Al Asar
رفتن به کانال در Telegram
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)
نمایش بیشتر1 393
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-2430 روز
آرشیو پست ها
1 393
Repost from সম্ভাব্য সত্য
মিডিয়ার নির্লিপ্ততার কারণে এত বড় একটা গণ-মার্চ সম্পর্কে আমাদের কোনও খবরই নেই।🙂
ভারতের এক হি.ন্দু পুরোহিত ইসলাম ধর্ম এবং রাসুল সা: কে নিয়ে কটুক্তি করেছে, অতঃপর বি.জিপির এক নেতা আবার সেটাকে সমর্থন করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুরো ইন্ডি.য়া ফুঁসে ওঠেছে। ✊
মহারাষ্ট্রের একজন মুসলিম নেতা ইমতিয়াজ জলিলের আহ্বানে আজকে মহারাষ্ট্র থেকে হাজার হাজার গাড়িতে লক্ষাধিক মুসলমান মুম্বাইতে আগমন করেছে এবং তাদের ঈমানের পরিচয় দিয়েছে। ঐ পুরোহিতের বিচার দাবি করেছে। ✊
ভার.তের বুকে এভাবে কালিমার পতাকা উড়িয়ে প্রতিবাদ করা দেখে মনটা ভরে গেল। ভার.ত জয়ের স্বপ্ন আরও সুদৃঢ় হলো। এই দেশ অচিরেই মুসলমানদের করতলে আসয়ে বিইজনিল্লাহ।☝️
#ChaloMumbai
#Chalo_Mumbai
© সংগৃহীত
1 393
প্রশ্নঃ টেলিগ্রামে হ্যামস্টার কমবেট একটি চ্যানেল রয়েছে সেখানে ঢুকে প্রেস করার মাধ্যমে কয়েন ইনকাম করে টাকা উপার্জন করা যায়। এভাবে টাকা উপার্জন করার শরয়ী বিধান কি?
উত্তরঃ নাজায়েজ!
© Mufti Masum Billah
1 393
+1
ইসলামী মূল্যবোধ না থাকলে সবই সম্ভব। বুয়েটের মতো মেধাবীরা আবরারকে হত্যা করে, ঢাবির মতো মেধাবীরা তোফাজ্জেলকে হত্যা করে।
উস্তাদ তানজিল আরেফিন আদনানের একটি লেখা পড়ুন।
এখানে ক্লিক করুন।
★
এভাবে আর কত আবরারের প্রাণ ঝরলে, খিলাফাহ'র প্রয়োজনীয়তা এই জাতির বুঝে আসবে?
.
খিলাফাহ ছাড়া এই জাতির মুক্তির দ্বিতীয় কোন পথ নেই, খিলাফাহ-ই সকল সমস্যার একমাত্র সমাধান।
.
এই কথা যতদিন আমাদের বুঝে আসবে না, ততদিন এই জাতির বৈষম্য কিংবা লাঞ্চনাও দূর হবে না।
.
তাই আজকে থেকে আমাদের স্লোগান হোক।
"হয়তো শাহাদাত, নয়তো খিলাফত"
©মাহমুদুল হাসান গুনবী
1 393
"MISSION FAZAR"-এর মূল লক্ষ্য হলো সমাজে ফজরের নামাজ প্রতিষ্ঠিত করা। আল্লাহর ইচ্ছায়, আমরা চাই যেন সকলে ফজরের নামাজের প্রতি গুরুত্ব দেন এবং এটি নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন।
(এ প্রজেক্টটি ভাইদের নিয়ে শুধুমাত্র)
গ্রুপে অন্তর্ভুক্তির শর্তাবলী:
১. ফজরের নামাজ পড়ছেন: যারা ইতোমধ্যে ফজরের নামাজ পড়েন, তারা এই মিশনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
২. ফজরের নামাজ পড়তে চান কিন্তু উঠতে পারছেন না: যারা ফজর পড়তে আগ্রহী কিন্তু নিয়মিত উঠতে পারেন না, তারাও এই গ্রুপের সদস্য হতে পারবেন। তাদের ফজর নামাজ পড়ার জন্য উৎসাহিত করা হবে। কল করে উঠতে সহায়তা করা হবে ইনশাআল্লাহ।
বিস্তারিত জানতে ও অংশগ্রহণ করতে চাইলে ফরমটি পূরণ করুন: https://forms.gle/RBsLNjkutN1CaHq49
1 393
junaid jamshed naat In bangla 2016
https://getsnap.link/im6MddthcPh?share_arg3=org.telegram.messenger
This trending video is shared from Snaptube app. Click the link to watch it.👆
1 393
Repost from Abdullah bin bashir
প্রতিদিনের রুটিন মত শুয়ে পড়লেন হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল। কয়েকমাস আগেই মাত্র মদিনা থেকে এখানে আসলেন। ইচ্ছা ছিলো না মদিনা ছাড়ার। কিন্তু কিছুই করার নেই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ।
হঠাৎ একটি আওয়াজ আসলো ‘মুয়াজ! রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়ে গেছে আর তুমি জীবনের মজা নিচ্ছো’। ধড়ফড় করে লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠলেন তিনি। যেনো কেয়ামতের শিঙ্গায় ফুতকার দেয়া হয়ে গেছে। ঘর থেকে বের হয়ে সানআর অলিতে গলিতে বেতালের মত দৌড়াতে থাকলেন আর চিৎকার করতে লাগলেন, ‘হে ইয়ামানবাসী! আমাকে যেতে দাও, এ কী দিন দেখতে হলো আমার আঁকার দরবার ছেড়ে এ কোথায় আমি পড়ে রইলাম’!
