বাংলাদেশ বদরুললীগ
"চাঁদাবাজদের নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এখানে" ডিসকাশন গ্রুপ👉 @BALBD1959 ব্যাকআপ চ্যানেল👉 @BadrulCentral ব্যাকআপ গ্রুপ 👉 @BadrulProMax Follow us on: FB www.fb.com/BadrulBSL25
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام বাংলাদেশ বদরুললীগ
کانال বাংলাদেশ বদরুললীগ (@badrulbsl) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 60 383 مشترک است و جایگاه 1 004 را در دسته سیاست و رتبه 229 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 60 383 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 09 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -1 014 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -27 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 3.73% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.12% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 2 253 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 1 886 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 100 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“"চাঁদাবাজদের নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এখানে"
ডিসকাশন গ্রুপ👉 @BALBD1959
ব্যাকআপ চ্যানেল👉 @BadrulCentral
ব্যাকআপ গ্রুপ 👉 @BadrulProMax
Follow us on: FB www.fb.com/BadrulBSL25”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 10 ژوئیه, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 10 ژوئیه | 0 | |||
| 09 ژوئیه | +5 | |||
| 08 ژوئیه | +4 | |||
| 07 ژوئیه | 0 | |||
| 06 ژوئیه | +63 | |||
| 05 ژوئیه | 0 | |||
| 04 ژوئیه | 0 | |||
| 03 ژوئیه | 0 | |||
| 02 ژوئیه | +9 | |||
| 01 ژوئیه | +5 |
| 2 | بدون متن... | 450 |
| 3 | بدون متن... | 460 |
| 4 | কিছু বললেই তো বলবেন তুই তো রাজাকার তুই তো বলবিই। তাও না বলে থাকতে পারিনা। চোখের সামনে যারা তুরাগে রক্ত বন্যা বইয়ে দিতে পারে অর্ধ শতাব্দী আগের একাত্তর নিয়ে তারা কী করতে পারে তাতো বলাই বাহুল্য। জুলাইয়ের দেড় সহস্রাধিক ঠান্ডা মাথার খুনকে যারা অনধিক পঞ্চাশ খুনি পুলিশের হত্যা দিয়ে চাপা দিতে বিবেকের তাড়না বোধ করেনা তারা ত্রিশ লাখের গল্পের নিচে কত আদম সন্তানের লাশ গুম করে ফেলেছে কে জানে।
শুভজিৎ ভৌমিক ঠিকই বলেছেন —
"... আমাকে জাস্ট একটা রিজন দেখান। জুলাইতে যা হয়েছে, সবকিছুর ডকুমেন্ট আছে। ভিডিও আছে। ফোনকলের রেকর্ডিং আছে। এইসব প্রামাণ্য ডকুমেন্ট সামনে থাকার পরেও আওয়ামী লীগ ইতিহাসকে বিকৃত করার মিশনে আছে।
চোখের সামনে ইতিহাস টুইস্ট করে ফেলা এই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের লেখা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসেরঃ একটা শব্দও আমি কী কারণে বিশ্বাস করবো?
চোখের সামনে প্রমাণিত মিথ্যাবাদীর লেখা ইতিহাস আমি কেন বিশ্বাস করবো?
এইসব বললেই তো রাজাকার ট্যাগ অনিবার্য হয়ে যায়। তারপরেও, আমাকে একটা ভ্যালিড কারণ দেখান। আমাকে জাস্ট একটা কারণ দেখান যেঃ কী কারণে, প্রমাণিত মিথ্যাবাদীর লেখা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমি বিশ্বাস করবো?"
না, বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। যেমন এই ছবিতে মুক্তিযুদ্ধের যে হৃদয় বিদারক গল্পগুলি ফাঁদা হয়েছে তা মন্ত্রী মহসিনের পুত্র বিয়োগের শোকে বমি শিয়ালদের গলার কাছে দলা পাকিয়ে উঠার বেশি কিছু না। কিন্তু তাই বলে লাল পিঁপড়ায় মহান মুক্তিযোদ্ধার পঁচা পা খাওয়ার গল্পের সাথে ১৯৭৬ সালে নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নীহার বানুর ছবি জুড়ে দিতে হবে?
