1 961
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-37 روز
-930 روز
آرشیو پست ها
1 961
🎓 বড় হও, শুধু ক্লাস পাস করে নয়—নিজেকে গড়ার সাহস দিয়ে!
তোমার ডিগ্রির নাম হতে পারে BBA, CSE, LAW বা ENG—কিন্তু ভবিষ্যতে তোমার পরিচয় হবে তুমি কে আর কী করতে পারো সেটা দিয়ে।
🎯 তোমাকে কেউ জিজ্ঞেস করবে না, তুমি কয়টা এমসিকিউ ঠিক করেছো।
তারা জানতে চাইবে—তুমি সমস্যার সমাধান করতে পারো কি না, মানুষকে বোঝো কি না, সিদ্ধান্ত নিতে পারো কি না।
তাই বলছি,
শুধু পাস করলেই ভবিষ্যৎ তৈরি হয় না।
ভবিষ্যৎ তৈরি হয়, যখন তুমি নিজেকে গড়তে শুরু করো—স্কিল, দৃষ্টিভঙ্গি আর আত্মবিশ্বাস দিয়ে।
✅ এখন থেকে যেটা করা দরকার:
🔹 রোজ অন্তত ২ ঘণ্টা নিজের উন্নয়নে দাও—পড়াশোনা, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, থিংকিং টাইম।
🔹 শেখো কীভাবে শেখা যায়—ইউটিউবে ভালো লেকচার দেখো, TED Talks শুনো, ভালো বই পড়ো।
🔹 নিজের একটা সাবজেক্টে এক্সপার্টিজ গড়ো—চাকরি খোঁজার আগে নিজেকে এমন একটা কাজের উপযুক্ত করে তোলো, যেখানে তোমাকেই খোঁজে।
🔹 ক্লাব-এক্টিভিটিতে যুক্ত হও। একটার সঙ্গে নিজেকে ভালোভাবে জড়াও। সেখানে শিখবে টিমওয়ার্ক, লিডারশিপ, কমিউনিকেশন—যেগুলো রেজাল্টের থেকেও বেশি কাজে লাগে।
🔹 সিনিয়রদের সাথে কানেকশন করো। অ্যালামনাইদের খুঁজে বের করো—যারা তোমার সাবজেক্টে এখন ক্যারিয়ারে সফল। তাদের অভিজ্ঞতা তোমার সময় বাঁচাবে।
🔹 নিজের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে একটা সামাজিক সমস্যা নিয়ে ভাবো। তোমার শিক্ষাই যদি সমাজের কাজে না আসে, তবে তুমি এখনো শেখনি।
📢 মনে রাখো:
চার বছর পরে ডিগ্রি নয়, তোমার ভিতর তৈরি হওয়া মানুষটাই তোমার ভবিষ্যৎ গড়বে।
তাই আজ থেকেই শুরু করো—শুধু ডিগ্রির জন্য নয়, নিজেকে গড়ার জন্য!
পরবর্তী পোস্ট:
৫ জুনে আসছে—"তুমি কীভাবে 'স্মার্ট পড়ুয়া' হতে পারো?"
কম সময়ে, কম কষ্টে—বেশি শেখার কৌশল!
মিস কোরো না!
এবার শুরু করো ঠিকভাবে।
#StudySmart #UniversityLife #CareerMindset #LifeSkills #বাংলাদেশের_তরুণ #ProfessorArif
1 961
ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন —
‘জ্ঞানী লোক নিজের স্ত্রী, বোন ইত্যাদি (মাহরাম) নারীর চেহারা পরপুরুষকে দেখানোর প্রতি নিজের জন্য কঠোর করে নেয়।’
[ফাতহুল বারী, ১২/২৪৫]
1 961
একটা Easy Rule Follow করলেই জীবনের অর্ধেক ঝামেলা কমে যায়, সেটা হচ্ছে "Always keep your private life private."
দেখেন ভাই, দুনিয়ায় আসছেন যতদিন বেঁচে থাকবেন সুখ-দুঃখ , ঝামেলা-আনন্দ এসব থাকবেই। কিন্তু, যখন-ই আপনি আপনার ব্যক্তিগত জীবনের সব-কিছু হাজার হাজার, লাখ লাখ মানুষের কাছে প্রকাশ ও প্রচার করে বেড়াবেন তখন সেখানে একেকজনের একেকভাবে নজর লাগাটা একদকম-ই স্বাভাবিক! যদি ব্যক্তিগত জীবন পাবলিকলি প্রকাশ করাই লজিক্যাল হতো, তবে জ্ঞানী-গুনি রথী মহারথীগন তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কাহিনী আড়ালে রাখতোনা!!
সবকিছু গোপনীয় রাখার সুবিধা হচ্ছে, তকদিরে যদি আপনার মন্দ কিছু-ও থাকে, তবে সেটা গুটিকয়েকজন-ই জানবে। সেটার প্রভাব এই গুটিকয়েকজনের মাঝেই পড়বে এবং ভবিষ্যতে ওই ঘটে যাওয়া ঝামেলা নিয়ে দ্বিতীয়বার ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা কম! যে-কেও এসে সেই ঝামেলা নিয়ে কথা শোনাবেনা আপনাকে!
কিন্তু চিন্তা করেন, এই যে কয়েকদিন পর-পরই কাপল ভ্লগার বা ওমুক তমুকের সংসার ভাঙার পর ফেসবুকে সালিশ বসে, এতে লাখ লাখ মানুষ বিচারক হয়ে যায়! জীবনে যেসব মানুষ, আপনাকে নিয়ে একটা টু-শব্দও করার সাহস পেতোনা, সেও ফেসবুকে এসে সমালোচনা বা হাজারটা বাজে মন্তব্য করে বসে!
আর কোনো ব্যক্তিত্ববান ব্যক্তি-ই চাইবেনা, তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তৃতীয় কোনো পাবলিক মন্তব্য করুক!!
