fa
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

رفتن به کانال در Telegram

🙂🙂🙂

نمایش بیشتر
1 997
مشترکین
+224 ساعت
+47 روز
+230 روز
آرشیو پست ها
যৌনদুর্বলতা, লিঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যা , দ্রুতবীর্যপাত এর জন্য নিচের সকল উপকরণ সমপরিমাণে সংগ্রহ করবেন। এরপর সাপ্লিমেন্ট হালুয়া তৈরি করে খাবেন। দুই থেকে তিন মাস খেতে হবে। বিস্তারিত তৈরীর পদ্ধতি এবং উপকরণ নিচে দেওয়া হল। ✅ সাপ্লিমেন্ট হালুয়া – রেসিপি 🥄 উপকরণ ও পরিমাণ: অশ্বগন্ধা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম শিমুলমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম দ্রাক্ষা চূর্ণ: ৫০ গ্রাম শতমূল চূর্ণ: ৫০ গ্রাম কাবাব চিনি চূর্ণ:৩০ গ্রাম ত্রিফলা চূর্ণ: ৮০ গ্রাম জাফরান:২ গ্রাম বীর্য মনি:৫০ গ্রাম তেতুল বীজ চূর্ণ:৩০ গ্রাম কাতিলা গাম: ২০ গ্রাম তালমাখানা:৩০ গ্রাম তালমুল: ৩০ গ্রাম ভূইকুমড়া : ৩০ গ্রাম পানিফল শাঁস (শুকনো করে গুঁড়া করা):৩০ গ্রাম তোকমা দানা: ২০ গ্রাম গোক্ষুর চূর্ণ:৩০ গ্রাম আখরোট: ৫০ গ্রাম তাজা নারকেল ( কোরানো): ৫০ গ্রাম পোস্তদানা: ৩০ গ্রাম খোসা ছাড়া তিল: ৩০ গ্রাম লাল বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম সাদা বামন চূর্ণ: ৩০ গ্রাম শুঁঠ (শুকনো আদা) চূর্ণ: ১৫ গ্রাম পিপুল চূর্ণ: ১৫ গ্রাম আকরকরা চূর্ণ: ১৫ গ্রাম পেঁয়াজ বীজ : ১৫ গ্রাম শালগম বীজ: ১৫ গ্রাম আলকুশী বীজ (শোধন করা): ১৫ গ্রাম গাজর বীজ:১৫ গ্রাম দারচিনি চূর্ণ: ১০ গ্রাম যত্রিক: ৩০ গ্রাম মধু (খাঁটি): ৫০০–৬০০ গ্রাম বা প্রয়োজনমতো 🔧 প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একত্রে একটি বড় স্টিলের পাত্রে নিন। আস্তে আস্তে মধু মেশাতে থাকুন। ভালোভাবে মিশিয়ে নিন যাতে সব উপাদান একসঙ্গে মিশে যায়। যদি মধু কম হয় তাহলে, ধাপে ধাপে আরো মধু যোগ করুন যতক্ষণ না একটি সেমি-সলিড, আঠালো কিন্তু চামচে তোলা যায় এমন কনসিস্টেন্সি পাওয়া যায়। ⚠️ সতর্কতা: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা যেকোনো ক্রনিক রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। খুব গরম বা রোদে রাখবেন না। এখানে কোন প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয়নি, মধু ন্যাচারাল প্রিজারভেটিভ । তবে এই শীতে প্রায় ৬ মাস ভালো থাকব। . 🟩 সবচেয়ে ভালো নিজে তৈরি করতে পারলে। নিজে যদি তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমাদের 01972859950 মোবাইল নাম্বারে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টার মধ্যে ফোন দিয়ে আমার সহকারীর কাছে অর্ডার দিয়ে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারবেন। অর্ডার দেওয়ার পর তৈরি করে দেওয়া হয় । সহকারি কে বলবেন আমি সাপ্লিমেন্ট হালুয়া নিতে চাই। আপনি অর্ডার দেওয়ার পরে তৈরি করে দেয়া যাবে। আমাদের কাছে তৈরি করা থাকে না। প্রায় দেড় মাস খাওয়ার উপযোগী ১ কোর্স সাপ্লিমেন্ট এর দাম - ১৫০০ টাকা ।আমরা দুই কোর্স খাবার পরামর্শ দেই। নিচের নাম্বার ছাড়া অন্য কোন নাম্বারে আমাদের সাথে আর্থিক লেনদেন করবেন না । . ★ বিকাশ পেমেন্ট: 01712 859950 ★ রকেট সেন্ড মানি: 01712 859950 3 ★ নগদ সেন্ড মানি : 01712 859950 ★ বিকাশ সেন্ড মানি: 01972 859950 . টাকা পাঠানোর পূর্বে ও পরে অবশ্যই মোবাইল নাম্বারে ফোন করে নিবেন । . 🟩 কুরিয়ারে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত কোন টাকা দিতে হবে না বা কুরিয়ার খরচ দিতে হবে না। ☎️ আমার সাথে কথা বলার জন্য , সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে 01712-859950 নাম্বারে ফোন দিয়ে কথা বলবেন। . হোয়াটস অ্যাপে ফোন দিবেন না । নেটে সমস্যা থাকার কারণে অনেক সময় হোয়াটসঅ্যাপে কথা ভালোভাবে বোঝা যায় না । তাই, সরাসরি মোবাইল নাম্বারে ফোন করবেন । ★ ফোনে কথা বলার সময়: সকাল ৮ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত। ★ চেম্বারে সরাসরি দেখা করার সময়: সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত । (সরাসরি সাক্ষাতের জন্য অবশ্যই একদিন আগে ফোন দিয়ে আসতে হবে) . 🔴 বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতারকরা ফেসবুকে আমার ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে।তাই সতর্ক থাকবেন। 01972859950 ও 01712859950 এই দুইটি নাম্বার ছাড়া আমাদের অন্য কোন মোবাইল নাম্বার নাই ।

আল্লাহতাআলা পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ দেন নাই- যার প্রাকৃতিক সমাধান রাখেননি; বরং প্রত্যেকটি রোগের বা শারীরিক সমস্যার একাধিক সহজ প
আল্লাহতাআলা পৃথিবীতে এমন কোনো রোগ দেন নাই- যার প্রাকৃতিক সমাধান রাখেননি; বরং প্রত্যেকটি রোগের বা শারীরিক সমস্যার একাধিক সহজ প্রাকৃতিক সমাধান রয়েছে! মানুষের দায়িত্ব শুধু মহাপ্রকৃতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে (মহান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বিধি-বিধান ও নির্দেশনা মোতাবেক) সঠিক প্রাকৃতিক খাবারটি খুঁজে নিয়ে রোগ নিরাময়ের উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই কেমিক্যালের তৈরি কৃত্রিম সিন্থেটিক ড্রাগস রোগ উপশমের উপায় হিসেবে মানবদেহের ভেতরে ঢোকানো যাবে না (সৃষ্টিকর্তা সেই অধিকার মানুষকে দেননি)! মানুষের জন্য প্রদত্ত জীবন-বিধান সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন : "আমি তোমাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি, তা ত্থেকে উত্তমগুলো আহার হিসেবে গ্রহণ করো আর এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না, করলে তোমাদের উপর আযাব সাব্যস্ত হবে। আমার আযাব যার উপরে সাব্যস্ত হয়, সে তো ধ্বংসই হয়ে যায়! আর যে তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং সৎ পথে অটল থাকে, আমি তাঁর জন্য অবশ্যই অতি ক্ষমাশীল।" সূরা ত্বহা - ৮১-৮২

