DESIGN by Sayeed
رفتن به کانال در Telegram
ডিজাইন এর মাধ্যমে পেয়ে যান ইসলামী বার্তা। পড়ুন, জানুন আর আমল করুন। শেয়ার করুন যেকোনো প্রকার ক্রেডিট ছাড়াই! ইনশাআল্লাহ।
نمایش بیشتر853
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-37 روز
-830 روز
آرشیو پست ها
Repost from Focused
Focused #196
এমন করে কি ভালোবেসেছি প্রিয়নবী মুহাম্মদ (সা:)-কে?
========================
একবার এক মুরব্বির রিকশায় উঠেছিলাম। তাঁকে দেখে অনেকটা ধার্মিক মনে হলো। রিকশা চলছে, আমি পেছনে বসা। রিকশাওয়ালা রিকশা চালাচ্ছেন আর মুখে কী যেন জপছেন। আমার খুব কৌতূহল হলো। এই কৌতূহল নিয়েই তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, 'চাচা, আপনি কিছু পড়ছেন নাকি?' তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার মাশুকের তরে দুরুদ পাঠ করছি।' আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'আপনার মাশুক?' জবাবে বললেন, 'আমাদের প্রিয় নবী।' প্রিয় নবী বলা মাত্রই তিনি জোরে বললেন, 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।'
রাসুলুল্লাহর প্রতি তাঁর মহব্বত আর দুরুদের প্রতি টান দেখে আমি আবেগাপ্লুত হলাম বৈকি। একজন রিকশাওয়ালা মানুষ, কিন্তু তাঁর ভেতরে দ্বীনের এত গভীর টান, রাসুলুল্লাহর প্রতি এত প্রেম—অবিশ্বাস্য!
উনার কাছ থেকে সেই সময় জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম, তিনি নিয়মিত রিকশা চালান। পুরোদিন রিকশা চালানোর সময় এভাবেই দুরুদ পড়েন। তাঁকে জিজ্ঞেস করছিলাম, 'চাচা, দিনে কতবার দুরুদ পড়েন?' তিনি বললেন, 'বেটা, হিসাব রাখি না। তবে মনে হয় হাজার দুয়েক খানেক হবে।' আমি অবাক হয়ে বললাম, 'হাজার দুয়েক?' চাচা চোখ মুছলেন। বললেন, 'বেটা, হাজার দুয়েক কোনো সংখ্যা হলো? এটা শুনে তুমি অবাক হলে কেন? আমি তো নিজের উপর ক্ষিপ্ত হই এই ভেবে যে, আমি কেন আরও বেশি দুরুদ পাঠ করতে পারি না। বাবা, আমার তো আর কিছু নাই। না পড়াশোনা, না টাকা-পয়সা। এই দুনিয়াতে তো সুখ পাইলাম না। কিয়ামতের দিন যদি নবীজির কাছে একটু জায়গা পাই, তাহলেই আমার জীবনটা সার্থক।'
চাচার এই কথাগুলো আমার মনে গেঁথে যায়। এই সাধারণ মানুষটির স্বপ্ন, তাঁর আশা, সব শুধু কিয়ামতের দিন নবীজির কাছে থাকা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি প্রতিদিন হাজার হাজার দুরুদ পড়ছেন।
দুরুদ এবং শাফায়াতের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন—যে আমার প্রতি সকালে দশবার আর সন্ধ্যায় দশবার দরূদ পড়বে, কিয়ামতের দিন সে আমার শাফাআত লাভ করবে। (আততারগীব ওয়াততারহীব, মুনযিরী, হাদীস ৯৮৭)
— মাহমুদ বিন নূর।
#motivational #thinkaboutit #thinkagain
আমি নিজের ধ্বংস নিজেই করেছি!