দুইটা পথ আপনার সামনে ,
হয় ব্যক্তিগত জীবন ব্যক্তিগত রাখুন! নতুবা মনিটাইজেশনের কিছু টাকা কামানোর জন্য কাপল ভ্লগ, ফ্যামিলি ভ্লগ আর নিজের লাইফটা পাবলিক করে, ফিউচার লাইফটা জাহান্নাম বানান!
@Abdullah Al Imran
1 961
ফ্রি ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা
আপনার জ্বীন জাদু কেন্দ্রিক কোন সমস্যা আছে কিনা তা যাচাই করতে
আমাদের ফ্রী ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ সেশনে অংশগ্রহণ করতে পারেন
আজ ২-৬-২৫ সোমবার রাত
৭ঃ৩০ মিনিটে আমাদের টেলিগ্রাম পাবলিক চ্যানেলে অডিও লাইভে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহ
চ্যানেল লিংক
https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll
Raqi Abdullah Al-Mamunফ্রি ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা
আপনার জ্বীন জাদু কেন্দ্রিক কোন সমস্যা আছে কিনা তা যাচাই করতে
আমাদের ফ্রী ডায়াগনোসিস রুক্বইয়্যাহ সেশনে অংশগ্রহণ করতে পারেন
আজ ২-৬-২৫ সোমবার রাত
৭ঃ৩০ মিনিটে আমাদের টেলিগ্রাম পাবলিক চ্যানেলে অডিও লাইভে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহ
চ্যানেল লিংক
https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll
Raqi Abdullah Al-Mamun
1 961
আপনি এখন যে পরিস্থিতি তে আছেন, ভাল হোক আর খারাপ;আল্লাহর শোকর আদায় করুন।
.
মনে রাখবেন যা হয়েছে তা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়েছে,
হয় তো আপনার ভুলের সাজা বা ঈমানের পরীক্ষা।আল্লাহ আপনাকে সবর দিবেন ও গুনাহ মুক্ত করবেন।
.
আপনার শুধু দরকার উনার উপর তাওয়াক্কুল করা আর সবর করা।
.
যা হচ্ছে আপনার জন্য উত্তম হচ্ছে। সামনে যা হবে আরো উত্তম হবে,কারণ আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী,
শুধু সময়ের ব্যাপার।
.
লিখেছেন: যাইনাব আল-গাযী
.
#Hikmah
1 961
ফিলোসোফি পড়ে শেখা ৩টা শিক্ষা-
১/ নিজেকে জানো (Know Thyself)
সক্রেটিস বলেছিলেন, জীবনের প্রকৃত উপলব্ধি শুরু হয় নিজেকে জানার মধ্য দিয়ে। আমি কে? আমি কী চাই? কী আমাকে নাড়া দেয়, আর কী ভেতর থেকে শক্তি দেয়, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার মধ্যেই জীবনের সত্যিকার মানে লুকিয়ে আছে।
২/ কোনো কিছুই স্থায়ী নয় (Everything is Impermanent)
সবকিছু বদলায়। সময়, অনুভূতি, মানুষ, সম্পর্ক, কোনো কিছুই একই রকম থাকে না।
গ্রিক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন,
“তুমি একই নদীতে দুইবার নামতে পারবে না।
কারণ ততক্ষণে নদীর পানি বদলে গেছে,
আর বদলে গেছো তুমিও।”
সুখ, দুঃখ, যশ, ব্যর্থতা - সবই সাময়িক। আর এটাই জীবনের অনিশ্চয়তাকে সহজে গ্রহণ করতে শেখায়।
৩/ যা নিয়ন্ত্রণে নেই, সেটা নিয়ে ভেবো না।
জীবনের অনেক কিছুই আমাদের হাতের বাইরে।
যেমন: আবহাওয়া, অন্য মানুষের আচরণ, ভবিষ্যৎ, ভাগ্য।
কিন্তু কিছু জিনিস আমাদের নিয়ন্ত্রণেই থাকে,
আমাদের চিন্তা, মনোভাব, প্রতিক্রিয়া, সিদ্ধান্ত।
স্টয়িক দার্শনিকরা বলেন:
“যা তুমি বদলাতে পারো না, সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করো না। বরং যেটা তুমি বদলাতে পারো, সেটার জন্য দায়িত্ব নাও।”
1 961
কয়েকটি লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন আপনার ওপর যাদু করা হয়েছে কি-না।
এই সময়ে অনেক মানুষকে ব্ল্যাকম্যাজিক/কালো যাদু করা হচ্ছে। যদি কেউ সফল হয়ে যায় বা সুখে থাকে, তাহলে তার ওপর অনেকের বদনজর লাগে। কেউ কেউ আগ বাড়িয়ে তার সফলতা এবং সুখ শান্তি নষ্ট করার জন্য কালো যাদু করে। এটা যেমন শত্রুরা করে, তেমনি খুব কাছের আত্মীয়রাও করে।
আপনার ওপর কালো যাদু করা হয়েছে কি-না সেটা কয়েকটি লক্ষণ দেখে বুঝতে পারবেন।
🔴 বারবার দুঃস্বপ্ন দেখা, স্বপ্নের মধ্যে সাপ, ভয়ংকর জন্তু দেখা। কিংবা বারবার স্বপ্নে দেখবেন আপনি উঁচু পাহাড়/ বিল্ডিং থেকে পড়ে যাচ্ছেন।
🔴 বারবার দুর্ঘটনা ঘটা। হাত থেকে বারবার কিছু পড়ে যায়। প্লেট-গ্লাস পড়ে ভেঙ্গে যাচ্ছে, প্রতিদিন হোঁচট খাচ্ছেন, ওয়াশরুমে গিয়ে পড়ে যাচ্ছেন ইত্যাদি।
🔴 স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। আগে সবকিছু মনে রাখতে পারতেন। হঠাৎ করে কেমন যেন সব ভুলে যাচ্ছেন। রান্না করলে লবণ দিতে ভুলে যাচ্ছেন নিয়মিত, বাইরে বের হলে চাবি-টাকা নিতে ভুলে যাচ্ছেন ইত্যাদি।
🔴 শারীরিক সম্পর্কে অনীহা তৈরি হয়েছে। আগে স্বামী-স্ত্রী শারীরিক সম্পর্ক উপভোগ করলেও এখন একেবারে মন চায় না। উল্টো এই প্রসঙ্গ আসলে রাগ উঠে।
