Mahbubur Rahman
رفتن به کانال در Telegram
مَثَلُ ٱلَّذِینَ حُمِّلُوا۟ ٱلتَّوۡرَىٰةَ ثُمَّ لَمۡ یَحۡمِلُوهَا كَمَثَلِ ٱلۡحِمَارِ یَحۡمِلُ أَسۡفَارَۢاۚ بِئۡسَ مَثَلُ ٱلۡقَوۡمِ ٱلَّذِینَ كَذَّبُوا۟ بِـَٔایَـٰتِ ٱللَّهِۚ وَٱللَّهُ لَا یَهۡدِی ٱلۡقَوۡمَ ٱلظَّـٰلِمِینَ
نمایش بیشتر684
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+47 روز
+1130 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئن '26
ژوئن '26
+6
در 0 کانالها
مه '26
+19
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+10
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '26
+7
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+5
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+11
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+8
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+6
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+8
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+3
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '25
+11
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+18
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+11
در 0 کانالها
Get PRO
مه '25
+7
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+26
در 1 کانالها
Get PRO
مارس '25
+7
در 1 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+18
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+16
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+56
در 6 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+73
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+49
در 3 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+43
در 1 کانالها
Get PRO
اوت '24
+91
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+40
در 3 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+21
در 3 کانالها
Get PRO
مه '24
+14
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+11
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '24
+37
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+21
در 1 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+29
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+47
در 1 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+18
در 2 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+438
در 2 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 08 ژوئن | 0 | |||
| 07 ژوئن | +2 | |||
| 06 ژوئن | +2 | |||
| 05 ژوئن | 0 | |||
| 04 ژوئن | 0 | |||
| 03 ژوئن | +1 | |||
| 02 ژوئن | +1 | |||
| 01 ژوئن | 0 |
پستهای کانال
আসামির আইনজীবী বলছে - "রামিসার vagina তে sperm detect হয়নি, তাই clear rape বলা যাচ্ছে না"
তার মানে কি দাড়ালো? জোরপূর্বক মিলনে একজন male যদি sperm ejaculate না করে female এর vagina তে তাহলে সেটা rape হবে না?
- তার মানে একজন মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে এটা তাকে প্রমাণ করার জন্য তার vagina তে rapist এর sperm থাকা লাগবে? শুধু penis penetration enough না ধর্ষণ এর জন্য?
what bullshit system! what a stupid বিচারব্যবস্থা!
এই নর্দমা-বস্তাপঁচা সেকুলারিজম দিয়ে যতদিন আমরা শাসিত হবো ততদিন একটি rape এর ও proper justice possible না
নাদিম হাসান
| 2 | গাজার ঈদের দিন। | 61 |
| 3 | ২০১৬ সালের ২৭জুলাই রাতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নওয়াব ফয়জুন্নেছা ছাত্রীনিবাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চালানো হয়।
কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তায় হলের ২০২ নম্বর কক্ষ থেকে তিন ছাত্রীকে জ*ঙ্গি*বাদের অভিযোগে আটক করে স*ন্ত্রা*সবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় এবং ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে।
দীর্ঘ ৯ বছর ৯ মাস ২৭ দিনের আইনি লড়াই শেষে ২০২৬ সালের ২৪ মে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করেন। মামলার শুরু থেকে বিভিন্ন আইনজীবী তাদের পক্ষে আইনি সহায়তা দেন। পরিবারের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আইনজীবীদের প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত তারা নির্দোষ প্রমাণিত হন।
প্রায় ১০বছর পর খালাস পেলো শিক্ষার্থীরা। এর নৈপথ্যে কোন শিক্ষকরা ছিলেন, জেনে নেওয়া যাক তাহলেঃ
