fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 997
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
photo content

বিয়ের জন্য যেভাবে ইস্তিখারা করবেন! বিয়ে যেহেতু একটা আবেগের সাথে সম্পর্কিত তাই এই ব্যাপারে ইস্তিখারা করার বিষয় টা বুঝতে হবে। 1️⃣ কোনো প্রস্তাব আসলে, বিয়ের কথা বার্তা শুরু হওয়ার পর থেকে আপনি প্রচুর দু'য়া করতে পারেন ইন শা আল্লাহ। দু'য়া কবুলের সময় গুলোতে দু'য়া করবেন। ইস্তিখারার যেই বাংলা দু'য়ার অনুবাদ সেটাই নিজের ভাষায় করবেন। তাহাজ্জুদ, ইস্তেগফার, দুরুদ, সদকাহ করবেন। অপর অবিবাহিত বোনদের বিয়ের জন্য দু'য়া করবেন। ইত্যাদি। আল্লাহর সাথে প্রাণ খুলে দু'য়া করবেন কথা বলবেন। ইন শা আল্লাহ। এইগুলা নফল আমল 2️⃣ সাথে প্রথমে নিজের জ্ঞান-বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা বিয়ের প্রক্রিয়া টা আগাবেন পারিবারিক ভাবে। মাশাওয়ারা করে নিবেন গুরুজন দের সাথে। যাচাই-বাছাই করে নিবেন। আশানুরূপ ভাবে দুই পক্ষের সঙ্গে মোটামুটি মিলে গেলে যদি এমন ধারণা হয়, ওমুকের সাথে বিয়ে হলে মন্দ হয় না মোটামুটি অনেকটা ম্যাচ, তবেই ইস্তিখারা করবেন। ( ইস্তিখারা টা হচ্ছে এমন যে, আমার নিজের বিবেক-বুদ্ধি দ্বারা ওমুক প্রস্তাব টা মোটামুটি ভালোই মনে হয়েছে। এখন আমি আল্লাহর থেকে চূড়ান্ত কল্যাণকর সাহায্য টা চেয়ে নিবো। বুঝে নিবো। এটাই।) ইস্তিখারা এমন কোনো অলৌকিক বিষয় না যে, বাস্তবিক ভাবে চিন্তা না করে ওমুক সম্পর্কে ভালো মতো কিছু না জেনে শুরুতেই ইস্তিখারা করে আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নিলাম। এইভাবে ইস্তিখারার প্রকৃত ফলাফল না বুঝে সেটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে। 3️⃣ আরেকটা টিপস। নিজে ইস্তিখারা করবেন। সাথে সম্ভব হলে পরিবারের সদস্যদের ও করতে বলবেন। যেমন ধরেন আপনার মা ও একই সাথে ইস্তিখারা করলো এই নিয়তে যে 'ওমুক পরিবারের সাথে আত্মীয়তা করা কিংবা ওমুক ছেলে আমার মেয়ের জন্য ঠিক হবে কি না' এই নিয়তে করতে বলতে পারেন। 🟣 এবার নিয়ম টা বলি! 1️⃣ উত্তম রূপে অজু করে তারপর দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করবেন ইস্তিখারার নিয়তে। ফজর এবং আসরের ওয়াক্তে কোনো নফল সালাত আদায় করা যায় না। তাই বাকি তিন ওয়াক্তে ইস্তিখারার সালাত আদায় করবেন। আর এমন সময় বাছাই করে নিবেন সুবিধা মতো যেনো পরিপূর্ণ মনোযোগ সহকারে সালাত টা আদায় করতে পারেন। আস্তে-ধীরে। { সবচেয়ে বেশি উত্তম হয় যদি তাহাজ্জুদের সময় সালাত টা পড়েন। কারণ তখন আল্লাহ তা'য়ালা প্রথম আসমানে নেমে আসেন } 2️⃣ সালাত শেষে, দু'য়া করবেন। দু'য়া কিছু আদব মেনে দু'য়া করা উত্তম। * আল্লাহ তা'য়ালার প্রশংসা করে নিবেন। ( সুরা ফাতিহা এর প্রথম ৩ আয়াত পাঠ করতে পারেন।) * রাসুল ﷺ–এর উপর দরুদ পাঠ করে নিবেন। ( দুরুদে ইব্রাহিম পাঠ করতে পারেন) * ইস্তেগফার পরে নিবেন কয়েকবার। ( তারপর নিজ ভাষায় আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন) তারপর ইস্তিখারার দু'য়া টা পড়বেন আরবি তে ( দেখে পড়বেন, মুখস্থ না থাকলে)। দু'য়ার মাঝে প্রয়োজনীয় বিষয় টা মনে মনে উল্লেখ করবেন। আরবি তে ~ হাযাল আম র বাংলায় ~ এই কাজ টি এই শব্দ ২টা বলার পর বলতে পারেন (🌸 অর্থ্যাৎ ওমুক ব্যক্তি ___ এর সাথে আমার বিয়ে 🌸) এই বাক্য টা উচ্চারণ করতে পারেন তার নাম উচ্চারণ করে। তারপর আরবি দু'য়া টা শেষ করবেন।পরে এই দু'য়ার বাংলা অর্থ টাও মন দিয়ে পড়ে নিবেন। বাংলা অনুবাদেও এই বাক্য উচ্চারণ করবেন। তারপর শেষে দুরুদে ইব্রাহিম পুনরায় পড়ে শেষ করতে পারেন। নিজের মনের ভাষায় ও পরবর্তীতে চাওয়ার কিছু থাকলে বলতে পারেন। অনান্য আমল ও করতে পারেন। ইন শা আল্লাহ। একবার করলেই সিদ্ধান্ত আসে। তবে না বুঝলে পর পর ৩ দিন করবেন। তাহলেই হবে ইন শা আল্লাহ। 🟣 পরবর্তী তে স্বপ্নে দেখা এইসব জরুরি না। যদি পুরো প্রস্তাব টা স্মুথলি আগায় তবে পজেটিভ ধরে নিবেন। এবং অতিরিক্ত চিন্তা না করে আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখে আগাতে পারেন। আর যদি কোনো বাধা এসে পরে, কোনো মন্দ বিষয় উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং না আগায় নেগেটিভ বুঝে নিবেন। এবং সরে আসবেন। কিন্তু মন্দ বিষয় পরবর্তী তে দেখেও নিজের আবেগের বশে জোর করে পজেটিভ ভেবে সিদ্ধান্ত নিলে এটা নফসের অনুসরণ হয়ে যাবে। কবুল বলার আগ পর্যন্ত কেউ আপনার জন্য নির্ধারিত নয়। তাই কোনো প্রকার আবেগ কে প্রশয় দেওয়া যাবে না। আর এইটা এরেঞ্জ ম্যারিজ যারা করছেন এবং বিয়ের কথা চলছে এবং অনেক দূর এগিয়েছে তাদের জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু দীর্ঘদিনের হারাম রিলেশনশিপের ক্ষেত্রে ইস্তিখারার রেজাল্ট কিভাবে বুঝবেন সেটা বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন। কারণ হারাম রিলেশনশিপে অনেকেই বাস্তবিক চিন্তা না করে পুরোয়াই আবেগ দিয়ে চিন্তা করে থাকে। তাই সেইটা সম্পর্কে আমি বলতে পারছি না। #NeeraRahma