৯-৩২ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের মস্তিষ্ক কৈশরেই পরে থাকে। অনেকে মনে করেন ১৮ বছরে মস্তিষ্ক 'ম্যাচিওর' হয়ে যায়, তা আসলে ভুল। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে বড়সড় পরিপক্কতা আসে চারটি বয়সে— ৯, ৩২, ৬৬ এবং ৮৩ বছর। ৯ বছর বয়সে মস্তিষ্কে প্রথম বড় পরিবর্তন আসে। শেখার গতি বাড়ে, আচরণে পরিবর্তন হয়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে উঠতে শুরু করে। এভাবেই চলে ৩০-৩২ বছর পর্যন্ত। ৩২ বছরে ঘটে দ্বিতীয় বড় পরিবর্তন। শারীরিকভাবে মস্তিষ্ক পরিপক্ক হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ, আবেগ নিয়ন্ত্রণে আসে। এভাবে চলে ৬৬ পর্যন্ত। ৬৬ বছর বয়সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা কমতে শুরু করে, স্মৃতিশক্তি কমে এবং অভিজ্ঞতা-ভিত্তিক সর্বোচ্চ বেশি থাকে। ৮৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে শারীরিক পরিবর্তন আসে। 'কানেক্টিভিটি' কমতে শুরু করে, মেমোরি, সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং মনোযোগে বড়সড় পরিবর্তন আসে। তথ্য: বিজ্ঞানপ্রিয়। #neuroscience #bigyanpriyo

নারী স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখছি এখন এতো বেশি ইনফার্টিলিটি বেড়েছে! এটা আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে। কেন বাড়ছে এতো ইনফার্টিলিটি! প্রতিনিয়ত অনেক নারীর কান্না দেখছি, মন খারাপ দেখছি, স্ট্রেস দেখছি, দেখছি স্ট্রাগল এসব দেখে আমার মনে হচ্ছে এই জেনারেশন এর জন্য কিছু বলা হয়তো আসলেও দরকার৷ পোস্ট টা ১৫ বছরের উর্ধ্বে নারীরা পড়লে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করছি - ধরেন সারাদিন মিলিয়ে - যদি ২০ জন রোগী দেখি এর মধ্যে ১৫ জনের ই PCOS। ১২ জনের PCOS + Infertility। নিচে কিছু পয়েন্ট দিচ্ছি যা এই জেনারেশনের ঠিক করা খুব ই জরুরী - ১. আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় শত্রু- রাত জাগা + অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম। SSC থেকেই রাত জাগা শুরু। বেশিরভাগ ৬/৭ ক্লাসে পড়া ছেলে মেয়েদের ও দেখি রাত জেগে পড়ছে। মাধ্যমিক থেকে তো ২–৩টা পর্যন্ত পড়া ঘরে ঘরে , তারপর শোয়া এবং সকালে দেরিতে ওঠা। অনেকে ঘুমায় ই সকাল ৫ টায়! আর যদি University student দের case নেই তাহলে দেখা যায়- ৮০–৯০% ছাত্রছাত্রী নিয়মিত রাত জাগে। এর সাথে সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়া, স্ক্রল, জাঙ্ক ফুড — সব মিলিয়ে হরমোন পুরোপুরি imbalance হয়ে যায়। আমার সময়ে বাইরের খাবার ছিল সপ্তাহে একদিনের জিনিস। কলেজ–ইউনিভার্সিটি লাইফে লাঞ্চ প্রায়ই বাড়ির খাবারই হত। আর কোনো কারনে যদি সাথে নিতে না পারতাম তাহলে বাসায় এসেই খেতাম। আজকের টিনএজারদের বলবো—দয়া করে বাড়ির খাবারে অভ্যস্ত হও। না হলে ভবিষ্যতে নিজের শরীরকেই দায় দিতে হবে। ২️ প্রতিটি মেয়ের জন্য মাসিকের তারিখ লেখা অত্যন্ত জরুরি। Cycle কয় দিনে হচ্ছে, নিয়মিত হচ্ছে কি না - এটা আগে তুমি জানবে, তারপর ডাক্তার দেখে সিদ্ধান্ত নেবে। পরপর ২–৩ মাস period মিস হলে,Cycle হঠাৎ ছোট/লম্বা হলে,Painful বা খুব irregular হলে Gynecologist-এর কাছে যাওয়া বাধ্যতামূলক৷ ৩ হ্যাঁ, এই পয়েন্টে অনেকের ভিন্ন মতভেদ থাকতে পারে । কিন্তু অভিজ্ঞতা থেকে বলছি - ইচ্ছে থাকলে অন্তত ২৫–২৬ এর মধ্যে বিয়ে করে ফেলা উচিত, সম্ভব হলে এর আগে এবং ৩০ এর আগেই অন্তত একটি সন্তান নেওয়া জরুরী বলে মনে করি। ক্যারিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জানি - কিন্তু শরীরের biological clock থেমে থাকে না। তবে বিয়ে করার ক্ষেত্রে - তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে যাকে তাকে choose করবেন না৷ কারন - খারাপ পার্টনারের সাথে সারা জীবন কাটানোর থেকে নিঃসন্তান থাকা ভালো। ৪️ বিয়ের আগে, বা বাচ্চা নেওয়ার আগে- নিজের শরীরটা প্রস্তুত করতে হবে।Thyroid, PCOS, Period সমস্যা, অ্যান্ড্রোজেন ইস্যু— যদি থাকে, আগে থেকেই ঠিক করার চেষ্টা করবেন। আমি গতকালকেও ২৭ বছরের এক মেয়ে পেয়েছি যার কিনা ১ বছর টানা পিরিয়ড হয় নি আর মুখ ভর্তি ফ্যাসিয়াল হেয়ার! বুঝতে পারছেন এসকল জিনিস কত ওহরহ আর কমন এখন! বিয়ের আগেই এসকল জিনিস কারেকশন করা বাধ্যতামূলক। আর সবচেয়ে জরুরি— Ideal Body Weight-এর চেয়ে ৮–১০ কেজি বেশি হলে অবশ্যই ডায়েটিশিয়ান/ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের শরণাপন্ন হবেন। আমি চাই প্রতিটা মেয়ে - বেলীর মতো পৃথিবীর প্রতিটি কোণায় সুভাস ছড়াক 🌻 শাইমা জাহান ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট এন্ড ডায়েটেশিয়ান সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাস্পাতাল, ওয়ারী পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, যাত্রাবাড়ী

মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য: কীভাবে সামলাবেন এই পরিবর্তন? Menopause হলো নারীর জীবনের এমন একটি সময় যখন তার মাসিক ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। যখন একজন নারীর ১২ মাস একটানা মাসিক হয় না, তখন তাকে মেনোপজ হয়েছে বলে ধরা হয়। মেনোপজ, নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক পর্যায়, যা শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও গভীর প্রভাব ফেলে। এই সময়ে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটে, বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে নানা শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। চলুন সহজভাবে আরও জেনে নেই মেনোপজ ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে. https://blog.healthxbd.com/menopause-and-mental-health/

একবার হযরত মুসা (আ.) এক রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র এক ব্যক্তি বালির ভেতরে শরীর ডুবিয়ে বসে আছে। তার গায়ে কোনো কাপড় নেই, লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে। লোকটি হযরত মুসা (আ.)-কে দেখে আর্তনাদ করে বলল, “হে আল্লাহর নবী! আমার জন্য একটু দোয়া করুন। আল্লাহ যেন আমাকে অন্তত বেঁচে থাকার মতো সামান্য কিছু রিযিক দান করেন। অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছি না।” ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে হযরত মুসা (আ.)-এর দয়া হলো। তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন। পরবর্তীতে আল্লাহর নবীর দোয়াও কবুল হলো। কিছুদিন পর মুসা (আ.) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, রাস্তায় বিশাল জটলা। অনেক মানুষ ভিড় করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এখানে কী হয়েছে? এত ভিড় কেন?” লোকেরা জানাল, “কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুকটি বালির নিচে শরীর ঢেকে পড়ে থাকত, সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়েছিল। টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে। এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এখন তার ‘কিসাস’ বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।” হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তিগফার করলেন। ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার উপমা ও প্রবাদ ব্যবহার করেছেন: ১. বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত, তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত।”(অর্থাৎ, দুর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে ওঠে)। ২. প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন: “পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো। কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।” ৩. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: “যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে অঢেল রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।” (সূরা শুরা: ২৭) ৪. বাবার কাছে অনেক মধু আছে, কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলেকে তা খেতে দেন না। কারণ তিনি জানেন, মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর। অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি, তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন। 📖 গুলিস্তাঁ ✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.

🌺 এভাবে দোয়া চাওয়া যাবে....? এক ভাই জিজ্ঞাসা করলেন, ভাই আমি এই এই দুয়া চাই.... এভাবে দুয়া চাওয়া কি ঠিক হবে? তাঁর সম্পূর্ণ দোয়া ছিল আবেগে মোড়া। কিন্তু শেষের কথাটা শরয়ী দৃষ্টিতে বেশ আপত্তিকর। তিনি যদি শেষ কথাটার পাশে বন্ধনির মধ্যে না লিখতেন যে, তিনি তা আবেগের কারণে বলেন, আমি তখনই জবাব দিয়ে দিতাম, “না, এভাবে চাওয়া উচিত নয়।” একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। ঘটনাটি মাওলানা قدس سره তাঁর মসনভী শরীফে কোন ইসরায়েলী বর্ণনা হতে উদ্ধৃত করেছেন। সংক্ষেপে ঘটনাটি এরকমঃ একবার সাইয়িদুনা হযরত মূসা عليه السلام কোথাও যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি দেখলেন, জনৈক মেষপালক নিরালায় খুব আকুতি মিনতি করে দুয়া চাইছে। সে কি চাইছে, তা জানার জন্য উৎসুক হয়ে যখন তিনি কান পাতলেন তখন তার দোয়া শুনে তিনি বেশ অভিভূত হয়ে গেলেন। সে দোয়া চাইছিলঃ “হে আল্লাহ! তুমি কোথায়? আমি তোমায় চাকর হতে চাই, তোমার জুতা সারিয়ে দিতে চাই, তোমার চুলগুলো আঁচড়ে পরিপাটি করে দিতে চাই, তোমার কাপড় ধৌত করে দিতে চাই, তোমার উকুন বেছে দিতে চাই, তোমার (খিদে পেলে) জন্য দুধ এনে দিতে চাই। . . . . ” আল্লাহ তায়ালা নিরাকার, তিনি মানুষ নন। কিন্তু অজ্ঞ মেষপালক তাঁকে মানুষ ভেবে বসে আছে! সাইয়িদুনা মূসা আলাইহিস তাঁকে শরয়ী বিরোধী দূয়া চাইবার জন্য ধমক দিলেন, বললেন, “তুমি নিশ্চিতরূপে কা/ ফির হয়ে গেছ।” তিনি তাকে বুঝিয়ে বললেন যে, তার কথাগুলো ঠিক নয়। সেগুলো ছিল শরীয়তের পরিপন্থী। যখন মেষপালক সব শুনল, সে বলল, "হে মূসা (আলাইহিস সালাম) তুমি তো আমার চোখ খুলে দিলে, আমার মুখ বন্ধ করে দিলে এবং আমার রূহকে আফসোস ও তওবাহের অগ্নিতে দহন করলে।” অতঃপর সে দোয়া ছেড়ে উঠে চলে গেল। সাথে সাথে আল্লাহ তায়ালার নিকট থেকে অহী এলোঃ “তুমি আমাকে আমার বান্দাহর থেকে দূরে সরিয়ে দিলে! তুমি নবী হিসেবে এসেছ (আমার ও বান্দাহর মধ্যে) মিলন ঘটাতে নাকি বিচ্ছেদ করতে?.... ” আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হয়েছেন দেখে হযরত মূসা আলাইহিস সালাম দ্রুত সেই মেষপালককে খুঁজে বের করে তাকে তার মতো করে দোয়া চাইতে বললেন। কিন্তু সে আর শরীয়ত বিরোধীভাবে দোয়া চাইল না, শরীয়ত মোতাবেক আবার আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া তে মগ্ন হল। দোয়াতে আবেগের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালা হৃদয় দেখেন। সুতরাং আমাদের উচিত কাতর হয়ে দুয়া চাওয়া, নিজের মতো করে দোয়া চাওয়া, তবে সেক্ষেত্রে এমন কথা যেন না বলে ফেলি যা শরীয়ত বিরোধী। এগল্প থেকে আরো একটি শিক্ষা মেলে যে, উলামাগণের দায়িত্ব হল খোদাবিমুখদের খোদার দিকে ফিরিয়ে আনা, সবাইকে হৃদয়ের কাছে টানা। ফিতনা করে সবাইকে দূরে সরানো বড় ভয়াবহ কাজ, কাল কিয়ামতের দিবসে এর জবাবদিহি করতে হবে। #মসনভী

