fa
Feedback
Anwar's Thoughts

Anwar's Thoughts

رفتن به کانال در Telegram

Channel for my thoughts and other random things. My thoughts in my voice @anwarfiles

نمایش بیشتر
366
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
-630 روز
آرشیو پست ها
মানুষ নিজে এমন কাজ করতে পারে যেটা সে মনে করেনি সে করে। রিয়া করেনি, করছে না ভাবার পরও বহু মানুষ রিয়ার জালে আটকে যেতে পারে। আগের যুগের একজন নেককার সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি ৪০ বছরের নামাজ আবার পড়ে দিচ্ছেন। কারণ তিনি প্রতি ওয়াক্তে নামাজের সামনের কাতারেই পড়তেন। একদিন নামাজের পেছনের কাতারে পড়তে হওয়াতে উনার মনে আসলো মানুষ কী ভাববে। তখন অনুভব করলেন এই আমলে উনার রিয়া ছিল। এই কারণেই তিনি নতুন করে সব নামাজ পড়তেছিলেন (এখন কেউ মাসয়ালা নিয়ে আসবেন না)। মানুষ সবকিছু বুঝলে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন না, ওহে মানুষজন, তোমরা তোমাদের হিসেব নিজেই নিজের থেকে আদায় করো, আল্লাহ তায়ালা আদায় করার আগে। নিজের আমলের নিয়তের ব্যাপারে পুরোপুরি নিঃসন্দেহ দুই প্রকারের মানুষ হয় ১) কঠিনভাবে পর্যবেক্ষণকারী মুখলিস আমলওয়ালা ২) ধোঁকায় নিপতিত গাফিল। আল্লাহ আমাদের নফসের ধোঁকা বোঝার ও বাঁচার তাওফিক দিন।

ফিফা, আইসিসি এগুলো একেতো করাপ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান, তার উপর ফিফা হচ্ছে ইহুদীবাদীদের পূজা করা কিছু লোকের বৈঠক খানা। খুব স্পষ্টভাব
+1
ফিফা, আইসিসি এগুলো একেতো করাপ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান, তার উপর ফিফা হচ্ছে ইহুদীবাদীদের পূজা করা কিছু লোকের বৈঠক খানা। খুব স্পষ্টভাবে মিশরকে হারিয়ে দেয়া হলো, যেটা এতটা স্পষ্ট যে গোটা দুনিয়ার সবাই কথা বলছে।

