fa
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

رفتن به کانال در Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Abdullah bin bashir

کانال Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 11 327 مشترک است و جایگاه 7 901 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 063 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 11 327 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 28 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 67 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -8 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 15.07% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 5.70% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 1 708 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 646 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 35 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 29 اوت, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

11 327
مشترکین
-824 ساعت
+157 روز
+6730 روز
آرشیو پست ها
সিসি আলেমদের লক্ষ্য করে: আপনারা কিসের রক্ষক? আলেম: দীনের সিসি: না, আপনারা স্বাধীনতার রক্ষক। কিসের? আলেম: স্বাধীনতার। . দীনের এমন শত্রুদের যারা মুসলমানদের উলিল আমর বলে মত প্রকাশ করে আল্লাহ যেনো সে সকল আলেমদের লাঞ্চিত করেন দুনিয়া ও আখিরাতে।

আল্লামা জফর আহমদ উসমানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন, ‘বর্ণিত আছে, ইসলামের শুরু যুগে অনেক দুর্বলচিত্ত মানুষও ইসলামের ডাকে সাড়া দিয়েছিল। অতঃপর যখন জেহাদ ফরয হয়ে গেল, তখন কেউ কেউ দ্বিধাগ্রস্ত হল এবং কেউ কেউ কাফেরদের সুরে সুর মিলিয়ে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরোধিতা শুরু করল। এতে বর্তমান আয়াত অবতীর্ণ হয়। অর্থাৎ, হে মুসলমানরা! মুনাফিকদের অবস্থা তো ইতিমধ্যে তোমাদের জানা হয়েছে। এখন এতেই মঙ্গল নিহিত যে, তোমরা সাবধানতা ও সতর্কতা অবলম্বন কর এবং আত্মরক্ষার্থে সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ কর- চাই অস্ত্রধারণ করে অথবা কৌশল অবলম্বন করে অথবা বুদ্ধি খাটিয়ে অথবা সাজসরঞ্জাম দিয়ে। আর দুশমনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে দলে দলে বিভক্ত হয়ে অথবা সকলে সংঘবদ্ধভাবে, যখন যে রকম সুযোগ হয়, যখন যেমন প্রয়োজন দেখা দেয়- ঘর থেকে বের হয়ে পড়।’ -তাফসিরে উসমানি, সূরা নিসার ৭১ নং আয়াতের অধিনে

সেক্যুলারিজম মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে খোদা ও খোদা-প্রদত্ত ধর্মকে মুছে দিয়ে ব্যক্তিজীবনে ধর্মকে একটি অনর্থক বিষয়ে
সেক্যুলারিজম মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে খোদা ও খোদা-প্রদত্ত ধর্মকে মুছে দিয়ে ব্যক্তিজীবনে ধর্মকে একটি অনর্থক বিষয়ে পরিণত করে। যে বিষয়গুলো সামাজিক জীবনে অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয়, সে বিষয়গুলোকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কতক্ষণ পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে আঁকড়ে রাখতে পারবে? যে ধর্ম তার পারিবারিক জীবনে প্রযোজ্য নয়, বাজারে প্রযোজ্য নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য নয়, অফিসে প্রযোজ্য নয়, কোর্টে প্রযোজ্য নয়, থানায় প্রযোজ্য নয়, আইন তৈরিতে প্রযোজ্য নয়—এককথায় মানুষের সামষ্টিক জীবনের কোথাও প্রযোজ্য নয়, সে ধর্মকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কেনই-বা মূল্য দেবে? বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির

কুফর ও তাকফীর কুফরী রাজত্বের এ পৃথিবীতে প্রকাশ্যে কুফর চলছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কুফর চলছে। সচেতন ওলামায়ে কেরাম কুফরের কারণে তাকফীরও করছেন। দলগতভাবেও তাকফীর করছেন, সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিকেও তাকফীর করছেন। আর তা করতেই হবে; কারণ কুফর ও ঈমানকে আলাদা করা নাহলে, তাওহীদ ও শিরককে আলাদা করা নাহলে মুমিনের ঈমান বাঁচানো মুশকিল। কাফের কাফের হিসাবে চিহ্নিত হওয়া জরুরী। আর সে কারণে কাদিয়ানীদেরকে কাফের ঘোষণা দেয়ার জন্য সম্মিলিত আন্দোলন চলছে। কাফের যদি কাফের হিসাবে চিহ্নিত না হয়, তাহলে সাধারণ মুসলিমরা ধোঁকা খাবে। তারা কুফর ও ঈমানের সীমারেখা চিহ্নিত করতে ভুল করবে। দায়িত্বশীলগণ কাদিয়ানীদেরকে তাকফীর করছেন, বাউল ফাউলদেরকে তাকফীর করছেন, নবীর অবমাননাকারীদেরকে তাকফীর করছেন, আল্লাহর সঙ্গে যারা বেয়াদবী করছে তাদের তাকফীর করছেন, নূরা পাগলাকেও তাকফীর করেছেন, মওদূদী পন্থীদেরকেও কেউ কেউ তাকফীর করছেন, কাফের নাস্তিকের চাইতেও খারাপ কিছু বলছেন। এসকল তাকফীরের কারণে কাউকে তাকফীরী দল হিসাবে চিহ্নিত করার কোন সুযোগ নেই। কারণ কুফরী কথা ও কাজে লিপ্ত ব্যক্তি কাফের। আর কাফেরকে কাফের বলে চিহ্নিত করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। কর্ণধার ওলামায়ে কেরামের দায়িত্বতো অবশ্যই। কারণ, কাফেরকে কাফের হিসাবে চিহ্নিত করার সাথে মুসলমানদের দৈনন্দিন আদান প্রদানের অনেক কিছু জড়িত। কুফরের কারণে তাকফীর করলে যদি কেউ তাকে তাকফীরী দল হিসাবে বদনাম রটাতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে তারা মুরজিয়া, বা মুরজিয়াদের আকীদা দ্বারা প্রভাবিত। তবে কাউকে কাফের বলার ক্ষেত্রে দেখার বিষয় থাকবে, তাকফীরের মূলনীতি। যাকে কাফের বলা হবে, তার মাঝে কুফর থাকতে হবে। শুধু বিদআতগত ভ্রষ্টতার কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে না। গোষ্ঠীগত বিভেদের কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে না। কারো প্ররোচণায় পড়ে কাউকে তাকফীর করা যাবে না। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে কাউকে কাফের বলা যাবে না, প্রকাশ্য কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিদের পাশে বসে কোন মুসলিম জামাতকে তাকফীর করা যাবে না। ইসলামী শরীয়াকে অস্বীকারকারীর পাশে বসে, শরীয়া প্রতিষ্ঠার স্বপ্নচারীদেরকে তাকফীর করা যাবে না। মূলনীতি উপেক্ষা করা যাবে না। জযবার অপব্যবহার করা যাবে না। ইলমের মূলনীতির আলোকে বিচার নাকরে শুধু বক্তৃতার মঞ্চে মাঠ গরম করার জন্য তাকফীর করা যাবে না। যে কুফর ও যে মানের কুফরের কারণে কাদিয়ানীদেরকে কাফের বলা জরুরী, দেওয়ানবাগীদেরকে কাফের বলা জরুরী, বাউলদেরকে কাফের বলা জরুরী, লালনের অনুসারীদেরকে কাফের বলা জরুরী, সে কুফর ও সে মানের কুফর যে কোন ব্যক্তি বা দলের মাঝে পাওয়া যাবে সে ব্যক্তি ও দলকেই কাফের হিসাবে চিহ্নিত করা জরুরী। আর যারা কুফরের কারণে কোন ব্যক্তি বা দলকে কাফের বলবে তারা তাকফীরী দল নয়, তারা ইসলামের প্রহরী এবং ঈমানের সীমারেখা রক্ষাকারী।

গণতান্ত্রিক পুজিবাদি রাষ্ট্রে কী কখনোই এই জুলুমের বিচার হবে? কস্মিনকালেও হবে না। https://youtu.be/6k9icchI7tA?si=E8TvXxDLQmLVl-oR

জফর আহমদ উসমানি রহিমাহুল্লাহ সূরা নিসার ৫৯ নং আয়াতের অধীনে লেখেন, এ থেকে বোঝা গেল, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসূলের হুকুম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে, সে মুসলমান নয়। সুতরাং দুই মুসলমান যদি পরস্পর বিবাদরত হয় এবং একজন বলে যে, 'চল শরী'য়তের (বিধানের) দিকে প্রত্যাবর্তন করি, দ্বিতীয়জন বলল, আমি শরী'য়ত মানি না অথবা বলল, আমি শরী'য়তের ধার ধারি না' তবে দ্বিতীয়জনকে অবশ্যই কাফের বলা হবে। -তাফসিরে উসমানি

খাইবার পাখতুনখোয়ার জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের নায়েবে আমির মুফতি ফজল গফুর সাহেব, ‘আপনি ঐ ব্যক্তিদের হাতে চুমু খাচ্ছেন, যারা কুরআন-সুন্নাহের আইনকে ব্রিটিশ আইনের শিকলে বেধে রেখেছে?

