Humairar Abbu
Ir al canal en Telegram
প্রচার কর যদি একটি মাত্র আয়াতও হয়। (বুখারী - ৩৪৬১)
Mostrar más976
Suscriptores
Sin datos24 horas
Sin datos7 días
-530 días
Archivo de publicaciones
শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনা!
আপনিও নিশ্চয়ই কোনো না কোনো তারকা ফুটবলারের ডাই হার্ড ফ্যান। তাই-না?
আপনি জানেন? তারা প্রত্যেকে আপনার রবকে অস্বীকার করার কারণে কাফির, ঈমান না আনলে তারা প্রত্যেকেই চিরস্থায়ী জাহান্নামী। সুতরাং কি করে আপনি তাদের অনুসরণ করতে পারেন?
যেই ঈমানের জন্য আপনার রাসূল বছরের পর বছর দাওয়াত দিয়েছেন, নিজের কওমের লোকদের থেকে অত্যাচারিত হয়েছেন, নিজের সমাজ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন, তায়েফের ময়দানে রক্তাক্ত হয়েছেন, তীব্র ব্যথাসম আঘাত সয়েছেন, সেই রাসূলের উম্মত হয়ে আপনি তাঁকেই অস্বীকার করা লোকদের অনুসরণ করবেন?
না ভাই।
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষ (দুনিয়াতে) যাকে ভালবাসে (কিয়ামতে) সে তারই সাথী হবে।
অন্য এক বর্ণনায় আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হল, কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়কে ভালবাসে, কিন্তু (আমলে) তাদের সমকক্ষ হতে পারেনি। তিনি বললেন, মানুষ যাকে ভালবাসে, সে তারই সাথী হবে।
(বুখারী ৬১৭০, মুসলিম ৬৮৯০)
কাফির মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব না রাখা
কাফির মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব না করাটাও ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা বলেছেন,
لَّا يَتَّخِذِ الْمُؤْمِنُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ ۖ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ فَلَيْسَ مِنَ اللَّهِ فِي شَيْءٍ إِلَّا أَن تَتَّقُوا مِنْهُمْ تُقَاةً
মুমিনগণ যেন ঈমানদারদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে নিজেদের বন্ধু ও পৃষ্ঠপোষক রূপে গ্রহণ না করে। যে এরূপ করবে তার সাথে আল্লাহর কোনও সম্পর্ক থাকবে না। অবশ্য তাদের নির্যাতন থেকে বাচার জন্য এরূপ করলে আল্লাহ্ মাফ করবেন। [ সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ২৮ ]
অন্য জায়গায় কাফিরদের সাথে সম্পর্ক রাখা তো দূরের কথা তাদের সাথে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে,
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ
‘হে নবী! কাফির এবং মুনাফিকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যান, আর তাদের সম্পর্কে কঠোর নীতি অবলম্বন করুন। [ সূরা আত তাওবা, আয়াত : ৭৩ ]
আরও বলা হয়েছে,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قَاتِلُوا الَّذِينَ يَلُونَكُم مِّنَ الْكُفَّارِ وَلْيَجِدُوا فِيكُمْ غِلْظَةً
“হে ঈমানদার লোকেরা! লড়াই করো সেইসব কাফিরদের বিরুদ্ধে যারা তোমাদের কাছাকাছি রয়েছে। তারা যেন তোমাদের মধ্যে দৃঢ়তা ও কঠোরতা দেখতে পায়।
[ সূরা আত তাওবা, আয়াত : ১২৩ ]
সূরা আল মুমতাহিনা-এ বলা হয়েছে,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوا بِمَا جَاءَكُم مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُونَ الرَّسُولَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَن تُؤْمِنُوا بِاللَّهِ رَبِّكُمْ إِن كُنتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِي سَبِيلِي وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِي
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি সংগ্রাম করার জন্য এবং আমার সন্তোষ লাভের আশায় বের হয়ে থাকো তাহলে আমার ও তোমাদের যারা শত্রু তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা তো তাদের সাথে বন্ধুত্ব করো কিন্তু যে সত্য তোমাদের কাছে এসেছে তা মেনে নিতে তারা অস্বীকার করেছে। রাসূল ও তোমাদের নির্বাসিত করার যে আচরণ তারা শুরু করেছে তা এজন্য যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর ঈমান এনেছে।
[ সূরা আল মুমতাহিনা, আয়াত : ১ ]
এতো গেল দূর সম্পর্কীয় কাফিরদের কথা। এবার বলা হয়েছে যাদের সাথে রক্তের বাঁধন রয়েছে তারাও যদি কুফরী করে, তাদের সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক না রাখার জন্য। ইরশাদ হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا آبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ
‘হে ঈমানদারেরা! নিজের পিতা এবং ভাইও যদি ঈমানের চেয়ে কুফরীকে বেশী ভালোবাসে তাদেরকেও বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। যে ব্যক্তিই এ ধরনের লোকদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সেই যালিম হিসেবে গণ্য হবে।
[ সূরা আত তাওবা, আয়াত : ২৩ ]
আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) বলেছেন,
اذا لقيم المشركين في الطريق فلا تبدءوهم بالسلام واضطروهم الى اضيقها
‘তোমরা যদি রাস্তা চলার সময় কোনো মুশরিককে দেখ তাহলে প্রথমে তাদের সালাম দেবে না। বরং তাদেরকে রাস্তার এক পাশ দিয়ে চলতে বাধ্য করবে।[ সহীহ মুসলিম ]
আবু সাঈদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন,
لاَ يَأْكُلْ طعَامَكَ إِلَّا تَقِيٌّ وَلاَ تُصَاحِبْ إِلَّا مُؤْمِنًا
মুত্তাকী ছাড়া কেউ যেন তোমার খাদ্য না খায় এবং ঈমানদার ছাড়া কেউ যেন তোমার সাথী না হয়।
[ হাফিয সুয়ূতী এ হাদীসটি জামিউস সগীর নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। তাছাড়া ইমাম আহমদ, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে হিব্বান এবং হাকিম স্ব স্ব গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ]
আমি চাইলেই নোংরা ভিডিও দেখতে পারি। ঘরে আমার রুম নির্ধারিত না হলেও, দুটি রুম সবসময়ই খালি থাকে। আমি ছাড়া কেউ থাকে না সাধারণত। দুটি রুমেই প্রাইভেসি আছে। দরজা লাগিয়ে যা ইচ্ছে করা যাবে এমন। আর এয়ার কন্ট্রোল বাথরুম তো আছেই। কিন্তু..
কিন্তু আমি জানি, আমি দরজা-জানালা বন্ধ করে, কানে হেডফোন লাগিয়ে, যত গোপনেই পাপ করি না কেন, আমি আল্লাহর দৃষ্টিসীমার বাইরে নই। আল্লাহর একটি গুণবাচক নাম আল-বাসির। যার অর্থ সর্বদ্রষ্টা। তিনি সবকিছু দেখেন। আল্লাহর আরেকটি গুণবাচক নাম আস-সামি'। যার অর্থ সর্বশ্রোতা। তিনি সব কিছু শোনেন।
আমি যদি আমার মা-বাবাকে সামনে রেখে এই গোনাহ করতে না পারি, তাহলে যেই রব আমাকে সৃষ্টি করেছেন; সমগ্র প্রাণীকুলের শ্রেষ্ঠ হিশেবে, তার সামনে কীভাবে আমি নোংরা ভিডিও দেখতে পারি? আমি তো প্রাণীকুলের শ্রেষ্ঠ। আমি যদি মনুষত্বের খোলস খুলে ফেলি, তাহলে আমার আর একটা পশুর মাঝে পার্থক্য কী? যে চোখ দিয়ে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখার স্বপ্ন দেখি, সেই চোখে আমি কীভাবে নোংরা ভিডিও দেখতে পারি?
কোনো রুমে যদি সিসি ক্যামেরা থাকে, সেখানে কি আমি কখনো নোংরা ভিডিও দেখব? অবশ্যই না। তবে আল্লাহ তাআলা আমাকে দেখছেন, এটা জানার পরও আমি কীভাবে নোংরা ভিডিও দেখতে পারি? আমার কাঁধে তো অলটাইম কিছু ফেরেশতা থাকেন। তাদের দায়িত্বই হচ্ছে আমার পাপ-পুণ্যের হিসাব রাখা। আমি তাদেরকে তো আর ঘুষ খাওয়াতে পারব না। তাহলে তাদের সামনে রেখে আমি কীভাবে নোংরা ভিডিও দেখতে পারি? আমরা না ইউসুফ আলাইহিসসালাম এর উত্তরসূরী? যখন জুলেখারা আমাদের বলে, 'হাইতা লাক'। তখন না আমাদের উচ্চকণ্ঠে বলার কথা ছিল, 'মাআ'জাল্লাহ!'