আমি আমার জীবনের একটি ঘটনা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। আল্লাহর কসম, আমার জীবনে যত ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে এই ঘটনাটিই আমার অন্তরকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে। আজও যখন সেই দৃশ্যটি মনে পড়ে, তখন নিজেকে স্থির রাখতে খুব কষ্ট হয়। অন্তরের গভীরে এক অজানা ভয় কাজ করতে শুরু করে। ঘটনাটি আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগের। একদিন আসরের নামায আদায় করে মসজিদে বসে ছিলাম। এমন সময় একজন ভাই আমার কাছে এসে বললেন, হুজুর, আমার বাবা খুবই অসুস্থ। তিনি মৃত্যুশয্যায় আছেন। আপনি যদি একটু কষ্ট করে আমাদের বাসায় যান এবং তাঁর হাতে তাওবা করিয়ে দেন। আসলে মৃত্যুপথযাত্রী মানুষকে তাওবার তালকীন করা আমাদের আকাবির ও আসলাফের একটি সুন্দর আমল ছিল। আমাদের বুযুর্গ হযরত শামসুল হক ফরিদপুরী রহ.-এর ব্যাপারে শুনেছি—তাঁর একটি অভ্যাস ছিল, তিনি লালবাগ মাদরাসার সিনিয়র ছাত্রদের প্রতি বৃহস্পতিবার ছুটি দিয়ে বলতেন, 'তোমরা বিভিন্ন হাসপাতালে যাও। রোগীদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করো—কেউ যদি তাওবা করতে চান, তাহলে তাঁকে তাওবা করিয়ে দাও।' বর্তমানে যেমন বৃহস্পতিবারে অনেক মাদরাসা থেকে ২৪ ঘণ্টার দাওয়াত জামাত বের হয়, তেমনি তিনি ছাত্রদের হাসপাতালমুখী করতেন, যেন তারা মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের আখিরাতের প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করতে পারে। এটি ছিল আমাদের আকাবিরদের একটি সুন্দর ঐতিহ্য। যাই হোক, আমি সেই ভাইকে বললাম, চলুন। আমরা রিকশায় করে তাঁর বাসার দিকে রওনা হলাম। পথিমধ্যে বিভিন্ন কথা হচ্ছিল। একপর্যায়ে তিনি বললেন, হুজুর, আব্বা খুবই অসুস্থ। ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না, কাউকেও ভালোভাবে চিনতে পারেন না। আমি মনে মনে ভাবলাম, তাহলে হয়তো শুধু তাওবার বাক্যগুলো শুনিয়ে দিলেই হবে। বাসায় পৌঁছালাম। পুরোনো দিনের একটি বাড়ি। ঘরে প্রবেশ করে তাঁর বাবার পাশে গিয়ে বসলাম। সালাম দিলাম। সালামের উত্তর দিয়েছিলেন কি না, এখন আর মনে নেই। আমি খুব কোমলভাবে বললাম, চাচা, আমি এসেছি আপনাকে তাওবা করিয়ে দিতে। আমার কথা শেষ হতেই তিনি এমন একটি উত্তর দিলেন, যা আজও আমার কানে বাজে। একেবারে স্পষ্ট, দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আমি তাওবা করব না। আমি যেন হতবাক হয়ে গেলাম। মনে হলো, বুকের ভেতর কেউ হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করছে। আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না, মৃত্যুশয্যায় থাকা একজন মানুষ এমন কথা কীভাবে বলতে পারেন! এরপর আমি তাঁর ছেলের দিকে তাকালাম। চোখের ভাষায় যেন বলতে চাইলাম, আপনি তো বলেছিলেন, উনি কথা বলতে পারেন না! এখন তো খুব পরিষ্কার করেই কথা বলছেন! ছেলেও অসহায়ভাবে ইঙ্গিত করল, হুজুর, আমিও কিছু বুঝতে পারছি না। আমি আবার তাঁর দিকে ফিরে বললাম,ৎচাচা, তাওবা করবেন না কেন? এরপর তাওবার ফজিলত নিয়ে খুব সংক্ষেপে—এক মিনিট বা দেড় মিনিটের মতো কিছু কথা বললাম। কারণ মৃত্যুপথযাত্রীর সামনে দীর্ঘ নসিহত করা সুন্নাহর পরিপন্থী। কিন্তু তিনি আবারও একই কথা বললেন—আমি পারব না। এবার আমি কিছুটা কঠোর হয়ে বললাম, কেন পারবেন না? আপনার সমস্যা কী? আমার প্রশ্ন শুনে তিনি হঠাৎ শিশুর মতো কান্না শুরু করলেন। চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছে। কাঁপা কণ্ঠে তিনি জানালার উপরের সানশেডের দিকে আঙুল তুলে বললেন, হুজুর... আমি তাওবা করব কীভাবে? দেখেন... ওইখানে একজন ভয়ংকর লোক মুগুর হাতে বসে আছে। সে আমাকে বলছে, 'তুই যদি তাওবা করিস, তাহলে এই মুগুর দিয়ে তোকে মেরে ফেলব। আল্লাহু আকবার! আমি তাকিয়ে দেখলাম, সেখানে তো কিছুই নেই। কিন্তু তিনি যা দেখছিলেন, তা তাঁর কাছে ছিল বাস্তবের চেয়েও বাস্তব। সেদিন আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করলাম—মৃত্যুর মুহূর্ত কত ভয়াবহ হতে পারে! শয়তান শেষ সময় পর্যন্ত মানুষের ঈমান কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাই কেউই নিজের ঈমান নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে না। কার মৃত্যু কোন অবস্থায় হবে, শেষ মুহূর্তে কী পরীক্ষা আসবে—এ কথা পৃথিবীর কোনো মানুষ বলতে পারে না। এই কারণেই সালাফে সালিহীন সবসময় একটি দোয়া করতেন—হে আল্লাহ! আমাদেরকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং ঈমানের সাথেই আমাদের মৃত্যু দান করুন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সুস্থ জীবন দান করুন, ঈমানের ওপর অবিচল রাখুন এবং ঈমানের সাথেই আমাদের দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন। #খুতুবাত
লিখেছেন হজরত উমায়ের কোব্বাদি হাফিজাহুল্লাহ

ফুকাহায়ে কিরামের একাংশের মতে দাড়ি রাখা আবশ্যক নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক মুষ্টি দাড়ি ছিল। কিন্তু হতে পারে সেটা সুন্নতে ইবাদত না, বরং সুন্নতে আদত। অর্থাৎ মানুষ হিসেবে, পুরুষ হিসেবে, আরব হিসেবে নবিজি যেসব কাজ স্বাভাবিকভাবেই করতেন। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের এত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে হজ করে এসেই হুট করে দাড়ি রেখে দিয়ে ভারতকে উস্কানি দেওয়াটা একটা হঠকারী সিদ্ধান্ত। হজ করে আসলে মানুষ ধার্মিক জীবনযাপন করার চেষ্টা করে৷ কিন্তু সেই ধার্মিকতা দাড়ি রেখেই কেন দেখাতে হবে? পরোপকার করা, প্রাণীদের খাওয়ানো, দেশপ্রেম এগুলোও তো ঈমানের অঙ্গ। এখানেই শেষ না। চারটা কোম্পানির নাম রাখা হয়েছে ইসলামের চার খলিফার নামে। যখন আমরা ফ্যাসিস্টের পুনরুত্থান ঠেকানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি, ভারতকে কোনোরকম গুজব ছড়ানোর সুযোগ না দেওয়ার চেষ্টা করছি, তখন এসব সন্দেহজনক কাজকর্ম কীসের আলামত? সরকারের ঘাড়ে বসে কারা এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে? আপনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে মুসলিম বীরদের নামে নাম দিতে চান, মানলাম। তাই বলে আবু বকর, ওমর, ওসমান এসব নামই কেন দিতে হবে? রুমি-তাহের-জিয়া এগুলো কি মুসলিম নাম নয়? আইএসের নেতার নাম আবু বকর। তালেবান নেতার নাম ওমর। জাশির একজন আন্ডারকভার এজেন্টের নাম ওসমান, যার ব্যাপারে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন জাশিই তাকে হত্যা করিয়ে দেশে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চেয়েছিল। তাছাড়া যদি ধরেও নেই এই নামগুলো দিয়ে খলিফাদের বোঝানো হয়েছে, তবুও এতে শিয়া মুসলিমদের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানানো হয়নি৷ এর বদলে এমন চারটা নাম বেছে নেওয়া যেত, যারা শিয়া-সুন্নি-শিন্নি নির্বিশেষে সকল মুসলিমের কাছে সম্মাননীয়। যেমন আহলে বাইত উনাদের নাম। যেমন- ইমাম আলি আ., ইমাম হোসেন আ., ইমাম হুসাইন আ., ইমাম জাফর সাদিক রা.। এসব দাড়ি রাখা আর নামকরণের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার পেছনে যে শুধু র এর না, বরং হ, য, ব, ল সকলের মিলিত ফান্ডিং আছে, তা বোঝার জন্য ককেট সায়েন্স জানা লাগে না, কমন সেক্স থাকাই যথেষ্ট। #HujurHoye

