fa
Feedback
☘️গল্প কথা - Golpo Kotha🌼

☘️গল্প কথা - Golpo Kotha🌼

رفتن به کانال در Telegram

তুমি মানুষকে যা দিয়েছো প্রতিদানে অনুরূপ আশা করো না, কারণ সবার কাছে তোমার মতো হৃদয় নাও থাকতে পারে! ☺️❤️ আপনার লেখা পাঠান: @GolpoKothaBot 📮 Community > @LINK_TREES ☘️ Admin > @FLYNN_LOYAL 🤍 Ads > t.me/LoyalAds 🫧

نمایش بیشتر
9 147
مشترکین
-324 ساعت
-157 روز
+6730 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
سپتامبر '26
سپتامبر '26
+25
در 0 کانال‌ها
اوت '26
+264
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '26
+368
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '26
+384
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+322
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+364
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+191
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+118
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+169
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+148
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+158
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+164
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+170
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+211
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+225
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+197
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+207
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+190
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+227
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+186
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+283
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+412
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+553
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+566
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+623
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+715
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+535
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+475
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+466
در 1 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+380
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+412
در 1 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+440
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+879
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+759
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+268
در 2 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+287
در 2 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+137
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+82
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+66
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+71
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+93
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+379
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
05 سپتامبر+4
04 سپتامبر+4
03 سپتامبر+5
02 سپتامبر+7
01 سپتامبر+5
پست‌های کانال
ভালো বাসলেও তো পারতে, এতো করে বললাম আমি তেমাকে ভালো বাসি আমার শুধু তোমাকে চাই আমি তো আর তোমার কাছে এমন কিছু চাইনি, যেটা তোমার অসাধ্য ছিলো আমি শুধু চেয়ে ছিলাম তোমার একটু খানি ভালোবাসা একটু খানি হাসি একটু খানি যত্নো! 🥀

2
জুম্মা মোবারাক 🌼🫶🌹🤍
465
3
‎আমি চাই না পৃথিবীর কোনো মানুষ আমার ওপর কোনো এক্সপেক্টশন রাখুক। বাড়ির লোক ছাড়া কেউ আমার ওপর এক্সপেকটেশন রাখলে আমি খুব অবাক হই। আমি চাই বাড়ির লোকজনও আমার ওপর কোনো এক্সপেক্টেশন বা রাখুক। কিন্তু সেটা হয় না। তাদের মুখের ওপর তো গিয়ে বলতে পারি না এভাবে এসব কথা। ওদিকে বাইরের লোকজনের এক্সপেক্টেশন আমার দ্বারা ফুলফিল না হলে তারা আমার ওপর রাগ করে। বিভিন্নভাবে রিয়েক্ট করে। তখন আমার কী করা উচিত তা ভেবে পাই না। একজন মানুষ আমার ওপর অধিকারবোধ কেন দেখাচ্ছে সেটা বুঝে উঠতে পারি না আমি। ‎ ‎ ‎আমি নিজেও কারও ওপর কোনো এক্সপেক্টেশন রাখি না। রাখতে চাই না। তবে, হ্যাঁ। যেসব কাজ খুবই মামুলি এবং যেসব কাজ ঐ ব্যক্তির ওপর নির্ধারিত তার ওপর এক্সপেক্টেশন রাখতে কোনো দোষ দেখি না আমি। তাকে তো আমি বাধ্য করছি না কিছু করতে। যেমন - স্যালুন এর নাপিতের কাছে, বাসের ড্রাইভার+কন্ডাক্টরের কাছে, ইউনিভার্সিটির টিচারের কাছে। তারা ঐ কাজই করে আসছে। আমি তাদের কাছে কিছু চাপিয়ে দিচ্ছি না। ‎আমি নিজে থেকে মনে মনে ভেবে রাখি না, কেউ আমার জন্য কোনো পার্টিকুলার কাজ করবে। কিন্তু আমার পরিচিত কিছু লোককে দেখি আমি কোনো পার্টিকুলার কাজ না করলে তারা আমার ওপর মন খারাপ করে থাকে। রেগে যায়। যেন ঐ কাজ আমার করারই ছিল। অথচ ঐ কাজ করতে আমি ইচ্ছুক কিনা, তা জিজ্ঞেস করে না বা সাহায্যও চায় না। মানুষের এই সাইকোলজিটা বুঝি না আমি। ‎ তবে, আমার কি সাহায্যের দরকার হয় না? হয়। তখন আমি সাহায্যের অনুরোধ জানাই। সাহায্য করলে ভালো লাগে। না করলে খারাপ লাগে। কিন্তু যে সাহায্য করলো না তাকে নিয়ে আর ভাবি না। ‎মানে সাহায্যও নিতান্ত বাধ্য হয়েই চাইতে হয় যেটা আমার পছন্দ নয়। ‎ ‎আমি মা বাপের ওপরও কোনো বিশেষ এক্সপেক্টেশন রাখি না। ওনারা নিজেদের লাইফ নিজেদের মতো কাটান। আমি নিজের লাইফ নিজের মতো কাটাই। তাতেই হয়। ব্যস! জীবনে ঝামেলা নেই। এটাই চাই। কিন্তু না। মা বাপের কিছু এক্সপেক্টেশন আমার প্রতি থাকাটা স্বাভাবিক। বিয়ে করে সংসার করলে আমারও এমনটা হবে ভালোই বুঝতে পারছি। ভেবে দেখলাম, এই জিনিসটাই আমার পছন্দ নয়। আমার যে ট্রু সেল্ফ তাকে প্রতিনিয়ত কষ্ট পেতে হবে, যদি নিজের এগেনস্টে গিয়ে কাজ করি। কী করবো তাহলে?
