fa
Feedback
Humairar Abbu

Humairar Abbu

رفتن به کانال در Telegram

প্রচার কর যদি একটি মাত্র আয়াতও হয়। (বুখারী - ৩৪৬১)

نمایش بیشتر
983
مشترکین
-124 ساعت
+37 روز
+530 روز
آرشیو پست ها
photo content

photo content

photo content

photo content

❝নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে।❞ ┇- সুবহানাল্লাহ ┇- আলহামদুলিল্লাহ ┇- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ┇- আল্লাহু আকবার ┇- সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ┇- সুবহানাল্লাহিল আযীম ┇- লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ┇- আস্তাগফিরুল্লাহ

হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করুন এবং পরকালেও কল্যাণ দান করুন, আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। —
হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করুন এবং পরকালেও কল্যাণ দান করুন, আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। — আমিন 🤲

যা দেখলে আমাদের চক্ষু ঠান্ডা হয়ে যেত⁉️ | আল্লামা সাঈদী (রাহিঃ)🎙️#shorts #waz

স্বামী স্ত্রী লেখাটা পড়বেন! সুবহানআল্লাহ আপনারা ও try করে দেখতে পারেন?
স্বামী স্ত্রী লেখাটা পড়বেন! সুবহানআল্লাহ আপনারা ও try করে দেখতে পারেন?

তোমাদের-কে দাওয়াত দিচ্ছি পূর্ণাঙ্গ তাওহীদে চলে আসো!💥 Shayekh Jasimuddin Rahmani🎙️

এমন মানুষের সাথে চলবে না, যে তোমাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়—সে তোমার জন্য কী কী করেছে।
এমন মানুষের সাথে চলবে না, যে তোমাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়—সে তোমার জন্য কী কী করেছে।

সুবহানাল্লাহ আল্লাহু আকবার রোগী দেখার এত ফজিলত।🥰
সুবহানাল্লাহ আল্লাহু আকবার রোগী দেখার এত ফজিলত।🥰

সুবহানাল্লাহ আল্লাহু আকবার রোগী দেখার এত ফজিলত।🥰
সুবহানাল্লাহ আল্লাহু আকবার রোগী দেখার এত ফজিলত।🥰

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম সম্পদের কথা বলব না?
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন— আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম সম্পদের কথা বলব না?

এই জমিন মুমিনের এই জমিন কোন মূর্তি থাকবে না। এটা মুসলিম বঙ্গ। ☝️💥
এই জমিন মুমিনের এই জমিন কোন মূর্তি থাকবে না। এটা মুসলিম বঙ্গ। ☝️💥

দাদাবাবুরা আপনাদের একটা কথা বলতে চাই! আপনাদের মা শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে চলে গেছে আপনাদের মা শেখ হাসিনা তার বাবার বড় বড় মূ
দাদাবাবুরা আপনাদের একটা কথা বলতে চাই! আপনাদের মা শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে চলে গেছে আপনাদের মা শেখ হাসিনা তার বাবার বড় বড় মূর্তি তৈরি করছিল সে মূর্তি-গুলো ভেঙে মাটির সঙ্গে গোড়ায় দিছে— মুসলিম বঙ্গ। তো এটা মুসলিম বঙ্গের দেশ। দাদাবাবু কান পেতে শোনো। বাংলার ৫৬ হাজার বর্গমাইলের দেশ। রবীন্দ্রনাথের দেশ নয়❗ এটা সূর্যসেনের দেশ নয়❗ গৌরগোবিন্দের দেশ নয়❗এটা শাহজালাল (রাহি:) দেশ। শাহ মাখতুম (রাহি:) দেশ। শাহ পরান (রাহি:) দেশ। হাজী শহিদ তিতুমীর (রহি:) দেশ। আপনারা বড় রাম মন্দির রামমূর্তি তৈরি করবেন এটা কখনো সম্ভব না, এই দেশে। মুসলিমরা জীবন দিয়ে দিবে ইনশাআল্লাহ তবুও আপনাদের রাম মূর্তি রাম মন্দির এই পবিত্র ভূমিতে কখনো হতে দেবে না ইনশাআল্লাহ। ☝️💥

কান পেতে শোনো- এটা শাহজালাল (রাহি:) দেশ। 🇧🇩💥

সূরা হজ্জের ৪০ নাম্বার আয়াত। ☝️💥 🎙️শায়েখ জসিমুদ্দীন রাহমানী (হাফি.)

