fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 319 مشترک است و جایگاه 7 895 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 063 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 319 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 30 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 60 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -1 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 14.01% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.87% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 587 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 665 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 35 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 31 اوت, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 319
مشترکین
-124 ساعت
+47 روز
+6030 روز
آرشیو پست ها
photo content

গ*ণতন্তেএর রাজনীতির একটা কমন প্যাটার্ন হলো, কোনো কিছু আদায় করতে হলে মাঠ গরম করতে হয়, এবং মাঠের সে গরম গরমকে দিয়ে সুচতুর রাজনীতিবিদরা দলীয় ও ব্যক্তি স্বার্থ আদায় করে নেয়। এটা সবদলই করে, এবং এটা করতেই হয়। . কিন্তু আমাদের কিছু ইসলামপন্থী ভাইরা, যারা একটু রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় কথা বলতে পারেন, তারা নিজেকে রাষ্ট্রের কাছে সৎ প্রমাণ করতে মাঠ পর্যায়ের এই গরমকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন। তাদেরকে আমি রাজনৈতিক দৃষ্টিতে নিরেট মুর্খ ভাবি। তাদের হয়তো অনেক পড়াশোনা আছে, কিন্তু মডার্ন এই দুনিয়ার বৈশ্বিক রাজনীতির প্রয়োগে বাচ্চা শিশুই মনে হয় এদের। আপাতত আর গভীরে যাচ্ছি না৷

photo content

ইলিয়াস শাহ-ই প্রথম সুলতান যার শাসনামল থেকে বাঙালি একটি জাতিসত্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। সামগ্রিক অর্থেও, বাংলা নামকরণে মুসলিম সুলতানদের অবদানই অনস্বীকার্য। -ড. আবু নোমান সুলতানি আমলে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা পৃ. ৩৭, প্রকাশকাল ২০২৪ ইং . চিন্তাকরেন, শাহবাগী হারামীগুলো কতবড় পদধারী গুন্ডা! এই বাংলার আবেগ দিয়ে মুসলিমদের কত হেনস্তা করে এগুলো! অথচ...

রাখালকে ক্ষমা করা হবে কি না, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তাকে বাংলার মুসলমানদের শিক্ষাসিলেবাসের সংশোধনীর মত গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কোনোভাবেই থাকতে দেয়া যাবে না। তাকে চিরস্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। . এই বহিষ্কারের পরই তার ক্ষমা বিষয়ক আলোচনা হবে। এর আগে ক্ষমা সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনা সম্পূর্ণ অনর্থক।

একটা কথা সাফ মনে রাখতে হবে সবার, লিবারেল আর সেকুলার এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করে আল্লাহ ও তার রাসুলের ইজ্জত রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার হলো এই সব বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরন। . ইংরেজদের আমল থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বস্থানে রাসুলের ইজ্জতের বিষয়ে মুসলমানদের অনমনীয় আচরণই কেবল আয়িম্মাতুল কু*ফ*রকে বাধা দিয়ে রেখেছে। নাহলে লিবা*রেলি*জমের কু*ফ*র চর্চার আড়ালে বাকস্বাধীনতার নামে নাটক, সিনেমা, গল্প, উপন্যাস, কার্টুন ইত্যাদিতে আল্লাহ ও তার রাসুলকে শয়তানের দোষররা কী জঘন্য চিত্রায়ণ যে করতো, তা আল্লাহই ভালো জানে! . সুতরাং, রাষ্ট্রের কী হলো, দেশকে কে নিয়ে গেলো, কোন দেশের আর্মি বাংলাদেশে আক্রমণ করে বসলো তা নিয়ে সামান্য ভাবার সময় আমাদের নাই। আমাদের একটাই কথা, আল্লাহ ও তার রাসুলকে নিয়ে তাদের শানের বিপরীত একটি টু-শব্দও এই পৃথিবীর কোথাও উচ্চারণ কেউ করতে পারবে না। কেউ করলে তার একমাত্র শাস্ত্রি মৃত্যুদণ্ড! হয়, কর্তৃপক্ষ বাস্তবায়ন করবে, অন্যথায় মুসলমানরা নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে নিবে৷ . তাই, দেশের কথিত শান্তি ঠিক রাখতে হলে, যে বা যারা আল্লাহ ও তার রাসুলের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কোনো কথা বা কাজ করবে তাদের শাস্তি বাস্তবায়ন করুন।

স্পষ্ট। কোনো অস্পষ্টতা নেই। আগামীকাল ঈমানের দাবী থেকে উপস্থিত হবো সবাই বাইতুল মুকাররম ইনশাআল্লাহ।

