1 955
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-57 روز
-1630 روز
آرشیو پست ها
1 956
লোগো বা ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন কেনো এত গুরুত্তপূর্ণ
১. আরেকজন আপনার মত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করে নিম্নমানের পণ্য বা সেবা বাজারজাত করতে পারে, ফলে আপনার ব্যবসার সুনামের/গুডউইলের ক্ষতি হবে।
২. লোগো রেজিস্ট্রেশন করলে আরেকজন নকল করার সাহস পাবে না।
৩. প্রথমে যে লোগো বা ট্রেডমার্কের রেজিস্ট্রেশন এর জন্য দরখাস্ত জমা দিবে তারটা রেজিস্ট্রেশন হবে,
৪. এরপরে যে একই লোগো জমা দিবে, তারটা দরখাস্ত বাতিল হয়ে যাবে। অর্থাৎ সে রেজিস্ট্রেশন পাবে না।
লোগো বা ট্রেডমার্ক দরখাস্ত কেন বাতিল হয়ে যায়?
১. অন্যের সাথে লোগো বা ট্রেডমার্ক মিল থাকলে দরখাস্ত বাতিল হয়ে যাবে।
২. গুণবাচক শব্দ রেজিস্ট্রেশন হবে না।
৩. জায়গার নাম, দেশের নাম, মানুষের নাম, মসজিদের নাম, পবিত্র জায়গার নাম, ধর্মের নাম, পদের নাম ইত্যাদি।
লোগো বা ট্রেডমার্ক বিক্রয়যোগ্য।
তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে আপনি অনেক পরিশ্রম এবং অনেক পরিশ্রমের বিনিময়ে আপনার পণ্যের বা সেবার ভালো গুডউইল বা আপনার পন্যের সেবার ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরীর পর, আপনার ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন অজ্ঞতার কারণে আরেকজন আপনার লোগো, আপনার অজ্ঞাতসারে প্রথমে দরখাস্ত জমা দিয়ে আপনার লোগো রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারে। তখন আপনি আর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা জরুরি নয় বা টিন সার্টিফিকেট বা ভ্যাট সার্টিফিকেট জরুরী নয়।
তাই আর নয় দেরি এখনই আপনি প্রস্তুতি নিয়ে নেন লোগো বা ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনের জন্য।
লেখক: আলাউদ্দিন
1 956
বিপরীত লিঙ্গের কারোর সাথে ফ্রেন্ডশিপ করা যে উচিত না সেই নিয়ে পারসোনাল এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করি। উল্লেখ্য যাদের বিপরীত লিঙ্গের ফ্রেন্ড আছে তাদের কে খারাপ বলছি না, ফ্রেন্ডশিপ ভেঙে ফেলতেও বলছি না,আমার পোস্টটা দেয়ার উদ্দেশ্য জাস্ট একটা সতর্কবার্তা যে, আপনি সাফ মনে কথা বলবেন কিন্তু অপরজন এর মন সব সময় সাফ থাকবেনা
আমি মেয়ে, কখনো ছেলে ফ্রেন্ড ছিল না,এখন অনার্স এ উঠে দুই একজন ছেলে ক্লাসমেট এর সাথে দরকারে কথা হয় তাও টেক্সট এ,সামনাসামনি কথা হয়না বললেই চলে, এর বাইরে কিছু না। তো একজনকে সেদিন একটা স্ক্রিনশট দেই যেখানে আমার ভিপিএন অন ছিল। ও সেটা দেখে আমাকে বলে ভিপিএন অন কেন,মেয়ে বড় হয়ে গেছে। কোন বাজে বিষয়টা মিন করে বলেছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে, তখন আমি কিছু কথা শুনায় দেয়ার পর ব্লক করে দেই।পিন্টারেস্ট অ্যাপটার জন্য আমি ভিপিএন ইউজ করি তাছাড়া নেট সিকিউরিটি এর জন্য ও ভিপিএন লাগে। কিন্তু সে সেই বাজে কথাটাই মিন করলো। তাছাড়া আমার অন্য মেয়ে ফ্রেন্ডদের থেকে শুনেছি তাদের কিছু ছেলে ফ্রেন্ড গা এ পড়া টাইপ,হুট হাট আপত্তিকর টপিকে কথা বলে,গা এ হাত দেয়। বিষয়টা দাড়ালো যে, ছেলেদের সাথে ফ্রি মিক্সিং করলে অনেক বিষয়ে নিজেকেই খুব আপত্তিকর অবস্থায় পড়তে হবে।সব ছেলেই যে মেয়ে ফ্রেন্ডদের থেকে সুযোগ নেয় সেটা বলছিনা,ভালো ছেলে অবশ্যই আছে। কিন্তু কে ভালো কে খারাপ সেটা বুঝার উপায় নেই আগে থেকে।কোন একটা ঘটনা ঘটে গেলে নিজের ক্ষতি, আপনার ফ্রেন্ড আপনার পাশে দাঁড়াবে,ধরুন ফাজলামির ছলে সে আপনার প্রাইভেট জায়গায় হাত দিয়ে বলল সরি দোস্ত ভুলে লেগে গেছে,এই টাচ টা তো রিভার্স করে মুছানো সম্ভব না কিন্তু আপনি সেনসিটিভ হলে হয়তো সারাজীবন টাচটা নিয়ে আফসোস করবেন।ভার্সিটি লাইফে অনেকেই ভিন্ন শহরে থেকে ছেলে ফ্রেন্ডদের সাথে ঘুরতে যায়,আপনি তো ফ্রেন্ড মনে করেই যাবেন কিন্তু ফ্রেন্ড এর সাথে গিয়ে রেইপড হওয়ার ঘটনাও কিন্তু শোনা যায়।নিজের সম্মান রক্ষার্থে প্রতিরোধ হিসেবে যতটা সম্ভব ফ্রি মিক্সিং অফ করাই ভালো,দরকারে কথা বললেও দূরত্ব রেখে বলা উচিত। । হয়তো আমার সেই ফ্রেন্ডটা হুট করে বলে ফেলেছে যেহুতু মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা এইসব টপিক ডিসকাস করে বেশি।সে এর আগে এমন কিছু কখনো বলেনি, ছেলেদের মাথায় এই সব বিষয় একটু বেশি ঘুরে জন্য অনেকে মুখ ফসকেও বলে ফেলে। অনেকে ফ্রি মিক্সিং এর আড্ডায় অনেক সেনসিটিভ টপিক নিয়ে ওপেনলি কথা বলে,আধুনিক যুগ হিসেবে এটাকে নরমালাইজ ও করা হয় কিন্তু পারসোনালি এইসব টপিক একটা মেয়েকে বলা আমার জঘন্য ফিল হয়। অনেক ছেলেই এই বাউন্ডারিটা বোঝেনা যে মেয়ে ফ্রেন্ড থাকলেও তাদের সাথে একটা লাইন এর বাইরে থেকে কথা বলা উচিত। হুটহাট তারা একটা কিছু বলে দেয় বা করে দেয় কিন্তু মেয়ে হিসেবে বিব্রত হতে হয় নিজেকেই।
✅ সমস্যায় আছেন?
সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?
সঠিক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত পেতে ইনবক্সে জানাতে পারেন👉 অভিদা কে।
1 956
বিপরীত লিঙ্গের কারোর সাথে ফ্রেন্ডশিপ করা যে উচিত না সেই নিয়ে পারসোনাল এক্সপেরিয়েন্স শেয়ার করি। উল্লেখ্য যাদের বিপরীত লিঙ্গের ফ্রেন্ড আছে তাদের কে খারাপ বলছি না, ফ্রেন্ডশিপ ভেঙে ফেলতেও বলছি না,আমার পোস্টটা দেয়ার উদ্দেশ্য জাস্ট একটা সতর্কবার্তা যে, আপনি সাফ মনে কথা বলবেন কিন্তু অপরজন এর মন সব সময় সাফ থাকবেনা
আমি মেয়ে, কখনো ছেলে ফ্রেন্ড ছিল না,এখন অনার্স এ উঠে দুই একজন ছেলে ক্লাসমেট এর সাথে দরকারে কথা হয় তাও টেক্সট এ,সামনাসামনি কথা হয়না বললেই চলে, এর বাইরে কিছু না। তো একজনকে সেদিন একটা স্ক্রিনশট দেই যেখানে আমার ভিপিএন অন ছিল। ও সেটা দেখে আমাকে বলে ভিপিএন অন কেন,মেয়ে বড় হয়ে গেছে। কোন বাজে বিষয়টা মিন করে বলেছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে, তখন আমি কিছু কথা শুনায় দেয়ার পর ব্লক করে দেই।পিন্টারেস্ট অ্যাপটার জন্য আমি ভিপিএন ইউজ করি তাছাড়া নেট সিকিউরিটি এর জন্য ও ভিপিএন লাগে। কিন্তু সে সেই বাজে কথাটাই মিন করলো। তাছাড়া আমার অন্য মেয়ে ফ্রেন্ডদের থেকে শুনেছি তাদের কিছু ছেলে ফ্রেন্ড গা এ পড়া টাইপ,হুট হাট আপত্তিকর টপিকে কথা বলে,গা এ হাত দেয়। বিষয়টা দাড়ালো যে, ছেলেদের সাথে ফ্রি মিক্সিং করলে অনেক বিষয়ে নিজেকেই খুব আপত্তিকর অবস্থায় পড়তে হবে।সব ছেলেই যে মেয়ে ফ্রেন্ডদের থেকে সুযোগ নেয় সেটা বলছিনা,ভালো ছেলে অবশ্যই আছে। কিন্তু কে ভালো কে খারাপ সেটা বুঝার উপায় নেই আগে থেকে।কোন একটা ঘটনা ঘটে গেলে নিজের ক্ষতি, আপনার ফ্রেন্ড আপনার পাশে দাঁড়াবে,ধরুন ফাজলামির ছলে সে আপনার প্রাইভেট জায়গায় হাত দিয়ে বলল সরি দোস্ত ভুলে লেগে গেছে,এই টাচ টা তো রিভার্স করে মুছানো সম্ভব না কিন্তু আপনি সেনসিটিভ হলে হয়তো সারাজীবন টাচটা নিয়ে আফসোস করবেন।ভার্সিটি লাইফে অনেকেই ভিন্ন শহরে থেকে ছেলে ফ্রেন্ডদের সাথে ঘুরতে যায়,আপনি তো ফ্রেন্ড মনে করেই যাবেন কিন্তু ফ্রেন্ড এর সাথে গিয়ে রেইপড হওয়ার ঘটনাও কিন্তু শোনা যায়।নিজের সম্মান রক্ষার্থে প্রতিরোধ হিসেবে যতটা সম্ভব ফ্রি মিক্সিং অফ করাই ভালো,দরকারে কথা বললেও দূরত্ব রেখে বলা উচিত। । হয়তো আমার সেই ফ্রেন্ডটা হুট করে বলে ফেলেছে যেহুতু মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা এইসব টপিক ডিসকাস করে বেশি।সে এর আগে এমন কিছু কখনো বলেনি, ছেলেদের মাথায় এই সব বিষয় একটু বেশি ঘুরে জন্য অনেকে মুখ ফসকেও বলে ফেলে। অনেকে ফ্রি মিক্সিং এর আড্ডায় অনেক সেনসিটিভ টপিক নিয়ে ওপেনলি কথা বলে,আধুনিক যুগ হিসেবে এটাকে নরমালাইজ ও করা হয় কিন্তু পারসোনালি এইসব টপিক একটা মেয়েকে বলা আমার জঘন্য ফিল হয়। অনেক ছেলেই এই বাউন্ডারিটা বোঝেনা যে মেয়ে ফ্রেন্ড থাকলেও তাদের সাথে একটা লাইন এর বাইরে থেকে কথা বলা উচিত। হুটহাট তারা একটা কিছু বলে দেয় বা করে দেয় কিন্তু মেয়ে হিসেবে বিব্রত হতে হয় নিজেকেই।
✅ সমস্যায় আছেন?
সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?
সঠিক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত পেতে ইনবক্সে জানাতে পারেন👉 অভিদা কে।
1 956
টেনশন কমানোর উপায়
ডা. অপূর্ব চৌধুরী
হঠাৎ ভয় পেলে, প্যানিক এট্যাক হলে, টেনশনে হার্ট বিট বেড়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুবেন । একটু বরফ জল হলে আরও ভালো হয় । একটি পাত্রে অথবা বেসিনে পানি রেখে পাঁচ সেকেন্ড মুখটি জলে ডুবিয়ে তিন চার বার এমন করলে মুহূর্তে নরমাল হয়ে উঠবেন । ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিলে ভয় কেন দূর হয় জানেন ? মুখে পানি দিলে আমাদের হার্ট বিট কমে যায় । মস্তিষ্ক শান্ত হয়ে ওঠে । এটি হয় ভেগাস নার্ভ বলে একটি নার্ভের কারণে । এই নার্ভ হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণ করে । মুখে জলের এমন প্রভাবকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে Diving Reflex ।
- Dr. Opurbo Chowdhury
1 956
এইচ এস সি পাশ করে থাকলে বাইরে স্টুডেন্ট ভিসায় চেষ্টা করুন, আর খারাপ করে থাকলে কাজ শিখুন+ওয়ার্ক পারমিট এ ট্রাই করেন।
গুড লাক অল
1 956
মানুষ লৌকিকতায় ব্যস্ত, ফেসবুকে স্বামী স্ত্রীর পারসোনাল মোমেন্ট শেয়ার না করলে শান্তি পায় না, বউয়ের সৌন্দর্য মানুষকে দেখাতেই হবে । আপনাদের দেখে কেউ বরকতের দুয়া করে না । কমেন্টে ওয়াও নাইছ ইত্যাদি লিখে আর মজা নেয়। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি নানা রকম হয়ে থাকে ।
কেউ ভালো নজরে দেখে, আর কেউ হিংসাত্মক দৃষ্টিতে তাকায় ।
অনেক সময় দেখা যায়, ভালো কোনো জিনিসের প্রতি মানুষের বদনজর লেগে যায় ।
খারাপ নজর লাগলে— নজরকৃত ব্যক্তি বা জিনিস ক্ষতি ও অনিষ্টের সম্মুখীন হয় ।
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা বদ নজরের প্রভাব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর । কেননা নজরের প্রভাব সত্য।’ [ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৫০৮]
বদ নজর থেকে বাঁচার দোয়া..