🔴 অনিয়মিত ঘুম হয়। রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। অথবা এতো বেশি ঘুম হয় যে, উঠতেই ইচ্ছে করে না।
🔴 দীর্ঘদিন ধরে মাথা ব্যাথা, পেট ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা হচ্ছে। ওষুধ খাওয়া সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না।
🔴 খাইতে মন চায় না। দুর্গন্ধ লাগে। অথবা এতো বেশি খাওয়ার রুচি তৈরি হয়েছে, আগে কখনো এমন খেতে পারতেন না।
🔴 আপনি হঠাৎ করে রেগে যাচ্ছেন। মাঝেমধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই আপনার এতো মন খারাপ থাকে, কান্না করতে ইচ্ছে করে। কখনো গালাগালি করতেন না, এখন কথায় কথায় গালি আসে, মেজাজ অধিকাংশ সময় খারাপ থাকে।
🔴 আযান শুনতে ইচ্ছে করে না কানের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে রাখেন। কুরআন তেলাওয়াত সহ্য করতে পারেন না।
🔴 অনিয়মিত মাসিক হচ্ছে। কখনো চল্লিশ, পঁয়তাল্লিশ দিন পরপর হচ্ছে, কখনো আবার পনেরো দিন পরপর হচ্ছে।
🔴 কারো প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা তৈরি হয়েছে বা কারো প্রতি অসম্ভব ঘৃণা। অথচ এগুলোর পেছনে কোনো কারণ নেই।
🔴 বারবার গর্ভপাত হচ্ছে। ডাক্তার দেখানোর পর দেখা যায় সব রিপোর্ট ঠিক আছে। কিন্তু, বেবী কনসেভ হচ্ছে না অথবা গর্ভের সন্তান মারা যায়।
🔴 সবসসময় মনে হয় দুর্গন্ধ পাচ্ছেন। বা হঠাৎ মনে হয় নাকে দুর্গন্ধ লাগছে, কিন্তু আশেপাশের সবাই বলছে তাদের এমনটা হচ্ছে না।
🔴 হঠাৎ করে আপনি অস্বাভাবিক কাজ করা শুরু করেছেন। আগে আপনি হিসেব করে চলতেন, এবার কোনো কারণ ছাড়াই আপনি বেহিসেবী হয়ে উঠলেন। আগে ভিক্ষুক চাইলে ১০ টাকা দিতেন না। এখন ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা দেয়া শুরু করছেন। আগে দামাদামি করতেন, হঠাৎ করে দেখা গেলো বিক্রেতা যা বলছে, কিছু না বলে সেই দামেই কিনে ফেলছেন।
(অর্থাৎ খামখেয়ালি চলাফেরা শুরু করছে না)
🟩 এই লক্ষণগুলো এক বা একাধিক যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে সেটা যাদুর প্রভাব হতে পারে। কোনো রোগের জন্য যেমন টেস্ট করাতে হয়, তেমনি এমনটা আপনার মধ্যে দেখা গেলে সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞ রাক্বীর পরামর্শ নিতে হবে।
⚠️ তবে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, এই লক্ষণ মিলে যাওয়া মানেই আপনাকে যাদু করা হয়নি। এগুলোর পেছনে স্বাভাবিক কারণও থাকতে পারে।
❌ জিন, যাদু, বদনজর এমন এক রোগ, যে রোগের চিকিৎসা ডাক্তাররা দিতে পারে না। এ ধরনের সমস্যা নিয়ে ডাক্তারদের কাছে গেলে , তারা রোগ খুঁজে না পেয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মানসিক সমস্যার রোগী মনে করে সেই অনুযায়ী ওষুধ দেয় এবং অনেক ঘুমের ওষুধ দিয়ে থাকে যা, ব্যক্তির জন্য পরবর্তীতে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
✅ আপনার যেন এমনটা না হয়, সেজন্য বেশ কিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থা আছে, অনেক আমল আছে। সেগুলো নিয়মিত করলে আশা করা যায় আপনার ওপর জিন, যাদুর প্রভাব পড়বে না; আর পড়লেও সেটা আপনাকে খুব বেশি ক্ষতি করতে পারবে না, ইন শা আল্লাহ।
🟥 জিন, যাদু, বদনজরে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি সফল, সুখী হন বা আপনার সম্ভাবনা থাকে।
🔴 অনেকের জীবনে বড় বড় ক্ষতি এসেছে এসবের ফলে।
এগুলো থেকে রক্ষা পেতে হলে জিন, যাদু, বদনজরের বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে হবে।
📍 ⚠️জরুরী বার্তা:
মেসেনজারে বা হোয়াটসঅ্যাপে সুধু সালাম দিয়ে বসে থাকবেন না। নিজের সমস্যার মূল পয়েন্ট গুলো মেসেজে অথবা ভয়েজ করে বলবেন। প্রয়োজন ছাড়া অযথা কোন কথা/প্রশ্ন করবেন না। এতে আপনার সময় নষ্ট আমারও সময় নষ্ট হয়।
➡️ as-shifa Rukiya centre
সচেতনতামূলক গুরুত্বপূর্ণ সব পোস্ট পেতে
আমাদের পাশে থাকুন।
এমন টেলিগ্রাম চ্যানেল
https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll
আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ
Follow the As-shifa Rukiya Centre channel on WhatsApp: https://whatsapp.com/channel/0029Vah8rHrI1rcgrKlJPn1n
রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে ইনবক্স করুন
Raqi Abdullah Al-Mamun
01969-242731
1 961
কাউকে মানসিক কষ্ট দিচ্ছেন?
