ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 301 مشتركاً، محتلاً المرتبة 8 130 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 026 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 301 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 25 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 77، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -2، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 19.07‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 8.07‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 155 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 912 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 46.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 26 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 301
المشتركون
-224 ساعات
+227 أيام
+7730 أيام
أرشيف المشاركات
আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমরা আমাদের দেশে চাই না। -আন্দলবুর রহমান পার্থ (এই ভ্যালিট প্রশ্নগুলো সমস্ত স্তর থেকে উঠা উচিত। তবে বাস্তবতা হলো একমাত্র ইসলামি শাসনই পারবে এই আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এদেশের ভুখণ্ড থেকে উৎখাত করতে)

Repost from Al Firdaws
সম্প্রতি কুয়েত সফরকালে 'গুজরাটের কসাই' খ্যাত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা দিয়েছে কুয়েত সর
সম্প্রতি কুয়েত সফরকালে 'গুজরাটের কসাই' খ্যাত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা দিয়েছে কুয়েত সরকার। রবিবার ( ২২ ডিসেম্বর) তাকে মোবারক আল কাবির বা মুবারক দ্য গ্ৰেট উপাধি দেয়। রোববার (২২ ডিসেম্বর) কুয়েতের আমির মেশাল আল আহমেদ আল জাবির এই সম্মাননা প্রদান করে। ওইসময় কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলো। এই সফরকালে কুয়েতের বয়ান প্যালেসে হিন্দুত্ববাদী এই প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অভ্যার্থনা জানানো হয়। গত ৪৩ বছরে প্রথমবারের মতো কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী কুয়েত সফর করলো।

ওয়াহ মোল্লা ওমর ওয়াহ! আল্লাহ আপনার কবরকে নূর আর নূর দিয়ে ভরিয়ে দিক। . ইসলামি শাসনব্যবস্থার মৌলিক একটি বিধান হলো, দারুল ইসলামে
ওয়াহ মোল্লা ওমর ওয়াহ! আল্লাহ আপনার কবরকে নূর আর নূর দিয়ে ভরিয়ে দিক। . ইসলামি শাসনব্যবস্থার মৌলিক একটি বিধান হলো, দারুল ইসলামে মুসলিম ও অমুসলিমদের মাঝে পোশাকে পার্থক্য রাখা। যাতে মুসলিম-অমুসলিমদের যে আলাদা বিধান রয়েছে তা তাদের উপর প্রয়োগ করা যায়। মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ ২০০১ সালে আফগানিস্তানে ইসলামের এই বিধানটি বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরে তা আর সম্ভব হয়নি। কারণ বৈশ্বিক তাগুতরা এর আগেই আফগানে আক্রমণ করে বসে। .

মিশরীয় ইসলামী চিন্তাবিদ ডক্টর মুহাম্মাদ ইমারাহ বলেন- এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত একজন সেক্যুলার আলোচক আমাকে সম্বোধন করে তির্যক ভাষায় বললেন- ডক্টর মুহম্মাদ! আপনার লেখাজোকা থেকে আমি কি এই খোলাসায় পৌঁছাতে পারি— আপনি ইসলামী শরী'আহ বাস্তবায়নের নামে আমাদের ‘বহুযুগ পেছনে’ নিয়ে যেতে চান? উত্তরে আমি উৎসাহ নিয়ে বললাম- জনাব, আপনি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে কি ১০০শ বছর পেছনের কথা বলছেন— যখন সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ অর্ধ-পৃথিবী শাসন করতেন? নাকি সে সময়ের কথা বলছেন, যখন ইউরোপের রাজা-মহারাজারা উসমানি খলিফার ফরমান নিয়ে নিজেদের দেশ শাসন করতেন? নাকি আপনি মামলুক সুলতানদের শাসনামলের কথা বলছেন— যারা পুরো মানববিশ্বকে মুঘল ও তাতারি হিংস্রতা থেকে রক্ষা করেছিলেন? নাকি আব্বাসি খলিফা হারুনুর রশিদের শাসনামলের কথা বলছেন, যিনি রোমান সম্রাট নাকপুরকে প্রজাদের সাথে অমানবিক নিষ্ঠুর আচরনের প্রতিবাদে লিখেছেন— ‌‌‘আমিরুল মুমিনিন হারুনুর রশিদের পক্ষ থেকে রোমান কুকুর নাকপুরের প্রতি’? নাকি আরেকটু পেছনের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন আবদুর রহমান আদ-দাখিলের বিশাল সৈন্যবাহিনী ইতালি ও ফ্রান্স অবরোধ করে রেখেছিলেন? এসব তো রাজনৈতিক ‘বহুযুগ পেছনে’র কথা বললাম, আর যদি জ্ঞানের জগতের কথা বলেন, তাহলে আপনার কাছে সবিনয়ে জানতে চাইব— আপনি কি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন— যখন ফারাবি, ইবনে জুবাইর, খাওয়ারেজমি, ইবনে রাশিদ, ইবনে খলদুনরা বিশ্ববাসীকে চিকিৎসা-বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান, ভূগোল ও জোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদির শিক্ষা দিতেন? নাকি আপনি ‘বহুযুগ পেছনে‘ বলে— সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন মুসলিম স্পেনের অধিবাসীরা পৃথিবীর বুকে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যাদের শিক্ষা-সমাপ্তির ট্রাডিশন ( convocation) আজও ‘সভ্য!’ পৃথিবী ধারণ করে আছে। দুনিয়ার সকল পরবর্তী প্রতিষ্ঠান সেইসব মাদরাসাতুল উলুম আল- জামেয়ার অনুকরণীয় রুপ! আপনি কী দয়া করে বলবেন, কেন এখনো গ্রাজুয়েশন সংবর্ধনা-অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ‘স্কোয়ার অ্যাকাডেমিক হ্যাট’ পরে থাকে? কারণ মুসলিম স্পেনের শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশনের সময় এই হ্যাটের ওপরের অংশে পবিত্র কোরআন রাখতেন! এভাবেই "শিক্ষার জন্য এসো সেবার ব্রত নিয়ে বেরিয়ে যাবার" শপথ নিতেন! আপনি একজন মিশরীয়; আচ্ছা আমাকে বলুন তো— আপনি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে কি সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন কায়রো ছিল পৃথিবীর সুন্দরতম ও মনোরম নগরী? নাকি সে সময়ের কথা বললেন, যখন একটি ইরাকি দিনারের মূল্যমান ছিল ৪৮৩ ডলার? কিংবা সে সময়ের কথা বললেন, যখন ইউরোপ থেকে পলাতক জ্ঞানীরা মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে আশ্রয় নিতেন? নাকি বহুদূর পিছিয়ে নেয়ার জন্য তখনকার কথা বললেন, যখন আমেরিকা মিশরের কাছে অনুরোধের দরখাস্ত নিয়ে এসেছিল— অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা ইউরোপীয়দের জীবনহন্তুক দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা করতে? অনুগ্রহপূর্বক, আমাকে একটু জানাবেন— ইসলামি শরীয়াহ বাস্তবায়িত থাকা যুগের ঠিক কতটুকু পেছনে গেলে আপনি খুশি হবেন? আপনার সেই উত্তর জানার অপেক্ষায় থাকলাম আমি! মুর্খ কথিত সেক্যুলার তখন ‘অসহায় চোখে’ মুসলিম মনীষীর মুখের দিতে চেয়ে রইলেন। অপলক নেত্রে। তাকিয়েই থাকলেন! সংগৃহীত।

অভিশপ্ত ইহুদিরা এভাবেই "গাজা"-তে তোমার ভাইদের "দুর্দশা" নিয়ে উপহাস করে। আবার এই একই লোকেরা বলে,সিরিয়াতে "সন্ত্রাসিদের" নিয়ন্ত
অভিশপ্ত ইহুদিরা এভাবেই "গাজা"-তে তোমার ভাইদের "দুর্দশা" নিয়ে উপহাস করে। আবার এই একই লোকেরা বলে,সিরিয়াতে "সন্ত্রাসিদের" নিয়ন্ত্রণের পর আমরা "নারীদের" অবস্থা এবং "মানবাধিকারের" বিষয়ে উদ্বিগ্ন। আল্লাহর লানত তোদের ওপর,হে অভিশপ্তরা! একটি আরবী চ্যালেন থেকে অনুবাদ: মাওলানা ফাদলুল্লাহ জাবের

সিরিয়ার নতুন সরকার!
সিরিয়ার নতুন সরকার!