মাওলানা আব্দুর রহমান ভাই অনেক গুণের সমন্বয়ে একজন মানুষ, তবে তার সবচেয়ে যে গুণটি আমাকে আকর্ষণ করে সেটা হলো উনি একজন বইপ্রেমী পড়ুয়া মানুষ। এমন মানুষের পক্ষ থেকে উৎসাহ পাওয়া আমার জন্য সুখের। উনি আমার বইটি নিয়ে নিজের একটি বিশ্লেষণ দিয়েছেন, পড়ে দেখতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/17MnvSJbEw/

ইতিহাস পাঠের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা মাওলানা ইমরান রাইহান

শুন্যস্থান রাখা যাবে না৷ ❤️
শুন্যস্থান রাখা যাবে না৷ ❤️

কবি ইকবালকে ওলামায়ে কেরামের তাকফিরের ঘটনা তো অনেক শুনেছি, এই ঘটনা দিয়ে বহু কবি সাহিত্যিকরা প্রায় ওলামায়ে কেরামকে কটুক্তিও করে থাকে। অথচ বাস্তবতা হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন। আল্লাহ মাওলানা ইমরান রাইহান ভাইকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। পুরোটা শুনতে পারেন। https://youtu.be/dZf-Nj1aHm4?si=TH4LMy8pMFuKow0d

হারামাইন টিভিতে শক্তি ভাইয়ের নতুন পডকাস্টটা শুনলাম। আল্লাহ ভাইকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। পডকাস্টটি আলেম-সাধারণ সকলেরই শুনা উচিত। ইনশাআল্লাহ, ইসলামের সার্বজনীন বিষয়টির ব্যাপারে অল্প হলেও আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে। ইসলাম সম্পর্কে আপনাকে নতুন করে ভাবতে শিখাবে। ইসলাম কেনো সর্বযুগে সবচেয়ে কল্যাণকর জীবনব্যবস্থা সেই বিষয়ে আপনার অন্তরে বদ্ধমূল ধারণা ও বিশ্বাস তৈরি করবে। https://youtu.be/yjre0vpb7cw?si=pO1guNZM33bPHOUo

এই লোকটাকে এক কথায় মূল্যায়ন করা আসলেই কষ্টকর! এবং এখনো পর্যন্ত শারাকে নিয়ে যেকোনো দিকেই সরলীকরণের পক্ষপাতী আমি নই।
এই লোকটাকে এক কথায় মূল্যায়ন করা আসলেই কষ্টকর! এবং এখনো পর্যন্ত শারাকে নিয়ে যেকোনো দিকেই সরলীকরণের পক্ষপাতী আমি নই।