খুব যত্ন করে দিন, যাতে কেউ টের না পায়!
তবে নিজেকেও একটু তৈরী রাখবেন ভবিষ্যতের জন্য।
যে কষ্টগুলো আপনি দিচ্ছেন, দুনিয়াতেই তার পুরোটা না হলেও মিনিমাম এক তৃতীয়াংশ ভোগ করে যেতে হবে যে!
গোলাকার এই পৃথিবীতে আপনার দেওয়া কষ্টগুলো ঘুরেফিরে কিন্তু আপনার কাছেই ফেরত আসবে একদিন না একদিন। আপনি অনুশোচনা আর আত্মগ্লানিতে ভুগতে ভুগতে একটা সময় শেষ করে দেবেন নিজেকে, হয়তোবা আপনার সো কল্ড ইগোর জন্য ওই মানুষটার কাছে মাফও চাইতে পারবেন না!
সবারই মনে রাখা উচিত, মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ জিনিস — সামনে এগোতে গেলে শিকলের মত পা জড়িয়ে টেনে ধরে। কেউ অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে, ইংরেজিতে যাকে "Revenge of Nature" বলে। মানুষ ভুলে গেলেও প্রকৃতি কিছুই ভুলে না! সময়ের ব্যবধান মাত্র!!
কেউ নিজে দোষ করে উল্টা আপনাকে অপবাদ দিয়েছে, নিজের দুর্বলতা প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে আপনার অর্জনকে ছোট দেখাল, আপনার শ্রম-সফলতার স্বীকৃতি দিল না, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ন্যায্য হিস্যা থেকে আপনাকে বঞ্চিত করেছে, কথার বাণে আপনাকে করেছে ক্ষত-বিক্ষত! করুক না!! জরুরি না যে সবকিছুর উত্তর আপনাকে এখনই দিতে হবে! কিছু উত্তর সময়ের উপর ছেড়ে দেন না! দেখেনই না কি হয়?
সবসময় আমরা বুঝে উঠতে পারি না, ঠিক কোন অপরাধের শাস্তি আমরা পাচ্ছি৷ কাউকে কষ্ট দিয়ে, অপমান করে, কাঁদিয়ে, কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা, কিন্তু প্রকৃতি ভোলে না, প্রকৃতি ক্ষমা করে না!
এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় করে নিজেকে জয়ী ভেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সে হয়তো প্রতিবাদ করবে না, কিন্তু তার নীরবতা, কষ্ট থেকে আসা দীর্ঘশ্বাস আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নিবে। কারণ মহান সৃষ্টিকর্তা কাউকে ঠকান না। তিনি কারোর একার না। তিনি সবার।
সংগৃহীত
1 961
ইবন হজর আল-হায়তমি ( رحمه الله ) বলেছেন:
*“একজন নারী যদি ঘর থেকে সাজসজ্জা ও সুগন্ধি মেখে বের হয়, তাহলে তা কবিরা গুনাহ (মহাপাপ) — এমনকি যদি সে তা স্বামীর অনুমতি নিয়েও করে।”*
● [الزواجر لابن حجر الهيثمي ٣٧/٢]
1 961
সম্প্রতি আমি Starlink Standard কিট ও Standard Wall Mount কিনেছি। অনেকে জানতে চেয়েছেন—Starlink আসলে কী, কেমন কাজ করে, দাম কেমন, সেটআপ কেমন, গ্রামে বা শহরে ঠিকভাবে চলবে কিনা—এসব। আমি নিজে ব্যবহার করে যা জানলাম, সাথে আপনাদের প্রশ্নের উত্তরগুলো দিচ্ছি। টেকি বা নন-টেকি, বড়-ছোট—সবাই যাতে বুঝতে পারেন, তাই সহজ ভাষায় লিখলাম।।
#Starlink কী?
Starlink হলো স্পেসএক্স (Elon Musk-এর কোম্পানি) এর বানানো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সার্ভিস। সাধারণ ইন্টারনেট যেটা আমরা বাসায় ব্যবহার করি, সেটা আসে তার বা ফাইবার দিয়ে—রাস্তা, দেয়াল, অনেক জায়গা দিয়ে তার নিয়ে আসা লাগে। কিন্তু Starlink-এ কোনো তারের দরকার নেই।
আপনি টিভি ডিস-এর মতো একটা অ্যান্টেনা বাড়ির ছাদ, বারান্দা বা যেখানে খোলা আকাশ আছে সেখানে বসান, তারপর সেটার থেকে সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পান! মানে—জঙ্গল, গ্রাম, নদীর মাঝখান, পাহাড়, বা যেখানে কোনোভাবেই তার নিয়ে যাওয়া সম্ভব না, সেখানেও সহজেই ইন্টারনেট!
# বাস্তব উদাহরণ:
যেমন ধরুন, গ্রামের বাড়ি বা রিসোর্টে গেছেন—ওখানে সাধারণত ভালো ইন্টারনেট পাওয়া যায় না। Starlink থাকলে টিভি ডিস-এর মতো অ্যান্টেনা বসান, সাথে সাথে পুরো বাসা-বারান্দায় ইন্টারনেট!
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর:
১. স্পিড টেস্টের ভিডিও দেবেন?
→ আমার প্রোফাইলে Speedtest-এর ভিডিও আপলোড করেছি, চাইলে দেখে নিতে পারেন।
২. কতদিনে হাতে পেলেন?
→ ২০ মে অর্ডার করেছি, ৩০ মে হাতে পেয়েছি—মানে মোট ১০ দিন লেগেছে।
৩. কোন কুরিয়ারে পাঠায়?
→ আন্তর্জাতিকভাবে DHL, আর বাংলাদেশে এসে Sundarban Courier দিয়ে পৌঁছে দেয়।
৪. দাম ও মাসিক খরচ কত?
