ উল্লাহকে। তখনো ২৪ ঘণ্টা পার হয়নি স্বৈরাচার মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে, মুজিবের মন্ত্রিসভায় থাকা ২১ জন সদস্য তথ্যা আ.লীগের নেতা যোগ দিয়েছিলেন খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রিসভায়। #DictatorMujib

বাংলাদেশের প্রথম স্বৈরাচার শেখ মুজিব সম্পর্কে যে ইতিহাস জানেনা নতুন প্রজন্ম! শেখ মুজিবুর রহমান সাড়ে তিন বছর বাংলাদেশ শাসন করেছেন। ১৯৭২ সালের ১২ই মার্চ বাহ্যত স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তার শাসনামলের সূচনা হয় এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবের শাসনামলের সমাপ্তি ঘটে। এই সাড়ে তিন বছরের শাসনামল বাংলার ইতিহাসের এক বিভীষিকাময় কালো অধ্যায়। মুজিবের শাসনামলে বাংলাদেশ ছিল নৈরাজ্য, অভাব-অনটন, গুম-খুন, অধর্মচর্চা ও দুঃশাসনের নরকক্ষেত্র। কতিপয় ক্ষমতাসীন শাসকচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ে সমস্ত জনগণ। তার শাসনকালে রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গ বিকল হয়ে পড়ে, কায়েম হয়েছিল চরম কর্তৃত্ববাদী এক দলীয় দুঃশাসন। "রক্ষিবাহিনী নামক মাফিয়া বাহিনী গঠন" শেখ মুজিবের দুরভিসন্ধির প্রকাশ ঘটে ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী রক্ষী বাহিনী নামক ঘাতক বাহিনী গঠনের মধ্য দিয়ে। রক্ষীবাহিনী নামে আধা সামরিক বাহিনী গঠনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী দুর্বৃত্তায়ন পরবর্তী ধাপে পদার্পণ করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশজুড়ে নৈরাজ্য কায়েম করা মুজিব বাহিনী ও কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এই আধাসামরিক বাহিনীটি গঠন করা হয়। এদের মূল কাজ ছিলো ভিন্নমত দমন। এই সন্ত্রাসী বাহিনী মুজিবের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, গুম, অপহরণ, চোরাচালান এবং ধর্ষণের সাথে জড়িয়ে পড়ে। তারা বিভিন্ন গ্রামের উপর ঝটিকা আক্রমণ করে গণলুণ্ঠন চালাত। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে লুটপাট এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগও ছিল। মুজিব সরকারের অপকর্মের পথে কাউকে বাধা মনে করলেই তাকে হত্যা করত রক্ষীবাহিনী। "বাকশাল প্রতিষ্ঠার নামে একনায়কতন্ত্র কায়েম" উনিশশো পচাত্তর সালের ৭ই জুন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ তথা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখন বিলুপ্ত করা হয়েছিল সব রাজনৈতিক দল। রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে চারটি পত্রিকা রেখে বাকি সব পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। বাকশাল গঠনের পরে দেশের ওপর স্বৈরাচার মুজিবের ফ্যাসিস্ট জুলুম আরম্ভ হয়ে গিয়েছিল। সব দলকে বন্ধ করে দিয়ে, নিষিদ্ধ করে দিয়ে, সব খবরের কাগজ নিষিদ্ধ করে দিয়ে লোকজনকে ধরপাকড় করে ব্যাপকভাবে জুলুম করেছিল ফ্যাসিস্ট মুজিব।" "১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ" মুজিব সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যাপক দুর্নীতির ফলে ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। সরকারী হিসেব অনুসারে ২৭,০০০ মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করে। বেসরকারি হিসেবে অনুমানিক ১,০০,০০০ থেকে ৪,৫০,০০০ জন প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মৃত্যুবরণ করে। এই দুর্ভিক্ষকে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হিসেবে গন্য করা হয়। যখন হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরছিল ঠিক সেসময় বাকশালী মুজিবের দুই পুত্র শেখ কামাল এবং শেখ জামালের বিয়ে হয়েছিল সোনার মুকুট মাথায় দিয়ে অত্যন্ত জাকজমকপূর্ণ ভাবে। "বাংলাদেশে ক্রসফায়ারে হত্যাকাণ্ডের সূচনা করেছিল স্বৈরাচার মুজিব" ২ জানুয়ারি, ১৯৭৫। ওইদিন (বৃহস্পতিবার) রাতে ‘পূর্ববাংলার সর্বহারা পার্টি’ প্রধান নেতা সিরাজ সিকদার তৎকালীন মুজিব সরকারের নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন। এর আগের দিন অর্থাৎ ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামে গ্রেফতার হন সিরাজ সিকদার। গ্রেফতারের পর ওইদিনই তাকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনা হয়। এ হত্যাকাণ্ড বিষয়ে তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘কোথায় আজ সেই সিরাজ সিকদার’। "ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী পাটোয়ারী হত্যাকাণ্ড" শাহেদ আলী পাটোয়ারী পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন। স্পিকারের চেয়ারে থাকাবস্থায় স্বৈরাচার মুজিবের নেতৃত্বে ততকালীন আ. লীগের সংসদ সদস্যদের হামলার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। শেখ মুজিবুর রহমান -এর ছোড়া পেপার ওয়েট ও চেয়ারের আঘাতে মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে শাহেদ আলী মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয় এবং ২৬ সেপ্টেম্বর (১৯৫৮) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। "পিতার প্রশ্রয়ে মুজিবপুত্র শেখ কামালের অপকর্ম" শেখ মুজিবের বড় ছেলে শেখ কামাল ছিল অত্যন্ত বদ মেজাজী। বাবার মতো সেও বাংলাদেশকে তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে মনে করতো। তার পরিবার বা দলের সমালোচনা বা বিরুদ্ধাচরণকে কামাল রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে মনে করতো। শেখ কামালের চরিত্রহীন আচরণ, গভীর রাতে রহস্যজনকভাবে মতিঝিল ব্যাংক পাড়ায় সঙ্গীসহ পুলিশের গুলি খেয়ে আহত হওয়া, ডাকসুর ব্যালট বাক্স ছিনতাই, প্রখ্যাত ফুটবল রেফারি ননী বসাককে ঘুসি মেরে রক্তাক্ত করা, প্রখ্যাত লেখক আহমদ ছফা কে মারধরের হুমকি ইত্যাদি অপকর্ম দেখেও মুজিব তাকে কখনো নিবৃত্ত করেনি। বরঞ্চ উল্টো প্রায়সময় প্রশ্রয় দিয়েছে, বাহবা দিয়েছে। মোশতাকের দলীয় পরিচয় ও মন্ত্রীসভার বিস্তারিত বিবরণ~ বাকশালের জনক শেখ মুজিবের হত্যার পর আ. লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এবং মুজিবের মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য খন্দকার মোশতাক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে

বিকাল পাঁচটায় ড. ইউনূসের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবেন জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা। সোমবার (১২ আগস্ট) বিকাল ৫টায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার এই তথ্য জানিয়েছেন। এছাড়া বিকাল ৪টায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীসহ দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

বিদেশে থাকা ৫ নেতার নির্দেশে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের
- অস্থিতিশীল করতে হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা - হাতিয়ার বানাতে চায় সংখ্যালঘুদের - সংখ্যালঘুদের বাড়ি উপাসনালয়ে হামলার নির্দেশ প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া পাঁচ নেতা হলেন: ১. সজীব ওয়াজেদ জয় ২. সালমান এফ রহমান ৩. হাসান মাহমুদ ৪. বাহাউদ্দীন নাসিম ৫. মাহবুবুল আলম হানিফ গোপনীয়তা রক্ষা করে ছদ্ম পরিচয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপধর্মবিষয়ক সম্পাদক 'আমীর হামজা'র সাথে কথা বলে জানা যায়, সারা দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে গোপনীয়তা রক্ষা করে হামলার নির্দেশ আছে বিদেশে পলাতক নেতাদের কাছ থেকে। আশ্বাসও আসছে বড় পুরস্কারের। রাজধানীর কাঁটাবন এলাকায় ভিন্ন পরিচয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আরেক নেতার কাছ থেকে জানা যায়, সংখ্যালঘুদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্রসমাজ ও বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে কাজ করছেন ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও যুবলীগের প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী। এ কাজের জন্য সংখ্যালঘু ও সুশীল সমাজের কিছু ব্যক্তির কাছে টাকা পৌঁছে দিতে জয়দেব নন্দীকে অর্থ দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: আব্দুর রাজ্জাক। আব্দুর রাজ্জাক ২০১২ সালে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার ধসে ১৩ জন নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত। তথ্য দাতা এ নেতা আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী। আওয়ামী লীগের এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত শুক্রবার ও শনিবার রাজধানীর শাহবাগে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দাবিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সহসভাপতি স্থপতি ইকবাল হাবিবের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ শাহবাগে জড়ো হয়। একটি বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, স্থপতি ইকবাল হাবিব আগামী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্ধারিত ছিলেন। এমনকি সারা দেশে সহিংসতা করতে যে হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা করা হয়েছে তার অর্ধেকটাই বরাদ্দ পেয়েছে বাপা। - দৈনিক নয়া দিগন্ত ১২ আগস্ট, ২০২৪