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আরকিকা, মিন কুল্লি শাইয়িন ইয়ু’যিকা, ওয়া মিন কুল্লি আইনিন ও ওয়া হাসিদিন আল্লাহু ইয়াশফিকা, বিসমিল্লাহি আরকিকা।
অর্থ : আল্লাহর নামে আপনাকে ফুঁ দিচ্ছি; যেসব জিনিস আপনাকে কষ্ট দেয়, সেসব প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদ নজর থেকে আল্লাহ আপনাকে শিফা দিন; আল্লাহর নামে আপনাকে ফুঁ দিচ্ছি। [মুসলিম, হাদিস : ৫৫১২]
1 956
এই যুগের এইসব open mentality আমি বুঝিনা!
Gf/Bf থাকার পরেও Female/Male bestfriend concept টাও আমি বুঝিনা! প্রেমিকা যদি তোমার bestfriend ই না হলো, তাঁকে যদি মনের সব কথা খুলে বলতেই না পারলে তাহলে কি প্রেম করো! প্রেমটা শুধু শারীরিক? Mental support এর জন্য তোমার opposite gender bestfriend এর কাছে যাওয়া লাগে?? একটু মন খারাপ হলেই Gf/Bf কে বাদ দিয়ে opposite gender এর bestfriend কে জড়িয়ে ধরতে লাগে!
দুজন মানুষের ভাগ শুধু দুজনের। আমি আমার partner এর সিকিভাগও অন্যকারো সাথে share করতে রাজি নই। আমি যার প্রেমিক হবো, সবার আগে তার bestfriend হবো। আমি থাকার পরও যে মানুষের আরেকটা opposite gender এর bestfriend লাগবে আমি ধরেই নিবো তার চরিত্রে দোষ আছে।
হ্যাঁ ভাই, আমি অনেক toxic minded, possessive, backdated. তোমাদের মতো open minded আমি হতেও চাইনা।।
1 956
একটি রুটিন, বদলে দিবে অনেক কিছু !
🏋🏼♂️ আপনি কি নিজের জন্য কখনো কোন রুটিন বানিয়েছিলেন ? আপনি কি সেই রুটিন অনুযায়ী 💯 তে 💯 চলতে পেরেছেন ? রুটিন মানতে না-পেরে আপনার কাছে কি কখনো মনে হয়নি যে, আমাকে দিয়ে বোধহয় কিচ্ছু হবে না, আমি বারবার রুটিন অনুযায়ী চলার কথা ভাবি কিন্তু একবারও চলতে পারি না।
🚴🏼♀️শুধু আপনি না ! পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই রুটিন মানতে পারে না ! কিন্তু আমার পরামর্শ হলো- আপনি নিজের জন্য আরেকটি রুটিন তৈরী করুন। প্রশ্ন হলো যদি রুটিন মানতেই না পারি, তাহলে আবার রুটিন কেনো বানাবো ?
🥋 কারণ আমরা যে একেবারেই রুটিন মেনে চলতে পারি না, এই কথাটি ভুল, সঠিক কথা হলো- বেশি দিন মানতে পারি না। এটিই হচ্ছে মূল পয়েন্ট, কিছুদিন তো মানতে পারি। এই কিছুদিনকেই আমরা কাজে লাগাতে পারি। আচ্ছা, আগে আপনাকে একটি রুটিন সম্পর্কে বলি, এরপর বাকী কথা হবে।
🕥 ১ দিনে কয় ঘণ্টা হয় ? : ২৪ ঘণ্টা !
# আপনার প্রতিদিনের ২৪ ঘণ্টাকে ৮ ঘণ্টা করে, তিনটি ভাগ করুন :
⌛ ৮ ঘণ্টা : ভালো করে একটা ঘুম দিন।
আমাদের শরীরের জন্য ৮ ঘণ্টা ঘুম কিন্তু খুবই জরুরি, এতে আমাদের শরীর বিশ্রাম পায় এবং পুনর্গঠিতও হয়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে আমাদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়বে, আমরা কাজে মনোযোগ দিতে পারবো না, এবং মানসিকভাবেও আমাদের ক্ষতি হবে।
⌛ ৮ ঘণ্টা : পরিশ্রম করুন। ( জব / লার্নিং )
লাইফকে সুন্দর করার জন্য আমাদের ইনকাম করতে হয়, আর ইনকাম করার জন্য পরিশ্রম করতে হয়, তবে পরিশ্রম করতে গিয়ে আবার নিজের স্বাস্থ্য নষ্ট করা যাবে না, অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে যেমন- শরীর দুর্বল হয়ে যাবে, ঠিক তেমনই বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
⌛ ৮ ঘণ্টা : অবসর সময় কাটান।
আপনি যদি মনে করেন, যে আগে টাকা ইনকাম করি, এরপর শুধু আরাম করবো, তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। কারণ আপনার যত বেশি টাকা হবে, আপনার ব্যস্ততা তত বেড়ে যাবে, তাই আপনার ডেইলি লাইফেও অবসর সময় কাটানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবসরে নিজের পরিবার, বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারেন এবং নিজের কোন শখও পূরণ করতে পারেন।
⏱ অবসরের ৮ ঘণ্টাকে আপনি আরো ৩টি ভাগ করবেন : 3F, 3H ও 3S -এ।
👨👩👧👦 ৩টি "এফ" : মানে হলো-
Family : পরিবারের সাথে সময় কাটানো, প্রিয়জনদের খোঁজ-খবর নেওয়া।
Friends : বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, নতুন বন্ধু বানানো।
Faith : ধর্মীয় বিশ্বাস অনুশীলন ও একনিষ্ঠ ইবাদত বন্দেগী করা।
🥗 ৩টি "এইচ" : মানে হলো-
Health : পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও নিয়মিত ব্যায়াম করা।
Hygiene : ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
Hobby : নিজের পছন্দের কাজটি করা।
🤩 ৩টি "এস"
Soul : মানসিক সুস্থতা অর্জনের চেষ্ট করা ।
service : দেশ ও সমাজের জন্য কিছু সেবামূলক কাজ করা।
Smile : হাসি-খুশি থাকা, চিন্তা-ভাবনায় পজেটিভ থাক, জীবনকে উপভোগ করা।
📋 এই রুটিনকে বলে- ৮+৮+৮ রুলস : এটি ২১ দিনের একটি চ্যালেঞ্জ !
তবে খুব কঠিন না, অবশ্যই এটি গ্রহণ করার মতো, এই রুটিন আপনার জীবনকে আরও বদলে দিতে পারে।
✍️ অনেকে মনে করেন, এই রুটিনটি- বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বানিয়েছেন। আবার আমেরিকান ৩ জন লেখক (ড. মাইকেল ব্রাইটম্যান, ড. এস. জে. ওয়ালশ, ড. ক্যাথি ম্যাকনিল) তাদের নিজ নিজ বইয়ে রুটিন -এর কথা লিখেছেন। কে প্রথম এই রুটিনটি আবিষ্কার করেছেন, সেটা জানা যায়নি, তবে রুটিনটি কিন্তু অসাধারণ।
🤳🏻 বড়রা বলেন- কেউ লাগাতার ২১ দিন এই রুটিনটি ফলো করতে পারলে, পরে এটি তার অভ্যাস হয়ে যাবে।
📌 কিছু বিষয় জেনে রাখুন,
যা আপনাকে এই রুটিন মানতে হেল্প করবে :
+ প্রতিদিন রাতে প্ল্যানিং করুন, পরের দিন কী কী কাজ করবেন।
+ যে কাজটি এখন করতে হবে, সেটা এখনই করুন- পরে করবো বলে ফেলে রাখবেন না।
+ নিজেকে এক্টিভ রাখার জন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকে ৫-১০ মিনিটের বিরতি নিন।
+ অফিসে কতক্ষণ থাকবেন এবং বাসায় কতক্ষণ থাকবেন, তার জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করুন, এতে আপনার উপর থেকে অনেক চাপ কমবে।
+ না বলতে শিখুন, যদি আপনার সময় বা শক্তি না থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি ‘সরি’ বলে দিন।
🧷 এই রুটিন মানতে ব্যর্থ হলে বা আপনার তৈরী করা আগের রুটিন মানতে ইচ্ছে না করলে, নতুন আরেকটি রুটিন বানিয়ে সেই অনুযায়ী চলতে শুরু করুন। এবারো নতুন রুটিন বানালে, হয়তো এটি আপনি ১০০ তে ১০০ মানতে পারবেন না। এখানে অক্ষরে অক্ষরে রুটিন মানা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, কথা হলো- যে কোন একটি নিয়মের মধ্যে দিয়ে গেলে, আপনি হয়তো ১ মাসের কাজ, ১ সাপ্তাহেই করে ফেলতে পারবেন। অভ্যাস হওয়ার পর, হাঠাৎ না হয় একদিন ইচ্ছে করেই রুটিন ভাঙলেন, মাঝে মাঝে রুটিন ভাঙ্গারও আনন্দ আছে !
🧧 তাহলে আর দেরী কিসের ? নিজের সময় অনুযায়ী একটি রুটিন বানিয়ে “গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স” এর প্রাইভেট গ্রুপে পোস্ট করুন।
💖 ধন্যবাদ
🪶 এনামুল হাসান মারুফ
শিক্ষক, গ্রাফিক ডিজাইন মাস্টার কোর্স
( ডিজাইন শেখায় বাংলাদেশের ১ নাম্বার কোর্স )
হেল্প লাইন 🔻
whatsapp : 01873 555 755
Hello : 01767-739928, 01996-768699
কথা বলার
1 956
১৫. সব জেলা সদরে টেলিটক কাস্টমার কেয়ার আছে ০১৫০০১২১১২১ এ কল দিলে তারা আপনার জেলা সদর কাস্টমার কেয়ার Address + মোবাইল Number বলে দিবে, তাদের বল্লে মেসেজ করে তথ্য পাঠিয়ে দিবে।
অথবা টেলিটক পেইজে মেসেজ দিলে সব বলে দিবে।
১৭. আপনার এরিয়া নেটওয়ার্ক সমস্যা থাকলে ১২১ অথবা ০১৫০০১২১১২১ এ কল দিয়ে আপনার এরিয়া সমস্যা নিয়ে অভিযোগ দিন তারপর BTRC ১০০ তে কল দিয়ে আপনার এরিয়া নিয়ে অভিযোগ দিন। ( Toll Free)
দেরিতে হলে ও সমস্যা সমাধান হবে।
এছাড়া টেলিটক পেইজে মেসেজ দিয়ে/ পোস্ট এ কমেন্ট করে এরিয়া, জেলা, থানা, ইউনিয়ন, ওয়াড, যোগাযোগ নাম্বার লিখে অভিযোগ দিতে পারবেন।
১৮. আর টেলিটক Apps Use করবেন সব অফার দেখতে পারবেন।
টেলিটক ভালো অফার সব প্যাকেজে নেওয়া যায়:-
১/ ১৭ টাকা রিচাজ করলে ২ জিবি পাবেন মেয়াদ ১৫ দিন। ১৬ দিন পর ১ বার নিতে পারবেন। মাসে ২ বার।
২/ ৯৭ টাকা ১২ জিবি মেয়াদ ৭ দিন।
৩/ ১৪৯ রিচাজ করলে পাবেন ১০ জিবি মেয়াদ ৩০ দিন।
৪/ ১৫৯ টাকা রিচাজ করলে ২৫ জিবি পাবেন মেয়াদ ১৫ দিন। ২ বার নিলে ৩১৮ টাকা ৫০ জিবি মেয়াদ ৩০ দিন।
৫/ ২৮৩ টাকা ৩০ জিবি মেয়াদ ৩০ দিন। ( Teletalk Apps এ)
৬/ ১২৭ টাকা ৬ জিবি মেয়াদ আনলিমিটেড এবং ৩০৯ টাকা ২৬ জিবি মেয়াদ আনলিমিটেড।
এসব অফার MY Teletalk Apps এ পাবেন + ছোট বড় অনেক ভালো অফার MY Teletalk Apps এ পাবেন পছন্দ মতো নিতে পারবেন।
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সেইম প্যাকেজ নিলে মেয়াদ বাড়বে।
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
Peace ❤️
#ফিডব্যাক #গুরুত্বপূর্ণ #বণমালা #আগামী #স্বাগতম
1 956
স্বাগতম/ শতবর্ষ / অপরাজিতা/ স্বাধীন সীম এবং বর্নমালা/ আগামী সিমের পার্থক্য এবং আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর এ পোস্ট এ পাবেন সময় করে পড়ে নিবেন :-
১. শতবর্ষ/ স্বাগতম/ স্বাধীন সীম যেকেউ কিনতে পারে, অপরাজিতা সীম মেয়েরা কিনতে পারে NID card দিয়ে।
বর্নমালা/ আগামী সীম কিনতে এসএসসি পাশ হতে হবে।
২. স্বাগতম/ শতবর্ষ / স্বাধীন সীম যেকোন দোকানে পাওয়া যায়।
* অপরাজিতা ও অনেক দোকানে পাবেন তবে কাষ্টমার কেয়ার থেকে নিতে হবে না পেলে।