512
4
জীবনে এমন একজন মানুষ আসুক, যে শুধু আমার যৌবনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবে না আমার চুলে পাক ধরলেও, চোখের কোণে বয়সের রেখা জমলেও, আমার হাতের কোমলতা হারিয়ে গেলেও একই মায়ায় বলবে “তুমি আজও আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।” আমি এমন ভালোবাসা চাই, যে ভালোবাসা বয়সের সঙ্গে ফুরিয়ে যাবে না; বরং যৌবন পেরিয়ে বার্ধক্যের দরজায় দাঁড়িয়েও আমার হাতটা একই মমতায় ধরে বলবে “জীবনের প্রতিটি বয়সেই তোমাকেই বেছে নেব।” 🤍
576
5
প্রিয় বাবা, আপনার কাছে চিঠি লিখে তা পৌছাবে তা নয় আপনি চলে গেছেন এসব কিছুর উর্ধে। আপনার কাছে এখন পৌছায় শুধি দোয়া। তাই আল্লাহর কাছে খুব করে বলি যেনো আল্লাহ আপনার সমস্থ পাপ মাফ করে দেয়। আর আপনাকে একটা বাড়ি বানিয়ে দেয় জান্নাতুল ফেরদোস এ। আমিন জানেন আপনাকে লিখতে বলতে অনেক ইচ্ছে করে,, খুব খারাপ সময় আসলে আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। এখনো পুঠ চুলকালে আপনার কথা মনে পড়ে। কিন্তু বলো কই পায় সেই আপনার নরম হাতের স্পর্শ। আপনার খুব কাছে ছিলাম আমি আপনাকে খুব কাছ থেকে অনুভব করেছি। তাই আপনার জন্য কষ্ট হয়। অবশ্য এখন মন বুঝে গেছে আপনি আসবেন না। যাই হোক এত লেখা যেন স্রষ্টা আপনার কাছে পৌছায় দেয়। আমার সালাম টুকু নিবেন। আপনার উপর চির শান্তি বর্ষিত হোক। জান্নাতির দের সাথে হোক আপনার বসাবাস। আপনার মতো সকল বাবা দের হোক একত্রে বসা জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকামে। আমিন। আল্লাহ আপনি সকল বাবা মায়ের জন্য জান্নাতে জায়গা করে দিন। তাদের জন্নাত দান করুন। আমিন ইতি আপনার ছোট ছেলে
864
6
প্রিয় আগন্তুক, গতকাল কোথা থেকে যেন জানতে পারলাম আজ নাকি চিঠি দিবস। জীবন সত্যিই বড় বৈচিত্র্যময়! আধুনিকতার উজ্জ্বল আলোয় ছুটে চলা মানুষগুলোও কখনো কখনো ফিরে তাকায় সেই পুরোনো দিনের দিকে। যে দিনগুলোতে অনুভূতির দূরত্ব মাপা হতো কাগজের পাতায়, আর হৃদয়ের কথাগুলো পৌঁছে যেত কলমের আঁচড়ে। আজ সেই হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ জীবনরীতিকেই মানুষ আবেগ দিয়ে উদযাপন করে। আর আমি আপনাকে পেয়েছিলাম গ্রামের চেয়েও গ্রামীণ এক পৃথিবীতে। সেখানে যোগাযোগের জন্য কাগজ-কলমের কোনো প্রয়োজন ছিল না। শব্দহীন এক ভাষায়, অদৃশ্য কোনো অনুভূতির পথে আমাদের কথা হতো। আপনি আমার কাছে ধীরে ধীরে এক সত্য স্বপ্ন হয়ে উঠেছিলেন এমন এক স্বপ্ন, যাকে কখনো কখনো বাস্তবের চেয়েও বেশি বাস্তব মনে হতো। নিজের হাতে গড়ে তোলা পাপের রাজত্বে আপনার আগমন ছিল আকস্মিক এক ভূমিকম্পের মতো। আপনার উপস্থিতি যেন মুহূর্তেই কাঁপিয়ে দিয়েছিল আমার সমস্ত নির্মাণ। ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছিল ভেতরে জমে থাকা সব অন্ধকার, সব দূষণ, সব ভুলের দেয়াল। ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম এবার হয়তো অন্যরকম একটি পৃথিবী তৈরি করব। কিন্তু ঠিক তখনই আপনি হারিয়ে গেলেন। আজও মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি আগে থেকেই জানতাম আপনি কোনো একদিন আমার জীবনে আগন্তুক হয়ে আসবেন, তাহলে হয়তো নিজেকে অন্যভাবে গড়ে তুলতাম। আপনাকে পাওয়ার আগেই আপনাকে ধারণ করার মতো করে সাজিয়ে নিতাম আমার ভেতরের পৃথিবীটাকে। জীবনের সবচেয়ে বিপরীতমুখী বিষয়গুলো বোধহয় গোধূলির মতোই ক্ষণস্থায়ী। কিছু মুহূর্ত আসে, চারপাশকে অদ্ভুত সুন্দর করে তোলে, তারপর নিঃশব্দে মিলিয়ে যায় অন্ধকারে। কিন্তু সেই ক্ষণস্থায়ী মুহূর্তগুলো রেখে যায় দীর্ঘস্থায়ী কিছু শূন্যতা। আর ক্ষণিকের যে আক্ষেপগুলোকে আমরা একদিন তুচ্ছ ভেবে ভুলে যেতে চাই, সেগুলোই কখনো কখনো আজন্ম আক্ষেপ হয়ে বুকের ভেতর বয়ে বেড়াতে হয়। ইতি আপনার পথিক