Valo kafir 🤡
Valo kafir 🤡

photo content

শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনা! আপনিও নিশ্চয়ই কোনো না কোনো তারকা ফুটবলারের ডাই হার্ড ফ্যান। তাই-না? আপনি জানেন? তারা প্রত্যেকে আপনার রবকে অস্বীকার করার কারণে কাফির, ঈমান না আনলে তারা প্রত্যেকেই চিরস্থায়ী জাহান্নামী। সুতরাং কি করে আপনি তাদের অনুসরণ করতে পারেন? যেই ঈমানের জন্য আপনার রাসূল বছরের পর বছর দাওয়াত দিয়েছেন, নিজের কওমের লোকদের থেকে অত্যাচারিত হয়েছেন, নিজের সমাজ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন, তায়েফের ময়দানে রক্তাক্ত হয়েছেন, তীব্র ব্যথাসম আঘাত সয়েছেন, সেই রাসূলের উম্মত হয়ে আপনি তাঁকেই অস্বীকার করা লোকদের অনুসরণ করবেন? না ভাই। আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষ (দুনিয়াতে) যাকে ভালবাসে (কিয়ামতে) সে তারই সাথী হবে। অন্য এক বর্ণনায় আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়কে ভালবাসে, কিন্তু (আমলে) তাদের সমকক্ষ হতে পারেনি। তিনি বললেন, মানুষ যাকে ভালবাসে, সে তারই সাথী হবে। (বুখারী ৬১৭০, মুসলিম ৬৮৯০) কাফির মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব না রাখা কাফির মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব না করাটাও ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা বলেছেন, لَّا يَتَّخِذِ الْمُؤْمِنُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۖ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَلَيْسَ مِنَ اللَّهِ فِي شَيْءٍ إِلَّا أَن تَتَّقُوا مِنْهُمْ تُقَاةً মুমিনগণ যেন ঈমানদারদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে নিজেদের বন্ধু ও পৃষ্ঠপোষক রূপে গ্রহণ না করে। যে এরূপ করবে তার সাথে আল্লাহর কোনও সম্পর্ক থাকবে না। অবশ্য তাদের নির্যাতন থেকে বাচার জন্য এরূপ করলে আল্লাহ্ মাফ করবেন। [ সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ২৮ ] অন্য জায়গায় কাফিরদের সাথে সম্পর্ক রাখা তো দূরের কথা তাদের সাথে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ ‘হে নবী! কাফির এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যান, আর তাদের সম্পর্কে কঠোর নীতি অবলম্বন করুন। [ সূরা আত তাওবা, আয়াত : ৭৩ ] আরও বলা হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قَاتِلُوا الَّذِينَ يَلُونَكُم مِّنَ الْكُفَّارِ وَلْيَجِدُوا فِيكُمْ غِلْظَةً “হে ঈমানদার লোকেরা! লড়াই করো সেইসব কাফিরদের বিরুদ্ধে যারা তোমাদের কাছাকাছি রয়েছে। তারা যেন তোমাদের মধ্যে দৃঢ়তা ও কঠোরতা দেখতে পায়। [ সূরা আত তাওবা, আয়াত : ১২৩ ] সূরা আল মুমতাহিনা-এ বলা হয়েছে, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوا بِمَا جَاءَكُم مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُونَ الرَّسُولَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَن تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ رَبِّكُمْ إِن كُنتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِي سَبِيلِي وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِي “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি সংগ্রাম করার জন্য এবং আমার সন্তোষ লাভের আশায় বের হয়ে থাকো তাহলে আমার ও তোমাদের যারা শত্রু তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো কিন্তু যে সত্য তোমাদের কাছে এসেছে তা মেনে নিতে তারা অস্বীকার করেছে। রাসূল ও তোমাদের নির্বাসিত করার যে আচরণ তারা শুরু করেছে তা এজন্য যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে। [ সূরা আল মুমতাহিনা, আয়াত : ১ ] এতো গেল দূর সম্পর্কীয় কাফিরদের কথা। এবার বলা হয়েছে যাদের সাথে রক্তের বাঁধন রয়েছে তারাও যদি কুফরী করে, তাদের সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক না রাখার জন্য। ইরশাদ হচ্ছে- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا آبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ‘হে ঈমানদারেরা! নিজের পিতা এবং ভাইও যদি ঈমানের চেয়ে কুফরীকে বেশী ভালোবাসে তাদেরকেও বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। যে ব্যক্তিই এ ধরনের লোকদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সেই যালিম হিসেবে গণ্য হবে। [ সূরা আত তাওবা, আয়াত : ২৩ ] আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন, اذا لقيم المشركين في الطريق فلا تبدءوهم بالسلام واضطروهم الى اضيقها ‘তোমরা যদি রাস্তা চলার সময় কোনো মুশরিককে দেখ তাহলে প্রথমে তাদের সালাম দেবে না। বরং তাদেরকে রাস্তার এক পাশ দিয়ে চলতে বাধ্য করবে।[ সহীহ মুসলিম ] আবু সাঈদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন, لاَ يَأْكُلْ طعَامَكَ إِلَّا تَقِيٌّ وَلاَ تُصَاحِبْ إِلَّا مُؤْمِنًا মুত্তাকী ছাড়া কেউ যেন তোমার খাদ্য না খায় এবং ঈমানদার ছাড়া কেউ যেন তোমার সাথী না হয়। [ হাফিয সুয়ূতী এ হাদীসটি জামিউস সগীর নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তাছাড়া ইমাম আহমদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান এবং হাকিম স্ব স্ব গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ]