1 997
مشترکین
+224 ساعت
+47 روز
+230 روز
آرشیو پست ها
1 997
উপরিউক্ত বর্ণনা দ্বারা প্রমাণ হয়ে গেলো যে, এক মাজলিসে বা একসাথে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই হবে; এক তালাক নয়।
আল্লাহ তাআলা ভুল মাসআলার উপর আমল করে জিনার গোনাহ করা থেকে উম্মতে মুসলিমাকে হিফাযত করুন। আমীন।
Khairul Islam 10/1/2022
হানাফী ফিকহ (Hanafi Fiqh)
1 997
"عن شريك بن أبي نمر قال: جاء رجل إلى علي رضي الله عنه فقال: إني طلقت إمرأتي عدد العرفج؛ قال: تأخذ من العرفج ثلاثاً و تدع سائره". (باب الطلق ثلاثاً ٦/٣٠٦).
শারীক বিন আবি নামির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি আলী রা.এর কাছে এসে বললো: আমি আমার স্ত্রীকে আরফাজ গাছের সংখ্যা অনুযায়ী তালাক দিয়েছি। তিনি বললেন,তুমি আরফাজের তিনটি নিয়ে নাও এবং বাকিগুলো অকার্যকর হবে। (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে ৬/৩০৬)
ইমাম কুরতুবি রহি.এর তাফসীরে "আহকামুল কুরআনে"- তিন তালাকের ব্যাপারে উম্মাহর ঐকমত্য
উদ্ধৃত হয়েছে,
"قال علمائنا: و اتفق ائمة الفتوى علي لزوم إيقاع الطلاق الثلاث في كلمة واحدة". (١/٦٩٢)
“আমাদের আলেমগণ বলেছেন: ফতোয়া প্রদানকারী ইমামগণ ঐক্যমতপোষণ করেছেন এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার আবশ্যকীয়তার ব্যাপারে।”(692/1)
মুসলিম শরীফের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ "আল-জামিউস সহীহ'' লিন-নাওয়াভী তে রয়েছে,
"وقد اختلف العلماء فيمن قال لإمرأته: "أنت طالق ثلاثاً" فقال الشافعي و مالك و أبو حنيفة و أحمد و جماهير العلماء من السلف و الخلف: يقع الثلاث". (١/٤٧٨ ط: قديمي)
উলামায়ে কেরাম মতভেদ করেন ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে তার স্ত্রীকে বলে "তুমি তিন তালাকপ্রাপ্ত।" অতঃপর ইমাম শাফিঈ, মালিক, আবু হানিফা, আহমদ এবং পূর্বসূরি ও উত্তরসূরিদের থেকে জমহুর উলামায়ে কেরাম বলেন,তিন তালাকই কার্যকর হবে।" (1/478)
হানাফী মাযহাবের বিখ্যাত প্রসিদ্ধ ফাতাওয়া গ্রন্থ
‘ফাতাওয়ায়ে শামীতে’ রয়েছে
"(قوله: ثلاثة متفرقة) و كذا بكلمة واحدة بالأولى ... و ذهب جمهور الصحابة و التابعين و من بعدهم من أئمة المسلمين الي أنه يقع الثلاث". ( كتاب الطلاق : مطلب طلاق الدور ٣/٣٣٣ ط:سعيد).
