fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 994
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
-430 روز
آرشیو پست ها
তুমি কি খেয়াল করেছ, যখন তুমি কোনো কিছুর জন্য একদম পাগল হয়ে যাও— সারাক্ষণ ভাবছো "এটা আমার চাই-ই চাই", "কীভাবে পাব?"— ঠিক তখনই যেন জিনিসটা তোমার থেকে আরও দূরে সরে যায়? আর ঠিক যখনই তুমি হাল ছেড়ে দাও, নিজেকে শান্ত করো, তখনই হুট করে সুযোগগুলো তোমার দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করে। এটা কেবল মনের ভুল নয়, এর পেছনে গভীর বিজ্ঞান এবং জীবনদর্শন আছে। চলো আজ তোমাদের সাথে এই 'অভাবের মানসিকতা' বনাম 'প্রাচুর্যের শক্তি' নিয়ে কিছু কথা বলি। ১. কেন অতিরিক্ত চাওয়া আসলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়? যখন তুমি কোনো কিছুর প্রতি অবসেসড হয়ে যাও, তখন তোমার শরীরে Cortisol (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেড়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, তখন তোমার টানেল ভিশন তৈরি হয়। অর্থাৎ, তোমার মস্তিষ্কের সক্ষমতা সংকীর্ণ হয়ে যায় এবং তুমি বড় কোনো সুযোগ বা সমাধান দেখতে পাও না। তুমি যখন মনে করো "আমার এটা না হলে চলবে না", তখন তুমি আসলে বলছো যে, তোমার কাছে ওই জিনিসটা নেই। এই 'নেই' বা 'অভাব' থেকেই জন্ম নেয় নেতিবাচক এনার্জি। মনে রাখবে, অভাব সবসময় অভাবকেই আকর্ষণ করে। ২. পাত্র তৈরি করো, কিন্তু তৃষ্ণা নয়। তোমার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা হলো একটা পাত্রের মতো। তুমি একটা বড় লক্ষ্য স্থির করেছ মানে তুমি একটা বড় পাত্র তৈরি করেছ। কিন্তু সেই পাত্রে প্রাপ্তি তখনই আসবে যখন তুমি 'পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা' ত্যাগ করবে। পাওয়ার ইচ্ছা রাখো, কিন্তু কখন হবে, কীভাবে হবে— সেই দুশ্চিন্তা বন্ধ করো। এটা সৃষ্টিকর্তার কাছে সমর্পণ করো। এই সমর্পণটাই তোমার এবং তোমার সাফল্যের মাঝখানের দূরত্বটা কমিয়ে দেয়। ৩. বাসা থেকে বের হও একজন 'রাজার' মতো সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আমাদের অবচেতন মন কিছুটা শূন্যতা অনুভব করে। মনে হয় যেন কিছু একটা নেই। ঠিক এই সময়েই তোমাকে কাজ করতে হবে। প্রতিদিন সকালে ৫-১০ মিনিট সময় নাও, ধ্যান করো। নিজেকে বোঝাও যে— "আমার যা প্রয়োজন, সব আমার ভেতরেই আছে।" তুমি যদি নিজেকে একজন ভিখারির মতো ভাবো, যে কেবল সুযোগ খুঁজছে, তবে মানুষ তোমাকে ব্যবহার করবে, ঠকাবে এবং তুমি কেবল বিভ্রান্তিই পাবে। কিন্তু তুমি যদি নিজেকে একজন রাজার মতো ভাবো, তবে তোমার চারপাশে একটা অদৃশ্য আত্মবিশ্বাসের দেয়াল তৈরি হবে। একজন রাজার যেমন সেনাবাহিনী থাকে, তোমার এই পজিটিভ ভাইব বা পজিটিভিটি তেমনই তোমার সুরক্ষাকবচ হয়ে কাজ করবে। তখন ভুল মানুষ তোমার কাছে ঘেঁষার সাহস পাবে না, আর সঠিক সুযোগগুলো চুম্বকের মতো তোমার দিকে ছুটে আসবে। ৪. ল অফ রেজোন্যান্স। সহজ কথা— তুমি যা, তুমি তা-ই আকর্ষণ করবে। যদি তুমি অভাবী বা অভাব বোধ নিয়ে ইনভেস্টর, কাস্টমার বা বন্ধুদের সামনে যাও, তবে তারা তোমার সেই অভাবী চেহারাটাই দেখবে। কিন্তু তুমি যদি নিজেকে পূর্ণ মনে করে কাজ শুরু করো, তবে সাফল্য তোমার পিছু নেবে। জীবনটা অভাবের তাড়নায় কাটানোর জন্য নয়, প্রাচুর্য উপভোগ করার জন্য। নিজেকে আজ থেকেই ওই উচ্চতায় নিয়ে যাও যেখানে অভাব নয়, বরং আত্মবিশ্বাস কথা বলে। তুমি যখন নিজেকে জয় করে ফেলবে, পুরো পৃথিবী তোমার সামনে নতজানু হবে। Red Pill 2

এক ব্যক্তি হযরত উমর (রা.)-এর কাছে এসে বললেন, "আল্লাহ আপনাকে যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়েছেন, সেখান থেকে আমাকে কোনো একটি পদের দায়িত্ব (চাকরি) দিন।" হযরত উমর (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি কুরআন পড়তে পারো?" সে উত্তর দিল, "না।" হযরত উমর (রা.) বললেন, "যে কুরআন পড়তে জানে না, আমরা তাকে কোনো দায়িত্ব দিই না।" (হযরত উমর (রা.) চেয়েছিলেন মানুষ আগে দ্বীন শিখুক, কারণ দ্বীনের জ্ঞান থাকলে সে আমানতদারিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। ) লোকটি সেখান থেকে ফিরে গেল এবং এই আশায় কঠোর পরিশ্রম করে কুরআন শিখতে শুরু করল যে, কুরআন শেখা শেষ হলে সে আবার উমর (রা.)-এর কাছে যাবে এবং একটি চাকরি পাবে। কিন্তু যখন সে কুরআন শিখে ফেলল, তখন সে উমর (রা.)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিল। একদিন হঠাৎ তার সাথে হযরত উমর (রা.)-এর দেখা হলো। তিনি তাকে দেখে বললেন, "তুমি কি আমাদের ছেড়ে দিলে (আমাদের কাছে আসা বন্ধ করে দিলে)?" সে উত্তর দিল, "হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো লোক নই; কিন্তু আমি কুরআন শিখেছি আর এই কুরআনই আমাকে উমর এবং উমরের দরজার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দিয়েছে (অর্থাৎ আল্লাহ আমাকে স্বাবলম্বী করে দিয়েছেন)।" হযরত উমর (রা.) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কুরআনের কোন আয়াতটি তোমাকে এতটা স্বাবলম্বী ও নিশ্চিন্ত করল?" লোকটি উত্তর দিল, আল্লাহর এই বাণী: "যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), আল্লাহ তার জন্য (সংকট থেকে বের হওয়ার) পথ করে দেন। আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা তালাক: ২-৩) কুরআন কেবল তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি আয়াত মানুষের জীবন দর্শন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। মানুষ যখন প্রকৃত অর্থে আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং তাঁকে ভয় করে চলে, তখন আল্লাহ দুনিয়াবি সব অভাব দূর করে দেন।

প্রকৃত তাওবা: হৃদয়ের প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা মানুষ ভুল করে, পথ হারায়, আবার ফিরে আসে। এই ফিরে আসার নামই তাওবা—প্রভুর দিকে বিনম্র প্রত্যাবর্তন। এ সম্পর্কে হযরত আমিরুল মোমেনিন আলী (আঃ) এক অনন্য ও হৃদয়স্পর্শী বাণী প্রদান করেছেন। তিনি বলেন— التّوبَةُ نَدَمٌ بِالْقَلْبِ وَ اسْتِغْفارٌ بِاللِّسانِ وَ تَرْكٌ بِالْجَوارِحِ، وَ اِضمارٌ أنْ لایَعُودَ. তাওবা হলো— হৃদয়ের গভীরে আন্তরিক অনুতাপ, জিহ্বার মাধ্যমে বিনীত ক্ষমা প্রার্থনা, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দ্বারা গুনাহ সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ, এবং দৃঢ় অঙ্গীকার— আর কখনো সেই গুনাহে ফিরে না যাওয়া। সূত্র: ফিহরিস্তে গুরার, পৃষ্ঠা ৩৯ তাওবার চারটি আলোকস্তম্ভ: এই সংক্ষিপ্ত বাণীর মধ্যে তাওবার পূর্ণাঙ্গ দর্শন নিহিত রয়েছে। তাওবা কেবল মুখের উচ্চারণ নয়; এটি হৃদয়, জিহ্বা, কর্ম ও সংকল্প—সমগ্র সত্তার পরিবর্তনের নাম। ১। হৃদয়ের অনুশোচনা (নদামাহ) যখন মানুষ নিজের ভুল উপলব্ধি করে অন্তর থেকে লজ্জিত হয়, তখন হৃদয় নরম হয়ে যায়। এই অন্তরের কান্নাই তাওবার প্রথম ধাপ। অনুতাপহীন তাওবা কেবল শব্দমাত্র। ২। জিহ্বার ইস্তিগফার “আস্তাগফিরুল্লাহ” উচ্চারণ কেবল একটি বাক্য নয়; এটি আত্মার আর্তনাদ, প্রভুর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনার বিনম্র আবেদন। জিহ্বা তখন হৃদয়ের ভাষা প্রকাশ করে। ৩। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিবর্তন যে গুনাহ থেকে তাওবা করা হলো, তা বাস্তব জীবনে ছেড়ে দিতে হবে। যদি আমল না বদলায়, তবে তাওবা অপূর্ণ থেকে যায়। সত্য তাওবা মানুষকে গুনাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়। ৪। পুনরায় না ফেরার দৃঢ় সংকল্প তাওবা মানে অতীতকে বিদায় জানিয়ে নতুন জীবনের সূচনা। দৃঢ় সংকল্প ছাড়া তাওবা স্থায়ী হয় না। এ অঙ্গীকারই মানুষকে পুনরায় পতন থেকে রক্ষা করে। উপসংহারঃ তাওবা হলো আত্মার জাগরণ, অন্তরের পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর সান্নিধ্যে ফিরে আসার এক পবিত্র অঙ্গীকার। যখন হৃদয় কাঁদে, জিহ্বা ক্ষমা চায়, কর্ম বদলে যায় এবং ভবিষ্যৎ সংশোধনের দৃঢ় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়—তখনই তাওবা প্রকৃত অর্থে পূর্ণতা পায়। আল্লাহ আমাদের তাওবাকে সত্য, গ্রহণযোগ্য এবং স্থায়ী করে দিন।