732
7
*প্রিয় কবি সাহেব,* আজ নাকি চিঠি দিবস,,, কিন্তু আমার হাজার ইচ্ছা হলেও আপনার কাছে আমার কলমে লেখা কোনোদিন যাবে কি না জানি না। আপনাকে চিঠি লেখার জন্য আলাদা দিবসের দরকার নাই, আমার প্রতিদিনই আপনাকে চিঠি লিখতে ইচ্ছা করে। চিঠি দিবসটা আমার কাছে একটু বেশি স্পেশাল। কারণ ২৪ সালে ১ম আমি চিঠি দিবস জানতে পারি তার কারণটা আপনি। আপনার থেকে আমি চিঠি পেয়েছি। এখন ওই সব ভাবলেই অবাক লাগে। আমিও ১ম চিঠি লিখলাম উদ্ভট ভাবে। চিঠি গুলো হারিয়ে গেছে। যদি কাগজের হতো সত্যি আমার কাছে থাকতো। তবে অনেক চিঠিই আছে আপনার দেওয়া, যা আমার মন খারাপের মহা ঔষধ। কবি সাহেব, আপনাকে নিয়ে লিখে আমি কোনোদিন শেষ করতে পারবো না। তবুও আজকের দিনে আপনাকে চিঠি লিখতে অনেক ইচ্ছা হলো। আল্লাহ যেন আপনাকে সকল প্রকার ফিতনা থেকে হেফাজত করেন, সব সময় হাসি খুশি রাখেন, আপনার সব স্বপ্ন গুলো যেন পূরণ করে দেন। আল্লাহ যেন আপনাকে আর আপনার পরিবারকে সব সময় সুস্থ ও হাসি খুশি রাখে। হাজার মাইল দূরে থেকে আমি চাই আপনি সব সময় খুশি থাকেন। নিজের প্রতি একটু যত্নশীল হইয়েন প্লিজ। আমি জানি আমার কথায় আপনি কিছু করবেন না, তবুও বললাম। যদি ইচ্ছা হয় নিজের খাবারের প্রতি একটু খেয়াল কইরেন। আমার এলোমেলো চিঠি আপনাকে মুগ্ধ করার জন্য লেখা না। আমি জানি আমি আপনার মতো গুছিয়ে কোনোদিন লিখতে পারবো না। কিন্তু আমার অগোছলা লেখা গুলো একটু কষ্ট করে বুঝে নিয়েন। আমাকে বোঝার ক্ষমতা আপনার অনেক আছে এটা আমি জানি। আজ আর নয়। চিঠির কোনো নিয়ম ছাড়াই লিখছি, যা ইচ্ছা হয়েছে। একমাত্র মানুষ যাকে আমি যা ইচ্ছা বলতে পারি কোনো বাধা ছাড়া। ভালো থাকবেন প্রিয় কবি সাহেব। *ইতি* কেউ একজন*
616
8
আত্মার কাছে চিঠি প্রিয় আমি,, কেমন আছো? সত্যি ভালো আছো তো? আজকাল আর কেউ এভাবে জিজ্ঞেস করে না, তাই না! মন খারাপে চুপচাপ বসে থাক
আত্মার কাছে চিঠি প্রিয় আমি,, কেমন আছো? সত্যি ভালো আছো তো? আজকাল আর কেউ এভাবে জিজ্ঞেস করে না, তাই না! মন খারাপে চুপচাপ বসে থাকিস, আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলা শিখে গেছিস! স্বপ্ন গুলোকে আর কতবার নতুন করে সাজাবি! নির্ঘুম রাত, কেউ কি দেখে? টেবিলের সাথে লেপটে থাকা, বইয়ের মাঝে স্বপ্ন খোঁজা, আর কত!! সবার কথা ভাবতে ভাবতে নিজেকে ভুলে যাচ্ছিস না তো! ব্যস্ত শহরে তাল মিলাতে গিয়ে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হস না তুই! একা আর কত লড়াই করবি, পারবি কি শেখর থেকে শিখড়ে চড়তে? চারিদিকে গঞ্জনা কাটিয়ে নিজেকে সামলাতে পারবি? স্বপ্নের আকাশে মুক্ত পাখি হওয়ার ইচ্ছা কি আছে? নাকি মৃত আত্মা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিস! চোখ ভারি হচ্ছে তাই না! আর কত চেপে রাখবি বুকের চিৎকার, আর কত লুকিয়ে রাখবি অশ্রুর ঝর্ণা! সবার শুধু প্রশ্ন আর প্রশ্ন,, উত্তর খুঁজতে খুঁজতে জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই ছোটবেলা থেকে শুরু। "কিরে বড় হয়ে কি হতে চাস?" এই ছোট্ট একটা প্রশ্ন কিন্তু তার উত্তর সারাজীবনেও দেওয়া যায় না। অনেকেই হয়তো উত্তর দিতে পারে, তারা ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী। তবে এটা নয় তার ভাগ্যের জোরে পেয়ে গেছে, তারা পরিশ্রম করেছে তাই পেরেছে। তুই কি পারবি সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে! "হ্যাঁ আমিও পেরেছি।" এই কথাটা বলার জন্য এতো পরিশ্রম করতে হচ্ছে। ভুলে গেছিস বেঁচে থাকা কি। দিন দিন কেমন জানি একা হয়ে যাচ্ছিস। কাছের মানুষরা বলেছিল পাশে থাকবে কিন্তু এখন কেউ নেই। তুই নিরবে শুধু অপেক্ষা করেই যাচ্ছিস। বাবার ঘামঝরা মুখে আলতোভাবে হাত বুলিয়ে বলবি, বাবা তোমায় আর কষ্ট করতে হবে না, বাবার ইচ্ছে গুলো পূরণ করে বাবাকে বলবি বাবা তুমি কি খুশি, বাবার গড়া ইট দিয়ে তার স্বপ্নের বাড়ি বানিয়ে উপহার দিবি, কত স্বপ্ন তোর, তাই না! পারবি তো সেগুলো পূরণ করতে? মায়ের হাতে তার বিলাসি জীবন উপহার দিতে পারবি তো? এসব ভাবতে ভাবতেই জীবন চলে যাচ্ছে তাই তো! কতোটা পথ পাড়ি দিয়ে এখানে এসেছিস, হাল ছাড়িস না রে, মনে কর তোর বাবার ক্লান্ত চোখ, তোর মায়ের মুখের পরিশ্রমের কালো ছায়া। হাল ছাড়িস না রে, তোর উপর যে অনেক বিশ্বাস আমার, অনেক আশা যে তোকে ঘিরে বড় হচ্ছে, আবার উঠে দাঁড়া। পৃথিবীকে দেখিয়ে দে,তুই ও পারিস। উঠ উঠ উঠ, আর না, চোখে জল না রক্ত ঝরা। তোর সাফল্যে বাবার চোখের আনন্দের অশ্রু কি তুই দেখতে চাস না! আমি জানি তুই পারবি, তোকে পারতেই হবে। বলো "আমি পারবো" আর শুরু করে দে। এবার জয়ধ্বনি শুনে তবেই ঘরে ফিরবি। এটাই ট্রেনের শেষ কামড়া, এখানে তোকে স্থান করে নিতেই হবে। লড়াই করো লড়াই।। ইতি মৃত আত্মা ✍️:-পলি রানী দেবী
570
9
চিঠি দিবস — ১লা সেপ্টেম্বর ✉️🌿 একটা সময় ছিল, কথা বলার জন্য মুঠোফোনের প্রয়োজন হতো না এক টুকরো কাগজই যথেষ্ট ছিল। চিঠি মানে শ
চিঠি দিবস — ১লা সেপ্টেম্বর ✉️🌿 একটা সময় ছিল, কথা বলার জন্য মুঠোফোনের প্রয়োজন হতো না এক টুকরো কাগজই যথেষ্ট ছিল। চিঠি মানে শুধু কিছু শব্দ নয়, চিঠি মানে অপেক্ষা। ডাকপিয়নের পায়ের শব্দে বুকের ভেতর কেঁপে ওঠা, খাম খুলতে গিয়ে অজানা এক আনন্দ, আর প্রিয় মানুষের হাতের লেখায় নিজেকে একটু একটু করে খুঁজে পাওয়া। আজ বার্তা পৌঁছে যায় কয়েক সেকেন্ডে, কিন্তু সেই বার্তায় আর চিঠির মতো অপেক্ষা জমে থাকে না। চিঠির প্রতিটি অক্ষরে থাকত মানুষের স্পর্শ, কাগজের ভাঁজে লুকিয়ে থাকত অনুভূতি, আর কিছু চিঠি পড়া শেষ হয়ে গেলেও মনের ভেতর থেকে কখনো শেষ হতো না। হয়তো তাই আজও মনে হয় ডিজিটাল যুগে আমরা যোগাযোগের গতি পেয়েছি, কিন্তু হারিয়ে ফেলেছি অপেক্ষার সৌন্দর্য। কিছু কথা আজও বলা হয়নি, কিছু মানুষকে আজও চিঠি লেখা হয়নি তবু মনের ডাকবাক্সে সেই চিঠিগুলো রয়ে গেছে। 🖤 শুভ চিঠি দিবস। ✉️🍂
545
10
প্রিয় পাখি, আজ চিঠি দিবস। চারপাশে কত চিঠি লেখা হবে, কত কথা কাগজে জমা হবে। কিন্তু আমি জানি, তোমাকে নিয়ে লিখতে বসলে একটা চিঠিতে আমার মনের কথাগুলো কখনোই শেষ হবে না। কিছু মানুষকে ভালো লাগার কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে না। তারা হঠাৎ করেই জীবনের গল্পে এসে এমন একটা অধ্যায় হয়ে যায়, যেটা বারবার পড়তে ইচ্ছে করে। তুমি আমার কাছে ঠিক তেমনই এক অধ্যায় যার শুরুটা হয়তো খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু কখন যে গল্পের সবচেয়ে প্রিয় অংশ হয়ে গেলে, বুঝতেই পারিনি। পাখি, তুমি যেন ব্যস্ত দিনের শেষে একটুকরো শান্ত বিকেল। তুমি যেন ক্লান্ত মনের জানালায় হঠাৎ এসে পড়া নরম বাতাস। তুমি যেন এমন এক মায়া, যাকে দূরে রাখলেও মন বারবার কাছে টেনে নেয়। তোমার সঙ্গে কথা বললে সময় কেমন করে চলে যায়, বুঝতে পারি না। আর কথা না হলে, সময়টাই যেন একটু বেশি ধীরে হাঁটে। তোমার একটা ছোট্ট হাসি কখনো কখনো পুরো একটা দিন সুন্দর করে দিতে পারে এটা হয়তো তুমি নিজেও জানো না। তোমার প্রতি আমার