fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 297 مشترک است و جایگاه 8 113 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 033 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 297 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 26 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 62 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -2 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 19.37% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 8.09% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 188 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 914 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 46 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 27 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 297
مشترکین
-224 ساعت
+47 روز
+6230 روز
آرشیو پست ها
বাহিরে থেকে ঢাকায় ট্রেন ঢুকছে, কিন্তু পুরো ট্রেইনের লাইট অফ! এক ভাই ইনবক্সে দিলো... আল্লাহ তোমার মকরের সামনে দুনিয়ার সকল মকর নস্যি। তুমি আমাদের জিম্মাদার আমাদের অবিভাবক।

আসিফ নজরুল স্যারের ছবিটি দেখে কোনো কারণ ছাড়াই চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। হঠাৎ হঠাৎ কোত্থেকে যে আবেগ আসে! হেফাজতের সময় ছোট ছিলাম, আমাদের অনেক উস্তাদদের সাথে এভাবে স্লোগান দিয়ে আমরা মিছিল করেছিলাম, দাপিয়ে বেড়িয়েছিলাম রাজপথ—যাত্রবাড়ি থেকে শাপলা, তারপর... হিফাজত ঘিরে আমার যে কী স্বপ্ন ছিলো! চিনতাম না, স্বজাতীর গাদ্দারগুলোকে! যাত্রাবাড়ীতে ফয়জুল্লাহর জ্বালাময়ী বক্তব্য শুনে সে সময় নতুন এক সকালের স্বপ্ন দেখে নিজের পকেটের সবকিছু দিয়ে এসেছিলাম, এবং প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, ৫ই মে ইনশাআল্লাহ শহিদ হওয়া ছাড়া আর কিছুই চিন্তা করবো না! কিন্তু... সেদিন আমাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিলো, পুরো দেশ তা দেখেছিলো নিশ্চুপ হয়ে, আজও আমাদের ভাইদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহিদের মর্যাদা মিলেনি, বরং পররা আমাদের বলেছিলো... আর আপনরা রক্তের সওদা! তবে... সেদিন মুখলিস কিছু ওয়ারেসি নবির রক্ত এদেশে নতুন এক গাছের বীজ রোপণ করেছিলো যার ঢালার একটি অংশ এখন মেলতে শুরু করেছে, ইনশাআল্লাহ যার পূর্ণ রূপ যেদিন বাংলার জমিনে গজিয়ে উঠবে তখন মানব জাতি আসল মুক্তির স্বাধ পাবে।

photo content

শুরু ইনশাআল্লাহ
শুরু ইনশাআল্লাহ

১৯৯৪ সালে ঢাকায় প্রথমবারের মতো সরাসরি জনগণের ভোটে মেয়র নির্বাচন হয়। এই ভিডিওতে আমরা দেখব কীভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ হানিফ বিজয়ী হন এবং সেই সময়ের কিছু অজানা ঘটনা। শেখ হাসিনার রুমালে গ্লিসারিন মেখে কান্নার অভিনয়ের মজার ঘটনাও জানতে পারবেন এই ভিডিওতে। সম্পূর্ণ গল্পটি শুনতে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন - আমার ফাঁসি চাই, এপিসোড-১ | মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ুর রহমান রেন্টু

দ্য দেশ ভক্ত খ্যাত আকাশ ব্যানার্জি বাংলাদেশ ইস্যুতে সবচেয়ে সুন্দর ভিডিও করেছে। আজকে তার নতুন ভিডিও এসেছে, মোটামুটি সবগুলো বিষয় যা ঘটেছে তা তুলে ধরেছে।