ইয়ামানবাসী জিজ্ঞাসা করলেন কী হয়েছে মুয়াজ? মুয়াজ রা.-এর তখন কোনো হুশ নেই তিনি কোনো উত্তর না দিয়েই ঘোড়া নিয়ে ছুটলেন মদিনার পানে।
মদিনায় এসে আম্মাজান আয়েশার ঘরে গেলেন। নিজের পরিচয় দিলেন এবং শোক প্রকাশ করলেন। আয়েশা রা. তখন বললেন,
‘মুয়াজ! তুমি যদি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেষ সময়গুলো স্বচক্ষে দেখতে তাহলে এই দুনিয়ার জীবন তোমার যতই দীর্ঘ হতো না কেনো, কখনোই তা আর ভালো মনে হতো না’।
হযরত আয়েশার মুখে এই কথা শুনার সাথে সাথে হযরত মুয়াজ অজ্ঞান হয়ে যান!
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাফন করে যখন আনাস রা. ফিরে আসলেন ফাতেমা রা. তাকে সম্বোধন করে বললেন, ‘কীভাবে তোমরা পারলে তোমার নবীকে মাটিতে শুইয়ে দিয়ে এভাবে চলে আসতে’
.
হযরত উসমান যখন ওফাতের খবর শুনলেন মনে হলো তিনি বধির হয়ে গেছেন! হযরত আলী রা. যেখানে ছিলেন সেখানেই বসে গেলেন। হযরতের ওমরের মত শক্ত দিলের সাহাবী যেনো দিমাগ খুইয়ে ফেললেন! চিৎকার করে ঘোষণা দিলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়নি। তিনি তার রবের রবের সাথে সাক্ষাতে গেছেন৷ দ্রুতই ফিরে এসে যারা মৃত্যুর সংবাদ ছড়াচ্ছেন তাদের হাত-পা কেটে দিবেন।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়াতে নেই, কল্পনা করে দেখুন এই সংবাদ সাহাবাদের কী হালত করে দিয়েছিলো! সিরাত পাঠ মধুর হলেও রাসুলের ইন্তেকাল হয়ে গেছে এই অংশটুকুতে আসলে অন্তর এমনভাবে মোচড় দিয়ে উঠে, মনে হয় কী জানি হারিয়ে ফেলেছি।
1 393
“আমি বিবাহিত। আমি একজন মুসলিম নারীর চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা করার নিয়তে দ্বিতীয় বিবাহ করতে চাই।”
এই প্রশ্নের উত্তরে মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন —
“আপনি দ্বিতীয় বিয়ের টাকা দিয়ে একজন দরিদ্র যুবকের বিয়ের ব্যবস্থা করে দিন, তাহলে আপনি (একজন নারীর চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা করা ও একজন মুসলিম যুবককে সাহায্য করা) একসঙ্গে দুটি কাজের সাওয়াব পাবেন!”
[ফতওয়ায়ে ইবনু উসাইমীনঃ ৬/২৪১]
©Muslims Diary
খুশি হতাম যদি...