‘‘(তাঁর উক্তি: তিনটি পৃথক তালাক) এমনিভাবে এক বাক্যে তিন তালাক,সবই কার্যকর হবে......জমহুর সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনগণ এবং তাদের পরে মুসলিম ইমামগণ সকলেরই মত যে,তাতে তিন তালাকই কার্যকর হবে।’’ ফাতাওয়ায়ে শামী 3/333
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধগ্রন্থ ‘আত-তামহিদ’ লি-ইবনে আব্দিল বার-এ রয়েছে
"فإن طلقها في كل طهر تطليقةً أو طلقها ثلاثاً مجتعات في طهر لم يمس فيه فقد لزمه". (٦/٥٨)
সুতরাং যদি সে তার স্ত্রীকে প্রত্যেক পবিত্রতার মধ্যে এক তালাক দেয় অথবা তিন তালাক এক সাথে দেয় এমন এক পবিত্রতার সময়,যাতে সহবাস করা হয়নি,
তাহলে তা আবশ্যক হয়ে যাবে। আত-তামহিদ ৬/৫৮
ইমাম শাফিঈ রহ.এর প্রসিদ্ধগ্রন্থ ‘কিতাবুল উম’ এ রয়েছে,
"و القراٰن يدل-و الله اعلم- على أن من طلق زوجةً له دخل بها أو لم يدخل بها ثلاثاً لم تحل له حتى تنكح زوج غيره". (٢/ ١٩٣٩)
এবং কোরআন ইঙ্গিত করে, (আল্লাহই ভাল জানেন) যে, যদি কেউ তার এমন স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, যার সাথে সে সহবাস করেছে বা করেনি, তাহলে সে তার জন্য বৈধ নয় যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিয়ে করে। (কিতাবুল উম 2/1939)
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব ‘মাসায়েলে আহমাদ’
এ-রয়েছে
" قلت لأبي: رجل طلق ثلاثاً وهو ينوي واحدةً؟ قال: هي ثلاث". (ص:٣٧٣)
‘আমি আমার পিতাকে বললাম: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে এমতাবস্থায় যে সে নিয়ত করে এক তালাকের? তখন তিনি বললেন তিন তালাকই কার্যকর হবে।’ (মাসায়েলে আহমাদ 373)
সৌদী উলামাদের সর্বসম্মত ফাতওয়া
সৌদী আরবের গ্রহণযোগ্য গবেষক আলেমগণ গবেষণা করে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, তিন তালাকে তিন তালাকই পতিত হবে। সৌদী ওলামাদের নির্ধারিত সিদ্ধান্তের কপি নিম্নরূপ-
بعد الاطلاع على البحث المقدم من الأمانة العامة لهيئة كبار العلماء والمعد من قبل اللجنة الدائمة للبحوث والإفتاء في موضوع ( الطلاق الثلاث بلفظ واحد ) .
وبعد دراسة المسألة ، وتداول الرأي ، واستعراض الأقوال التي قيلت فيها ، ومناقشة ما على كل قول من إيراد – توصل المجلس بأكثريته إلى اختيار القول بوقوع الطلاق الثلاث بلفظ واحد ثلاثا ___الخ (مجلة البحوث الإسلامية، المجلة الأول، العدد الثالث، سنة 1397 ه)
অর্থ: লাজনাতুত দায়িমা লিল বুহুস ওয়াল ইফতা পরিষদ সৌদী আরব কর্তৃক নির্বাচিত ‘এক শব্দে তিন তালাক’ বিষয়ে গবেষণা কর্মে দায়িত্বরত শীর্ষ ওলামাদের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত গবেষণাপত্র ও এ বিষয়ে গভীর অধ্যয়ন,প্রতিটি উক্তির বাছ বিচার ও তার পক্ষে-বিপক্ষে উপস্থাপিত সকল প্রশ্নের উত্তর উত্থাপিত হওয়ার পর অধিকাংশ ওলামায়ে কিরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয় যে,এক শব্দে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পতিত হবে। (মাজাল্লাতুল বুহুসিল ইসলামিয়্যা, প্রথম খন্ড, তৃতীয় সংখ্যা, ১৩৯৭ হিজরী)
ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, ‘মাশায়েখ ও ইমামগণের মধ্যে কোনো বিষয়ে ইজমা কায়েম হলে তা অকাট্য দলীল হিসেবে বিবেচিত হবে’। (উমদাতুল আসাস: পৃ. ৪২)
চার ইমামের মাযহাবের বিপরীত যা আছে, তা ইজমায়ে উম্মতের পরিপন্থী, যদিও তাতে অন্যদের দ্বিমত থাকে। (আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের : পৃ.১৬৯)
1 997
فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَهُ مِن بَعْدُ حَتَّىٰ تَنكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ۗ فَإِن طَلَّقَهَا فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا أَن يَتَرَاجَعَا إِن ظَنَّا أَن يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۗ وَتِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ يُبَيِّنُهَا لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ [٢:٢٣٠]
তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। {সূরা বাকারা-২৩০}
