fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 996
مشترکین
+124 ساعت
+37 روز
+430 روز
آرشیو پست ها
photo content

অন্যদিক আমরা কোন স্বপ্ন কীভাবে বা কেন দেখি, তার ব্যাখ্যা খুঁজে বের করার জন্যও অনেক ধরনের গবেষণা চলমান আছে। বিজ্ঞানীরা স্বপ্ন দেখার পেছনের কারণ আরো ভাল ভাবে বোঝার জন্যে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তার মধ্যে অন্যতম একটা উদ্যোগ হল ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্কের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা। এজন্য এআই ব্যবহার করে আমাদের কল্পনার চিত্র তৈরি করা হয়। ২০১৩ সালের একটি গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের তাদের স্বপ্নে দেখা দৃশ্যের বর্ণনা করতে বলা হয়। এর আগে অংশগ্রহণকারীরা একটা এমআরআই স্ক্যানারের মধ্যে ঘুমিয়েছিলেন। গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন, যারা কিছুটা একই ধরনের স্বপ্ন দেখেছেন, তাদের মস্তিষ্কেও একই ধরনের গতিবিধি তৈরি হয়েছে। . # প্রযুক্তিই যখন দুঃস্বপ্ন তবে প্রযুক্তির অন্ধকার একটা দিকও আছে। স্মার্টফোন বা স্ট্রিমিং সার্ভিস এর মত আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত প্রযুক্তি আমাদের চোখে বৈদ্যুতিক আলো ফেলে। এবং এর ফলে আমাদের ঘুমের ওপর চরম ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি একটা গবেষণায় দেখা গেছে, দেশটিতে প্রচুর পরিমাণ শিক্ষার্থী ঘুমানোর সময় তাদের মোবাইল ফোন সাথে নিয়ে ঘুমাচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে, ঘুমানোর সময় কোনো ফোন কল, সফটওয়্যার আপডেট অথবা অ্যাপ নোটিফিকেশন তার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আবার বিছানায় শুয়ে শুয়ে টিভি দেখা, ভিডিও গেমস খেলা অথবা ট্যাবলেট বা মোবাইল ফোনের দিকে সারারাত তাকিয়ে থাকাও অনেকেরই অভ্যাস হয়ে উঠেছে। এ ধরনের অভ্যাস থেকে ঘুমের মান খারাপ হতে পারে এবং ঘুমের স্বাভাবিক চক্র একেবারেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এখন অনেক মানুষের মধ্যে ‘অর্থোসোমনিয়া’ (orthosomnia) নামের নতুন এক মানসিক অবস্থা তৈরি হচ্ছে। সহজ কথায়, ‘অর্থোসোমনিয়া’ হচ্ছে ভাল ঘুমের জন্য মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া ইচ্ছা বা তাড়না। শুনতে ভাল মনে হলেও এ ধরনের তাড়না সময়ের সাথে সাথে দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা তৈরি করতে পারে। পুষ্টিকর খাবারের জন্যও মানুষের মধ্যে এমন তাড়না দেখা যায়। অনেকে নিজের ঘুমের মান ভাল করে তোলার জন্য এতটাই দুশ্চিন্তা করে যে, এ কারণেই তাদের অনিদ্রা রোগ শুরু হয়ে যায়। মোটকথা, এখনো ঘুম নিয়ে অনেক কিছুই আমাদের অজানা। এর মধ্যে নতুন প্রযুক্তি এসে আমাদের ঘুমকে এমনভাবে বদলে দিচ্ছে যে, বিজ্ঞানীরা এর সাথে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে একটা বিষয় নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ঘুম আর প্রযুক্তি এখন পরস্পরের সাথে এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। #ঘুম #প্রযুক্তি #অ্যাপস