* বর্নমালার / আগামী সীম নিতে হলে টেলিটক সীম দিয়ে আবেদন করে ওটিপি আসলে কাষ্টমার কেয়ার থেকে নিতে হয়+ Nid+ Fingerprints লাগবে যেকারো NID card দিয়ে সীম নিতে পারবেন। বণমালা নিতে OTP massage দেখালে হবে।
আগামী সীম নিতে হলে SSC A+ লাগে। বণমালা সীম নিতে SSC পাশ করলেই হয়।
আগামী সীম নিতে OTP massage + SSC Admit Card Or SSC Markshit OR SSC সাটিফিকেট ফটোকপি ৩টা যেকোনো একটা নিতে হবে। তারা দেখে দিয়ে দিবে।
৩. শতবর্ষ সিমের মালিকানা পরিবর্তন করা যায়, বর্নমালা/ আগামী/ স্বাধীন / অপরাজিতা সিমের মালিকানা পরিবর্তন করা যায়। কিন্তু সীম বাদ দেওয়া বা Deactivate বা বন্ধ করা যায় না। কারন এগুলা স্পেশাল প্যাকেজ সীম।
স্বাগতম সীম বন্ধ করা যায়, মালিকানা পরিবর্তন করা যায়।
* সীমের মালিকানা পরিবর্তন করতে টাকা লাগে না তবে ২ জনকেই উপস্থিত থাকতে হবে সীম + NID card + Fingerprints দিতে হবে।
৪. শতবর্ষ/ স্বাগতম/ স্বাধীন সাধারণ সিম।
বর্নমালা/ আগামী/ অপরাজিতা স্পেশাল সিম।
৫.
* শতবর্ষ/ স্বাগতম / অপরাজিতা / মায়ের হাসি কলরেট ৪৭পয়সা ভ্যাটসহ ৬৩ পয়সা।
* স্বাধীন ৯০ পয়সা কল-রেট + ভ্যাট সহ ১ টাকা ২০ পয়সা পার মিনিট।
* বর্ণমালা/ আগামী কলরেট ৪৫ পয়সা ভ্যাটসহ ৬০ পয়সা।
৬. শতবর্ষ/ স্বাগতম / স্বাধীন/ অপরাজিতা / মায়ের হাসি নির্দিষ্ট রিচার্জ অফার নাই।
* বর্ণমালার ৩০ টাকা রিচার্জ করলে ৩০ মিনিট টকটাইম, ৬০ এমবি, ৩০ এসএমএস ফ্রি দেয়। সাথে ৩০ টাকা মূল ব্যালেন্সে থাকে।
* আগামী ২৫ টাকা রিচার্জ করলে ২৫ মিনিট টকটাইম, ৫০ এমবি, ২৫ এসএমএস ফ্রি দেয়। সাথে ২৫ টাকা মূল ব্যালেন্সে থাকে।
৭. শতবর্ষ/ স্বাগতম সীম/ স্বাধীন অপরাজিতা সীম একজন মানুষ NID Card যত খুশি কিনতে পারে।
* SSC পাশ করা মানুষ বর্ণমালা/ আগামী একজন একটাই নিতে পারবে একটা SSC Roll, Regestation number, Board, Year দিয়ে আবদেন করে।
যদি কেউ SSC A+ পায় তাহলে সে একটা আগামী একটা বণমালা সীম নিতে পারবে আবেদন করে।
৮. শতবর্ষ/ স্বাগতম/ স্বাধীন জন্য নির্দিষ্ট ইন্টারনেট প্যাকেজ নাই,
বর্নমালা/ আগামীর/ অপরাজিতা জন্য কম টাকায় অনেক ইন্টারনেট প্যাকেজ আছে যা অন্য প্যাকেজের গ্রাহকরা নিতে পারে না।
৯ . শতবর্ষ সিম কিনতে টাকা লাগে না সীম Free, স্বাগতম ১৫০ টাকা, স্বাধীন ১৫০ টাকা,
বর্নমালা কিনতে ১০০টাকা লাগে। আগামী সীম Free।
১০. আগামী/ বণমালা সীম কিভাবে আবেদন করে নিবেন সেটার নিয়ম পোস্ট এ ছবিতে দেওয়া আছে দেখে নিবেন। তারপর টেলিটক সীম দিয়ে আবদেন করলে সাথে সাথে OTP massage চলে আসবে সেটা দিয়ে সীম নিতে পারবেন।
CC Code হচ্ছে কাস্টমার কেয়ার কোড আবেদন করার সময় CC Code না দিলে ও হবে। না দেওয়াই ভালো।
১১. আপনি টেলিটক সীম কিনলে ১ময়ে চেষ্টা করবেন Students package সীম নেওয়ার। এখন Maximum SSC পাস করছে এবং অনেকে SSC A+ পায়। Students package না নিতে পারলে স্বাগতম/ অপরাজিতা / শতবর্ষ সীম নিয়েন। ✅
স্বাধীন সীম ভুলে ও নিবেন না এটার কল-রেট অনেক বেশি। ❌
১২. আপনার সীম স্বাধীন / প্রজন্ম/ ইয়ুথ প্যাকেজ হলে প্যাকেজ পরিবর্তন করতে পারবেন। কারন এসব প্যাকেজে কল-রেট অনেক বেশি। ৯০ পয়সা কল-রেট।
প্যাকেজ পরিবর্তন করে অন্য প্যাকেজ থেকে শতবর্ষ / স্বাগতম এ আসতে পারবেন এতে কল-রেট কম কাটবে। ৪৭ পয়সা কল-রেট কাটবে।
শতবর্ষ যেতে S100 লিখে 111 মেসেজ Send করেন। স্বাগতম এ যেতে SAG লিখে 888 মেসেজ দিন।
৩ দিনের মধ্যে প্যাকেজ পরিবর্তন হবে/ মেসেজ দিবে যদি না হয় ১২১/ ০১৫০০১২১১২১ এ কল দিলে তারা করে দিবে।
* অপরাজিতা / আগামী/ বণমালা প্যাকেজ পরিবর্তন হয় না অন্য প্যাকেজে যাওয়া ও যায় না।
১৩. একটা NID card দিয়ে ১৫ টা টেলিটক সীম নেওয়া যায়।
১৪. অনেকে বলেন আমার ভাই/ বোন/ আত্নীয় / বন্ধু
SSC A+ পাইছে কিন্তু কাষ্টমার কেয়ার দূরে হওয়ায় সে যেতে পারবে না অথবা তার NID Card হয় নাই তাই Students package সীম নিতে পারছে না।
সমস্যা নাই যেকেউ NID card দিয়ে সীম নিতে পারবে। তবে বণমালা সীম নিতে OTP massage দেখালে হবে। আগামী সীম নিতে OTP massage + SSC Admit Card Or SSC Markshit OR SSC সাটিফিকেট ফটোকপি ৩টা যেকোনো একটা নিতে হবে। তারা দেখে দিয়ে দিবে।
* তারপর যার জন্য সীম নিচ্ছেন তার NID card হলে সীমের মালিকানা পরিবর্তন করে দিবেন কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে।
মালিকানা পরিবর্তন করতে টাকা লাগে না তবে ২ জনকেই উপস্থিত থাকতে হবে সীম + NID card + Fingerprints দিতে হবে।
১৫. সব জেলা সদরে টেলিটক কাস্টমার
1 956
'কবরের প্রথম আলিঙ্গন তোমার জীবনের সকল উষ্ণ আলিঙ্গনের কথা তোমায় ভুলিয়ে দেবে।'
.
