fa
Feedback
বাংলাদেশ অগ্নিবীর

বাংলাদেশ অগ্নিবীর

رفتن به کانال در Telegram

বাংলাদেশ অগ্নিবীর আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল বেদের ও বৈদিক শিক্ষার প্রচার এবং সমগ্র বিশ্বকে আর্যত্বের পথে উন্নীত করা। 💓ও৩ম্, কৃণ্বন্তো বিশ্বমার্যম্ 💓

نمایش بیشتر
9 163
مشترکین
-424 ساعت
-297 روز
-13930 روز
آرشیو پست ها
✅ বাল্যবিবাহ-বহুবিবাহ-ব্যভিচারের বিরুদ্ধে মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী যথাসম্ভব বাল্যাবস্থায় বিবাহ করতে দেবে না। যৌবনেও উভয়ের (পাত্
✅ বাল্যবিবাহ-বহুবিবাহ-ব্যভিচারের বিরুদ্ধে মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী যথাসম্ভব বাল্যাবস্থায় বিবাহ করতে দেবে না। যৌবনেও উভয়ের (পাত্র-পাত্রী) প্রসন্নতা ছাড়া বিবাহ করবে না, করাবে না, করতে দেবে না। ব্রহ্মচর্য যথাযথভাবে পালন করবে-করাবে। ব্যভিচার ও বহুবিবাহ বন্ধ করাবে। এতে শরীর ও আত্মায় সর্বদা পূর্ণ বল থাকবে। ~ মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী [সত্যার্থ-প্রকাশঃ, ৬ষ্ঠ সমুল্লাস]

চলে এলো জুলাই মাসের ব্রহ্মোপাসনা পঞ্জি। সূর্য সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা, বাংলাদেশ-এর স্থানীয় মান অনুযায়ী সমস্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রচারে - ব্রহ্মোপাসকমণ্ডলী, বাংলাদেশ অগ্নিবীর

হে মানব! যা চলে গেছে তার জন্য শোক করো না... 💔🇧🇷
হে মানব! যা চলে গেছে তার জন্য শোক করো না... 💔🇧🇷

মহর্ষি দয়ানন্দের দৃষ্টিতে 'পোষ্য কোটা'র সমাধান যে পরিমাণ ধন দ্বারা রাজকর্মচারীদের উত্তমভাবে ভরণ-পোষণ হতে পারে এবং তারা ধনাঢ্য
মহর্ষি দয়ানন্দের দৃষ্টিতে 'পোষ্য কোটা'র সমাধান যে পরিমাণ ধন দ্বারা রাজকর্মচারীদের উত্তমভাবে ভরণ-পোষণ হতে পারে এবং তারা ধনাঢ্য হতে পারেন, সে পরিমাণ ধন অথবা তৎপরিবর্তে ভূমি-রাজ্যের পক্ষ হতে মাসিক বা বার্ষিক হিসাবে অথবা এককালীন তাদেরকে প্রদান করবেন। বৃদ্ধ কর্মচারীগণও অর্ধেক পাবেন; কিন্তু স্মরণ রাখা আবশ্যক, কেবলমাত্র তাদের জীবদ্দশাতেই তাঁদের উক্ত ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে, মৃত্যুর পর নয়। রাজা তাদের সন্তানদেরকে যােগ্যতানুসারে সম্মান অথবা চাকুরী অবশ্য দেবেন। যাঁর সন্তান যতদিন সমর্থবান না হয় এবং স্ত্রী যতদিন জীবিত থাকেন ততদিন তাদের নির্বাহার্থে উচিত পরিমাণ ধন দিতে হবে। কিন্তু তাঁদের স্ত্রী ও সন্তানরা কুকর্মরত হলে কিছুই পাবে না। রাজা এই নীতি চিরকাল পালন করবেন। ~ মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী [সত্যার্থ-প্রকাশঃ, ৬ষ্ঠ সমুল্লাস]