জাহান্নাম থেকে মুক্তির সহজ একটি আমল . আপনার সামনে আপনার কোনো অনুপস্থিত মুসলমান ভাইয়ের গিবত হচ্ছে বা তার ব্যাপারে অপবাদ দেওয়া হচ্ছে আপনি সেটা বাঁধা দিলেন। ছোট্ট একটি কাজ। কিন্তু এর প্রতিদান কী জানেন? এই এতটুকু কাজের বিনিময়ের আল্লাহ আপনাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করবেন। এই বিষয়ে কয়েকটি হাদিস দেখে নেই। ১। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে, " من ذب عن لحم أخيه بالغيبة ، كان حقا على الله أن يعتقه من النار যে ব্যক্তি কোনো মুসলমান ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার উপর হওয়া গিবতের প্রতিবাদ জানায় ও প্রতিহত করে তাহলে আল্লাহর উপর আবশ্যক হয়ে যায় প্রতিহতকারী ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া। (বর্ণনা নং ২৭৬০৯) . ২। জামে তিরমিজতে উল্লেখ হয়েছে, عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: "من رد عن عرض أخيه، رد الله عن وجهه النار يوم القيامة যে ব্যক্তি তার কোনো (অনুপস্থিত) মুসলমান ভাইয়ের সম্মান রক্ষা করলো, আল্লাহ কেয়ামতের দিন তার চেহারাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবেন। (বর্ননা নং ২০৪৪) . ৩। মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাতে বর্ণিত হয়েছে, "من ذب عن عرض أخيه كان له حجابا من النار যে ব্যক্তি তার অনুপস্থিত মুসলমান ভাইয়ের ইজ্জত রক্ষা করবে, এটি তার জন্য জাহান্নাম থেকে রক্ষাকারী পর্দা (ঢাল) হয়ে যাবে। (বর্ণনা নং২৬০৫২) . . এই হাদিসগুলোর ব্যাখ্যায় ইবনে আল্লান রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ১০৫৭ হি.) লেখেন, من رد عن عرض أخيه) أي: في الإيمان وهو المسلم، أي: بأن يمنع من يريد اغتياب المؤمن عنها، إما قبل الوقوع بالزجر والردع عنها، وإما بعده لرد ما قاله عليه. وإن كان ذلك الإنسان بخلافه كما يأتي فيما بعد (رد الله عن وجهه النار يوم القيامة) وذلك: لأنه رد مريد الغيبة عن عذابها لو فعلها، فجوزي بردها عنه في الآخرة ورد عن المغتاب ما يلقاه مما رمى به ممن اغتابه، فردها الله অর্থাৎ, কেউ যদি কোনো মুমিনের গিবত করতে চায়, তাহলে সে তাকে তা থেকে বিরত রাখে। এটি হতে পারে—গিবত শুরু হওয়ার আগেই তাকে ধমক ও নিষেধ করে থামিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে; অথবা গিবত হয়ে যাওয়ার পর তার সম্পর্কে বলা কথার প্রতিবাদ করে এবং তার পক্ষে জবাব দেওয়ার মাধ্যমে। যদিও বাস্তবে সেই ব্যক্তি তেমন না-ও হতে পারে... “(رد الله عن وجهه النار يوم القيامة)” অর্থাৎ, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার মুখমণ্ডল থেকে জাহান্নামের আগুন দূরে সরিয়ে দেবেন। এর কারণ হলো, সে গিবত করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে গিবতের গুনাহ ও তার শাস্তি থেকে ফিরিয়ে রেখেছে। তাই এর প্রতিদানস্বরূপ আখিরাতে আল্লাহ তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে ফিরিয়ে রাখবেন। আবার, যে ব্যক্তির গিবত করা হচ্ছিল, তার ওপর গিবতকারীর নিক্ষিপ্ত অপবাদ ও ক্ষতিকেও সে প্রতিহত করেছে। তাই আল্লাহও তার কাছ থেকে জাহান্নামের আগুন প্রতিহত করবেন। (দলিলুল ফালেহিন, ৮/৩৫৪)