ভালোবাসাটা খুব বড় বড় কথায় প্রকাশ করার মতো নয়। বরং এটা ছোট ছোট যত্নে লুকিয়ে থাকে তুমি ঠিকমতো খেয়েছ কি না, তোমার দিনটা কেমন গেল, মনটা ভালো আছে কি না এসব অকারণ চিন্তার মধ্যেই হয়তো আমার ভালোবাসার সবচেয়ে সত্যি অংশটা থাকে। আমি তোমাকে শুধু সুন্দর সময়ের জন্য চাই না। তোমার মন খারাপের দিনেও তোমার পাশে থাকার ইচ্ছে করে। যখন পৃথিবীটা তোমার কাছে একটু কঠিন মনে হবে, তখন তোমার পাশে এমন একজন হয়ে থাকতে চাই, যার কাছে কোনো অভিনয় করতে হবে না। তুমি যেমন, ঠিক তেমন হয়েই থাকতে পারবে। জীবন তো নদীর মতো কখনো শান্ত, কখনো ঢেউয়ে ভরা। জানি না আমাদের পথ কোন দিকে যাবে, জানি না সময় আমাদের কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবে। কিন্তু মন থেকে একটা দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমার জীবনের প্রতিটি পথকে সহজ করে দেন। তোমার কপালে যেন শান্তি লেখা থাকে, তোমার চোখে যেন স্বপ্ন থাকে, আর তোমার হৃদয়ে যেন কখনো একাকিত্ব বাসা বাঁধতে না পারে। আর যদি কোনোদিন আমার জন্য তোমার মনে অভিমান জমে, তখন একটু মনে করোআমি হয়তো সবসময় ঠিকভাবে বলতে পারি না, কিন্তু তোমাকে কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছে আমার কখনোই ছিল না। মানুষ হিসেবে ভুল হতে পারে, কথায় ভুল হতে পারে, কিন্তু তোমাকে নিয়ে আমার মায়াটা মিথ্যে নয়। পাখি, কখনো কখনো মনে হয়, পৃথিবীর সব সুন্দর শব্দ একসাথে করেও তোমাকে বোঝানো যাবে না তুমি আমার কাছে কতটা প্রিয়। তাই শব্দের ওপর ভরসা না করে শুধু এইটুকু বলি তুমি ভালো থেকো। তোমার হাসিটা অটুট থাকুক। তোমার স্বপ্নগুলো একে একে সত্যি হোক। আর আল্লাহ তোমার জীবনে এমন সব সুখ এনে দিন, যেগুলোর জন্য তুমি আজও চুপচাপ দোয়া করো। হয়তো আমি তোমার জীবনের পুরো গল্পটা লিখতে পারব না, কিন্তু যদি আল্লাহ চান, তোমার গল্পের সুন্দর কয়েকটি পাতায় আমার নামটা যেন থেকে যায় এই চাওয়াটা মনের খুব গভীরে লুকিয়ে আছে। আজ চিঠি দিবসে তাই তোমাকে কোনো দামি উপহার নয়, আমার মনের কিছু কথা দিলাম। কাগজের এই কয়েকটি শব্দ হয়তো একদিন পুরোনো হয়ে যাবে, কালির দাগ হয়তো ফিকে হয়ে যাবে, কিন্তু তোমার জন্য আমার এই মায়াটা আল্লাহ চাইলে, ফিকে হবে না কোনোদিন। ভালো থেকো আমার প্রিয় পাখি। নিজের যত্ন নিও। আর আমার জন্য একটু দোয়া রেখো যেভাবে আমি নীরবে তোমার জন্য দোয়া করি। ইতি, তোমার আজমীর উদ্দীন আব্দুল্লাহ
568
11
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না বরং পথিকই পথের সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে মনে হবে তুমি পথ খুঁজে পাচ্ছো না, পথহারা পথিকের ন্যায়, তখন থেমে থ
পথ পথিকের সৃষ্টি করে না বরং পথিকই পথের সৃষ্টি করে। মাঝে মাঝে মনে হবে তুমি পথ খুঁজে পাচ্ছো না, পথহারা পথিকের ন্যায়, তখন থেমে থাকা যাবে না। কারণ থেমে থাকলে থমকে যাবে জীবন। হাঁটতে থাকো এদিক সেদিক, হয়তো সেটা কারোর তৈরি করা পথ নয়, তবে তুমি চলতে থাকলে নতুন এক পথের সৃষ্টিও হতে পারে। যে পথে সবাই হাঁটে সেটা তো পায়ের ভারে ক্ষয় হয়ে যাবে একসময়। তাই ভালো হবে নতুন পথের সৃষ্টি করলে। হয়তো তোমার তৈরি পথ একদিন সবার গন্তব্য পাল্টে দিবে কিংবা সে পথ গন্তব্যের নতুন নিশানা হবে। তাই থেমে থাকা যাবে না। পথের শেষ কোথায় তা দেখার বা জানার কি প্রয়োজন চলতে থাকো, ঠিক নদীর মতো। রাস্তা না পেলে তৈরি করে নাও, বাঁধা আসবে জোয়ার তুলে ভেঙে ফেলো সব প্রতিবন্ধকতা। নদীকে কেউ কি কখনো বাঁধ দিয়ে আটকাতে পেরেছে! তাহলে তোমাকেও কেউ পারবে না। সাহস রাখো। পাহাড়ের মতো উঁচু হও, তাহলে নিচে কি আছে তা দেখা যাবে না। আকাশের মতো স্বপ্ন সাজাও, কালো মেঘ তো আসবেই তাতে কি আকাশের সৌন্দর্য নষ্ট হয়! নাকি মেঘলা আকাশ নতুন রূপে সাজে! নিজেকে সাজাও এবার। পথ সৃষ্টি করো চলতে থাকো, হয়তো লোক বলবে ; "পথিক তুমি পথ হারাইছো" সেদিকে মন দিও না, বাতাস তো বয়ে চলবেই, কখনো অনুকূল কখনো প্রতিকুল