পবিত্র কুরআনের উক্ত আয়াতের দ্বারা পরিস্কার প্রমাণিত হয় যে, তিন তালাক প্রদান করলে তিন তালাকই পতিত হবে। এক তালাক নয়।
তিন তালাক বললে এক তালাক পতিত হবার কথা একটি মু্র্খতাসূলভ বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়। যা পরিস্কার আয়াতের খেলাফ। আর রাসূল সা. থেকে এমন কোন হাদীস বর্ণিত হয়নি যে, কোন ব্যক্তি তিন তালাক প্রদান করছে, আর রাসূল সা.তাকে বলেছেন যে, এক্ষেত্রে তিন তালাক হয়নি বরং এক তালাক হয়েছে। এমন কোন ঘটনা না রাসূল সা.থেকে পাওয়া যায়, না সাহাবীদের থেকে পাওয়া যায়।
এক বাক্যে তিন তালাক পতিত হওয়ার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ফয়সালা সহীহ বুখারী শরীফ (২/৭৯১) এবং সুনানে আবি দাউদ, বাবুল- লিআন (১/৩২৪) এ-উল্লেখ আছে:
হযরত আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, একব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলো। অতঃপর ঐ মহিলা অন্যজনকে বিবাহ করলে সেও তাকে তালাক দিয়ে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞাসা করা হলো, সেকি প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, ‘না। যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী প্রথমজনের মতো ঐ মহিলার মধু আস্বাদন না করবে’, অর্থাৎ যতোক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সহবাস না করবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত সে প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না। (সহীহ বুখারী: ৫২৬১)
"عن ابن شهاب عن سهل بن سعد في هذا الخبر قال: فطلقا ثلاث تطليقات عند رسول الله صلي الله عليه وسلم، فأنفذه رسول الله صلي الله عليه وسلم".( ابو داؤد).
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাইদী রা. সূত্র থেকে বর্ণিত,উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপস্থিতিতে তিন তালাক প্রদান করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা কার্যকর করলেন। (আবু দাউদ,হাদিস নং২২৫০ হাদিসের মান: সহীহ)
হযরত হাসান বিন আলী রা. তার স্ত্রী আয়িশা বিনতে ফযলকে একসাথে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তার স্ত্রীর আবেগময় কথা শুনে কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, যদি আমি নানাকে (অন্য বর্ণনায় তার পিতার বরাত দিয়ে বলেন) একথা বলতে না শুনতাম, “কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে ঐ স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ না বসা পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না”- তাহলে অবশ্যই তাকে ফেরত নিতাম । (সুনানে বাইহাকী হাদিস নং ১৪৯৭১)
ই’লাউস সুনানে এসেছে,একব্যক্তি তার স্ত্রীকে
একশত তালাক দিলে হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. তাকে বললেন, তুমি তোমার প্রতিপালকের নাফরমানী করেছো, তোমার স্ত্রী তোমার থেকে বায়েনা হয়ে গেছে। তুমি তো আল্লাহকে ভয় করোনি যে, আল্লাহ তোমার জন্য কোনো পথ বের করে দিবেন। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য পথ বের করে দেন”।
(ই’লাউস সুনান: ৭/৭০৮, আস সুনানুল কুবরা, বাইহাকী: ৭/৫৪২, হা.নং ১৪৯৪৪)
দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ফয়সালা “মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن أنس رضي الله عنه: كان عمر رضي الله عنه إذا أتي برجل قد طلق إمرأته ثلاثاً في مجلس أوجعه ضرباً و فرق بينهما". (باب من كره أن يطلق الرجل إمرأته ثلاثاً ٤/١١).
হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,ওমর রা.এর নিকট যখন এমন কোনো ব্যক্তিকে আনা হতো, যে তার স্ত্রীকে এক সমাবেশে তিনবার তালাক দিয়েছে,তিনি তাকে মারধর করতেন এবং তাদের আলাদা করে দিতেন।(মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১১)
তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ”-এ উল্লেখ আছে,
"عن معاوية ابن أبي يحي قال: جاء رجل إلى عثمان فقال: إني طلقت امرأتي مائةً؛ قال: ثلاث تحرمها عليك و سبعة و تسعون عدوان". ( باب ماجاء يطلق إمرأته مائة و ألف في قول واحد ٤/١٣).