আগামীকাল ইনশাআল্লাহ। এসকল দাবী দাওয়াতে আপনারা বিশ্বাসী? -না, এগুলোতে মৌলিকভাবে আমরা বিশ্বাসী না। আমরা ভিন্নকিছুতে বিশ্বাসী। এ
আগামীকাল ইনশাআল্লাহ। এসকল দাবী দাওয়াতে আপনারা বিশ্বাসী? -না, এগুলোতে মৌলিকভাবে আমরা বিশ্বাসী না। আমরা ভিন্নকিছুতে বিশ্বাসী। এগুলো কোনো ফল বয়ে আনবে? -ফল দ্বারা কী উদ্দেশ্য সেটা ঠিক করতে হবে প্রথমে। আজকে বাংলাদেশে যুবসমাজের যে উত্থান তা কিন্তু ১৩-এর পরে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবমাননার ইস্যুতেই হয়েছিলো। সুতরাং....

যাদের জীবনে কোনো হাসি নাই।

শাসক নির্বাচনের তুরাসি একটি ধারা . বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচয়ে যাওয়ার আগে ভূমিকায় লেখকদ্বয় সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা প্রথমে সংক্ষেপে বলে নেই। ১। মাওলানা মুশাররফ বেগ আশরাফ। কম্পিউটার সাইন্সে মাষ্টার্স করা এই মাওলানা বর্তমানে পাকিস্তানের একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে উলুমে শরয়িয়্যাহতে অধ্যাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। সাথে দর্শন ও ইসলামি আকিদা বিষয়ে ইসলামাবাদ ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছেন। ২। যাহেদ সিদ্দিক মোঘল যাহেদ সিদ্দিক মোঘল দ্বীনি মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। অর্থনীতিতে পিএইচডি করা যাহেদ সিদ্দিক মোঘল বর্তমানে কর্মরত আছেন ইসলামাবাদের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজিতে এসোসিয়েট প্রফেসরের দায়িত্বে। . এই দুজন লেখকের সমন্বিত কাজ হলো এই বইটি। . গণ*তন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতারা জনগণ ছাড়া শাসক নির্বাচনের আর যত পদ্ধতি আছে সবগুলোর বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার পৃথিবীব্যাপি চালিয়েছে যে, শাসক নির্বাচনের একমাত্র বৈধ ও যুক্তিসঙ্গত পদ্ধতি কেবল ভুখণ্ডের সকল মানুষ মিলে ভোটের মাধ্যমে শাসক নির্বাচন করবে। শাসক কর্তৃক অপর শাসক নিয়োগের পদ্ধতিকে এমন ঘৃণিতরূপে হাজির করা হয়েছে যে, এর মত জঘন্য কাজ আর জুলুম দ্বিতীয়টি হতে পারে না! এই অপপ্রচারে প্রচুর পরিমান বিভ্রান্ত হয়েছেন উপমহাদেশে মাওলানা মওদুদিসহ আরো অসং্খ্য মানুষ। অথচ আমাদের যত তুরাসের কিতাব আছে, সালাফের যত ফিকহি আলোচনা আছে, তার প্রায় সবটিতেই দেখা যায়, একজন মুসলিম শাসক তার পরবর্তীতে উম্মাহের জন্য কল্যাণকামী ও সকল শর্ত পাওয়া যায় এমন শাসক নিয়োগ দিতে পারবেন এবং উম্মাহের উপর তাকে মান্য করা ওয়াজিবও হবে। ইসলামি শরীয়তে এই বিষয়টিকে বলা হয় ইসতিখলাফ বা ওলিয়ে আহদ। . গণতন্ত্রকে ভালো মেনে নিয়ে সে সকল।