— [ লেখায় : Wafi Khalil ]
আলহামদুলিল্লাহ দীর্ঘদিন পরে সুন্দরবনের ১৪ কেজি মধু হাতে পেলাম— দ্রুত অর্ডার করুন🍯
স্টক কিন্তু সীমিত শেষ হয়ে যাবে আবার।
প্রকৃতির স্বাদ, বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা এবং স্বাস্থ্যকর পুষ্টি—🍯 ১০০% খাঁটি ও ন্যাচারাল সুন্দরবনের মধু!
✅ কোনো প্রকার ভেজাল নেই
✅ প্রাকৃতিক স্বাদ ও ঘ্রাণে ভরপুর
✅ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর
আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘদিন পর সুন্দরবনের খাঁটি মধু হাতে পেলাম। সীমিত পরিমাণ রয়েছে, তাই দেরি না করে আজই অর্ডার করুন।
📞 01775316285
📲 WhatsApp - imoএ অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
জাযাকাল্লাহ খাইরান।❤️🩹
কা’নবী (রহঃ).... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার জনৈক দর্জি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন খাবার খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেন, যা তিনি তাঁর জন্য তৈরী করেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমিও সে দাওয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যাই। এরপর খাওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে যবের রুটি, লাউয়ের সুরুয়া এবং ভুনা মাংস আনা হয়। তখন আমি দেখতে পাই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্রের পাশে লাউয়ের টুকরা তালাশ করেছেন। এরপর থেকে আমি আজ পর্যন্ত লাউকে অধিক পসন্দ করি।
[ সুনান আবূ দাউদ : ৩৭৪০ ]
কা’নবী (রহঃ).... আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার জনৈক দর্জি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন খাবার খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেন, যা তিনি তাঁর জন্য তৈরী করেন। আনাস (রাঃ) বলেনঃ আমিও সে দাওয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যাই। এরপর খাওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে যবের রুটি, লাউয়ের সুরুয়া এবং ভুনা মাংস আনা হয়। তখন আমি দেখতে পাই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্রের পাশে লাউয়ের টুকরা তালাশ করেছেন। এরপর থেকে আমি আজ পর্যন্ত লাউকে অধিক পসন্দ করি।
[ সুনান আবূ দাউদ : ৩৭৪০ ]
হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর)
পবিত্র কাবার দক্ষিণ কোণে, জমিন থেকে ১.১০ মিটার উচ্চতায় হাজরে আসওয়াদ স্থাপিত। হাজরে আসওয়াদ দীর্ঘে ২৫ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে ১৭ সেন্টিমিটার। শুরুতে হাজরে আসওয়াদ একটুকরো ছিল, কারামিতা সম্প্রদায় ৩১৯ হিজরীতে পাথরটি উঠিয়ে নিজেদের অঞ্চলে নিয়ে যায়। সেসময় পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় পরিণত হয়। এ টুকরোগুলোর সবচেয়ে বড়োটি খেজুরের মতো। টুকরোগুলো বর্তমানে অন্য আরেকটি পাথরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে যার চার পাশে দেয়া হয়েছে রুপার বর্ডার। রুপার বর্ডারবিশিষ্ট পাথরটি চুম্বন নয় বরং তাতে স্থাপিত হাজরে আসওয়াদের টুকরোগুলো চুম্বন বা স্পর্শ করতে পারলেই কেবল হাজরে আসওয়াদ চুম্বন-স্পর্শ করা হয়েছে বলে ধরা হবে।
হাজরে আসওয়াদ জান্নাত থেকে নেমে-আসা একটি পাথর
[1] যার রং শুরুতে—এক হাদিস অনুযায়ী—দুধের বা বরফের চেয়েও সাদা ছিল। পরে আদম-সন্তানের পাপ তাকে কালো করে দেয়।
[2] হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করলে গুনাহ মাফ হয়।
[3] হাজরে আসওয়াদের একটি জিহবা ও দুটি ঠোঁট রয়েছে, যে ব্যক্তি তাকে চুম্বন-স্পর্শ করল, তার পক্ষে সে কিয়ামতের দিন সাক্ষী দেবে।
[4] তবে হাজরে আসওয়াদ কেবলই একটি পাথর যা কারও কল্যাণ বা অকল্যাণ কোনোটাই করতে পারে না।[5]
[1] - الحجر الأسود من الجنة (নাসায়ি : ৫/২২৬ , আলাবানি এ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন: সহিহু সুনানিন নাসায়ি : ২৭৪৮ )
[2] - نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني آدم (তিরমিযি : হজ্জ অধ্যায় (৮৭৭) وفي رواية أشد بياضا من الثلج (ইবনু খুজায়মা : ৪/২৮২)
[3] - إن مسحهما يحطان الخطايا حطا (নাসায়ি :৫/২২১; আলাবানি এ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, নং ২৭৩২ )
[4] - إن لهذا الحجر لسانا وشفتين يشهد لمن استلمه يوم القيامة بحق(আহমদ: ১/২৬৬; আলবানি এ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। (দ্রঃ সহিহ ইবনে মাযাহ, নং ২৩৮১)
[5] - ওমর (র) বলেছেন, إني أعلم أنك لا تضر ولا تنفع - আমি নিশ্চয়ই জানি তুমি কল্যাণ অকল্যান কোনোটাই করতে পার না। (বোখারি : ৩/৪৬২)
এক বেদুঈন আরাফাহর ময়দানে দু’আ করছিলো এভাবে:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ السَّائِلُونَ فِي عَرَفَةَ مُنْذُ خَلَقْتَهَا.