→ মোট খরচ: ৫৫,৭০০ টাকা [কিট ৪৭,০০০, শিপিং ২,৮০০, মাউন্ট ৫,৯০০]
→ আমি ৬,০০০ টাকার মাসিক প্যাকেজ নিয়েছি, চাইলে ৪,০০০ টাকারও প্যাকেজ আছে।
৫. বাসায় ৫ ফ্লোরে নেট চাই—কীভাবে হবে?
→ Starlink-এর রেসিডেন্সিয়াল প্যাকেজে চাইলে বিজনেস একাউন্টও নিতে পারেন। বড় বাসা হলে একাধিক রাউটার/এক্সটেন্ডার লাগাতে হবে, যেমন আমরা বাসার WiFi এক্সটেন্ডার দেই, তেমনি।
৬. প্রি-বুকিং ছিলো?
→ হ্যাঁ, প্রি-বুকিং দিয়ে এনেছি।
৭. কিনবো কিভাবে?
→ সরাসরি https://www.starlink.com/ থেকে অর্ডার করতে পারবেন।
৮. পেমেন্ট ডলারে নাকি টাকায়?
→ বাংলাদেশি টাকায় (BDT) পেমেন্ট করা যায়।
৯. Starlink-এর অফিস কোথায়?
→ ১৯তম ফ্লোর, UTC Building, ৮, পাঁথপাথ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা ১২১৫
১০. Latency (পিং) কত পাচ্ছেন?
→ গড়ে ৮০ms (মিলিসেকেন্ড) পাচ্ছি।
১১. রাউটার রেঞ্জ ও কানেক্ট করতে পারা ডিভাইস কত?
→ ৩,২০০ স্কয়ার ফিট কভারেজ, ২৩৫টি ডিভাইস একসাথে কানেক্ট করা যায়!
১২. NOC লাগে?
→ না, কোনো NOC বা অনুমতিপত্র লাগে না।
১৩. কাস্টমস ক্লিয়ার হতে কত দিন লেগেছে?
→ আমারটা ২৪ মে সকাল ৯টায় বাংলাদেশে এসেছে, ২৯ মে বিকাল ৫:৫০-এ কাস্টমস রিলিজ হয়েছে—মানে ৫ দিন মতো লেগেছে।
১৪. Starlink কি গেমিং/শহরের জন্য ভালো?
→ Starlink গেমিং, বা শহরে যেখানে ভালো ব্রডব্যান্ড (ক্যাবল) আছে, সেখানে ততটা ভালো না। কারণ, স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের পিং ক্যাবল ইন্টারনেটের চেয়ে কিছুটা বেশি।
তবে, গ্রামের বাড়ি, ফার্ম, রিসোর্ট, পাহাড়, নদীর চর—যেখানে ভালো ব্রডব্যান্ড নেই, সেখানে Starlink এক কথায় চমৎকার সমাধান!
১৫. বারান্দায় (balcony) কি Starlink সেটআপ করা যাবে?
→ হ্যাঁ, বারান্দায়ও Starlink-এর অ্যান্টেনা বসানো যায়। তবে যেখানেই দেন, খেয়াল রাখবেন যেন ওপরে খোলা আকাশ থাকে এবং পাশে বড় বিল্ডিং/গাছ না থাকে।
বাস্তব উদাহরণ:
ঠিক যেমন টিভির ডিস-এ সামনের দিকে দেয়াল/গাছ থাকলে চ্যানেল আসে না, Starlink-এর অ্যান্টেনা সামনে খোলা আকাশ পেলেই ভালো কাজ করবে।
বাস্তব অভিজ্ঞতা:
আমার বাসায় যখন বড়রা জিজ্ঞেস করলেন, “Starlink কী?”—আমি বলেছি, “এইটা টিভির ডিস-এর মতো, তবে টিভি না, ইন্টারনেট আসে!”
বাচ্চারা, পড়াশোনা, ইউটিউব, কল—সবই ভালো চলছে এখন।
সংক্ষেপে:
যাদের শহরে আগে থেকেই ভালো ইন্টারনেট আছে, তাদের জন্য এটা এক্সট্রা লাগবে না।
কিন্তু যেখানেই ব্রডব্যান্ড নেই, গ্রামের বাড়ি, ফার্ম, দূর-দূরান্ত—সেখানকার জন্য Starlink দারুণ কাজের এবং একমাত্র সমাধান।
কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান—নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যতটুকু পারি, সবাইকে সাহায্য করার চেষ্টা করবো!
সবাই সুস্থ থাকুন, প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে চলুন 🚀🌍
1 961
নিউজফিডে মাঝেমধ্যে দেখবা ডিগ্রি স্ক্যাম, আসল স্কিল। স্কিল হলেই কেল্লা ফতে!
এটা নিয়ে আবার দুই পক্ষ দাঁড়িয়ে যাবে।
আমার কাছে কথাটা অর্ধেক ঠিক, অর্ধেক ট্র্যাপ।
আমরা সাক্সেস মাপি অনেক্ষেত্রে ট্যাকা দিয়ে।
জিরো যত বেশি, হিরোও তত বড়!
মহাবিশ্বের কিছু সেরা নায়ককে যদি জিপিএস-এ ট্র্যাক করি, তাদের ব্যাঙ্ক-ব্যালেন্স নয়, ব্রেইন-ইমপ্যাক্টই আসল ক্যালকুলেশন।
চোখের দরজাটা খুলেই দেখ জামাল নজরুল ইসলাম, চিটাগাংয়ের ছেলেটা, কসমোলজির আঙিনায় হেঁটে বের করেছে “Ultimate Fate of the Universe” টাইপ জিনিস।
লোকটার শেয়ার বাজারে শেয়ার নেই, অথচ নলেজ বাজারে তাঁর নামের পাশে “Professor Emeritus” সীলমোহর।
আরেকটু আগেগেলে অ্যালেক্সান্ডার ফ্লেমিং ও তাঁর সেই দুর্গন্ধ-ছত্রাকের গল্প—পেনিসিলিন।
টাকা বানিয়েছেন?