602
12
যদি চিঠি না-ই লিখো, কেন লিখবে না তাই লিখো। -মির্জা গালিব। আজ ০১ তারিখ বিশ্ব চিঠি দিবস।😊❤️‍🩹
900
13
জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়ে অদ্ভুত ভাবে মানুষ শক্ত করে হাত ধরে আবার মাঝ পথে গিয়ে অজুহাত দেখিয়ে সেই হাত ছেড়ে দেয় 😌😅। জীবন যতটুকু গুছিয়ে দেয় তার থেকে বেশি এলো মেলো করে দিয়ে যায়৷😄😅 --আগন্তুক
824
14
প্রশ্ন উত্তর একইডালে দুটি চড়ুই খেলছে মনের সুখে, তাকে গিয়ে প্রশ্ন করলাম, বলতে পারবে ভালোবাসার মানে? মুচকি হেসে একটি চড়ুই ছেড়ে
প্রশ্ন উত্তর একইডালে দুটি চড়ুই খেলছে মনের সুখে, তাকে গিয়ে প্রশ্ন করলাম, বলতে পারবে ভালোবাসার মানে? মুচকি হেসে একটি চড়ুই ছেড়ে দিলো অপরকে, ঘুরে ফিরে আবার চলে আসলো আপন আলয়ে। বললো তখন চড়ুই জোড়া বোঝলে তুমি কিছু, ভালোবাসলে ফিরে আসবে, ছাড়বে নাকো পিছু। মুগ্ধ হয়ে চেয়ে রইলাম কি আজব ভালোবাসা, দুটি টিয়ে যত্ন করে গড়ছে তাদের বাসা। তাদের মাঝে একজনকে প্রশ্ন করলাম আমি, অপরজন মুখ ঘুরিয়ে হলো অভিমানী। বোঝে উঠার আগেই তারা মান ভাঙিয়ে নিল সহজ করে ভালোবাসার একটু ব্যাখ্যা দিল। যাকে ছাড়া দিন যায় না, রাত কাটে নির্ঘুমে, অভিমানেও পাশে থাকে যায় না কভু ছেড়ে। বলতে তারে হয় না কিছু বোঝে অনুমানে মনের মাঝে যত্ন করে আগলে তারে রাখে। ভালেবাসার মানে জানতে গেলাম নদীর কাছে, নিজ গতিতে বহে চলে, সাগরে বিলীন হয়ে। নদীর কাছে সাগর তুমি নওকি কৃতজ্ঞ, কর রূপে অস্তিত্ব হারাচ্ছে অবিরত। মৃদু হেসে, ছোট্ট জোয়ারে জল উঠলো ফুলে বলতো তুমি কি পার্থক্য পেলে আমি ও নদীতে! প্রশ্ন শুনে নির্বাক আমি বলবো কি তাই ভাবছি, নাম ভিন্ন হলেও তো অস্তিত্ব এক, একইরকম পানি। নদী তখন বললো আমায় পেলে তোমার উত্তর, ভালোবাসা একই সুতে বাঁধে নিরন্তর। পাহাড়ের কাছে জবাব চাইলাম, বলতো আমায় ভেবে, ভালোবাসার কেমন সংজ্ঞা আছে তোমার কাছে! বন্যফল এগিয়ে দিল আমার মুখের পানে তার স্বাদ উপভোগ করলাম আনন্দ মনে। বললাম তাকে রিক্ত হস্ত কি দেব তোমায় পাহাড় বললো নিঃস্বার্থ ভাবেই ভালোবাসা জন্মায়। ✍️:- রাই কিশোরী
979
15
ইন্ট্রোভার্ট মানুষগুলো ভিড় থেকে পালায় না, তারা শুধু ভিড়ের অর্থহীনতাকে এড়িয়ে চলে। তাদের নীরবতা শূন্যতা নয় সেখানে এমন কিছু কথার জন্ম হয়, যা উচ্চারণ করলে তার গভীরতাই হারিয়ে যায়। তারা একা থাকে, কারণ জানে নিজেকে হারিয়ে পাওয়া হাজার সম্পর্কের চেয়ে, নিজেকে খুঁজে পাওয়া একাকীত্বই শ্রেয়। 🖤
903
16
তুমি হাসছো, মিশছো, কথা বলছো… অথচ নিজের ভিতরের নির্জনতা টা কেউ টেরই পাচ্ছে না—এই নিঃশব্দ যুদ্ধটা কি! সেই নীরব কান্না, যা শব্দহীন কিন্তু হৃদয়কে কাঁপিয়ে দেয়। সেটা কি! একাকিত্ব! না তাকে আর একাকিত্ব বলি না।সে তো ছায়া।আমার একাকিত্ব এতটাই বাস্তব যে, তা এখন আমার ছায়ার চেয়েও বেশি বিশ্বস্ত… ছায়া তো রোদে মিলিয়ে যায়, কিন্তু সেটা কখনো যায় না কেন!হয়তো এটাই ভাগ্য। নিজের ভালোবাসাটাও এখন নিজের কাছেই রাখি, কাউকে দিতেই আর ইচ্ছা করে না—ভয় লাগে হারিয়ে ফেলবো! মন সহসা বলে উঠে আমায় একটু আড়াল দিবে কি, লুকাবো? ভিজতে ভিজতে ক্লান্ত দু’চোখ শুকাবো! কিন্তু কাকে বলি কোথাও তো কেউ নেই।কোথাও কেউই নেই? নাকি থেকেও নেই!দিনশেষে আমার আমিটা থেকে যায়। সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কান্নার মাঝে।