সন্তানের জন্য না বেঁচে নিজের জন্য বাঁচুন। কেন? কারণ সন্তানের জন্য বাঁচা মানে তাদের জীবনকে নিজের মনে করা। তাদের জীবন আপনার না। তাদের জীবন আপনি বাঁচতে পারেন না। কিন্তু বেশিরভাগ প্যারেন্ট তাই করে। কখনো নিজেকে ভালোবাসতে না শেখা, নিজের জন্য বাঁচতে না জানা মানুষগুলো নিজের জীবনকে সন্তান কেন্দ্রিক করে ফেলে। তাদের স্বপ্ন, সুখ, শান্তি সব পরগাছার মতো আঁকড়ে ধরে রাখে সন্তানের জীবনকে। সেই পরগাছা নিয়েই সন্তান যখন বড় হয়, সে বেশিদূর যেতে পারে না। তার নিজস্ব বলে তেমন কিছুই থাকে না। তার স্বপ্ন, তার চাওয়া পাওয়ার মধ্যে আপনি ঢুকে যান, তাদের ওপর বোঝা হয়ে রয়ে যান। বাবা মা হিসেবে যদি সন্তানের জীবনে পরগাছা হয়ে থাকতে না চাই, নিজের ওপর ইনভেস্ট করতে জানতে হবে। নিজের যত্ন নিতে জানতে হবে। নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। আপনার সন্তানের জন্য আপনার সবচেয়ে বড় উপহার হল আপনি নিজেকে ভালোবাসা। সন্তানকে বুড়ো বয়সের ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে জন্ম না দিয়ে ওদেরকে নি:স্বার্থভাবে ভালোবাসতে জানাটা জরুরি। আর তার জন্য আগে নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হবে। নি:স্বার্থ হতে গেলে আগে নিজের স্বার্থ রক্ষা (secure) করতে জানতে হবে। মনে রাখবেন, যে গাছের শেকড় যত মজবুত, তার ডালপালা তত দূর পর্যন্ত ছায়া দিতে পারে, সে ঝড়েও নিজেকে টিকিয়ে রাখতে জানে। Fariha Rashid Parenting page: The Cycle Breaker Mom

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) বলেন: “রসূলুল্লাহ ﷺ নামাজ পড়ছিলেন, আর ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। আমি এলাম। তখন তিনি চলতে চলতে দরজা খুলে দিলেন এবং পরে আবার তাঁর পূর্ব অবস্থানে ফিরে গিয়ে নামাজ চালিয়ে গেলেন।” — সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৯২২ মুহাদ্দিস আলবানী (রহঃ) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। অন্যান্য হাদিসবিদরাও হাদিসটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন, কারণ রাবিগণ বিশ্বস্ত এবং সনদও সংযুক্ত। এই হাদিস থেকে ফুকাহারা ফিকহীভাবে মাসআলা নির্ণয় করেছেন:- নিয়মিত আমল না করলে কোনো প্রয়োজনবশত নামাজে অল্প কিছু কাজ করা জায়েজ। যেমন: দরজা খুলে দেওয়া, শিশু বা বাচ্চাকে কোলে নেওয়া, হালকা কিছু ইশারা বা অঙ্গভঙ্গি করা। এগুলো নামাজ নষ্ট করে না, যদি কাজটি অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় না হয়।

💗 বাচ্চা জন্মের পরে যোনি ঢিলা হলে কীভাবে টাইট করবেন? (বৈজ্ঞানিক + নিরাপদ + ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়) প্রসবের পরে যোনিপথ কিছুটা ঢিলা লাগা পুরোপুরি স্বাভাবিক। কারণ তখন ✔ পেশি টান কমে যায় ✔ টিস্যু প্রসারিত হয় ✔ পেলভিক ফ্লোর দুর্বল হয় আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই ৯০% নারীই কয়েক মাসের মধ্যে আবার আগের মতো টাইট হতে পারেন যদি সঠিক কেয়ার নেওয়া হয়। চলুন দেখি বৈজ্ঞানিকভাবে কী কী করলে যোনি টাইট হওয়া সম্ভব 🔥 ১️⃣ কেগেল এক্সারসাইজ সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় এটা এমন একটি ব্যায়াম যা যোনির ভেতরের পেশিকে সরাসরি টাইট করে। কিভাবে করবেন? ১. প্রসাব আটকানোর মতো অনুভূতি তৈরি করুন ২. ৫ সেকেন্ড চেপে রাখুন ৩. তারপর ছেড়ে দিন ৪. দিনে ৩ বার, প্রতিবার ১৫–২০ বার করুন 👉 ২১ দিনে ফল অনুভব করতে পারবেন 👉 ২–৩ মাসে যোনিপথ শক্ত ও টাইট হয়ে যাবে এটা ডাক্তারদের প্রথম পছন্দ। 💧 ২️⃣ V-Steam / Sitz Bath রক্তসঞ্চালন বাড়ায় গরম পানিতে ১৫–২০ মিনিট বসে থাকা যোনি ও পেলভিক এরিয়া-তে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। ✔ টিস্যু দ্রুত সুস্থ হয় ✔ ভেতরের পেশি পুনরায় শক্তি পায় ✔ ঢিলাভাব কমে যায় পানিতে যোগ করতে পারেন 🔸 লবণ 🔸 নিমপাতা 🔸 একটু তেল 🍎 ৩️⃣ জিঙ্ক + কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার যোনির টিস্যু টাইট হওয়ার জন্য কোলাজেন গুরুত্বপূর্ণ। খাবার যা প্রতিদিন খাবেন ✔ ডিম ✔ দুধ ✔ অ্যাভোকাডো ✔ বাদাম ✔ কলা ✔ চিয়া সিড ✔ মাছ (ওমেগা-৩) এসব খাবার টিস্যুকে শক্ত এবং ইলাস্টিক করে। 🧘‍♀️ ৪️⃣ যোগব্যায়াম Pelvic Floor Yoga নিচের ব্যায়ামগুলো যোনি টাইট করার জন্য দুর্দান্ত ✔ Bridge Pose ✔ Butterfly Pose ✔ Camel Pose ✔ Squat Hold এগুলো সরাসরি পেলভিক মাসলকে শক্তিশালী করে। 🧴 ৫️⃣ যোনির ভেতর কিছু লাগানো থেকে বিরত থাকুন অনেকে ভুল করে ❌ টুথপেস্ট ❌ লেবু ❌ বেকিং সোডা ❌ সরিষার তেল ❌ ভ্যাসলিন ❌ অ্যালোভেরা জেল এগুলো ব্যবহার করেন যা মারাত্মক ইনফেকশন ঘটাতে পারে। যোনি টাইট করার মেডিকেলি প্রমাণিত কোনো মলম নেই। 🩺 ৬️⃣ Episiotomy / Stitches ব্যথা থাকলে ডাক্তারের চেকআপ জরুরি যদি • ব্যথা থেকে যায় • ঢিলাভাব কমছে না • সহবাসে অস্বস্তি হয় তাহলে এটি Pelvic Floor Dysfunction হতে পারে। ডাক্তারের থেরাপি নিলে ১০০% ঠিক হয়ে যায়। ❤️‍🔥 ৭️⃣ যৌনমিলনের আগে সঠিক প্রি-প্লে যোনিকে ইলাস্টিক করে যোনিপথ “টাইট” হতে হলে প্রথমে হতে হয় “রিল্যাক্সড”। যদি উত্তেজনা ও লুব্রিকেশন ঠিক থাকে সহবাসের সময় যোনির পেশি ঠিকভাবে কাজ করে এবং ধীরে ধীরে আগের টাইটনেস ফিরে আসে। 💛 শেষ কথা প্রসবের পর যোনি ঢিলা হওয়া কোনো ত্রুটি নয় এটা প্রাকৃতিক ও সাময়িক পরিবর্তন। ধৈর্য + কেগেল + স্বাস্থ্যকর খাবার + সঠিক কেয়ার = ৯৯% নারী আবার টাইট হয়ে যান। নিজেকে দোষারোপ নয়, নিজেকে সঠিকভাবে কেয়ার দিন। 🔥 এমন আরও হট + স্বাস্থ্যকর + দাম্পত্য পোস্ট পেতে: 👉 Asslamualaikum I'm( DrMm Masum Khan) গাইনোকোলজিস্ট আপনার নাম ও বয়স ও কি সমস্যা আপনি পুরুষ বা মহিলা বিস্তারিত বিবরণ লিখে দিন আর বিস্তারিত তথ্য জন্য অপেক্ষা করুন জানার জন্য আরও তথ্য জানার জন্য যোগাযোগ করুন বা ফোন দিন ফোন ব্যতীত মেসেজ করা হয়না +8801977263085 whatsapp only call ভোর 5টু 11:30 মিনিট পর্যন্ত ধন্যবাদ

ডাক্তাররা কেন গরুর মাংস কম খেতে বলেন! ✅ গরুর মাংসের মূল পুষ্টিগুণ 🔬 প্রোটিন – মাংসপেশী গঠন ও মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ 🔬 আয়রন (Heme Iron) – রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি বাড়ায়, এনিমিয়া প্রতিরোধ করে 🔬 ভিটামিন B12 – স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় সহায়ক 🔬 জিঙ্ক – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় 🔬 ক্রিয়েটিন ও কারনোসিন – শক্তি উৎপাদন ও পেশীর সক্ষমতা উন্নত করে ⚠️ বেশি গরুর মাংস খাওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি 🔻 স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও এলডিএল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি: অতিরিক্ত খেলে হৃদরোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। 🔻 প্রসেসড বা অতিরিক্ত রান্না করা মাংস: উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা বা পোড়া অংশে (স্টেইক) HCA ও PAH নামক ক্ষতিকর রাসায়নিক তৈরি হয়, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। 🔻 ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি: গরুর মাংসে পিউরিন বেশি, অতিরিক্ত খেলে ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে — গাউটের (বাত) ঝুঁকি। 🔻 ওজন বৃদ্ধি: উচ্চ ক্যালোরি + ফ্যাট → অতিরিক্ত খাবার ওজন বাড়াতে সহায়তা করে। ✔️ স্বাস্থ্যসম্মত পরিমাণ 🟢 সপ্তাহে ১–২ বার (প্রতি বেলায় ~৯০–১০০ গ্রাম) নিরাপদ ধরা হয় 🟢 ফ্যাট কম অংশ বেছে নিন (lean cut) 🟢 পোড়া অংশ বাদ দিন 🟢 সাথে সালাদ বা ফাইবার রাখুন