✅ শিল্পীর মুখোশে সাম্প্রদায়িকতার কদর্য রূপ: হাসান জাহাঙ্গীরের ‘রামপুরা’ এলার্জি এবং কিছু অনিবার্য প্রশ্ন ​শিল্প ও শিল্পী—শব্দদুটোর সাথেই এক ধরনের উদারতা, সার্বজনীনতা ও মননশীলতার গভীর সম্পর্ক জড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই শিল্পের আঙিনায় বিচরণ করা কেউ যখন স্রেফ ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতার বশবর্তী হয়ে কথা বলেন, তখন তার শৈল্পিক সত্তা নয়, বরং ভয়ংকর মানসিক দৈন্যটাই প্রকট হয়ে ওঠে। অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীরের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য ঠিক এমনই এক কদর্য মানসিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। ​তিনি নাকি মুখে ‘রামপুরা’ শব্দটি উচ্চারণ করেন না। কারণ, সেখানে ‘রাম’ শব্দটি আছে, যা হিন্দুদের দেবতার নাম! তাই রামপুরাকে এড়িয়ে তিনি স্রেফ ‘টিভি ভবন’ বলে সম্বোধন করেন। এখানেই তিনি থেমে থাকেননি, আক্ষেপ করে বলেছেন—তিনি যদি সরকারে থাকতেন বা মন্ত্রী পর্যায়ের কেউ হতেন, তবে এসব নাম পরিবর্তন করে দিতেন। ক্ষমতার স্বাদ না পেতেই যার চিন্তাধারায় এমন উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প, তিনি ক্ষমতায় গেলে সমাজটাকে কতটা কলুষিত করতেন, তা ভেবে শিউরে উঠতে হয়। ​এবার আসা যাক যুক্তির কাঠগড়ায়। হাসান জাহাঙ্গীর সাহেব, আপনি তো দেবতার নাম আছে বলে একটি এলাকার নাম বয়কট করেছেন। কিন্তু সপ্তাহের সাতটি দিনের নাম আপনি কীভাবে উচ্চারণ করেন? রবিবার (সূর্য), সোমবার (চন্দ্র), মঙ্গলবার থেকে শুরু করে শনিবার —এই প্রতিটি বারের নামকরণের শেকড় হিন্দুদের বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত! তাহলে কি আপনি ক্যালেন্ডারও বয়কট করেছেন? নাকি আপনার এই তথাকথিত ‘শুদ্ধতা’ কেবল সুবিধাবাদী হিসেবের ওপর দাঁড়িয়ে আছে? ​যে ভূখণ্ডে দাঁড়িয়ে আপনি এই সাম্প্রদায়িক আস্ফালন করছেন, এই বাংলার ইতিহাস কি আপনার জানা আছে? একসময় এই জনপদের বৃহদংশই ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বী। একটু পেছন ফিরে তাকালে, আপনার তিন-চার পুরুষ আগের শেকড়েও হয়তো এমন কোনো নাম বা পরিচয় পাওয়া যাবে, যা আপনার আজকের এই ‘শুদ্ধতাবাদী’ দর্শনের সাথে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। ক্ষমতার জোরে আপনি হয়তো রাস্তার নাম মুছে দিতে চাইবেন, কিন্তু নিজের ধমনীতে বয়ে চলা পূর্বপুরুষের রক্তের ধারা পরিবর্তন করবেন কীভাবে? সেই প্রযুক্তি কি আপনার হাতে আছে? ​সবচেয়ে বড় হাস্যকর দিকটি হলো আপনার পেশা ও জীবনাচরণ। আপনি নাচ, গান, সিনেমা, আর ফেসবুক রিলস করে বেড়াচ্ছেন। আপনার যে কথিত কট্টর ধর্মীয় বোধ আপনাকে ‘রামপুরা’ বলতে দেয় না, সেই একই ধর্মীয় মানদণ্ডে আপনার এই পেশা বা বিনোদনমূলক কাজগুলো ঠিক কতটুকু বৈধ? নিজের সুবিধামতো ধর্মের মোড়ক ব্যবহার করবেন, আর অন্য ধর্মের প্রতি চরম অসহিষ্ণুতা দেখাবেন—এই সস্তা দ্বিচারিতা আর যাই হোক, কোনো সুস্থ চিন্তার মানুষের হতে পারে না। ​সব ধর্মের প্রতি ন্যূনতম সম্মানটুকু দেখাতে শিখুন; আর যদি সেটা একান্তই সম্ভব না হয়, তবে চুপ থাকতে শিখুন। একজন জাত শিল্পী কখনো এমন কূপমণ্ডূক হতে পারেন না, কারণ শিল্পীর প্রথম শর্তই হলো মানবিকতা ও উদারতা। আপনার এই উগ্র ও সংকীর্ণ মন্তব্য আজ এটিই প্রমাণ করে যে, ক্যামেরার সামনে আপনি হয়তো অভিনয় করতে পারেন, কিন্তু একজন প্রকৃত ‘শিল্পী’ হয়ে ওঠার ন্যূনতম যোগ্যতা আপনার নেই।