৭টি আমল বা ক্ষেত্র আছে যেগুলি করলে দুয়া কবুল হয়: ১) ঘুম থেকে জাগার পর কেউ যদি বলে, لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، رَبِّ اغْفِرْ لِي - একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই; আর তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহ্‌র। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। সুউচ্চ সুমহান আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই। হে রব্ব ! আমাকে ক্ষমা করুন (লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহূ লা- শারীকালাহূ, লাহুল মুলকু, ওয়ালাহুল হামদু, ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শায়ইন ক্বদীর। সুবহা-নাল্লাহি, ওয়ালহামদু লিল্লাহি, ওয়া লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, রব্বিগফিরলী) এরপর যদি অন্য যেকোনো দুয়া করে তবে তার দুয়া কবুল হবে। [বুখারী: ফাতহুল বারী, ৩/৩৯, নং ১১৫৪। হাদীসের ভাষ্য ইবন মাজাহ এর অনুরূপ। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্‌: ২/৩৩৫।] ২) ইউনুস (আ:) এর দুয়া পড়তে পড়তে কেউ যদি মনে মনে কিছু চায় বা দুয়া করে তার দুয়া কবুল হবে। لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ - আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনি পবিত্র-মহান, নিশ্চয় আমি যালেমদের অন্তর্ভুক্ত। (লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায-য্ব-লিমীন) [তিরমিযী ৫/৫২৯, নং ৩৫০৫; হাকেম এবং তিনি একে সহীহ বলেছেন, যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন, ১/৫০৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৬৮।] ৩) ইসমে আযম পড়ে কেউ যদি দুয়া করে তার দুয়া কবুল হয়। اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيعَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ - হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।* (আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান্না-র) [হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।] ৪) কেউ কোন বিপদে পরে যদি এই দুয়া পড়ে তবে তার দুয়া কবুল হবে। إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا আমরা তো আল্লাহ্‌রই। আর নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। হে আল্লাহ! আমাকে আমার বিপদে সওয়াব দিন এবং আমার জন্য তার চেয়েও উত্তম কিছু স্থলাভিষিক্ত করে দিন। ইন্না লিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজি‘উন। আল্লা-হুম্মা আজুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলীফ লী খইরম মিনহা (মুসলিম ২/৬৩২, নং ৯১৮।) ৫) যে ব্যক্তি বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করে, যিকিরের পর দুয়া করলে তার দুয়া কবুল হয়। ৬) কুরআন তিলাওয়াতের পর দুয়া করলে কবুল হয়। ৭) যমযম এর পানি পান করে মনে মনে কোন নিয়ত বা দুয়া করলে কবুল হয়। © শায়খ আহমাদউল্লাহ (হাফি.)

ক্ষমা করা যদিও সহজ নয়, তবুও ক্ষমা করার গুরুত্ব অনেক বেশি। এটি আমাদের মানসিক ও শারীরিক উন্নতিতে সাহায্য করে। • ক্ষমা করা মানে এই নয় যে কেউ আপনার সাথে যা খারাপ করেছে তা ভুলে যাওয়া বা সেটিকে মেনে নেওয়া। অনেক সময় আমরা মনে করি ক্ষমা করলে অপর পক্ষ পার পেয়ে গেল, কিন্তু আসলে ক্ষমা হলো নিজের মনের শান্তির জন্য। যখন আমরা কারো ওপর রাগ বা ক্ষোভ পুষে রাখি, তখন আমরা নিজেরাই মানসিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই। • গবেষণা কী বলে? বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা ক্ষমা করতে পারেন তাদের মধ্যে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। ১. মানসিক প্রশান্তি: ক্ষমা করলে দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা এবং রাগ কমে যায়। ২. শারীরিক উন্নতি: দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ক্ষমা করলে হার্ট ভালো থাকে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ৩. সম্পর্কের উন্নতি: ক্ষমা করার ফলে পুরনো তিক্ততা দূর হয় এবং মানুষের সাথে সম্পর্ক সহজ হয়। • কিভাবে ক্ষমা করবেন? ক্ষমা করার একটি কার্যকর পদ্ধতির নাম 'REACH' মডেল। R (Recall): আঘাতের কথাটি মনে করুন, তবে প্রতিশোধের নেশায় নয়, বরং নিরপেক্ষভাবে কী ঘটেছিল তা বোঝার চেষ্টা করুন। E (Empathize): অন্য ব্যক্তি কেন এমনটি করল তা তার দিক থেকে বোঝার চেষ্টা করুন (এর মানে এই নয় যে তার কাজকে সমর্থন করা)। A (Altruistic gift): ক্ষমা করাকে একটি নিঃস্বার্থ উপহার হিসেবে দেখুন। মনে করুন, আপনিও অতীতে কারো কাছ থেকে ক্ষমা পেয়েছিলেন। C (Commit): মনে মনে ঠিক করুন যে আপনি ক্ষমা করেছেন। প্রয়োজনে এটি ডায়েরিতে লিখে রাখুন। H (Hold): ক্ষমার সিদ্ধান্তে অটল থাকুন। পুরোনো রাগ আবার ফিরে এলে নিজেকে মনে করিয়ে দিন যে আপনি অলরেডি ক্ষমা করে দিয়েছেন। _______ ক্ষমা করা একটি কঠিন কাজ হতে পারে, কিন্তু এটি আপনার নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি অন্য ব্যক্তির জন্য নয়, বরং নিজের সুস্থতা এবং সুখের জন্য একটি উপহার।