২০০৭ এর সেপ্টেম্বর। বার্মা, মানে মিয়ানমারে সামরিক শাসন চলছে। তেলের দাম হঠাৎ করে অনেক বেড়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এল। আর্মিও যা করতে জানে তাই করল। ইউএন এর রিপোর্ট অনুযায়ী অন্তত ৩১জন নিহত হয়। রাস্তায় রাস্তায় আর্মি টহল দিতে লাগল। দেখামাত্রই গ্রেফতার/গুলি করতে লাগল। কিন্তু বার্মিজরাও কম যায় না। তারা একটা মজার বুদ্ধি বের করল। বার্মিজ সংস্কৃতিতে কুকুরকে নিচু জাতের প্রাণী ভাবা হয়। ওরা মনে করে, আগের জন্মে খুব খারাপ কিছু করলে পরের জন্মে কুকুর হয়ে জন্মায়। তাই অন্য অনেক দেশের মতোই গালি দিতে গেলে কুকুর কিংবা কুকুরের বাপমা টেনে আনা সেখানেও খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। রাস্তায় যেহেতু মিছিল করা যাচ্ছে না তাই বার্মিজরা ভাবল কুকুরগুলো তো ঠিকই ঘুরে বেড়াচ্ছে। আইডিয়া! 💡 কিছুক্ষণ পর দেখা গেল, রাস্তায় রাস্তায় কুকুরের গলায় ঝুলছে বার্মার স্বৈরাচারী সামরিক নেতা থান শোয়ে'র ছবি। সেনাবাহিনী তো হতভম্ব। তারপর শহরের সব রাস্তা জুড়ে দেখা গেল পথের কুকুরগুলো গলায় বিভিন্ন সরকারের বড় বড় নেতাদের ছবি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কুকুরকে তো আর গুলি করে মারা যায় না এই অপরাধে। কিন্তু নেতাদেরও তো এ বড়ই অসম্মান। অগত্যা সেনা বাহিনীর লোকেরা রাস্তায় রাস্তায় দৌড়ে কুকুর ধরার চেষ্টা করতে লাগল যেন ছবিগুলো খুলে ফেলতে পারে। তারা কতটুক কি পেরেছে জানি না কিন্তু বার্মিজরা সেদিন অনেক হেসেছে সরকারি বাহিনীর এই হেনস্থা দেখে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি এক সরেস ভদ্রলোক থাইল্যান্ডের এক পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বলেন, "কুকুরগুলো দেখছি গ্রেফতার এড়াতে বেশ পটু" আমাদের দেশেও কিন্তু রাস্তায় রাস্তায় প্রচুর কুকুর। আপনাদের মাথায় কোনো আইডিয়া আছে নাকি? 😉 #laughtivism

photo content

আখিরাত নামক একটি জায়গা কেন থাকা জরুরি তা কী আজ স্পষ্ট নয়? এত এত মানুষ হত্যা করে একজন শান্তিপূর্ণ মৃত্যুবরণ করবে, মৃত্যুর পর তার আর কিছুই হবে না? এটা কী মেনে নেয়ার মত? দুনিয়ার দৃষ্টিতেও কী কেউ এটা চাইবে? একজন নিহিত সন্তানের মাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন, যে আপনার সন্তানকে মেরেছে, সে দশবছর বিলাসী জীবন কাটিয়ে আজ বিছানায় মারা গিয়েছে তার আর কিছুই হবে না, আর কোনো বিচার হবে না, সে কী খুশি হবে!? একজন চূড়ান্ত ন্যায় বিচারকের প্রতিদান দিবস নামে কী তাহলে একটা সময় থাকা দরকার নয়, যেদিন কাউকে চুল পরিমান ছাড় দেয়া হবে না? অন্যথায় এই জালেমদের আর কে থামাবে? কিসের ভয়ে থামবে, আর নাইবা থামলো, তাহলে কি এখানেই সব শেষ হয়ে যাবে? সাধারণ বিবেক আছে আশা করি তার কাছেও এমন একটা সময় থাকার বিষয়ে আর আপত্তি আসবে না।

কেমনে থামাবে এই জাতীকে!
কেমনে থামাবে এই জাতীকে!

