☘️গল্প কথা - Golpo Kotha🌼
رفتن به کانال در Telegram
তুমি মানুষকে যা দিয়েছো প্রতিদানে অনুরূপ আশা করো না, কারণ সবার কাছে তোমার মতো হৃদয় নাও থাকতে পারে! ☺️❤️ আপনার লেখা পাঠান: @GolpoKothaBot 📮 Community > @LINK_TREES ☘️ Admin > @FLYNN_LOYAL 🤍 Buy Ads > t.me/Loyalads
نمایش بیشتر9 027
مشترکین
+124 ساعت
+827 روز
+26630 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+281
در 2 کانالها
ژوئن '26
+384
در 1 کانالها
Get PRO
مه '26
+322
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+364
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '26
+191
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+118
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+169
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+148
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+158
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+164
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+170
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+211
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+225
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+197
در 1 کانالها
Get PRO
مه '25
+207
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+190
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '25
+227
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+186
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+283
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+412
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+553
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+566
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+623
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '24
+715
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+535
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+475
در 1 کانالها
Get PRO
مه '24
+466
در 1 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+380
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '24
+412
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+440
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+879
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+759
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+268
در 2 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+287
در 2 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+137
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+82
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+66
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+71
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+93
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+379
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 22 ژوئیه | +11 | |||
| 21 ژوئیه | +11 | |||
| 20 ژوئیه | +13 | |||
| 19 ژوئیه | +18 | |||
| 18 ژوئیه | +33 | |||
| 17 ژوئیه | +16 | |||
| 16 ژوئیه | +15 | |||
| 15 ژوئیه | +10 | |||
| 14 ژوئیه | +11 | |||
| 13 ژوئیه | +4 | |||
| 12 ژوئیه | +17 | |||
| 11 ژوئیه | +9 | |||
| 10 ژوئیه | +14 | |||
| 09 ژوئیه | +10 | |||
| 08 ژوئیه | +7 | |||
| 07 ژوئیه | +17 | |||
| 06 ژوئیه | +14 | |||
| 05 ژوئیه | +11 | |||
| 04 ژوئیه | +6 | |||
| 03 ژوئیه | +14 | |||
| 02 ژوئیه | +8 | |||
| 01 ژوئیه | +12 |
پستهای کانال
মানুষ দূর থেকেই সুন্দর। খুব কাছে গেলে নাকি আগ্রহ ফুরায়ে যায়, দূরত্ব বাড়ে। সবটুকু জেনে ফেললে নাকি ভীষণ মায়া পোষা মানুষগুলোকেও আর ভালো লাগে না!
কিজানি! আমার বেলায় একদম অন্যরকম। আমার কাছে মানুষ বইয়ের মতোন। বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে বড়জোর ভালো লাগা তৈরী হতে পারে, কিছুটা পছন্দের হতে পারে। কিন্তু প্রিয় বই হয় তখন, যখন সবটুকু পড়া হয়, জানা হয়, বোঝা হয়। কিংবা থ্রিল না বোঝায় তাকে বোঝার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়।
মানুষের সাথে আমি যতো বেশি মিশতে থাকি, তাকে ততো বেশি ভালো লাগে। খুঁত সমেত, ভুল সমেত। যতো বেশি জানি, ততো বেশি প্রিয় হয়, আপন হয়ে ওঠে। যেটুকু বুঝতে পারি না, সেটুকু বোঝার যে চেষ্টা চালাই তাও ইন্টারেস্টিং লাগে। আমার ক্ষেত্রে দূর থেকে বড়জোর হয় ভালো লাগা। জানতে জানতে হয় ভালোবাসা।
| 2 | মোম আর মানুষের মনের মাঝে ভীষণ মিলের
ব্যাপারটা হলো
"মোম যেমন গলে যাওয়ার পর শক্ত হয়,
ঠিক তেমনি মানুষের মনও ব্যাথা পাওয়ার পরই শক্ত হয়" 🖤🕊️ | 389 |
| 3 | কী করে বলি, তুমি আমার হৃদয়ের কতখানি জুড়ে আছো?
হয়তো তুমি আজ অন্য কারও ঘরের রানি,
তবুও আমার মনের একমাত্র হৃদয়হরিণী তুমি।
মানুষ কি চাইলেই তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে ভুলে যেতে পারে?
সবার সামনে ভুলে থাকার অভিনয় করা যায়,
কিন্তু দিনের শুরু থেকে দিনের শেষ পর্যন্ত
তার স্মৃতিই নীরবে সঙ্গী হয়ে থাকে।
হয়তো কেউ জানবে না, কেউ বুঝবেও না—
তোমাকে নিয়ে আমার কল্পনা, ভাবনা আর অনুভূতির কোনো শেষ নেই।
একতরফা ভালোবাসায় হয়তো পূর্ণতা থাকে না,
তবুও কিছু কষ্টের মাঝেই নিজের সুখ খুঁজে নিতে হয়।
লেখক: নির্জন আহমেদ নবিতা | 419 |
| 4 | বাস্তবে হয়তো কেউ পাশে থাকে না, তবুও মনের ভেতর একটা মানুষ ঠিকই থেকে যায়। কখনো সে স্মৃতি হয়ে, কখনো অপূর্ণ ইচ্ছে হয়ে, কখনো বা না বলা ভালোবাসা হয়ে নীরবে সঙ্গ দেয়। মানুষ একা ঘুমায়, একা পথ চলে-কিন্তু তার কল্পনা, তার ভাবনা, তার হৃদয়টা খুব কমই একা থাকে। কারণ কিছু মানুষ বাস্তবে হারিয়ে গেলেও, মনের ভেতর আজীবন থেকে যায়...!