সৌদি আরবে বসবাসকারী এক প্রবাসী বলছেন: একদিন আমার কাফিল (স্পনসর) যাকাত বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাকেও সঙ্গে নিলেন। গাড়িতে যাকাতের খাম রাখা ছিল, প্রত্যেক খামে পাঁচ হাজার রিয়াল ছিল। এটা ছিল পবিত্র রমজান মাস। আমরা দুজন উপকূলীয় এলাকার গ্রামের দিকে রওনা দিলাম, যেখানে দারিদ্র্য ও অভাবের বাস। একটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে জেদ্দা-জাজান মহাসড়কে এসে দূর থেকে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। জ্বলন্ত রোদে এক বৃদ্ধ একা, খোলা মরুভূমির রাস্তায় হাঁটছেন। বয়স দেখে মনে হয় সত্তর বছর বা তার কিছু বেশি, কিন্তু শরীরে এখনও শক্তি অবশিষ্ট ছিল। বন্ধু বললেন: “এই বৃদ্ধ এই মরুভূমিতে কী অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন?” ড্রাইভার বলল: “নিশ্চয়ই এ কোনো ইয়েমেনি, অবৈধ পথে এসেছে।” গাড়ি থামানো হল, বৃদ্ধের কাছে গিয়ে সালাম দিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম: “কোথা থেকে এসেছেন?” তিনি বললেন: “ইয়েমেন থেকে।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “কোথায় যাচ্ছেন?” উত্তর এল: “মক্কা মুকাররমায়, বাইতুল্লাহর দর্শন করতে, উমরাহ করতে।” আমরা বললাম: “আইনি পথে এসেছেন?” তিনি বললেন: “না, আমার কাছে এত সম্পদ কোথায়। প্রবেশের জন্য দুই হাজার রিয়াল জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, আর আমার কাছে মোট দুইশ রিয়াল ছিল। একশ রিয়াল যানবাহনে খরচ হয়ে গেছে, একশ রিয়াল বাকি আছে। তারপর থেকে পায়ে হেঁটে চলছি।” বন্ধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতদিন ধরে হাঁটছেন?” তিনি বললেন: “ছয় দিন ধরে একটানা যাত্রায় আছি।” তারপর জিজ্ঞাসা করা হল: “রোজা রেখেছেন?” তিনি বললেন: “হ্যাঁ, রোজাদার।” এটা শুনে আমরা সবাই অবাক হয়ে গেলাম। রোদ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, দীর্ঘ যাত্রা—তবুও রোজা! আমরা জিজ্ঞাসা করলাম: “এত চেকপয়েন্ট থেকে কীভাবে পার হয়ে গেলেন?” বৃদ্ধ বললেন: “ওই রবের কসম যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আমি প্রত্যেক চেকপয়েন্টের কাছ দিয়ে গেছি কিন্তু কেউ আমাকে থামায়নি।” তিনি আরও বললেন: “কিছুক্ষণ আগে একটা দল আমাকে ধরে থানায় নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু যখন আমি বললাম আমার উদ্দেশ্য শুধু বাইতুল্লাহর জিয়ারত, তখন তারা আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।” এটা শুনে আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠল। সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ নিজেই এই বান্দার জন্য রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আমার কাফিল সাহেব অজান্তেই দুটো খাম বৃদ্ধের হাতে দিয়ে দিলেন। তিনি ধন্যবাদ জানালেন কিন্তু জানতেন না যে তাতে কত টাকা আছে। আমি বললাম: “খাম খুলে টাকা নিরাপদে রাখুন।” যখন তিনি খাম খুলে দেখলেন দশ হাজার রিয়াল, তখন অবাক ও বিস্ময়ে গাড়ির মধ্যে পড়ে গেলেন। চোখ থেকে অশ্রু ঝরতে লাগল আর জিভে শুধু এই কথা: “এসব আমার জন্য? এত বড় অঙ্ক সব আমার জন্য?” আমরা তাকে সচেতন করতে পানি ছিটিয়ে দিলাম। হুঁশ ফিরে এলে তিনি বলতে লাগলেন: “ইয়েমেনে আমার একটা ছোট বাড়ি আছে। তার সঙ্গে একটা জমি ছিল যেটা আমি আল্লাহর নামে ওয়াকফ করে দিয়েছি। সেই জমিতে আমি ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মিলে মসজিদ তৈরি করেছি। ভবন তৈরি হয়ে গেছে, কিন্তু মেঝে আর কিছু জিনিস বাকি আছে। আমি এই চিন্তায় ছিলাম যে টাকা কোথা থেকে আসবে। আজ আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে আমাকে তা দান করেছেন।” এটা শুনে আমাদের চোখেও অশ্রু ঝরতে লাগল। তখন মনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী গুঞ্জরিত হল: “যার উদ্দেশ্য আখিরাত হয়, আল্লাহ তার অন্তরে স্বচ্ছলতা দান করেন, তার কাজগুলোকে সংগঠিত করে দেন এবং দুনিয়া নিজেই তার কাছে মাথা নত করে আসে। আর যার চিন্তা শুধু দুনিয়া নিয়ে, আল্লাহ তার দারিদ্র্যকে তার চোখের সামনে রেখে দেন, তার কাজগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দেন এবং দুনিয়া থেকে তাকে তাই দেওয়া হয় যা তার ভাগ্যে লেখা।” আমার কাফিল ইশারা করলেন আর আরও দুটো খাম বৃদ্ধকে দিয়ে দিলেন। এভাবে মোট টাকা হল বিশ হাজার রিয়াল। বৃদ্ধের চোখ থেকে অশ্রুর ঝর্ণা থামছিল না। তিনি একটানা দোয়া করতে থাকলেন আর বারবার বলতে থাকলেন: “আল্লাহ পাখির মতো আমার রিজিক পৌঁছে দিয়েছেন।” সত্যিই সেই মুহূর্তে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস মনে পড়ে গেল: “যদি তোমরা আল্লাহর উপর তেমনি ভরসা কর যেমনটা করা উচিত, তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে তেমনি রিজিক দেবেন যেমন পাখিদের দেন সকালে খালি পেটে বের হয় আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।” এই ঘটনা এটার জীবন্ত প্রমাণ যে, যে বান্দা খাঁটি মনে আল্লাহর দরজা আঁকড়ে ধরে, তার জন্য রাস্তাগুলো সহজ হয়ে যায়। এটা খাঁটি দিল থেকে বের হওয়া দোয়া ও তাওয়াক্কুলের শক্তির জ্বলজ্বলে প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও এই সম্পদ নসিব করুন। © Rekaul SK

এজাজ সাহেবের আদরের মেয়ে আতিয়া বাতুল। অত্যন্ত পরহেজগার এই মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতি যখন শেষ, ঠিক তখন তার শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার। ডাক্তারদের রিপোর্টে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে এজাজ সাহেবের। কিন্তু বাতুল ছিল শান্ত। সে বাবাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলে, "আব্বু, ডাক্তাররা যা-ই বলুক, আমার ক্যান্সার হতে পারে না।" বাতুল তার বাবাকে একটি দোয়ার আমল শোনায়। সে জানায়, নবীজি (সা.) শিখিয়েছেন, কেউ যদি কোনো অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেখে একটি বিশেষ দোয়া পড়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে যে, আল্লাহ তাকে এই রোগ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, তবে সেই রোগ তাকে কখনো ছুঁতে পারবে না। বাতুল ছোটবেলা থেকেই কোনো ক্যান্সার রোগীর কথা শুনলে নিয়মিত এই আমলটি করত। মেয়ের বিশ্বাসের ওপর ভর করে এজাজ সাহেব তাকে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত এক ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সব বড় বড় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে অবাক হয়ে জানান, "মিস্টার এজাজ, আপনার মেয়ের রিপোর্টটি আমাদের কাছে এক চরম বিস্ময়! চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব সূত্র আর আলামত অনুযায়ী বাতুলের শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধার কথা ছিল এবং আগের রিপোর্টগুলোতেও সেই মরণব্যাধির সব লক্ষণ (Risk Factors) স্পষ্ট ছিল। কিন্তু বর্তমানের এই সূক্ষ্ম পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, তার শরীরে একটিও ক্যান্সার কোষের অস্তিত্ব নেই! মনে হচ্ছে কোনো এক অদৃশ্য বর্ম তাকে রক্ষা করেছে। আমরা ডাক্তাররা একে 'মেডিক্যাল মিরাকল' ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছি না।" সেই বিশেষ দোয়াটি হলো, الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِي مِمَّا ابْتَلاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِي عَلَى كَثِيرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلاً (উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদ্বলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খালাকা তাফদ্বিলা।) অর্থ: "সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে সেই বিপদ থেকে মুক্ত রেখেছেন যে বিপদে তোমাকে লিপ্ত করেছেন এবং আমাকে তাঁর সৃষ্টি জগতের অনেকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।" আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়। অন্যকে বিপদে দেখে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য শুকরিয়া আদায় করা একটি বড় সুরক্ষা। সূত্র: মু'জিযানা আছারাত

গায়রত কী.? উত্তরঃ সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না। এটাই গায়রত। একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর। এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়!! আল্লাহুম্মাগফিরলী..! ঘটনা ১ একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে? তিনি উত্তর দিলেন: " যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।" [ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া] ঘটনা ২ মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন? আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন। তখন লোকটি বললো, এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না, তাই এই উটই আমি রাখবো না। একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!! আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা?? আস্তাগফিরুল্লাহ্ গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়্যুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾ আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়। (সুরা হাদীদ-২০) এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে! সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? (সূরা ফাজর,আয়াত-২০) স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!! বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!! বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে! আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড! আল্লাহুম্মাগফিরলী আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা,,, অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা হায় আফসোস! এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই। হায় আফসোস! এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না গায়রত কী? মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম। বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না। ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে। আল্লাহুম্মা আমীন।