প্রথমত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের তিন শিক্ষার্থীদের পরিচয় দেওয়া যাকঃ
১. কানিজ ফারহানা বাতুল, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ।
২. আরজিনা আক্তার চম্পা, ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
৩. সালমা আক্তার, ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
পাশাপাশি তিনজনই নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের বাসিন্দা।
শিক্ষার্থীদের দাবি ও বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম উঠে এসেছে, তাদের মধ্যে রয়েছেনঃ
১. নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের তৎকালীন প্রভোস্ট অধ্যাপক মিতা সাফিনাজ। তিনি পরবর্তী সময়ে ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে পদায়ন হয়ে অন্য জায়গায় চলে যান। জুলাই আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে হিজাব নিয়ে কটূক্তি করায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ থেকে ওএসডি করা হয়। বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই
২. তৎকালীন সহকারী প্রভোস্ট নিলুফার সুলতানা। বর্তমানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগে শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন।
৩. তৎকালীন সহকারী প্রভোস্ট তোফায়েল আহমেদ,
৪. তৎকালীন অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রশিদ,
৫. তৎকালীন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু তাহের,
৬. তৎকালীন শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক প্রফেসর জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারী। বর্তমানে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী পুলিশসহ আরও অনেকে হয়রানি ও ভোগান্তির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাই।
একই সঙ্গে আমরা প্রত্যাশা করি, ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীকে এধরনের দীর্ঘ ভোগান্তি, মানসিক যন্ত্রণা ও আদালতপাড়ার হয়রানির শিকার হতে না হয়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত রাখাও কলেজ প্রশাসনের দেখবাল করার বিষয়।
উল্লেখ্য, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সেই শিক্ষার্থী কানিজ ফারহানা বাতুল বর্তমানে একজন আইনজীবী। | 70 |
| 4 | بدون متن... | 52 |
| 5 | মাথায় টুপি থাকলে বিরাট ফাডাফাডি হইতো
___ যৌথবাহিনীর প্রধান | 62 |
| 6 | ঈদ মোবারক | 56 |
| 7 | মিউজিক যে অন্তরের মদ, মিউজিক যে অন্তরে নিফাকের সৃষ্টি করে, মিউজিক যে শয়তানের আকর্ষণীয় বাজনা- এই পোস্ট সাক্ষাত একটি প্রমাণ।
এই লোকের অন্তরে মিউজিকের মাদকতা এতই প্রবল হয়েছে যে, সে এক প্রকার মাতাল ও নেশাগ্রস্তের মত কথাবার্তা বলছে। আল্লাহর কোন হারাম বিধানকে বৈধ বানানোর এরকম তীব্র খাহেশ হৃদয়ের মাদকতা ও নিফাকেরই আলামত।
আর এই মাদকতা ও নিফাক মিউজিকের মাধ্যমে শয়তানই উৎপন্ন করে। মিউজিক অন্তরে শয়তানের ওয়াসওয়াসা তৈরির একটি অস্ত্র। এজন্য মিউজিককে শয়তানের ঘন্টা বলা হয়েছে।
- Iftekhar Sifat | 81 |
| 8 | কাশ্মীরে মাত্র ১৩ বছরের মাদ্রাসা পড়ুয়া এক শিশুকে হিন্দুরা ধর্ষণ করার পর হত্যা করেছে।
গত পরশু মাদ্রাসায় যাওয়ার সময় হিন্দুরা তুলে নিয়ে যায় শিশুটিকে
তারপর থেকে মেয়েটি নিখোঁজ ছিল,
পরেরদিন তার লাশ খুঁজে পায় পরিবার।
লাশের এক পাশে কোরআন এবং অন্য পাশে
শিশুটির জুতা পড়েছিল। | 87 |
| 9 | হয়েছিল।
প্রথমে বেলজিয়ামের আদালতের নিম্নকক্ষ ওই পাঁচ নারীর পক্ষে রায় দেয়। বেলজিয়াম সরকার আদালতের নিম্নকক্ষের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে পার পাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত সেই আপিল খারিজ করে পাঁচ নারীর প্রত্যেককে ৫০,০০০ ইউরো (প্রায় ৬৫ লাখ টাকা) করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত জাতিগত নিপীড়ন।
ইউরোপের জন্য এক নতুন নজির
এই রায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ইউরোপের কোনো দেশ এই প্রথম নিজেদের ঔপনিবেশিক আমলের অপরাধের জন্য "মানবতাবিরোধী অপরাধে" দোষী সাব্যস্ত হলো। যেহেতু মানবতাবিরোধী অপরাধের কোনো মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সীমা (Statute of Limitations) থাকে না, তাই এই রায় আফ্রিকার অন্যান্য প্রাক্তন উপনিবেশগুলোর জন্যও ন্যায়বিচারের এক নতুন দুয়ার খুলে দিল। বেলজিয়ামের এই কালো অধ্যায় প্রমাণ করে, সভ্যতার আলো ছড়ানোর নামে ইউরোপীয় উপনিবেশবাদ কতটা অন্ধকার আর নৃশংস ছিল। | 78 |
| 10 | কঙ্গোয় বেলজিয়ামের কালো অধ্যায়: মায়ের কোল খালি করে ‘পাপের সন্তান’ বানানোর মানবতাবিরধী অপরাধ প্রমাণিত!
শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের দম্ভ আর রক্তের ‘পবিত্রতা’ রক্ষার নামে আফ্রিকা মহাদেশে বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসকেরা যে বর্বরতা চালিয়েছিল, তা আজ আর কোনো গোপন বিষয় নয়। তবে এতদিন যা ছিল ইতিহাসের পাতায় ঢাকা পড়া এক কালো অধ্যায়, তা এবার আইনি সিলমোহর পেল। বেলজিয়ামের সর্বোচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’ দেশটির সরকারের আপিল খারিজ করে দিয়ে এক ঐতিহাসিক রায় বহাল রেখেছে। রায়ে পরিষ্কার বলা হয়েছে—কঙ্গোয় ঔপনিবেশিক শাসনামলে কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ মিশ্রিত (Métis) শিশুদের মায়ের কোল থেকে জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া ছিল সুপরিকল্পিত এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত এক ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’।
পাঁচজন শতায়ুপ্রায় কঙ্গোলিজ নারীর দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আসা এই রায় ইউরোপের তথাকথিত ‘সভ্য’ ঔপনিবেশিক ইতিহাসের মুখে এক বড় থাপ্পড় হিসেবে গেড়ে থাকবে। টীম সরোয়ারের এই বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে কীভাবে রাষ্ট্র আর চার্চ মিলে হাজার হাজার শিশুকে তাদের মায়ের বুক থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল।
শ্বেতাঙ্গ শাসকের ‘রাখা’ এবং অস্বীকৃত মাতৃত্ব
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বেলজিয়াম নিয়ন্ত্রিত কঙ্গোতে আসা শ্বেতাঙ্গ সরকারি কর্মকর্তা, সেনা এবং ব্যবসায়ীরা স্থানীয় আফ্রিকান নারীদের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে আফ্রিকান নারীদের ‘উপপত্নী’ বা গৃহকর্মী হিসেবে রেখে যৌন দাসত্বে বাধ্য করা হতো। এসব সম্পর্কের ফলে জন্ম নিত মিশ্র-প্রজাতির বা ‘মেতিস’ শিশুরা।
তৎকালীন বেলজিয়ান বর্ণবাদী আইন ও সামাজিক কাঠামো শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের আনুষ্ঠানিক বিয়েকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছিল। ফলে এই সম্পর্কের কোনো আইনি স্বীকৃতি ছিল না। শ্বেতাঙ্গ বাবারা বেলজিয়ামে ফিরে যাওয়ার সময় এই সন্তানদের কঙ্গোতেই ফেলে রেখে যেত। বেলজিয়াম রাষ্ট্র এই শিশুদের চিহ্নিত করেছিল ‘পাপের সন্তান’ (Children of Sin) হিসেবে।
‘মেতিস’ দূরীকরণ: মায়ের কোল খালি করার রাষ্ট্রীয় মিশন
বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসকেরা মনে করত, এই মিশ্র-প্রজাতির শিশুরা বড় হয়ে শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে এবং তারা শ্বেতাঙ্গ রক্তের ‘পবিত্রতা’ নষ্ট করছে। তাই তারা ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে পরিচালনা করে এক অমানবিক ও গোপন রাষ্ট্রীয় মিশন।
অপহরণের রূপরেখা: কর্ডন বা সেনা পাহারায় প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে মাত্র দুই-তিন বছর বয়সী শিশুদের তাদের আফ্রিকান মায়েদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হত। মায়েদের আহাজারি আর কান্না কোনটাই তাদেরকে থামাতে পারতো না। তাদের কাছ থেকে শত শত মাইল দূরে নিয়ে যাওয়া হতো এই সব ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চা শিশুদের। আর কোনদিন তাদের মায়ের মুখ দেখার সুযোগ দেয়া হতো না।