গরীবদের জন্য চার্জ দেয়া থেকে মাফ পাওয়ার একটা বুদ্ধি আপাতত আছে, (সব ব্যাংকে নয়, কিছু ব্যাংকে)- একাউন্টে টাকা না রাখা, কিংবা জুন কিংবা ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে সব টাকা তুলে ফেলা। ইদানিং কিছু ব্যাংক অবশ্য ডিসেম্বরের শুরু থেকেই চার্জ কাটা শুরু করে। সব ব্যাংকে এই সুযোগ নাই, কারণ অনেক ব্যাংকে মিনিমাম ব্যালান্স রিকোয়ারমেন্ট আছে। সব টাকা তোলা যায়না। ৫০০/১,০০০/৫,০০০ টাকা রেখে বাকি টাকা তুলতে দেয়। কিছু পশ ব্যাংকে এই রিকোয়ারমেন্ট লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যায়। সেগুলো অবশ্য বড়লোকদের ব্যাপারস্যাপার। প্রিভিলেজড ব্যাংক একাউন্ট। উনারা বিশেষ সেবা পান। ডেডিকেটেড সুন্দরী রিলেশনশিপ ম্যানেজার, লাউঞ্জ, হেভি খাতির...। আমরা যারা গরীব মানুষ, বড়লোকের কিচ্ছা শুনে তাদের কাজ নেই। জ্বালার কথা হচ্ছে, আপনার একাউন্টে ব্যালান্স না থাকলেও চার্জ কেটে নেয় অনেক ব্যাংক, আপনার একাউন্টের ওয়ার্কিং ব্যালান্স নেগেটিভ করে রাখে। পরবর্তীতে যখনই আপনি টাকা জমা দেবেন, ওই পরিমাণ টাকা স্রেফ হাপিশ হয়ে যাবে। আরো জ্বালার কথা হলো, এখন যেসব ব্যাংকে টাকা না রেখে চার্জ মাফ পাওয়া যাচ্ছে এখন, অদূর ভবিষ্যতে তারাও এই একাউন্ট নেগেটিভ করে রাখার বুদ্ধি অবলম্বন করার প্ল্যান করছে। জ্বালার কথা শুনলেন, সুখের কথাটাও শোনেন একটু- ব্যাংক সেভিংস একাউন্টে যৎকিঞ্চিৎ ইন্টারেস্টও দেয়। সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট জমা হয় বছরে দুইবার- জুনে আর ডিসেম্বরে। বিশ্বাস হচ্ছেনা? ব্যাংক সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট দেয়, সত্যিই দেয়। হারটা নগণ্য বলে আপনাদের অনেকের চোখ এড়িয়ে গেছে হয়তো। বর্তমানে এই হার ২.৫% থেকে ৪%। ভালো কথা, এই ইন্টারেস্ট এমাউন্ট থেকে আবার সোর্স ট্যাক্স কেটে নেয় ব্যাংক। আপনার টিন থাকলে ১০% হারে আর টিন না থাকলে ১৫% হারে সোর্স ট্যাক্স কেটে রাখে। এই টিন কিন্তু ঘরের চালের টিন নয়, TIN (Tax Identification Number)। সম্প্রতি সরকার নিয়ম আরো কঠিন করেছে। শুধু টিন থাকলেই চলবে না, হ্রাসকৃত হারে (১০%) সোর্স ট্যাক্স কাটানোর সুবিধা পেতে হলে আপনাকে ট্যাক্স রিটার্ন প্রদানের প্রমাণ (রিসিপ্ট/সার্টিফিকেট) ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ট্যাক্স জমা দিয়ে থাকলে দ্রুত ব্যাংকে যোগাযোগ করে রিসিপ্ট কিংবা সার্টিফিকেট এর কপি জমা দিন। একবার ১৫% হারে ট্যাক্স কেটে ফেললে সেটা আর ফেরত দেয়না বেশিরভাগ ব্যাংক। তবে, বেশিরভাগ একাউন্টহোল্ডারই এই ইন্টারেস্ট পাননা। কেউ কেউ পান, অঙ্কটা মেলাতে পারেন না। কেনো পাননা? কেনো অঙ্ক মেলেনা? আসুন এই দুই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখি... সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট পেতে হলে শর্ত মোটামুটি দুইটাঃ ১. এক সপ্তাহে দুইটার বেশি চেক কাটা যাবেনা। ২. এক চেকে মোট ব্যালান্সের ২৫% এর বেশি টাকা তোলা যাবেনা। প্রথম শর্তটাকে একটু মডিফাই করে নিয়েছে অনেক ব্যাংক। শুধু চেক কাটা নয়, যেকোনো ভাবে (কার্ড, ইএফটি, এনপিএস, আরটিজিএস, ট্রান্সফার, অনলাইন পেমেন্ট) সপ্তাহে দুইবার টাকা তোলা যাবেনা। দ্বিতীয় শর্তের ক্ষেত্রেও, একটা উইথড্রয়াল (যেকোনো মাধ্যমে) মোট ব্যালান্সের ২৫% এর বেশী হতে পারবেনা। এখন, যদি কোনো এক মাসে আপনি এই দুই শর্তের কোনো একটা ভাঙেন, আপনি সেই মাসের জন্য এক টাকাও ইন্টারেস্ট পাবেন না। শর্তের কথা জানলেন, হিসাবায়ন হয় কেমন করে? ব্যাংক তিনভাবে ইন্টারেস্ট ক্যালকুলেট করে: ১. ডেইলি ব্যালান্সের ওপর ২. এভারেজ মান্থলি ব্যালান্সের ওপর ৩. মিনিমাম মান্থলি ব্যালান্সের ওপর দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, সেভিংস একাউন্টে ইন্টারেস্ট দেবার বেলায় তিন নম্বর পদ্ধতিটাই বেছে নিয়েছে বেশিরভাগ ব্যাংক। কারণ, এই পদ্ধতিতে ব্যাংকের খরচ সর্বনিম্ন। উদাহরণ দিই একটা- মাসের এক তারিখে আপনার একাউন্টে পাঁচশো টাকা ছিলো, দুই তারিখে আপনি এক কোটি টাকা জমা দিলেন, সারা মাস আর টাকা তুললেন না। ব্যাংক কিন্তু ওই মাসের জন্য আপনাকে পাঁচশো টাকার ওপর ২.৫%-৪% হারে ইন্টারেস্ট দিবে। অবশ্য, গ্রাহক আকর্ষণ করতে কিছু ব্যাংক ইদানিং সেভিংস একাউন্টেও আকর্ষণীয় মুনাফা এবং সুবিধাদি দিচ্ছে। আইএফআইসি ব্যাংকে আছে 'আমার একাউন্ট'। মার্কেন্টাইল ব্যাংক সম্প্রতি এরকম একটা নতুন প্রডাক্ট চালু করেছে। এসবিএসি ব্যাংকে আছে 'সুরক্ষা সঞ্চয়ী হিসাব'। এসবিএসি সুরক্ষা সঞ্চয়ী হিসাবে ডেইলি একাউন্ট ব্যালান্স এর উপর আকর্ষণীয় মুনাফা দেয়। পাশাপাশি, এই একাউন্টে বিনামূল্যে 'লাইফ ইন্স্যুরেন্স' সুবিধা আছে। একাউন্টধারীর নরমাল ডেথ হলে তার পরিবার এই সুবিধার আওতায় ৫০,০০০ টাকা পাবে। আল্লাহ না করুন, একাউন্টধারীর যদি একসিডেন্টাল ডেথ হয়, তার পরিবার পাবে ৫০০,০০০ টাকা। শেষে একটা কথা বলি- আমি যদি কোনো ব্যাংকের এমডি হই, সেই ব্যাংকে কোনো একাউন্ট মেইনটেন্যান্স চার্জ থাকবে না, থাকবেনা এসএমএস এলার্ট চার্জ। এখন, আপনারা যদি আমাকে এমডি হবার জন্য জোরাজুরি করেন, আমি কিন্তু বেশি একটা আপত্তি করতে পারবো না। বলে রাখলুম😁। 'এসবিএসি সুরক্ষা সঞ্চয়ী হিসাব' খুলবেন নাকি একটা?