♠️ @MittheSpondon | 340 |
| 5 | একা বসে থাকি নীরব বিকেলে,
কথা জমে থাকে বুকের কোণে,
চারপাশ ভরা মানুষে মানুষে,
তবু আমি শূন্য একা মনে।
রাত জাগে, আমি জাগি একা,
চাঁদও যেন দূরে সরে যায়,
নিজের ছায়াই সঙ্গী হয়,
একাকিত্ব ধীরে বলে যায় কথা।
পথ চলে যায় দূরে সরে
সঙ্গী থাকে না কেউ,
একাকিত্ব হাত ধরে বলে,
“আমি আছি, ভয় পেও না তবুও।” | 444 |
| 6 | আমার সারাক্ষণ তোমার আশপাশে থাকতে ইচ্ছে করে, তোমার সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করে, নানান বিষয়বস্তু নিয়া গল্প করতে ইচ্ছে করে, আনন্দের কোন ঘটনা ঘটলে সবার আগে তোমাকে জানাতে ইচ্ছে করে। আজকাল কোন উপন্যাসটা পড়তেছি, কোন কবিতাটা পড়লে মন ভারি হয়ে যায়, কোন সিনেমাটা দেখে খুব কেঁদেছিলাম, কোন গানটা শুনলে মন ভালো হয়ে যায়, সে-সবও বলতে ইচ্ছে করে।
তোমাকে বলতে ইচ্ছে করে, আমার সবচেয়ে প্রিয় খাবার কি? ঝাল কম খাই-না কি বেশী। বিজ্ঞানে বেশী বিশ্বাস নাকি ভূতে? তোমাকে ভাবতে ইচ্ছে করে তোমার উপস্থিতিতে, তোমার অনুপস্থিতিও।
তোমার জন্য কিনতে ইচ্ছে করে জীবনানন্দের ধানসিঁড়ি নদীটি। সে নদীর পাশে একটা বাড়ি বানাতে ইচ্ছে করে। বাড়ির আঙিনায় তোমার সবচে প্রিয় ফুলের বাগান করতে ইচ্ছে করে।
সুন্দর কোন শাড়ি দেখলে সেটা পরলে তোমাকে কেমন মানাবে চোখ বুজে সে হিসাব নিকাষ করতে ভাল্লাগে। তোমাকে বলতে ভাল্লাগে জীবনের প্রথম পাওয়া দুঃখের কথা, প্রথম মন ভাঙার কথা, প্রথম প্রতারিত হওয়ার কথা।
তোমাকে দুঃখ পেতে দেখলে কেটলির গরম জলে ফুটন্ত চা-পাতার মত আমার অস্থিরতা বেড়ে যায়। আমার ইচ্ছে তামাম দুনিয়া তন্নতন্ন করে খুঁজে আনি রুপকথার রুপকাঠি, যে কাঠির ছোঁয়াতে তোমার সব দুঃখ মুছে যাবে। তোমার সবকয়টি চুলে আঙুল বুলাতে ইচ্ছে করে, তোমার জ্বরের কপালে হাত রেখে মমতায় ভরিয়ে দিয়ে হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে ' মায়ের মতোই ভালো'।
ভালোবাসি বলার চেয়ে, ভালোবেসে যা করলে তোমার জীবন সহজ হয়ে যাবে তোমার জন্য আমার তা করতে ইচ্ছে করে। সবাই তো আর ভালোবাসি বলতে পারে না, ভালোবাসা প্রকাশের ধরনও তো সবার এক না। ভালোবেসে কেউ ফুল বলে, আবার ভালোবেসে কেউ ফুল কিনে আনে। দুটোই ভালোবাসা, শুধু বহিঃপ্রকাশ ভিন্ন।
আচ্ছা আমি যে তোমাকে ভালোবাসি, এইটা প্রমাণ করতে কি আমার এসব ইচ্ছে, অস্থিরতা, চেষ্টাই যথেষ্ট না? ভালোবাসা প্রকাশের জন্যে ভালোবাসি শব্দটা বলা কি খুব গুরুত্বপূর্ণ?
লেখা: আরিফ হুসাইন | 559 |
| 7 | ভালোবাসার কথা এতো ভেঙেচুরে বলা যায়না
তাহলে ভালোবাসার সুবাস সুন্দর্য দুটাই নষ্ট হয়ে যায়।
ভালোবাসার বসবাস অন্তরের মনিকোঠায়! 🌼 | 629 |
| 8 | মেয়ে মানুষ আষাঢ় মাসে এক জোড়া দোলনচাঁপা না পাওয়ার আফসোস করে! সারাজীবনে কখনো পার্টনার চিঠি দেয় নাই বলে কষ্ট পায়! সঙ্গী তার পছন্দের রং জানে না বলে দুক্ষ পায়! কিন্তু একটা মেয়েরেও দেখলাম না রোল্যাক্স ঘড়ির জন্য দুক্ষ করতে! অথবা ডিওরের ফাউন্ডেশন কিনে না দেয়ার জন্য কষ্ট পাইতে! পার্টনারের বি এম ডাব্লিউ নাই বলেও কেউ আফসোস করলো না! কি অদ্ভুত!
আম্মা বলতেন মানুষ বড় বড় স্বপ্ন দেখে ঠিকই কিন্তু সেগুলো পূরণ না হলেও জীবন চইলা যায়! কিন্তু ছোটো ছোটো স্বপ্ন? সেগুলা ভেঙে গেলে মানুষ ফুরায়ে যায়!
এই জন্যই হয়তো হুমায়ুন আজাদ লিখেছিলেন ,"আমি সম্ভবত খুব ছোটো কিছুর জন্যই মরে যাবো"! | 717 |
| 9 | আর্জেন্তিনা হারায় আমার খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু একটা বিষয়ে খুশি যে, ঐ টীমের টক্সিক ফ্যানবেজের মুখ বন্ধ করা গেছে। কাল ফেসবুকে স্প্যামিং করেছি ঐ টক্সিক লোকগুলোর জন্য। আর খেলায় হারলে স্ল্যাজিং, ট্রোলিং এইসব থাকবেই। যে জিতবে সে প্রশংসা পাবে আর যে হারবে সে তিরস্কৃত হবে। পরাজয় কেউ সেলিব্রেট করে না। করতে পারে না। পর্তুগাল হারায় আর্জেন্তিনার ফ্যানরা যা করছিল তা যেমন আমাদের বুকে তিরের মতো এসে বিঁধছিল, কালকের হারের পরও আমরা তির ছুঁড়েছি আর জায়গা মতোই লেগেছিল।
শেষমেশ এই কথাই বলবো, Justice has been delivered and football won... | 672 |
| 10 | চকলেট বালিকা
— মুহাম্মদ লিটন ইসলাম
ঝিরঝির বৃষ্টিতে, কারো নেই দৃষ্টিতে,
চুপচাপ বসে আছে, রেগেমেগে ফুলে আছে—
চকলেট প্রেমিকা!
ভালোবাসে ধরেছে বায়না,
বুকে তুলে নেয় না, চকলেট দেয় না;
মেঘে মেঘে গর্জনে, নীরবে ক্রন্দনে
কেটে যায় বেলা!
চকলেট বালিকার চকলেটে জীবিকা,
স্বপ্নের শহরে, চকলেট নগরে সারা সময় কেটে যায়।
কাল থেকে কে যেন কী হলো! কেউ এসে চলে গেল—
চকলেট দিল না, ভালোবাসা নিল না।
কাল শেষে বেলা রেখে, চোখে মুখে দুখ মেখে,
একা একা পথে পথে পাড়ি দিল মেলা দূর;
শিখে এসে ভুলে গেছে নীতিকথা, মেলা সুর।
স্মৃতি পাতায় গেঁথে রেখে চকলেটী ঘ্রাণ,
চুপচুপে ভরছে জীবনের অভিধান
👀 t.me/Bangla_Poetry | 685 |
| 11 | sticker.webp | 796 |
| 12 | কী করে বলি, তুমি আমার হৃদয়ের কতখানি জুড়ে আছো?
হয়তো তুমি আজ অন্য কারও ঘরের রানি,
তবুও আমার মনের একমাত্র হৃদয়হরিণী তুমি।
মানুষ কি চাইলেই তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে ভুলে যেতে পারে?
