fa
Feedback
Focused

Focused

رفتن به کانال در Telegram
2 015
مشترکین
-224 ساعت
-17 روز
-1230 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
سپتامبر '26
سپتامبر '26
+8
در 0 کانال‌ها
اوت '26
+18
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '26
+27
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '26
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+56
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+32
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+50
در 2 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+56
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+27
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+28
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+19
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+24
در 1 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+30
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+25
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+29
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+25
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+53
در 2 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+45
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+30
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+57
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+77
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+191
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+311
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+16
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+6
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+33
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+30
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+23
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+17
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+26
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+47
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+69
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+48
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+84
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+64
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+45
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+37
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+52
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+28
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+37
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+38
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+76
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+131
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+106
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+146
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+158
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+159
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+368
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '22
+265
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
05 سپتامبر+2
04 سپتامبر0
03 سپتامبر+1
02 سپتامبر+4
01 سپتامبر+1
پست‌های کانال
20260826_023943.jpg2.76 MB

2
بدون متن...
159
3
بدون متن...
304
4
হে আমার রব, আমি উপস্থিত... ================= তাযকিয়াতুন নফস, যুহদ, তাকওয়া ইত্যাদি নিয়ে পড়াশুনা করেছে, কিন্তু ফুযাইল ইবনু ইয়াদ রাহিমাহুল্লাহর নাম শোনেনি এমন লোক খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর হবে। এইসব শাস্ত্রের পাতায় পাতায় ছড়ানো ছিটানো আছে তাঁর জীবনের গল্পগাঁথা, তাঁর অনন্য তাকওয়া, অত্যাশ্চর্য যুহদের কথা। প্রথম জীবনে এই ফুযাইল ইবনু ইয়াদ ছিলেন একজন পথডাকাত। খোরাসানের রাস্তায় গভীর রাতে বাণিজ্য কাফেলা লুট করতেন দলবল নিয়ে। একবার এক রমনীকে তার ভীষণ ভালো লেগে যায়। ডাকাতি করতে বের হয়ে ভাবলেন, আজ আর এসবে কাজ নেই৷ আজ বরং ভালোবাসার প্রিয়তমাকে একপলক দেখে আসি। সেই রমনীকে দেখতে তাদের বাড়ির নিকটে চলে আসেন ফুযাইল। এসে দেখেন বাড়ির চারপাশ দেয়াল দিয়ে বেষ্টিত; কোনোভাবেই ভেতরে প্রবেশের সুযোগ নেই। কিন্তু, রমনীকে যে একপলক তার দেখতেই হবে! তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, দেয়াল টপকে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়বেন৷ যেহেতু ডাকাতি পেশার সাথে যুক্ত, ফলে এইসব কাজ তো তার জন্য একেবারে ডালভাত। ফুযাইল দেয়াল টপকাতে গেলেন। কিছুদূর হয়তো উঠেছিলেনও। হঠাৎ শুনতে পেলেন, কোথা থেকে যেন গুনগুন শব্দ ভেসে আসছে। এই গভীর নিঁশুতি রাতে সবাই তো বেঘোর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার কথা। এই আওয়াজ তাহলে কীসের? ফুযাইল ভালোভাবে কান পাতলেন। কোথাও যেন কেউ কুরআন তিলাওয়াত করছে। কে করছে, আওয়াজটা কোথা থেকে আসছে ঠাহর করতে পারলেন না তিনি৷ তবে, তিলাওয়াতেত যে আয়াতাংশ তার কানে এসে লাগল, তা শুনেই জবরদস্ত পাথরের মতো ঠাঁই দাঁড়িয়ে গেলেন ফুযাইল। সেই গভীর নিঁশুতি রাতে, একেবারে আকস্মিক, অপরিচিত উৎস থেকে শুনতে পাওয়া সেই আয়াতটা ছিল এই— ‘এখনও কি ঈমানদারদের জন্য সময় আসেনি যে—তাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তার সামনে বিনীত হবে?’ ( আল হাদীদ, ১৬ ) এই আয়াত শুনেই কেমন একটা শীতল পানির স্রোত যেন নেমে গেল ফুযাইল ইবন ইয়াদের শিরদাঁড়া বেয়ে৷ তিনি যেন সম্বিৎ ফিরে ফেলেন। ফুযাইল কেঁদে ফেললেন ঝরঝর করে৷ তিনি ভাবলেন—‘হায়! এ কোন জীবনে রয়েছ তুমি, ফুযাইল?’ ফুযাইল দেরি করলেন না একটুও। আয়াতটা শেষ হওয়া মাত্রই তিনি চিৎকার করে বলে উঠলেন, ‘হ্যাঁ আমার রব! সেই সময় তো এসে গেছে।’ একটামাত্র আয়াত সেদিন বদলে দিয়েছিল ডাকাত-সর্দার ফুযাইল ইবনু ইয়াদের জীবন। একটা আয়াত তাঁকে এতোটাই স্পর্শ করে গেল যে—সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি আমূল বদলে ফেললেন নিজের জীবন। আল্লাহর দ্বীনকে জীবনে এমনভাবে জড়িয়ে নিলেন যে, দস্যুদলের সর্দার থেকে তিনি পরিণত হয়েছিলেন যুগশ্রেষ্ঠ ফকীহ, যাহিদ এবং বুযুর্গ ব্যক্তিতে। ফুযাইল ইবনু ইয়াদের জন্য কুরআনের একটা আয়াতই যথেষ্ট হয়েছিল। অথচ আমাদের সামনে গোটা কুরআনের ৬২৩৬ টি আয়াত, ১১৪ টা আস্ত সুরাই তো রয়েছে। আমরা কেন ফুযাইল ইবনু ইয়াদের মতো করে বলতে পারছি না, ‘সময় হয়েছে হে রব! আমি উপস্থিত?’ ✒️ আরিফ আজাদ।
291
5
20260724_060523.jpg
244
6
بدون متن...
244
7