চার্চের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ: কেড়ে নেওয়া এই শিশুদের রাখা হতো ক্যাথলিক চার্চ পরিচালিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা এতিমখানায়। সেখানে নান বা সন্ন্যাসিনীরা তাদের ওপর চালাত অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
পরিচয় মুছে ফেলা: শিশুদের শেখানো হতো যে তাদের কোনো মা-বাবা নেই এবং বেলজিয়াম রাষ্ট্রই তাদের অভিভাবক। তাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও মায়েদের সাথে সমস্ত যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হতো। তাদের উপড়ে এমন নির্যাতন করা হত যাতে তারা ধীরে ধীরে মারা যায়। বাইরে সুন্দর পোশাক পরিয়ে ছবি তোলা হলেও, ভেতরে তাদের রাখা হতো খালি পায়ে, অপুষ্টি আর অবহেলার মধ্যে।
ইতিহাসবিদদের মতে, কঙ্গোর স্বাধীনতার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত প্রায় ২০,০০০ শিশুকে এভাবে তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল।
এই শিশুদের মধ্যে যারা আবার বেলজিয়ান ভাষা ও সংস্কৃতি শিখতে পারতো এবং একটু দেখতে ভাল ছিল তাদেরকে জাহাজে করে বেলজিয়ামে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং মিথ্যা বলা হয় যে তাদের মায়েরা তাদের ফেলে চলে গেছে। তাদেরকে অনেক বেলজিয়ান পরিবারের কাছে দেওয়া হয়। বলা হয় যে এই পরিবারগুলো তাদের দেখা শোনা ভরন পোষণ করবে। কিন্তু ওই সব শিশুদেরকে দিয়ে পরিবারগুলো মাঠে কাজ করানো থেকে শুরু করে ক্রীতদাসের মত তাদেরকে খাটাত। এভাবেই "পরিবারকে হেল্প" করার নামে ১৯৮০ এর দশক পর্যন্ত বেলজিয়ামে শিশু শ্রম বৈধ ছিল।
স্বাধীনতার পর ফেলে যাওয়া ট্র্যাজেডি
১৯৬০ সালে কঙ্গো যখন বেলজিয়ামের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, তখন চার্চের নান এবং বেলজিয়ান কর্তৃপক্ষ অনেক মিশ্র-প্রজাতির শিশুকে যুদ্ধবিধ্বস্ত কঙ্গোতেই চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায়। সেখানে তারা অর্ধাহারে অনাহারে রোগে মারা জায়। অনেক অভিভাবকহীন ও রাষ্ট্রহীন এই শিশুরা স্থানীয় মিলিশিয়াদের দ্বারা চরম সহিংসতারও শিকার হয়। দীর্ঘদিন তাদের কোনো দেশের নাগরিকত্বও দেওয়া হয়নি।
পাঁচ নারীর লড়াই এবং ঐতিহাসিক রায়
চলতি শতকের শুরুতে লিয়া, মনিক, সিমোন, মারি-জোসে এবং নোয়েল নামের পাঁচ ভুক্তভোগী নারী বেলজিয়াম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেন। তাঁদের দাবি ছিল একটাই—রাষ্ট্রকে স্বীকার করতে হবে যে তাদের শৈশব চুরি করা | 60 |
| 11 | নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে গতকাল ডিম মেরেছে বিরোধী দলের কেউ। 'প্লিজ আমাদেরকে রক্ষা করুন' বলে ইংরেজিতে সাহায্য চেয়ে পোস্ট করেছিল পাটোয়ারী। কওমি ও ইসলামপন্থী তরুণদের অনেকেই তাঁর উদ্ধারের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। কেউ কেউ আশেপাশের সবাই এগিয়ে আসুন বলে ফেইসবুকে পোস্ট করেছেন। এসব দেখে অনেক হেসেছি আমি। যাইহোক, মূল কথায় আসি।