সৌদি ভিত্তিক মিডিয়া 'আলআরাবিয়্যাতে' কিছুদিন আগে খারেজি দায়েশের হাতে শহিদ হওয়া খলিলুর রহমান হক্কানির শাহাদাত নিয়ে বিশেষ সাক্ষাতকার দেন তার ভাতিজা আনাস হক্কানী। সাক্ষাতটি খলিল হক্কানির ব্যক্তিত্বের দিকটি খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। বিশেষত, তার সাধামাটা জীবন ও রহমদিলের বিষয়টি। তালেবানদের পরষ্পরের মাঝে মতানৈক্য আছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে আনাস হক্কানী 'ইখতিলাফ' ও 'খিলাফ' সংক্রান্ত শাস্ত্রীয় যে ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছে তা শুনে দিল ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। মাশাআল্লাহ, আল্লাহ এদেরকে শক্তিশালী করুক এবং উম্মাহের সাহায্য দ্রুত এগিয়ে আসার তাওফিক দান করুন। আমীন।

কুয়েতের হাম্বলি মাজহাবের বিশিষ্ট আলেম ড. মুতলাক আল জাসির হাফিজাহুল্লাহ সিরিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশেষত, সেখানের সেকুলার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। যারা আরবী বুঝেন শুনতে পারেন।

হাঁ, সিরিয়া আর আফগানিস্তান এক নয়। উভয়ের মাঝে কোনো তুলনাই চলে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করেছে এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্র তালেবানদের জন্য রেখে গিয়েছে (যেতে বাধ্য হয়েছে) এতে তালেবান একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়তে সহযোগিতা পেয়েছে। আর সিরিয়ায় যখন নুসাইরি গোষ্ঠী উৎখাত হলো তখন ইজরাইল তাদের সেনা মোতায়েন ও দখল বাড়াতে শুরু করে এবং একের পর এক ৬০০টিরও বেশি স্থাপনা, গুদাম, বিমানবন্দর এবং নৌঘাঁটি ধ্বংস করে, তাদের দেশীয় নিরাপত্তা রক্ষার নামে সিরীয়দের বিরুদ্ধে একটি ধ্বংসাত্মক অভিযান শুরু করে। সুতরাং এতটুকু আপনাকে শামের ভবিষ্যত সম্পর্কে একটি ধারণা দেয় যে, তারা শামের জন্য কী ভবিষ্যত তৈরি করতে চায়, সুতরাং আশা-ভরসার সীমা বাড়াবেন না, প্রস্তুতি নিন, অধিকার পুনরুদ্ধার করুন, অন্যায়গুলো দূর করুন, এবং জনগণকে সশস্ত্র করুন, কারণ আমি আপনাদের একজন বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা। -সিরিয়ান সাংবাদিক খলিল মিকদাদ

জুলানীর কিছু প্রদক্ষেপ অবশ্যই যথেষ্ট সন্দেহের উদ্গ্রীব তবে তার ব্যাপারে এখনোই চূড়ান্ত কিছু বলা বা সরলীকরণকে পছন্দ করি না। যুদ্ধের সাহায্য হিসেবে তুর্কী থেকে সাহায্য নেওয়া ভালো সিন্ধান্ত হলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় তুর্কীকে বিশ্বাস করা হবে হাজারো-লাখো শহিদের সাথে গাদ্দারী করা। বাকি, এখনো চূরান্ত সিন্ধান্ত মূলক একটা অবস্থান না নিয়ে বিষয়গুলো আরো গভিরভাবে দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