আলেমরা সিয়াসাত বিষয়ক কিতাব ধরেছেন তাদের প্রায় অধিকাংশই এই মাসআলাকে হয়তো ইসলামই সিয়াসাতে স্বীকৃতিই দেয়নি অথবা যে কজন স্বীকৃতি দিয়েছেন তারা এর সাথে এমন কিছু উদ্ভট শর্ত আরোপ করেছেন যার সাথে ফিকহের কিতাবের কোনো সম্পর্কই নেই! . সালাফদের এমন একজনও পাওয়া যাবে না, যারা এই মাসআলাকে নাজায়েয বলেছেন। বরং অসং্খ্য সালাফের এমন ইবারত পাওয়া যাবে যে, ইসতিখলাফ হলো শাসক নির্বাচনের অন্যতম উত্তম পদ্ধতি! যে বিষয়টিকে সালাফরা এভাবে পেশ করেছেন আজ সে বিষয়টিকেও গণ তন্ত্র মনা কিছু মানুষ অনেকটা মুছে দিতেই চাচ্ছে! এরা তুরাস তুরাস করে দুনিয়া চিল্লাফাল্লা করলেও আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার সাথে সাঙ্গর্ষিক বিষয়গুলোতে এদের আর খুজে পাওয়া যায় না! . যাইহোক, ড. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল ও মাওলানা মুশাররফ বেগ সাহেব এই বিষয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরে কলম ধরেছেন এবং চারো মাজহাবের আলোকে এই মাসআলার পূর্ণ হক আদায় করেছেন। . ইমাম আশআরি রহিমাহুল্লাহের বক্তব্য, একজন আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের মাধ্যমেই শাসক নিয়োগ হয়ে যাবে, এই মাসআলাটা যখন কিতাবে পড়তাম অদ্ভুত লাগতো কিছু। কিন্তু এই মাসআলার গোড়া যে এত শক্ত তা এই বইতে এত চমৎকার উপস্থাপন করা হয়েছে যে, বেশ অবাক হলাম! আমাদের ফকিহদের চিন্তা কত গভির! . বইটিতে ইসতিখলাফের মাসআলা ছাড়াও আহলুল হাল্লি ওয়াল আকদের মাসআলাও আলোচনা চলে এসেছে বেশ সুন্দর করে। . তবে সবেচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে ও লেখকদ্বয়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো একটি মাসআলায়, আর তা হলো, শাসক ও জনগনের মাঝের সম্পর্ক কী হবে এই আলোচনাটি। গ ণ ত ন্ত্র ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আবশ্যকীয় বিধানকে বর্তমান সময়ে ইসলামিকরণের সবচেয়ে বড় যে হাতিয়ার, এবং যে হাতিয়ার দিয়ে গণতান্ত্রিক নির্বাচনকে জায়েয করা হয় খুব জোরেশোরে, তার মধ্যে একটি হলো শাসক আর জনগনের মাঝে যে চুক্তি হয় তা হলো, আকদে তাওকিল অর্থাৎ, শাসক হলো জনগনের পক্ষ থেকে ওকিল। আর এটা মেনে নিলে অসং্খ্য মাসআলা অটোমেটিক গ ণ ত ন্ত্রের ছাছে তৈরি করা সম্ভব। (এই মাসআলায় বহু মুখলিস আলেমরাও হোচট খেয়েছেন, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন।) লেখকদ্বয় এখানে ফিকহের বক্তব্যের আলোকে এটাকে বেশ শক্তিশালীভাবে স্পষ্ট করেছেন যে, ইসলামি শরীআর দৃষ্টিতে শাসক ও জনগনের যে আকদ হয় তা মূলত ‘আকদে বিলায়াত’ অর্থাৎ, জনগন তাদের জীবনকে কুরআন সুন্নাহের আলোকে পরিচালনা করার জন্য শাসককে নিজের অবিভাবক হিসেবে মেনে নিয়েছে, সুতরাং এখন তাদের কাজ হলো শাসকের চূড়ান্ত আনুগত্য করে যাওয়া, যতক্ষণ না শাসক আল্লাহ ও তার রাসুলের আইনের খেলাফ কিছু করে। এই একটি মাসআলা গণতন্ত্রকামীদের পুরো কোমর ভেঙ্গে দিতে সক্ষম। . যাইহোক, যারা ইসলামি সিয়াসাতকে ইসলামের জায়গা থেকে বিস্তর পড়তে চান তাদের জন্য অবশ্যই পাঠ্য এই বইটি।