এক বোনকে চিনি। ভীষণ অমায়িক। ঘরের কাজ-রান্নাবান্না সব তিনিই সামলান। কঠোর পর্দা করেন। সুন্নাতের প্রতি তাঁর ভালোবাসা দেখে অবাক হওয়ার মতো! তাঁর বাসায় যেবার গেলাম, ছিমছাম ঘর। জানালার পাশ দিয়ে গাছের ফাঁকফোকর গলে বাইরে দেখা যায় না। তিনি বললেন, "আমি খুব চিন্তায় ছিলাম বাইরে থেকে আমার ঘরে নজর আসবে। আল্লাহ তা’আলা কী সুন্দর ব্যবস্থা করে দিলেন! এই গাছগুলোর জন্য কিছুই দেখা যায় না।" আপুর বয়স তিরিশের কাছাকাছি। নানা কারণে বিয়ে হচ্ছে না। এক একবার বিয়ের কথা ওঠে; বয়স, পড়াশোনা ইত্যাদি দেখার পর পাত্রপক্ষ পিছিয়ে যায়।
আরেক বোনকে চিনি। কিছুদিন হলো ডিভোর্স হয়েছে। আগের স্বামীর পরিবার জাদুটোনা করার মতো নিচু পর্যায়ে নামতেও দ্বিধা করে নি। এখন তার দ্বিতীয় বিবাহের জন্য কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একজন নারীর তালাকের পর শুধু মানসিক ও শারীরিক চাহিদা থাকে না, সেই সাথে যুক্ত হয় ভয়াবহ বিষণ্ণতা আর একাকিত্ব! এই একাকিত্ব পূরণ করতে পারে একজন পুরুষ। কিন্তু তালাকপ্রাপ্ত নারীর জন্য এই সমাজে পাত্র পাওয়া দুষ্কর। বিয়ের বাজারে কেউ-ই “ঠকতে” চায় না।
আমরা বহুবিবাহের পক্ষে সমর্থন জানাই। আমাদের ভাইয়েরা যখন বহুবিবাহের কথা তোলেন, আমরা তাতে শর্ত যুক্ত করি না। কিন্তু আমাদের বোনেরা যখন বিয়ের বয়স পেরিয়ে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময়টা অপূর্ণতায় কাটিয়ে দেন, তখন তাদের জন্য ভাইয়েরা এগিয়ে আসেন না। যে বোনটি তালাকের পর একাকী রাত কাটায়, যার বিছানায় শুধুই অশ্রুর দাগ, তার বেদনা ভাইদেরকে স্পর্শ করে না। খুব খুশি হতাম যদি তাদের কষ্টটা আমাদের ভাইয়েরাও বুঝতেন। খুশি হতাম, যদি আমাদের ভাইয়েরা বিধবা বোনদের জন্যেও সোচ্চার হতেন যেমনটি বহুবিবাহের পক্ষে হয়ে থাকেন। ভাইদের দায়িত্ব তো কেবল বহুবিবাহ নিয়ে হাসিঠাট্টা করেই শেষ হয়ে যায় না…।
অসাধারণ কিছু ভাইও আছেন। হাতেগোণা দু-একজন। নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আদর্শ বুকে নিয়ে চলতে চান। খালি স্বার্থের জন্য হাদীসের ব্যবহার করেন না। অপছন্দের কাজটিও করেন -- আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায়! তারা বিধবা বোনটিকে বিয়ে করেন, তালাকপ্রাপ্ত বোনটিকে সসম্মানে নিজের স্ত্রী করে নেন, কনের বয়স কতো বেশি সেদিকে ফিরে তাকান না। আমরা চাই, আমাদের ভাইয়েরা আরও এগিয়ে আসুক! একজন খাদিজার খোঁজে সারাটি জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়। সেই খাদিজাকে পাবার আশায় প্রথম ধাপটি না নিতে পারলে লজ্জা। আমরা চাই, আমাদের ভাইয়েরা সমাজের প্রথা ভেঙে নতুন করে বিবাহের সংজ্ঞা রচনা করবেন। বিধবা, তালাক-প্রাপ্ত, বয়সী বোনদেরকে তারা করুণার চোখে নয়, তাক্বওয়ার বিচারে বাকি বোনদের সাথেই সমানে-সমান রাখবেন।
বিবাহের সময় কম বয়সী, সুন্দরি, লেখাপড়া জানা, উচ্চ স্ট্যাটাস সম্পন্ন নারীর খোঁজ করতে কোনো বাধা নেই। তবু আমরা চাই, আমাদের ভাইয়েরা সৎ কাজে, সাহসে, উচ্চ-মানসিকতায় প্রতিযোগিতা করুক। আমরা চাই আল্লাহর রাহে আত্নত্যাগে আমাদের ভাইয়েরা এগিয়ে থাকুক। আমরা চাই, বিয়ের বাজারে দামি কনেটিকে বিয়ে করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমাদের ভাইয়েরা একজন কষ্টে-থাকা বোনের মুখে হাসি এনে দিক -- শুধুই আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায়!
আর যারা বহুবিবাহের পক্ষে কথা বলেন, তাদের ব্যাপারে আমাদের আশা আরও বেশি। আল্লাহ তা'আলা অধম বোনের লেখার মাধ্যমে ভাইদেরকে ভালো কাজে উৎসাহিত করবেন - এই প্রত্যাশায় রইলাম। আল্লাহুম্মা আমীন।
খুশি হতাম যদি...
By Anika Tuba
https://hoytoba.com/id/1981