ভালোবাসা কাকে বলে? সাহাবিদের জীবনই তার সবচেয়ে উজ্জ্বল উত্তর। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি তাঁদের ভালোবাসা শুধু মুখের দাবি ছিল না; প্রতিটি আচরণে, প্রতিটি ত্যাগে, প্রতিটি অশ্রুবিন্দুতে সেই ভালোবাসা ফুটে উঠেছিল। আবু বকর (রা.) একদিন দেখলেন, প্রিয় নবী ﷺ-এর চোখ অশ্রুসজল। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, “আমি কাঁদছি কারণ আমার প্রিয় নবী কাঁদছেন।” প্রিয় মানুষের হাসিতে হাসা সহজ, কিন্তু তাঁর দুঃখকে নিজের হৃদয়ে অনুভব করাই সত্যিকারের ভালোবাসা। জুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা.) তখনও কিশোর। যখন শুনলেন—রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে হত্যা করা হয়েছে, তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে তলোয়ার হাতে বেরিয়ে পড়লেন। ভালোবাসা কখনো বয়সের হিসাব করে না। বনু দীনার গোত্রের সেই সাহসী নারী উহুদের ময়দানে বাবা, ভাই ও স্বামী—তিনজনকেই হারিয়েছিলেন। তবুও তাঁর প্রথম প্রশ্ন ছিল, “আল্লাহর রাসুল ﷺ কেমন আছেন?” যখন জানতে পারলেন তিনি নিরাপদে আছেন, তখন বললেন, “আপনি ভালো থাকলে আমার সব শোকই তুচ্ছ।” একদিন রাসুলুল্লাহ ﷺ মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “আয়েশাকে নিয়ে আমাকে কষ্ট দিও না।” প্রিয়জনকে সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়ার এমন সুন্দর দৃষ্টান্ত ইতিহাসে বিরল। হিজরতের পথে সাওর গুহার সামনে আবু বকর (রা.) নবীজিকে বললেন, “আপনি আগে প্রবেশ করবেন না, আগে আমি ঢুকি। যদি কোনো বিপদ থাকে, তা আগে আমার ওপর আসুক।” নিজের জীবনকে ঢাল বানিয়ে দেওয়ার নামই তো ভালোবাসা। বিলাল (রা.) নবীজি ﷺ-এর ইন্তিকালের পর আর আজান দিতে পারতেন না। “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ” উচ্চারণ করলেই তাঁর চোখ ভিজে যেত। বহু বছর পর আবার আজান দিলে উপস্থিত মানুষের কান্নায় চারদিক ভারী হয়ে উঠেছিল। হিজরতের কঠিন সফরে আবু বকর (রা.) এক পাত্র দুধ এনে নবীজির হাতে তুলে দিলেন। তিনি পরে বলেছিলেন, “নবীজি পান করলেন, কিন্তু তৃপ্তি পেল আমার হৃদয়।” এটাই ভালোবাসার সৌন্দর্য—প্রিয়জনের শান্তিতেই নিজের শান্তি খুঁজে নেওয়া। সাওবান (রা.) একদিন বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন। নবীজি ﷺ কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, “আপনাকে না দেখলে আমার মন অস্থির হয়ে যায়। আপনার সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত কোনো শান্তি পাই না।” রাবিয়া ইবন কাব (রা.)-কে যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, “কিছু চাও”, তখন তিনি দুনিয়ার কিছুই চাননি। তাঁর একমাত্র প্রার্থনা ছিল—“জান্নাতেও যেন আপনার সঙ্গ লাভ করতে পারি।” এমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ—যিনি নিজের উম্মতের জন্য অশ্রু ঝরিয়েছেন, দোয়া করেছেন, ক্ষমা চেয়েছেন। তাঁর প্রতি ভালোবাসা শুধু অনুভূতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের আমল, চরিত্র ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত । 🌿 আসুন, এই লেখা পড়ে অন্তত একবার আন্তরিকভাবে দরুদ শরিফ পাঠ করি— اللهم صل وسلم وبارك على نبينا محمد ﷺ আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রকৃত অনুসারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।
344
8
20260715_183351.jpg
253
9
بدون متن...
256
10