বছর ঘুরে আবার এলো ডিসেম্বর মাস। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ব্যাংকের গ্রাহকদের আহাজারি শোনা যায় বাতাসে কান পাতলেই- অমুক ব্যাংক আমার সব টাকা কেটে নিছে!👹 অমুক ব্যাংক ডাকাত!😡 অমুক ব্যাংকের গলাকাটা চার্জ!👺 শালার ব্যাংকে আর টাকাই রাখবো না!😈 ব্যাংক কি আসলেই অনেক বেশি চার্জ কাটে?🤔 ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে চার্জ কাটে শিডিউল অব চার্জ মেনে। সব ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সেই ব্যাংকের শিডিউল অব চার্জ দেয়া আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটেও সব ব্যাংকের শিডিউল অব চার্জ আপডেট করা থাকে। আপনি সহজেই খুঁজে নিতে পারেন। Schedule of Charge of 'X' Bank লিখে সার্চ দেন...। বেশিরভাগ গ্রাহক যেহেতু ব্যাংকে সেভিংস একাউন্ট মেইনটেইন করেন, সেভিংস একাউন্টের চার্জের কথাই বলি: ব্যাংক সেভিংস একাউন্টে বছরে দুইবার 'একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স' চার্জ কাটে। একবার জুনে, একবার ডিসেম্বরে। একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ কতো হবে- সেটা নির্ভর করে আপনার একাউন্টের গড় ব্যালান্স এর ওপর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মোতাবেক, আপনার একাউন্টে গড় ব্যালান্স যদি ৫,০০০ টাকার কম হয় আপনাকে কোনো একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ দিতে হবে না। আবার গড় ব্যালান্স ২৫,০০০ টাকার কম হলে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে ১০০ টাকার বেশি একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ আদায় করতে পারবে না। একাউন্টের গড় ব্যালান্স ২৫,০০০ টাকার বেশি হলে ব্যাংক তার শিডিউল অব চার্জ মোতাবেক একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ আদায় করবে। এই চার্জের সাথে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য। গড় ব্যালান্স যতো বাড়বে, একাউন্ট মেইনটেন্যান্স চার্জ এর মিটার কিন্তু ততোই চড়তে থাকবে। একাউন্ট মেইনটেইন্যান্স চার্জ এর পাশাপাশি এখন বেশিরভাগ ব্যাংক বছরে দুইবার 'এসএমএস এলার্ট ফি' আদায় করে। এই ফি কোনো ব্যাংকে ১০০ টাকা, কোনো ব্যাংকে ২০০ টাকা। এটার সাথেও ১৫% ভ্যাট আছে, ১০০ মানে ১১৫ আর ২০০ মানে ২৩০। আপনি যদি একাউন্টের বিপরীতে ডেবিট কার্ড নেন, তাহলে আপনাকে ডেবিট কার্ড এর মেইনটেইন্যান্স ফিও দিতে হবে। বেশিরভাগ ব্যাংক বছরে দুইবার এই চার্জ নেয়। ২০০ টাকা থেকে শুরু হয় ডেবিট কার্ড এর অর্ধবার্ষিক চার্জ। এর সাথে ১৫% ভ্যাট। বেশিরভাগ ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং কিংবা এপ ব্যাংকিং অবশ্য চার্জমুক্ত। আরেকটা চার্জ কাটে ব্যাংক- আবগারি শুল্ক। এটা অবশ্য সারা বছরে একবারই কাটে, ডিসেম্বরে। ডিসেম্বরের আগে যদি আপনি একাউন্ট বন্ধ করে দেন, একাউন্ট বন্ধ করার সময় আবগারি শুল্ক কাটা হবে। আবগারি শুল্কের টাকা কিন্তু ব্যাংক পায়না, এটা সরকারের চার্জ। গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করে ব্যাংক এই টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেয়। আবগারি শুল্ক নির্ধারিত হয় আপনার একাউন্টে বছরের যেকোনো পয়েন্ট অব টাইমে হাইয়েস্ট ব্যালান্স এর ওপর। এক সেকেন্ডের জন্যও যদি আপনার একাউন্টে স্ল্যাবের মধ্যে এমাউন্ট জমা হয়, তাহলে আপনাকে নির্ধারিত হারে আবগারি শুল্ক দিতে হবে। আবগারি শুল্কের স্ল্যাব এরকম- সর্বোচ্চ ব্যালান্স তিন লাখ টাকা পর্যন্ত - শুন্য, কোনো আবগারি শুল্ক নেই। (এই অঙ্ক আগের বাজেট পর্যন্ত ১ লাখ ছিলো। এ বছর সরকার দয়াপরবশ হয়ে এ বছরের বাজেটে এই এমাউন্ট বাড়িয়ে তিন লাখ করেছে। ইন্টেরিম সরকার এর জন্য একটা ধন্যবাদ পেতে পারেন।) সর্বোচ্চ ব্যালান্স তিন লাখ এক টাকা থেকে পাঁচ লাখ পর্যন্ত - ১৫০ টাকা। সর্বোচ্চ ব্যালান্স পাঁচ লাখ এক টাকা থেকে ১০ লাখ পর্যন্ত- ৫০০ টাকা। সর্বোচ্চ ব্যালান্স দশ লাখ এক টাকা থেকে পঞ্চাশ লাখ পর্যন্ত- ৩,০০০ টাকা! সর্বোচ্চ ব্যালান্স পঞ্চাশ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি পর্যন্ত- ৫,০০০ টাকা!! সর্বোচ্চ ব্যালান্স এক কোটি এক টাকা থেকে দুই কোটি পর্যন্ত- ১০,০০০ টাকা। সর্বোচ্চ ব্যালান্স দুই কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি পর্যন্ত- ২০,০০০ টাকা। সর্বোচ্চ ব্যালান্স পাঁচ কোটির উপরে- ৫০,০০০ টাকা। আবগারি শুল্কের আরেক নাম 'পাপ কর'। ধনী হওয়া একটা বড়সড় পাপ। এই পাপের খেসারত দেবেন অধিক হারে আবগারি শুল্ক দিয়ে। আপনার একাউন্টে কেউ একজন ১০ লাখ টাকা পাঠিয়েছে, সেই টাকা উইথড্র করে আপনি তার মনোনীত মানুষকে দিয়ে দিয়েছেন ঘন্টাখানেকের মধ্যেই। ব্যস! আপনি পড়ে গেলেন ৩,০০০ টাকা আবগারি শুল্কের জরিমানার মধ্যে 🙄। আপনি একটা পারসোনাল লোন নিয়েছেন দশ লাখ টাকার। আপনার লোন একাউন্ট ডেবিট করে সেই টাকা আপনার সেভিংস একাউন্টে ক্রেডিট হয়েছে। এইবার আপনার জরিমানা ৬,০০০ টাকা, দুই একাউন্টে ৩,০০০ টাকা করে!🫣 আগে আবগারি শুল্ক শুধু ডিপোজিট একাউন্টে চার্জ হতো। শেখ হাসিনার উন্নয়নের সরকারের উন্নয়ন খরচ মেটাতে লোন একাউন্টেও আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়। সাল তারিখ খুব ভালো মনে নেই আমার, যতোদূর সম্ভব ২০১৮ সালের বাজেটে এই চার্জ আরোপ করা হয়। চার্জ কি দিতেই হবে? মাফ পাওয়ার কোনো উপায় আছে?