সবার সামনে ভুলে থাকার অভিনয় করা যায়,
কিন্তু দিনের শুরু থেকে দিনের শেষ পর্যন্ত
তার স্মৃতিই নীরবে সঙ্গী হয়ে থাকে।
হয়তো কেউ জানবে না, কেউ বুঝবেও না—
তোমাকে নিয়ে আমার কল্পনা, ভাবনা আর অনুভূতির কোনো শেষ নেই।
একতরফা ভালোবাসায় হয়তো পূর্ণতা থাকে না,
তবুও কিছু কষ্টের মাঝেই নিজের সুখ খুঁজে নিতে হয়।
লেখক: নির্জন আহমেদ নবিতা | 846 |
| 13 | সে কখনো মন থেকে উঠেই যেত না.! এই মনেই তার স্থান ছিল, এই মনের যত্নে লালিত প্রেম তাকে উৎসর্গ করেছি! তবে, তার কিছু অসম্মানে, অযত্নে, অপমানে আমি দুঃখক্রান্ত হয়ে ফিরে গেছিলাম!আজীবনের জন্য মুছে ফেললাম তাকে! পরিশেষে মন থেকেই উঠে গেল.! 🍂 | 927 |
| 14 | ক্ষমা আমি হয়তো করে দিই, কিন্তু ভুলে যাওয়ার ক্ষমতা ঈশ্বর আমাকে দেননি। যারা আমার সরলতাকে দুর্বলতা ভেবে আঘাত করেছিল, তাদের দেওয়া প্রতিটি ক্ষত আমি মনের দেয়ালে ফ্রেমে বাঁধিয়ে রেখেছি। সময় বদলায়, কিন্তু অবহেলার স্মৃতিগুলো চিরকাল অক্ষত থাকে। | 1 069 |
| 15 | আমি জানি কতটা বেহায়া আমি,
জেনেও তুমি অন্য কারো ঘরের বউ,
তবুও এই মন মানে না বাধা,
তোমাকেই ভালোবেসে যায় নিরবধি, নিঃশব্দে সবখানে।
সমাজ বলে এ ভালোবাসা পাপ,
হৃদয় বলে এ ভালোবাসা সত্য,
দুইয়ের মাঝে ফেঁসে থাকা আমি একা,
নিজেকেই প্রশ্ন করি বারবার — কেন এমন হলো?
তুমি হয়তো জানো না, কিংবা জেনেও চুপ,
আমি তবু থামতে পারি না এই মন,
বেহায়ার মতো আগলে রাখি তোমার স্মৃতি,
যদিও জানি, তুমি আমার হওয়ার নও কোনোদিন।
কতটা অপরাধী আমি নিজের কাছে,
তবুও ভালোবাসাটা তো মিথ্যে নয়,
হয়তো এই ভালোবাসা কোনোদিন বলা হবে না,
তবু বুকের ভেতর থেকে যাবে চিরকাল।
লেখক_নির্জন আহমেদ নবিতা | 1 199 |
| 16 | অপূর্ণ চাওয়া
শুনেছি বৃষ্টি দিলেই নাকি ময়ূরী নিত্য করে,
কিন্তু ময়ূর কি সে খবর রাখে!
নাকি দুজনেই ভেসে যায় বৃষ্টির জোয়ারে!
এমনিই বৃষ্টিতে পেয়েছিলাম এক ময়ূরের দর্শন,
নৃত্য করেনি সে,তবুও করেছিল আমার চিত্ত আকর্ষণ।
এক পশলা বৃষ্টিতে যখন সে এসে দাড়িয়ে ছিলে আমার পাশে,
সেদিন কি আর জানতাম আমার মন এমনভাবে হরণ করবে!
বৃষ্টিতে ভেজে আস্তে আস্তে হেঁটে আসছিলে তুমি,
তোমাকে দেখে প্রথম বলা শব্দটি ছিল
"বেয়াক্কল"
অবাক হয়ে বললে, কী?
"যার নেই কোনো আক্কল।"
আমার দিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ না করে চলে গেলে,
বিশ্বাস করো সেদিন কল্পনাও করি নি, বৃষ্টি এভাবে আমায় বদলে দেবে।
বৃষ্টি ভেজা চুলগুলো লেপটে ছিল কপালে,
তোমার গাল বেয়ে পড়ছিলাম বৃষ্টির ফোঁটা,
তখন বোঝিনি হবে কোন এক নতুন সূচনা।
আজও বৃষ্টি এলে আমি তাকিয়ে থাকি সুদূর পানে,
তোমার সেই বৃষ্টি ভেজা মনটা চুরি করবো বলে।
ঐ এক মুহূর্তের একটুকরো হাসি আমার এতটা উতলা করলো, যখন তুমি আবার খুশি হয়েছিলে আমায় দেখে।
জানি না সেটা খুশি ছিল নাকি ভৎর্সনা,
ভালোলাগা নাকি ভালোবাসা!
শুধু এটা জানি সেদিন তোমার মায়াবী চোখে খেলছিল কোন এক রহস্যময়ী খেলা।
আমি জানি না প্রিয়, কেন তোমাতে মজিল মন,
রোজ তোমার সাথে দেখা হতো, যার ছিল না কোনো কারণ।
হয়তো নিয়তি চেয়েছিল দেখা হোক তোমার আমার,
কথা হোক, সৃষ্টি হোক কোন এক গল্পকার।
হঠাৎ করে তুমি চলে গেলে, ফেলে গেলে মায়া,
তোমার পথ চেয়ে বৃষ্টিতে ভেজতাম একেলা।
তারপর অনেক দিন পর আবারও বৃষ্টিতে দেখা হয়ছিল তোমাতে - আমাতে, কত কথার পর
জিজ্ঞেস করেছিলে আমার বৃষ্টি কেমন লাগে?
বলেছিলাম তোমার চোখে চোখ রেখে,
আমার বৃষ্টি নয়, মেঘ ভালো লাগে,
মেঘগুলোই তো আসে তোমার প্রিয় বৃষ্টি হয়ে।
সেদিন তোমার চোখ বোঝেনি আমার চোখের ভাষা,
বিদ্রুপে হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলে আমার সকল কবিতা।
তারপর!
তারপর আর হয়নিকো দেখা, নাতো তার সাথে নাতো বৃষ্টির সাথে!
বৃষ্টি দিয়ে গল্পের শুরু কিন্তু শেষ হলো না বৃষ্টিতে,
না পারলাম জানতে মনের কথা, না পরলাম তার সাথে ভিজতে বৃষ্টিতে।
আজও হয়তো ময়ূর-ময়ূরী নৃত্য করে পেলে বৃষ্টির দেখা, আর আমি
ছন্নছাড়া একেলা,
বৃষ্টি এলেই করি তার অপেক্ষা,
সে ছিলো আমার জীবনের অপূর্ণ এক চাওয়া,
যার পূর্ণতা কিসে আজও পারলাম না জানিতে!!
কলমে:- পলি রানী দেবী | 1 100 |
| 17 | ইনস্টাগ্রামে রস ডাফারের পোস্ট থেকে জানতে পারলাম গতকাল স্ট্র্যাঞ্জার থিংস রীলিজের বছর দশেক পেরিয়ে গেছে। একটা দীর্ঘ সময় ধরে স্ট্র্যাঞ্জার থিংস আমার সামনে ঘোরাফরা করছিল। কোনো মুভি বা সিরিজ খুঁজতে যে কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকলে সামনে সাজেশন চলে আসতো। কিন্তু আমি ইগনোর করে যাচ্ছিলাম। ট্রেলার দেখে ভালো লাগেনি প্রথমটায়, সত্যি বলতে। কয়েকটা বাচ্চা মিলে এদিক ওদিক ছুটোছুটি করবে আর রহস্য সমাধান করে বেড়াবে, এসব জিনিসপাতি দেখার ইচ্ছা হয়নি তখন। অন্তত ট্রেলার দেখে তো আমার এমনটাই মনে হয়েছিল।
একবার আমার লাইফে ভীষণ ট্র্যাজেডি চলছিলো। তখন ভালো সিনেমা বা সিরিজ দেখতে চাইছিলাম। কিন্তু মানসিক অবস্থা এমন ছিল যে, তখন আমার কোনো গুরুগম্ভীর বা হাইলি ইন্টেলেকচুয়াল নোলান টাইপ স্টাফ দেখতে মোটেও ইচ্ছে হচ্ছিল না। তাই ভেবে ভেবে শেষমেশ স্ট্র্যাঞ্জার থিংস দেখবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। আর সেই সিদ্ধান্ত আমার ওপর টনিকের মতো কাজ করেছিলো।
তখনও সিজন ফোর বেরোয়নি। আমি সিজন ওয়ান দেখতে শুরু করলাম। আমার চরিত্রগুলোকে ভালো লাগতে শুরু করলো। তারপর সিজন টু শুরু করলাম। দেখে নিলাম একটানা। তারপর সিজন থ্রি। সেটাও একটানা দেখে নিলাম। দুদিনে তিনটে সিজনই দেখে নিয়েছিলাম। সিরিজটার প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে ভালোবেসে ফেললাম। মনে হতে থাকলো, এরা আমার নিজেরই লোক। ডাফার ব্রাদার্স এতো সুন্দর করে ক্যারেক্টারগুলো লিখেছে আর পুরো গল্পের প্রেজেন্টেশন এতো আকর্ষণীয় ছিল যে শেষ না করে স্ক্রিন থেকে চোখ সরানো দায় হয়ে গিয়েছিল।
আমি কোনো যুক্তি তর্ক ছাড়াই এতকাল যাবৎ এই সিরিজকে আমার দেখা মোস্ট এন্টারটেইনিং সিরিজ হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম। ঐ যে কিছু লোক জিজ্ঞেস করে না যে, তোমার যদি আগের সব স্মৃতি হারিয়ে যায় তাহলে তুমি কোন সিরিজ আবার দেখতে চাইবে? আমি নির্দ্বিধায় স্ট্র্যাঞ্জার থিংসের কথাই বলবো। তবে একটু ভাবতে বসলাম যে, এক্সাক্টলি কী কী আছে ঐ সিরিজটায় যার জন্য এটা আমার এতো প্রিয় হয়ে উঠলো?