Alex Hormozi তার ৮ ঘণ্টার এই ভিডিওতে তার শূন্য থেকে শত কোটি টাকার মালিক হওয়া-সহ জীবনের সব সফলতার সূত্রগুলো শেয়ার করেছেন! নিচে ১০টা সূত্র একসাথে করেছি আপনাদের জন্যে 👇 Save করে রাখুন! ১. অজুহাত দেওয়া বন্ধ করুন, দায়িত্ব নিন (Take Total Responsibility) ! জন্মগতভাবে আপনি গরিব, দেশের রাজনীতি খারাপ, বা আপনার কপাল খারাপ - এসব বলে নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়া বন্ধ করুন। নিজের পরিস্থিতির জন্য অন্যকে দোষ দিলে আপনি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারান। মেনে নিন যে, আপনার বর্তমান অবস্থার জন্য আপনিই দায়ী। এই দায়িত্ববোধই আপনাকে পরিস্থিতি বদলানোর শক্তি দেবে। ২. যা আছে তাই দিয়ে শুরু করুন (Use What You Have) ! "আমার তো টাকা নেই, রিসোর্স নেই"- এটা ভুল ধারণা। আপনার হাতে সময় আছে, শক্তি (Energy) আছে। এগুলো ব্যবহার করুন। পারফেক্ট সময়ের জন্য বসে না থেকে, হাতের কাছের রিসোর্স দিয়েই কাজ শুরু করুন। ৩. ইনপুটে অধৈর্য হোন, আউটপুটে ধৈর্য ধরুন ! আমরা ফলের আশায় খুব দ্রুত অধৈর্য হয়ে যাই। নিয়ম হলো উল্টোটা। কাজের বেলায় (Input) পাগলের মতো পরিশ্রম করুন, কিন্তু ফলাফলের (Output) বেলায় ধৈর্য ধরুন। আজ কাজ করে কালই ফলাফলের আশা করবেন না। ৪. রাগ বা অপমানকে শক্তিতে রূপান্তর করুন ! অতীতের অপমান, রাগ বা ট্রমা- এগুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার না করে "জ্বালানি" হিসেবে ব্যবহার করুন। "আমাকে দেখিয়ে দিতে হবে"- এই জেদটা আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে। ৫. সাময়িক সুখ বিসর্জন দিন (Delayed Gratification)! বন্ধুদের সাথে ফাও আড্ডা, দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়া বা মুভি দেখে অনেক অনেক সময় কাটিয়ে দেয় - এসব এখন বন্ধ করুন। এই টাকা ও সময়টা বাঁচিয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা ব্যবসায় ইনভেস্ট করুন। এখন স্যাক্রিফাইস করলে ভবিষ্যতে বড় সুফল পাবেন। ৬. টাকা ও খরচের ব্যাপারে কঠোর হোন ! যদি পকেটে টাকা না থাকে, তবে এখনই "Austerity Mode" বা কৃচ্ছ্রসাধন চালু করুন। বাইরে খাওয়া বন্ধ। নতুন জামাকাপড় কেনা বন্ধ (প্রয়োজনে পুরান ব্যবহার করুন)। খরচ কমিয়ে সেই টাকা দিয়ে বই কিনুন, কোর্স করুন বা ছোটখাটো ব্যবসায় লাগান। মনে রাখবেন, টাকাই আপনাকে নতুন রিস্ক নেওয়ার সুযোগ (Optionality) দেবে। ৭. যেকোনো একটি 'High-Value' স্কিল শিখুন ! সবচেয়ে ভালো হয় যদি 'Sales' শিখতে পারেন। প্রথমে অন্যের প্রোডাক্ট বিক্রি করে শিখুন, পরে নিজেরটা বেচবেন। যত বেশি মানুষের সাথে কথা বলবেন, তত দ্রুত শিখবেন। ৮. ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়, এটা 'Experience Point'! ভিডিও গেমের মতো ভাবুন। প্রতিটা ব্যর্থতা বা রিজেকশন আপনাকে কিছু 'XP' বা অভিজ্ঞতা দিচ্ছে। প্রথম ধাপে বারবার হারবেন, কিন্তু লেভেল আপ করার জন্য এই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগবে। ৯. বাজে সঙ্গ ত্যাগ করুন ! শুনতে খারাপ লাগলেও সত্য, আপনার সফল হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো বন্ধুদের ত্যাগ করতে হবে। যারা আপনাকে সবসময় নিচে টানে বা নেগেটিভ কথা বলে, তাদের সাথে মেলামেশা কমিয়ে দিন। এমন মানুষের সাথে মিশুন যারা আপনার জেতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। ১০. নিজেকে 'খুঁজবেন' না, নিজেকে 'গড়ুন'! ২০-৩০ বা ৪০ বছর কিংবা যে কোন বছর বয়সে "আমি আসলে কে?" বা "আমার প্যাশন কী?" এসব ভেবে সময় নষ্ট করবেন না। হার্ড ওয়ার্ককে স্বাভাবিক মনে করুন। নিজেকে SKILLED করে গড়ে তুলুন। কাজই আপনার সম্মানের কারেন্সি (Currency of Respect)। জীবনে জাদুর কোনো কাঠি নেই। সফলতা হলো- দিনের পর দিন বিরক্তিকর কাজগুলো নিয়মিত করে যাওয়া এবং নিজের ভুল থেকে শেখা। আজ আপনি যে ছোট ছোট ত্যাগ স্বীকার করবেন, কয়েক বছর পর সেটাই আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেবে। শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন। কিন্তু শুরুটা আজই করতে হবে। শুভকামনা! #CareerAdvice #SuccessMindset #Entrepreneurship #PersonalGrowth #HardTruths