ছড়িয়ে পড়ুক।
ছড়িয়ে পড়ুক।

আজ মজলুমের পক্ষে কথা বলার কারণে অনেক খতিব চাকরিচ্যুত হয়েছেন মর্মে সংবাদ আসছে। আমরা এমন সংবাদও পেয়েছি, অনেক বড় বড় খতিবদেরকে জুমুআর নামায পড়াতে মসজিদে আসতে দেয়া হচ্ছে না। এই তালিকায় আছেন, * জনপ্রিয় আলোচক মুফতী শামসুদ্দোহা আশরাফী * লব্ধপ্রতিষ্ঠ ওয়ায়েজ মাওলানা আরিফ বিন হাবীব * জনপ্রিয় উপস্থাপক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকেই। . কোথাও কোথাও মসজিদ কমিটির সভাপতিকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে। যেমন, শামসুদ্দোহা ভাইয়ের সায়েন্স ল্যাবরেটরি মসজিদ কমিটির সভাপতি সাহেবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। . আমরা অনুরোধ করব, এই দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়ান। কোথাও মজলুমের পক্ষে দাঁড়াবার কারণে ইমাম খতিব কমিটি নিগৃহীত হলে অনলাইনে অফলাইনে তীব্র প্রতিবাদ করুন। মুসুল্লিদের সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে কেউ কিছু করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। সম্ভব হলে চাকরিচ্যুতদের জন্য অন্যত্র খিদমতের ব্যবস্থা করুন। এই দায়িত্ব আপনার, আমার, সবার। @ আবদুল্লাহ আল ফারুক

আজকে পবিত্র জুমা, আজকেই এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় জোয়ার। এটাই হলো এই মুসলিম বাঙলার শক্তি। এদেশের মানুষের কতটা গভিরে আলেম আর দায়ী ভাইরা ইসলামকে প্রবেশ করিয়েছে, তার একটি ছোট্ট উদাহরণ। এই জনপদ আবার তার আমাদের আপন নীড়ে ফিরবে ইনশাআল্লাহ।

আন্দোলনরত ছাত্র ভাইরা, এই বিষয়টি আপনাদের মনে রাখতে হবে, দেশকে ভালোবাসেন, বিজয়ের পর আপনাদের এই জায়গাটায় কাজ করতে হবে, যদি এদেশ
আন্দোলনরত ছাত্র ভাইরা, এই বিষয়টি আপনাদের মনে রাখতে হবে, দেশকে ভালোবাসেন, বিজয়ের পর আপনাদের এই জায়গাটায় কাজ করতে হবে, যদি এদেশকে বাস্তবই বাঁচাতে চান।

Repost from Abdullah Al Masud
এই পিডিএফ আগেরটার চাইতে বেশি সমৃদ্ধ। খ‌তিব ও ইমাম সা‌হেবগণ আগা‌মীকালের জুমায় নি‌ন্মোক্ত বিষয় আলোচনা করুন। ‌বিস্তা‌রিত লেখা আছে। মুস‌ল্লিগণ শেয়ার করুন, আপনার ইমাম‌কে দিন।