নিয়ে কথা বলে না। এমন কি তার দুই সন্তানও একইভাবে বাবাকে ব্লেইম করতে থাকে। আমি সেই ভদ্রলোকের সীমাহীন মানসিক অর্থনৈতিক দূর্দশা দেখেছি কিন্তু কখনো প্রতিবাদ করতে দেখেনি। ঘটনা: ৫ খুব নামকরা ডাক্তার ছিলেন তিনি। স্ত্রীও ছিলেন ডাক্তার। ভালো জব অফার নিয়ে সৈাদিতে যেতে চাইলে স্ত্রী রাজি হননি নিজের চাকরী ও সন্তানদের কথা চিন্তা করে। সে তিক্ততা ডিভোর্স পর্যন্ত গড়ায়। ডিভোর্স দিয়েই ভদ্রলোক আবার বিয়ে করে সৈাদিতে চলে যান দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে। সৈাদিতে থাকা অবস্থায় তার ক্যান্সার ধরা পরে ও উনাকে দেশে ফিরে আসতে হয়। দেশে ফিরে ভদ্রলোক চাচ্ছিলেন উন্নত কোন দেশে যেয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন কিন্তু বাঁধ সাধেন উনার দ্বিতীয় স্ত্রী। মহিলা কোনভাবেই উনার চিকিৎসা করার জন্য বিদেশে যেতে দিতে রাজি হননি। কারন এতে অনেক টাকা চলে যাবে এবং সে মারা গেলে তেমন কোন টাকা পয়সা অবশিষ্ট থাকবে না। এবং এক পর্যায়ে ভদ্রলোক প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান। যে ক'দিন বেঁচে ছিলেন তার সীমাহীন দূর্ভোগ দেখেছি। ঘটনা: ৬ ছেলেটি বেশ মেধাবী ছিল ও ভালো চাকরী করতো ও সহকর্মীর প্রস্তাবে তার অল্পবয়সী বোনের সাথে বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরপরই সব হিসেব নিকেশ পাল্টে যায়। মেয়েটি কোনভাবেই তার শশুড়বাড়ির কাউকেই পছন্দ করতে পারেনি। যার কারনে প্রচন্ড একটা বৈরী পরিবেশ তৈরী হয় পরিবারে। মাঝখান থেকে ছেলেটি না পারছিল মা-বোনদের মন রক্ষা করতে না পারছিল বউয়ের মন রক্ষা করতে। দু পাশের চাপে তার অবস্থা ছিল চ্যারাচ্যাপ্টা। ---------- . . মেয়েদের নির্যাতন নিয়ে যত সহজে কথা বলা যায় ছেলেদের বেলায় তত সহজে বলা যায় না। কারন সবাই ধরেই নেয় এবিউজ আর মেয়ে সমার্থক শব্দ। ছেলেরা এবিউজ হতেই পারে না, যদি হয় তাহলে এটা তার ব্যার্থতা। যার কারনে নির্যাতন নিয়ে খুব কম ছেলেরাই মুখ খুলে বা এ থেকে বেরিয়ে এসে তা জনসমক্ষে জানায়। এদিকে আমাদের দেশে জন্ম থেকেই শেখানো হয় বউ যে পুরুষ চালাতে পারে না সে আবার পুরুষ নাকি সেতো হিজরা। যার কারনে পুরুষ শ্রেনী তাদের পুরুষত্ব বাঁচাতে নির্যাতনের বিষয় নিয়ে সহজে কথা বলে না। যাহোক, আমি বিশ্বাস করি নির্যাতন মানে নির্যাতন। সেটা যেখানেই ঘটুক, যেভাবেই ঘটুক তা নিয়ে অবশ্যই কথা বলতেই হবে, সোচ্চার হতেই হবে। এ নির্যাতনকারী স্বামী কিংবা স্ত্রী বা সন্তান অথবা বাবা-মা, যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হবে নতুবা নির্যাতন করাকেই স্বাভাবিকই ধরে নিবে ও নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিবে। ★ Collected

ঘটনা: ১ আমার এক ক্লায়েন্টকে কখনই একা আসতে দেখিনি। সে যখনই অফিসে আসতো তার দশাসই স্ত্রী ও মেয়ে তার দু'পাশে তাকে ঘিরে থাকতো। সে চুপচাপ মাথা নীচু করে চেয়ারের এক কোনায় বসে থাকতো। তার টাকা পয়সা হিসাব নিকাশ সবই তার স্ত্রী আর মেয়েই সামাল দিতো। আমি খুবই অবাক হতাম যে কানাডার মতো জায়গায় সাধারনত সবাই নিজেই নিজের টাকা পয়সা সম্পত্তি ডিল করে, নিজের হিসাব নিকাশ নিজেই রাখে। অথচ ভদ্রলোক কিছুই বলতে গেলে জানে না তার টাকা পয়সার খবর। যতক্ষন অফিসে থাকে পুরো সময়টায় একটাও কথা বলে না। বা কখনো বলার চেস্টা করলে তার স্ত্রী তার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলতে শুরু করে। একদিন কথায় কথায় জানলাম এই কন্যাটি ভদ্রলোকের বর্তমান স্ত্রীর আগের স্বামীর। বেশ ক'দিন পর একদিন হঠাৎই ভদ্রলোক অফিসে হাজির একা। এলোমেলো পোষাক, অস্থির অস্থির অবস্থা চেহারায়। একটু অবাক হয়েছি কারন সবসময়ই ভদ্রলোক বেশ ফিটফাট ভাবে অফিসে আসতো। বসতে বলে কেন এসেছে জানতে চাইলাম। ভদ্রলোকতো প্রায় কাঁদো কাঁদো দশা। যা বললো তার সংক্ষেপ হলো, বছর দুয়েক হলো এ মহিলাকে বিয়ে করেছেন আগের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে। তারপর ভদ্র মহিলা তার মেয়েকে নিয়ে ভদ্রলোকের বাড়িতে উঠে আসে। জীবনে যা আয় করেছে ও সঞ্চয় করেছে এ দুই বছরে সে সবই প্রায় নিয়ে গেছে তার নতুন স্ত্রী ও কন্যা। এখন এ মহিলা ডিভোর্স ফাইল করেছে ও এই বাড়ি সহ তার বাকি সম্পত্তি দাবী করেছে। কারন কানাডীয় আইনে ডিভোর্সের পর স্ত্রী বা স্বামীর অর্জিত সব সম্পত্তিই অর্ধেক অর্ধেক ভাগ হয়। তাই এসেছে পরামর্শের জন্য এখন এমন কিছু কি করা যায় যাতে কিছুটা হলেও তার এ সম্পদ রক্ষা পায়? ঘটনা: ২ আমার এক বস ছিলেন বেশ নরম সরম মানুষ। বিয়ে করেছিলেন পুরান ঢাকার এক আদি জমিদার কন্যাকে। যেদিন বেতনের চেক হতো সেদিন দেখতাম উনার স্ত্রীকে রুমে বসে আছে । অসম্ভব সুন্দরী, চাল চলনে যেকোন নায়িকা ফেইল। একদিন কথা প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করেছিলাম ভাবী কেন ঠিক নির্দিষ্ট এ দিনে আসে। তখন উনি জানালেন টাকা নিতে আসে কারন পার্লার, শাড়ির দোকান, জুয়েলারীর দোকানে সারা মাস যা কিনে তা জমা করে মাস শেষে আমার কাছ থেকে নিয়ে বিল পে করে। আমাকে উল্টো জানতে চাইলো আমি কিভাবে মাসের বিল দেই? আমি হেসে উত্তর দিলাম, ছয়মাসে একবার শুধু চুল কাটতে পার্লারে যাই। কয়েক মাসে একটা সেলোয়ার কামিজ কিনি না। আর বিয়ের পর এ পর্যন্ত এক ফোটাও সোনার গয়না বানাইনি। উনি অবাক হয়ে জানতে চাইলেন, সাপ্তাহিক ফেসিয়াল, মেনিকিউর, পেডিকিউর কিভাবে করেন? আমি হাসতে হাসতে জানালাম, এ জীবনে পার্লারে মেনিকিউর, পেডিকিউর কিরিনি। ফেসিয়াল মনে হয় জীবনে একবার করেছিলাম। ভদ্রলোক পুরোপুরি অশ্বিাসের চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। বললো, কিভাবে তা সম্ভব? তারপর তার অবস্থা জানালেন, সম্পত্তি নিয়ে ভাইদের কাড়াকাড়িতে পরিবারের সাথে সম্পর্ক রাখে না তার স্ত্রী। কিন্তু এদিকে তার রাজকীয় অভ্যাস সামাল দিতে তার জান কাবাব। স্ত্রী কোনভাবেই বুঝতে চান না টাকা নাই শব্দটা। স্ত্রীর কথা, টাকা জোগাড়ের দায়িত্ব তোমার, কিভাবে আনবে সেটা আমার দেখার বিষয় না। ঘটনা: ৩ ছেলেটি অসম্ভব মেধাবী কিন্তু হঠাৎ বাবা মারা যাওয়াতে ছোট ছোট ভাই-বোনদের দেখাশোনার দায়িত্ব কাঁধের উপর পড়ে। ক্লাসে বরাবরেই ভালো ছাত্র ও ভালো ছেলে ছিল। ক্লাসের যে মেয়েটি সবসময়ই তার বড়লোকী ভাব ধরে চলতো আর টিচারদের রুমে রুমে দৈাড়াতো সে মেয়েটির প্রেমে পড়লো ছেলেটি। হয়তো ছেলেটি ভেবেছিল তার পরিবার বা নিজের ভবিষ্যতে মেয়েটির সাহায্য পাওয়া যাবে। কিন্তু বিয়ের পর দেখা যায় সবই ফাঁকা বুলি। শশুড় সাহেব সামান্যই চাকরী করেন এবং বছরের মাঝে রিটায়ারমেন্টে চলে যান। উল্টো শশুড় বাড়ির দায়িত্ব তার উপর কাঁধে পড়ে। সামান্য আয়ে স্ত্রীর সীমাহীন চাহিদা, মা ও ভাই-বোনদের দেখাশোনা, শশুড়বাড়ির দায়িত্ব.... এ সব কিছুর সাথে যোগ হয়েছে স্ত্রীর সাথে তার পরিবারের সম্পর্কের টানাপোড়া। এবং তাকেই মাঝ থেকে সবার সম্পর্কের জট খুলতে হয়। এতো কিছু করতে যেয়ে ছেলেটির প্রায় পাগল হবার জোগাড়। অমানুষিক কষ্টের মাঝে ছেলেটিকে যেতে দেখেছি কিন্তু কখনো অভিযোগ করতে শুনিনি। ঘটনা: ৪ ভদ্রলোক বলতে গেলে এক কথায় বহু কাঠখোড় পুড়িয়ে কানাডায় আসেন। তারপর রিফিউজি কোটা থেকে তিলতিল করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এখানে। নিজে দাড়াঁনোর পরপরই ভাই-বোনদেরকে যেভাবে পেরেছেন নিয়ে এসেছেন কানাডায়। আর এভাবে আনতে যেয়ে বলতে গেলে শূণ্য হয়েছেন বারবার। তারপর এক সময় মায়ের পছন্দে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। দেশ থেকে আনা স্ত্রী তেমন কিছুই জানেন না তাই বলতে গেলে স্ত্রী কোন জব জোগাড় করতে পারেননি এখানে, পুরোপুরি সংসারী। যাহোক, তাদের প্রথম সন্তানের জন্মের পরই সমস্যা বাঁধে। কারন স্ত্রী তার বাবা-মা ভাই-বোনদেরকে এখানে আনার বায়না ধরেন। স্ত্রীর আবদার রাখতে ভদ্রলোক মধ্যবয়সে সীমাহীন পরিশ্রম করে বাকিদেরকে আনেন এবং বলতে গেলে শূণ্য হাতে রিটায়ারমেন্ট এ যান। কিন্তু তখন সেই স্ত্রীই তাকে সীমাহীন গন্জনা দিতে থাকে কেন তার কোন সম্পত্তি নেই? ননদ দেবরদের কেন আনলো? অথচ মহিলার নিজের পরিবারকে এনেছে সেটা