ক্যানসারের উন্নত চিকিৎসা এখন কম খরচে ঢাকাতেই! যাঁরা ব্লাড ক্যানসার বা লিউকেমিয়ার মতো জটিল রোগে ভুগছেন, তাদের জন্য আশার খবর — ঢাকার কিছু হাসপাতাল এখন বিশ্বমানের চিকিৎসা দিচ্ছে তুলনামূলকভাবে অনেক কম খরচে। এই হাসপাতালে আপনি কখনো ভিজিট করে থাকলে অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন। উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট এবং কেমোথেরাপির সুব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীরা পাচ্ছেন নির্ভরযোগ্য সেবা। কম খরচে ক্যানসারের চিকিৎসা পাওয়া যায় ঢাকার যেসব হাসপাতালে: 1. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল – সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা, স্বল্প খরচে কেমোথেরাপি ও ব্লাড ট্রান্সফিউশন। 2. বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU) – দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি পোস্টগ্র্যাজুয়েট হাসপাতাল, যেখানে ব্লাড ক্যানসারের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়া হয়। 3. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল (NICRH), মহাখালী – সরকার পরিচালিত বিশেষায়িত ক্যানসার হাসপাতাল, কম খরচে চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত। 4. লাইফ কেয়ার ক্যানসার হসপিটাল, উত্তরা – বেসরকারি হলেও তুলনামূলক সাশ্রয়ী এবং আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। 5. ডেল্টা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল – এখানে ক্যানসার চিকিৎসা ইউনিটে বিভিন্ন ধরনের কেমো ও থেরাপি সেবা দেয়া হয়। পরামর্শ: চিকিৎসা শুরুর আগে হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের ক্যানসার ইউনিটে সরাসরি যোগাযোগ করে খরচ ও সুবিধা জেনে নেওয়াই উত্তম। পিজি হাসপাতালের তথ্য BMU #ক্যান্সার

সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ার আর স্বপ্নের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো? Life Reboot করার এখনই সেরা সময়। আগামী ৬ মাস শুধু নিজের জন্য স্বার্থপর হোন। রেজাল্ট দেখে আপনি নিজেই চমকে যাবেন। জীবনটা আপনার, তাই এটার দায়িত্বও ১০০% আপনার। সময় পাই না বা পরিস্থিতি ভালো না এসব অজুহাত দিয়ে নিজেকে আর কতদিন সান্ত্বনা দেবেন? চলুন, আগামী ৬ মাসের জন্য একটা Secret Mission এ নামি। পোশাকি নাম দিতে পারেন Project Life Reboot. এই ৬ মাস আপনি বেঁচে থাকবেন, কাজ করবেন, কিন্তু দুনিয়ার সব নয়েজ থেকে নিজেকে একটু আড়াল করে রাখবেন। কীভাবে? খুব সিম্পল কিন্তু ইফেক্টিভ কিছু রুলস মেনে চলুন: - Available হওয়া বন্ধ করুন বন্ধুদের ডাকে সারা না দিলে তারা ভাব নিচ্ছিস বলবে, আত্মীয়রা অসামাজিক বলবে। বলতে দিন। মনে রাখবেন, আপনার ফিউচার তৈরির সময় তারা কেউ পাশে থাকবে না। ভ্যালু লেস আড্ডা আর পলিটিক্যাল তর্কের চেয়ে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট অনেক বেশি জরুরি। শিখুন কীভাবে না বলতে হয়। এই একটা শব্দ আপনার প্রচুর সময় বাঁচিয়ে দেবে। - Focus on One Big Thing একসাথে ১০টা কাজ করতে যাবেন না। আগামী ৬ মাসে আপনি ঠিক কী অর্জন করতে চান? - ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করা? - শরীরের ওজন ১০ কেজি কমানো? - নাকি নতুন কোনো বিজনেস দাঁড় করানো? যেকোনো একটা বা দুটো গোল ফিক্স করুন এবং পাখির চোখের মতো সেদিকে ফোকাস রাখুন। প্রতিদিন নিজেকে প্রশ্ন করুন, আজ আমি যা করলাম, তা কি আমাকে আমার স্বপ্নের কাছে নিয়ে গেল? - Digital Detox আমরা এখন তথ্যের ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছি। ঘুম থেকে উঠে অন্যের স্টোরি বা রিলস দেখে ব্রেইনের এনার্জি নষ্ট করবেন না। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন, তবে কনজিউমার হিসেবে না, ক্রিয়েটর হিসেবে। অপ্রয়োজনীয় পেজ আনফলো করুন, নোটিফিকেশন অফ রাখুন। দিনে ১ ঘণ্টার বেশি স্ক্রল করবেন না এটাকে রুল বানিয়ে ফেলুন। - Upgrade Your Software (Skills) ২০২৬ সালে এসে শুধু পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে খুব বেশি দূর যাওয়া যাবে না। নিজেকে Asset এ পরিণত করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট নতুন কিছু শিখুন। সেটা হতে পারে AI Tools ব্যবহার শেখা, কমিউনিকেশন স্কিল বাড়ানো, বা ফিন্যান্সিয়াল নলেজ নেওয়া। মনে রাখবেন, Market এ আপনার ভ্যালু ততটুকু, যতটুকু প্রবলেম আপনি সলভ করতে পারেন। - Mental & Physical Maintenance গাড়ি যেমন সার্ভিসিং ছাড়া চলে না, শরীরও তাই। সিক্স প্যাক বানাতে হবে না, কিন্তু সুস্থ থাকতে হবে। - রোজ ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম। - দিনে অন্তত ৭-৮ গ্লাস পানি। - আর মানসিক শান্তির জন্য ১০ মিনিট সাইলেন্স বা মেডিটেশন। ব্রেইন ফগ দূর করার জন্য এর চেয়ে ভালো ওষুধ নেই। - Cut Off Toxic Ties যাদের সাথে মিশলে আপনার কনফিডেন্স কমে যায়, যারা সবসময় নেগেটিভ কথা বলে এই ৬ মাসের জন্য তাদের ব্লক লিস্টে বা মিউট লিস্টে রাখুন। আপনার সার্কেল ছোট হোক, কিন্তু কোয়ালিটিফুল হোক। আগামী ৬ মাস পর আপনি যখন আয়নার সামনে দাঁড়াবেন, তখন যেন মনে হয় না, আমি সময় নষ্ট করিনি, আমি নিজেকে ইনভেস্ট করেছি। সবাই নতুন বছরে অনেক কিছু শুরু করে, কিন্তু শেষ করে অল্প কয়েকজন। আপনি সেই ফিনিশারদের দলে থাকতে চান তো? আজ থেকেই শুরু হোক আপনার Ghost Mode। পোষ্টটি ভালো লাগলে সেইভ + শেয়ার করে রাখতে পারেন🙂 #LifeReboot #GrowthMindset #Focus #SelfCare #CareerGoals #Motivation #BetterMe