এদের গল্পগুলি শুধু যে খাপছাড়া, পরম্পরাহীন, ছিন্নসূত্র হয় তা না। এ এক আজীব হীনমন্যতা ভাই। একটা ডাবওয়ালা ক্যান্টনমেন্টে ডাব বিক্রি করতে গিয়ে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ কিছুই দেখে ফেলেছে এবং তা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে পৌঁছে দিয়েছে। সততার ইতিহাসে এই অতি সাধারণ গল্প কিন্তু কম বীরত্বের নয়। কিন্তু ঐ যে এতে যদি বিভৎসতা আরোপ করা না যায়, ডাবওয়ালার দা দিয়ে যদি দু'দশটা হানাদার জবাইয়ের কাহিনী যোগ করা না যায় তাহলে যদি পাব্লিক না খায়? যদি মনে করে এ আওয়ামী চোট্টাদের বানানো গল্প? তাই দেখা যায়, তাদের সব গল্পে লাশ খাওয়া ইলিশের মতো বিভৎসতা থাকতে হয়, চরম উদগ্র যৌন হিংস্রতা থাকতে হয়, লুঙ্গি তুলে খাল পার হওয়াটাকে টানা তিনদিন সাঁতরে পার হওয়া বানাতে হয়।
তবে এখানে আরও একট্য়া ব্যাপার আছে। এসব গালগল্প নিয়ে আপনি হয়তো রাজাকার তকমার ভয় এড়িয়ে কিছু হাসাহাসি করতেই পারেন, কিন্তু যে গল্প মতির, যে গল্প মাহফুজের সেসব গল্পের দিকে আপনি আড়চোখেও তাকাতে পারবেন না। গল্প বলছিনা। তাও কমেন্টে একাত্তরের বীরাঙ্গনাদের নিয়ে দুটি আইকনিক ছবি নিয়ে লেখা দিলাম। সামান্য একটু চোখ বুলিয়ে দেখবেন তো কাহিনীর যোগসূত্র কোথাও ছিন্ন হচ্ছে কিনা?
আমি বললে আবার রাজাকারী হয়ে যাবে। আজকের রাজাকারী আপনাদের হাতেই না হয় ছেড়ে দিলুম॥ | 629 |
| 5 | بدون متن... | 532 |
| 6 | بدون متن... | 528 |
| 7 | বাংলাদেশে কওমি অঙ্গন পচে শেষ হয়েছে সেদিন যেদিন এর মুরব্বিরা শাপলার গণহত্যা ভুলে লীগের নেতাদের থেকে মাদরাসায় ২ টাকার অনুদান নিয়ে লীগ চাটা শুরু করেছে, কওমিদের গণহত্যা, মাদরাসাগুলিকে জঙ্গি আস্তানা বলার পরও হাসিনাকে জননী উপাধি দিয়েছে। | 612 |
| 8 | বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে ডা. শক্তির মিথ্যাচার।
২০০১ সালে আমেরিকা 'ওয়ার অন টেরর' নামে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীতে লড়াই শুরু করে। আমেরিকান সিআইএ'র সহায়তায় তৈরি হওয়া জঙ্গী সংগঠন আল কায়েদার হামলাকে কেন্দ্র সারা পৃথিবীর ইসলামপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে পশ্চিমারা।
ভারত ও পারভেজ মোশাররফের পাকিস্তান সেই লড়াইয়ে আমেরিকার পক্ষ নেয়। বাংলাদেশ এই লড়াইয়ে যুক্ত না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
আমেরিকা প্রথমে ভারতকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে রাজি করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ২০০২ সালের জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বাংলাদেশকে যুদ্ধে রাজি করানোর জন্য চলে আসে।
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি টনি ব্লেয়ারকে জানিয়ে দেন। বাংলাদেশ কারো বিরুদ্ধে কোনো লড়াইয়ে যুক্ত হবে না। বাংলাদেশ কাউকে শত্রু বানাতে চায় না।
বাংলাদেশের এই অবস্থানে পশ্চিমা বিশ্ব বিরক্ত হয়। টনি ব্লেয়ার বাংলাদেশকে হুমকি দিয়ে যায়, যে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি বাংলাদেশ, সেই সন্ত্রাসীদের আক্রমনের শিকার হতে হবে বাংলাদেশকে।