ভালোবাসা কাকে বলে? সাহাবিদের জীবনই তার সবচেয়ে উজ্জ্বল উত্তর। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি তাঁদের ভালোবাসা শুধু মুখের দাবি ছিল না; প্রতিটি আচরণে, প্রতিটি ত্যাগে, প্রতিটি অশ্রুবিন্দুতে সেই ভালোবাসা ফুটে উঠেছিল। আবু বকর (রা.) একদিন দেখলেন, প্রিয় নবী ﷺ-এর চোখ অশ্রুসজল। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, “আমি কাঁদছি কারণ আমার প্রিয় নবী কাঁদছেন।” প্রিয় মানুষের হাসিতে হাসা সহজ, কিন্তু তাঁর দুঃখকে নিজের হৃদয়ে অনুভব করাই সত্যিকারের ভালোবাসা। জুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা.) তখনও কিশোর। যখন শুনলেন—রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে হত্যা করা হয়েছে, তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে তলোয়ার হাতে বেরিয়ে পড়লেন। ভালোবাসা কখনো বয়সের হিসাব করে না। বনু দীনার গোত্রের সেই সাহসী নারী উহুদের ময়দানে বাবা, ভাই ও স্বামী—তিনজনকেই হারিয়েছিলেন। তবুও তাঁর প্রথম প্রশ্ন ছিল, “আল্লাহর রাসুল ﷺ কেমন আছেন?” যখন জানতে পারলেন তিনি নিরাপদে আছেন, তখন বললেন, “আপনি ভালো থাকলে আমার সব শোকই তুচ্ছ।” একদিন রাসুলুল্লাহ ﷺ মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, “আয়েশাকে নিয়ে আমাকে কষ্ট দিও না।” প্রিয়জনকে সম্মান ও নিরাপত্তা দেওয়ার এমন সুন্দর দৃষ্টান্ত ইতিহাসে বিরল। হিজরতের পথে সাওর গুহার সামনে আবু বকর (রা.) নবীজিকে বললেন, “আপনি আগে প্রবেশ করবেন না, আগে আমি ঢুকি। যদি কোনো বিপদ থাকে, তা আগে আমার ওপর আসুক।” নিজের জীবনকে ঢাল বানিয়ে দেওয়ার নামই তো ভালোবাসা। বিলাল (রা.) নবীজি ﷺ-এর ইন্তিকালের পর আর আজান দিতে পারতেন না। “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ” উচ্চারণ করলেই তাঁর চোখ ভিজে যেত। বহু বছর পর আবার আজান দিলে উপস্থিত মানুষের কান্নায় চারদিক ভারী হয়ে উঠেছিল। হিজরতের কঠিন সফরে আবু বকর (রা.) এক পাত্র দুধ এনে নবীজির হাতে তুলে দিলেন। তিনি পরে বলেছিলেন, “নবীজি পান করলেন, কিন্তু তৃপ্তি পেল আমার হৃদয়।” এটাই ভালোবাসার সৌন্দর্য—প্রিয়জনের শান্তিতেই নিজের শান্তি খুঁজে নেওয়া। সাওবান (রা.) একদিন বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন। নবীজি ﷺ কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, “আপনাকে না দেখলে আমার মন অস্থির হয়ে যায়। আপনার সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত কোনো শান্তি পাই না।” রাবিয়া ইবন কাব (রা.)-কে যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ বললেন, “কিছু চাও”, তখন তিনি দুনিয়ার কিছুই চাননি। তাঁর একমাত্র প্রার্থনা ছিল—“জান্নাতেও যেন আপনার সঙ্গ লাভ করতে পারি।” এমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ—যিনি নিজের উম্মতের জন্য অশ্রু ঝরিয়েছেন, দোয়া করেছেন, ক্ষমা চেয়েছেন। তাঁর প্রতি ভালোবাসা শুধু অনুভূতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের আমল, চরিত্র ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত। 🌿 আসুন, এই লেখা পড়ে অন্তত একবার আন্তরিকভাবে দরুদ শরিফ পাঠ করি— اللهم صل وسلم وبارك على نبينا محمد ﷺ আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রকৃত অনুসারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।
1
11
بدون متن...
1
12
Power of Ayatul Kursi ____ The Prophet Muhammad SAW said: ​"When you go to your bed, recite Ayatul Kursi. Then Allah will app
Power of Ayatul Kursi ____ The Prophet Muhammad SAW said: ​"When you go to your bed, recite Ayatul Kursi. Then Allah will appoint a guard for you who will stay with you, and no devil will come near you until morning." ​Reference: ​Sahih al-Bukhari 2311.