ওরা কেউ আপনাকে আমাকে ডাকলেই; বা বিপদে পড়ে আমাদের কাছে সাহায্য চাইলেই আমাদের এগিয়ে আসতে হবে কেনো? ওরা কি আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে? প্রথম থেকে শুরু করি। ধরেন নাসিরকে বাঁচাতে আপনারা বিএনপি ও ছাত্রদলের পোলাপানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ালেন। এরপর ক্ষমতাসীনদের মামলায় পড়লেন। আপনি নিখাদ ইসলামপন্থী কেউ। বলেন তো, নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী আপনার বিপদে এগিয়ে আসবে? আপনাকে মুক্ত করতে নাসির উদ্দিন আইন আদালত ও প্রশাসনকে ডিল করবে? কী মনে হয় আপনার?
আরও সহজ করে দিই। উসমান হাদীর মৃত্যুর দিন সারজিস জুলাইয়ের অপূর্ণ কাজ পূর্ণ করার আহ্বান জানিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট করল। সালাহউদ্দিন আম্মার ছেলেটা উদীচী ছায়ানট সহ কালচারালি ফ্যাসিস্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে গুড়িয়ে দিতে আহ্বান জানালো। এক শ্রেণীর জনতা উত্তেজিত হয়ে সেটাই করল। ইসলামপন্থী পোলাপানগুলো অনেকেই দাঁড়িয়ে শুধু দেখছিল। এতেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে ওরা। জেলে যেতে হয় ওদের। কেউ কেউ প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ভাঙচুর নিয়ে ফেইসবুকে শুধু পোস্ট করেছিল। এতটুকুর কারণেই জেল খেটেছেন আমাদের ভাইয়েরা। এবার বলেন। আমাদের ভাইদের মুক্তির পেছনে সার্জিস, আম্মার বা এনসিপির নেতৃবৃন্দের কেউ কোনো কাজ করেছে? উত্তর হলো, না। বিলকুল না। সারজিস আলম তো তাঁদের মুক্তিও চায়নি কোনোদিন।
উল্টো কদিন পরেই নাহিদ ও সারজিস প্রথম আলো পরিদর্শন করেছে। এই ঘটনার সমালোচনা করেছে। তো এখন বুঝা উচিৎ না আপনাদের? আজকে পাটোয়ারীকে উদ্ধার করতে যাবেন। কাল বিএনপির মামলা খাবেন। পরশু আপনি জেলে যাবেন। এরপরের দিন পাটোয়ারী ও এনসিপি আপনাকে ভুলে যাবে। এতকিছু বাদ দেন। আপনারা ইসলামপন্থী হলে আপনাদের কোনো অভিভাবক নেই এই কথাটা জেনে রাখেন।
মামুনুল হক সাহেব যখন রিসোর্টে আটকা পড়েছেন। তখন তাঁকে উদ্ধার করতে নারায়ণগঞ্জের এক শ্রেণীর আলেম ও ইসলামপন্থী জনতা সোনারগাঁ থেকে মামুন সাহেবকে সেইফ করেন। পরবর্তীতে তাঁদের কেউ কেউ-ও জেলে গিয়েছিলেন। মামুনুল হক সাহেব তাঁদের মুক্তির পেছনে আগে বা পরে কাজ করেছেন কী না আমার কাছে সদুত্তর নাই। বিকেএমের ভাইয়েরা পারলে এটার আশানুরূপ ব্যাখ্যা দিয়ে যাইয়েন।
মানে আবেগী ইসলামপন্থী ভাইয়েরা, বুঝাতে চাচ্ছি আপনারা যেই নেতার পেছনে নিঃস্বার্থ দৌড়াতে চাচ্ছেন সেই নেতা আপনার বিপদে আপনাদেরকে চিনে কী না একটু যাচাই করে নিবেন। তাছাড়া পাটোয়ারীকে ইসলামিক ভেবে ওর পেছনে দৌড়ানোর কিছু নাই। জুমুআ আর তারাবির রিহলাহ শিরোনামে বিভিন্ন মসজিদে যাত্রা করলেই কেউ পাক্কা ইসলামিক হয়ে যায়না। 'খেলাফত নয় গণতন্ত্রই হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ' এমন অহেতুক বক্তব্য দিয়েছে পাটোয়ারী। শরীয়াহ আইনের বিপরীতে গণতন্ত্রকে সে মনেপ্রাণে ভালোবাসে এমনটাও বলেছে। সুতরাং টুপি পড়লেই তার পেছনে ইসলামিক আলহামদুলিল্লাহ বলে দৌড়ানোর কিছু নাই। মির্জা ফখরুল বা বিএনপির মতনই নাহিদ হাসনাত সরজিস ও পাটোয়ারীদের রাজনীতি। ইসলামকে ব্যবহার করা শেষ হলেই তাঁরা আল্লাহকে ভুলে যেতেও দ্বিধা করবে না। আপনাকে স্মরণ রাখবে কোন দুঃখে?
মাওলানা সাইফুল ইসলাম ভাই | 56 |
| 12 | بدون متن... | 45 |
| 13 | বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-বজরং দলের সঙ্গে যুক্ত গো-রক্ষকরা তেজুর-শঙ্খ রোডে বচসার জেরে গরুবাহী একটি গাড়ি থামিয়ে চালককে মারধর করে।