ইদানিং ১০ বছরের কম মেয়ে শিশুদের আর্লি পিরিয়ড শুরু হয়ে যাচ্ছে। আই মিন আর্লি পিউবার্টিতে পৌঁছে যাচ্ছে। বিষয় টা এলার্মিং। আমাদের সময়ে যেটা ক্লাস ফাইভ-সিক্স-সেভেন পর্যন্ত দেখা যেতো সেটা এখন আগেই অনেক মেয়ে শিশুদের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। আপনার আশেপাশে একটু খোঁজ নিলেই বুঝতে পারবেন। এর কারন কি আসোলে? এইসব মেয়ে শিশুদের ফুড হ্যাবিট অ্যানালাইসিস করলে দেখা যাবে এরা ডিম, মাছ এগুলা কিছুই খেতে ইন্ট্রেস্ট দেখায় না বরং ব্রয়লার বা ফার্মের চিকেন বেশি পছন্দ করে। ভেজিটেবলস খায় না। ফুড পান্ডা অ্যাভেইলেবেল থাকায় চিকেন ফ্রাই ও তাদের পছন্দের লিস্টে একেবারে প্রথম দিকে। সারাদিন ক্ষুধা লাগলে খায় চিকেন আর বাইরের খাবার। ফাস্ট ফুড, বার্গার, নাগেটস, সসেজ এর প্রতি আসক্তি তো আছেই। যেকোন সময়ের চাইতে এই বাচ্চাগুলা পড়াশুনা নিয়ে মারাত্মক স্ট্রেস নেয়। বাইরে খেলার সুযোগ পায়না, রোদে যাওয়ার সুযোগ পায়না। আর নানা ধরনের ক্যামিকেল এক্সপোজার তো আছেই চারপাশে। যেটা কমানোর ও কার্যকর কোন উপায় নাই। কমার্শিয়াল মিট গুলাকে দ্রুত নাদুস নুদুস ও বড় করে তোলার জন্য বাইরে থেকে বিভিন্ন হরমোন, এন্টিবায়োটিক পুশ করা হয়। এস্ট্রোজেন মিমিক করে এমন উপাদান ছড়িয়ে আছে চারপাশে। আবার অতিরিক্ত ফাস্টফুড, পল্ট্রি মুরগী, ফ্রাইড চিকেন ইনটেকের কারনে ওমেগা ৩ ও ওমেগা-৬ টক্সিসিটিতে ভুগে এই বাচ্চাগুলা। এদের মধ্যে অনেকেই বয়সের চাইতে বেশি ওজনে ভুগে। আর্লি ব্রেস্ট ডেভোলেপমেন্ট দেখা যায় অনেকের মধ্যে। গেম ও মোবাইলের স্ক্রিন এক্সপোজার ও যেকোন সময়ের চাইতে বেশি। তো মূলত প্রোটিনের জন্য শুধু ব্র‍য়লার চিকেনের উপর নির্ভরশীলতা, ওবেসিটি, ওমেগা-৩ & ওমেগা-৬ টক্সিসিটি, লেপটিন রেজিস্ট্যান্স, স্ট্রেস ইত্যাদি বেশ কিছু কারনে বাচ্চারা তার বয়সের আগেই পিউবার্টিতে পৌঁছে যায়। এজন্য তাদের টোটাল লাইফস্টাইল ও ফুড হ্যাবিটের একটা রিসেট প্রয়োজন। কমার্শিয়াল চিকেনের উপর ডিপেন্ডেন্সি কমিয়ে ফ্রুটস, ভেজিটেবলস, দেশি মুরগী, মাছ, বাদাম, গরুর কলিজা, মগজ, ডিম, প্রয়োজন অনুযায়ী হাই ডোজে ভিটামিন ডি নেওয়া জরুরি। [বিদ্র: সাধারণত ওয়ার্ডে ছবি তোলা প্রেফার করিনা, কিন্তু আজকে রোগী কম থাকায় তুললাম ]