ব্যক্তি পর্যায়ের ধর্মের পরিধিও সেক্যুলার রাষ্ট্র নির্ধারণ করে দেয় সেক্যুলার রাষ্ট্র ধর্মকে শুধু ব্যক্তিজীবনে সীমাবদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং ধর্মের পরিধিও সে নিজে ঠিক করে দেয়—ধর্মের এই অংশটুকু মানতে পারবে, ওই অংশটুকু মানতে পারবে না; ধর্মের এই এই আলোচনা করতে পারবে, ওগুলো করতে পারবে না। আর এই সীমানা নির্ধারণের কাজটি তারা ধর্মীয় গ্রন্থ বা মূল্যবোধের আলোকে করে না; বরং সেক্যুলারিজমের নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও মূল্যবোধের আলোকে করে থাকে। সেক্যুলারিজম মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে খোদা ও খোদা-প্রদত্ত ধর্মকে মুছে দিয়ে ব্যক্তিজীবনে ধর্মকে একটি অনর্থক বিষয়ে পরিণত করে। যে বিষয়গুলো সামাজিক জীবনে অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয়, সে বিষয়গুলোকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কতক্ষণ পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে আঁকড়ে রাখতে পারবে? যে ধর্ম তার পারিবারিক জীবনে প্রযোজ্য নয়, বাজারে প্রযোজ্য নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য নয়, অফিসে প্রযোজ্য নয়, কোর্টে প্রযোজ্য নয়, থানায় প্রযোজ্য নয়, আইন তৈরিতে প্রযোজ্য নয়—এককথায় মানুষের সামষ্টিক জীবনের কোথাও প্রযোজ্য নয়, সে ধর্মকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কেনই-বা মূল্য দেবে? কোনো রাখঢাক না রেখে ওয়ায়েল হাল্লাক বিষয়টি পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, what secularism is. Secularism is not just segregating religious life into the private sphere. It is rather the determination of the state of what religion is and is not, where and how it can be exercised. In terms of political theology, secularism is the murder of God by the State. The state can delimit, limit, exclude or curtail any religious practice, and thus has the power to determine the quality and quantity of the religious sphere as it sees fit. This is because the state is the ultimate sovereign, with its own reason for existence — what we call reason of state or raison d’état, a relatively new concept in the long stretch of human history.
‘সেক্যুলারিজম আসলে কী? সেক্যুলারিজম দ্বারা শুধু ধর্মীয় জীবনকে ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ করে ফেলাকে বোঝানো হয় না। বরং এর দ্বারা বোঝানো হয়, রাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে ধর্ম মূলত কী এবং কী নয়, (কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে, আর কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে না।) এটি কোথায় পালন করা যাবে এবং কীভাবে পালন করতে হবে। রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে সেক্যুলারিজম হলো রাষ্ট্র কর্তৃক ঈশ্বরকে হত্যা। রাষ্ট্র চাইলে যেকোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানকে ব্যাপক বা সীমাবদ্ধভাবে পালন করতে দিতে পারে। চাইলে এটিকে একেবারে বাদ নয়তো সংকীর্ণ করতে পারে। এভাবে সে ইচ্ছানুযায়ী ধর্মীয় পরিমণ্ডলের বিস্তৃতি এবং পরিধি নির্ধারণের ক্ষমতা রাখে।’
ধর্মের ব্যাপারে সেক্যুলার রাষ্ট্রের বেঁধে দেওয়া এই গণ্ডি অতিক্রম করার পরিণতি কী হতে পারে, সে প্রসঙ্গে রুশো বলেছেন,
‘আমার কথা হচ্ছে : জাতীয় ধর্ম বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি হতেও পারে না। যে ধর্ম অপর ধর্মের ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সহিষ্ণু হবে, সে ধর্মকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে স্বীকার করব। নাগরিকের দায়িত্ব পালনের অন্তরায় না হলে যেকোনো ধর্মবিশ্বাসই রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু কোনো ধর্ম যদি ঘোষণা করে তার বিশ্বাসের বাইরে কারও আত্মার মুক্তি নেই, তবে রাষ্ট্রের মধ্যে তার স্থান হতে পারে না।’
-ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সংঘাত বইয়ের “সেকুলারিজম” অধ্যায় থেকে