297
13
দুরুদ শরীফের অপার ফজিলত ======================= দুরুদ শরীফ শুধু কয়েকটি শব্দের যিকির নয়; এটি আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল, নবী ﷺ–এর প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের একটি মহান মাধ্যম। এই চারটি বিষয় হৃদয়ে ধারণ করে দুরুদ পড়ুন—ইনশা আল্লাহ, দুরুদের প্রতি আপনার ভালোবাসা ও আগ্রহ দিন দিন বেড়ে যাবে। ১) আপনি যখন দুরুদ পড়েন, রাসূল ﷺ-এর কাছে আপনার দুরুদ পৌঁছে যায় আপনি পৃথিবীর যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার পড়া দুরুদ আল্লাহর ব্যবস্থাপনায় রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। রাসূল ﷺ বলেছেন: "তোমরা যেখানেই থাকো না কেন, তোমাদের দুরুদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।" (সুনান আবু দাউদ : ২০৪২; মুসনাদ আহমদ: ১০৫৯৪) আরেকটি সহিহ বর্ণনায় এসেছে, বিশেষ ফেরেশতারা উম্মতের সালাম ও দুরুদ রাসূল ﷺ-এর কাছে পৌঁছে দেন এবং দুরুদ পাঠকারীর পরিচয়ও উল্লেখ করেন। ভাবুন তো, কোটি কোটি উম্মতের মাঝে আপনার নামও সেই সৌভাগ্যবানদের তালিকায় উচ্চারিত হচ্ছে—এটি কত বড় সম্মান! ২) একবার দুরুদ পড়লে আল্লাহ দশগুণ রহমত বর্ষণ করেন রাসূল ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দুরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।"» (সুনান আন-নাসায়ি: ১২৯৭; সহিহ ইবনে হিব্বান: ৯০৮) আর আল্লাহ তাআলা নিজেই নির্দেশ দিয়েছেন— "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর নবীর প্রতি রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করেন । হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম প্রেরণ করো।" — সূরা আল-আহযাব, আয়াত ৫৬। যে আমল আল্লাহ নিজে করেন, ফেরেশতারাও করেন, সেই আমলে শরিক হওয়া কত বড় সৌভাগ্য! ৩) দুরুদ দুশ্চিন্তা দূর করে, গুনাহ ক্ষমার কারণ হয় উবাই ইবন কা'ব (রা.) নবী ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি তাঁর দোয়ার কতটুকু অংশ দুরুদের জন্য নির্ধারণ করবেন। শেষে যখন বললেন, "পুরোটাই?", তখন রাসূল ﷺ বললেন: "তাহলে তোমার সব দুশ্চিন্তা দূর করে দেওয়া হবে এবং তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।" (সুনান আত-তিরমিজি: ২৪৫৭ — সহিহ)। তাই জীবনের কষ্ট, অস্থিরতা ও সংকটের সময় দুরুদকে নিজের নিত্যসঙ্গী বানান। এটি অন্তরে প্রশান্তি আনে এবং আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম। ৪) যিনি আমাদের জন্য কেঁদেছেন, তাঁর প্রতি দুরুদ পাঠাতে কৃপণতা কেন? রাসূল ﷺ আমাদের মুক্তির জন্য অকল্পনীয় কষ্ট সহ্য করেছেন। তায়েফে রক্তাক্ত হয়েছেন, উহুদে আহত হয়েছেন, তবুও উম্মতের জন্যই দোয়া করেছেন। কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে, যখন প্রত্যেকে নিজের চিন্তায় ব্যস্ত থাকবে, তখন তিনি বলবেন— 'ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি' (আমার উম্মত! আমার উম্মত!) (সহিহ মুসলিম: ২০২)। এই ভালোবাসার প্রতিদান আমরা কখনোই দিতে পারব না। তবে অন্তত বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করে তাঁর প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ করতে পারি। অতিরিক্ত আমল : দুরুদের পাশাপাশি বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন এবং দোয়া ইউনুস পাঠ করুন— لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ এটি বিপদে পড়া নবী ইউনুস (আ.)-এর দোয়া। আল্লাহ তাআলা কুরআনে জানিয়েছেন যে, তিনি তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং এভাবে তিনি মুমিনদেরও মুক্তি দেন। আসুন, প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় দুরুদ, ইস্তিগফার ও আল্লাহর যিকিরে ব্যয় করি। হয়তো এই সামান্য আমলই হবে আমাদের গুনাহ ক্ষমার কারণ, হৃদয়ের প্রশান্তির কারণ এবং জান্নাতের পথে সবচেয়ে সুন্দর পাথেয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার, ইস্তিগফারে অভ্যস্ত হওয়ার এবং রাসূল ﷺ–এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার তাওফিক দান করুন। আমীন।
299
14
20260711_220450.jpg
201
15
بدون متن...