একজন আলেমের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় আপত্তি হলো উনি দাওলার সমর্থক। এবং এই আপত্তি একদম অনর্থকও নয়। তার আশপাশে ভিড়তে থাকা অধিকাংশ ছেলেগুলো দায়েশ ভক্ত, তার সবচেয়ে কাছের একজন মাদরাসা পড়ুয়া দায়েশের দায়ী, এবং সে তালেবে ইলম উনার সহকারী লেখকও! তার কাছে গেলে কিছুদিনের মাথায় দায়েশের প্রতি একটা সফট ভাব ও তালেব ও অন্যান্য জিহাদি জামাতের ব্যাপারে আপত্তি ইশকালের তুফান শুরু হয়ে যায়। এই যখন অবস্থা, তখন তার কাছে এই বিষয়ে বারবার স্পষ্ট করতে বলা হলে, সে শুধু ঘুরিয়ে পেছিয়ে উত্তর দেয়, অস্পষ্ট উত্তর দেয় এবং যারা তার ব্যাপারে সন্দেহ করে, তার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার আগে তার কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকলে বা রাখলে তিনি সেটাকে কুরআনে বর্ণিত কাফেররা মুসলিমদেরকে দীন পালনে বাঁধা দেওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধমকির সাথে তুলনা করে! ওজাহাতের নামে উনি বারবার ভিডিও দেয়, লেখা দেয়, কিন্তু মূল বিষয়টি কখনোই স্পষ্ট করে না! এদিকে দায়েশের ব্যাপারে অন্যতম আপত্তিই হলো তারা তাকিয়াবাজ! তারা শীয়াদের মত নিজেদের অবস্থান গোপন করে মানুষের মাঝে খারেজিয়াত চর্চা করে। বিষয়গুলো খুবই ভয়ংকর! আমরা কারো ভিজা কথায় কান দিবোনা, সতর্ক থাকবো, জিহাদের শীরোনামে যেনো কেউ আমাদের খারেজিয়াতের দিকে নিয়ে যেতে না পারে।

সমতার যুদ্ধ একটি দিবাস্বপ্নমাত্র মাওলানা যুবায়ের হোসাইন সমতার ভিত্তিতে ও সমতার বিচারে কখনো যুদ্ধ হয় না। পৃথিবীর ইতিহাস এমনই। একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সুশৃংখল সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষমতাসীনের বিপরীতে নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। পারমাণবিক শক্তিধরের বিরুদ্ধে গেরিলাদের পিস্তল রিভলবারের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। জোটবদ্ধ অনেকগুলো কাফের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি মুসলিম দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। আর্থিকভাবে উন্নত দেশগুলোর বিরুদ্ধে অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়। অথচ যুদ্ধের ইতিহাসগুলো এমনই। যুদ্ধের দুই প্রতিপক্ষ এমনই ছিল। এটাই সত্য। এর সাথে সাথে এও সত্য যে, দুই পক্ষের মধ্যে শক্তিশালীই সব সময় বিজয়ী হয়নি। বাহ্যিকভাবে যারা দুর্বল পক্ষ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই বিজয়ী হয়েছে। সহজে বোঝার মত আরেকটি বিষয় হচ্ছে, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তেই ক্ষমতাসীনদের পালাবদল হয়েছে। কোন ক্ষমতাসীনই চিরকাল ক্ষমতায় থাকেনি। ক্ষমতার পালাবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। আর সে ক্ষতাসীনকে যে শক্তি ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়, সে শক্তিটি ক্ষমতাসীন নয়। সে শক্তিটি হচ্ছে তৃণমূল থেকে উঠে আসা দুর্বল ও ক্ষুদ্র একটি শক্তি। ক্ষুদ্র ও দুর্বল সে শক্তিই ক্ষমতাসীনের চেয়ারের একটি একটি পায়া ও একটি একটি খুঁটিকে তার মূল থেকে উপড়ে ফেলতে থাকে। খুঁটির নিচের মাটি সরিয়ে সরিয়ে ক্ষমতাসীনকে শূণ্যের উপর ভাসিয়ে রাখে। এরপর একসময় আকস্মিক একটি প্রচণ্ড আঘাতে ক্ষমতার মসনদকে তছনছ করে দেয়। ক্ষমতার মোহে বিভোর ক্ষমতাসীন যা বুঝে উঠতে উঠতে নাট্যলীলা সাঙ্গ হয়ে যায়। যুদ্ধ ও জয় পরাজয় এমনই। জিহাদ ও লড়াইয়ের প্রকৃতি এমনই। অতএব যারা সমতার যুদ্ধের অপেক্ষায় অপেক্ষমান, তাদের এ দিবাস্বপ্নের ঘোর কাটার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এ ঘোর কেটে উঠার একটি উসিলা পৃথিবীর ইতিহাসের সঠিক অনুধাবন। আরেকটি মাধ্যম এবং টেকসই মাধ্যম, ইসলামী শরীয়ার সিদ্ধান্তের কাছে পূর্ণাঙ্গ আত্মসমর্পণ।