(কয়দিন আগেই এ লেখাটা ড্রাফট করেছিলাম।।আজকে ঠিক একই প্রশ্ন আমার স্টুডেন্ট আমাকে করল!!) ‎ছাত্র: আমার তাকদীরে যদি সবকিছু আগে থেকেই লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করব কেন? ‎ ‎শিক্ষক: তুমি কি জানো তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে? ‎ ‎ছাত্র: না, জানিনা। কিন্তু আমার তাকদীরে যদি ফেল লেখা থাকে তাহলে আমি পড়াশুনা করলেও ফেল করব না করলেও করব। তাহলে পড়ালেখা করার দরকার কি? ‎ ‎শিক্ষক: তোমার তাকদীরে যদি আল্লাহ এভাবে লিখে রাখেন, শাহেদ পড়াশুনা করেছে তাই আমার বিধান অনুযায়ী তাকে পাশ করিয়েছি, কিন্তু সে যদি পড়াশুনা না করত তবে আমার বিধান অনুযায়ীই সে ফেল করত... তুমি তো জানোনা তোমার তাকদীরে কি লেখা আছে... তাহলে ফেল হওয়ার জন্য তাকদীরকে কিভাবে তুমি দোষারোপ করবে? ‎ ‎ছাত্র: (কিছুটা কনফিউজড হয়ে), কিন্তু অনেকেই তো আছে, ভালভাবে পড়াশুনা করে, কিন্তু এরপরও ফেল করে। তাহলে তারা কেন ফেল করে? ‎ ‎শিক্ষক: তার তাকদীরে হয়ত আল্লাহ লিখেছেন যে, ওমুক পড়াশুনা করবে, কিন্তু তাকে আমি ফেল করাব তাকে পরীক্ষা করার জন্য। সে এতে ধৈর্য ধারণ করবে এবং আমি তাকে আমার ওয়াদা অনুযায়ী পুরস্কৃত করব। সে যদি ধৈর্য ধারণ না করত, তবে আমি আমারই বিধান অনুযায়ী হতাশাগ্রস্ত ও অপমাণিত করতাম। ‎ ‎কেউই জানেনা তার তাকদীরে কি লেখা আছে, তাহলে সে সর্বোচ্চ ফলাফলের জন্য কেন প্রচেষ্টা চালাবেনা? ‎ ‎(ছাত্রকে কনফিউজড অবস্থায় রেখে, চিন্তা করার সুযোগ দিয়ে শিক্ষক চলে গেলেন) ‎

ইসলামী শরীয়াহ মতে মেন্সট্রুয়াল কাপ যেহুতু লজ্জাস্থানের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাই নারীদের জন্য এধরণের কাপ ব্যবহার করা মাকরুহ। কারণ এ ধরণের কুরসুফ বা কাপের বিধান সম্পর্কে আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ তাঁর ‘মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন’ গ্রন্থে লিখেন— ويكره وضعه) وضع جميعه (فى الفرج الداخل)لأنه يشبه النكاح بيدها محيط-( ‘সমস্ত কুরসুফ লজ্জাস্থানের ভিতরে প্রবেশ করানো মাকরুহ। কেননা তা হস্তমৈথুনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।’ (মাজমুআতু রাসাঈলে ইবনে আবেদীন ১/৮৪-৮৫ পৃ.) আল রাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ আছে— ثُمَّ وَضْعُ الْكُرْسُفِ مُسْتَحَبٌّ لِلْبِكْرِ فِي الْحَيْضِ وَلِلثَّيِّبِ فِي كُلِّ حَالٍ وَمَوْضِعُهُ مَوْضِعُ الْبَكَارَةِ وَيُكْرَهُ فِي الْفَرْجِ الدَّاخِلِ. اهـ. ‘অবিবাহিত নারীদের জন্য মাসিকের সময় কুরসুফ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। আর বিবাহিতদের ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায়ই এর ব্যবহার মুস্তাহাব। কুরসুফ বা ন্যাপকিন রাখার স্থান হল, মাসিকের রাস্তার প্রবেশ মুখ। কিন্তু লজ্জাস্থানের ভিতরে কুরসুফ (কাপ) প্রবেশ করানো মাকরুহ।’ (আল বাহরুর রায়েক-১/২০৩) পাকিস্তানের বিখ্যাত জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউনের ফতোয়ায় এসেছে— واضح رہے کی عورتوں کے لیے خون کے ایام میں شدید عذر کے بغیر خون قابو کرنے کے لیے فرجِ داخل (عورت کی اندر والی شرم گاہ) میں مکمل طور پر کسی قسم کی بھی کوئی چیز ڈالنا مکروہ ہے، مثلًا کوئی کپڑا یا پیڈ وغیرہ؛ لہذا اگر خون معمول کے مطابق آتا ہو، یعنی ہر وقت کثیر مقدار میں نہ آتا ہو کہ پیڈ یا کپڑا باندھنے کے باوجود ٹپکتا ہو، تو خون کو قابو کرنے کے لیے مینسٹرویل کپ کا لگانا مکروہ ہے؛ کیوں کہ یہ مکمل طور پر فرج داخل میں ڈالا جاتا ہے۔ ‘নারীদের জন্য মাসিকের দিনগুলিতে তীব্র অপারগতা ছাড়া রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য গোপনাঙ্গের সম্পূর্ণ ভিতরে কোনো কিছু প্রবেশ করানো মাকরুহ। যেমন কোনো কাপড় বা প্যাড ইত্যাদি প্রবেশ করানো। অতএব, কারো যদি রক্ত স্বাভাবিকভাবে আসে, অর্থাৎ সারাক্ষণ প্রচুর পরিমাণে না আসে এবং প্যাড বা কাপড় বেঁধে রাখা সত্ত্বেও ফোঁটা ফোঁটা করে পড়তে থাকে, তাহলে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য মেন্সট্রুয়াল কাপ লাগানো মাকরূহ; কারণ এটি সম্পূর্ণ গোপনাঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।’ (জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 ) তবে কোনো বিবাহিত নারীর যদি তীব্রভাবে রক্তপাত হতে থাকে যা সাধারণ কাপড় বা প্যাড বেধে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয় তাহলে তার জন্য রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের লক্ষে আধুনিক মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। (আল বাহরুর রায়েক ১/২০৩, ফাতাওয়া শামী ১/২৮৯, আল মুহিতুল বুরহানী ১/৪০০-৪০১, কিতাবুল মাসায়িল ১/২২০, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরি টাউন, ফতোয়া নং 144208201520 ) বিস্তারিত.. https://www.facebook.com/share/p/1BCZRsTBq2/