মুয়াবিয়া ইবনে আবি ইয়াহইয়ার সূত্রে বর্ণিত,তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ওসমানের কাছে এসে বলল: আমি আমার স্ত্রীকে একশত তালাক দিয়েছি। তিনি বললেনঃ “তিনটি তালাকই স্ত্রীকে হারাম করে দিয়েছে এবং সাতানব্বইটি দ্বারা সীমালঙ্ঘন হয়েছে।” (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ ৪/১৩)
চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-এর ফয়সালা
“মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাকে” উল্লেখ আছে,
1 997
একসঙ্গে তিন তালাক : শরয়ী দৃষ্টিকোণ
ইসলামী শরীয়তে তালাক আল্লাহ তা'আলার নিকট অতি অপছন্দনীয় কাজ। হাদিস শরিফে রয়েছে, ‘আল্লাহর কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ হলো তালাক। (আবু দাউদ,হাদিস ২১৭৮)
উপায়হীন সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরীয়ত তালাকের ব্যবস্থা রেখেছে। তাই কথায় কথায় তালাক দেওয়া এবং একসাথে তিন তালাক দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতদসত্ত্বে কেউ স্ত্রীকে একসাথে তিন তালাক দিলে তা পতিত হয়ে যায়।
এজন্য শরীয়ত আগেই সাবধান করে দিয়েছে যে, প্রথমত তালাকের কথা চিন্তাও করবে না। তবে অতীব প্রয়োজনে কখনো তালাক প্রদানের প্রয়োজন হলে শুধু সাদামাটা তালাক দাও, শুধু এক তালাক দাও এমন এক তুহুরে (স্ত্রী মাসিক থেকে পবিত্র থাকা অবস্থায়) যাতে সহবাস করা হয়নি।যেন উভয়ের জন্যই নতুন করে চিন্তা-ভাবনার সুযোগ থাকে এবং পুনরায় ফিরে আসার পথ খোলা থাকে। এরপর আবারো কোনো সমস্যা দেখা দিলে এভাবেই শুধু এক তালাক দিবে। এখনও ফিরে আসার পথ খোলা থাকবে।
কিন্তু এরপর যদি আবার কখনো শুধু এক তালাকই দেওয়া হয় এবং সব মিলে তিন তালাক হয়ে যায় এ অবস্থায় আর তাকে ফিরিয়ে আনারও সুযোগ থাকবে না, নতুন করে বিয়ে করার বৈধতাও বাকি থাকবে না।
তাই যদি কোনো ব্যক্তি শরী‘আত প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করে এবং একই সাথে তিন তালাক বলে দেয়, তাহলে তার এ কাজটি অবৈধ ও বিদ‘আত। তবে এর কার্যকারিতার দিক থেকে এটি কার্যকর ও ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়।আমরা দেখতে পাই এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করতে আল্লাহ আমাদের নিষেধ করেছেন। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি সেই নিষিদ্ধ কাজে লিপ্ত হয়, তখন সেই শরীয়াহ বিধি তার সমস্ত বিধি-বিধান সহ কার্যকর হয়। যেমন: কোরআনে ‘জিহার’ কে বলা হয়েছে "مُنکَراً مِّنَ القَولِ وَزُورًا" তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে,কিন্তু যখন কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে ‘যিহার’ করে, তখন তার জন্য শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য হয়।
কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা অপরাধ ও পাপ, কিন্তু যাকে গুলি করে বা তরবারির আঘাতে মারা হয়,সে নিহতই হয়ে যায়। তার মৃত্যু ইহার অপেক্ষা করে না যে, গুলি বৈধ পদ্ধিতিতে মারা হয়েছে না অবৈধ পদ্ধিতিতে?