না-ই বা করলেন। কিন্তু ওষুধটা আবিষ্কারের পর থেকে অন্তত ৫০০ কোটি জীবন রক্ষা পেয়েছে ।
বলা হয় তার বানানো অ্যান্টিবায়োটিক মানুষের গড় আয়ু ২৩ বছর বাড়িয়ে দিয়েছে ।
এখন প্রশ্ন, কয়েক হাজার শাহরুখের সম্মিলিত টাকা পয়সা ইম্প্যাক্ট মিলিয়ে কি একটা পেনিসিলিনের ইমপ্যাক্ট ফালাতে পারবে?
এই তালিকায় কাকে নিবা?
আমার উত্তরে “পেনিসিলিন”।
কারণ প্রতিদিন ইনফেকশন থেকে যে কোটি প্রাণ বাঁচে, সেটার জন্য প্রতিদিন ফ্লেমিং এর ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়তেসেনা ঠিকই, তবু ইতিহাসের সেরা ROI টা ফ্লেমিং এর ঝুলিতেই জমা।
পড়াশোনা দরকার, রিসার্চ দরকার।
যারা বলে “পড়াশোনা স্ক্যাম”, মনে রাখতে হবে, ক্লাসরুমের চকধুলা আসলে সিক্রেট সস।
টাকার দৌড় সহজে ফুরায়। কিন্তু জ্ঞান যদি সভ্যতার ডিএনএ-তে ছাপ রাখে, তার রিটার্ন হারিয়ে যায় না।
Money সবসময় Meaning হয়নারে ভাই।
Knowledge থেকে Innovation হয়, সেটা Social Impact নিয়ে আসে।
সাক্সেস মাপার মিটারটা যদি কেবল স্যালারি-রেভিনিউতে আটকে রাখি, তবে ফ্লেমিং-এর নামই হয়তো শুনতাম না।
জামাল নজরুলের একাডেমিক রেকর্ডগুলো তাকের মধ্যে ধুলোই মাখা থাকত।
তাই বলি ভাই/আপু—স্টাডি হার্ড, লার্ন ডিপ, স্কিল বিল্ড, আর ইনোভেট করতে থাকো।
টাকা আসবে কিংবা আসবেনা কিন্তু ইমপ্যাক্ট থাকবে।
পড়াশোনা স্ক্যাম নয়। যুগোপযোগী পড়াশোনা দরকার।
পড়াশোনা ইনোভেশন আনবে। ইনোভেশন আর স্কিল দিয়ে আগামীর দুনিয়ায় ইম্প্যাক্ট রেখে যাও।
এমন পড়াশোনা না যেটার সার্টিফিকেট দিয়ে মুড়ির ঠোঙ্গা বানায়ে মুড়ি খাইতে হয়।
1 961
“নারী হলো পর্দায় থাকার বস্তু। যখন সে পর্দা উপেক্ষা বের হয়, তখন শয়*তান তাকে অন্য পুরুষের চোখে শোভনীয়া ও লোভনীয়া করে তোলে”
-তিরমিযী, হাদিস: ১১৭৩; মিশকাত, হাদিস: ৩১০৯
1 961
পাঁচটি জিনিস আসার পূর্বে পাঁচটি জিনিস থেকে উপকৃত হয়ে নাও।
১) বার্ধক্যের আগে তারুণ্য।
২) অসুস্থতার আগে সুস্থতা।
৩) দারিদ্র্যের আগে সচ্ছলতা।
৪) ব্যস্ততার আগে অবসর এবং
৫) মৃ*ত্যুর আগে জীবন।
[শু'আবুল ঈমান : ৯৫৭৫; সহীহ আল জামে : ১০৭৭]
1 961
ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা একজন ইঞ্জিনিয়ার, তার জনপ্রিয়তা ছবিটির দিকে তাকালেই হয়ত বুঝে যাবেন।
তার একটি সত্য গল্প খুব প্রচলিত ছিল, যিনি একটি স্ক্রু ঘোরানোর জন্য ১ ডলার আর কোন স্ক্রু ঘোরাতে হবে সেটা জানার জন্য ৯,৯৯৯ ডলার দাবি করেছিলেন।
হ্যাঁ, এই প্রকৌশলী আসলেই ছিলেন। তার নাম ছিল চার্লস প্রোটিয়াস স্টেইনমেটজ (১৮৬৫–১৯২৩)।
একবার তার সঙ্গে পরিচিত হন খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হেনরি ফোর্ড। যাকে বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ির নির্মাতা হিসেবে জানি।
তো ফোর্ডের রিভার রুজ প্ল্যান্টে একটি বিশাল জেনারেটরে জটিল এক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীরা কোনোভাবেই সমস্যার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
শেষমেশ হেনরি ফোর্ড নিজেই স্টেইনমেটজকে ডাকেন।
যথারীতি স্টেইনমেটজ কারখানায় এসে কারো সাহায্য না নিয়ে শুধু একটি খাতা, কলম আর একটি খাট চাইলেন।
মনে হতে পারে না, এত কিছু থাকতে খাট কেন, কেননা তিনি জন্ম থেকেই kyphosis- নামক রোগে এ আক্রান্ত ছিলেন, যার ফলে পিঠে একটি কুঁজ তৈরি হয়। যে কারণে তিনি ছিলেন কুঁজো এবং তার উচ্চতাও ছিল মাত্র প্রায় ৪ ফুট। এছাড়াও তার কাঁধ ও শরীরের গঠন ছিল অস্বাভাবিক, যা চলাফেরা ও কাজকর্মে সমস্যা সৃষ্টি করত।
যাইহোক তিনি টানা দু’দিন ও দু’রাত সেই বিশাল জেনারেটরের শব্দ শুনে কাটালেন, আর করলেন অসংখ্য জটিল হিসাব।
হঠাৎ করে তিনি একটি মই, একটি টেপ মাপার ফিতা আর একটা ব্ল্যাকবোর্ডের চক আনতে বললেন।
তার শরীরের প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি মই বেয়ে জেনারেটরের উপর পর্যন্ত উঠলেন।
তারপর ফিতা দিয়ে মেপে জেনারেটরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে চক দিয়ে একটি দাগ দিলেন।