ব্যক্তি পর্যায়ের ধর্মের পরিধিও সেক্যুলার রাষ্ট্র নির্ধারণ করে দেয় সেক্যুলার রাষ্ট্র ধর্মকে শুধু ব্যক্তিজীবনে সীমাবদ্ধ করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং ধর্মের পরিধিও সে নিজে ঠিক করে দেয়—ধর্মের এই অংশটুকু মানতে পারবে, ওই অংশটুকু মানতে পারবে না; ধর্মের এই এই আলোচনা করতে পারবে, ওগুলো করতে পারবে না। আর এই সীমানা নির্ধারণের কাজটি তারা ধর্মীয় গ্রন্থ বা মূল্যবোধের আলোকে করে না; বরং সেক্যুলারিজমের নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও মূল্যবোধের আলোকে করে থাকে। সেক্যুলারিজম মানুষের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন থেকে খোদা ও খোদা-প্রদত্ত ধর্মকে মুছে দিয়ে ব্যক্তিজীবনে ধর্মকে একটি অনর্থক বিষয়ে পরিণত করে। যে বিষয়গুলো সামাজিক জীবনে অনর্থক ও অপ্রয়োজনীয়, সে বিষয়গুলোকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কতক্ষণ পর্যন্ত একনিষ্ঠতার সাথে আঁকড়ে রাখতে পারবে? যে ধর্ম তার পারিবারিক জীবনে প্রযোজ্য নয়, বাজারে প্রযোজ্য নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য নয়, অফিসে প্রযোজ্য নয়, কোর্টে প্রযোজ্য নয়, থানায় প্রযোজ্য নয়, আইন তৈরিতে প্রযোজ্য নয়—এককথায় মানুষের সামষ্টিক জীবনের কোথাও প্রযোজ্য নয়, সে ধর্মকে মানুষ ব্যক্তিজীবনে কেনই-বা মূল্য দেবে? কোনো রাখঢাক না রেখে ওয়ায়েল হাল্লাক বিষয়টি পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, what secularism is. Secularism is not just segregating religious life into the private sphere. It is rather the determination of the state of what religion is and is not, where and how it can be exercised. In terms of political theology, secularism is the murder of God by the State. The state can delimit, limit, exclude or curtail any religious practice, and thus has the power to determine the quality and quantity of the religious sphere as it sees fit. This is because the state is the ultimate sovereign, with its own reason for existence — what we call reason of state or raison d’état, a relatively new concept in the long stretch of human history. ‘সেক্যুলারিজম আসলে কী? সেক্যুলারিজম দ্বারা শুধু ধর্মীয় জীবনকে ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ করে ফেলাকে বোঝানো হয় না। বরং এর দ্বারা বোঝানো হয়, রাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে ধর্ম মূলত কী এবং কী নয়, (কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে, আর কোন বিষয়টিকে ধর্মীয় বলা হবে না।) এটি কোথায় পালন করা যাবে এবং কীভাবে পালন করতে হবে। রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে সেক্যুলারিজম হলো রাষ্ট্র কর্তৃক ঈশ্বরকে হত্যা। রাষ্ট্র চাইলে যেকোনো ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানকে ব্যাপক বা সীমাবদ্ধভাবে পালন করতে দিতে পারে। চাইলে এটিকে একেবারে বাদ নয়তো সংকীর্ণ করতে পারে। এভাবে সে ইচ্ছানুযায়ী ধর্মীয় পরিমণ্ডলের বিস্তৃতি এবং পরিধি নির্ধারণের ক্ষমতা রাখে।’ ধর্মের ব্যাপারে সেক্যুলার রাষ্ট্রের বেঁধে দেওয়া এই গণ্ডি অতিক্রম করার পরিণতি কী হতে পারে, সে প্রসঙ্গে রুশো বলেছেন, ‘আমার কথা হচ্ছে : জাতীয় ধর্ম বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি হতেও পারে না। যে ধর্ম অপর ধর্মের ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সহিষ্ণু হবে, সে ধর্মকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে স্বীকার করব। নাগরিকের দায়িত্ব পালনের অন্তরায় না হলে যেকোনো ধর্মবিশ্বাসই রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু কোনো ধর্ম যদি ঘোষণা করে তার বিশ্বাসের বাইরে কারও আত্মার মুক্তি নেই, তবে রাষ্ট্রের মধ্যে তার স্থান হতে পারে না।’

এই অঞ্চল নিয়ে ইমরান রাইহান ভাইয়ের এই আলোচনাটা যারা শুনেননি তারা শুনতে পারেন। যারা শুনেছেন তারা আবার শুনেন। ৭ মিনিটের পর থেকে বাউল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা আছে। https://www.youtube.com/watch?v=_wXVApaHhcA&t=2021s

আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতাকে বলা হয় ইতিহাসের প্রথম মুলহিদ বা ধর্মহীন সভ্যতা। কিন্তু এই সভ্যতা যখন ইসলাম ও মুসলমানদের মুখোমুখি হয়, তখন সে তার পুরনো খ্রিস্টীয় উত্তরাধিকারকেই তুলে ধরে। নিজের সামরিক আগ্রাসনকেও সে গৌরবান্বিত করে ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ বলে। একই ব্যাপার ঘটে বাঙ্গালি সেক্যুলারদের ক্ষেত্রেও। তারা নিজেদেরকে যতই ধর্মহীন প্রচার করুক, ইসলাম ও মুসলমানদের মুখোমুখি হলে তারা আশ্রয় নেয় পৌত্তলিকতা ও হিন্দুত্ববাদের কোলেই। ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নামে এরা পৌত্তলিকতাকেই বারবার সামনে আনে। বাউলদের জন্য এদের মায়াকান্নার কারণ হলো বাউলদের মাঝে বিদ্যমান পৌত্তলিকতার উপাদান, এছাড়া সুফি ও তাসাউফের প্রতি তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

আমরা এক সাহাবী সিফাতওয়ালা মহান মানুষের সময়কাল পেয়েছি।
আমরা এক সাহাবী সিফাতওয়ালা মহান মানুষের সময়কাল পেয়েছি।

পাকিস্তানের আর্মি প্রকৃত শহিদ না শরিয়ার জন্য যুদ্ধ করা কাবায়েলি পাঠানরা? তা যাচাইয়ের সহজ একটি পদ্ধতি মেঙ্গল সাহেব বলে দিছেন। শুনতে পারেন।

জাতিসংঘের অনুষ্ঠানে যাওয়া এবং তা নিয়ে সমালোচনা নিয়ে শায়খ হারুন ইজহার সাহেবের আলোচনা শুনতে পারেন। বিশেষ করে প্রথম মিনিট। https://www.youtube.com/watch?v=Kspb7hlkW48