এমন আরো অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখান থেকে বুঝা যায় যে, কোনো ব্যক্তি যদি শরীয়তের সুযোগ- সুবিধা উপেক্ষা করে একই সাথে তিন তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তিন তালাকই কার্যকর হয়ে যায়।
সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে থেকে আজ পর্যন্ত উম্মাহ'র ইজমা হলো,এক মাজলিসে তিন তালাক
এক বাক্যে হোক বা পৃথক পৃথক বাক্যে দেওয়া হোক, অথবা বিভিন্ন সময়ে তিন তালাক দেওয়া হোক, সর্বাবস্থায় তিন তালাকই স্ত্রীর উপর পতিত হয়ে যাবে এবং অন্যত্র বিবাহের পর দ্বিতীয় স্বামীর সাথে মেলামেশা না হওয়া পর্যন্ত প্রথম স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রী হালাল হবে না।
আর এটাই সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে হযরত উমর রাযি, আলী রাযি., উসমান রাযি., ইবনে মাসউদ রাযি., ইবনে উমর রাযি., ইবনে আমর রাযি. , উবাদাহ বিন সামিত রাযি. , আবূ হুরাইরা রাযি. , ইবনে আব্বাস রাযি., ইবনে যুবায়ের রাযি. আসেম বিন উমর ও হযরত আয়িশা রা.-সহ আরো অনেক সাহাবী এবং ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালেক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ, ইমাম বুখারী রহ.-সহ অধিকাংশ তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈদের মাযহাব।
সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশনাবলী থেকে এটাই বুঝতেন এবং সে অনুযোয়ী আমল করতেন।
আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ ۖ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ ۗ وَلَا يَحِلُّ لَكُمْ أَن تَأْخُذُوا مِمَّا آتَيْتُمُوهُنَّ شَيْئًا إِلَّا أَن يَخَافَا أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ ۖ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا يُقِيمَا حُدُودَ اللَّهِ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِمَا فِيمَا افْتَدَتْ بِهِ ۗ تِلْكَ حُدُودُ اللَّهِ فَلَا تَعْتَدُوهَا ۚ وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ [٢:٢٢٩]
তালাকে-‘রাজঈ’ হ’ল দুবার পর্যন্ত তারপর হয় নিয়মানুযায়ী রাখবে, না হয় সহৃদয়তার সঙ্গে বর্জন করবে। আর নিজের দেয়া সম্পদ থেকে কিছু ফিরিয়ে নেয়া তোমাদের জন্য জায়েয নয় তাদের কাছ থেকে। কিন্তু যে ক্ষেত্রে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এ ব্যাপারে ভয় করে যে, তারা আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, অতঃপর যদি তোমাদের ভয় হয় যে, তারা উভয়েই আল্লাহর নির্দেশ বজায় রাখতে পারবে না, তাহলে সেক্ষেত্রে স্ত্রী যদি বিনিময় দিয়ে অব্যাহতি নিয়ে নেয়, তবে উভয়ের মধ্যে কারোরই কোন পাপ নেই। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা। কাজেই একে অতিক্রম করো না। বস্তুতঃ যারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করবে, তারাই জালেম। {সূরা বাকারা-২২৯}
এইতো গেল দুই তালাকের বিধান। এরপর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তিন তালাক প্রদানের বিধান ঘোষণা করে ইরশাদ করেন-
1 997
আমি কুরআন সুন্নাহ পড়ে করে আজও অবধি এমন কোন গুনাহ খুঁজে পাইনি যা খালেসভাবে তওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তওবার মাধ্যমে সকল গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন। কিন্তু এমন কোন দলিল আমার জানা নেই যে, শুধুমাত্র আল্লাহর কাছে তওবার মাধ্যমে বান্দার হক্ব ক্ষমা করা হবে। যতক্ষন না সে বান্দা তাকে ক্ষমা করবে আল্লাহও তাকে ক্ষমা করবেন না। বান্দার হক্ব এতটা কঠিন বিষয়, অথচ অনেকে সে সম্পর্কে উদাসীন। একজন পা পিছলে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেল আর এ দৃশ্য দেখে অন্যজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপহাস করতে লাগলো এতেও সে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির হক্ব ক্ষুন্ন করলো, কাজটা দেখতে ছোট মনে হলেও বিষয়গুলো এতটাই সুক্ষ্ম।