971
17
মনমালিন্য হয়, কষ্টও পাই। কিন্তু ঝগড়া করি না, অভিযোগও না। শুধু ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে নিই। উপরে হয়তো আগের মতোই কথা বলি, হাসি। কিন্তু ভেতরে একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়, যেটা তারা টেরও পায় না। কাউকে হারাইনি শুধু নীরবে সরে গেছি। কারণ সব কষ্টের ব্যাখ্যা হয় না, কিছু কষ্ট শুধু বহন করতে হয়। 🍂 - আজিম ভূঁইয়া
867
18
আমরা আমাদের যে বয়সে সবকিছু ভালো ভাবে বুঝতে পারি, সেই বয়স থেকে কিছু ছোট ছোট ইচ্ছে মনের মধ্যে আগলে রেখে বড় হই, হয়তো বড় হওয়া
আমরা আমাদের যে বয়সে সবকিছু ভালো ভাবে বুঝতে পারি, সেই বয়স থেকে কিছু ছোট ছোট ইচ্ছে মনের মধ্যে আগলে রেখে বড় হই, হয়তো বড় হওয়ার সাথে সাথে এই ইচ্ছে গুলোর তালিকা বড় হয়, কিন্তু নির্দিষ্ট কিছু ইচ্ছে খুব যত্ন করে লালন করে থাকি। যেমন বড় হয়ে আমি ঐ ঐ সময়ে ঐ জিনিস গুলো করবে, এবং কীভাবে করব, কতটুকু করব, সেই সংক্রান্ত সবকিছু আমরা তিলে তিলে মনের মধ্যে আগলে রেখে বড় হই। কিন্তু একটা জিনিস জানো কী, যে সময় থেকে তুমি ঐ ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো মনের মধ্যে লালন করতে থাকবে, ঠিক সেই মূহুর্ত থেকে ঐ ইচ্ছে গুলো নির্দিষ্ট সময়ে পূরণ না হতেও পারে, সেই মন মানসিকতা নিয়ে তোমার ছোট ছোট ইচ্ছে গুলো মনের মধ্যে পোষে রাখা উচিত। নীল আকাশটাও হঠাৎ করে কালো মেঘে অন্ধকার হতে পারে, অন্ধকারে আলোর জন্য যেমন মোমবাতি আগে থেকে ঘরে সংরক্ষণ করি তেমনি মনকেও প্রস্তুত করা উচিত সব মেনে নেওয়ার জন্য। কারণ ভবিষ্যত বড্ড অনিশ্চিত...!!
953
19
একবার একটা মেয়েকে ভালোবাসতাম আমি। তার জন্মদিনের দিন একটা চিঠি লিখে দিয়েছিলাম তাকে। বলা বাহুল্য, মেয়েটার সাথে এখন আমার যোজন যোজন দূরত্ব। সে কী করছে আমি জানি না, আমি কী করছি সে জানে না। যাকগে, এটাই সেই চিঠিটা। সঙ্গত কারণে পুরো চিঠিটা পোস্ট করতে পারলাম না৷ কিছু অংশ বাদ দিয়ে বাকিটুকু করলাম।
873
20
পরমপ্রিয়েসু, ‎ ‎আমি যখন প্রথম তোমায় দেখেছিলাম তখন আমার মনে রবীন্দ্রনাথের গল্পের একটা কথা বার বার অনুরণনিত হচ্ছিল, সেটা হচ্ছে এই মেয়েটা "শিশিরাশ্রুপ্লুত শেফালির মতো বৃন্তচ্যুত"। আমি আগে এই কথা দ্বারা কী বোঝায় অতটা জানতাম না তবুও এটাই বারবার মাথায় সমুদ্রের ঢেউয়ের মত ভেসে আসছিল। ‎ ‎রবীন্দ্রনাথের প্রতিবেশিনী গল্পে গল্পকথক তার মাশুকার ব্যাপারে বলতে গিয়ে বলেছিল, "তাহাকে আমি মনে মনে পূজা করিতাম। তাহার প্রতি আমার মনের ভাবটা যে কী ছিল পূজা ছাড়া তাহা অন্য কোনো সহজ ভাষায় প্রকাশ করিতে ইচ্ছা করি না -- পরের কাছে তো নয়ই, নিজের কাছেও না।" ‎ ‎গল্পটা আমি প্রথম যখন পড়েছিলাম তখন শুধু পড়েই গিয়েছিলাম, অনুভব করিনি। এখন মনে হয় অনুভব করতে পারি। সম্পূর্ণরূপেই অনুভব করতে পারি। একজন মানুষ অন্য আরেকজনকে তখনই পূজা করতে পারে যখন সে তাকে দেবত্বের দরজা দেয়। আমি তোমাকে দিয়েছি দেবীর দরজা। তুমি আমার কাছে স্বর্গের অধিষ্ঠাত্রী দেবীদের চেয়ে কম কিছু নও। দেবী ছাড়া আমি আর কোনো কিছু ভাবতেই পারি না। মানুষ যেমন নিজের আরাধ্য দেবীর পুজো করতে গিয়ে প্রতিদিন দেবীদর্শন করে আসে তেমনি আমিও তোমার ছবি হৃদয়ে গেঁথে রেখে পুনঃপুন দেবীদর্শন করে নিজের চক্ষু মন সার্থক করি। ‎ ‎কিন্তু সাধারণ মানুষ তো তাদের আরাধ্যা দেবীর মূর্তি তৈরি করেছে কল্পনা দিয়ে। তোমার সমগ্র অস্তিত্ব যে