অনেকেই মনে করেন সিজারিয়ানের পর একজন নারী আর কখনো স্বাভাবিকভাবে যোনিপথে সন্তান জন্মদান করতে পারেন না। কিন্তু এই ধারনাটা আসলে ভুল। আমেরিকান ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর চাইল্ড হেলথ এন্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের দেয়া তথ্য অনুযায়ী সিজারিয়ানের পরেও ৭৫% ক্ষেত্রে মায়েরা প্রাকৃতিক উপায়েই সফলভাবে সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। এখানে, কিভাবে সি সেকশন করা হল, তার ওপর ব্যাপারটা অনেকাংশেই নির্ভরশীল। সোজা কথায়, সার্জারীর সময় পেট আড়াআড়ি(ট্রান্সভার্স) ভাবে নিচের দিক থেকে কাটলে আইমিন লো, ট্রান্সভার্স কাট হলে পরের ডেলিভারিগুলি স্বাভাবিকই হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দুটোর বেশি সিজারিয়ান হলে তখন অবশ্য সাকসেস রেট কম হবার চান্স থাকে ইউটেরাইন রাপচারের ভয়ে, তাও সবার ক্ষেত্রে না। উল্লেখ্য, আমেরিকাতে ডায়বেটিসের হার আমাদের দেশের চেয়ে অন্তত তিন থেকে চারগুন বেশি এবং ওবিসিটি আমাদের প্রায় বিশগুন বেশি। ভিটামিন ডি, ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি আমেরিকাতেও আছে, বাংলাদেশেও আছে। বাংলাদেশে হয়তো তাদের চেয়ে এর পরিমান বেশ খানিকটা বেশি হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা কয়েকটি গবেষনায় দেশে নারীদের মধ্যে ডি ডেফিসিয়েন্সি প্রায় ৬৭-৮৭% এর মধ্যে হবার কথা জানা গেছে। এছাড়া, নিশ্চিতভাবেই বলা যায় আমেরিকানদের ওমেগা-৩ঃওমেগা-৬ রেশিও বাংলাদেশীদের চেয়ে যথেষ্ট খারাপ হবার কথা বা অন্তত ভাল হবার কথা না ডিউ টু দেয়ার ফুড কালচার। এই অবস্থাতে, কেউ যদি আমাকে বলেন যে বাংলাদেশী মেয়েদের প্রাকৃতিভাবে সন্তান জন্ম দেয়ার মত দৈহিক সক্ষমতাই নেই, এটাকে আমি গ্রহন করতে পারবো না। সেফালোপেলভিক ডিজপ্রোপর্শন বলে একটা ব্যাপার আছে।আমরা জানি, নারীদের ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও যদি. ৮এর বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সন্তানের মাথা বার্থ ক্যানাল দিয়ে বেরিয়ে আসতে চায় না বা প্রসব কঠিন হয়ে যায়। বাংলাদেশে এই ওয়েস্ট টু হিপ রেশিও এবং এক্টিভ মাসল মাস, এই দুটো জায়গাতেই গ্যাপ, দুটোই নিউট্রিশনাল রিজনে হয়। তাহলে দলে দলে সিজারিয়ানের ওটিতে মায়েদের না পাঠিয়ে আমরা মেয়েদেরকে বিয়ের আগেই এই দুটো জায়গাতে ফোকাস দিতে বললে সমস্যার তো কোন কারন দেখি না। হাসপাতালগুলির জন্য এটা লাভজনক না, কিন্তু সাধারন মানুষের জন্য তো লাভজনক। পাশাপাশি, যেসব রোগীরা সি সেকশনকে একটা স্টেইটাস সিম্বল মনে করেন, তাদের অবশ্যই ভাবা উচিত, স্টেইটাস সিম্বল বলতে আপনারা ঠিক কি বোঝেন আসলে। অসুস্থ থাকা, লাইফ লং ব্যাকপেইন(ইন সেভেরাল কেইসেস), ইনফেকশন, ওয়েট গেইন আবার কি ধরনের স্টেইটাস সিম্বল?? এগুলি ভাবেন এবং বুঝতে শেখেন। ঢাকায়-চট্টগ্রামে আজকাল অনেককে রোগীদেরকে এটা পর্যন্ত বলতে দেখা যায় যে, আমি নরমাল ডেলিভারি করাই না। এগুলো তো আপনাদের প্রফেশন সম্পর্কে মানুষের মনে কুধারনা সৃষ্টিতে ভুমিকা রাখে, আশা করি আপনারা ব্যাপারটা বুঝতে শিখবেন। একজন নারীকে ক্রিপল করে দেয়া আপনার জন্য তো কোন এচিভমেন্ট হতে পারে না। সিজারিয়ানের পরেও ভ্যাজাইনাল বার্থ খুবই সম্ভব এবং অন্তত ৭৫% ক্ষেত্রে নিরাপদ, এটা পরিসংখ্যানই বলছে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা। #natural_delivery #pregnancyjourney #food, #healty_lifestyle, #lifestyle, #motivation #health_and_wellness, #eating, #family, #marriage, #travel, #restaurant, #society #Sajal's_diet_falsafa

খালেদা জিয়ার ইনফেকশন ও মৃত্যুবরণ: আমাদের জন্য কিছু জরুরি বার্তা জননেত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং তাঁর ইনফেকশনের খবরটি আমাদের একটি বড় সর্তকবার্তা দিয়ে গেল। ইনফেকশন থেকে সেপসিস হয়ে তাঁর এই চলে যাওয়া আমাকে আমার আব্বার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমার আব্বাকে শেষ কয়েক মাস মূত্রনালির ক্যাথেটার ব্যবহার করতে হতো, আর সেখান থেকেই বারবার ইনফেকশন হতো। আমি নিজে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজির মানুষ হওয়ায় আব্বার জন্য কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করবে, তা খুঁজে পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাগলের মতো লিটারেচার পড়েছি। কারণ, আমাদের দেশের অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া এখন সাধারণ এন্টিবায়োটিকের ধার ধারে না। নেদারল্যান্ডসে আসার পর আমার চোখ খুলে গেল। এখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে তারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর। বছর দেড়েক আগে আমার প্রচণ্ড সাইনাস ইনফেকশন হলো, সাথে তীব্র ব্যথা। আমি ধারণা করেছিলাম এটি ব্যাকটেরিয়ালই হবে। কিন্তু ডাক্তার ব্লাড টেস্ট করে দেখলেন ইনফেকশনের মার্কার অত বেশি নয়। তিনি জানিয়ে দিলেন, এন্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না, অপেক্ষা করতে হবে। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু অবাক হলাম যখন দেখলাম মাত্র ২ দিন পর কোনো ওষুধ ছাড়াই আমি সুস্থ হয়ে গেলাম! অথচ দেশে থাকতে আমরা মুড়ি-মুড়কির মতো এন্টিবায়োটিক খেতাম। এখন আমি ড্রাগ ডিসকভারি নিয়ে কাজ করি, কিন্তু বিদেশে আসার পর থেকে খুব প্রয়োজন ছাড়া একটা প্যারাসিটামলও আর খাই না। সাধারণ সর্দি-জ্বরে মা আমাকে জিজ্ঞেস করেন, প্যারাসিটামল খেয়েছি কিনা, কেননা মা জানে আমি আর প্যারাসিটামলও খাই না ;) , জ্বর বেশি হলে তো অন্য কথা। আমার কিছু বিশেষ অনুরোধ: ১. শরীরের ওপর আস্থা রাখুন: সাধারণ সর্দি-জ্বরে হুটহাট এন্টিবায়োটিক না খেয়ে শরীরের ইমিউন সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, পানি খান এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল খান। ২. নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ নয়: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছায় কোনো এন্টিবায়োটিক কেনা বা খাওয়া বন্ধ করুন। ৩. চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান: একান্ত প্রয়োজন নিশ্চিত না হয়ে এন্টিবায়োটিক দেবেন না। রোগী আসলেই এক হালি ওষুধ লিখে দিতে হবে, এই কালচার পাল্টানো এখন সময়ের দাবি। ওষুধ প্রয়োজন না হলে রোগীকে বুঝিয়ে বলুন কেন তাঁর এন্টিবায়োটিক লাগবে না। ৪. কঠোর আইন প্রণয়ন: এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে কর্তৃপক্ষকে নেদারল্যান্ডসের মতো কঠোর আইন করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে এবং আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে। আজই আমরা সচেতন না হলে, ভবিষ্যতে সাধারণ ইনফেকশনও এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। যেখানে কার্যকারিতা হারিয়ে কোনো এন্টিবায়োটিকই আর প্রাণ বাঁচাতে পারবে না। মুড়ি-মুড়কির মতো এন্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ না হলে আমাদের সামনের দিনগুলো হবে ঘোর অন্ধকারের।