যেমন ছিলেন ওয়ালামে দেওবন্দ .... মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানবি রহিমাহুল্লাহ বলেন, اس دور کی حکومتوں سے ادنی رعایت بھی حاصل کرنا دین کے لۓ سخت مضر بلکہ مہلک ہے، جن مدارس نے حکومت سے امداد لی ہے آیندہ کے لۓ ان کی زبان حق گو‏ئی سے بند ہوگئ اور حکومت اس احسان کے عوض ان سے بہت سے خلاف ‎شریعت کام کرا لیتی ہے۔ এ যামানার শাসকদের থেকে সামান্য সহোযোগিতা নেওয়া দ্বীনের জন্য শুধু ক্ষতিকরই নয়, একটি ধ্বংসাত্মক বিষয়ও বটে। যে সমস্ত মাদরাসা সরকারের কোনরকম সাহায্য সহোযোগিতা গ্রহণ করেছে, ভবিষ্যতে সরকারের বিরুদ্ধে হক বলার ক্ষেত্রে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে। আর সরকারও ঐ অনুগ্রহের বিনিময়ে তাদের মাধ্যমে অনেক শরীয়ত বিরোধী কাজ করিয়ে নেয়। -আহসানুল ফাতওয়া ৮/২৩৮

নিজেদের দূর্বলতা আর অসহায়ত্বকে আমরা হেকমত বলি, এটা কস্মিনকালেও তা সঠিক নয়। মাওলানা মঞ্জুর মেঙ্গল হাফিজাহুল্লাহ পুরো ভিডিওটা শুনতে পারেন।

এদেশের কিছু তালেবান ভক্ত আধাজল খেয়ে মাকদেসীর পিছনে লেগেছে তাকে খারেজি প্রমাণ করতে। আর ওদিকে মূল তালেবান বিশ্বের বড় বড় আলেম যারা মোল্লা ওমরের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন সে সবের মাঝে সম্মানের সাথে মাকদেসির বক্তব্য উল্লেখ করেছেন! মাঝখানে আমি পড়ে গেছি ফিতনায়! (মাকদেসীর অবশ্যই কিছু বাড়াবাড়ি আছে, যার সাথে আমিও একমত না। তবে কথা হলো কিছু শুজুজ ও বাড়াবাড়ি থেকে কী কেউই মুক্ত!)

মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহের অফিসিয়াল একটি জীবনী বের হয়েছে—ওমর সালেস নামে। পশতু ভাষায় বইটির কাজ হয়েছে, মোল্লা ওমরের ছেলে বর্তমান
মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহের অফিসিয়াল একটি জীবনী বের হয়েছে—ওমর সালেস নামে। পশতু ভাষায় বইটির কাজ হয়েছে, মোল্লা ওমরের ছেলে বর্তমান আফগানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুবের তত্ত্ববধানে। বইটির একটি আরবী তরজমাও হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। শীঘ্রই হাতে পাবো। যাইহক, যা বলার জন্য মূলত এই লেখা। এই বইতে মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বের বড় বড় আলেমদের মতামত একটি অধ্যায়ে জমা করা হয়েছে। সেখানে সর্বপ্রথম যার মতটি উল্লেখ করেছেন সে হলো আলকায়দার দ্বিতীয় প্রধান ড. আয়মান আযযাওয়াহিরি রহিমাহুল্লাহের। তালেবদের কাছে কায়দার মূল্য কেমন তা এতটুকু থেকেও বুঝলে বুঝা যায়।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি প্রমাণ্য বই। এই বিষয়ে তো শত শত বই ও ডকুমেন্ট হওয়ার দরকার ছিলো। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগি স্বৈরাচার তা হতে দিলো কই। তবে এতকিছুর পরেও সাহসী কিছু মানুষ থেমে থাকেনি। দায়িত্ববোধ থেকে তারা তথ্যগুলো সংগ্রহ করে রেখেছে। স্বৈরাচারের পতনে ভেবেছিলাম এমন অসংখ্য বই হয়তো বের হয়ে আসবে! কিন্তু.... যাইহোক, বইটি পড়া ও এর বার্তা জনসম্মুখে নিয়ে আসা এখন এ ভুখণ্ডের সকলের তবে বিশেষভাবে মুসলমানদের কর্তব্য।