এদিকে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও ক্রমাগত অর্থনৈতিক উন্নতি ভারতের ওপর চাপ তৈরি করে। বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্পে বাংলাদেশ ১ নং পজিশনে চলে যাওয়া, সার্ক পুনঃগঠন করা ইত্যাদি। বাংলাদেশে আমেরিকার ইশারায় শুরু হয় ভারতের জঙ্গীবাদ প্রজেক্ট।
আওয়ামী লীগ নেতা মীর্জা আজমের বোন জামাই শায়খ আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় জঙ্গীবাদ প্রজেক্ট। এই প্রজেক্ট আত্মপ্রকাশ করে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট। বোমা মেরে মানুষ খুন করতে থাকে ভারতীয় জঙ্গীরা।
বিএনপি - জামায়াত সরকার ১ বছরের মধ্যেই জঙ্গীবাদ কন্ট্রোল করে ফেলে। বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র যারা আধিপত্যবাদীদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করা জঙ্গীবাদকে পুরোপুরি কন্ট্রোল করতে সক্ষম হয়েছে।
না ক্রসফায়ার দিয়ে নয়, সকল জঙ্গীকে বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান জংগীদের তাত্ত্বিক নেতা ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি লিখলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সরকার নাকি সেসময় আমেরিকার সাথে যুক্ত হয়ে ইসলাম পন্থীদের দমন করেছে।
মিথ্যা কথা। জেএমবি ইসলামপন্থী না। এরা শক্তি গ্যাং, হাফি গ্যাং, হারুন গ্যাং এবং ছাত্রলীগের মতো সন্ত্রাসবাদী। এদের সবার বাবা ভারতীয় মুশরিকরা।
জংগীদের একটা আলাদা আক্রোশ রয়েছে র্যাবের প্রতি। বিশেষ করে র্যাবের কর্নেল গুলজার উদ্দিনের প্রতি।
জংগী নেতা শক্তি জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া নাকি ইসলামপন্থীদের দমন করতে র্যাব গঠন করেছেন।
এটাও মিথ্যা। র্যাব ২০০৪ সালে গঠিত হয়েছে গডফাদার ও আভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে। এটা ছিল মূলত অপারেশন ক্লিনহার্টের বর্ধিত অংশ।
২০০৫ সালের আগস্টে জংগীদের উপদ্রব দেখা দিলে র্যাব ভারতীয় জংগীদের কন্ট্রোল করে।
সেই দুঃখ ভুলতে পারছে না ডা. শক্তি।
আহমেদ আফগানী | 640 |
| 9 | সাবেক লীগ সন্ত্রাসী ও গুপ্ত শাহবাগী শক্তির মা'কে রেপ করেছিলো জামায়াত নেতারা তাতে শক্তির জন্ম হয়েছিলো। | 643 |
| 10 | بدون متن... | 1 127 |
| 11 | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অজানা অধ্যায়: ডাকসু, রাজনীতি ও প্রশাসন | Prof. Saifuddin Ahmed | 1 636 |
| 12 | ডাক্তার সাহেবের পরেই সাদিক কায়েম ওদের টার্গেট! | 1 611 |
| 13 | বিকাশ নূর গাঞ্জা খাওয়ার পরে এবং আগে 😁 | 1 554 |
| 14 | ছাপড়ি নারী সাংবাদিক যখন কালেরকণ্ঠের টকশো উপস্থাপিকা! 😁 | 1 614 |
| 15 | https://t.me/azadirdak/21814 | 1 592 |
| 16 | চরমোনাইর হুজুর যেদিকেই ওয়াজ করে! পোলাপাইন শুধু ভুল ধরে 😁 | 1 679 |
| 17 | হকার'রা জনতার নেতা আম তারেক কে হাতিয়ে দিছে 😁 | 2 234 |
| 18 | বরিশালের মনুরা চালাক আছে 😁 | 2 178 |
| 19 | এটা ভালো দিক | 2 166 |
| 20 | আমরা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় অংশ নেবো না: ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি | 2 036 |