শীতকালে গোসলের পর স্ত্রীর মাধ্যমে নিজেকে উষ্ণ করা প্রসঙ্গে · ইবরাহিম আত-তাইমি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু গোসলের পর তাঁর স্ত্রীর মাধ্যমে নিজের শরীর উষ্ণ করতেন।” [১] উম্মু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আবু দারদা গোসল করতেন। এরপর তিনি কাঁপতে কাঁপতে এসে আমার মাধ্যমে নিজের শরীর গরম করতেন।” [২] ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন, “আমি অপবিত্রতার কারণে গোসল করি, তারপর (আমার) স্ত্রী গোসল করার পূর্বে তার মাধ্যমে নিজেকে গরম করি।” [৩] ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন, “শীতকালে এমনই ছিল কুরাইশদের জীবনযাপন।” [৪] · ❏ পাদটীকা : [১]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ (তাহকিক : সাদ আশ-শাসরি), হা. ৮২৯, বর্ণনার মান : মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)। [২]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, হা. ৮৩০, বর্ণনার মান : মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন)। [৩]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, হা. ৮৩১, বর্ণনার মান : সহিহ (তাহকিক : শাসরি) [৪]. ইবনু আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, হা. ৮৩২, বর্ণনার মান : হাসান (তাহকিক : শাসরি)। Md Abdullah Mridha

২০২৫ সালের শেষপোস্ট হিসেবে নিজের প্রতি, সকলের প্রতি এই নসিহত থাকুক: জীবনে মানুষ, পশু-পাখি থেকে শুরু করে জীবিত সকল প্রাণীর সাথে যত কম সম্ভব, তত কম অ্যাটাচমেন্ট তৈরি করবেন। দুনিয়ায় মুসাফির হিসেবে এসে, এত অনিশ্চয়তার মধ্যে আরো অনিশ্চিত ফ্যাক্টর যুক্ত করা উচিত না। অতিথির মতো এসে, অতিথি হয়েই চলে যেতে হবে। আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা, প্রাণীর প্রতি দয়া, মানুষের প্রতি মানবিক হওয়া, আন্তরিক হওয়া কোনোকিছুই যেন এই প্রসেসে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। কিন্তু অ্যাটাচমেন্ট রাখবেন না, মন শক্ত রাখবেন। অ্যাটাচমেন্ট অনেক খারাপ জিনিস, বিশেষ করে দুর্বল হৃদয়ের মানুষদের জন্য কিছু থেকে ডিটাচ হওয়া আরো পেইনফুল। পৃথিবীতে যতদিন বেঁচে থাকবেন, জীবনে যত সামনে আগাবেন, ততই হারানোর তালিকা দীর্ঘ হবে। দুনিয়ায় আপনার মনের চেয়ে কমপ্লিকেটেড জিনিস হয়তো আর কিছুই নেই। নিজের জন্য পর্যাপ্ত সময় রাখুন, নিজেকে বুঝে নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

ইসলাম ও নৈতিকতার দৃষ্টিতে নিজের আত্মসম্মান রক্ষা করা এবং একই সাথে বিনয়ী হওয়া— এই দুটির মধ্যে চমৎকার ভারসাম্য রয়েছে। যারা আপনাকে এড়িয়ে চলে, গীবত করে বা অপমান করে, তাদের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে এবং আত্মসম্মান রক্ষায় নিচের মূলনীতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন: ১. শত্রুর বা কষ্টদানকারীর সাথে আচরণের মূলনীতি: ইসলামের নির্দেশনা হলো— খারাপ আচরণের জবাব ভালো দিয়ে দেওয়া (ইদফা' বিল্লাতি হিয়া আহসান)। তবে এর অর্থ এই নয় যে নিজেকে অপমানিত হতে দেওয়া। • উপেক্ষা করা (I'raz): কুরআনে মুমিনদের গুণাবলি সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারা যখন অসার বা মূর্খদের পাশ দিয়ে যায়, তখন ভদ্রভাবে এড়িয়ে যায়। যারা আপনাকে এড়িয়ে চলে, আপনিও ভদ্রভাবে তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। তাদের পেছনে ছোটার প্রয়োজন নেই। • গীবতের জবাব না দেওয়া: কেউ গীবত করলে তার সাথে ঝগড়ায় না জড়িয়ে চুপ থাকা বা সেখান থেকে সরে আসাই হলো হেকমত। কারণ, কুকুরের ঘেউ ঘেউ এর জবাবে সিংহ কখনো পাল্টা শব্দ করে না। ২. বারবার মাফ করা কি আত্মসম্মান নষ্ট করে? এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্য বুঝতে হবে। 'ক্ষমা করা' এবং 'নিজেকে অপদস্থ হতে দেওয়া' এক জিনিস নয়। • অন্তর থেকে ক্ষমা: কারো প্রতি ঘৃণা পুষে রাখলে নিজেরই ক্ষতি হয়। তাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অন্তর থেকে তাদের মাফ করে দিন। এতে আপনার মানসিক প্রশান্তি বাড়বে। • আচরণে সতর্কতা: মাফ করার অর্থ এই নয় যে, আপনি বারবার তাদের কাছে গিয়ে আবার আঘাত খাওয়ার সুযোগ করে দেবেন। হযরত সায়্যিদুনা রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "মুমিন এক গর্তে দুইবার দংশিত হয় না।" (বুখারী ও মুসলিম) অর্থাৎ, কেউ যদি বারবার আপনার সরলতার সুযোগ নিয়ে কষ্ট দেয়, তবে তাকে মাফ করে দিন কিন্তু তার সাথে আগের মতো ঘনিষ্ঠতা বা বিশ্বাস স্থাপন করবেন না। এটি আত্মসম্মান নষ্ট করা নয়, বরং এটিই মুমিনের দূরদর্শিতা। ৩. বিনয় এবং আত্মসম্মানের ভারসাম্য (Balance) করবেন যেভাবে বিনয় (Humility) মানে নিজেকে ছোট মনে করা নয়, বরং অন্যকে সম্মান দেওয়া। আর আত্মসম্মান (Self-respect) মানে নিজের ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদাকে রক্ষা করা। • বিনয়: আপনি তাদের সাথে দেখা হলে সালাম দেবেন, হাসিমুখে কথা বলবেন, ঝগড়া করবেন না। অহংকার করে বলবেন না যে "আমি তোমার চেয়ে শ্রেষ্ঠ"। • আত্মসম্মান: তারা যদি আপনাকে অপমান করে বা এড়িয়ে চলে, তবে আপনি গায়ে পড়ে তাদের সাথে মিশতে যাবেন না। নিজের প্রয়োজনে বা দাওয়াতি কাজ ছাড়া তাদের সঙ্গ পরিহার করবেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "কোনো মুমিনের জন্য উচিত নয় নিজেকে অপমানিত করা।" সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন, নিজেকে কীভাবে অপমানিত করে? তিনি বললেন, "এমন কোনো বিপদ বা ঝামেলার মুখোমুখি হওয়া, যা সহ্য করার ক্ষমতা তার নেই।" -তিরমিযী সারকথা: যারা আপনাকে কষ্ট দেয়, তাদের জন্য আপনার স্ট্র্যাটেজি হবে "ভদ্রোচিত দূরত্ব" (Graceful Distance)। ১. তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না, কিন্তু অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠও হবেন না। ২. তাদের কল্যাণের জন্য দোয়া করুন, কিন্তু নিজের গোপন কথা বা দুর্বলতা তাদের কাছে প্রকাশ করবেন না। ৩. বারবার যে আপনাকে অপমান করে, তার কাছে ধরণা দেওয়া বিনয় নয়, বরং বোকামি। সেখানে সরে আসাই হলো আত্মসম্মান। মনে রাখবেন, যে আল্লাহর জন্য বিনয়ী হয়, আল্লাহ তার মর্যাদাকে বুলন্দ করে দেন। আপনি চুপ থাকলে এবং ধৈর্য ধরলে আল্লাহই আপনার হয়ে তাদের জবাব দিয়ে দেবেন। #swadhinattari #dealingwithdifficultpeople