চিফ হুইপ সাহেবের প্রশ্ন, মন্দির মসজিদ ভা*ঙার হার(সংখ্যা নয়) কোথায় বেশী, বাংলাদেশ না ভারতে। যদিও পরের দেশ ভারত নিয়ে কেন আমরা বাংলাদেশীরা মাথা ঘামাব তা পরিস্কার নয়। আমাদের আদর্শ আমাদের দেশ বাংলাদেশ, কোন পরের দেশ নয়। তাও চিফ হুইপ সাহেবের প্রশ্নের উত্তর বের করি চলেন। চিফ হুইপ সাহেব, বাংলাদেশের মিডিয়ার অর্ধসত্য খবর অনুসারেই বাংলাদেশে মন্দির ভা*ঙার হার বেশী। কীভাবে তা হিসেব করে দেখাচ্ছি। গত ২৫শে জুন একাত্তর টিভি সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর আসে ভারতে গত দেড় মাসে(৪৫ দিন) ২৩ টি মসজিদ-মাজার ভাঙা হয়েছে। অপরদিকে ১৬-২৫ জুন এই এদিকে বাংলাদেশে গত ১০ দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৮ টি মন্দির-প্রতিমা ভা*ঙ*চুরের খবর জাতীয় গণমাধ্যমে এসেছে। এবার আসুন তাহলে হার(Rate) হিসেব করি। বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে আয়তনে ২২ গুণ ছোট। তাই দুই দেশের ভা*ঙ*চুরের রেট বা হার কম্পেয়ার করতে হলে ভারতের আয়তন স্কেলের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করতে হবে। তাহলে আমরা ঐকিক গণনায় পাই গত ১০ দিনে বাংলাদেশে ২২×৮= ১৭২ টি মন্দির-প্রতিমা ভা*চুর হয়েছে। অর্থাৎ যদি বাংলাদেশ ভারতের সমান বড় হতো তাহলে এই গত ১০ দিনের ৮ টি মন্দির-প্রতিমা ভা*চুর গিয়ে দাঁড়াত ১৭২ টিতে। তাও আবার ১০ দিনে! তাহলে দেড় মাস বা ৪৫ দিনের মন্দির ভা*র হার হিসেবে পাই ১৭২×৪.৫= ৬৮৮ টি মন্দির-প্রতিমা! অপরদিকে মসজিদ ভা*ঙা হয়েছে ২৩ টি যা বাংলাদেশের মিডিয়া ই বলছে। অপরদিকে এই একই সময়ে ভারতে বেশ কয়েকটি মন্দিরও ভা*ঙা হয়েছে একই কারণে, অবৈধ জায়গা দখল করে উপাসনালয় বানানোর কারণে। মসজিদ ও মন্দির দুটোই ভা*ঙা হয়েছে এই কারণে, সাম্প্রদায়িক কারণে নয়। অপরদিকে বাংলাদেশের মন্দির-প্রতিমা ভাং*চুর হয়েছে সাম্প্রদায়িক কারণে। অর্থাৎ বাংলাদেশ বনাম ভারত ৬৮৮ বনাম ২৩! তাই হ্যাঁ চিফ হুইপ সাহেব, আপনার প্রশ্নের উত্তর হলো ভাংচুরের হার বাংলাদেশেই বেশী।

আইয়ুব খান ও ১৯৭১ সালে হিন্দু-গণহ/ত্যার আত্মস্বীকৃতি ❝৯. একজন তরুণ সামরিক কর্মকর্তা, যাকে মানসিক চিকিৎসার জন্য CMH রাওয়ালপিন্ড
আইয়ুব খান ও ১৯৭১ সালে হিন্দু-গণহ/ত্যার আত্মস্বীকৃতি ❝৯. একজন তরুণ সামরিক কর্মকর্তা, যাকে মানসিক চিকিৎসার জন্য CMH রাওয়ালপিন্ডিতে আনা হয়েছে, সে আনুমানিক ১৪,০০০ মানুষকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সাধারণ চিন্তাটিই তাকে তীব্র খিঁচুনি ও দুঃস্বপ্নের মধ্যে ফেলে দেয়। ​১০.... হিন্দুদের দেখামাত্রই গুলি করা হয়। কোনো প্রশ্ন করা হয় না।❞ সূত্র: Diaries of Field Marshal Mohammad Ayub Khan, 1966-1972 > লেখক: মোহাম্মদ আইয়ুব খান > ১১ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ; পৃষ্ঠা ৪৯৯