photo content

সাংবাদিক আবুল আসাদ। দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদক। এখনো সম্পাদক আছেন কিনা জানা নেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রবীণ সাংবাদিকদের অন্যতম হয়তো। পত্রিকাটা জামাতে ইসলামীর মুখপাত্র। আবুল আসাদ সাহেবের একটি কাল্পনিক থ্রিলার সিরিজ ছিল। এখনো পাবলিশ হয় কিনা জানিনা। সাইমুম সিরিজ নামে এই থ্রীলারটি সম্ভবত তিনি লেখা শুরু করেছিলেন বাংলাভাষী মুসলিমদের ইসলামী বিপ্লব টাইপের কিছুর দিকে উদ্বুদ্ধ করতে। ছোটকালে পড়েছি ও অনেক উপকৃতও হয়েছি। যদিও পড়াটা পারফেক্ট ইসলামিক সেন্স অনুযায়ী ঠিক ছিল না বলবো। যাই হোক, কালে কালে এর শেষের পর্বগুলোর বিপ্লবী চরিত্র উধাও হতে লাগলো। টুইন টাওয়ার হামলার পর যেসব বের হইছিল সেগুলাতে মোটামুটি এই ধারণা দিতে সচেষ্ট ছিলেন যে, পশ্চিমা সরকার ইহুদি লবি নিয়ন্ত্রিত বিধায় খারাপ অবস্থা, জনগণ আসলে ভালো। ঠিক যেমন জামাত এক কালের ইসলামী বিপ্লব, ইকামতে দ্বীন থেকে বের হয়ে এখন সেক্যুলার ডেমোক্রেটিক পার্টি হয়ে গেছে সেরকম আরকি। এক পর্যায়ে এই সিরিজের কাহিনীর উপর পাঠকের মতামত নেয়া শুরু হলো। সিলেক্টেড প্রশ্ন আর এর উত্তর দেয়া থাকত শেষের দিকে। এটা এই সিরিজের ধ্বংস নিশ্চিত করে আমাদের মতে। মূল যেটা বলতে এত ভূমিকা সেটা হলো, সেখানে এক প্রশ্ন ছিল তোরাবোরার মুজাহিদ নেতাকে নিয়ে। উনি কি সত্যিই আছেন? তিনি কি আসলেই ইসলামের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন? সম্ভবত তার মধ্যে এই সিরিজের নায়ককে দেখেন এটাও বলছিল পাঠক। সেই সময়ের একজন সাংবাদিক, যার কাছে সব ধরনের তথ্য থাকেই তিনি উত্তর কী দিয়েছিলেন জানেন? খোল্লাম খোল্লা এই ধরনের চরিত্রের অস্তিত্বই অস্বীকার করে বললেন এগুলো নাকি আমেরিকার প্রোপাগান্ডা। এমন কেউই নাই আসলে!! চিন্তা করুন, ওই সময় শায়খের বিভিন্ন ভিডিও অডিও বার্তাও নিয়মিত প্রকাশিত হতো। কারণ কী? কারণ হলো এই জমাতিদের ট্রাডিশনাল আলেম ও এই লেবাসী মানুষদের দ্বীনের খেদমত নিয়ে প্রচণ্ড হীনমন্যতা কাজ করে। একজন দাড়ি টুপি পাঞ্জাবি বা পাগড়ি পরা মানুষের দ্বীনের খেদমত ওদের হিংসার উদ্রেক করে। একই খেদমত ওদের প্ল্যাটফর্ম থেকে করলে সব ঠিক, কিন্তু অন্য কেউ করলে সেসব হাস্যকর!! এজন্যই শায়খ ওবিএল এর অস্তিত্বই এরা অনেকদিন স্বীকার করতে চায়নি। কিন্তু দীপ্তিমান সূর্যের অস্তিত্ব অস্বীকার করলে পাছে না আবার মানুষ তাদের মস্তিষ্কের সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন করে, এজন্য শেষে স্বীকার করলেও নানা কালিমা লেপনের চেষ্টা করে। উনি নাকি টুস টাস ইসলাম কায়েম করতে চায়। আর তারা ধীরে ধীরে ইসলাম কায়েম করতে চায় হেকমতের সাথে।এই কথিত হেকমত করতে করতে মাঝখানে বেপর্দা নারী বসিয়ে সংবাদ সম্মেলনও করা লাগে তাইলে তাও সই। বাট ওবিএল খারাপ। এরা এতই হিংস্র ও বজ্জাত যে, যেহেতু ট্র্যাডিশনাল কোন উলামাদের সমর্থন তারা পায়নি, এজন্য প্রত্যেক নতুন চকচকে ফেতনাকে তারা পৃষ্ঠপোষকতা করে। শুরুতে প্রত্যেক নব্য ফেতনাকে তারা তাজদিদি কাজ মনে করে এবং একনিষ্ঠভাবে পিঠ আগলে দাঁড়ায়। মাজহাবের বিরোধিতা করার ফেতনাকে করেছে, করেছে হাদীস অস্বীকারকারীদের, করেছে ফেমিনিস্ট জিন্দিকদের। এইটা করতে গিয়ে শেষে আবার তারাই এসব খবিসদের থেকে মার খায়। সুতরাং, কোন শিবিরের বা এক্স শিবিরের বেয়াদব শায়খ ওবিএলকে নিয়ে কী বলল তাতে কিছু যায় আসে না। এদের গুরু আর একদম ভদ্র সুবোধরাই যেখানে দেদারছে মিথ্যা বলে যায়, সেখানে দুইদিন আগে বালেগ হওয়া কোন বলদ কী বলছে এসব তো ধর্তব্যই না। ইসলাম কায়েমের নিয়ত দিয়ে শুরু করে এখন তারা সবই কায়েম করে, ইসলামটা বাদে। পুরাই জোক!