-ইমাম শাফেঈ (রাহিমাহুল্লাহ্)
1 956
রিজিকের অন্তত ৭টি দরজা!
.
১) সালাত বা নামাজ
যে রাস্তাগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বস্তুগত ও অবস্তুগত উভয় রকমের রিজিক পৌঁছান, তার মধ্য থেকে এক নম্বর হলো নামাজ। নামাজের মাধ্যমে এবং নামাজের দাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা রিজিক পৌঁছান। (দেখুন সূরা ত্বহা, ১৩২)
.
২) তাকওয়া বা স্রষ্টানুভূতি
অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলার কাছে জবাবদিহিতার ভয়ে ইসলামের বিধিবিধানকে শক্তভাবে মেনে চলা। হালাল-হারামগুলো বেছে চলা, আল্লাহকে হাজির-নাজির মনে করা যে, আল্লাহ আমার সামনে উপস্থিত, আমি কীভাবে গুনাহ করতে পারি। (দেখুন সূরা তলাক, ২-৩)
.
৩) তাওয়াক্কুল
আল্লাহর ওপর ভরসা করা। অনুকূল হোক বা প্রতিকূল, বিপদে হোক, আনন্দে হোক—সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর আস্থা রাখা, ভরসা করা, নির্ভর করা। পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর নির্ভর করা যে, আল্লাহ আপনিই করবেন; আমার কোনো শক্তি নেই, ক্ষমতা নেই; আপনিই করেন, আপনিই করবেন।
.
৪) ইসতিগফার
প্রতিদিন বেশিব এশি আল্লাহর কাছে তাওবা করা, ক্ষমা চাওয়া। এর মাধ্যমে রিজিক আসে। হাদীসে এসেছে, 'যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইসতিগফার করবে, আল্লাহ তাকে সব সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন।' (হাকিম, ৭৬৭৭)
.
৫) কামাইয়ের চেষ্টা
যেটা আমরা করি এবং রিজিকের তালাশ বলতে শুধু এটাই বুঝি ও বোঝাই। কুরআনে এসেছে, 'অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ করো।' (সূরা জুমা, ১০)
.
৬) আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা
একটি হাদীসে এসেছে: 'যে ব্যক্তি কামনা করে তার রিজিক প্রশস্ত করে দেওয়া হোক এবং তার আয়ু দীর্ঘ করা হোক, সে যেন তার আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে।' (বুখারী ৫৯৮৫)
.
৭) বিবাহ করা
কুরআনে এসেছে, 'তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও...তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন।।.." (সূরা নূর, ৩২) হাদীসে এসেছে, 'বিবাহের দ্বারা রিজিক তালাশ করো।' (আল-মাকাসিদুল হাসানাহ, ১৬২)
.
তার মানে বিয়ের মাধ্যমে রিজিক আসে। তাহলে দেখুন, রিজিকের জন্য আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ৭টি দোকান দিয়েছে; কিন্তু আমি দোকান খোলা রেখেছি শুধু একটি। কেবল ব্যবসা আর চাকরির দোকান। একটিমাত্র দোকান খোলা রেখে বলছি, 'আল্লাহ, আমার অভাব দূর হয় না, আমার অভাব দূর করে দিন; আল্লাহ, আপনি আমার রিজিকে বরকত দান করুন, আমার রিজিক বাড়িয়ে দিন।' বাকি ছয়টি দোকান বন্ধ রেখে আমি বলছি, আমার রিজিকের অভাব দূর হয় না!
.
ডা. শামসুল আরেফীন ভাইয়ের 'মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা' সেশন থেকে। মোট ১০ ঘন্টার আলোচনা + ১০০ পৃষ্ঠার পিডিএফ।
ইতোমধ্যে ৫০০০ জন কোর্সটি করে উপকৃত হয়েছেন।
৫০% ছাড়ে মাত্র ১০০ টাকায় রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
1 956
ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত আমাদের অনেকটা সময় ডিভাইসের সামনে কাটছে। এ সময়টাতেও যেন আমরা গাফেল না হই এজন্য কিছু টিপস-
১। সোশাল মিডিয়াতে সময় কমানো। বিভিন্ন 'অ্যাপ লক' ধরণের অ্যাপ এ টাইমার ব্যবহার করতে পারেন। ডেইলি নির্দিষ্ট মিনিট ব্যবহারের পর ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রাম অ্যাপ লক হয়ে যাবে। পরেরদিন আবার খুলবে।
২। অপ্রয়োজনীয় লাইভ, রিলস বা সময় নষ্টকারী বিষয় দেখা বন্ধ করুন। অপ্রয়োজনীয় পেইজগুলো আনফলো দিন। কাজে লাগবে এমন পেইজ/আইডিগুলোতে নিয়মিত লাইক-কমেন্ট করুন। ফলে ফেসবুক এলগরিদম অনুযায়ী আপনাকে ঐগুলোই বেশি বেশি দেখাবে।
৩। নোটিফিকেশন অফ রাখুন। বারবার অনলাইনে যাবার খোঁচা আপনাকে দেয় এই সর্বনাশা 'নোটিফিকেশন'। এটা বন্ধ করলে কাজ অনেকটা সহজ।
৪। ডিভাইসের সাথে জড়িত প্রোডাক্টিভ কাজ করুন। হতে পারে মোবাইলে কুরআন তিলাওয়াত, বই পড়া, অনলাইন কোর্স করা ইত্যাদি।
৫। ডিভাইসের বাহিরে অফলাইন এক্টিভিটিতে বেশি বেশী সময় দিন। সামাজিক কাজ, দাওয়াহমূলক কাজ, পরিবারের নানান কাজ, বই পড়া, নতুন কিছু শেখা ইত্যাদিতে সময় দিন।
৬। নিজের ডেইলি কাজকর্ম-প্রোগ্রেস একটা ডায়রিতে লিখুন। ঐ দিনশেষে আপনার করা কাজ হয় আপনাকে লজ্জা দিবে অথবা অনুপ্রেরণা দিবে। পরেরদিন যা টনিক হিসেবে কাজ করবে ইন শা আল্লাহ।
৭। একটা অফলাইন হবি (শখ) ডেভেলপ করুন। গাছের পরিচর্যা, বই পড়া, পোষা প্রাণীদের দেখাশোনা ইত্যাদি।
৮। পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলুন। ডিভাইস আমাদের থেকে এই বিষয়টা নির্মমভাবে কেড়ে নিয়েছে। একই ঘরে থাকে অথচ পরস্পর কথা হয় না... বাবা-মা, গুরুজন সামনে থাকে অথচ চোখ-মনোযোগ ডিভাইসে!