230
16
20260711_214611.jpg
1
17
بدون متن...
1
18
وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِنْ مَاءٍ ۖ فَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ بَطْنِهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ رِجْلَيْن
وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِنْ مَاءٍ ۖ فَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ بَطْنِهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ رِجْلَيْنِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ أَرْبَعٍ ۚ يَخْلُقُ اللَّهُ مَا يَشَاءُ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ____ আল্লাহ প্রত্যেক চলন্ত জীবকে পানি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। তাদের কতক বুকে ভর দিয়ে চলে, কতক দুই পায়ে ভর দিয়ে চলে এবং কতক চার পায়ে ভর দিয়ে চলে; আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু করতে সক্ষম। __ (সূরা আন-নূর, আয়াতঃ ৪৫)।
287
19
আল্লাহর কাছে কিছু ক্যাশ টাকা চেয়েছিলাম, কত হতে পারে ধারণা করতে পারেন? আমি যখন আল্লাহর কাছে কিছু চাই, তখন সেটা পাওয়ার জন্য পুরো একটা strategy বানিয়ে ফেলি। আমার framework-টা এরকম: - কেন চাই, তা নির্ধারণ করা। - কত দিনের মধ্যে চাই, তা নির্ধারণ করা। - কীভাবে চাই, তা নির্ধারণ করা। - তারপর দোয়া কবুলের সময় ও স্থান খুঁজে বের করে সেই সময় আল্লাহর কাছে এই তিনটি বিষয় বলা। সাথে leverage হিসেবে ব্যবহার করি সূরা বাকারার ২৬১ নম্বর আয়াতের ফর্মুলা। ফর্মুলাটা বুঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ বলেছেন: “যারা আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ব্যয় করে, তাদের (দানের) তুলনা সেই বীজের মতো, যেখান থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। প্রত্যেক শীষে একশত করে দানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন। বস্তুত আল্লাহ প্রাচুর্যের অধিকারী, সর্বজ্ঞ।” বুঝার সুবিধার জন্য সূত্রটা এভাবে দেখি: 👉১ টাকা সদকা = ৭ × ১০০ = ৭০০ গুণ বা তারও বেশি প্রতিদান। এরপর আমি দোয়া কবুলের সময় ও স্থানে গিয়ে আল্লাহকে বলি, “আল্লাহ, আপনি সূরা বাকারার ২৬১ নম্বর আয়াতে বলেছেন, আপনার পথে একটি টাকা খরচ করলে আপনি ৭০০ গুণ বা তারও বেশি প্রতিদান দেন। আমার মোট এত টাকা প্রয়োজন। তাই আমি সেই টাকার ৭০০ ভাগের এক ভাগ সদকা করছি। আল্লাহ, আপনি আমার এই সদকা এবং আমার দোয়া দুটোই কবুল করুন।” দোয়ার আগে এবং পরে আল্লাহর রাসুল ﷺ-এর উপর দরূদ পড়ে নিলে বিষয়টা আরও সুন্দর হয়। এখন আমি শুধু আল্লাহর সাহায্য আসার জন্য রাস্তা তৈরি করছি। ধরুন, আমি যদি একটি বড়শি দিয়ে মাছ ধরি, তাহলে একবারে কয়টা মাছ ধরতে পারবো? সহজ উত্তর একটা। কিন্তু যদি জাল নিয়ে মাছ ধরতে যাই, তখন কয়টা মাছ পাব? এখন আমি মাছ ধরার জন্য জাল নিয়ে বের হয়েছি। মাছ দিবেন আল্লাহ। দোয়া করবেন আমার জন্য, যেন বেশি করে মাছ পাই। লেখা : মোহাম্মদ জিয়াউল কবির।
295
20
بدون متن...
263