ঢাবিতে শাহবাগী সন্ত্রাসীদের কোন আস্ফালন মেনে নিচ্ছেনা সচেতন শিক্ষার্থীরা। এই চরম ইসলামবিদ্বেষী বাম দুর্বৃত্তদের সাথে গণহত্যাক
ঢাবিতে শাহবাগী সন্ত্রাসীদের কোন আস্ফালন মেনে নিচ্ছেনা সচেতন শিক্ষার্থীরা। এই চরম ইসলামবিদ্বেষী বাম দুর্বৃত্তদের সাথে গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামীলীগের কোন তফাৎ নেই।

আমি মতিঝিল আসতেছি, এমন সময় দেখলাম এক পুলিশ ভাই তার সহকর্মীদেরকে বলতেছে, “আজ থেকে আমরা কোনো বেআইনি কাজ করব না । আজ থেকে আমরা ক
আমি মতিঝিল আসতেছি, এমন সময় দেখলাম এক পুলিশ ভাই তার সহকর্মীদেরকে বলতেছে, “আজ থেকে আমরা কোনো বেআইনি কাজ করব না । আজ থেকে আমরা কোনো ঘুষ খাব না । মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করব না।” শুনে ভালো লাগল, তারাই বলল ভাই ছবি নিবেন? আমি বললাম, আপনাদের শপথ নেওয়াটা ভালো লাগল, তাই ছবি নিলাম । পুলিশ হোক জনতার। - রাহাদ

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট স্বৈরাচার শেখ মুজিবের দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর দুঃশাসনে যখন জাতি অতিষ্ঠ তখনই ঘটে পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের ঘটনা। ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাস কে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে উপস্থিত লেফট্যানেন্ট কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবদুর রশিদ, তারা দুইজনেই ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্টের অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল। তাদের মতে, "ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শেখ মুজিব দেশের স্বার্থের বিনিময়েও যেকোন ধরণের ক্ষতিকর কাজ করতে পারতো।" সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিবের দুঃশাসন সম্পর্কে ফার ইস্টার্ন ইকনোমিক রিভিউ পত্রিকায় ১৯৭৪ সালে লরেন্স লিফশুলতজ লেখেন, সে সময় বাংলাদেশে "দুর্নীতি ও অনাচার এবং জাতীয় সম্পদের লুণ্ঠন" বিগত সময়ের সকল দুর্নীতির সীমা অতিক্রম করেছিল। উল্লেখ্য, মুজিব হত্যার পর রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন শেখ মুজিবের সর্বশেষ মন্ত্রীসভার বাণিজ্য মন্ত্রী, বাকশালের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতা খন্দকার মোশতাক আহমেদ। যিনি মুজিব হত্যাকারীদের জাতির সূর্যসন্তান বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে যেভাবে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করার অপচেষ্টা করেছিল স্বৈরাচার হাসিনা নরসিংদীর রায়পুরায় উপজেলা পরিষদ নির
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে যেভাবে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করার অপচেষ্টা করেছিল স্বৈরাচার হাসিনা নরসিংদীর রায়পুরায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচারণায় যাওয়ার সময় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমন মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ২০২৪ সালের ২২ মে। বিভিন্ন পত্রিকা এই মর্মে শিরোনাম লিখছে 'নরসিংদীতে প্রার্থীকে পিটিয়ে হত্যা; ১৫ বছর পর বাবা হচ্ছিলেন সুমন মিয়া, দেখা হলো না অনাগত সন্তানের মুখ'। কিন্তু তখন কোন মিডিয়া এটা লিখতে সাহস করেনি যে, এই হত্যার নেপথ্য ব্যক্তির নাম ও পরিচয় কি। কারণ সুমন মিয়া হত্যার মাস্টার মাইন্ড হলেন তার প্রতিপক্ষ ফেরদৌস কামাল জুয়েল এবং জুয়েলের সহযোগী আবিদ হাসান রুবেল। আর এই ফেরদৌস কামাল জুয়েলের বড় ভাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদ্য সাবেক কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেঃ জেনারেল মুজিব। যিনি এর কিছু দিন আগে এসএসএফ (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স)'র মহাপরিচালক ছিলেন। শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর এই আওয়ামী দুর্বৃত্তকে সেনা সদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) থেকে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (আর্টডক) জিওসি করা হয়েছে। দেখেন ছবিতে, একটা রানিং শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা পরে আছেন মুজিব কোট!