انعقاد خلافت اور ولی عہدی.pdf27.90 MB

কাফেরদেরকে সম্মান প্রদর্শন করার বিধা ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ হলো শ্রদ্ধা-ভক্তি প্রদর্শন করা। কারও প্রতি ভালোবাসা
কাফেরদেরকে সম্মান প্রদর্শন করার বিধা ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম বহিঃপ্রকাশ হলো শ্রদ্ধা-ভক্তি প্রদর্শন করা। কারও প্রতি ভালোবাসা যখন হৃদয়ে প্রোথিত হয়ে যায়, তখন তার প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি বাড়তে থাকে, যে ভক্তি-শ্রদ্ধার উৎস হলো ভালোবাসা ও অগাধ আস্থা। পাশাপাশি ভক্তি- শ্রদ্ধার কারণে ভালোবাসায় আরও শক্তি সঞ্চারিত হয়। আর এক-দুজনের মাঝে এ জাতীয় শ্রদ্ধা-ভক্তির সম্পর্ক দেখে অন্য মুসলমানরাও কাফেরদের প্রতি ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার কারণে ইসলামের দৃষ্টিতে কাফেরকে সম্মান প্রদর্শন করাও মৌলিকভাবে নাজায়েজ। আল্লামা ইবনে নুজাইম রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন, ولا يبدأ الذي بسلام إلا لحاجة ولا يزاد في الجواب على وعليك، وتكره مصافحته، ويحرم تعظيمه الأشباه والنظائر ص ٠٨٢، الفن الثالث، أحكام الذمي) জিম্মিকে আগে সালাম দেবে না এবং সে সালাম দিলে উত্তরের ক্ষেত্রে শুধু 'ওয়া আলাইকা' (অর্থাৎ, তোমার প্রতিও অনুরূপ) এতটুকুর বেশি বলবে না। তবে জরুরত হলে আগে সালাম দিতে পারবে। তার সাথে মুসাফাহা করা মাকরুহ। আর তাকে শ্রদ্ধা জানানো হারাম। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

আওয়ামী আর বিএনপির একেকটা ভূমিদস্যুদের সামনে রেখে হাজার হাজার ওলামা-তলাবার সামনে মাথার তাজ ওলামায়ে কেরাম দেদারসে প্রশংসা করে যায়, ‘ব্যক্তিগতভাবে উনাকে আমি জানি, উনি ভালো মানুষ’ বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে তখন মনে চায় মাথা আর মাথার তাজ দুটোই কেটে ফেলি! . আমার ছাত্র জামানার সবচেয়ে কষ্টকর আর একজন তালেবে ইলম হিসেবে লাঞ্চনাদায়ক সময় ছিলো হাইয়া বোর্ডের মুলা ধরানো স্বীকৃতির পর হাদিসের মসনদে বসে ‘গাইরাতবান’ আলেমদের আপার ও আওয়ামীলীগের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ার দিনগুলো! . দুঃখের কথাগুলো এজন্য স্মরণ হচ্ছে, এই তো আর কিছুদিন, ‘মাথার তাজ’ কিছু মানুষের শুরু হবে বিএনপির তোষামোদি আর ফাজায়েল বলা! . এই উম্মতের সবচেয়ে বড় পরিক্ষা হলো উম্মতের আলেমদের এমন ভয়ংকর পরিণতি! হাইয়ার মুলো ধরানো স্বীকৃতির পর সেদিনের সময়গুলো আমার জন্য কতটা কষ্টের ছিলো তা কখনো আমি বুঝাতে পারবো না! কার সাথে আওয়ামী অমুক আর তমুকের সাথে সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি, দরসে বড় বড় কিছু মানুষদের চলতো সেগুলো বর্ণনার প্রতিযোগিতা! এদের বড় একটি অংশই আগামীর দিনে বিএনপির ব্যাপারে সে কাজগুলোই করবে, আর আমরা চুপচাপ তা দেখে যাবো! সেই চিহ্নিত লোকগুলোই দরসের মসনদ থেকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, সব দখল করে রাখবে! আর আমাদের বদ কিসমতি হলো আমাদের এই লোকদের নেতৃত্বে থাকতে হবে!

যাদের মানসিক অবস্থা শক্তিশালী তারাই পড়েন। বাকিরা এড়িয়ে যান। https://www.facebook.com/share/p/1AFfEdYWo6/

শাতেমে রাসুল বিষয়ে এই লেখাটি পড়তে পারেন। এরপর আপনারা যা ভালো মনে করুন, দেখুন। https://t.me/abdullahbinbashir/283

বই মেলা চলতেছে, আমার যে একটা অনূদিত বই বাজারে আছে, ভুলেই গেছি অনেকটা! বইটা কী পড়েছেন আপনারা? আপাতত বইমেলার কোনো স্টলে পাবেন ন
বই মেলা চলতেছে, আমার যে একটা অনূদিত বই বাজারে আছে, ভুলেই গেছি অনেকটা! বইটা কী পড়েছেন আপনারা? আপাতত বইমেলার কোনো স্টলে পাবেন না, তবে যেকোনো অনলাইন শপে পেয়ে যাবেন।

ইমাম জাসসাসের ইবারত। এখানে আরেকটা বিষয় লক্ষনীয়, ইমাম আবু হানীফার একটা মাওকিফ জাসসাস রহিমাহুল্লাহ এনেছেন, কারো থেকে যদি কুফর প
+1
ইমাম জাসসাসের ইবারত। এখানে আরেকটা বিষয় লক্ষনীয়, ইমাম আবু হানীফার একটা মাওকিফ জাসসাস রহিমাহুল্লাহ এনেছেন, কারো থেকে যদি কুফর প্রকাশের সাথে যমীনে ফিতনা সৃষ্টি হয় এমন অন্যায়ও প্রকাশ হয় তাহলে এমন মু র তা দের তাওবা কবুল হবে না। এনসের আলোকে বর্তমান সময়ের বিভিন্ন শাতেম ও মুর তা দ গুলোর বিধান কী হবে বলে মনে হয়?