1 997
পুরুষের স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক দিন ধরেই পুরুষদের যৌনস্বাস্থ্যকে অবহেলা করা হয়েছে বা ভুল তথ্যের মধ্যে ঢেকে রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তন আনতে বুশরা আপা তাঁর ওয়েবসাইটে তৈরি করেছেন একটি বিশেষ পুরুষদের স্বাস্থ্য বিভাগ।
এখানে আপনি পাবেন নির্ভরযোগ্য ও সংস্কৃতিনির্ভর তথ্য — যেমন কৈশোরকাল, যৌন দুর্বলতা, যৌন সক্ষমতা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা, সহজ ও সম্মানজনক ভাষায়।
আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি পুরুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোলামেলা ও সম্মানজনকভাবে জানতে চান, ভিজিট করুন:
👉 https://www.bdsexeducation.com/menshealth
প্রতিটি পুরুষেরই অধিকার আছে নিজের শরীরকে জানা এবং নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার — লজ্জা, ভয় বা বিচার ছাড়াই।
1 997
মাঝে মাঝে আমি যৌনাঙ্গ বা গোপনাঙ্গের লোম নিয়ে প্রশ্ন পাই। বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর পর ছেলে ও মেয়েদের যৌনাঙ্গের চারপাশে লোম গজানো স্বাভাবিক। একজন লোক একবার আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তার স্ত্রী কুমারী? নাকি না? কারণ তার যৌনাঙ্গে লোম ছিল! যৌনাঙ্গে লোম আমাদের শরীরের একটি খুব স্বাভাবিক অংশ।
আপনি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসাবে আপনার যৌনাঙ্গের লোম শেভ করতে পারেন, তবে অন্যথায় ছাঁটাই করতে পারেন। যৌনাঙ্গে লোম থাকার প্রাথমিক সুবিধা হল যৌন মিলনের সময় ঘর্ষণ কম হয়। যৌনাঙ্গের চারপাশের ত্বক খুবই সংবেদনশীল। যৌনাঙ্গের লোম স্বাভাবিকভাবেই যৌন মিলনের সময় নড়াচড়ার ফলে সৃষ্ট ঘর্ষণকে কমাতে পারে এবং অন্যান্য ক্রিয়াকলাপে যেখানে ঘর্ষনের ফলে ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে।
যৌনাঙ্গের লোম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের শরীরে প্রবেশ করা বন্ধ করতেও সাহায্য করে। বিশেষত, এটি ময়লা এবং প্যাথোজেনগুলিকে আটকাতে সাহায্য করতে পারে যা যোনি বা লিঙ্গ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
আপনি যখন গোসল করবেন তখন সাবান এবং পানি দিয়ে আপনার যৌনাঙ্গের লোম ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। কখনও কখনও চুলে / লোম, তাই শরীরের এই জায়গা পরিষ্কার রাখাটা নিশ্চিত করা দরকার।
Bushra Apa
1 997
প্রশ্নঃ ভূমিকম্পে বিল্ডিং ধসে মৃ/ত্যু হলে, সে কি শহীদ হিসাবে গণ্য হবে?
উত্তরঃ জী, ভূমিকম্পে বিল্ডিং ধসে মৃ/ত্যু হলে, সে শহীদ হিসাবে গণ্য হবে।
হাদিসে এসেছে,
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: «الشُّهَدَاءُ سَبْعَةٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ: الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ، وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ، وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ، وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ، وَصَاحِبُ الْحَرِيقِ شَهِيدٌ، وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ، وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ»
জাবের বিন আতিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: "আল্লাহর পথে (জিহাদে) নিহত হওয়া ছাড়া শহীদ হলো সাত প্রকার: (১) প্লেগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (২) পানিতে ডুবে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৩) ফুসফুসের রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৪) পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৫) আগুনে পুড়ে মৃত ব্যক্তি শহীদ, (৬) যে ব্যক্তি ধ্বংসাবশেষের নিচে মারা যায় সে শহীদ, এবং (৭) যে নারী প্রসবকালে মারা যায় সে শহীদ।"