প্রযুক্তি যেভাবে দ্রুত বদলে দিচ্ছে আমাদের চিরচেনা ঘুমের ধরন ঘুমের হিসাব রাখার জন্য এখন আমরা ‘স্লিপ ট্র্যাকার’ অ্যাপ ব্যবহার করছি, সজাগ থাকার জন্য গ্রহণ করছি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ। এভাবেই ২১ শতকে এসে আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রণের নতুন এত প্রযুক্তি এসেছে যে, আমাদের ঘুমানোর ধরনই বদলে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত ঘুমের জন্যে আধুনিক মানুষের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করতে সাহায্য করবে এসব প্রযুক্তি। একইসাথে আমাদের সামাজিক জীবনের সাথে ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঘুমের সময়সূচীও ঠিক রাখা যাবে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে। প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ এখন চাইলেই সারারাত জুড়ে দীর্ঘ সময় ঘুমাতে পারছে অথবা প্রয়োজনে কাটাতে পারছে ঘুমহীন রাত। কিন্তু প্রযুক্তি ঠিক কীভাবে আমাদের ঘুমে প্রভাব ফেলছে আর ভবিষ্যতে ঘুমের ওপর প্রযুক্তির প্রভাব কেমন হবে? . # নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে বা জেগে থাকতে ওষুধের অপব্যবহার সজাগ রাখার জন্য প্রতিনিয়তই বাজারে আসছে নতুন ধরনের সব ওষুধ। বলা হচ্ছে ক্যাফেইন এর চেয়ে এসব ওষুধ অধিক কার্যকর ও নিরাপদ। বিশেষ করে যাদের আগে থেকে অপর্যাপ্ত ঘুম হয়, তাদের ওপর এসব ওষুধ সবচেয়ে ভাল কাজ করবে। তবে যাদের যথেষ্ট বিশ্রাম বা ঘুম হয়, তাদের ওপর এসব ওষুধের খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। কিন্তু যারা ডাক্তারের চিকিৎসাপত্র বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া এসব ওষুধ ব্যবহার করছেন, তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব ওষুধের নিরাপদ ব্যবহার নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। এবং এসব গবেষণায় দেখা গেছে, এ ধরনের ওষুধ নিয়মিত ব্যবহার করা অনুচিৎ। আমরা জানি না মানুষকে অধিক সময় জাগ্রত রাখার জন্য এসব ওষুধ মানবদেহে কেমন প্রভাব ফেলে। তবে পেশাগত বা অন্যান্য কারণে মানুষের স্বাভাবিক ঘুমের চক্রে যদি কোনো বিঘ্ন ঘটে, তবে ডায়াবেটিস বা হৃদযন্ত্রের জটিলতাসহ নানান ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। নতুন আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে বা জেগে থাকতে ওষুধ ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, অধিক পরিশ্রমের জন্যে তারা জেগে থাকার ওষুধ এবং বিশ্রামের জন্য দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ার ওষুধ ব্যবহার করছে তারা। অবশ্য এভাবে ওষুধ গ্রহণ করলে মানব শরীরের ওপর কেমন প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন। যুক্তরাজ্যে লাইসেন্স অথবা প্রেসক্রিপশন ছাড়া এ ধরনের ওষুধ বিক্রি ও সরবরাহ করা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসক্রিপশন ছাড়া এ ধরনের উত্তেজক ওষুধ বহন করাটাই আইনের চোখে অপরাধ। . # প্রযুক্তির সাহায্যে স্মার্ট ঘুম এখন অনেক মানুষই স্মার্ট ঘড়ি, স্মার্ট গহনা কিংবা ফিটনেস ব্যান্ড এর মত ওয়্যারেবল ডিভাইস ব্যবহার করে নিজেদের ঘুমের হিসাব রাখছে। এসব ডিভাইসের সাথে থাকা অ্যালার্ম ইউজারদের সঠিক সময়ে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলছে। ফলে তাদের ঘুমের চক্র সঠিকভাবে পূর্ণ হচ্ছে। এছাড়া এসব ডিভাইসে থাকা মোশন সেন্সর অ্যাপ ইউজারের ঘুমের ধরন বিশ্লেষণ করে ঘুমের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্য তাকে জানিয়ে দিচ্ছে। ঘুম ট্র্যাক করা বা ঘুমের হিসাব রাখার জন্য নতুন ধরনের পাজামাও ভবিষ্যতে বাজারে আসতে পারে। এসব পাজামায় হয়ত যুক্ত করা থাকবে সেন্সর, যার সাহায্যে ব্যবহারকারীর শারীরিক অবস্থান, নিঃশ্বাস নেয়ার হার বা হৃদস্পন্দন পরিমাপ করা যাবে। এছাড়াও বাজারে আসতে পারে ‘রোবট বালিশ’, যাকে জড়িয়ে ধরে রাখলে তা আপনার নিঃশ্বাসের হারের সাথে স্পন্দিত হতে থাকবে। এ ধরনের ডিভাইস আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করবে। জাপানে এরই মধ্যে ঘুমের ওপর নজর রাখার জন্য রোবট নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে এসব রোবট বয়স্ক মানুষদের ভাল ঘুমের ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে কিনা। বৃদ্ধনিবাসে রাতের বেলা ঘুমন্ত বৃদ্ধদের পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্ব দেয়া হয় এসব রোবটকে। এই রোবটগুলি বয়স্ক মানুষদের রাত্রিকালীন ঘুমের অভ্যাস রেকর্ড করে রাখে। যেমন অনেকেই আছে রাতের বেলা ঘুমের মধ্যে হেঁটে বেড়ায়। রোবটের কাছ থেকে এ ধরনের সকল তথ্য বৃদ্ধনিবাসের কর্মীরা সংগ্রহ করছে। . # স্বপ্নরাজ্যে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের স্বপ্নেও প্রভাব রাখবে প্রযুক্তি। তবে এ কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার এখনো শুরুর পর্যায়ে আছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হেডসেট এর মত মানুষের ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপ্ত করার জন্য যেসব প্রযুক্তি ও যন্ত্র আছে, তা দিয়েই আমাদের ঘুমে প্রভাব রাখা যেতে পারে। নতুন এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে খুবই সূক্ষ্ম শব্দ বা কম্পন ব্যবহার করে ঘুমের বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুমন্ত ব্যক্তির ইন্দ্রিয়কে বিভিন্ন ভাবে উদ্দীপ্ত করা যায়। এ কাজের উদ্দেশ্যই হচ্ছে ইউজারের ঘুমের মান কিংবা স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করা। এছাড়াও, এমনকি ‘পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার’ (যাকে সংক্ষেপে PTSD বলা হয়) এর মত মানসিক রোগের চিকিৎসাও করা সম্ভব এসব ডিভাইস দিয়ে।