চলমান পরিস্থিতিতে আমার প্রিয় দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশ্যে কিছু বিষয় ক্লিয়ার করা জুরুরি মনে করছি। . ১/ অনেকেই বলছেন আলেম উলামারা কেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মাঠে নামছে না? এর কিছু কারণ অবশ্যই আছে। আপনারা যদি অতিতের সময় গুলোতে আলেম উলামা তথা ইসলামপন্থীদের আন্দোলন গুলো লক্ষ্য করে থাকেন তাহলে দেখবেন চলমান আন্দোলনে যেভাবে বহির্বিশ্ব থেকে নিয়ে সুশীল সমাজ, ডাঃ, ব্যারিস্টার, বুদ্ধিজীবী থেকে নিয়ে ডান বাম সর্ব ঘরানা লোকেরা ছাত্রদের সাথে মাঠে নেমেছে। আর ছাত্রদের প্রতি অন্যায় অবিচার ও হত্যাযঞ্জের বিষয়গুলা যেভাবে দেশীয় মিডিয়া সহ বিশ্ব মিডিয়ায় কভার করতেছে। এর সিকিভাগও অতীতের ইসলামপন্থী আন্দোলনে দেখা যায় নি। এর কারণ একটাই, এদেশে পাঞ্জাবি টুপি ওয়ালাদের রক্তের চার পয়সা মূল্যও নাই। . এজন্য কিছু কৌশলগত দিক বিবেচনা করে গণহারে উলামায়ে কেরাম রাজপথে নামেন'নি আর এতে হীতে বিপরীত হওয়ার ও সম্ভাবনা আছে। এর কারণ ব্যাখ্যা করলে দেখবেন সরকার এখন খুব করে চাচ্ছে তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে আন্দোলন কারিদের'কে রাষ্ট্রদ্রোহি ও জ*ঙ্গি ট্যাগ লাগিয়ে বহির্বিশ্ব থেকে তার গনহত্যা জায়েয করতে। আর এ পয়েন্টটা সহজ হয়ে যাবে যখন দাড়ি টুপি পড়া আলেম উলামারা গণহারে আন্দোলনে যোগ দিবে। আর এজন্যই মূলত জামায়াতে ইসলামি'কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তাদের কর্মকাণ্ডকে জ*ঙ্গি বলে আখ্যায়িত করতেছে। কিন্তু সাধারণ ছাত্র জনতার ক্ষেত্রে সরকার কখনোই গনহত্যা চালিয়ে বিশ্ব মোড়লদের সমর্থন পাবে না সেটা সরকার নিজেও ভালো করেই জানে। . কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে আলেম উলামারা একেবারেই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ায় নি। এটা বল্লে আপনি অবশ্যই বেইনসাফি করবেন। কারণ আমার জানামত ইসলামপন্থী রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক দলের অনেক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন ও মাঠপর্যায়ে সহযোগিতা করে আসছে। এবং আমরাও আমাদের অবস্থান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক অধিকার আদায়ের পক্ষে সেই শুরু থেকেই সমর্থন জানিয়ে লেখালেখি করে আসছি। . একটা আন্দোলন তো শুধু মাত্র রাজপথের মিটিং মিছিল দ্বারা সংঘটিত হয় না। একটি আন্দোলনের পিছনে অনেকেরই ভূমিকা থাকে। যারা কলামিস্ট তারা লেখালেখির মাধ্যমে আর যারা কবি তারা কবিতায় আর যারা শিল্পী তারা গায়কির মাধ্যমে আর যারা বক্তা তারা বক্তৃতার মাধ্যমে একটি আন্দোলনকে বেগবান করে। এবং আন্দোলনে ভূমিকা রাখে। . সর্বোপরি আলেম উলামারা গণহারে রাজপথে নেমে আন্দোলনে শরিক না হলেও তারা তাদের অবস্থান থেকে সমর্থন, দোয়া ও লেখালেখির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলো এখনও আছে। এটা ভাবার সুযোগ নেই যে আলেম উলামারা ভয়ে চুপসে আছে। বরং তাদের ত্যাগের ইতিহাস এর চাইতেও অনেক দীর্ঘায়িত। আলেম উলামারা সর্বকালে জুলুমের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলো এখনও আছে আলহামদুলিল্লাহ। . ২/ এই আন্দোলনকে ঘিরে আমাদের তাওহীদবাদী ভাইদের নানা জল্পনা কল্পনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাদের কারো কারো অভিমত হলো এই আন্দোলনকে ঘিরে খিলাফাহ'র রক্তিম সুর্যোদয়ের মোক্ষম সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যেগুলো পরিপূর্ণ আবেগের বহিঃপ্রকাশ! . যদি এর কারণ জানতে চান, তবে বলবো এ সমাজের গুটিকয়েকজন মানুষ ছাড়া কেউই ইসলামি খিলাফাহ চায় না। অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গ শরিয়াহ শাসন চায় না। কারণ তাদের অন্তরে শরীয়াহ শাসনের সুফলের পরিবর্তে ভয়টাই ডুকিয়ে দেওয়া হয়েছে বেশি, সেকুলার শিক্ষা ব্যাবস্হার মাধ্যমে। ফলে তারা শরীয়াহ শাসন'কে সেকেলে কিংবা কেউ কেউ অমানবিকও মনে করে থাকে। . এজন্য আপনি এখন শরীয়াহ শাসন কিংবা খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার ডাক দিলে দু'জনকেও পাশে পাবেন না। তখন দেখবেন যারা এতদিন আপনার সাথে ছিলো তারাই উল্টো এখন আপনার বিরুদ্ধে সবার আগে উঠেপড়ে লেগেছে। . এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে তাহলে কি এদেশে শরীয়াহ শাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব? আমি বলবো অবশ্যই না। অসম্ভব বলতে কিছু থাকলে সেটাকে আল্লাহ তায়া’লা অপরিহার্য করতেন না। কিন্তু সব কিছুরই একটা সময় আছে। আপনি আমি চাইলেই এদেশে শরীয়াহ শাসন কায়েম করে ফেলতে পারবো না। এরজন্য দরকার ব্যাপক ভাবে শরীয়াহ শাসনের সুফল মানুষের কাছে তুলে ধরা। জনমত তৈরি করা, কাফেলা বদ্ধ হওয়া। তবেই এদেশের মাটিতে খিলাফাহ'র সপ্ন দেখা সম্ভব এর আগে না।