(সুনান আবী দাউদ, হাদিস নং-৩১১১; সুনান আন-নাসাঈ, হাদিস নং-২০৫৭)
সুতরাং উক্ত সুরতে মৃ/ত্যু হলে তা শহীদ হিসাবে গণ্য হবে।
মাওলানা মুনীর বিন কারীম
1 997
🧠 কেউ আপনাকে ঠকাচ্ছে কিনা, যেভাবে বুঝবেন
মানুষের সম্পর্ক যত গভীর হয়, ঠকানোর সম্ভাবনাও ততটাই বেড়ে যায়। অনেক সময় কাছের মানুষই এমনভাবে প্রতারণা করে যে বুঝতে দেরি হয়ে যায়। কিন্তু কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ আছে, যেগুলো লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় কেউ আপনাকে ধীরে ধীরে ব্যবহার করছে বা ঠকাচ্ছে। নিচে এমন কিছু বাস্তব টিপস দেওয়া হলো—
#MotivationalQuotesBangla
🟢 ১. তারা শুধু প্রয়োজনেই যোগাযোগ করে
যে মানুষ কেবল নিজের প্রয়োজনে আপনার কথা মনে করে, সে কখনও আপনাকে সত্যিকার অর্থে গুরুত্ব দেয় না। আপনার প্রয়োজনের সময় তারা অজুহাত খুঁজে ব্যস্ত হয়ে যায়।
🟢 ২. তাদের কথায় ও কাজে মিল থাকে না
কেউ যদি অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু কাজে তার প্রতিফলন না দেখা যায়, তবে বুঝবেন কথাগুলো ছিল আপনাকে প্রভাবিত করার হাতিয়ার।
🟢 ৩. আপনি না থাকলে তারা আপনার সমালোচনা করে
যারা আপনার অনুপস্থিতিতে আপনাকে ছোট করে, তাদের মুখে ভালোবাসা বা শ্রদ্ধার কথা থাকলেও অন্তরে ঈর্ষা লুকিয়ে থাকে।
#MotivationalQuotesBangla
🟢 ৪. তারা আপনার দুর্বল দিকগুলো কাজে লাগায়
একজন প্রতারক সবসময় জানে আপনি কোন জায়গায় দুর্বল। তারা সেই জায়গাতেই আঘাত করে বা সহানুভূতির ভান করে সুবিধা নেয়।
🟢 ৫. আপনার সফলতায় তারা আনন্দ পায় না
যারা সত্যিই আপনাকে ভালোবাসে, তারা আপনার সাফল্যে গর্বিত হয়। কিন্তু যারা ঠকায়, তারা বাইরে থেকে অভিনয় করে খুশি দেখায়, ভিতরে ভিতরে হিংসা করে।
🟢 ৬. তারা সবসময় আপনাকে অপরাধবোধে রাখে
“তুমি এটা করোনি”, “তুমি ওটা বলেছিলে”—এই ধরনের কথা বলে তারা আপনাকে সবসময় অপরাধবোধে ভোগায়, যেন আপনি তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।
#MotivationalQuotesBangla
🟢 ৭. তারা কখনও আপনাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে না
যে মানুষ আপনাকে ঠকাচ্ছে, সে নিজেও ভয় পায় আপনি একদিন তাকে ধরতে পারবেন। তাই সে সবসময় আপনাকে সন্দেহ করে, আপনার প্রতিটি কাজ পর্যবেক্ষণ করে।
🟢 ৮. তারা আপনাকে একা করে ফেলার চেষ্টা করে
তারা চায় আপনি আপনার পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে থাকুন, যাতে আপনি কেবল তাদের কথাতেই বিশ্বাস করেন।
🟢 ৯. তারা সবসময় নাটক তৈরি করে
কেউ যখন অকারণে ঝগড়া, মন খারাপ বা ড্রামা তৈরি করে, বুঝবেন তারা আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে চায়।
#MotivationalQuotesBangla
🟢 ১০. তারা আপনার সীমারেখা মানে না
যে মানুষ আপনার ব্যক্তিগত সীমা (boundary) বারবার ভেঙে ফেলে, সে একদিন আপনাকে মানসিকভাবে শূন্য করে দেবে।
---
💭 শেষ কথা:
যদি কারও সঙ্গে এই লক্ষণগুলো মিলে যায়, তবে দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয়। নিজের মানসিক শান্তিই আসল অগ্রাধিকার।
❓ প্রশ্ন: আপনি কি কখনও এমন কারও দ্বারা ঠকেছেন, যাকে আপনি একসময় নিজের মানুষ ভেবেছিলেন?
---
#LifeLessons #Truth #Relationships #EmotionalIntelligence #SelfAwareness #HumanPsychology #ToxicPeople #Manipulation #SelfRespect #Boundaries #Motivation #Mindset #LifeReality #StayStrong #PersonalGrowth #SelfCare #Positivity #LessonsLearned #BeAware #MotivationalQuotesBangla
1 997
২০২৬ আসতে আর মাত্র ১ মাস বাকি, এখনো নিজেকে আপগ্রেড করেননি?