নিচে নেমে এসে আশপাশের অবাক প্রকৌশলীদের বললেন, এই নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইড প্লেট খুলে কুন্ডলি খুলতে হবে, এবং ঠিক ১৬টি তার খুলে ফেলতে হবে।
প্রকৌশলীরা তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলেন।
দেখা গেল, জেনারেটর আবার পুরোপুরি সচল হয়ে গেছে।
এরপর স্টেইনমেটজ, জেনারেল ইলেকট্রিকের পক্ষ থেকে হেনরি ফোর্ডের কাছে ১০,০০০ ডলারের একটি বিল পাঠান।
ফোর্ড কাজের প্রশংসা করলেও, এমন বড় অঙ্কের একটি বিল দেখে তিনি বিস্তারিত খরচ breakdown চেয়ে ফেরত পাঠান।
স্টেইনমেটজ তখন বিলটি এভাবে সংশোধন করে পাঠান—
জেনারেটরে চক দিয়ে দাগ টানা: ১ ডলার
কোথায় দাগ দিতে হবে তা জানা: ৯,৯৯৯ ডলার
মোট: ১০,০০০ ডলার
এইবার আর কোনো কথা না বলে ফোর্ড পুরো বিলটাই পরিশোধ করেন।
তো চার্লস স্টেইনমেটজ ও হেনরি ফোর্ডের ঘটোনাটি আমাদের চোখের সামনে একটি গভীর শিক্ষনীয় বার্তা তুলে ধরে।
জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রকৃত মূল্য বোঝা এবং যথাযথ সম্মান করা উচিত।
দেখুন স্টেইনমেটজ এক নজরে খুব ছোট একটা কাজ করেছিলেন, চক দিয়ে একটা দাগ টেনেছিলেন। কিন্তু এই ছোট কাজের পেছনে ছিল বছরের পর বছর অর্জিত অভিজ্ঞতা, গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা।
এই গল্প আমাদের শেখায় যে, কেবল চোখে দেখা শ্রম নয়, বরং সমস্যার মূল ধরতে পারার ক্ষমতা, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাই অনেক সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হয়ে দাঁড়ায়।
তাই কোনো পেশাজীবীর কাজ যখন সহজ মনে হয়, তখন তার পেছনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতা কদর করা উচিত।
**এই গল্পটি ১৯৬৫ সালের ১৪ মে "লাইফ" ম্যাগাজিনে ছাপা একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। চিঠিটি লিখেছিলেন জ্যাক বি. স্কট। তার বাবা বার্ট স্কট ছিলেন হেনরি ফোর্ডের বহু বছরের কর্মী।
সংগৃহীত
© সৈয়দ ভুঁইয়া
1 961
সব কষ্টের জন্য ওষুধ লাগে না !!
পয়গম্বর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“তোমাদের প্রত্যেকেই রক্ষণাবেক্ষণকারী (বা দায়িত্বশীল) এবং তোমাদের প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ”
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
আমার চিকিৎসা জীবনের গভীর উপলব্ধি:
এই বহু বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতার পর আমি এমন একটি সত্য উপলব্ধি করেছি, যা কোনো চিকিৎসার বই কখনও আমাকে শেখায়নি:
প্রতিটি ব্যথা দেখা যায় না।
প্রতিটি কষ্ট স্ক্যান বা রিপোর্টে ধরা পড়ে না।
প্রতিটি অসুখের নাম নেই; তবুও আত্মা তা অনুভব করে।
আমি এমন অনেক মানুষকে দেখেছি যাদের রিপোর্ট ‘নরমাল’ এসেছে,
তবুও তারা ঘুমাতে পারে না।
তাদের বুক ধড়ফড় করে ।
তারা ভুলেই গেছে শান্তির অনুভূতি।
চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক — ‘যত্ন ’:
তারা শুধু ওষুধ খুঁজছিল না;
তারা খুঁজছিল এমন একজনকে,
যিনি তাড়াহুড়ো না করে শুনবেন,
হৃদয় থেকে অনুভব করবেন ,
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ -‘সহানুভূতি ’ দেখাবেন ।
একজন সত্যিকারের চিকিৎসকের অর্থ:
তখনই আমি এই হাদীসের আসল তাৎপর্য বুঝতে পারলাম।
পয়গম্বর মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেননি নেতারা হল শাসক।
তিনি বলেছেন তারা হল রক্ষণাবেক্ষণকারী । কারণ একজন সত্যিকারের নেতা, একজন প্রকৃত চিকিৎসক আধিপত্য দেখান না।
তিনি পথ দেখান, রক্ষা করেন, ও ‘যত্ন’ করেন তার পালিতদের।
প্রত্যেক আত্মার জন্য যত্নবান হওয়া:
প্রত্যেক আত্মার প্রতি আমি দায়বদ্ধ —
যারা বিশ্বাস নিয়ে আমার চেম্বারে আসে,
একটি পূর্ণাঙ্গ সুস্থতার আশায়।
আপনি একা নন:
যদি আপনি এই লেখাটি পড়ে মনে করেন কেউ আপনাকে বোঝেনি,
যদি রিপোর্ট বলে আপনি ভালো আছেন — অথচ আপনার মন বলে আপনি ভালো নেই ,
জেনে রাখুন-
আপনি একা নন।
আপনি দুর্বল নন।
আপনি কিছু কল্পনা করছেন না।
আপনার শুধু চিকিৎসা নয়,
আপনার প্রয়োজন এমন একজন,