৯। ঘুমের সময় মোবাইল না!! ঘুমের সময় আমাদের টাইম বাউন্ডারি থাকে না। যতক্ষণ ইচ্ছা চাইলে জেগে থাকা যায়। এসময় মোবাইল স্ক্রল শুরু করলে কখন যে ১-২ ঘণ্টা চলে যাবে টেরই পাবেন না। ফলে ঘুমে ঘাটতি... দেরিতে উঠা... কাজকর্মে ঘাটতি... এই দুষ্টচক্র চলতেই থাকে।
১০। কঠিন করে ফেলুন। আপনি যেটায় সবচেয়ে বেশী আসক্ত সেটা কঠিন করে ফেলুন। ইন্সটাগ্রামে বেশী আসক্ত হলে অ্যাপটা ডিলিট করে দিন। যাতে আবার চালাতে চাইলে নতুন করে ইন্সটল করে লগ ইন করতে হয়। অনেক সময় এই ভেজালে চালানোর ইচ্ছা চলে যায়। অথবা অন্যভাবে কঠিন করুন। যদিও এসব কোম্পানিগুলো যত কম কষ্টে আপনাকে অ্যাপসে নিয়ে আসা যায় এজন্য গবেষণা করেই চলছে।
এই সবগুলোর পাশাপাশি আপনার মনের জোর অনেক প্রয়োজন। আল্লাহ চাইলে আপনি অবশ্যই পারবেন...
[টিপসগুলো উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন। আপনার মাথায় অন্যান্য আইডিয়া থাকলে কমেন্টে জানান।]
1 956
আমি একবার আমার শায়খকে অভিযোগ করলাম - শায়খ! আমি বই পড়ি। কিন্তু শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না।
শায়খ আমার দিকে একটি খেজুর বাড়িয়ে দিয়ে বললেন - এটা চিবিয়ে খাও। আমি তাই করলাম।
শায়খ : এখন শারীরিক কোন বৃদ্ধি টের পাচ্ছো?
আমি : না তো!
শায়খ : তুমি অনুভব না করলেও খেজুরটি (এর সারাংশটুকু) কিন্তু আলাদা আলাদা হয়ে তোমার রক্ত, মাংস, হাড্ডি, চামড়া, চুল ও নখে পরিনত হয়েছে। ঠিক এমনিভাবে আমরা যখন কোন বই পড়ি তখন তা আমাদের অগোচরেই আমাদের ভাষাকে শক্তিশালী করে, জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে, চরিত্রকে শুদ্ধ করে, লেখনী ও বাচনভঙ্গি উন্নত করে।
~ শায়খ সালমান আল আওদাহ (হাফি.)
1 956
আপনার হাতের মোবাইলটি আপনার জীবন সহজ করছে নাকি কঠিন? এটা নির্ভর করছে আপনি সেটাকে কীভাবে ব্যবহার করছেন। ঠিকমতো মোবাইল ব্যবহার করতে পারলে আমাদের লাইফস্টাইল কিছুটা সহজ হতে পারে। এটার জন্য কয়েকটি অ্যাপ আছে। আপনার প্রয়োজনমতো অ্যাপগুলো ইন্সটল করে নিতে পারেন।
🟢 ১. মোবাইল হারিয়ে গেলে সব নাম্বার হারিয়ে ফেলেন?
আমরা মোবাইল হারিয়ে ফেলতে পারি, চুরি হতে পারে, বিক্রি করতে পারি বা নতুন মোবাইল কিনতে পারি। তখন আগের মোবাইলের সব Contact নাম্বার কোথায় পাবো? নতুন মোবাইল কেনার পর কি একটা একটা নাম্বার save করবো?
এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে ‘Google Contact’। বেশিরভাগ মোবাইলে গুগল কন্টাক্ট ইন্সটল করা থাকে (না থাকলে ইন্সটল করে নিন)। একটি ইমেইল একাউন্ট দিয়ে সেটা সাইন-ইন করে নিন। নতুন নাম্বার সেইভ করতে পারবেন, পুরনো নাম্বারগুলো গুগল কন্টাক্টে নিতে পারবেন।
আপনার মোবাইল কখনো হারিয়ে গেলে বা নতুন মোবাইল কেনার পর ঐ মোবাইলে ইমেইল দিয়ে গুগল কন্টাক্টে sign-in করে নিলেই আগের সব নাম্বার পেয়ে যাবেন।
🟢 ২. কোনো কিছুর নাম না জানলে কী করবেন?
বাগানে একটি ফুল ফুটেছে। আপনি সেই ফুলের নাম জানেন না। একটি প্রোডাক্ট দেখলেন কিন্তু সেটার নাম পেটে আসছে মুখে আসছে না! বইয়ে একজন মানুষের ছবি দেয়া, নাম দেয়া নেই। আপনার খুব জানতে ইচ্ছে করছে তার নাম কী। এগুলো তো আপনি গুগল সার্চে পাবেন না।
এমন কৌতুহল মেটাতে পারে ‘Google Lens’। আপনি কোনো কিছুর নাম জানতে চাইলে বা ঐ বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে এই অ্যাপটি কাজে আসবে।
🟢 ৩. বাচ্চার হাতে মোবাইল দিতে হলে
বাচ্চার হাতে মোবাইল দেয়ার সময় একটা ভয় কাজ করে। বাসায় অপ্রস্তুত অবস্থায় বসে আছেন, হঠাৎ যদি সে ফেসবুক লাইভে চলে যায় বা কাউকে ভিডিও কল দিয়ে বসে? বাচ্চাকে ইউটিউব দিলে ‘Youtube Kids’ ডাউনলোড করে দিবেন। কিন্তু, সে যদি সেটা থেকে বের হয়ে কাউকে কল দিয়ে বসে? অন্য কোনো অ্যাপে চলে যায়?