আলহামদুলিল্লাহ অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, NextGen Workforce-এর পক্ষ থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাস কাউন্টারে কাজ করার জন্য ‘টিকিটিং কাউন্টার এক্সিকিউটিভ’ পদে জরুরি ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক ঢাকা শহর কে উন্নতি করতে আসছে জানুয়ারী থেকে পুরো ঢাকা শহরের সকল পরিবহন টিকেটের আওতায় আনা হচ্ছে সেক্ষেত্রে প্রচুর পরিমান লোকের প্রয়োজন। সুতরাং কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়া সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। পদের নাম: টিকিটিং কাউন্টার এক্সিকিউটিভ কর্মস্থল: ঢাকা শহর, নিজের সুবিধামত এলাকায় করা যাবে। বেতন ১৬০০০ ডিউটি ৯ঘন্টা। কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়া সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। বলবেন আহমাদ হুজুরের রেফারেন্সে আসছি। টিকিটিং কাউন্টার এক্সিকিউটিভ 🔹 কর্মস্থল: Dhaka 💰 বেতন ও সুবিধাসমূহ ✅ মাসিক বেতন: ১৫,০০০+১০০০ টাকা ✅ প্রভিডেন্ট ফান্ড প্রতি মাসে ৫০০ টাকা। ✅ ইউনিফর্ম ও আইডি কার্ড প্রদান ✅ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ✅ দীর্ঘমেয়াদি চাকরির সুযোগ (৬ বছর) প্রকল্পের মেয়াদ পর্যন্ত। 👤 যোগ্যতা ও শর্তাবলী 🔸 বয়স: ১৮ থেকে ৪৫ বছর 🔸 ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম বা এর সমমান আলিয়া/কওমী। 🔸 ক্যাশ হ্যান্ডেলিং ও POS মেশিন ব্যবহারে আগ্রহী হতে হবে 🔸 সৎ, দায়িত্বশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে হবে 🔸 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) থাকতে হবে 📄 *প্রয়োজনীয় কাগজপত্র* 📌 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি 📌 সদ্য তোলা ছবি (২ কপি) 📌 শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ 📞 *আবেদন ও যোগাযোগ* নোট: কোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন বা দালালের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও অফিসিয়াল নিয়মে সম্পন্ন হবে সরাসরি ইন্টারভিউ দিতে চলে আসুন নিম্নের ঠিকানায় : *Address:* Chondro Vromon turist bhot, House 27, Road 4 Block j, meradia bazar, banasree, Rampura, dhaka 1219 মোবাইল / WhatsApp: 01805962223 / 01886-180470 নোট: চাকুরীর নিয়োগে কোন প্রকার টাকার আর্থিক লেনদেন নেই। সকল কিছু কনফার্ম হওয়ার পর যখন মেশিন এবং ট্রেনিং দেয়া হবে তখন জামানত হিসাবে ২৫০০০ টাকা দিতে হবে। কেননা একটি মেশিনের দাম প্রায় ৪৫০০০ টাকা আর দৈনিক লেনদেনের টাকার দায়িত্ব থাকবে । কোন কারণ বশত উক্ত ব্যক্তি চাকুরী থেকে অব্যাহতি নিলে পুরো জামানতের টাকা ফেরৎ নিতে পারবেন কম্পানির হিসাব -নিকাশ ও ডিভাইস বুঝিয়ে দিয়ে। আরো বিস্তারিত আলাপ করতে সরাসরি উপরের হোয়াটস এ্যাপে মেসেজ দিন, আমাকে ইনবক্স না করার বিনীত অনুরোধ।

উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের অমর সৃষ্টিগুলো কেবল নাটকের সংলাপ নয়, বরং এগুলো জীবনদর্শনের এক একটি দর্পণ। তার লেখনীতে মানুষের আবেগ, বিবেক এবং বাস্তবতার এমন কিছু দিক ফুটে উঠেছে যা আজও আমাদের জীবনকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। আপনার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে এমন ১৪টি বাছাইকৃত উক্তি নিচে দেওয়া হলো: ১. আত্মবিশ্বাস ও সত্যতা "সবাইকে ভালোবাসুন, অল্প কয়েকজনকে বিশ্বাস করুন, আর কারো ক্ষতি করবেন না।" ২. সুযোগের সঠিক ব্যবহার "মানুষের জীবনে জোয়ারের মতো একটা সুযোগ আসে; যদি সেই জোয়ারকে কাজে লাগানো যায়, তবেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।" ৩. মনের শান্তি ও প্রত্যাশা "আমি সবসময় নিজেকে সুখী ভাবি, কারণ আমি কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না। প্রত্যাশা সবসময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।" ৪. বীরত্ব ও ভীরুতা "ভীরুরা মরার আগে বহুবার মরে, কিন্তু সাহসীরা মৃত্যুর স্বাদ একবারই গ্রহণ করে।" ৫. চারিত্রিক সততা "সর্বোপরি নিজের প্রতি সৎ থাকো; তবেই তুমি অন্য কারো প্রতি অসৎ হতে পারবে না।" ৬. ভাগ্যের চেয়ে কর্ম বড় "আমাদের ভাগ্যের ওপর দোষ দিয়ে লাভ নেই, দোষ আসলে আমাদের নিজেদের মধ্যেই।" ৭. সময়ের মূল্য "আমি সময় নষ্ট করেছি, আর এখন সময় আমাকে নষ্ট করছে।" ৮. নীরবতার গুরুত্ব "গভীর নদীগুলো শান্তভাবে বয়ে যায়, অগভীরগুলো সবসময় বেশি শব্দ করে।" ৯. ধৈর্য ও প্রতিকূলতা "ধৈর্য নেই যার, তার মতো দরিদ্র আর কেউ নেই।" ১০. মানুষের রূপ পরিবর্তন "পুরো পৃথিবীটাই একটা রঙ্গমঞ্চ, আর এখানকার নারী-পুরুষ সবাই অভিনেতা; প্রত্যেকেরই প্রবেশের সময় আছে এবং বিদায়েরও সময় আছে।" ১১. বুদ্ধিমত্তা ও মূর্খতা "একজন মূর্খ নিজেকে জ্ঞানী মনে করে, কিন্তু একজন জ্ঞানী ব্যক্তি নিজেকে মূর্খ মনে করার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান।" ১২. সুসময়ের বন্ধু "সুসময়ে সবাই তোমার বন্ধু হবে, কিন্তু অসময়ে পাশে দাঁড়ানোর মতো কাউকেই খুঁজে পাবে না।" ১৩. নাম নয়, গুণই আসল "নামে কী আসে যায়? গোলাপকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, সে একই রকম সুগন্ধ ছড়াবে।" ১৪. অতিরিক্তের কুফল "ভালো জিনিস বেশি পরিমাণে থাকা সবসময় ভালো নয়।" এই উক্তিগুলো আমাদের শেখায় কীভাবে মানুষের সাথে আচরণ করতে হয় এবং কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করতে হয়। শেক্সপিয়ারের এই দর্শনগুলোর মধ্যে কোনটি আপনার জীবনের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সবচেয়ে বেশি মিলে যাচ্ছে?

photo content

জানাবাতের গোসল: সুন্নাহ পদ্ধতি ও কিছু জরুরি মাসয়ালা জানাবাতের পরিচয়: 'জানাবাত' একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ অপবিত্রতা। শরীয়তের পরিভাষায়—হায়েজ-নেফাস, স্ত্রী সহবাস অথবা স্বপ্নদোষ বা অন্য কোনো কারণে বীর্যপাতের ফলে যে নাপাকি সৃষ্টি হয়, তাকে 'জানাবাত' বলা হয়। এই অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে বলা হয় ‘জুনুবি’। জানাবাত অবস্থা থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করা ফরজ। চলুন এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করি ১. জীবনে কিছু কাজ আমাদের করতেই হয়, না করে উপায় থাকে না। গোসলও তেমন এক কাজ। এই গোসল কখনো মুস্তাহাব, কখনো সুন্নাত, আবার কখনো ফরজ। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন— "তোমরা যদি জানাবাত অবস্থায় থাকো, তবে নিজেদের দেহ (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নেবে।" (সূরা মায়েদা: ৬) ২. নবীজি (সা.)-এর গোসলের পদ্ধতি আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেছেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) জানাবাতের গোসল করার সময় এভাবে সম্পন্ন করতেন: • ক. প্রথমে দুই হাত ধৌত করতেন। • খ. ডান হাত দিয়ে পানি ঢালতেন এবং বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। • গ. তারপর পরিপূর্ণ (সালাতের ন্যায়) অজু করতেন, তবে পা ধোয়া বাকি রাখতেন। • ঘ. পানি দিয়ে চুলের গোড়ায় ভালো করে পানি পৌঁছাতেন এবং এরপর মাথায় তিন কোষ পানি ঢালতেন। • ঙ. পুরো শরীরে পানি ঢালতেন। • চ. সবশেষে পা ধুতেন। ৩. শরীর ভেজানোর ধারাবাহিকতা হযরত আয়েশা (রা.) আরও বলেছেন, আমাদের কেউ জুনুবি হলে মাথায় তিনবার পানি ঢালতেন। তারপর শরীরের ডান পাশে পানি ঢালতেন এবং এরপর বাম পাশে। ৪. গোসলের ফরজ কাজসমূহ গোসলের এই সুন্নাত তরিকা শুধু ফরজ গোসলে নয়, সাধারণ গোসলেও আমরা প্রয়োগ করতে পারি। তবে জানাবাতের গোসলে ৩টি কাজ অবশ্যই করতে হবে (যা ফরজ): ১. একবার কুলি করতে হবে। ২. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছে দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে হবে। ৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছাতে হবে। ৫. সাধারণ গোসলকে ইবাদতে পরিণত করা এই তিনটি কাজ ফরজ আর নবীজির অনুসৃত পদ্ধতি অনুসরণ করা সুন্নাত। আমরা ফরজ গোসল প্রতিদিন না করলেও সাধারণ গোসল তো প্রায় প্রতিদিনই করি। একটু খেয়াল করে নবীজির তরিকা অনুসরণ করলে আমাদের দৈনন্দিন গোসলটাও ইবাদতে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। ৬. সচেতনতা ও আমল মাথায় পানি ঢালার সময় আমরা তিনবার অবশ্যই ঢালব, প্রয়োজনে বেশিও ঢালতে পারি। শাওয়ারে গোসল করার সময় তিনবারের নিয়ত করে নেব। শাওয়ারের নিচে দাঁড়ানোর সময়ও খেয়াল করে আগে ডান দিক ভেজাব, তারপর বাম দিক। দ্বীন পালন মানেই হলো একটুখানি সচেতনতা। একটু খেয়াল করলেই আমরা কত সহজে অনেক বেশি ইবাদত করতে পারি। রব্বে কারীম আমাদের আমল করার তাওফীক দান করুন। আমিন।

photo content

photo content

স্পষ্টতা, আমার সবকিছু পরিবর্তন করে দিয়েছে! কোথায় যাবো, কি করবো - শুধু এগুলোর স্পষ্টতাই নয়; বরঞ্চ, • কি করবো না • কোথায় যাবো না • কি চিন্তা করবো না • কাদের চিন্তা করবো না ... এই সবকিছুর স্পষ্টতা, আমাদের লাইফে দরকার! আশেপাশের এই নয়েজের মাঝে, ক্ল্যারিটির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আর কিছুই নয় 🧠

photo content