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম'ন্দির - সারাদেশেই হঠাৎ করে বিশাল বিশাল ম'ন্দির নির্মাণ হচ্ছে৷ যা শক্তপোক্ত ও সামরিক বেস এর মতো৷ দ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম'ন্দির - সারাদেশেই হঠাৎ করে বিশাল বিশাল ম'ন্দির নির্মাণ হচ্ছে৷ যা শক্তপোক্ত ও সামরিক বেস এর মতো৷ দেশের ইন্টেলিজেন্স ও মিডিয়া আপনারা কোনদিকে মনযোগ দেওয়া উচিত। অথচ দিচ্ছেন কোন দিকে৷ অখণ্ড ভারত চেতনার পতাকার সাথে এই দেশের পতাকা মেলে। শ্লোগান মেলে। হুমকি মেলে। সীমান্তের তৎপরতা মেলে। আপনারা পারবেন এত বিশাল ম'ন্দির গুলোর অর্থনৈতিক সোর্স বের করতে? কখনো ম'ন্দির সার্চ করার ক্ষমতা দেখাতে পারবেন? ইস-কনের শেল্টার ও সাপোর্ট ছাড়া কি এত শতশত অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে? আপনারা পড়ে আছেন ১০০ টাকার পতাকা নিয়ে। নিরহী আমজনতা নিয়ে৷ *একদিন একটা এলাকায় দেখেছি বিশাল উচু দেয়ালের মন্দির। গ্রাম এলাকায় এত বিশাল মজবুত এরিয়া টা আমার কাছে স্বাভাবিক লাগেনি।

ফিফা-প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি একটা আন্ডার-ফিফটিন ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছেন ইজরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে৷ এই ঘোষণার ঠিক আগে ফিলিস্তিনের এক মন্ত্রী বক্তব্য দিয়েছে যে কত নিরপরাধ শিশু মেরেছে আইডিএফ। শুধু তাই না, ভাষণের পর ফিফার প্রেসিডেন্ট জোরাজোরি করেছে যেন ইজরায়েলের মন্ত্রীর সাথে ফিলিস্তিনের মন্ত্রী হাত মেলায়৷ আমি যদি এখন ফিফাকে আমেরিকার পাপেট আর গাজার গণহত্যাকে নর্মালাইজ করার দালাল বলি, ভুল কিছু বলা হবে? ২৫০+ খেলাধুলার ফ্যাসিলিটি ধ্বংস করছে এবং ৫৫০+ খেলোয়ার, রেফারি ও কোচকে হত্যা করেছে৷ আর কতজনকে নির্বিচারে জেইলে নিয়েছে, ঠিক নেই। বাচ্চাদের খুঁজে খুঁজে বন্দি করেছে, এমন ভিডিও আছে। ধর্ষণ করা হচ্ছে বন্দিদের। এই ধর্ষণকে নিয়ে মশকরাও করেছে ওদের মন্ত্রীরা। এমনকি কুকুর দিয়ে ধর্ষণের তথ্য সামনে এসেছে৷ ধর্ষণ নিয়ে হতভম্ব খোদ ইজরায়েলের এক প্রোসিকিউটর। কিন্তু তবু ইজরায়েলকে ব্যান করা হয়নি। অথচ ন্যাটোর প্ররোচনায় ইউক্রেন রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়ালে রাশিয়াকে ব্যান করে ফিফা। ট্রাম্প শান্তিতে নোবেল পায়নি বলে ফিফার তরফ থেকে “Peace প্রাইজ” দেয়া হয়েছে ট্রাম্পকে। তবু ফিফা নাকি স্রেফ একটা এন্টারটেইনমেন্ট প্ল্যাটফর্ম। হাউ এবসার্ড! একটা টার্ম বলি "স্পোর্ট-ওয়াশিং"। আমেরিকার ইমেইজ বাঁচাতে পোষা কুকুরের মতো ফিফা ছুটে বেড়াচ্ছে। তবুও ফিফাকে দোষারোপ করা যাবে না! ফিফার উন্মাদনায় অন্ধ হয়ে আবার গাজার জন্য আফসোস দেখানো — এটা গাজা জেনোসাইড নিয়ে আরেক মশকরা। কাল ফিফা যদি গাজায় হত্যা নিয়ে মশকরাও করে, এক দল বলবে “এটা ডার্ক কমেডি”। - Ovique Rahaman