যিনি আপনাকে পূর্ণভাবে, মমতাভরে এবং আন্তরিকভাবে দেখবেন।
আমার দোয়া:
আমি প্রতিদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করি:
হে আল্লাহ, আমাকে এমন একজন চিকিৎসক বানান,
যার স্পর্শ শুধু শরীর নয় — বিধ্বস্ত আত্মাকেও আল্লাহর মদতে আরোগ্যলাভে সাহায্য করতে পারে।
আমাকে রাখাল (রক্ষণাবেক্ষণকারী) বানান — ভেড়ার নয় — বরং এমন হৃদয়গুলোর,
যারা শান্তির জন্য হাহাকার করে।
- ডা. কে. এম. সইফুল্লাহ
একজন ভাই। একজন চিকিৎসক। একজন আমানতদার ব্যক্তি।
1 961
জাপানীজদের কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার আছে।
এই যেমন, ওরা সরাসরি কিছু বলেনা।
একটু ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলা ওদের স্বভাব।
এমনকি প্রফেসররা স্টুডেন্টদের কিছু বিষয় পছন্দ না হলে এভাবে বলেন, "তোমার জায়গায় আমি হলে হয়তো এটা এভাবে করতাম না। ওভাবে করতাম"
তবে এসবের উদ্দেশ্যটা খুব ভালো, কেউ যেন কারো কথায় কোনভাবে #কষ্ট না পায়।
আর আমরা? সবকিছু ডাইরেক্ট, সরাসরি বলতে অভ্যস্ত। কেউ কষ্ট পেলে সেটা তার বিষয়, তার সমস্যা 😥
যাহোক, শুনেছি জাপানে কোন ছেলে কোন মেয়েকে বিয়ের জন্য প্রপোজ করলে কখনো সরাসরি বলেনা, "তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?"
বরং ছেলেরা নাকি মেয়েদেরকে বলে, "তুমি কি আমার জন্য সারা জীবন রান্না করবে?"
তবে বাংলাদেশে কোন ছেলে এভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তার কপালে দুঃখ আছে, শতভাগ নিশ্চিত :)
ওরা এমনকি কাউকে সহজে #ফোন ও করেনা। খুব জরুরী হলে মেসেজ দেয়। আর একান্তই না পারলে তখন ফোন করে।
আর ফোন করলেও প্রথমে একবার ক্ষমা চেয়ে নেয়। ফোন শেষ করার সময় আবারও ক্ষমা চেয়ে নেয়।
দেখা গেলো, মূল কথা ত্রিশ সেকেন্ডের আর ক্ষমা চাইলো দুই মিনিট!
অসম্ভব ভদ্র, ওরা আসলে মাত্রাতিরিক্ত ভদ্র। আমি মাঝে মাঝে বলতাম, ওরা আসলে বিরক্তিকর ভদ্র!
আর আমরা? সরাসরি কল দিয়ে বসি। দেখা গেলো, মূল কথা ত্রিশ সেকেন্ডের আর বাকী বিশ মিনিট আজাইরা আলাপ!
অপর প্রান্তের মানুষটি বিজি থাকতে পারে, হয়তো টায়ার্ড থাকতে পারে -- এসব ভাবার সময় কোথায়? এখানে #প্রাইভেসি এখনো বিলাসিতা!
তাছাড়া জাপানীরা বাসে, ট্রেনে পাশের সীটে বসা কারো সাথে #খাজুরী আলাপ করেনা। বই পড়ে কিংবা নিজের স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে।
আর আমরা? বাসে / ট্রেনে উঠেই পাশের জনের বাড়ী কোথায় থেকে শুরু করে বাচ্চা কয়টা সেই খবর নিবে। বিয়ে না করলে তাড়াতাড়ি বিয়ে করার উপদেশ দিবে। বিয়ে করলে তাড়াতাড়ি বাচ্চা নিতে উপদেশ দিবে।
আরেক জনের #পার্সোনাল লাইফ নিয়ে আমাদের এত আগ্রহ, অবিশ্বাস্য!
আর নিজেকে জাহির করতে বিজি হয়ে পড়ে। নিজের কোন আত্মীয় ভালো পজিশনে থাকলে কিংবা নিজে ভালো কোন জায়গা থেকে পড়াশুনা করে আসলে সেটা দুই মিনিটের মধ্যেই অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলে বসবে!
আর কারো বিষয়ে হুট করে সস্তা - আপত্তিকর মন্তব্য করা, জাজমেন্ট করা, #গসিপ করা, এমনকি কিছুই না জেনে কারো চরিত্র নিয়ে টানাটানি করতে ও আমাদের জুড়ি নেই।
জাপানিদের আরেকটি অভ্যাস ইন্টারেস্টিং, জাপানীরা লিফটে কেউ কারো চেহারার দিকে তাকায়না। সবাই দরজার দিকে কিংবা নীচের দিকে তাকিয়ে থাকে।
আর আমরা? লিফটে ঢুকেই সবার চেহারা একবার একনজর দেখে নিই, নামার সময় আবার সবার চেহারা রিভাইজ করে বের হই!
#পুনশ্চ
ওদের সব ভালো, আমাদের সব খারাপ বিষয়টি এমন নয়।
এবসলিউট কিছু নেই। সবই আপেক্ষিক।
যাহোক, হ্যাপী উইক এন্ড!
1 961
সন্তান পালিত হোক আর নিজের গর্ভের হোক তাঁকে দ্বীনী শিক্ষা দিতে হবে, যা অভিভাবক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব ছিল। জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা না দেয়ায় অতি আদরে দুধ কলা দিয়ে কাল সাপ তৈরি হয়েছে আর কিছু নয়। আগামী প্রজন্ম কে রক্ষার জন্য কুরআন ও হাদীসের শিক্ষার উপর জোর দেয়া জরুরী। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুন।