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকাল সা'ইলূনা ফি আরাফাতা মুনযু খালাক্বতাহা।
হে আল্লাহ! যেদিন তুমি আরাফাহকে সৃষ্টি করেছো সেদিন থেকে তোমার কাছে যে যা কিছু কল্যাণকর দু’আ করেছে সবকিছু আমি আমার জন্য চাই।
এরচেয়ে সুন্দর দু’আ আর কি হতে পারে!
© আম্মারুল হক (হাফি.)
হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
وَالكَلِمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ
উত্তম কথা এক সদাকা।
সহীহ বুখারী : ২৭০৭; সহীহ মুসলিম: ১০০৯; মুসনাদে আহমাদ: ৮১৮৩; বায়হাকী : ৭৮২০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ: ১৬৪৫
পাদটিকা:
ভালো কথাও একটি সদাকা। অর্থাৎ দান-সদাকা করলে যেমন ছাওয়াব পাওয়া যায়, ভালো কথা দ্বারাও তেমনি ছাওয়াব পাওয়া যায়। হযরত উমর রাযি. বলেন, পুণ্য সহজ-সহাস্য চেহারা ও নরম কথা। হযরত আবু শুরায়হ নামক এক সাহাবী নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জান্নাতলাভের উপায় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি ইরশাদ করেন-
طِيبُ الْكَلَامِ، وَبَذْلُ السَّلَامِ، وَإِطْعَامُ الطَّعَامِ
‘উত্তম কথা বলা, ব্যাপকভাবে সালাম দেওয়া এবং মানুষকে খাবার খাওয়ানো।
সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫০৪; তাবারানী, আল মু'জামুল কাবীর: ৪৭০; আল আদাবুল মুফরাদ: ৮১১
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ رحمه الله যখন তিনি কারাবন্দি ছিলেন তখন বলেছিলেনঃ
«المحبوس، من حُبِسَ قلبه عن ربه.»
❝(প্রকৃত) বন্দী তো সেই ব্যক্তি যার অন্তর তার রবের ﷻ (i.e তার যিকর/স্মরণ থেকে) কাছ থেকে বন্দী!❞
[ আল ওয়াবিলুস সায়্যিব : ৪৮ ]
তুরস্কের ২১ বছর বয়সী এমিনি শাহিনকে শুধু আল্লাহর আইনের কথা বলার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন..
আতাতুর্ক ইলাহ নয়! আল্লাহর আইন আছে! তিনি পশ্চিমা কুফরি আইন এনেছেন!
শুধু এ কথা বলার অপরাধে তাকে হেনস্থা, লাঞ্ছিত ও জেলে নিক্ষেপ করা হয়েছে।
এটা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এটা তুরস্কের ভণ্ড সেকুলার গণতন্ত্রের নগ্ন মুখোশ।
এ ভন্ডগুলো শুধু মুখে ইসলামের কথা আর অন্তরে এবং বাস্তবায়ন পশ্চিমদের গোলামী।
সৎ পথে থাকবেন সৎপথে ব্যবসা করবেন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে আপনার সম্মান বৃদ্ধি করে দিবে। মহান রব এটাই তার বাস্তব প্রমান। এটাই আমি চাইছিলাম মহান রবের কাছে। কাস্টমারের রিভিউ আলহামদুলিল্লাহ 🥰🍯
¡Ya disponible! Investigación de Telegram 2025 — los principales insights del año 