এলাকায় এলাকায় এরকম কথিত সুশীলদের নজরে রাখুন।
এলাকায় এলাকায় এরকম কথিত সুশীলদের নজরে রাখুন।

photo content
+5

photo content
+9

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি গোপন রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে, যেখানে শেখ রেহানার ঘনিষ্ঠদের কোম্পানি EXPAT SERVICES-এর সঙ্গে বড় ধর
+2
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একটি গোপন রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে, যেখানে শেখ রেহানার ঘনিষ্ঠদের কোম্পানি EXPAT SERVICES-এর সঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই রিপোর্টটি গণভবনে পাওয়া ডকুমেন্টগুলোর মধ্যে একটি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেউ একজন এই রিপোর্টটি ডেপুটি হাই কমিশনার খোরশেদ খাস্তগীরের বিরুদ্ধে দাখিল করেছেন। খোরশেদ খাস্তগীর মালয়েশিয়ায় আসার পর থেকেই নানা বিতর্কে জড়িয়েছেন, যার মধ্যে মালয়েশিয়ান সরকারের অনুমোদন ছাড়াই Dotline-এর সাথে যুক্ত হয়ে "BanglaTiger Digital" “Chakrir Khuj” চালু করা অন্যতম। খাস্তগীরকে ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজ থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তার এবং তার পরিবারের ব্যাংক হিসাব তদন্তের কথাও উল্লেখ রয়েছে। খাস্তগীর ও সাবেক কাউন্সেলর জিএম রাসেল রানার মধ্যে সমন্বয়ে, হাই কমিশনের পরিবেশ খারাপ হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হাসিনা সরকারের পতন হলেও, খাস্তগীরের দাম্ভিকতা কমেনি, যার প্রমাণ মালয়েশিয়ায় আন্দোলনকারীদের পাসপোর্ট বাতিলের হুমকি সংক্রান্ত ফাঁস হওয়া তথ্য।

অভিশপ্ত মুজিব পরিবারকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার এই কালো আইন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। খুনি গণহত্যাকারীদের দ্রুততম সময়ে বিচার
অভিশপ্ত মুজিব পরিবারকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার এই কালো আইন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। খুনি গণহত্যাকারীদের দ্রুততম সময়ে বিচারের জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। আজ-কালের মধ্যেই সারাদেশে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে পলাতক আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আটক করতে হবে।

দেখে দেখে জ্বলার দিন শুরু। মারা গেলে কিন্তু এইগুলো দেখতে পারতো না।
দেখে দেখে জ্বলার দিন শুরু। মারা গেলে কিন্তু এইগুলো দেখতে পারতো না।

প্রথমে ওরা ফিরে এলো:- তুমি কে আমি কে? বাঙালি, বাঙালি। তারপর ফিরে এলো:কোটার পক্ষে ছিলাম কিন্তু এখন যেটা চাচ্ছেন সেটার পক্ষে নেই। তারপর ফিরে এলো:জায়গায় জায়গায় খবর দে এক দফার কবর দে। তারপর ফিরে এলো:তোরা যদি রাজাকার হস,আমরা হব গেরিলা হয়ে। তারপর ওরা ফিরে এলো:-এমন স্বাধীনতাই কি আমরা চেয়েছিলাম? তারপর ওরা ফেরত এলো:-ডাকাত হয়ে। এরপর আজকে ওরা ফেরত এলো:- হিন্দু হয়ে। কালকে কি হয়ে ফিরবে মতামত দিন আপনাদের?