প্রথম কথা হচ্ছে, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার নিজেদের ভয়েস পেয়েছে। মাইক, ডাস্টিন, লুকাস, উইল, ইলেভেন থেকে শুরু করে ন্যান্সি, স্টিভ, জোনাথন, জয়েস সবাই। জিম হপারের ভয়েসও বাদ যায়নি। মানে সবাই। প্রত্যেকের মনস্তত্ত্ব ও ভাবনা থেকে একেকজনের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব প্রিসাইজলি ডাফার ব্রাদার্স দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং সফলও হয়েছেন৷ একেবারে পারফেক্ট কামিং অফ এইজ জঁরের ক্যাটাগরিতে পড়ে। প্রসঙ্গতঃ ইউটিউবে কদিন আগেই এই জঁরের নামটা জানলাম।
সবারই লাইফ স্টোরি, বন্ধু্ত্ব, প্রেম, ট্রমা, বিচ্ছেদ, মৃত্যুর মুখোমুখি চলে যাওয়া তাদের চরিত্রের আলাদা আলাদা একেকটা দিক উন্মোচন করে দেয়। বিশেষ করে, সিজন ওয়ানের সবচেয়ে হেটেড ক্যারেক্টার থেকে স্টিভের একেবারে ফ্যান ফেভারিট হয়ে ওঠার ব্যাপারটা।
আর গল্পটা আদ্যোপান্ত হররও নয়, সাইন্স ফিকশনও নয়। অনেক কিছুর মিশেল আছে এখানে। মিস্ট্রি আছে, কমেডি আছে, এডভেঞ্চার আছে, রোমান্টিক এঙ্গেল, ট্র্যাজেডি আছে। এগুলো ছাড়াও পুরো হকিন্স টাউনের এটমোস্ফিয়ারটা আমার দারুণ লেগেছে। ছোট টাউন। তার মধ্যে ছোট ছোট বাসা। মাইকদের বাইক রাইডিং, স্কুলে যাওয়া, ডাঞ্জন্স এন্ড ড্রাগন্স খেলা, মর্স কোডের ব্যবহার, এডির হেলফায়ার ক্লাব, এসব থেকে শুরু করে তাদের মধ্যে যে একটা ইন্টেন্স ফ্রেন্ডশিপ দেখিয়েছে, যে ফ্রেন্ডশিপের জন্য যারা নিজের জীবনের তোয়াক্কা পর্যন্ত কেউ করেনি, তারপর আপসাইড ডাউনের যে জগৎ, ডেমোগর্গ থেকে ডেমোডগ আর শেষে তো সিজন ফোরে হেনরির আবির্ভাব। আহা! সিজন ফোর গোটা সিরিজের বেস্ট সিজন ছিল আমার মতে।
সিরিজের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর। এই সিরিজে বিভিন্ন মিউজিক এডপ্ট করা হয়েছে সিচুয়েশনের সাথে আর মৌলিক সঙ্গীত তো আছেই। এখনও হুট করে কোনো রীলস বা অন্য কোথাও শুনলে ভাবুক হয়ে যাই। পুরনো দিনগুলো মনে পড়ে আর সিরিজটা আবারও দেখার ইচ্ছে হয়৷ যদিও বেশ কয়েকবার দেখে নেওয়া হয়েছে এর মধ্যে। আবারও দেখতে ইচ্ছে হয়।
আমি সবগুলো ক্যারেক্টারই ভীষণ পছন্দের। কিন্তু আমি সবার উপরে রাখবো ডাস্টিন আর ন্যান্সিকে। ডাস্টিন এমন একটা ক্যারেক্টার যা আমি বাস্তবে হতে চেয়েও হতে পারিনি। আর ন্যান্সির অমন সাহসী, এলিগেন্ট, এমবিশিয়াস, লিডিং ব্যক্তিত্ব আমাকে ভীষণরকম মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে যখন ও স্টিভকে ছেড়ে দিয়ে জোনাথনকে চুজ করেছিল তখন।
আর আমি ডাফার ব্রাদার্সের প্রতি ভীষণরকম ইমপ্রেসড হয়ে গিয়েছিলাম তখন। ইউটিউবে খুঁজে খুঁজে ওদের সব ইন্টারভিউগুলো দেখতে শুরু করে দিয়েছিলাম। আই ওয়াজ লাইক, তোমরা ভাই কীভাবে এমন কিছু লিখতে পেরেছো? তোমাদের তো ভায়া কাল্টিভেট করতেই হচ্ছে। এতো ডিটেইল কীভাবে এরা মাথায় রাখলো ভেবেই অবাক লাগে। একেকটা সিজনের সাথে বাকিগুলো অদ্ভুত নিপুণতার সাথে জুড়ে দিয়েছিল যে কোনো খুঁত ক্বদাচিৎই চোখে পড়ে।
Max Rab | 917 |