চোখের সামনে চল্লিশের আশেপাশের মানুষগুলা ফট করে মরে যাচ্ছে। এদের অনেকেই মিড ক্যারিয়ারে আছে। ছোট ছোট বাচ্চা। সবার অনেক অনেক দায়িত্ব। ঘর সামলাও, চাকরি সামলাও, বাচ্চা সামলাও। তার সাথে আছে ফ্যামিলির নানা ইস্যু। সেভিংস নিয়ে চিন্তা। আরো কত কি? হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে। কিন্তু আমার ছোট্ট জ্ঞানে বলে, কিছু না করে ভাগ্যকে মেনে নেয়া স্রেফ বোকামি। নিজেকে বাঁচাতে আমাদের অবশ্যই সিস্টেম তৈরি করতে হবে, এবং সেগুলা মানার চেষ্টা করতে হবে। ১। রেগুলার হেলথ চেকআপ করানো - প্রতি ছয় মাসে সকল বডি ভাইটালস চেক করুন। ব্লাড লিপিড প্রোফাইল, সুগার লেভেল, কিডনি হেলথ, এসব কড়া নজরে রাখুন। সবকিছু খুলে আলোচনা করা যায় এমন একজন যোগ্য ও ধৈর্যশীল ডাক্তার রাখুন। সুস্থ থাকলেও বছরে দুইবার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের মন গলাতে তাকে গিফট দিন। বাঙালি ছেলেরা অতি অবশ্য ইন্সুলিন রেসিস্ট্যান্স এবং লিপিড পার্টিকেল সাইজ টেস্ট করান এবং সময় নিয়ে ডাক্তারের সাথে রেজাল্ট এর সিগনিফিকেন্স নিয়ে আলোচনা করুন। ৫-১০ মিনিটের ভিজিটে এই কম্ম হবে না। ২। এক্সারসাইজ - শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নাই। আপনার টাকা-পয়সা কোনো কাজে আসবেনা যদি আপনি নাই বেঁচে থাকেন। সব বাদ দিয়ে হলেও সপ্তাহে ২০০ মিনিট হাঁটুন। ডেইলি ৫ মিনিটের জন্যে হলেও হৃদপিন্ডের গতি ১৪০-১৬০ রেঞ্জে নিয়ে যান। ৩। খাওয়া- ব্যালান্সড খাওয়া খুবই ইম্পর্টান্ট। চল্লিশের পরে ছেলেদের টেস্টেস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে থাকে। মাসল লস হয়, চুল পড়ে যায়। এই সময়ে যদি বিশ বা ত্রিশের মতো হাবিজাবি খেতে থাকেন তা আপনার জন্য ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনবে। কেউই বাজে খাবার খেতে চায় না। পরিস্থিতির চাপে পড়ে খায়। অফিসে অনেক কাজ। ব্যাস একপ্লেট বিরিয়ানি এনে খেলাম। এটা না করে প্রতি বেলার খাওয়ার একটা সুনির্দিষ্ট প্ল্যান এবং একটি ব্যাকআপ প্ল্যান করুন। মনে রাখবেন, আপনার কি খাওয়া দরকার এটা আপনার থেকে ভালো ভাবে কেউ এনফোর্স করতে পারবেনা। পারলে খাওয়া বানানোর দায়িত্বটা নিজের হাতে তুলে নিন। ৪। সাপ্লিমেন্টেশন - আপনার ভাইটালস এর সাথে ভিটামিনস এবং মিনারেলস লেভেল চেক করুন। এস্পেশালি ভিটামিন ডি। অভিজ্ঞ ডায়েটিশিনের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সাপ্লিমেন্টেশন প্ল্যান কনফার্ম করুন। মনে রাখবেন আমাদের ভালো থাকা বা না থাকা সব হরমোনের খেল। কোয়ালিটি সাপ্লি আপনার হরমোনের দরজা খুলে দিতে পারে। ৫। ঘুম- উপরে আল্লাহ, আর নিচে ঘুম। বউয়ের সাথে ঝগড়া হইসে, ঘুমায়ে যান। বস বকা দিসে, ঘুমায়ে যান। ফোন বন্ধ করে বাথরুমে রেখে আসুন। সবচেয়ে আরামের চাদর বিছান। সবচেয়ে প্রিয় বালিশ, কোলবালিশ রাখুন পাশে। অনেক তো ছাড় দিলেন অন্য সবার জন্যে। এই বিছানার রাজত্ব নিজের হাতেই রাখুন। কোনো বিশ্বকাপ, ইলেকশন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ আপনার ঘুমের চেয়ে বেশি ইম্পর্টান্ট না। স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে কিনা পরীক্ষা করান। থাকলে সিপ্যাপ ব্যবহার করুন। ৬। ওষুধ - আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে বড় হইছি- ম্যালেরিয়া হলে পরে, কুইনিন দেয় তারে গিলিয়ে। এই ওষুধ ভীতিই আমাদের চল্লিশের ঘরের মানুষের অকাল মৃত্যুর মূল কারণ। শারীরিক সমস্যা করো অল্প বয়সে হতেই পারে। এটা লজ্জার কিছু না। তাই বলে আমি বীরপুরুষ সেজে ওষুধ খাবো না, টুপ করে মরে যাবো, এর মতো বোকামি আর হয়না! ওষুধের সাইড এফেক্ট নিয়ে ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন। একটা গেমপ্ল্যান সেট করুন। ৭। স্ট্রেস এন্ড এক্সপেকটেশন ম্যানেজমেন্ট- একটা 'সো হোয়াট' মেন্টালিটিতে চলে যান। ইউং বলেছেন-- আমরা ছোটবেলা থেকে অভিনয় করতে করতে 'ইগো' নামক যেই মুখোশটা পরে ফেলেছি, সেই মুখোশটা বাঁচাতেই আমাদের অবিরাম চেষ্টা। ইগোর বাইরে আসার চেষ্টা করুন। জীবনটা সহজ হবে। প্রয়োজনে সোলো ট্রিপ দিন। টক্সিক মানুষদের পজ বাটন টিপে দিন। প্রয়োজনে কাউন্সেলিং করান। দরকার হলে অ্যান্টি অ্যাংজাইটি বা অ্যান্টি ডিপ্রেশন মেডিকেশন নিন। রিমেম্বার, নো ট্যাবু অন নেসেসারি মেডিকেশন। প্রকৃতি আর জন্তু-জানোয়ারের মাঝে থাকুন। এরা মানুষ থেকে বহুত ভালো। লিখেছে: Shams Tanvir

কথোপকথনের সময় বোঝা গেল, তার ভয় স্বাস্থ্য নিয়ে নয়; বরং বন্ধুদের কথায় মনে হয়েছে— 👉“ছোট বুক মানেই আমি কম আকর্ষণীয়।” এই জায়গাতেই মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা শুরু হয়। যখন শরীরের স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকে সমাজ “দুর্বলতা” হিসেবে দেখায়, তখন ব্যক্তি নিজের শরীরের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন। অথচ বিজ্ঞান বলছে — বুকের সাইজ কোনো ব্যক্তির নারীসত্তা, মাতৃত্ব বা স্বাস্থ্য নির্ধারণ করে না। বরং নিজের শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে স্ট্রেস হরমোন বাড়ে, যা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। 🛑🛑6️⃣ নারীর মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মসম্মানের লড়াই শরীর নিয়ে negative মন্তব্য ধীরে ধীরে আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে যায়। 🔹 Social Comparison “ইনস্টাগ্রামে সবাই আমার চেয়ে ভালো”—এমন অনুভূতি অনেক তরুণীর মধ্যেই দেখা যায়। 🔹 Self-objectification “আমি আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে বিচার করি”—এই অভিজ্ঞতা কাউন্সেলিংয়ে খুব সাধারণ। 🔹 Relationship Insecurity “আমার শরীর হয়তো যথেষ্ট নয়”—এই ভয় intimacy anxiety তৈরি করে। দীর্ঘমেয়াদে এগুলো 👉 depression 👉 body shame 👉 emotional withdrawal বাড়াতে পারে। 🛑🛑7️⃣ বাস্তব কাউন্সেলিং অভিজ্ঞতা — “সাইজ বাড়ানোর উপায় বলুন” 🔹 একজন স্কুলশিক্ষিকা বলেছিলেন— “বিয়ের কথা চলছে… আত্মীয়রা বলছে একটু মোটা হলে ভালো লাগবে।” 🔹 একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী— “আমি জিম করছি শুধু সাইজ বাড়ানোর জন্য।” 🔹 আরেকজন কর্মজীবী নারী— “অনলাইনে অনেক ক্রিম দেখি… মনে হয় ব্যবহার না করলে আমি কম হয়ে যাব।” এই কথাগুলো দেখায় — অনেক সময় শরীর পরিবর্তনের ইচ্ছা আসে না নিজের চাহিদা থেকে, বরং বাইরের অনুমোদনের জন্য। কাউন্সেলিংয়ের লক্ষ্য হলো— ব্যক্তিকে নিজের কারণ বুঝতে সাহায্য করা। 🛑🛑8️⃣ সমাজ ও সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ 👉 পরিবার ও সমাজ 1️⃣ Body-shaming বন্ধ করুন 2️⃣ শিশুদের শেখান — মানুষ তার চরিত্রে মূল্যবান 👉 সম্পর্কের ভেতরে 3️⃣ তুলনা নয়, appreciation 4️⃣ emotional safety-ই আসল আকর্ষণ 👉 নারীর নিজের জন্য Psychological Self-Help Toolkit 5️⃣ নিজের শরীরকে “বাসস্থান” হিসেবে দেখুন 6️⃣ প্রতিদিন নিজের সম্পর্কে একটি ইতিবাচক বাক্য বলুন 7️⃣ সোশ্যাল মিডিয়া comparison trigger করলে digital break নিন 8️⃣ নিজেকে প্রশ্ন করুন — “আমি কি নিজের জন্য বদলাচ্ছি?” 🛑🛑 Counselling Psychologist পেইজ Perspective নারীর বুকের সাইজ কোনো প্রতিযোগিতা নয়। এটা মানুষের শরীরের স্বাভাবিক বৈচিত্র্য। যে সমাজ একজন নারীকে শুধুমাত্র শরীর দিয়ে বিচার করে— প্রকৃত অর্থেই সে সমাজ তার মেধা, শক্তি ও মানবিকতাকে উপেক্ষা করে। সত্যিকারের সম্পর্ক তৈরি হয় 👉 সম্মান থেকে 👉 বোঝাপড়া থেকে 👉 মানসিক নিরাপত্তা থেকে কাউন্সেলিংয়ে আমরা প্রায়ই দেখি— যখন একজন নারী নিজের শরীরকে গ্রহণ করতে শেখেন, তখন তার আত্মবিশ্বাস শুধু নিজের জীবনেই নয়, তার চারপাশের সম্পর্কেও আলো ছড়িয়ে দেয়। 🔻🔻 মনে রাখবেন — আপনি আপনার শরীরের মাপ নন। আপনি একটি সম্পূর্ণ মানুষ — চিন্তা, অনুভূতি, শক্তি ও সম্ভাবনার সমন্বয়। 🔯🔯আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন কমেন্টে। পোস্টটি Save করুন — ভবিষ্যতে মনে করিয়ে দেবে, আপনি কোনো মাপ নন… আপনি একজন সম্পূর্ণ মানুষ। 👉 Follow: Counselling Psychologist কারণ এখানে পাবেন — মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, বাস্তব কাউন্সেলিং ইনসাইট, সম্পর্ক, আত্মসম্মান ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে সচেতনতা যদি আরও গভীরভাবে মানসিক সাপোর্ট, আলোচনা ও guidance পেতে চান এবং যে কোনো মানসিক সমস্যার সচেতনতা ও সহায়তার জন্য 👉 আমাদের Telegram Support Group-এ যুক্ত হন। লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে। 👇