Repost from Ammarul Hoque
১. ঘরকন্যার সমস্ত কাজে সুদক্ষ হওয়া। অনেকে অনেক আধুনিকতার দীক্ষা দিবে। ঘরের কাজ শুধু নারী করবে কেন ইত্যাদি ইত্যাদি। এসবে কান দেয়া মানে নিজের জীবন নিজে হাতে ধরে ধ্বংস করা। এভারেইজ বাঙালী মেয়ে ঘরের কাজকর্ম না জানলে ধরা। ২. সেলাই ও নানারকম হস্তশিল্প। ফার্স্ট এইড ও বেকিং বেকারি। এই কাজগুলোতে অল্প বিস্তর আয়ও করা যায় সুযোগে সুবিধায়। ৩. আরেকটু এডভান্স হলে আরবি ইংরেজি ভাষা শেখা যেন অপরকে শেখানো যায়। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কাজ জানা। গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শেখা যায়। ঘরে বসে মেধা প্রয়োগ করে যা কিছু শেখা যায় সময় থাকতে শিখে নেয়া ভালো। জীবনের উদ্দেশ্য একেকজনের একেকরকম থাকে। বুঝজ্ঞান থাকলে নিজ জীবনের পরিকল্পনা অভিজ্ঞদের পরামর্শ সাপেক্ষে সাজানোই উত্তম। মেয়েদের জন্য জীবনের শুরু থেক দ্বীনি ও দুনিয়াবি জ্ঞান (শরয়ী সীমারেখায় থেকে) অর্জন করা। নির্দিষ্ট বয়সের পর বিয়ে শাদী হওয়া। সংসার ও নিজের জ্ঞানার্জনকে বৃদ্ধি করা উত্তম প্রজন্ম গড়ে তোলা নিজের জীবনকে ওয়র্দি বানানো।

Repost from Ammarul Hoque
photo content

সেকুলাঙ্গার আর আমাদের জামাতের ভাইরা আফগানিস্তানের ব্যাপারে একদম গলায় গলায় খাতির। যেকোনো প্রপাগাণ্ডা প্রচারে তারা পরষ্পরের কত আপন ও কত চেনা। . ঘটনা হলো, আফগানে সরকারি চাকরিজীবীদের স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করেছে তালেবান সরকার। বাস, বিদেশী মিডিয়া, সেকুলার পাড়া ও জামাতের ভাইয়েরা, সবাই এক সুরে তালেবদের চোদ্দগুষ্টি উদ্ধার শুরু করে দিলো। সেকুলারদের তো টোন ধরা যায়। জামাতের ভাইরা সেই টোনের সাথে আবার লাগিয়েছে ইসলামের ফ্লেভার—এভাবে জনগণের সাথে স্বৈরাচারের মত আচরণ, ব্যক্তিগত জীবনেও এভাবে দখলদারি দেওয়া, এটা তালেবানি শাসন হতে পারে, ইসলাম নয়, ইত্যাদি ব্লা ব্লা.. . অথচ ঘটনা কী দেখা গেলো আখের? মূলত অফিস টাইমে সরাসরি কর্মকর্তা যেনো জনগণের সেবায় পূর্ণ মনোনিবেশ করতে পারে, বসে বসে মোবাইল টিপে সময় নষ্ট না করে, সে জন্যই মূলত এই বিধান। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর সেবার জন্য এত চমৎকার একটি সিদ্ধান্ত, যাকে একটি আদর্শ হিসেব নেওয়া উচিত, সেটাকে সেকুলারদের টোনে এভাবে নিকৃষ্ট করে জামাতের ভাইরা কেন যে করে তা তারাই ভালো জানে।