| 18 | বর্ষার আকাশে জমে থাকা কালো মেঘেরদিনগুলোর অবসান ঘটে আকাশ যখন এক টুকরো নীল মখমলের মতো হেসে ওঠে, তখন প্রকৃতিতে শরতের আগমন ঘটে। বর্ষার বৃষ্টির জলে সব আবর্জনা,কাদা ধুয়ে প্রকৃতির রূপ নিটোল ও সতেজ হয়ে ওঠে। ভোরের শিউলি ফুলের সুবাশ, নদীর পাড়ে সাদা কাশফুল ফুটা আর বিল,ডোবায় জমে থাকা পানিতে শাপলা ফুলের ফুটার মধ্যে দিয়ে প্রকৃতি শরৎকে বরণ করে নেয়। ঠিক এমন সৌন্দর্যপূর্ণ সময়ে শহরের এক কোণে 'গ্রাম সাইট' এ দাঁড়িয়ে থাকা একটা পরিত্যক্ত দোতলা বিশাল বাড়ির দিকে তাকালে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ অনুভব করা যায়। ইটগুলো সাধারণ বাড়ির মতো নয়, প্রাচীনকালের বিশাল আকৃতির চওড়া ইট—যা থেকে বোঝা যায় বাড়িটি অনেক বছরের পুরনো। হয়তো মালিকের বাবার আমলের হতে পারে।
বর্ষার অবিরাম বৃষ্টির পানিতে ভিজে বাড়িটির দেয়াল জুড়ে বিস্তার করে উঠেছে সবুজ শ্যাওলা। দেয়ালের বাইরে নীল রং করা। অযত্নে দেওয়াল থেকে রং জায়গায় জায়গায় ঝরে পড়েছে, কিছু কিছু জায়গায় ভিতরের সাদা রঙের ফিনিশিং এর আস্তরণ দেখা যাচ্ছে। আবার কোনো কোনো জায়গায় ইটের দেওয়ালের ওপর দেওয়া সিমেন্টের আস্তরণগুলো ও পড়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে যে কেউ প্রথম দেখায় ধরে নেবে, হয়তো অনেক যুগ ধরে কেউ এই বাড়িতে থাকে না। দেখে মনে হচ্ছে যেন সময়ের আবর্তনে বাড়িটির জীর্ণ কঙ্কাল বেরিয়ে পড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেল বাড়িটার মালিক সপরিবারে অনেক বছর ধরে লন্ডনে বসবাস করে। সেই কারণে বিশাল এই বাড়িটি একদম ফাঁকা পড়ে আছে। জনসমাগনহীন এই নিস্তব্ধ বাড়িটার দিকে তাকালে মনে হয়, সে যেন অতীত যুগের কোনো এক রহস্য বুকে চেপে একলা দাঁড়িয়ে আছে।
দুৰ্ভাগ্যবশত সাজিদের বাবার চাকরির বদলির কারণে সাজিদের পরিবার শহরের এই বাড়িতে ভাড়া উঠছে।সবুজ শ্যাওলার আস্তরণে ঢাকা এই পরিত্যক্ত বাড়িটার দোতলার একটা ফ্ল্যাটেই সাজিদের পরিবার উঠেছে। নিচের তলার প্রায় সব রুম তালাবদ্ধ। বাড়ির মালিকরা লন্ডন চলে যাওয়ার সময় তালাবদ্ধ রুমগুলোতে তাদের সব পুরনো আসবাবপত্র ঢুকিয়ে রেখে গেছে। নিচের তলায় একটা চাপা ঘর আর একটা লাইব্রেরি আছে। এই সবকিছু থেকে বোঝা যায় বাড়ির মালিক রুচিসম্পন্ন মানুষ।
বাড়িটার পেছনের দিকটা একদম ফাঁকা, জনমানবহীন। যত দূর চোখ যায়, শুধু ধূ ধূ প্রান্তর—যেন কোনো এক বিস্তীর্ণ মরুভূমি। তবে এই রুক্ষ জমিতেও ফসল ফলে, চাষবাস হয়।
সাজিদের ঘরের জানালা আর ব্যালকনি থেকেই এই প্রকৃতির এক অদ্ভুত ও নিঝুম সৌন্দর্য চোখে পড়ে। ঘরের জানালার পাশেই সাজানো রয়েছে তার পড়ার টেবিলটি, যেখানে নানা রকমের বই নিখুঁতভাবে গোছানো। নতুন শহর, চারপাশটা একদম অচেনা হওয়ায় এখানে সাজিদের কোনো বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিত কেউ নেই। তাই তার দিন কাটে খেয়ে, ঘুমিয়ে আর টেবিলে বসে বইয়ের পাতায় ডুব দিয়ে। আর যখন ঘরের বইগুলোতে মন ভরে না, তখন সে চুপচাপ নেমে যায় নিচের তলার সেই রহস্যময়, পুরোনো লাইব্রেরিটাতে। সেখানে ধুলোবালি আর প্রাচীন বইয়ের গন্ধের মাঝে হারিয়ে যায় সাজিদের সারাটা দিন।
অপরিচিত শহর, অচেনা পরিবেশ আর একাকীত্ব—সব মিলিয়ে সাজিদের দিনগুলো কাটছিল তীব্র বিরক্তি আর হতাশায়। চারপাশের এই নিস্তব্ধতা যেন তাকে ক্রমশ গ্রাস করছিল।
এমনই এক অলস দিনে, সাজিদ সামনের বারান্দায় এসে দাঁড়াল। হাতে গরম কফির মগ, চুমুক দিতে দিতে সে বারান্দায় পায়চারি করছে আর বাইরের রাস্তাটা দেখছে। ঠিক তখনই বাড়ির মেইন গেটের সামনে এসে থামল পুরোনো মডেলের, মেটালিক গ্রে রঙের একটা গাড়ি।