“আমি জানি না এটা বলা ঠিক কিনা… কিন্তু আমার বুক ছোট। আমি কি কম আকর্ষণীয়?” কথাটা কাউন্সেলিং রুমে এক তরুণী আকুতি। তার প্রশ্নটা শুধু ব্যক্তিগত ছিল না—এটা ছিল সমাজের তৈরি ভয়, তুলনা আর অদৃশ্য চাপের প্রতিফলন। আজকের সোশ্যাল মিডিয়া যুগে অনেক মেয়েই মনে করেন— 👉“আমার বুক ছোট, তাই হয়তো আমি কম আকর্ষণীয়।” এই চিন্তাটা হঠাৎ তৈরি হয়নি। এটা এসেছে মিডিয়া ইমেজ, পুরুষের চাহিদা নিয়ে ভুল ধারণা, এবং শরীরকে মূল্যায়নের বিকৃত সামাজিক মানদণ্ড থেকে। কিন্তু প্রশ্ন হলো — 👉 গবেষণা কি সত্যিই বলে বড় বুক মানেই বেশি মূল্য বা বেশি আকর্ষণ? চলুন ধাপে ধাপে দেখি — বিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব ও সামাজিক বাস্তবতা কী বলছে। 🛑🛑1️⃣ সংস্কৃতি ও মিডিয়া কীভাবে “বড় বুক”কে স্ট্যান্ডার্ড বানিয়েছে মিডিয়া দীর্ঘদিন ধরে নারীর শরীরকে একটি নির্দিষ্ট ছাঁচে দেখিয়েছে। 👉 সিনেমা, বিজ্ঞাপন, ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অনেক সময় এমন শরীরকেই “আইডিয়াল” বানায়, যা বাস্তবে অধিকাংশ মানুষের সঙ্গে মেলে না। মনস্তাত্ত্বিকভাবে এটাকে বলা হয় Objectification — যেখানে নারীকে একজন মানুষ হিসেবে নয়, বরং শরীরের অংশ দিয়ে বিচার করা হয়। 🔎 গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বেশি body-objectification অনুভব করেন, তাদের মধ্যে ✔️ self-doubt ✔️ anxiety ✔️ body dissatisfaction বেশি দেখা যায়। 🔯 Brain Insight (মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা) সোশ্যাল মিডিয়ায় “পারফেক্ট” শরীরের ছবি দেখলে মস্তিষ্কের reward system সক্রিয় হয়। ডোপামিন রিলিজের কারণে মানুষ সেই ইমেজকে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে। ফলে বাস্তব শরীরকে অনেক সময় কম আকর্ষণীয় মনে হয়—যদিও সেটাই প্রকৃতির স্বাভাবিক বৈচিত্র্য। 📌 Reality vs Social Myth ❌ Myth: মিডিয়ায় যেটা বেশি দেখানো হয় সেটাই সুন্দর ✔️ Reality: মিডিয়া beauty standard তৈরি করে, বাস্তবতা নয় 🛑🛑2️⃣ “সব ছেলে বড় বুক পছন্দ করে” — এই ধারণা কতটা সত্য? বাস্তবতা হলো — পুরুষদের পছন্দ একরকম নয়। বিভিন্ন ক্রস-কালচারাল স্টাডিতে দেখা গেছে: 👉 অনেক পুরুষ মাঝারি সাইজ বা প্রাকৃতিক শেপকে বেশি পছন্দ করেন। 👉 দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাইজ নয়, emotional connection বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা: মানুষের আকর্ষণ শুধু শারীরিক নয় — ✔️ আচরণ ✔️ আত্মবিশ্বাস ✔️ হাসি ✔️ যোগাযোগ দক্ষতা এসবই আকর্ষণের বড় অংশ। অর্থাৎ “ছেলেদের চাহিদা” একরকম নয় — বরং সমাজ সেটা একরকম করে দেখায়। 🔯 পুরুষদের জন্য ছোট বার্তা একজন পুরুষ যখন শরীর নিয়ে তুলনা করে, তখন সে শুধু মন্তব্য করে না—সে একজন নারীর আত্মসম্মানে আঘাত করে। সত্যিকারের masculinity আসে নিরাপত্তা দেওয়ার মধ্যে, বিচার করার মধ্যে নয়। 🛑🛑3️⃣ বিভিন্ন দেশের সমীক্ষা — নারীরা নিজের শরীর নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট? একটি বড় আন্তর্জাতিক গবেষণায় (৪০+ দেশ) দেখা যায় — ✔️ প্রায় ৪৭% নারী মনে করেন তাদের বুক বড় হলে ভালো হতো ✔️ প্রায় ২৩% নারী আবার ছোট করতে চান ✔️ মাত্র ৩০% নারী নিজের সাইজে সন্তুষ্ট এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — 👉 অসন্তুষ্টি শুধু এশিয়া বা ভারত নয়, ইউরোপ ও আমেরিকাতেও সমানভাবে দেখা যায়। অর্থাৎ সমস্যা “সাইজ” নয় — সমস্যা হলো সমাজের তুলনা সংস্কৃতি (comparison culture)। 🔯 Psychological Insight যখন মানুষ বারবার তুলনা করে, তখন মস্তিষ্ক threat signal পাঠায়— 👉“আমি কি যথেষ্ট নই?” এই প্রশ্ন থেকেই insecurity শুরু হয়। 🛑🛑4️⃣ কোন দেশের নারীদের বুক বড় — এই আলোচনা কতটা বৈজ্ঞানিক? ইন্টারনেটে প্রায়ই দেখা যায় — “এই দেশের মেয়েদের বুক বড়”, “ওই দেশের ছোট” — এমন তালিকা। ⚠️ কিন্তু বেশিরভাগ তালিকা বৈজ্ঞানিক গবেষণার উপর ভিত্তি করে নয়। কারণ — ✔️ ব্রা সাইজ দেশভেদে আলাদা ✔️ অনেক সময় self-report ভুল হয় ✔️ শরীরের গঠন BMI, জেনেটিক্স ও পুষ্টির উপর নির্ভর করে বিজ্ঞানীরা বলেন — 👉 শরীরের গড় বৈশিষ্ট্য অঞ্চলভেদে বদলাতে পারে, কিন্তু সেটা দিয়ে কোনো নারীর মূল্য নির্ধারণ করা বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল। 📌 Reality Check ❌ Myth: নির্দিষ্ট দেশের মেয়েরা বেশি আকর্ষণীয় ✔️ Reality: আকর্ষণ সাংস্কৃতিক ও ব্যক্তিগত—শুধু সাইজ দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না 🛑🛑5️⃣ শারীরিক স্বাস্থ্য — ছোট বুক নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা সমাজে এখনও অনেক জায়গায় এমন একটি ভুল বিশ্বাস প্রচলিত আছে— 👉“ছোট বুক মানেই স্বাস্থ্য খারাপ” বা “ছোট বুক হলে দুধ কম হয়।” বাস্তবে স্তনের সাইজ নির্ভর করে মূলত ফ্যাট টিস্যুর উপর, আর দুধ উৎপাদন নির্ভর করে গ্ল্যান্ডুলার টিস্যু ও হরমোনের উপর। অর্থাৎ বাহ্যিক আকার বড় হলেই যে মাতৃত্বের সক্ষমতা বেশি হবে, এমন কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। কাউন্সেলিং রুমে প্রায়ই এমন প্রশ্ন শোনা যায়— 👉 “আমার বুক ছোট… ভবিষ্যতে কি সমস্যা হবে?” 👉 “আমি কি কোনোভাবে সাইজ বাড়াতে পারি? সবাই বলে এটা জরুরি।” একজন কলেজ পড়ুয়া তরুণী একদিন খুব দ্বিধা নিয়ে বলেছিলেন— 👉“ইউটিউবে অনেক ভিডিও দেখি, সেখানে নানা ব্যায়াম বা ক্রিম দেখায়। সত্যিই কি এগুলো কাজ করে?”