Repost from DOAM
A UN commission of inquiry says Israel has deliberately targeted Palestinian children, resulting in genocide, crimes against
A UN commission of inquiry says Israel has deliberately targeted Palestinian children, resulting in genocide, crimes against humanity and war crimes in the Gaza Strip, as well as war crimes in the occupied West Bank. The new report says that Israeli authorities and security forces have "deliberately carried out acts inflicting death and severe bodily and mental harm on hundreds of thousands of Palestinian children", and that the killings continued even after last October's ceasefire in Gaza. The commission says it has reasonable grounds to conclude that those acts "form part of a deliberate strategy to destroy the future of the Palestinians in Gaza by targeting their children". https://x.com/doamuslims/status/2070167223927263325?s=46&t=zS1tuN3hqlJnPdWO6rzhcg 🔗 Telegram: t.me/doamuslims 🔗 X: x.com/doamuslims 🔗 WhatsApp: shorturl.at/movz9 🔗 UpScrolled: https://shorturl.at/DTpzs 🔗 Instagram: instagram.com/doamuslims

জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার সনদ যে ইহুদিদের প্রস্তাবিত, আজকে জানলাম। বই: No Enchanted Place Prof. Mark Mazowar, Columbia University
জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার সনদ যে ইহুদিদের প্রস্তাবিত, আজকে জানলাম। বই: No Enchanted Place Prof. Mark Mazowar, Columbia University

Repost from DOAM
Condition of Palestinian journalist after being released from Israeli prison... Palestinian journalist Mujahid bin Muflih was
Condition of Palestinian journalist after being released from Israeli prison... Palestinian journalist Mujahid bin Muflih was held in an Israeli prison for 14 months before being released. After his release, he appeared to be in very poor condition. His drastically changed appearance clearly reflects the hardships, torture, and serious damage to his health endured during his imprisonment. https://x.com/i/status/2070104970846748809 🔗 Telegram: t.me/doamuslims 🔗 X: x.com/doamuslims 🔗 WhatsApp: shorturl.at/movz9 🔗 UpScrolled: https://shorturl.at/DTpzs 🔗 Instagram: instagram.com/doamuslims

Repost from DOAM
Uzbek Muslim father, who was charged for posting a video of his child reciting the Quran on social media, has paid off the fine and thanked the Muslims who came forward and offered to pay off his fine. "I also paid off the fine for my country. Thank God, I managed to do it just one day before the 50% discount period ended. I was amazed by the generosity of our compatriots. There were so many people saying, 'Send me your account number, I will pay it for you.' May Allah be pleased with all of them." "Actually, I am not upset about being fined or punished. Because I wasn't punished for theft or fraud. I was punished for reciting the Quran. I hope to receive a reward for this from Allah Almighty." The Uzbek father was charged for “illegal production, storage, import, or distribution of religious materials.” https://x.com/i/status/2069764444209479764

জিয়াউল আহসান পৃথিবীর বড় বড় ঘাত**কদের ছাড়িয়ে গেছে কোনো সন্দেহ নাই।
জিয়াউল আহসান পৃথিবীর বড় বড় ঘাত**কদের ছাড়িয়ে গেছে কোনো সন্দেহ নাই।

পড়াশোনা থামিয়েন না। পড়া থামালে থেমে যাবেন নিজেই। পড়েন, পড়ান। আশপাশের মানুষকে পড়ুয়া বানান।
পড়াশোনা থামিয়েন না। পড়া থামালে থেমে যাবেন নিজেই। পড়েন, পড়ান। আশপাশের মানুষকে পড়ুয়া বানান।

Repost from DOAM
NEW: Five men have been stabbed in a series of anti-Muslim attacks as a bare-chested man was seen roaming the streets of Edinburgh with a large weapon. He said after his arrest: "I'm protecting the country from these fu* Muslim bas* raping our young daughters" The attacks began near a mosque in the west of the city, where two men were injured, on Friday night. Footage posted on social media appears to show the same man vandalising a petrol station and battering the door of a pizzeria several miles away on Leith Walk before being held on the ground by police. A 36-year-old white man has been arrested and counter terrorism officers have joined local Police Scotland colleagues in an ongoing investigation. https://x.com/i/status/2068404955589886301