গাড়িটা থামতেই ভেতর থেকে নেমে এলেন এক মাঝবয়সী ভদ্রলোক। বয়স আনুমানিক ৪৫ থেকে ৪৮ বছরের মতো হবে। তাঁর অবয়ব আর পোশাক-আশাকে একটা গম্ভীর ও মার্জিত ভাব। ভদ্রলোক গাড়ি থেকে নামার পরপরই তাঁর ড্রাইভার লাগেজ আর বেশ কিছু আসবাবপত্র গাড়ি থেকে নামাতে শুরু করল।
ঠিক তখনই গাড়ির পেছনের দরজাটা খুলে গেল। গাড়ি থেকে নেমে এল অপরূপ সুন্দর এক তরুণী। গায়ের রঙটি তার হালকা শ্যামলা, কিন্তু তার মুখের অবয়বে জড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত ও শান্ত মায়া। তাকে প্রথমবার দেখলে মনে হবে, সে যেন এক রহস্যময়ী মায়াবতী। তার পরনে জড়িয়ে থাকা গাঢ় নীল রঙের কাপড়টি তার এই রূপের সাথে এমন নিখুঁতভাবে মিশে গেছে, যেন মনে হয় নীল রঙটি কেবল তারই জন্য তৈরি হয়েছিল। বারান্দার রেলিংয়ে হাত রেখে কফির মগে চুমুক দিতে ভুলে যাওয়া সাজিদ অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল সেই নতুনের আগমনের দিকে।
আজ সাজিদের বাবার অফিসের ছুটির দিন ছিল, তাই তিনি বাড়িতেই ছিলেন। বারান্দা থেকে দৃশ্যটি দেখেই সাজিদ দ্রুত ঘরের ভেতরে চলে গেল এবং তাঁর বাবাকে গিয়ে বলল—
"বাবা, নিচে একজন ভদ্রলোক এসেছেন। সাথে আরও কয়েকজন মানুষ আছে, তারা গাড়ি থেকে অনেক আসবাবপত্র আর লাগেজ নামাচ্ছেন। দেখে মনে হচ্ছে ওনারা একই পরিবারের সদস্য।"
সাজিদের বাবা বেশ অবাক হয়ে বললেন, "কী বলছিস? আমি তো গতকালই লন্ডনে থাকা বাড়িওয়ালাদের সাথে কথা বললাম। বাড়ির মালিক কিংবা তাদের পরিচিত কোনো মানুষের তো এখন আসার কথা না! তাহলে এমন সময় করে আসতে পারে।?"
সাজিদ তখন বলল, "তাহলে আপনি নিজেই একবার নিচে গিয়ে দেখুন না কারা এসেছেন।"
—
মেঘবালিকা
Hans Popper | 817 |
| 19 | ❝কিছু মানুষ জীবনে একবারই আসে, কিন্তু চলে যাওয়ার পরও প্রতিটা দিন তাদের উপস্থিতি অনুভব করিয়ে যায়।❞
আজ থেকে ঠিক ২,৩৪৮ দিন (প্রায় সাড়ে ছয় বছর) আগে, তোমার সঙ্গে শুরু হয়েছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পটা। আর আজ ১,৪৩৪ দিন (প্রায় চার বছর) ধরে আমাদের মধ্যে নেই কোনো কথা, নেই কোনো যোগাযোগ, নেই কোনো খোঁজও।
তবুও মাঝেমধ্যে স্বপ্নে এসে দাঁড়াও তুমি। ঘুম ভাঙার পর কয়েকটা মুহূর্তের জন্য মনে হয়, সবকিছু বুঝি আগের মতোই আছে। তারপর বাস্তবতা খুব শান্তভাবে মনে করিয়ে দেয় তুমি এখন শুধু স্মৃতি...
এতগুলো দিন, এতগুলো বছর কেটে গেল, অথচ তোমাকে ভুলে যাওয়ার মতো সাহসটা আজও হলো না। অনেকবার নিজেকে বুঝিয়েছি, নতুন করে শুরু করার চেষ্টা করেছি, ভালো থাকার অভিনয়ও করেছি। কিন্তু কিছু মানুষকে হয়তো ভুলে যাওয়া যায় না, শুধু তাদের অনুপস্থিতির সঙ্গে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে হয়।
কখনো কি একটিবারও আমার কথা তোমার মনে পড়ে? নাকি শুধু আমিই আটকে আছি সেই পুরোনো দিনগুলোর ভেতর, যেখানে তুমি এখনো আমারই?
আমি এখন সত্যিই চাই তোমাকে ভুলে ভালো থাকতে।
শুধু একটা প্রশ্নের উত্তর আজও খুঁজে পাই না, সেই ভালো থাকাটা কি কোনোদিন সত্যিই আমার হবে, নাকি তুমি চিরকালই আমার সবচেয়ে সুন্দর অথচ সবচেয়ে অপূর্ণ গল্প হয়ে থাকবে?
#শেহজাদী.. এই লেখাটা হয়তো কোনোদিনও তোমার চোখে পড়বে না, তবুও লিখে রাখলাম...
©️শেহজাদা | 927 |
| 20 | কবির কল্পনা??
যাকে নিয়ে হাজারটা উপন্যাসের ট্র্যাজেডি লেখা শেষ, অথচ বাস্তবে তার সাথে একটা বিকেল কাটানোর গল্পটাও শুরু করা যায়নি,🖤 | 917 |