কারামাতিয়াসহ ইমাম জাসসাসের সময়তে যি*ন*দি*কদের ফিতনা যেমন একদিকে মাথাচারা দিয়ে উঠে, অন্যদিকে মুসলিম শাসকদের দ্বীনের ব্যাপারে গাফলতি দেখা যায়, সাথে রাজনৈতিকভাবে যি*ন*দিকরা বেশ শক্তিশালী হয়ে যাওয়া—বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে সেখানে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে ফেলে!, এতসব পরিস্থিতিতে যি*ন*দিকদের ব্যাপারে ইসলামের যে বিধান সেটা বাস্তবায়ন হচ্ছিলো না, এমন পরিবেশে জাসসাস রহিমাহুল্লাহ লেখেন, //কারামাতিয়াসহ আরো অন্যান্য যে মু*ল*হি*দের জামাত রয়েছে এদের ব্যাপারে আমাদের মাজহাবের ইমামদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য নেই। কেননা এই ফিরকাগুলোর আবির্ভাব উনাদের সময়ের পরে হয়েছে। তাই আমি এদের ব্যাপারে ইসলামের হুকুম স্পষ্ট করতে চাচ্ছি, যাতে ভবিষ্যতে মুসলমানদের এমন শাসক আসবে যার দ্বীনি গাইরাত থাকবে এবং এদের উপর আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করবেন কারণ, এই মুল*হি*দদের এই খেলতামাশা ও দ্বীনকে মুছে ফেলার প্রচেষ্ঠা করছে। যদিও আমাদের এই যুগে এমন শাসকের অস্তিত্ব বেশ দূরবর্তী! আল্লাহই তার দ্বীনের অবিভাবক ও শরীয়তের সাহায্যকারী।//-শরহে মুখতাসারুত তহাবী ৭/৪৩ . আমি যা বুঝলাম, নব্য ইলহাফি ফিতনার ব্যাপারে সালাফদের বক্তব্য না থাকলে চুপ করে বসে থাকা সময়ের আলেমদের কাজ নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহের আলোকে এইসকল ফিতনার ব্যাপারে স্পষ্ট করে বিধানগুলো বকে যাওয়া। বিধান বলার ক্ষেত্রে, বর্তমান সময়ে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব কি না, এতসব চিন্তা করে আসলে লাভ নেই। বরং আমার কাজ দ্বীনকে রক্ষার তাগিদে স্পষ্ট বিধান বলে যাওয়া৷ যেনো দ্বীনের বিধান সংরক্ষিত থাকে, যাতে ইসলাম যখনই বিজয়ী হবে, গাইরাতবান মুসলিম শাসক যখনই আসবে, দ্বীনের বিধান তার সামনে স্পষ্ট থাকে, এবং সে অনুযায়ী সে বাস্তবায়ন করতে পারে।

বৈশ্বিক রাজনীতি সংক্রান্ত সিরিজ আলোচনা . ১ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1B8ZFAEyu4/ . ২য় পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1BCHmY7bmh/ . ৩য় পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/18aGxJaC1j/ . ৪র্থ পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1AhrqiZEo5/ . ৫ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1A1JfQibPT/ . ৬ষ্ঠ পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1BAtuevA1h/ . ৭ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/15VeKjv3qv/ . ৮ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/19kLDzKrmq/ . ৯ম পর্ব- https://www.facebook.com/share/p/1Y6qBTFLqs/

রমাদানে প্রবেশ করানোর আগেই আল্লাহ তার বান্দাকে গুনাহ থেকে পবিত্র করে রমাদানে প্রবেশ করাবে, হয়তো এমনই এক গায়েবি ইন্তেজাম হলো লাইলানুম নিন নিসফি শাবান বা শবহে বরাআত। . তাই আজকের রাতে নিজের অতিতের গুনাহের জন্য তাওবা করে রমাদানের আগ পর্যন্ত নিজেকে সকল গুনাহ থেকে মুক্ত রাখবো, এই হিম্মত করি। ইনশাআল্লাহ, দেখবেন, এবার এক ভিন্ন রমাদান কাটাতে পারবো আমরা সকলে।