বিডিআর হত্যা কাণ্ড নিয়ে বেশ চমৎকার একটি ভিডিও। যতদিন বিডিআর হত্যাখাণ্ডের বিচার এদেশে হবে না, ততদিন স্পষ্ট বাংলাদেশ ভারতের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। দেখতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=J7JUm8IXoBU

দেশী ও আন্তর্জাতিক নিউজের জন্য এই চ্যানেলটা বেশ ভালো লাগে। জানিনা কারা চালায়, তবে ওদের নিউজের বিশ্লেষণ অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি বস্তুনিষ্ট ও ইসলামবান্ধব মনে হয়। দেখতে পারেন, আপনারাও। https://t.me/Alfirdaws02

তুরষ্কের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আল জাযিরার সাক্ষাতকারে সিরিয়া যুদ্ধে তাদের অবস্থানকে বেশ স্পষ্ট করেই বলেছে। পিছনে ডেপ্লোম্যাটিক তারা কী কাজ করেছে সেটা বেশ স্পষ্টই ছিলো। ঘুরে ফিরে সকল কিছুর দায় জিহাদের কাধে দিতে ইচ্ছুক কিছু বঙ্গীয় গবেষকদের দেখলাম, তুর্কীর সেই ডিপ্লোম্যটিক অবস্থানের কারণেই আজকে সিরিয়া আজাদ হয়েছে বলে তারা চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে, আর ডিপ্লোম্যাসি না থাকলে তাহরিরুশ শাম ধ্বংস হয়ে যাইতো! বাস্তবতা হলো এদের জন্য আমার করুনা হয়। এরা মূলত ডিপ্লোম্যাসি, জিওপলিটিক্স, ইত্যাদি ভোংচোংয়ের একধরনের পূজারি। এরা কখনোই এভাবে কল্পনা করতে পারে না, রাশিয়ার চূড়ান্ত শক্তির কাছে মুজাহিদদের টিকে থাকার ফলেই তুরষ্ক ডিপ্লোম্যটিক খেলাটা খেলতে পেরেছে। খুবই সাধারণ হিসেবে মুজাহিদদের অস্ত্রের জোর না থাকলে এধরনের চুলের ডিপ্লোম্যটি যে কোনো চুলও ছিড়তে পারতো না, এটা যেকোনো সাধারণ বিশ্লেষকও বুঝে।কিন্তু জিওপলিটিক্সের পুজারিদের এগুলো বুঝার তাওফিক কখনো হবে না। এরা একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান নিয়ে আসা! আর একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান এদের সামনে কখনোই বাস্তবতাকে স্পষ্ট করতে দিবে না। এরা দুনিয়ার সব জিহাদকে দোষী সাব্যস্ত করতে শুধু আইএসআইয়ের ভাঙ্গা পুরান বাসি বাজাইয়া যাবে। এবং এটাই এদের সর্বোচ্চ দৌড়। একাডেমিয়া আর জিওপলিটিক্সের নামে এরা যে ভুগিঝুগি দেয় এগুলো জিহাদ ও মুজাহিদদের যারা মহব্বত করে এদের সামনে মুহুর্তেই স্পষ্ট হয়ে যায়। এজন্য এদের সকল রাগ জিহাদের কথা বলা ভাইদের উপর। আর এটা তারা খুব সহজেই দিতে পারে দায়েশের নাম দিয়ে। বেশ সফল প্রজেক্ট। তাদের ডিপ্লোম্যটি হলো জুলানীর পূর্ণ শরীয়ার কথা না বলা, পেনশার্ট পড়া। নারীদের সাথে দেখাসাক্ষাত করা। বাস্তবতা হলো এদের কাছে মোল্লা ওমরদের আজিমত হলো কট্টর ইসলাম। এবং অনর্থক কাজ।

Abdullah bin bashir - إحصائيات وتحليلات قناة تيليجرام @abdullahbinbashir