photo content

ঢাকায় এসেছেন কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে। ফিরতে হবে দুই-একদিনের মধ্যে; কিন্তু ‌থাকার জায়গা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন? আপনি যদি আইওএমের ত্বলিব হন তবে আছে, 'মুসাফির খানা'–তে থাকার সুযোগ! এখানে বিনামূল্যে (সর্বোচ্চ ৩ দিন) অবস্থান করার ব্যবস্থা রয়েছে। কয়েকদিনের কাজের উসিলায় (যেমন: চিকিৎসা, চাকরির ভাইভা ইত্যাদি) ঢাকায় আসা উম্মাহর মুসাফির ভাইদের একটু স্বস্তি দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। 🟩 মুসাফির খানা সংক্রান্ত জ্ঞাতব্য বিষয়াবলি- 🗺 লোকেশন: আমাদের মুসাফির খানাটির ব্যবস্থা করা হয়েছে ঢাকার শেওড়াপাড়াতে, যেখান থেকে মেট্রোরেলের মাধ্যমে উত্তরা থেকে মতিঝিল যেকোনো জায়গায় মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিটে যাওয়া সম্ভব। 🟩 মুসাফির খানাটির ব্যবস্থা মূলত একটি মক্তব এর একটি রুমে। একটি রুম থাকবে যেখানে একাধিক জনের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। (উল্লেখ্য, এটি কোনো হোটেল রুম নয়)। ⏰ অফিস আওয়ারের মধ্যে আসতে হবে, যেহেতু রুমের চাবি অফিস থেকে নিতে হবে। (সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টার মধ্যে) ☎️ সরাসরি কল করে যোগাযোগ করার জন্য: +8801554-680206 ✅ প্রস্থানের সময় পূর্বেই অবগত করতে হবে। 📕 আইওএম এর আলিম কোর্সের রেগুলার/ফারেগ ত্বলিব হতে হবে অথবা সিংগেল কোর্স সম্পন্নকারী হতে হবে। এছাড়াও কোনো ত্বলিবা বোনের স্বামী অথবা বাবাও এই সেবা নিতে পারবেন। 🪪 অবস্থান কালীন সময়ে ব্যক্তির মূল এনআইডি কার্ড অথবা যে কোনো একটি মূল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে রাখতে হবে। চাবি ফেরত দেওয়ার পর মূল ডকুমেন্ট ফেরত দেওয়া হবে। 🏠 অবস্থানকালীন সময়ে নিজের খানার ব্যবস্থা নিজ দায়িত্বে আঞ্জাম দিতে হবে। ✅ সুন্নাতি দাড়ি থাকতে হবে। ✅ অধূমপায়ী হতে হবে। ✅ ৩ দিনের অধিক দিন কারো থাকার প্রয়োজন হলে, অতিরিক্ত দিনগুলোর জন্য দিন প্রতি ৫০০ টাকা করে প্রদান করতে হবে। 📑 উল্লিখিত বিষয়াবলির সাথে সম্মত হলে মুসাফির খানার সুবিধা গ্রহণ করার জন্য নিম্নোক্ত ফর্মটি পূরণ করতে পারেন। (ফর্ম লিংক কমেন্টে) ➡️ শেয়ার এবং মেনশন এর দ্বারা তথ্যটি জানিয়ে দিতে পারেন নিজের সহপাঠীদেরকে।

"যে বিষয় আমি জেনেছি তা যদি আমল করি, তবেই আমি মানুষের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী। আর যদি প্রাপ্ত জ্ঞান অনুযায়ী আমল না করি, তবে দুনিয়ার বুকে আমার চেয়ে অজ্ঞ আর কেউ নেই।" —হযরত সুফিয়ান সাওরী (রহ.) Admin : SHAHAB UDDIN

একদিন জালালউদ্দিন রুমি একটি বনের পথ ধরে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি একটি বিশাল, কৃষ্ণবর্ণ তিতির পাখি ধরে ফেললেন। রুমি মনে মনে ভাবছিলেন, আজকের আহার হিসেবে পাখিটিকে ঝলসানো হবে, নাকি সুস্বাদু তরকারি রান্না করা হবে! ঠিক সেই মুহূর্তে পাখিটি মানবীয় কণ্ঠে বলে উঠল - ‘হে রুমি! আপনি এই জীবনে এত গোশত আহার করেছেন, তবুও আপনার আমিষের আকুতি কেন শেষ হয় না? আপনি যদি আমাকে মুক্ত করে দেন, তবে আমি আপনাকে তিনটি অমূল্য উপদেশ দেব, যা আপনার জীবনকে শান্তি ও সন্তোষে ভরে দেবে।’ রুমি কিছুটা বিচলিত হলেন, কিন্তু প্রজ্ঞার লোভে রাজি হলেন। তিনি বললেন, ‘বেশ, তবে আমার হাতের মুঠোর মধ্যেই প্রথম উপদেশটি দাও। যদি পছন্দ না হয়, তবে এই মুহূর্তেই তোমাকে হত্যা করব।’ পাখিটি সম্মতি জানিয়ে বলল: প্রথম উপদেশ: "আপনি সবসময় আপনার বন্ধুদের উদ্ভট বা অর্থহীন আলোচনায় খুব বিচলিত হয়ে পড়েন। এর চেয়ে তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দিন। তাতে আপনার জীবন আরও শ্রেয়তর হবে, এবং আপনি শান্তিতে থাকবেন।" রুমি কিছুক্ষণ চিন্তা করে দেখলেন, পাখিটির কথায় গভীর প্রজ্ঞা আছে। তিনি দ্বিতীয় উপদেশের জন্য অনুরোধ করলেন। পাখি এবার বলল, ‘আমাকে মুক্ত করে দিলে আমি ওই কাছের গাছের ডালে বসে দ্বিতীয় উপদেশটি দেব।’ রুমি তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পাখিটিকে মুক্ত করে দিলেন। পাখিটি উড়ে গিয়ে কাছেই একটি গাছের ডালে বসল। দ্বিতীয় উপদেশ দেওয়ার আগে পাখিটি বলল, ‘রুমি! তুমি এক বিরাট বোকামি করেছ! আমার পেটের ভেতরে তিন কেজি ওজনের মহামূল্যবান হীরা ছিল। তুমি এটা পেলে তোমার সাত পুরুষ বসে খেতে পারতো!’ এই কথা শুনে রুমি সাংঘাতিকভাবে ঘাবড়ে গেলেন। তিনি ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে পাখিটিকে আবার ধরার জন্য তার দিকে ছুটতে শুরু করলেন। তখন পাখিটি জোরে জোরে হেসে উঠল এবং চিৎকার করে বলল: ‘রুমি, তুমি তো দেখছি আমার প্রথম উপদেশটি একেবারেই শোননি! আমার নিজের ওজন যেখানে মাত্র দুই কেজির বেশি নয়, সেখানে আমার পেটে তিন কেজি হীরা থাকবে কী করে? তুমি এখনো উদ্ভট আর বোধহীন কথায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছো! দ্বিতীয় উপদেশ: "অতীতকে কখনো পাল্টানো যায় না, আর আমি এখন তোমার অতীত। তুমি যা হারিয়েছো, তার জন্য আফসোস না করে বর্তমান মুহূর্তটিকে উপভোগ করো এবং ভবিষ্যতের জন্য বাঁচো।" পুরোপুরি স্তম্ভিত হয়ে রুমি তখন লজ্জিত কণ্ঠে তৃতীয় উপদেশের জন্য অনুরোধ করলেন। তিতির পাখিটি শেষ উপদেশটি দিল: তৃতীয় উপদেশ: "সবাইকে উপদেশ দিতে যেও না। শুধু তাদের উপদেশ দাও, যারা তা শুনবে এবং মনে রাখবে। মনে রেখো, কিছু কাপড় এত জীর্ণ হয়ে যায় যে, তা আর কখনো সেলাই করা যায় না - অর্থাৎ কিছু মানুষ উপদেশ পাওয়ার যোগ্যই নয়।"

photo content

Dr Israr Ahmed 💯🖤 #IslamicStatus #IslamicShorts #DrIsrarAhmed #IslamicRe... https://youtube.com/shorts/UrOXjKq0jjc?si=MiS1wPUeLQa5I-C4