কল্পনার চেয়েও সুন্দর তা কখনো বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ মানুষ তার নিজের দেবীর কল্পনা করে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের দান করা প্রতিভা থেকেই। আর তোমাকে তো স্বয়ং সেই ঈশ্বরই তৈরি করেছেন। আমাদের মত মানুষের কল্পনা তোমার সামনে ফিকে পড়ে যায়। বঙ্কিম-রবীন্দ্রের মত লেখার প্রতিভা থাকলে আমি আমার দেবীর রূপের বর্ণনাও উপযুক্তভাবে করতে পারতাম। কিন্তু প্রতিভা নেই। ছবি আঁকতে পারিনা বলে তোমার প্রতিমা তৈরি করে তাতে মন মতো তোমার প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলতে পারিনা আমি। ভাগ্যিস ফটোগ্রাফির মত এক অত্যাশ্চর্য আশীর্বাদে ধন্য হতে পেরেছি। নাহলে তোমার প্রতিমা পেতাম কোথায় আর তোমাকেই বা পেতাম কোথায়। ‎ ‎তবুও কেউ যদি বলে তোমার দেবীর রূপ বর্ণনা কর তো বাপু। আমি বলব, "তাহার রূপ বর্ণনার সাধ্যি আমার নাই। সে এক অপরূপ মায়াবী নারী। তাহার রূপের আলেকচ্ছটায় অন্ধকার ঘরও আলোকিত হইয়া পড়ে বলিয়াই আমার বিশ্বাস। গগনে মেঘ করিয়া আসিলেও তাহার সুশ্রী আনন দর্শনে দিবসের অন্ধকার বিষণ্ন ভাব কাটিয়া যায়। রজনীতে অমাবস্যার বিদঘুটে অন্ধকার হইতে রক্ষা পাইতে তাহার শরণাপন্ন হইলে জ্যোতির আশ্রয় মিলে। আমার দেবী তাই আদ্যোপান্ত নূরের বহিঃপ্রকাশ। তাহার আচরণের নমনীয়তা, কণ্ঠস্বরের কোমলতা, দেহসৌষ্ঠবের কমনীয়তা সমগ্রই প্রশংসার ঊর্ধ্বে। তাহার কাঁধ অবধি গড়াইয়া পড়া সর্পিলা কৃষ্ণবর্ণ কেশরাশি, সুপ্রশস্ত ললাট, ধনুকের ন্যায় যুগল ভ্রূ, শান্ত সমুদ্রের ন্যায় শীতল, গভীর দুখানি চক্ষু, খাড়া ধারালো ছুরির ন্যায় নাক, নরম মখমলের ন্যায় প্রতীত হওয়া দুখানি কপোল যাহা দেখিলে মনে হয় একটুখানি স্পর্শ করিলেই তা হইতে রক্ত গড়াইয়া পড়িবে। তাহার গোলাপের ন্যায় পাতলা দুখানি বক্ষে শিহরণ জাগানো ঠোঁটের বর্ণনা করিতে গেলে এক্ষুণি আমাকে প্রাণ বিসর্জন করিতে হইবে সেই নিমিত্তেই এহেন স্পর্ধা করিতে যাইব না। যাহারা সম্মুখ হইতে তাহার দর্শন পাইয়াছে, সান্নিধ্য লাভ করিয়াছে তাহারা আদতেই ধন্য হইয়াছে। মনুষ্যলোকে খোদাতায়ালা মনুষ্যদিগকে দয়া করিয়া কিছু হুরদিগকে পাঠাইয়া থাকেন যাহাতে খোদাতায়ালার এহেন অত্যাশ্চর্য সৃষ্টির গবেষণা করিয়া, রূপ - লাবণ্য উপভোগ করিয়া তাঁহার গুণকীর্তন করিতে পারে। আমার দেবী এইরূপ দিব্যাঙ্গনা, মাশাআল্লাহ।" ‎ ‎আজকের এই শুভদিনেই এই অভিশপ্ত মর্তলোকে তোমার শুভাগমন হয়েছে দেবী যাতে তোমার সংস্পর্শে এসে লোকজন খানিকটা হলেও পৃথিবীর অভিশাপ কাটিয়ে উঠতে পারে। এই পৃথিবীর দুঃখ কষ্ট তোমাকেও নিশ্চয়ই কখনও কখনও গ্রাস করতে চায়। কিন্তু মনে রেখ, তোমার এক ভক্ত তোমারই পুজো করে তোমার হিত চেয়ে তোমার জন্যই প্রতিবার প্রার্থনা করে থাকে তার প্রভুর কাছে, তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করে। ‎ ‎যত যাই হোক, সারাদিনই লেখা যাবে তোমাকে নিয়ে। সারাজীবন লেখা যাবে। পাতার পর পাতা শেষ হয়ে যাবে, সময়ের পর সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে, রামায়ণ থেকে শুরু করে মহাভারত হয়ে যাবে তবুও তোমাকে নিয়ে লেখার ইচ্ছে শেষ হবে না। তাই কোথাও একটা তো এই লেখার ইতি টানতে হবে নাহলে তোমাকে কখনো এটা দেয়াই হবে না। তাই এখানেই ইতি টানা দরকার। ‎ ‎অনেক ভাল থেকো। অনেক অনেক শুভকামনা আর ভালবাসা। আর হ্যাঁ, আবারও জন্মদিনের শুভেচ্ছা। হাজার হোক, তুমি ধরাধামে এসেছ বলেই আমি এতকিছু ভালবাসা টালবাসার ব্যাপার গুলো বুঝতে পারছি, অনুভব করতে পারছি। আজকের মত তাহলে, বিদায়। ‎ ‎ইতি ‎.....
902