ব্যার্থ হওয়ার কিছু কারনঃ ১। কাজটা বেশি সিরিয়াসলি না করা ২। নিজের উপর বিশ্বাস না থাকা ৩। পরিকল্পনার অভাব পরামর্শঃ ১। আগে চিন্তা করুন কাজটা কেন আপনার জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কাজটাতে সাকসেস হলে কি কি লাভ হবে। ২। কাজের লাভ বুঝে গেলে পরামর্শ সাপেক্ষে কর্ম পরিকল্পনা করুন। ৩। নিজের উপর বিশ্বাস আর বক্ষ প্রস্ততার জন্য নামাজ আর বেশি বেশি দোয়া করুন। ভাল ভাল কাজে নিজেকে বেশি যুক্ত রাখতে পারলে আত্নার শক্তি বাড়ে। প্রতিনিয়ত নিজের স্বপ্ন গুলো বাস্তবায়নে কাজের আপডেট দেখেন। পুষ্টিকর খাবার খান তাকদিরে বিশ্বাস রাখুন ✌️

"প্রস্রাবে ইনফেকশন কথাটির সাথে আমরা ভালোই পরিচিত, জীবনের কোনো না কোনো সময় এই রোগের শিকার হয়ে থাকে পুরুষ কিংবা নারী তবে এখানে নারীরা সংখ্যায় তুলনামূলক বেশি কারন তাদের শারিরীক গঠন ও এ বিষয়ে জ্ঞান কম থাকা এজন্যে দায়ী" সাধারণ কিছু মেডিক্যাল ল্যাবরেটরী টেস্ট এর মাধ্যমেই জানা সম্ভব আপনার Urinary Tract Infection হয়েছে কিনা? তবে তার আগে জানা প্রয়োজন : ★UTI এর লক্ষণ গুলো কি কি হতে পারে? > প্রস্রাব করার প্রবল তাগিদ যা দূর হয় না। > প্রস্রাব করার সময় জ্বলন্ত অনুভূতি। > প্রায়ই প্রস্রাব করা, এবং অল্প পরিমাণে প্রস্রাব করা। > প্রস্রাব ঘোলাটে দেখায়। > প্রস্রাবে রক্তের উপস্থিতি যা দেখে বুঝা যায় (মাসিক এর সময় বাদ দিয়ে)। > তীব্র গন্ধযুক্ত প্রস্রাব। > তলপেটে চাপ বা ব্যাথা অনুভব করা। >জ্বর (পায়েলোনেফ্রাইটিস বা কিডনিতে প্রদাহ ) Urinary Tract Infection সাধারনত ব্যাকটেরিয়া কারনে হয়ে থাকে। ব্যাকটেরিয়া বা ছএাক যখন মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কে অতিক্রম করে প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে প্রবেশ করে তখনই এটিতে আমরা আক্রান্ত হয়। মূএনালীতে যখন প্রদাহ হয় একে Urethritis, মূএথলীতে যখন প্রদাহ হয় একে Cystitis এবং কিডনিতে যখন প্রদাহ হয় তাকে Pyelonephritis যেটি সবচেয়ে ভয়াবহ এবং এটি রক্তে ইনফেকশন এর একটি কারন হতে পারে। ★কাদের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি? > যারা প্রস্রাব আটকিয়ে রাখে। >যারা পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করেনা। >অস্বাস্থ্যকর পোশাক পরিধান করা। >অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পদ্ধতি। >নারী কারন এদের মূএনালী মলদ্বারের খুব কাছে হওয়া। >ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত ব্যাক্তি। >অনেক দিন ধরে একি ইউরিন ক্যাথাটার ব্যবহার করা। ★UTI নির্ণয়ে কি কি টেস্ট এর প্রয়োজন? >Urine R/M/E যেটি খুব কম খরচে টেস্ট করা সম্ভব এখানে অনেক গুলো প্যারামিটার এর রেজাল্ট দেখা যেতে