আল্লাহ আমাদের সবাইকে পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার তাওফিক দান করুন। যেন আমরা একে অপরের সাথে ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সম্মান নিয়ে বসবাস করতে পারি। আমিন। #পরিবার #শান্তি #সমাজ #কুরআন #ইসলাম #আল্লাহ #ঈমান #ইসলামিকপোস্ট #ভালোবাসা #ক্ষমা #সদ্ব্যবহার #মুসলিম #ইসলামিকজ্ঞান #সম্প্রীতি

৬. মানুষের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে দেওয়া সওয়াবের কাজ। সূরা: আল-হুজুরাত | আয়াত: ৯ আরবি: وَإِن طَائِفَتَانِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اقْتَتَلُوا فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا ۖ فَإِن بَغَتْ إِحْدَاهُمَا عَلَى الْأُخْرَىٰ فَقَاتِلُوا الَّتِي تَبْغِي حَتَّىٰ تَفِيءَ إِلَىٰ أَمْرِ اللَّهِ ۚ فَإِن فَاءَتْ فَأَصْلِحُوا بَيْنَهُمَا بِالْعَدْلِ وَأَقْسِطُوا ۖ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ. বাংলা অর্থ: আর যদি মুমিনদের দুটি দল যুদ্ধে লিপ্ত হয় তবে তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দাও। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর বাড়াবাড়ি করে তবে যে দল বাড়াবাড়ি করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো যতক্ষণ না সে আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে তবে তাদের মধ্যে ন্যায়ের সাথে মীমাংসা করো এবং ইনসাফ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন। অনুপ্রেরণা: পরিবার বা সমাজে যখন কারো মধ্যে ঝগড়া হয় তখন সেটা মিটিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমরা যদি ন্যায়ভাবে মীমাংসা করি তাহলে শান্তি ফিরে আসে। ঝগড়া বাড়ানো নয়, বরং সমাধান খুঁজে দেওয়াই মুমিনের কাজ। ৭. সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করা সবার দায়িত্ব। সূরা: আলে ইমরান | আয়াত: ১১০ আরবি: كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ ۗ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُم ۚ مِّنْهُمُ الْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُونَ. বাংলা অর্থ: তোমরা সর্বোত্তম উম্মত যাদের মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ দাও এবং অসৎকাজে নিষেধ করো এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখো। আর যদি আহলে কিতাব ঈমান আনত তাহলে তাদের জন্য মঙ্গল হতো। তাদের মধ্যে কিছু মুমিন আছে কিন্তু তাদের অধিকাংশই পাপাচারী। অনুপ্রেরণা: সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভালো কাজে উৎসাহিত করা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখা আমাদের দায়িত্ব। আমরা যদি একে অপরকে সঠিক পথ দেখাই তাহলে সমাজ থেকে অন্যায় কমে যাবে এবং শান্তি বৃদ্ধি পাবে। ৮. মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই। সূরা: আল-হুজুরাত | আয়াত: ১০ আরবি: إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ فَأَصْلِحُوا بَيْنَ أَخَوَيْكُمْ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ. বাংলা অর্থ: নিশ্চয়ই মুমিনরা পরস্পর ভাই। সুতরাং তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করে দাও এবং আল্লাহকে ভয় করো যাতে তোমরা রহমত প্রাপ্ত হও। অনুপ্রেরণা: ঈমানের বন্ধন রক্তের সম্পর্কের চেয়েও শক্তিশালী। আমরা সবাই এক ভাই। তাই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হলে তা মিটিয়ে দেওয়া আমাদের কাজ। এই ভ্রাতৃত্ববোধ থাকলে সমাজে শান্তি ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে। ৯. কাউকে উপহাস বা ঠাট্টা করা নিষিদ্ধ। সূরা: আল-হুজুরাত | আয়াত: ১১ আরবি: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِّن قَوْمٍ عَسَىٰ أَن يَكُونُوا خَيْرًا مِّنْهُمْ وَلَا نِسَاءٌ مِّن نِّسَاءٍ عَسَىٰ أَن يَكُنَّ خَيْرًا مِّنْهُنَّ ۖ وَلَا تَلْمِزُوا أَنفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوا بِالْأَلْقَابِ ۖ بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوقُ بَعْدَ الْإِيمَانِ ۚ وَمَن لَّمْ يَتُبْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ. বাংলা অর্থ: হে ঈমানদারগণ! কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষদের উপহাস না করে, হতে পারে তারা উপহাসকারীদের চেয়ে উত্তম। আর নারীরা যেন অন্য নারীদের উপহাস না করে, হতে পারে তারা উপহাসকারিণীদের চেয়ে উত্তম। আর তোমরা একে অপরের নিন্দা করো না এবং একে অপরকে মন্দ উপনামে ডাকো না। ঈমানের পর পাপাচার কতই না মন্দ নাম। আর যারা তওবা করে না তারাই জালিম। অনুপ্রেরণা: পরিবার ও সমাজে অশান্তির একটা বড় কারণ হলো একে অপরকে নিয়ে ঠাট্টা করা, অপমান করা। আল্লাহ এটা নিষেধ করেছেন। আমরা যদি সবাইকে সম্মান করি এবং কারো দুর্বলতা নিয়ে হাসি না করি তাহলে সমাজে শান্তি বজায় থাকবে। ১০. অনুমান ও গীবত থেকে দূরে থাকা জরুরি। সূরা: আল-হুজুরাত | আয়াত: ১২ আরবি: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ ۖ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ تَوَّابٌ رَّحِيمٌ. বাংলা অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাকো। নিশ্চয়ই কোনো কোনো ধারণা পাপ। আর তোমরা গোপনীয়তা অনুসন্ধান করো না এবং একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো তা অপছন্দ করো। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। অনুপ্রেরণা: পরিবার ও সমাজে অশান্তির সবচেয়ে বড় কারণ হলো খারাপ ধারণা করা এবং পরচর্চা। আমরা যদি কারো সম্পর্কে খারাপ ধারণা না করি, তাদের দোষ খুঁজতে না যাই এবং গীবত না করি তাহলে সম্পর্ক ভালো থাকবে এবং চারদিকে শান্তি বিরাজ করবে।

পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক কুরআনের ১০টি আয়াত ১. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া আল্লাহর নিদর্শন। সূরা: আর-রুম | আয়াত: ২১ আরবি: وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ. বাংলা অর্থ: তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই সঙ্গী সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল কওমের জন্য নিদর্শন রয়েছে। অনুপ্রেরণা: পরিবারে শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া। আল্লাহ নিজেই এই দুটি গুণ আমাদের মাঝে রেখেছেন। যখন আমরা একে অপরের প্রতি মমতা ও সহানুভূতি দেখাই তখন ঘরে শান্তি নেমে আসে। ২. পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা ইবাদত। সূরা: আল-ইসরা | আয়াত: ২৩ আরবি: وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا ۚ إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا. বাংলা অর্থ: তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন যে তোমরা তাঁকে ছাড়া কারো ইবাদত করো না এবং পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। তাদের একজন অথবা উভয়ে তোমার কাছে বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের উফ শব্দটিও বলো না এবং তাদের ধমক দিও না। বরং তাদের সাথে সম্মানজনক কথা বলো। অনুপ্রেরণা: পরিবারে শান্তির জন্য পিতামাতার সাথে সম্মান ও ভালোবাসার সম্পর্ক খুবই জরুরি। তাঁরা বৃদ্ধ হলে আরও বেশি যত্ন ও মমতার প্রয়োজন। আমরা যদি তাঁদের সাথে কোমলভাবে কথা বলি এবং সেবা করি তাহলে ঘরে বরকত আসবে এবং শান্তি বিরাজ করবে। ৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা ফরজ। সূরা: আন-নিসা | আয়াত: ১ আরবি: يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا. বাংলা অর্থ: হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এক ব্যক্তি থেকে এবং তার থেকে তার সঙ্গী সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের দুজন থেকে বহু পুরুষ ও নারী ছড়িয়ে দিয়েছেন। আর তোমরা সেই আল্লাহকে ভয় করো যাঁর নামে তোমরা একে অপরের কাছে চাও এবং আত্মীয়তার সম্পর্ককেও ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক। অনুপ্রেরণা: পরিবার ও সমাজে শান্তি বজায় রাখতে হলে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সবাই একই মূল থেকে এসেছি। তাই আমাদের একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে এবং আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে হবে। ৪. ক্ষমা ও উদারতা প্রদর্শন করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। সূরা: আশ-শুরা | আয়াত: ৪০ আরবি: وَجَزَاءُ سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِّثْلُهَا ۖ فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ ۚ إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الظَّالِمِينَ. বাংলা অর্থ: মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ। কিন্তু যে ক্ষমা করে এবং সংশোধন করে তার প্রতিদান আল্লাহর কাছে। নিশ্চয়ই তিনি জালিমদের পছন্দ করেন না। অনুপ্রেরণা: পরিবার ও সমাজে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। কিন্তু আমরা যদি ক্ষমা করতে শিখি এবং সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করি তাহলে শান্তি বজায় থাকবে। প্রতিশোধ নয়, ক্ষমাই আসল শক্তি এবং আল্লাহ ক্ষমাশীলদের ভালোবাসেন। ৫. প্রতিবেশীর সাথে সদ্ব্যবহার করা আবশ্যক। সূরা: আন-নিসা | আয়াত: ৩৬ আরবি: وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا ۖ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَبِذِي الْقُرْبَىٰ وَالْيَتَامَىٰ وَالْمَسَاكِينِ وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ وَالْجَارِ الْجُنُبِ وَالصَّاحِبِ بِالْجَنبِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ مَن كَانَ مُخْتَالًا فَخُورًا. বাংলা অর্থ: তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কাউকে শরিক করো না। আর সদ্ব্যবহার করো পিতামাতার সাথে, আত্মীয়স্বজনের সাথে, ইয়াতিম, মিসকিন, নিকটবর্তী প্রতিবেশী, দূরবর্তী প্রতিবেশী, পাশের সাথী, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাধীনদের সাথে। নিশ্চয়ই আল্লাহ দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না। অনুপ্রেরণা: সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিবেশীর সাথে সুন্দর সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আত্মীয় হোক বা অপরিচিত, কাছের হোক বা দূরের, সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। এভাবেই আমরা একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়তে পারি।