স্থান: হাসান, কর্ণাটক
তারিখ: ২০ মে | 61 |
| 14 | মালির উত্তরাঞ্চলে বেসামরিক মানুষের ওপর ক্লাস্টার বোমা হামলা করেছে রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পস
মালির কিদাল অঞ্চলের ছোট গ্রাম তাদজমার্টের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ১৬ থেকে ১৭ মে রাতের মধ্যে আকাশ থেকে ফলের আকারের শত শত ধাতব গোলক পড়ে এবং মাটিতে আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় এক শিশু নিহত এবং তিন নারী আহত হয়েছেন।
দ্য আফ্রিকা রিপোর্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন সূত্র এই হামলার জন্য রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পসকে দায়ী করেছে। আফ্রিকা কর্পস বর্তমানে মালির সরকারি বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ফরাসি সেনা প্রত্যাহারের পর রুশ বাহিনীর উপস্থিতি বাড়লেও উত্তর মালিতে নিরাপত্তাহীনতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বেসামরিক মানুষের ওপর ক্লাস্টার মিউনিশন বা ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক কনভেনশনের আওতায় এ ধরনের অস্ত্র নিষিদ্ধ হলেও রাশিয়া ও মালি—কোনো দেশই ওই চুক্তিতে যোগ দেয়নি। | 54 |
| 15 | মৌরিতানিয়ায় আশ্রয় নেওয়া মালিয়ান শরণার্থীদের নির্যাতন, যৌন সহিংসতা ও মানসিক ট্রমার বর্ণনা
আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (MSF) জানিয়েছে, মৌরিতানিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় হোদ শারগুই অঞ্চলের দুয়েইনকারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা মালিয়ান শরণার্থীরা ভয়াবহ নির্যাতন, যৌন সহিংসতা এবং গভীর মানসিক ট্রমার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
সংস্থাটির সমন্বয়কারী মায়ৌরি সাভাঁ জানান, উত্তর মালিতে চলমান সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত মানুষদের কাছ থেকে তারা নির্যাতনের একাধিক সাক্ষ্য নথিভুক্ত করেছেন। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে নারী ও পুরুষ উভয়ের ওপর যৌন সহিংসতা, নির্যাতন এবং কিছু ক্ষেত্রে জীবন্ত কবর দেওয়ার মতো ভয়াবহ ঘটনা।
বহু বছর ধরে মালির সশস্ত্রবাহিনির তৎপরতা, সামরিক অভিযান এবং অব্যাহত হামলার কারণে লাখো মালিয়ান তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
বাস্তুচ্যুতদের অনেকে জানিয়েছেন, সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে চান না। | 50 |
| 16 | ডিআর কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে ৮০ জনের মৃত্যু, সংক্রমণ ছড়িয়েছে উগান্ডায়
আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা CDC) জানিয়েছে, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ২৪৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মংওয়ালু ও রামপারা শহরের বাসিন্দা।
কিনশাসাভিত্তিক ইনস্টিটিউট ন্যাশনাল দ্য রিসার্চ বায়োমেডিকাল (INRB)-এর প্রাথমিক পরীক্ষায় বিশ্লেষণ করা ২০টি নমুনার মধ্যে ১৩টিতে ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক আমদানিকৃত সংক্রমণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন ৫৯ বছর বয়সী এক কঙ্গোলিজ নাগরিক, যিনি সোমবার কাম্পালার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং বৃহস্পতিবার মারা যান।