এটা দেখার সহ্য ক্ষমতা কী এদেশের মানুষের আছে?

ইন্টারনেট ছাড়া বিকল্প উপায়ে সারা দেশে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে সার্বক্ষণিক সচল রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে
ইন্টারনেট ছাড়া বিকল্প উপায়ে সারা দেশে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে সার্বক্ষণিক সচল রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণেরের সাথে। সোর্স- প্রথম আলো তার মানে আবার ইন্টারনেট বন্ধ করার প্ল্যান আছে! আপনারা আগেভাগেই ব্রিজফাই অ্যপটা ইনস্টল করে রাখতে পারেন। আন্দোলনকারী প্রত্যেকে এই এপটি ডাউনলোড করুন এবং আন্দোলনের সব গ্রুপে জানিয়ে দেন এটা যাতে ডাউনলোড করে রাখে। ইন কেস নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিলে যাতে কমিউনিকেশন ঠিক থাকে আমাদের। যদি নেটওয়ার্ক অফ না করে তাহলে তো আর সমস্যা নাই। মনে রাখবেন এই এপস্টি কার্যকর হওয়ার জন্য প্রতি ৩০০ ফিটে অন্তত একজন ইউজার থাকা আবশ্যক। তাই মেইক শিওর করতে হবে যে সবার ফোনে এইটা ইন্সটল্ড আছে। © টোকানো 💐

ইন্টারনেট ছাড়া বিকল্প উপায়ে সারা দেশে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে সার্বক্ষণিক সচল রাখা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণেরের সাথে। সোর্স- প্রথম আলো তার মানে আবার ইন্টারনেট বন্ধ করার প্ল্যান আছে! আপনারা আগেভাগেই ব্রিজফাই অ্যপটা ইনস্টল করে রাখতে পারেন। আন্দোলনকারী প্রত্যেকে এই এপটি ডাউনলোড করুন এবং আন্দোলনের সব গ্রুপে জানিয়ে দেন এটা যাতে ডাউনলোড করে রাখে। ইন কেস নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিলে যাতে কমিউনিকেশন ঠিক থাকে আমাদের। যদি নেটওয়ার্ক অফ না করে তাহলে তো আর সমস্যা নাই। মনে রাখবেন এই এপস্টি কার্যকর হওয়ার জন্য প্রতি ৩০০ ফিটে অন্তত একজন ইউজার থাকা আবশ্যক। তাই মেইক শিওর করতে হবে যে সবার ফোনে এইটা ইন্সটল্ড আছে। © টোকানো 💐

বাঙালি মুসলিম!