===========================
প্রথমেই আমি ফরজ সালাত ত্যাগ করিনি। কোনো একদিন যোহরের ওয়াক্তে জায়নামাজে দাঁড়িয়ে খেয়াল এসেছিল—আজ নফল টা বাদ দেই।
প্রথমেই আমি যিকির বন্ধ করিনি। কোনো একদিন আসরের ওয়াক্তের পর মন বললো—আজ যিকিরের সংখ্যাটা কমিয়ে দেই।
প্রথমেই আমি কুরআনের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করিনি। কোনো একদিন এশার ওয়াক্তের পর ভেবেছিলাম—আজ সূরা মূলক না পড়ি।
প্রথমেই আমি আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায়ের অভ্যাস নষ্ট করিনি। তবে আযান কানে আসার পর কে যেন জানালো—অনলাইনের দাওয়াহ দেবার জন্য লেখাটুকু কমপ্লিট করে নেও।
প্রথমেই আমি নন মাহরামের ফিতনায় পড়িনি। কোনো একদিন লেখকের লেখা পড়া, লিস্টে নেওয়া অতঃপর ডে' তে রিপ্লাই করা। মন বললো—প্রয়োজনে কথা বলার ছাড় আছে।
আমি কোনো কিছুই প্রথমে করিনি। কেবল হিদায়েত ঘুড়ির সুতাকে কিছুটা ঢিল দিয়েছিলাম। আর আজ? সেই ঘুড়ি মুখ থুবড়ে মাটিতে পতিত হয়েছে। সেই যে নফল ছেড়ে আসলাম, ছেড়ে আসলাম যিকিরে মগ্ন থাকা, ছেড়ে আসলাম কুরআনকে—আজ তারাই আমাকে ছেড়ে দিয়েছে। আমি এখনও শুনতে পাই;
'হাইয়া আলাস সালাহ
হাইয়া আলাল ফালাহ'
তবে সাথে-সাথে সালাতে দাঁড়াতে পারিনা, পারিনা নফলের হক্ব আদায় করতে কিংবা ফরজের। পারিনা মন খুলে যিকির করতে কিংবা কুরআনের পাতায় মশগুল হতে। আমি প্রথমেই ছাড়িনি.. চাইনি ছাড়তে! অথচ আজ কতখানি দূরত্ব; আমি আঁকড়ে ধরতে চাই তবু পা পিছলে যাই। আমি আমার অতীতে সুখী ছিলাম না, না আছি বর্তমানে। আমি নিজের ধ্বংস নিজেই করেছি—হেদায়েতের সুমিষ্ট স্বাদ, রহমতের ছায়া থেকে নিজেই নিজেকে সরিয়েছি। আর দাঁড়িয়ে আছি আপন ধ্বংসস্তূপের উপর! নির্বিকার, নির্লিপ্ত বোধহীন...
লেখা : কারিশমা আনান সুহানা।
Repost from Healthy Muslim
জানা আছে তো...?
==================
ফোরপ্লে: কেন এটি দাম্পত্য সুখের মূল চাবিকাঠি!
অনেকেই ভাবে সহবাস মানেই শুরু আর শেষ — কিন্তু আসল সুখটা তার আগেই শুরু হয়, যেটাকে বলে ফোরপ্লে।
এটা শুধু কিছু স্পর্শ বা চুম্বন নয়; বরং সঙ্গীর মনে এক ধরনের নিরাপত্তা, ভালোবাসা আর আকর্ষণ তৈরি করার প্রক্রিয়া।
💫 ফোরপ্লে মানে কী?
চোখে চোখ রাখা, আলতোভাবে ছোঁয়া, প্রশংসা করা, গল্প বলা, এমনকি একসাথে হাসা — সবই ফোরপ্লের অংশ। এটা দেহকে নয়, মনকে প্রস্তুত করে।
🔹 গবেষণায় দেখা গেছে —
নারীর শরীর ও মস্তিষ্ক ধীরে উত্তেজিত হয়। তাই অন্তত ১০-১৫ মিনিটের ফোরপ্লে তার শরীরকে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত করে।
এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, শরীর আর মন দুটোই স্বস্তি পায় — যা আসল সময়টাকে আরও সুন্দর ও পরিপূর্ণ করে তোলে।
💡 যে পুরুষ ফোরপ্লে বোঝে, সে নারীর শরীর নয়, মন জয় করে।
আর যিনি নারীর মন জয় করেন, তিনিই প্রকৃত পুরুষ — কারণ তার ভালোবাসা তাড়াহুড়োর নয়, বরং ধৈর্যের প্রতিফলন।
❤️ মনে রাখুন:
ফোরপ্লে কোনো “অতিরিক্ত ধাপ” নয় — এটা দাম্পত্য সুখের মূল ভিত্তি।
যে সম্পর্কের শুরু হয় অনুভূতি দিয়ে, তার শেষ হয় তৃপ্তি দিয়ে।
তো সবশেষে বলি
"Happy foreplaying!!"
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