এই ৬টা টুল দিয়ে সহজে নিজের স্কিল বাড়িয়ে ফেলুন 👇
1️⃣ বিদেশি ভাষা শিখুন: LingQ.com
2️⃣ ১০ আঙুলে টাইপ করতে শিখুন: Typing.com
3️⃣ এক্সেল মাস্টার করুন: ExcelJet.net
4️⃣ কোডিং শিখুন: Mimo.org
5️⃣ STEM (Science, Tech, Engineering, Math) জানুন: KhanAcademy.org
6️⃣ গ্রামার ঠিক করুন: Grammarly.com
1 997
ভূমিকম্পের পর দুটো সমস্যা এখন মানুষের মধ্যে দেখা দিচ্ছে।
১. ওভারথিংকিং।
২. ফোবিয়া।
এ দুটো চিন্তাই সমস্যাজনক। স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যহত করবে।
ভূমিকম্প আবার কবে হবে সে জ্ঞান শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার হাতেই আছে। ভূমিকম্পের ব্যপারে অত্যাধিক ভয়, অত্যাধিক আতঙ্ক তৈরি করছে কিছু মিডিয়া ও বিশ্লেষকগণ। যা ভালো একেবারেই অনুচিত।
অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ তোমরা সহজ কর, কঠিন করো না। সুসংবাদ দাও, বিতৃষ্ণা তৈরি করো না।” [ সহীহ মুসলিম ৪৬২৬ ]
.
ভূমিকম্প এর পূর্বপ্রস্তুতিতে প্রয়োজন সতর্কতা। সতর্কতাই যেকোনো বিপদ-আপদ থেকে বাচার মৌলিক উপায়। বিপদ আসার চিন্তাতেই আপনি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে, ভূমিকম্প কবে হবে সে খবর নেই, এদিকে আপনি ভূমিকম্প হবে এই চিন্তাতেই ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যাচ্ছেন।
.
ভূমিকম্প আসার আগে প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশের বিল্ডিং এর যেই স্ট্রাকচার প্রয়োজন ছিল, তা অধিকাংশ যায়গাতেই হয়নি এবং ভবিষ্যতে হবে কিনা সেটাও বলা যাচ্ছে না । এই শহরে বিল্ডিং গড়ে উঠেছে পরিকল্পনা ছাড়াই। তবে পরিস্থিতি যাই হোক! আপনি যত খারাপ সিচুয়েশনেই থাকেন না কেন! ইসলাম আপনাকে সর্বদা পজিটিভ থিংকিং এর শিক্ষা দেয়। আপনাকে আতঙ্কিত হতে নিষেধ করে আপনাকে সবর, তাওয়াক্কুল, ইস্তেগফার, দুয়া এসবের সাথে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার শিক্ষা দেয়।
.
আপনি কি জানেন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে এমন কিছু আমল শিখিয়েছেন যার মাধ্যমে আপনি নিরাপত্তা লাভ করবেন? তা হলো সকাল-সন্ধ্যার যিকরসমূহ।
হিসনুল মুসলিম, আল আযকার, সকাল-সন্ধ্যার যিকর ইত্যাদি নামে বিভিন্ন বই বাজারে পাওয়া যায় যেখানে সকাল-সন্ধ্যার আযকার এর ব্যপারে বিশদ বর্ণনা রয়েছে।
.
সর্বপরি ভূমিকম্প আল্লাহ কেন দিয়েছেন আমাদের সে কারণ খুঁজে বের করতে হবে।
আল্লাহ ভূমিকম্প দিয়েছেন আমাদের গুনাহের কারণে। আমরা ব্যক্তিগত, জাতিগত, রাষ্ট্রীয় নানা গুনাহের লিপ্ত। গুনাহ থেকে বিরত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসাটাই হলো ভূমিকম্প এর সবচেয়ে বড় পূর্ব প্রস্তুতি। আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন দূর্বল করে। আমাদের ধ্বংসের পিছনে গুনাহই হলো মূল কারণ। তাই সকলপ্রকার গুনাহ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে এবং এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হবে।
#Prophetic_Healing
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