তাছাড়া অনেকসময় অন্যরা আমাদের কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে খেলা দেখে বা ইউটিউবে ঢুকে। কিন্তু, আপনার অলক্ষ্যে সে তো আপনার প্রাইভেসি লঙ্গন হবে এমন অ্যাপে ঢুকতে পারে!
এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে ‘Screen Pinning’। অ্যান্ডয়েড ফোনের Setting-Security অপশনেই এটা পাবেন। ব্যবহারবিধি ইউটিউবে দেখে নিতে পারেন।
এটার ফলে কেউ আপনার মোবাইল নিলে তাকে যেই অ্যাপ দেখতে দিয়েছেন সেটার বাইরে সে যেতে পারবে না।
🟢 ৪. এখন থেকে আর কিছুই ভুলে যাবেন না!
কারো সাথে আপনার দেখা করার কথা। তাকে সময়-তারিখ জানিয়েছেন। কিন্তু, আপনি ভুলে গেছেন! এমনটা অহরহ হয়। পরীক্ষার রুটিন, অনলাইন ক্লাস, কারো বিয়ের তারিখ, ডাক্তারের অ্যাপয়েনমেন্ট থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত যতো ইভেন্ট আছে, সব মনে রাখতে পারবেন না আপনি। ব্রেইনকে এতো প্রেশার দেবার কিছু নেই।
ব্যবহার করুন ‘Google Calendar’। কবে, কখন, কার সাথে মিটিং, ক্লাস সবই স্মরণ করিয়ে দিবে গুগল ক্যালেন্ডার। আপনি শুধু ক্যালেন্ডারে ইভেন্ট লিখে রাখুন সাথে সাথে।
২০ ডিসেম্বর আপনার চাচার বিয়ে। ঐদিনই আরেকজনের সাথে লাঞ্চের কথা। যখনই আপনি ক্যালেন্ডারে যাবেন, তখন ক্যালেন্ডারে ঐ দিনের ইভেন্ট দেখে একটা ইভেন্ট আগ-পিছ করতে পারেন।
🟢 ৫. বাজারের লিস্ট থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লিখে রাখুন, হারাবে না
আমরা অনেকসময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লিখতে চাই। খাতায় লিখলে সেই খাতা কোথায় হারিয়ে যাবে আপনি বলতেও পারবেন না। এমন তথ্য আছে, যেটা আপনার ৫-১০ বছর পরও লাগবে। হতে পারে এনআইডি নাম্বার, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি।
এসবের জন্য ব্যবহার করুন ‘Keep Notes’। এই অ্যাপটি মোবাইলে থাকেই। ইমেইলের সাথে কানেক্ট করে নিলে আপনি মোবাইল হারিয়ে ফেললেও তথ্যগুলো হারাবেন না। নতুন মোবাইলে ইমেইল দিয়ে sign-in করলে তথ্যগুলো পেয়ে যাবেন।
🟢 ৬. জটিল অংকের সমাধান করতে পারে এই অ্যাপ
আপনি একটি অংকের সমাধান করতে পারছেন না। আপনার বন্ধুও পারছে না। অন্যদিকে এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে ‘Photo Math’ অ্যাপ।
🟢 ৭. কুরআন-হাদীস পড়তে
কুরআনের কোনো আয়াতের একাধিক ভাষায় একাধিক তাফসির পড়তে চাইলে সবচেয়ে ভালো অ্যাপ হবে Greentech –এর ‘Al Quran (Tafsir & by Word)’ অ্যাপ। অ্যাপটি ইউজার ফ্রেন্ডলি। কোন শব্দের কী অর্থ সেটা জানতে পারবেন এই অ্যাপে।
এগুলোর বাইরেও আপনার কাছে পছন্দের কোনো অ্যাপ থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।
অন্যরা যাতে জানতে পারে, সেজন্য পোস্টটি শেয়ার করার অনুরোধ।
🖋️ Need
Learn more in less time
1 956
HSC পাস করা স্টুডেন্টদের একটা কথাই বলবো– "ভাগেন! পারলে দেশ ছাড়েন।"
আমার মতে বাহিরে যাওয়ার ডিসিশনটা HSC এর পরেই নেওয়া উচিত। হুদাই বাবা মায়ের ১০-১৫ লাখ টাকা খরচ করে দেশে বসে শিক্ষিত বেকার হওয়ার থেকে ইউরোপ আমেরিকায় সেম খরচে পড়াশোনা করা অনেক ভালো। সুতরাং চিন্তা ভাবনা করে ডিসিশনটা নিবেন। যারা A+ পান নাই, মন খারাপ করার দরকার নাই! ইউরোপ আমেরিকা যাইতে A+ লাগেনা। একটু টাইম নিয়ে, ডিসিশনটা ওয়াইজলি নেন। জীবন একটাই! আর লাইফের সবথেকে বড় ইউটার্ন টা এখনই হবে। আমার ইন্টারমিডিয়েটের পরে আমাকে কেউ বিদেশ যাইতে বলে নাই। আপনাদেরকে আজ আমি বলতেছি! বাংলাদেশের বাহিরেও সুন্দর পৃথিবী আছে। এক্সপ্লোর করেন!
#StudyAbroad
#BanglayIELTS
1 956
সুফইয়ান সাওরি রহি. একবার দুনিয়া, দুনিয়ার চাকচিক্য এবং এর মধ্যে দুনিয়াবিমুখতা কী; সে সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি বলেন,
’আশা ছোটো রাখাই হলো দুনিয়াবিমুখতা। মোটা খাবার খাওয়া আর মোটা জুব্বা পরার নাম দুনিয়াবিমুখতা নয় ৷’
[জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম, ৩৫৫]
1 956
“তোমরা টাকা নেবার আগে টাকার উৎস খতিয়ে দেখো। কোথা থেকে টাকাটা এলো, যাচাই করে নাও। আর হালাল কামাতে গিয়ে তোমাকে যদি জামাতের শেষ কাতারেও দাঁড়াতে হয়, তাতেও সমস্যা নেই।”
— সুফিয়ান সাওরি (রহ.)
[হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৭/৮]
1 956
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে :
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
@FMA
1 956
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে :
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