যারা মনে করেন কেবল বড় বড় মূর্তি বানালেই সনাতন ধর্ম রক্ষা হবে, তাদের এই চিন্তা আসলে ভুল। আফগানিস্তানের বৌদ্ধরা বামিয়ানে বিশ
যারা মনে করেন কেবল বড় বড় মূর্তি বানালেই সনাতন ধর্ম রক্ষা হবে, তাদের এই চিন্তা আসলে ভুল। আফগানিস্তানের বৌদ্ধরা বামিয়ানে বিশ্বের সবচেয়ে অন্যতম বড় বুদ্ধমূর্তি স্থাপন করেছিল, অথচ আজ না সেই মূর্তি আছে আফগানিস্তানে, আর না বৌদ্ধধর্ম আছে!

ও৩ম্ ঈশ্বরের মুখ্য নাম। এছাড়াও বেদে পরমেশ্বরের অসংখ্য ( সহস্রাধিক) গুণবাচক নামের উল্লেখ রয়েছে। ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। কিন্তু তাঁর গুণ- মহিমা অসীম। সেই অসীম বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্যই বিভিন্ন গুনবাচক নামে আমরা ঈশ্বরকে স্মরণ করি। এই পোস্টে সেই গুণবাচক নামগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত ১০৮টি নাম উপস্থাপন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ময়মনসিংহ সদরের একটি মন্দিরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে প্রতিমা ভা*ঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ভোরে এ ঘট
বাংলাদেশে ময়মনসিংহ সদরের একটি মন্দিরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে প্রতিমা ভা*ঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘‘আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। এক যুবক মন্দিরের তালা ভেঙে প্রতিমা ভা*ঙচুর করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা যুবককে চিনতে পারেননি। বাইরে থেকে এসে এ ঘটনা ঘটানো হতে পারে। আমরা প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।’’ সোর্স: প্রথম আলো

নাশ্লীলং কীর্তয়েৎ কঞ্চিৎ প্রলাপং চ ন কারয়েৎ॥ = অশ্লীল ও নিরর্থক কথা বলা উচিত নয়। ~ শুক্রনীতি ৩.৬৩
নাশ্লীলং কীর্তয়েৎ কঞ্চিৎ প্রলাপং চ ন কারয়েৎ॥ = অশ্লীল ও নিরর্থক কথা বলা উচিত নয়। ~ শুক্রনীতি ৩.৬৩

✅ আদৌ এই দেশে প্রশাসন বলে কিছু আছে❓নাকি ধর্মীয় অনুভূতি, অবমাননার আইন কেবল একগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ❓

⚠️মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিষয়টি কী সাংবিধানিক নাকি অসাংবিধানিক ? একটু আলোকপাত করলে উপকৃত হতাম

জানতে হবে ইতিহাস ~ পর্ব ২১ আকবরের নির্দেশে যখন ৩০,০০০ কৃষককে হত্যা করা হলো, ৩০০ নারী 'জহর' পালন করলো ১৫৬৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে
জানতে হবে ইতিহাস ~ পর্ব ২১ আকবরের নির্দেশে যখন ৩০,০০০ কৃষককে হত্যা করা হলো, ৩০০ নারী 'জহর' পালন করলো ১৫৬৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৩শে ফেব্রুয়ারী আকবর চিতোরে প্রবেশ করেন। আকবরের বাহিনীর হাত থেকে সম্মান বাঁচাতে ৩০০ রাজপুত নারী আগুনে ঝাঁপ দিয়ে 'জহর' পালন করেন; দুর্গে গণহত্যা চালানো হয়। ৮ হাজার রাজপুত যোদ্ধা যুদ্ধ করে মৃত্যুবরণ করে। ৪০,০০০ কৃষক দুর্গরক্ষায় সহায়তা করে। ২৪শে ফেব্রুয়ারী আকবরের নির্দেশে ৩০,০০০ কৃষক যারা মন্দিরে বা ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল প্রাণরক্ষায় তাদের 'সাধারণ গণহত্যা'-র আদেশ জারি করে হত্যা করা হয়। বিশাল জনসংখ্যাকে বন্দি করা হয়। সূত্র: আবু ফজল রচিত 'আকবরনামা' ~ ২য় খণ্ড; H. Beveridge  অনূদিত, পৃষ্ঠা ৪৭২-৪৭৫