আফ্রিকা CDC-এর পরিচালক ড. জ্যাঁ কাসেয়া জানান, আক্রান্ত অঞ্চল ও প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ব্যাপক জনচলাচল পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
এটি ডিআর কঙ্গোর ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে প্রায় ২,৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
তবে শুক্রবার পর্যন্ত কঙ্গো সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করেনি। এ বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে। | 51 |
| 17 | 🇸🇩 গৃহযুদ্ধের চতুর্থ বছরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে সুদানে ১ কোটি ৯৫ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে।
১৬ মে প্রকাশিত ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বর্তমানে তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তার মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ IPC ফেজ ৫ (চরম দুর্যোগ) পর্যায়ে, ৫০ লাখের বেশি মানুষ IPC ফেজ ৪ (জরুরি অবস্থা) এবং ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষ IPC ফেজ ৩ (সংকট) পর্যায়ে রয়েছে।
উত্তর দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং দক্ষিণ কোরদোফানের ১৪টি অঞ্চল দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে রয়েছে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের খাদ্যসংকট মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সুদানের মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার মাত্র ২০ শতাংশ অর্থায়ন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত এবং প্রায় ৪০ শতাংশ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
সুদানের সেনাবাহিনী (SAF) এবং র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর মধ্যে সংঘাত ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়েছিল। | 45 |
| 18 | নিজের ঈমান মেপে দেখুন | 68 |
| 19 | মালিতে নরভক্ষণ:
এখানে একটি ভিডিও রয়েছে যেখানে মালির সশস্ত্র বাহিনীর (FAMa) একজন সদস্যকে স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা গেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, সে তার সহযোগীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে একজনকে হত্যা করছে এবং এরপর মৃতদেহটি খণ্ড-বিখণ্ড করছে।
সেই ব্যক্তি মৃত ফূলানি (Peul) লোকটির দেহ খণ্ড-বিখণ্ড করার পর, ভুক্তভোগীর কলিজা আগুনের ওপর রাখে। সে এটি পুড়িয়ে তার সকালের নাস্তা হিসেবে খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। | 84 |
| 20 | মালি: টেসালিতের আমাচাচ মালির সামরিক শিবিরে ৪০টি কাটা জিহ্বা উদ্ধার!!!
মালির টেসালিত অঞ্চলের আমাচাচ সামরিক শিবিরে ৪০টি কাটা মানব জিহ্বা উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসব জিহ্বার মালিকদের ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে রুশ “ওয়াগনার” গ্রুপ, “আফ্রিকান কর্পস” এবং মালির সরকারি বাহিনী আটক করেছিল। | 71 |