পারে যেমন: Appearance: Cloudy/Turbid/Hazy. Protein : থাকতে পারে Nitrate : Positive or Negative Epithelial Cell: নরমাল অথবা বেশি আসতে পারে Red Blood Cell: Plenty (Only for Pyelonephritis) Pus Cells : Plenty or More than 10 / HPF Pus cells is most important parameter for screening UTI. >Urine Culture Sensitivity : এটি সাধারণত প্রস্রাবে কোনো ব্যাকটেরিয়া এর উপস্থিতি আছে কিনা যেটি দ্বারা UTI হয়েছে এবং সেই ব্যাকটেরিয়া এর বিপরীতে কোন কোন এন্টিবায়োটিক গুলো Sensitive / Resistant বুঝার জন্যে করা হয়ে থাকে। Sensitive বলতে এই গ্রুপের এন্টিবায়োটিক সেই নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলার জন্যে উপযুক্ত । Resistant বলতে এই গ্রুপের এন্টিবায়োটিক সেই ব্যাকটেরিয়া কে মেরে ফেলার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। এই টেস্টের জন্যে প্রস্রাবের নমুনা টি সঠিক উপায়ে সংগ্রহ করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। স্যাম্পলটি অবশ্যই ল্যাব হতে প্রদও নতুন পাএে আপনার প্রস্রাবের মাঝখানে অংশ সংগ্রহ করতে হবে। প্রথম ও শেষ অংশ টয়লেটে ফেলে দিতে হবে। রিপোর্ট পেতে ৩-৪ দিন লেগে যায়। অবশ্যই মানসম্পন্ন ল্যাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করাবেন। ভূয়া প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে দশহাত দূরে থাকবেন নাহলে সামান্য ইনফেকশন থেকে কিডনি প্রদাহ হওয়ার ঝুকি রয়েছে। >USG or CT of Whole Abdomen :রেডিওলজি ইমেজিং টেস্ট এর ভুমিকা ও অপরিসীম। ★চিকিৎসা : অবশ্যই রেজিস্টার্ড MBBS ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন। Suranjit Singha Medical Technologist (Lab. Medicine) Moderator : 20 Minute Medical (Fb Group) Owner & Admin : Laboratory Medicine Simplified

অনেক মেয়েরাই বুয়েটের ভাই, ঢামেকের ভাই, ঢাবির ভাই শুনলে তাদের কাছে লাফিয়ে লাফিয়ে প্রাইভেট পড়তে যায়। আর খুব গর্ববোধ করেন। তাদেরকে বলছি প্লিজ,একটু সাবধান হবেন। বাবা-মায়েরাও সাবধান থাকবেন। আজকালকার যুগে পশুরাও মানুষের রূপ ধারণ করে থাকে। চিন্ময় সাহা যার ক্লাস আমি কত বছর ধরে করে আসছি ইউটিউবে। সে যে এমন একটা কাজ করবে আমার কল্পনারও বাইরে ছিলো। ঘটনা প্রথম দেখার পরও বিশ্বাস হচ্ছিলো না আমার। পরে দেখলাম ঘটনা সত্য। শিক্ষক পেশাটাকে নিন্দিত করে ফেলেছে এরা। তাহলে এবার চিন্তা করুন এরকম কতশত পশু মানুষের রুপ নিয়ে আমাদের মাঝে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবসময় মনে রাখবেন দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য। ©#হৃদি

photo content

photo content

photo content

photo content